মাইন্ড হ্যাকিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মাইন্ড হ্যাকিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৯

দেমাগি মেয়ের অপমান

আগস্ট ২৯, ২০১৯ 0
দেমাগি মেয়ের অপমান ৮ম পর্ব লেখকঃ মোঃ আসাদ রহমান। "কোটচাঁদপুর" ঝিনাইদহ" নিচে নেমে দেখি দৃষ্টি মন খারাপ করে বসে আছে। আমি দৃষ্টির কাছে গেলাম। আমিঃকি ব্যাপার তোমার কি মন খারপ?? দৃষ্টিঃ ........... আমিঃকি হলো বলো,,এমন ভাবে বসে আছো কেনো?? দৃষ্টিঃ না তেমন কিছু হয়নাই... আমিঃকিছু একটা তো হয়েছে আমায় বলো প্লিজ সোনা বউ আমার। দৃষ্টিঃ আমার না আব্বু আম্মুর কথা খুব মনে পরছে,,আমি আব্বু আম্মুর সাথে অনেক অন্যায় করে ফেলেছি।আমি তাদের কাছে মাফ চাইবো,প্লিজ তাদের আমার কাছে এনে দে না। আমি মনে মনে বললাম তাদের সাথে একদিন খারাপ ব্যাবহার করে নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে কিন্ত্ আমার সাথে তো দিনের পর দিন খারাপ ব্যাবহার করেইছো আবার করেও দিচ্ছো সেই দিকে খেয়াল থাকে না।আসলেই তো পর তো পরই হয়.... আমিঃআচ্ছা আমি দেখি কি করতে পারি। দৃষ্টিঃ তোর কাছে আমি এটাই চাচ্ছি তুই প্লিজ তাদের আবার এই বাসায় ফিরিয়ে নিয়ে আয় না। আমিঃআচ্ছা আমি কালকেই তোমাদের গ্রামের বাসায় যাবো.... দৃষ্টিঃ কাল তো তোর যাওয়া হবে না.... আমিঃকেনো যাওয়া হবে না কেনো??? দৃষ্টিঃ কাল একটা মিটিং আছে আর আমাকে তোর হেল্প করতে হবে। আমিঃআচ্ছা মিটিং শেষ করে আমি কালকেই রওনা দিয়ে দিবো... দৃষ্টিঃ হ্যা ঠিক আছে,, আমিঃকিছু খেয়েছো?? দৃষ্টিঃ না খাইনি তবে খেয়ে নিবো আমাকে একবার জিজ্ঞাস করলো না,আমি খেয়েছি কিনা।থাক না জিজ্ঞাস করলো জিজ্ঞাস করলে আবার যদি মায়ায় পরে যায়।এমনিতেই যেই মায়াতে পরেছি সেটা থেকে বের হবো কি করে সেটাই জানিনা। বেশি মায়ায় জড়ালে,, আরো বেশি অপমান সহ্য করতে হবে।আমি জানিনা এর শেষ কবে হবে। আমি আমার রুমে চলে এলাম।কারন সকালে অফিসের কিছু কাজ এখন করে রাখবো তাহলে ফ্রি মাইন্ডে মিটিং এ মন দিতে পারবো। কাজ করতে করতে রাত প্রায় ১২টা বেজে গেছে। ঘুম পাচ্ছে খুব আমি দরজা না আটকিয়ে অল্প একটু খোলা রেখে কাজ করছিলাম হঠাৎ দরজার দিকে চোখ পড়তেই দেখি কিছুর একটার ছায়া দরজার সামনে থেকে সরে গেলো।কিসের ছায়া ছিলো সেটা দেখার জন্য আমি বাহিরে বের হলাম।কিন্তু বাহিরে কেও ছিলো না।রাত অনেক হয়েছে আর ঘুম পাচ্ছে তাই হয়তো ভুলভাল দেখেছি এতো কিছু না ভেবে ঘুমানোই উত্তম।তারপর রুমে গিয়ে শুয়ে পড়লাম।দৃষ্টিকে দেখতে ইচ্ছা করছিলো কিন্তু এতো রাতে দৃষ্টির রুমে গেলে দৃষ্টি হয়তো অনেক রেগে যাবে।থাক আজ আর যাবো না।অভ্যাস পাল্টাতে হবে দৃষ্টিকে দেখা ছাড়া থাকাতে হবে। কখন ঘুমিয়ে পরেছিলাম সেটা আমি জানিনা।সকালে কারো হাতের আলতো ছোয়ায় ঘুম ভাঙলো।চোখ খুলতে দেখি দৃষ্টি আমার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। আমিঃকি ব্যাপার তুমি এতো সকালে আমার রুমে কি করো?? দৃষ্টিঃ শুধু সকাল কি বলছো,আমি তো কাল রাত থেকেই এই রুমে ছিলাম... আমিঃমানে বুঝলাম না,, দৃষ্টিঃ তোর যে আবার জ্বর আসছে তুই বুঝতে পারছিলি নাহ?? আমিঃকই আমি যখন ঘুমাইলাম তখন তো আমি একদম ঠিক ছিলাম।। দৃষ্টিঃ ঠিক না ছাই,,কাল রাতে আমি পানি খেতে বাহিরে বের হয়েছিলাম,পানি খাচ্ছি তখন দেখি তোর রুম থেকে আওয়াজ আসছে।আমি শুনতে এলাম তোর রুমের দরজা খোলা ছিলো তাই ভেতরে আসি,আর এসে দেখি তুই শুয়ে আবোল তাবোল এটা ওটা বলছিস।আমি কি যেনো কি মনে করে তোর শরীরে হাত দিয়ে দেখি তোর আবার জ্বর আসছে। আচ্ছা এক কাজ করিস অফিসে বিকালের দিকে যাস কেমন শুধু মিটিংয়ে জয়েন করলেই হবে। আমিঃকেনো সকালে যাবো না কেনো?? দৃষ্টিঃ ভালো কোনো ডাক্তারের কাছে যা,আর ভালো করে পরিক্ষা নিরিক্ষা করে আয়।কেনো দুদিন পর পর এমন জ্বর আসে। আমিঃআচ্ছা আমি তাহলে ডাক্তার দেখিয়ে অফিস চলে যাবো.... দৃষ্টিঃ হ্যা তাই করিস। আমি উঠতে যাবো তখন সেকি তুই উঠছিস কেনো?(দৃষ্টি ) আমিঃমা মানে গতকাল কিছু রান্না করিনাই তো..?তাই এখন রান্না করবো... দৃষ্টিঃ থাক তোকে আর রান্না করতে হবে না। তুই শুয়ে থাক,,, আমিঃআমি শুয়ে থাকলে খাবো কি?? দৃষ্টিঃ অই তো তোর ব.....নাহ কিছু না,,আমি রান্না করে নিয়ে আসছি তুই একটু বিশ্রাম নে।দৃষ্টি চলে গেলো। আমি এই মেয়ের মতিগতি কিছুই বুঝলাম না।এই আমার সাথে এতো ভালো ব্যাবহার করছে তারপর আবার খারাপ ব্যাবহার করে।আসলে এই মেয়ে আমার কাছে কি চাই,বা এই মেয়ে আমাকে কি দিতে চাই, দৃষ্টি আবার আসলো। দৃষ্টিঃ আচ্ছা তোর তো প্রিয় খাবার************তাই না??? আমিঃহ্যা তুমি জানলে কি করে?? দৃষ্টিঃ তোর আম্মু বলেছিলো... আমিঃঅহহ, দৃষ্টিঃ আচ্ছা তুই যা ফ্রেশ হয়ে আবার শুয়ে থাকবি আমিঃহু………………………… আমি উঠে ফ্রেশ হতে গেলাম। হঠাৎ করেই কেনো জ্বর আসলো সেটা আমার মাথাই আসছে না।ভালো ডাক্তার দেখাতেই হবে। ফ্রেশ হয়ে এসে আমি নিচে গেলাম। দৃষ্টি আমাকে দেখে শাসন করা শুরু করে দিলো। দৃষ্টিঃ আব্বে অই হাদারাম তুই অসুস্থ শরীর নিয়ে নিচে এলি কেনো?? আমিঃনা মানে উপরে ভালো লাগছিলো না। দৃষ্টিঃ কেনো?? আমিঃআমার সোনা বউ নিচে কি করছে না করছে সেটা দেখতে ইচ্ছা করছিলো। দৃষ্টিঃ দেখা হয়ে গেছে যা এবার রুমে যা। আমি;আর একটু থাকি না একটু। দৃষ্টিঃ নাহ একটুও না।যা বলছি তাই কর রুমে যা আমিঃআচ্ছা যাচ্ছি,,একটা কথা বলি?? দৃষ্টিঃ হ্যা বল আমিঃতোমাকে না আজ বউ বউ লাগছে,, আমার কথা বলতে দেরি না দৃষ্টির রুম পরিবর্তন করতে দেরি নাই। দৃষ্টি আমার দিকে রাগি লুক নিয়ে চেয়ে আছে। আমিঃঅই তুমি অমন ভাবে তাকিয়ে আছো কেনো? আমার তো ভয় ভয় করে। দৃষ্টিঃ তুই উপরে যাবি নাকি অন্য ব্যাবস্থা নিতে হবে। আমিঃআচ্ছা যাচ্ছি এএএএএএএএইই আর কিছু মনে নেই, আমি সিড়িতে দাঁড়িয়ে দৃষ্টির সাথে কথা বলছিলাম,হঠাৎ করেই আমার মাথা ঘুরে গেছিলো আমি নিজেকে আর সামলাতে পারছিলাম নাহ আমি পরে গেছিলাম তারপর আর কিছু মনে নেই। জ্ঞান ফিরতে দেখি আমি দৃষ্টিকে রুমে শুয়ে আছি,আর দৃষ্টি আমার হাত ধরে আমার পাশেই বসে আছে,,তবে দৃষ্টিকে দেখে মন মরা লাগছে. দৃষ্টিঃ আচ্ছা তুই এতো কেয়ারলেস কেনোরে?? আমিঃকেনো আমি কি করেছি??😭😭 দৃষ্টিঃ আবার বলছে কি করেছি?অই তুই কিভাবে চলাফেরা করিস হা।তখন অইভাবে পরে গেছিলি কেনো? আমিঃআর বলো না হঠাৎ করেই মাথাটা চক্কর দিয়ে উঠলো আর আমিও তাল সামলাতে না পেরে পরে গেলাম। দৃষ্টিঃ এই জন্য তোকে নিচে নামতে না করেছিলাম, ভাগ্য ভালো অল্প কিছুর উপর দিয়ে সব গেলো।যদি বড় ধরনের কিছু হয়ে যেতো?? আমিঃকি হবে? দৃষ্টিঃ সেটা আর শুনে কাজ নেই।আমি খাবার নিয়ে আসছি তুই খেয়ে নে। আমিঃএই দাড়াও দাড়াও তুমি এখনো বাসায় কেনো??আজ না অফিসের মিটিং আছে। দৃষ্টিঃ ছিলো সেটা অন্য দিন হবে। আমিঃকেনো কেনো?? দৃষ্টিঃ মিটিং আমার কাছে অততা বড় নই যে বাসায় আর বললো নাহ আমিঃবাসায় কি বলো দৃষ্টিঃ কিছু না আমি খাবার নিয়ে আসছি। আমিঃধুর ভালো লাগে না তুমি সব সময়য় আমার কাছে এটা ওটা লুকাও কেনো??? দৃষ্টিঃ তোর সেটা না জানলেও চলবে। ধুর বাবা দৃষ্টি চলে গেলো। কিছুক্ষণ পর দৃষ্টি খাবার নিয়ে এসে হাজির। দৃষ্টিঃ এই নে এইগুলো খেয়ে নে..... আমিঃতুমি খেয়েছো?? দৃষ্টিঃ পরে খাবো,আমাকে খাবার বেরে দিতে দিতে আমিঃআচ্ছা চলো না দুজন একসাথে খাবার খাই?? দৃষ্টিঃ তোর খাবার তুই খা,,আমি পরে খেয়ে নিবো বললাম না,, তারপরেও এতো কথা বলার কি আছে শুনি?? আমিঃনা মানে ভাবলাম একসাথে খাবো। দৃষ্টিঃ অই বেশি কথা বলিস না চুপচাপ খেয়ে নে তো... আমিঃআচ্ছা খাচ্ছি সব সময় আমাকে বকা কেনো দাও শুনি?? দৃষ্টিঃ আমার ইচ্ছা হয় তাই দেই তোর কোনো সমস্যা আছে তাতে?? আমিঃনাহ আমার কেনো সমস্যা হতে যাবে তুমি তো আমার সোনা বউ তোমার বকা গুলোর মধ্যেও ভালোবাসা মিশে থাকে। দৃষ্টিঃ উফফ থাম না একটু আর খেয়ে নে।আর শুন না ডাক্তার দেখিয়ে তুই আর আমি গ্রামে যাবো কেমন?? আমিঃকেনো তুমি যাবা কেনো? দৃষ্টিঃ আমি গিয়া সরাসরি আব্বু আম্মুর কাছে মাফ চাইবো... আমিঃআচ্ছা ঠিক আছে তাহলে আমরা আজ বিকালে যাচ্ছি দৃষ্টিঃ আগে তোকে ডাক্তার দেখাবো তারপর যাবে। আমি;আমি তো এখন ঠিক আছি,, দৃষ্টিঃ চুপ তুই ঠিক নেই। আমিঃআচ্ছা আমি একাই খাচ্ছি তুমি খাবে,,এইই বলে আমি হাতে খাবার নিয়ে দৃষ্টির মুখের সামনে নিলাম। হায় হায় এটা আমি কি দেখলাম দৃষ্টি গপ করে খেয়ে নিলো। আমি তো আরো একবার অবাক হলাম। দৃষ্টিও মনে হলো কিছুটা অবাক হয়েছে,, কি কি করলাম? দৃষ্টি বসে না থেকে লাজুক একটা ভাব নিয়ে চলে গেলো। আমি খেয়ে বেরিয়ে দেখি দৃষ্টি রেডি হয়ে গেছে সেই নীল শাড়ী। দৃষ্টিঃ আমাকে বললো নীল পাঞ্জাবি টা পড়তে। আমি কি আমার বউয়ের আবদার পূরন না করে পারি। আমি সাথে সাথে নীল পাঞ্জাবি পরে নিলাম।দৃষ্টি আমাকে বললো কিছু জামা কাপড় নিয়ে যেতে যদি সম্ভব হয় তাহলে ডাক্তার দেখিয়েই নাকি গ্রামের বাড়ি চলে যাবে। আমি কিছু জামা কাপড় সাথে নিয়ে নিলাম। ডাক্তার দেখালাম বললো তেমনন কিছু না সিজন চেঞ্জের জন্য এমন হচ্ছে,,কিছু মেডিসিন দিলো বললো ঠিক মত খেলেই নাকি সুস্থ হয়ে যাবো। দৃষ্টি ডাক্তারকে বললো দৃষ্টিঃ আচ্ছা এই হাদারামকে একটা ইঞ্জেকশন দেন তো। ডাক্তারঃকেনো দৃষ্টিঃ এনি না সময় মত কিছুই করে না আর ঔষধ খাবার বেলায় তো আরো বাহানা। ডাক্তার আমাকে বললো আচ্ছা ম্যাম যা বলছে তা কি সত্যি আমিঃইয়ে না মানে..... ডাক্তারঃএটা কিন্তু অনেক খারাপ সময় মত ঔষধ গুলো খাবেন। আমিঃহ্যা আচ্ছা খাবো ডাক্তারঃকিছু মনে না করলে একটা কথা বলি?? আমিঃহ্যা বলেন, ডাক্তারঃআপনাদের দুজনকে তো ভালোই মানিয়েছে তবে কিছুর একটা অভাব আছে আমিঃকিসের অভাব ডাক্তারঃএকটা ছোট ছেলে বা মেয়ের আমি তখন মজা করে দৃষ্টিকে বললাম কি গো তোমাকে কতবার বলেছিলাম আমাকে একটা মেয়ে দাও কিন্তু তুমি দাওনি।দেখলে এখনো আমাদের পরিবার সম্পূর্ণ হয়নি। কথাটা দৃষ্টিকে রাগানোর জন্য বললাম। কিন্তু একি দৃষ্টি একটু রাগ করলো না।দৃষ্টিকে দেখে মনে হলো দৃষ্টি আমার কথা শুনে কিছুটা লজ্জা পেয়েছে,আর অনেক খুশি হয়েছে। দৃষ্টিঃ এইসব কথা পরে বলবো এখন চলো অনেক দূর যেতে হবে। আমি আরো একবার অবাক হলাম দৃষ্টি আমাকে তুমি করে বললো বলে। আমি তো খুশি মনে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বের হলাম গাড়িতে গিয়ে বসার পর আমার উপর শুরু হলো নির্যাতন... দৃষ্টিঃ অই তুই তখন কি যেনো বলছিলি?? আমিঃকি বললাম আমি? দৃষ্টিঃ আমি তোকে বাচ্চা দিবো তাই না,কোনো দিন পাবি না তুই... আমিঃঅমন করো কেনো বলছো স্ত্রীর অধিকার দাওনা সেটা ঠিক আছে,,কিন্তু আব্বু ডাক শোনার সুযোগ তো দাও। দৃষ্টিঃ উফফ তুই চুপ কর তো(খেয়াল করলাম লজ্জায় আমার বউটার মুখ একদম লাল হয়ে গেছে। আমিঃকি গো বউ বলো কিছু দৃষ্টিঃ এখন আমি গাড়ি চালাবো তুই একদম চুপ থাকবি একটাও কথা বলবি না। আমিঃকথা বললে কি হবে শুনি?? দৃষ্টিঃ আমি তোকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিবো... আমিঃতোমাকে আর কষ্ট করতে হবে না,আমি একাই নেমে যাচ্ছি দৃষ্টিঃ এই না না তুই কথা বল,কিন্ত প্লিজ বউ বাচ্চা এই সব নিয়ে কিছু বলবি না, আমিঃআচ্ছা বলবো না আমি অন্য কিছু বলবো না। দৃষ্টিঃ হ্যা ঠিক আছে,,অনেক ভালো হবে তাহলে দৃষ্টি গাড়ি চালাতে শুরু করে দিছে,, ঢাকা থেকে বেরিয়ে গেছি এখন রাস্তা প্রায় জ্যাম মুক্ত। খুব ভালো লাগছে।আমি চুপচাপ সেগুলো দেখছি হঠাৎ দৃষ্টি বললো অই তুই এতো চুপ হয়ে গেলি কেনো?? আমিঃকি বলবো তুমি তো চুপচাপ থাকতে বললে।। দৃষ্টি তাই বলে এতো চুপ হয়ে যাবি,কিছু তো বল। আমিঃনা থাক তুমি গাড়ি চালাও,,আমি প্রকৃতি দেখি দৃষ্টিঃ প্লিজ একদম চুপ হয়ে যাস না।আচ্ছা তোর যা খুশি বল তবুও এমন চুপ থাকিস না। আমি;না এমনি খুব ভালো লাগছে,কথা বলতে গিয়ে কখন কি বলে ফেলবো আর তুমি সেটা নিয়ে রাগ করবে।তার থেকে ভালো চুপচাপ আমরা গ্রামে চলে যাই।বাসায় গিয়ে তো তোমাকে ডিস্টার্ব করবো। রাস্তায় না হয় তোমাকে ডিস্টার্ব নাই করলাম। দৃষ্টিঃ তার মানে তুই কথা বলবি না তো... আমিঃএখন আর না, দৃষ্টি গাড়ি রাস্তার একপাশে দাড় করালো, আমিঃএই তুমি গাড়ি দাড় করালে কেনো?? দৃষ্টি কিছু না বলেই গাড়ি থেকে নেমে গিয়ে রাস্তার একপাশে দাঁড়ালো। কি হলো মেয়েটার আমি গাড়ি থেকে নেমে দৃষ্টির কাছে গেলাম। আমিঃকিহলো তুমি এখানে দাঁড়ালে কেনো?? দৃষ্টিঃ আমার ইচ্ছা হয়েছে তাই দাঁড়িয়েছি। আরে এই মেয়ে এতো রেগে গেছে কেনো আমিঃএই তুমি কি রাগ করেছো?? দৃষ্টিঃ জানিনা তার মানে রেগে গেছে আমি তো কিছু করিনাই তাহলে এই মেয়ে এতো রেগে গেলো কেনো তবে একটা বিষয় রাগলে দৃষ্টিকে সেই ডাইনি ডাইনি লাগে চলবে

দেমাগি মেয়ের অপমান

আগস্ট ২৯, ২০১৯ 0
দেমাগি মেয়ের অপমান ৭ম পর্ব লেখক:মোঃ আসাদ রহমান কোটচাঁদপুর"ঝিনাইদহ দৃষ্টিঃ অই তুই পেয়েছিস কি শুনি?তুই আমার উপর অধিকার বোধ ফলাতে আসবি না,,বলে দিলাম।আর আমি কি তোর কথা মত চলবো নাকি?গাইয়া পোলা দূর হবি আমার সামনে থেকে,, আমিঃদেখো তুমি এখন আমার বিয়ে করা সোনা বউ,আর আমি না কোনো স্বামী কি চাইবে তার স্ত্রী ছোট ছোট জামা পরে বাহিরে বের হোক।তুমি এই জামা পরে বের হলে লোকে তোমার দিকে খারাপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবে যেটা আমার ভালো লাগবে না দৃষ্টিঃ তোর ভালো লাগা না লাগাই আমার কিছু যায় আসে না।আমি এখন এটা পরেই বের হবো পাড়লে আটকিয়ে দেখা কেমন। আমিঃশুনো তোমাকে আটকাতে পারবো না এটা আমি খুব ভালো ভাবেই জানি,,কিন্তু তারপরেও তোমাকে আমি অনুরোধ করছি তুমি প্লিজ এই জামা পরে বের হয়ো না।তুমি তো বাঙলী নারী তোমাকে শাড়িতে অনেক ভালো মানায় তুমি শাড়ি পরে বাহিরে যাও।দেখবে তোমারো ভালো লাগবে আর অন্য লোক তোমার দিকে খারাপ নজরে তাকাবে না। দৃষ্টিঃ এই তোর এই গ্রাম্য ভাষণ বন্ধ কর আর আমার সামনে থেকে সড়... আমিঃতাহলে তুমি এই জামা পরেই বের হচ্ছো?? দৃষ্টিঃ হ্যা এই জামা পরেই বের হবো তোর কোনো সমস্যা?? আমি আর কিছু বললাম না বলেও লাভ কি শুধু শুধু অপমানিত হবো নাকি?? তার থেকে ভালো দৃষ্টি যেভাবে যেতে চাই যেতে দেই।একদিন নিজের ভুল নিজেই বুঝতে পারবে। তা দৃষ্টির সামনে থেকে আমি সরে গেলাম আর দৃষ্টি হাতে গাড়ির চাবি নিয়ে বের হয়ে গেলো.... আমি বসে পড়লাম নিজেকে খুব একা লাগছে। আমি বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও আজো বউকে আপন করে পেলাম না ।। আর এতো বড় বাসায় আমি এখন একা কার ভালো লাগে এইভাবে একা বসে থাকতে।দৃষ্টি চলে গেছে অনেকক্ষণ হয়ে গেছে আমি বসে ছিলাম।হঠাৎ দৃষ্টির বলা কথা গুলো মনে পড়লো দৃষ্টি আমাকে বলেছিলো যে এখন থেকে নাকি আমাকেই রান্না করে খেতে হবে.... হারামি বউ এতো কিউট একটা স্বামী তাকে দিয়ে রান্না করাবে।অন্য মেয়েকে বিয়ে করলে সেই মেয়ে মেয়ে আমাকে মাথায় তুলে নাচতো।আর এনি তো আমাকে পিষে মারতে চাচ্ছে।যাই হোক দৃষ্টি যেহেতু বলেছে সেহেতু আমাকেই রান্না করে খেতে হবে।তাছাড়া কোনো উপায় নেই।নিজের রান্না নিজে না করলে না খেয়ে মরতে হবে।আমি রান্না ঘরে চলে গেলাম,,আমি গ্রামে যখন ছিলাম আম্মুর পাশে বসে থাকতাম রান্না দেখতাম অনেক কিছু শিখেছি,,আমি ভাত রান্না করলাম জানিনা কেমন হয়েছে?? তারপর ডিম ভাঁজলাম অহহ হ্যা ডিমের জন্য পেয়াজ কাটতে গিয়ে আমার আঙুল বেচারা কেটে গেছে অনেক রক্ত বের হয়েছে বাহিরে বের হয়ে একটা কাপড় দিয়ে কাটা যায়গা ভালো করে বেধে নিয়েছিলাম তারপর ডিম ভাজি করেছিলাম। রান্না করতে করতে রাত ৯টা৩০ বেজে গেছে।তখনো দৃষ্টি বাসায় ফিরেনি... ৯টা৪৭ এ কলিং বেলের শব্দ শুনতে পেলাম খলে দেখি আমার দেমাগি বউ দাঁড়িয়ে আছে। দৃষ্টি আমাকে কিছু না বলে ভেতরে চলে আসলো দৃষ্টির হাতে খাবার ব্যাগ ছিলো দুটো। কিন্তু দুটো কেনো সেটা মাথায় আসছিলো না। দৃষ্টি খাবারের প্যাকেট গুলো রেখে উপরে চলে গেলো ১০ মিনিট পর আবার ফিরে আসলো।এসে খাবার টেবিলে বসে পড়লো। দৃষ্টিঃ কিরে অই ভাবে দাঁড়িয়ে আসিস কেনো?? আমিঃনাহ এমনি দৃষ্টিঃ কিছু খেয়েছি?? আমিঃনাহ খাইনি খাবো... দৃষ্টিঃ আচ্ছা আয় খেতে আয়!!আমি আমার রান্না করা ভাত আর ডিম ভাজি নিয়ে খাবার টেবিলে চলে গেলাম। দৃষ্টিঃ কিরে তোর হাতে অই গুলো কি?? আমিঃতুমি তো বলেছিলে আজ থেকে নাকি আমার খাবার আমাকে রান্না করে খেতে হবে,,তাই তো রান্না করলাম। দৃষ্টিঃ আচ্ছা তোর খাবার গুলো কালকে খেয়ে নিস কেমন।আজ আমি যেগুলো নিয়ে এসেছি সেই গুলো খাবি ওকে... আমি;কিন্তু আমি যে রান্না করলাম?? দৃষ্টিঃ কাল সকালে খেয়ে নিস... আমিঃআচ্ছা ঠিক আছে,, দৃষ্টি নিজের হাতেই খাবার গুলো বেড়ে দিলো,, কিন্তু আমি তো হাত কেটে ফেলেছি খাবো কি করে??? চামচ দিয়ে খাওয়ার অভ্যাস আমার নেই। আমি খাবার গুলো সামনে নিয়ে বসে আছি. দৃষ্টিঃ কিরে তুই অমন ভাবে বসে আছিস কেনো?? আমিঃনা এমনি দৃষ্টিঃ তখন বললো কিরে তোর হাতে কাপড় বাধা কেনো শুনি?? আমিঃনা মানে পিয়াজ কাটতে গিয়ে হাত কেটে ফেলছি... দৃষ্টিঃ উফফফ একটু দেখে শুনে কাজ করবি তো। আমিঃআমি কি জানতাম সে হাত কেটে যাবে হঠাৎ করেই কেটে গেলো।। দৃষ্টিঃ ভালো হয়েছে এখন থাক না খেয়ে,, আমিঃএই তুমি আমাকে খাইয়ে দিবে?? দৃষ্টিঃ না আমি পারবো না। আমি আর কিছু বললাম না যে মেয়ে আমাকে সহ্য করতে পারে না সেই মেয়ে আমাকে খাওয়ে দিবে এটা স্বপ্নে ভাবা হয়তো ঠিক হবে। দৃষ্টিঃ তোর কি খুব খিদে পেয়েছে?? আমিঃহ্যা খুব দৃষ্টিঃ আচ্ছা এই নে হা কর(আমার দিকে খাবার এগিয়ে দিয়ে) আমি গপ করে খেয়ে ফেললাম। কিন্তু ভেবে পাচ্ছিলাম না দৃষ্টি কেনো আমাকে খাইইয়ে দিলো। দৃষ্টি আমাকে খাইয়ে দিচ্ছে আর আমি খাচ্ছি অনেক রোমান্টিক একটা মোমেন্ট ছিলো। দৃষ্টিঃ অই তুই আবার এটা ভাবিস না খাইয়ে দিচ্ছি বলে আমি তোকে ভালোবাসি আসলে তুই না খেয়ে থাকবি সেটা আমার কেমন জানি লাগছিলো তাই খাইয়ে দিলাম।যা এবার রুমে যা আমিঃতুমি কি করবে। দৃষ্টিঃ অফিসের কিছু কাজ আছে সেগুলো শেষ করে আমিও যাবো আমি;আচ্ছা তাড়াতাড়ি এসো কিন্তু?? দৃষ্টিঃ তোর কাছে শুনে যাবো নাকি?? যাহ এখন এইখানে থেকে ভাগ বুঝিনা এই মেয়ে এই ভালো ব্যাবহার করে আবার এই খারাপ ব্যাবহার করে আসলে এই মেয়ে চাইকি?? আমি রুমে চলে আসছি। দৃষ্টিও চলে আসলো কিছুক্ষণ পর এসে দৃষ্টিঃ কিরে তুই আমার বিছানায় শুয়ে আছিস কেনো?? আমিঃবারে এটা তোমার একার বিছানা নাকি এটা তো আমারো বিছানা... দৃষ্টিঃ দেখ ভুলেও এই কথা ভাববি না এটা শুধু মাত্র আমার একার বিছানা।এই বিছানায় আমি একাই থাকবো একা। আমিঃকেনো আমি থাকলে সমস্যা কোথায়?? দৃষ্টিঃ সেটা তুই বুঝবি না,আর তুই আজ থেকে অন্য রুমে গিয়ে ঘুমাবি,,এই রুম থাকতে পারবি না... আমিঃকিন্তু আমার তো তোমাকে ছাড়া ভালো লাগে না দৃষ্টিঃ উফফ তোর ন্যাক ন্যাকা কথা বন্ধ করবি।যা এখন এইই রুম থেকে বের হয়ে, যা। আমি;না আমি বের হবো না?? দৃষ্টিঃ তুই বের হবি না তোর ঘাড় বের হবে।এই বলে দৃষ্টি একপ্রকার জোড় করে আমাকে রুম থেকে বের করে দিলো।বেড় করে দেওয়ার পর দৃষ্টি রুমের দরজা বন্ধ করে দিলো। কি আর করার পাশের রুমে গিয়েই আজকে ঘুমাতে হবে।বউতো সাথে থাকতে দিলো না।পাশের রুমে গিয়ে শুয়েছি কিন্ত কিছুতেই ঘুম আসছে না বার বার দৃষ্টিকে দেখতে ইচ্চা করছে।এতোদিন তবুও আমি মাঝ রাতে ঘুম থেকে উঠে দৃষ্টিকে দেখেছি,,কিন্তু আজ থেকে সেটা আর হবে না।এই কথা যখন ভাবছিলাম বুকের মধ্যে কেমন জানি করে উঠছিলো।কিন্তু কোনো উপায় তো নেই।ঘুমহীন কাটলো সারারাত সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে নিলাম।আমি উঠে দেখি দৃষ্টি রান্না করছে,,আমি কিছু বললাম না মানে দৃষ্টিকে শুধু শুধু বিরক্তা করবো না যে নিজেই চাই না,,আমি তাকে কেনো বিরক্ত করবো।আমি আমার রান্না করা বিরিয়ানি থুক্কু ভাত আর ডিম ভাজি নিয়ে খেতে বসে পড়লাম।যেই একটু মুখে দিয়েছি মনে হলো এর থেকে অখাদ্য আর হয়না।ডিম ভাজিতে প্রচুর লবন হয়েছে,,,যার ফলে খাওয়া যাচ্ছে না।কিন্তু কিছুই করার নাই তো নিজের খাবার নিজের জন্য রেঁধেছি অখাদ্য হলেও খেতে হবে,আর না খেলে মরে ভূত হতে হবে,,কোনো রকম খাওয়া দাওয়া শেষ করে আমি অফিসের জন্য রেডি হলাম„„,রেডি হয়ে এসে দেখি দৃষ্টি খাচ্ছে। আমিঃএই তুমি অফিস যাবে না?? দৃষ্টিঃ হ্যা যাবো তো... আমিঃতাহলে দুজন একসাথে যাবো কি বলো?? দৃষ্টিঃ তুই কি করে ভাবলি আমি তোকে আমার সাথে অফিস নিয়ে যাবো শুনে যদি তুই ভেবে থাকিস আমি তোকে আমার সাথে অফিস নিয়ে যাবো তাহলে তুই ভুল ভেবেছিস.... আমিঃকেনো ভুল ভাববো কেনো??? দৃষ্টিঃ তোর মত গাইয়া একটা ছেলেকে কি আমি আমার সাথে করে অফিস নিয়ে যাবো নাকি শুনি?? যা এখন সামনে থেকে দূরে যা। আমি বুঝি না দৃষ্টি এমন করে কেনো?? আমি কি কোনো দোষ করেছি?? চলে এলাম বাসার বাইরে।একটা রিক্সা নিলাম বাসা থেকে অফিস যেতে ২০ মিনিট লাগলো। অফিস গিয়ে নিজের কাজে মন দিলাম।এখন আমি অফিসের প্রায় সব কাজ কম বেশি পারি।এজন্য অফিসের সকলের কাছে প্রিয় হয়ে উঠতে বেশি সময় লাগেনি।এখন বাসা টু অফিস-----আর অফিস টু বাসা এইভাবেই চলতে লাগলো আমাদের দিনকাল তবে এখন দৃষ্টি আগের তুলনায় আমার উপর বেশি বিরক্ত বোধ করে।আগে তবুও জিজ্ঞাস করতো খেয়েছি কিনা??এখন সেটুকু জিজ্ঞাস করে না।আগে তবুও মাঝে মাঝে মাঝে মজার কিছু কথা হতো কিন্তু এখন সেটাও হয়না।এখন বলতে গেলে প্রয়োজন ছাড়া কথা একদক অফ।আমি অনেক কথা বলতে চেষ্টা করি,,কিন্তু দৃষ্টি সেগুলো এড়িয়ে যায়।আমি তবুও দৃষ্টির সাথে কথা বলতে চাই।কিন্ত দৃষ্টি আমার উপর রেগে যায়।৭দিন পর অফিসের একটা প্রজেক্টের কাজ আমাকে দেওয়া হয়েছে,দৃষ্টির পরেই আমার স্থান।তাই আমাকে অনেক কাজের চাপ সামলাতে হয়।সবাই ঠিক মত কাজ করছে কিনা?সবার কাজ গুলো ঠিক মত হচ্ছে কিনা?যদি কেও ভুল করে সেই ভুল গুলো আমাকে ঠিক করে দিতে হয়।এক কথায় অফিস টাইম এ আমার বিশ্রাম নেবার সময় টুকু নেই।অনেক সময় মাথা কাজ করে না চিনচিন ব্যাথা করে তবুও কাজ গুলো করি।হাজার হোক এখন তো এটা আমার বউয়ের কোম্পানি।প্রজেক্টের জন্য প্রায় সকল কাজ শেষ,, কিন্তু ঝামেলা হলো ইমন সাহেবকে নিয়ে।সে এক যায়গায় ভুল করে ফেলেছে,কোনো উপায় না পেয়ে নতুন করে সেটা করতে হবে, তাই আমি আমার কেবিনে চলে গেলাম।আর করিম সাহেব কে মানে অফিসের পিয়নকে বলেছিলাম যেনো অই ফাইল ম্যাডামকে না দেয়,দিলে ঝামেলা হয়ে যাবে।আমি আমার কেবিনে বসে মন দিয়ে ফাইল রেডি করছিলাম,,ফাইল রেডি করা শেষ তখন পিয়ন এসে আমাকে বললো স্যাম ম্যাডাম আপনাকে বাহিরে ডাকছে,আমি বললাম তুমি যাও আমি আসছি। ফাইল ঠিক ঠাক করে সেটা নিয়ে আমি আমার কেবিন থেকে বের হলাম।বাহিরে বের হয়ে দেখি দৃষ্টি চেঁচামিচি করছে,আমি দৃষ্টির কাছে গিয়ে জিজ্ঞাস করলাম কি হয়েছে এমন ভাবে চিৎকার। করছো কেনো?? দৃষ্টি কিছু না বলে কিছু না শুনে আমাকে একটা চড় বসিয়ে দিলো। তারপর অই ছোটলোক তুই এটা কি করেছিস এত বড় একটা প্রজেক্টের ফাইল তুই কিভাবে এত বড় ভুল করলি,,অহহ ভুল তো তোর না ভুল আমার তোর মত একটা গাইয়া ছেলেকে এতো বড় দায়িত্ব দেওয়া আমার অনেক বড় ভুল হয়ে গেছে,, আমিঃদেখো আমি কিন্তু.. দৃষ্টিঃ তুই কিন্তু কি হা,,কি বলবি তুই??তোর মত ছোট লোক কি করে বুঝবে এই ফাইলের মূল্য।অফিসের সবার সামনে দৃষ্টি আমাকে যা ইচ্ছা তাই বলে অপমান করতে লাগলো,একসময় ইমন সাহেব বললো ম্যাম আমার কিছু কথা আছে.. দৃষ্টিঃ আপনাদের কথা পরে শুনবো আগে এই ছোটলোকের একটা ব্যাবস্থা করে নেই... ইমনঃনা মানে ম্যাম স্যারের কোনো দোষ নেই,,আসলে অই ফাইল টা আমি রেডি করেছি,আমি ভুল করেছিলাম ম্যাম। দৃষ্টিঃ স্যার কে বাচাতে আপনি মিথ্যা কথা কেনো বলছেন?? ইমনঃনাহ ম্যাম আমি সত্যি বলছি বরং স্যার আমাকে বাচাতে চুপ করে আছে দৃষ্টিঃ এই মামুন উনি যা বলছে তা কি সত্যি আমি কিছু না বলে দৃষ্টির হাতে নতুন ফাইল ধরিয়ে দিলাম। দৃষ্টি সেটা নিয়ে আমার দিকে অপরাধির দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে ছিলো।তারপর কিছু না বলে মাথা নিচু করে চলে গেলো। দৃষ্টি চলে যাবার পর ইমন সাহেব আমার কাছে এসে বললো স্যার আমার জন্য আপনাকে অপমান সহ্য করতে হলো আমাকে মাফ করে দিন স্যার। আমিঃআরে আরে কি করছেন আর কি বলছেন? ভুল তো মানুষেরি হয় তাইনা। আর আপনি যেমন ভুল করেছেন তেমন ম্যাম না জেনে একটা ভুল করে ফেলেছে। এটা নিয়ে কিছু ভাব্বেন না,,আপনি কাজে মন দিন। তখন রিমা মানে আমার সহকারী বললো ম্যাম তো ভাগ্যা করে আপনার মত স্বামী পেয়েছিলো। কিন্তু সেটাকে এমন ভাবে অবহেলায় হারাচ্ছে। আমি যদি আপনার মত কাওকে পেতাম বা আপনাকেই পেতাম আমি মাথায় করে রাখতাম। দৃষ্টি আবার চলে এসেছিলো আর দৃষ্টি রিমার বলা কথাটা শুনে কিছুক্ষনের জন্য নিরব পাথরের মত হয়ে গেছিলো। তারপর নিজেকে স্বাভাবিক করে নিয়ে বললো এখনো এখানে সবাই কি করছেন যান যার যার কাজে জান। তারপর যে যার যার কাজে চলে গেলো। সারাদিনের কাজ শেষ করে বাসায় ফিরলাম,, দৃষ্টি আমার আগেই গাড়ি নিয়ে চলে এসেছিলো। মন খারাপ তাই বাসায় গিয়ে আর রান্না করবো না বলে বাহির থেকে খাবার কিনে বাসায় গেলাম। প্রতিদিন বাসায় গিয়ে রান্না করি,,সারাদিনের কাজের পর যেটা একদম ভালো লাগে না।আরর তার উপর আজকে শুধু শুধু এত অপমান। বাসায় গিয়ে কলিং বেল না চেপেই আমার কাছে থাকা চাবি দিয়ে দরজা খুলে ভেতরে গেলাম ভেতরে প্রবেশ করে দেখি দৃষ্টি বসে আছে। আমি সেদিকে খেয়াল না করে কোনো কথা না বলে আমার রুমে চলে গেলাম।কিছুক্ষণ পর নিচে এসে দেখি দৃষ্টি একই ভাবে মন খারাপ করে বসে আছে দেখে মনে হচ্ছে মন খারাপ চলবে

দেমাগি মেয়ের অপমান

আগস্ট ২৯, ২০১৯ 0
দেমাগি মেয়ের অপমান ৬ষ্ঠ পর্ব লেখকঃ মোঃআসাদ রহমান কোটচাঁদপুর,,ঝিনাইদহ দৃষ্টি এখন চুপ থাক তো আমাকে আমার কাজ করতে দে কেমন? আমি আর কিছু না বলে চুপ হয়ে গেলাম।বউ সেবা করছে বেশি কথা বললে যদি বউ রেগে যায় তাহলে তো আমার খবর আছে।বউ এর সেবাও পাওয়া হবে না।আর বউয়ের হাতে হয়তো কিছু কিল ঘুষি খেতেও হতে পারে।মাথায় পানি দেওয়া শেষ করে দৃষ্টি আমার মাথা মুছে দিলো তারপর গা মুছে দিতে লাগলো। আমিঃআরে আমার কাতুকুতু লাগছে। দৃষ্টিঃ চুপ থাক আমার কাজ করতে দে? আমিঃআমার সত্যি অনেক কাতুকুতু লাগছে। দৃষ্টিঃ আর একটু সহ্য কর,,প্রায় হয়ে গেছে দৃষ্টি আবার আমার গা মুছে দিতে লাগলো অন্যদিকে আমার কাতুকুতুতে আমি তো শেষ আমি একদম কাতুকুতু সহ্য করতে পারি নাহ। শরীর মোছা শেষ হয়ে গেছে দৃষ্টি বললো যা এবার তুই বিছানায় গিয়ে শুয়ে পর। আমিঃতুমি কোথায় শুবেবে?? দৃষ্টিঃ আমি পাশের রুমে গিয়ে শুয়ে পরবো। আমিঃকেনো আমার সাথেই থাকো?? দৃষ্টিঃ সেটা বয়েই গেছে তোর সাথে শুয়ে থাকার কোনো মানেই হয়না। আমিঃআচ্ছা আমি শোফার ঘুমাচ্ছি,,তুমি বিছানায় শুয়ে থাকো। দৃষ্টিঃ নাহ আজ আর তোকে শোফায় শুয়ে থাকতে হবে না।তুই বিছানাগ ঘুমা। আমিঃকিন্তু...... দৃষ্টিঃ কোনো কিন্তু নয় চুপচাপ শুয়ে থাক কেমন,আর শুন দরজা খোলা থাক,আমি মাঝে মাঝে এসে তোকে দেখে যাবো। আমিঃআচ্ছা তোমাকে আর কষ্ট করে আসতে হবে না। দৃষ্টিঃ চুপ থাক আমি কি করবো কি করবো না সেটা আমার ব্যাপার তোকে এতো না ভাবলেও চলবে। আমিঃকিন্তু তোমার তো রাত জাগার অভ্যাস নাই। দৃষ্টিঃ অই তুই এতো কথা বলছিস কেনো হুম। ঘুমা এবার? আমিঃআচ্ছা বউ গুড নাইট,, দৃষ্টিঃ আচ্ছা গুড নাইট তারপর দৃষ্টি চলে গেলো।আমি বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়লাম।অনেক দিন পর বিছানায় শোবার সুযোগ এসেছে আহা কতদিন বিছানায় ঘুমাই না। বউ এতো ভালো হলো কেনো?নাকি এই ভালো হবার পিছনে অন্য কোনো কারন আছে?? নাহ বাবা এখন আর এতো ভেবে কোনো কাজ নেই পরের টা পরেই দেখা যাবে এখন ঘুমাই।ঘুমিয়ে পড়লাম পরদিন সকালে দৃষ্টি এসে আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তুললো দৃষ্টি এসে আমাকে ডেকে তুললো দৃষ্টিঃ মামুন এই মামুন উঠ আর কত ঘুমাবি?? আমিঃহুম আর একটু ঘুমাবো। দৃষ্টিঃ নাহ সেটা চলবে না তাড়াতাড়ি উঠ,ফ্রেশ হয়ে কিছু খেয়ে নে তোকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাবো। আমি উঠতে উঠেতে বললাম কেন ডাক্তারের কাছে যাবো কেনো। দৃষ্টিঃ আরে অই হাদারাম কাল যে তোর এতো জ্বর ছিলো সেটা ভুলে গেল সারা রাত আমাকে একটু ঘুমাতে দেস নাই।আমি আজ আর জাগতে পারবো না।তাই তোকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবো। আমিঃঅহহ আচ্ছা ঠিক আছে আমি এক্ষুনি ফ্রেশ হয়ে আসছি। দৃষ্টিঃ হুম তাড়াতাড়ি করবি। আমিঃআচ্ছা বউ সোনা বউ একটা কথা বলি?? দৃষ্টিঃ হ্যা বল? আমিঃতোমাকে একটা চুমু দেই? দৃষ্টিঃ তবেরে হারামজাদা দারা দেখাচ্ছি তোর মজা। আমি ভয় পেয়ে তাড়াতাড়ি ওয়াশরুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলাম।ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে দেখি দৃষ্টি রুমে নেই গেলো কই মেয়েটা? নিচে গিয়ে দেখি তো? হ্যা আমার সন্দেহ ঠিক দৃষ্টি নিচে ছিলো দেখি দৃষ্টি শশুরের সাথে কি নিয়ে জেনো কথা বলছে।আমাকে দেখে দৃষ্টি বললো চল খেতে চল আর আব্বু তুমিও চলো খাবো তারপর সবাই মিলে খেতে বসে গেলাম।খাওয়া দাওয়া শেষ করে আবার রুমে চলে গেলাম।দৃষ্টি রুমে এসে বললো অই তুই একটু বেরো তো? আমিঃকেনো বের হবো কেনো?? দৃষ্টিঃ আমি চেঞ্জ করবো? আমি;তো আমার সামনেই করো না।আমি না তোমার স্বামী,, দৃষ্টিঃ দেখ বেশি কথা বলবি না।বের হতে বলেছি তুইই বের হবি। আমিঃআচ্ছা বের হচ্ছি দৃষ্টিঃ হুম আর শুন তুই অন্য রুমে গিয়ে রেডি হয়ে নে কেমন? আমিঃআচ্ছা ঠিক আছে তারপর আমি জামা কাপড় নিয়ে অন্য রুমে চলে গেলাম।আমার তো ৫ মিনিট লাগলো রেডি হতে কিন্তু দৃষ্টির তো হতেই চাচ্ছে না। অনেকক্ষন পর দরজা খুললো বাহ বাহ এটা আমি কাকে দেখছি একটা নিল পরি দৃষ্টি একটা নীল শাড়ি পরেছে। একদম নীল পরীদের মতো লাগছে। আমি দৃষ্টির দিকে হা করে তাকিয়ে আছি। দৃষ্টিঃ আরে কি দেখিস অমন করে। আমিঃ নীল পরী। দৃষ্টিঃ পরী মানে?? আমিঃআমার বউ তো একটা পরী। দৃষ্টিঃ অই তোর নেকা নেকা কথা বন্ধ কর। আমিঃঅই তুমি আমার কথা শুনলে এমন কেনো করো?? তোমার কি ইচ্ছা করে না আমার সাথে ভালো ভাবে কথা বলতে?? দৃষ্টিঃ না তোর সাথে ভালোভাবে কথা বলতে আমার ইচ্চা করে না।চল এবার আমিঃনা আমি যাবো না.. দৃষ্টিঃ আবার কি হলো?? আমিঃভালো করে বলো.. দৃষ্টিঃ ভালো করে মানে কিভাবে বলবো?? আমিঃতুমি করে বলো,, দৃষ্টিঃ উফফ তোকে নিয়ে আর পারি না।আচ্ছা চলো এবার। আমিঃঠিক আছে সোনা বউ চলো। দৃষ্টি আর আমি বের হলাম।ডাক্তার দেখানোর পর দৃষ্টি আমাকে বললো আচ্ছা চলল আজকে তোমে একটু শহর ঘুরে দেখাই। আমি তো মনে হয় আকাশ থেকে পড়লাম দৃষ্টি এই কথা বলবে সেটা তো আমি কল্পনাও করতে পারি নাই। যাই হোক বলেছে যখন তখন আর এই সুযোগ হাত ছাড়া করবো না। আমিঃআচ্ছা চল কোথায় নিয়ে যাবা?? দৃষ্টিঃ অনেক যায়গায় যাবো তুই শুধু চুপচাপ বসে থাকবি তারপর আমি আর দৃষ্টি অনেক যায়গায় ঘুরলাম।রাত করে বাসায় ফিরলাম। বাসায় আসার পর আমাকে আর দৃষ্টিকে দেখে শশুর শাশুড়ি তো মনে হয় অনেক খুশি হয়েছে। শশুরঃকি ব্যাপার দুজনকে এতো খুশি লাগছে কেনো?? আমিঃনা মানে আব্বু আজকে বউয়ের সাথে অনেক ঘুরলাম তো তাই.. শশুরঃআচ্ছা যাও ফ্রেশ হয়ে আসো সবাই খাবো দৃষ্টিঃ না বাবা আজকে আর খাবো না।আমার খুব ক্লান্ত লাগছে। আমিঃআব্বু আমিও খাবো না,আমারো খুব খারাপ লাগছে শশুরঃএমন বউ পাগলা হয়েছে যে বউউ খাবে না বলে উনিও খাবে না। কথাটি শুনে আমি কিছুটা লজ্জা পেলাম। তারপর আমি আর দৃষ্টি মিলে রুমে চলে গেলাম। ফ্রেশ হয়ে এসে বসে আছি তখন দৃষ্টিঃ এই তুই। ঔষধ খেয়েছিস?? আমিঃনাহ কি করে খাবো ঔষধ খাবাফ আগে যে কিছু খেতে হয়? দৃষ্টিঃ তাহলে যা নিচে গিয়ে কিছু খেয়ে আয়। আমিঃতাহলে তুমিও চলো. দৃষ্টিঃ আমার খেতে ইচ্ছা করছে না তুই যা খেয়ে আয়। নাহ আমি তোমাকে ছাড়া কিচ্ছু খাবো নাহ। দৃষ্টিঃ আচ্ছা চল আমিও খাবো আমিঃএই তো আমার লক্ষি বউ আমাকে কত ভালোবাসে। দৃষ্টিঃ মোটেও না আমার খিদে পেয়েছে তাই আমি খাবো। আমিঃআচ্ছা চলো আগে খেয়ে তো আসি। খেয়ে দেয়ে ঔষধ খেয়ে আমি আগের ন্যায় শোফার শুয়ে পড়লাম। ১০ দিন পরের কথা এখন দৃষ্টি আর আমার মাঝে বেশ ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গেছে অফিসের কাজের জন্য আমি দৃষ্টিকে আর দৃষ্টি আমাকে সাহায্য করে। সেদিন আমি আর দৃষ্টি এক সাথে অফিস থেকে ফিরলাম। দেখি শশুর মশাই আর একজন উকিল বসে আছে।শশুর আমাদের দেখে বললো তোমরা এসেছো যাও তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে একটু নিচে আসো কথা আছে তোমাদের সাথে কথা আছে আমি আর দৃষ্টি দ্রুত ফ্রেশ হয়ে এলাম তারপর শশুরঃআমার তো অনেক বয়স হয়ে গেছে তাই আমি চাই এখন তোমরা সব কিছুর দায়িত্ব বুঝে নাও দৃষ্টিঃ আব্বু তুমি কিসের কথা বলছো?? শশুরঃআমি আমাদের সব সম্পত্তি তোমাদের দুজনের নামে লেখে দিতে চাই। আমিঃআব্বু আমার কিছু কথা আছে?? শশুরঃহ্যা বাবাজি বলো আমিঃআব্বু আমি চাই সব সম্পত্তি আপনি দৃষ্টির নামে লেখে দেন।দৃষ্টি তো আমার সোনা বউ আমি জানি দৃষ্টির যা তা আমারো তাই যদি আপনার দিতে এতোই ইচ্ছা করে তবে দৃষ্টিকে সব দিয়ে দিন শুধু শুধু সম্পত্তি দুই ভাগ করার কোনো দরকার নেই। দৃষ্টিঃ হ্যা বাবা ও ঠিক বলেছে আমার যা তা তো ওরি। শশুরঃকিন্তু আমি যে তোদের দুজনের নামে কাগজ পত্র রেডি করে এনেছিলাম। আমিঃআব্বু সেটা বাদ দিন নতুন করে কাগজ পত্র বানাতে দিন। শশুরঃহ্যা এখন তো দেখছি সেটাই করতে হবে। তারপর উকিলকে বললো নতুন করে কাগজ বানিয়ে আনতে। ৪দিন পর উকিল আবার নতুন কাগজ নিয়ে আসলো শশুর মশাই তার সমস্ত সম্পত্তি তার একমাত্র মেয়ে আর আমার এক মাত্র বউয়ের নামে লেখে দিলো। দৃষ্টি সম্পতি পেয়ে এতো খুশি যে বলে বোঝানো যাবে না। দৃষ্টি তো সব কাগজ পত্র নিয়ে নাচতে নাচতে রুমে চলে গেলো।আর এদিকে দৃষ্টিকে এতো খুশি দেখে আমারো খুব আনন্দ হচ্ছে।আমিও দৃষ্টির পিছু পিছু রুমে চলে গেলাম। আমিঃতাহলে সোনা বউ এখন থেকে সব কিছু তোমার। দৃষ্টিঃ অই ফকির কে তোর বউ শুনি?? আমিঃএই তুমি এমন ভাবে কথা বলছো কেনো?? দৃষ্টিঃ তো কি তোর সাথে ভালো ভাবে কথা বলবো গাইয়া ফকির একটা... আমিঃএই তোমার হয়েছে টা কি?মাথা ঠিক আছে তোমার তুমি এমন করছো কেনো?? দৃষ্টিঃ তো কি তোর সাথে ভালো ব্যাবহার করবো। হাহাহা এতো দিন কেনো ভালো ব্যাবহার করেছি তুই জানিস এই সম্পত্তির জন্য.. আমিঃমানে তুমি কি বলছো এই সব?আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না। দৃষ্টিঃ তাহলে শুন তোকে যেদিন আমি দৌড় করিয়ে বাসা থেকে বের করে দিয়েছিলাম সেদিন আব্বু আমাকে বলেছিলো তার সমস্ত সম্পদ তিনি দুইভাগে ভাগ করবে না তার সমস্ত সম্পদ তিনি তোকে দিবে।সেদিন আমি খুব অবাক হয়েছিলাম কেনো জানিস?আমি তার একমাত্র মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও তিনি আমাকে সব সম্পদ না দিয়ে তোকে দিতে চেয়েছিলো।আর আব্বু এটাও বলেছিলো তোর সাথে যদি আমার সব ঠিক থাকে তবে সম্পত্তি দুই ভাগ হবে।তাই আমি এই সব নাটক করেছি যাতে করে আব্বু আম্মু বুঝিতে পারে তোর সাথে আমার স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক সৃষ্টি হয়েছে আর দেখ সেটা বুঝাতে আমি সক্ষম হয়েছি।আর তুই বোকার মত সেদিন বলেছিলি যে তোর কোনো সম্পত্তি চাই না।সব যেনো আমাকে দিয়ে দেয় হাহাহা তোকে অনেক ধন্যবাদ।আমার সমস্ত সম্পত্তি আমাকে পেয়ে দিতে সাহায্য করার জন্য। দৃষ্টির কথা গুলো শুনে অনেক কষ্ট হচ্ছিলো এতো কষ্ট হচ্ছিলো সেটা বলে বোঝানো যাবে না।ইচ্ছা করছিলো দৃষ্টিকে ঠাটিয়ে একটা চড় মারি কিন্ত অনেক ভালোবেসে ফেলেছি তো মেয়েটাকে কি করে চড় মারতে পারবো।আমার যে সেই শক্তি নেই। আমিঃ দৃষ্টি তুমি কি আমার সাথে মজা করছো?? দৃষ্টিঃ তোর সাথে মজা করতে যাবো কোনো দুঃখে? শুন তোকে আমি ইচ্ছা করলে এই বাসা থেকে বের করে দিতে পারি। কিন্তু আমি তা করবো না,হাজার হলেও তুই আমার সম্পত্তির উপর লোভ দেখাস নাই।তাই তোকে আমি এই বাসাতেই রেখে দিবো। আমিঃতুমি চাইলেও আমি তোমাকে ছাড়ছি না সোনা বউ। দৃষ্টিঃ অই বউ বউ করবি না,,তোর মত ফকিরের বউ হবার আমার কোনো ইচ্ছা নাই।এতো দিন তোরর সব কথা হজম করেছি শুধু মাত্র এই সম্পত্তির জন্য।এখন সেটা আমি পেয়ে গেছি তাই এখন আর কোনো কথা আমি সয্য করবো না। আমিঃবউ আমার এমন কথা বলে না জানো না তোমার স্বামী তোমাকে কত ভালোবাসে?? ঠাস ঠাস দুইটা পড়লো আমার গালে। দৃষ্টিঃ আব্বে অই ফকির তরে আর কতবার বলবো যে আমি তোর বউ না। তোর কি এমন যোগ্যতা আছে আমার স্বামী হবার। আমি দৃষ্টির হাতে চড় খেয়ে গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। দৃষ্টিঃ কিরে অমন ভাবে দাঁড়িয়ে আছিস কেনো? দূর হ আমার চোখের সামনে থেকে.. আমিঃকোথায় যাবো আমি?? দৃষ্টিঃ এখন থেকে পাশের যে রুম আছে সেটাই তুই থাকবি।আর শুন তোকে কিন্তু বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে পারবো না।তুই এই বাসায় থাকবি সেটা ঠিক কিন্তু তোর খাবার তোকেইই রান্না করে খেতে হবে। আমিঃকেনো কেনো?? দৃষ্টিঃ এখন থেকে আমি যা বলবো তাই হবে সো আমি তোকে খাওয়াতে পারবো নাহ সব কথা দৃষ্টি চিৎকার করে বলছিলো দৃষ্টির সব কথা শুনে শশুর এসে দৃষ্টিকে জোরে একটা থাপ্পড় দিয়ে বললো ছিঃ তুই এতো নিচে নেমে গেছিস তোকে আমার মেয়ের বলতেও ঘৃন্য লাগে। দৃষ্টিঃ ঘৃন্য লাগে তাহলে আর মেয়ে বলে পরিচয় দিতে হবে না। শশুরঃহ্যা তাই করবো আজ থেকে জানবো আমার কোনো মেয়ে ছিলো না,, কোনো মেয়ে নেই... দৃষ্টিঃ ভালো বলেছো,,তা অন্য একটা মেয়ের বাসায় থাকতে তোমার লজ্জা করবে না?? শশুর;কি বললি তুই?এমন কথা বলতে পারলি?? ঠিক আছে আজকেই আমি আর তোর আম্মু এই বাসা ছেড়ে গ্রামে চলে যাবো থাকবো না এই বাসায়। দৃষ্টিঃ হ্যা তাই যাও কে তোমাদের আটকাচ্ছে?? শশুর আর কোনো কথা না বলেই চলে গেলো আর দৃষ্টি আমাকে বললো এইবার তুই দূর হবি নাকি ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করবো আমার রুম থেকে?? আমিঃথাক তার আর দরকার হবে না।তবে একটা কথা তুমি তোমার আব্বুকে যে কথা বললে দেখো একদিন এই কথাএ জন্য তোমাকে কতবড় শাস্তি প্বতে হয়। দৃষ্টিঃ শাস্তি পেতে হলে আমি পাবো সেটা নিয়ে তকে ভাবতে হবে না ছোটলোক কোথাকার। আমি আর দৃষ্টির রুমে না থেকে বাহিরে চলে এলামমঃ বাহিরে এসে দেখি শশুর শাশুড়ি অল্প কিছু নিয়ে চলে যাচ্ছে। আমি তাদের কাছে গিয়ে বললাম আপনারা প্লিজ যাবেন না।দৃষ্টি এখনো ছোট ও কি বলতে কি বলে ফেলেছে?? শশুরঃথাক বাবা আর কোনো কথা না এই বাসায় থাকার চেয়ে গাছ তলা গিয়ে থাকবো তাও অনেক ভালো হবে অনেক বুঝানোর পরো তাদের আটকাতে পাড়লাম না। তারা চলে গেলো। আমি তাদের এগিয়ে দিয়ে আসলাম বাসায় এসে দেখি দৃষ্টি আগের মত সেই ছোট জামা পরেছে। আমি;এইই তুমি এইসব কি পরেছো?? দৃষ্টিঃ কেনো চোখে দেখতে পাস না... আমিঃতা দেখতে পাচ্ছি যাও এই গুলো চেঞ্জ কররে অন্য কিছু পরো দৃষ্টিঃ অই আমি কি তোর কথা মত চলবো নাকি?? চলবে

দেমাগি মেয়ের অপমান

আগস্ট ২৯, ২০১৯ 0
দেমাগি মেয়ের অপমান ৫ম পর্ব লেখকঃ মো আসাদ রহমান কোটচাঁদপুর"ঝিনাইদহ আমি চুপচাপ বসে আছি, দৃষ্টিঃ এই তোর কি খুব কষ্ট হচ্ছে বলনা আমায়?? আমিঃনাহ তেমন কিছু হয়নাই। দৃষ্টিঃ দেখি হাত সরা তো?? আমিঃনাহ থাক দৃষ্টি তারপর নিজের হাত দিয়ে আমার হাত সরিয়ে নিলো। দৃষ্টিঃ ইসস চোখ কত লাল হয়ে গেছে।খুব ব্যাথা করছে তাইনা?? আমিঃম নাহ ব্যাথা নেই। দৃষ্টিঃ চুপ মিথ্যা বলবি না আমি জানি ব্যাথা করছে,চল তোকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাবো... আমিঃকেনো ডাক্তারের কাছে কেনো?? দৃষ্টিঃ যেতে বলেছি তুই যাবি এতো কেনো কেনো করবি নাহ(রেগে গিয়ে)) আমিঃআচ্ছা করবো না। দৃষ্টিঃ এই তো গুড বয়।এবার চল তারপর অফিস থেকে বেড়িয়ে গেলাম আমি আর দৃষ্টি । দৃষ্টির গাড়ি নিয়ে বের হলো দৃষ্টি নিজেই ড্রাইভ করছে। দৃষ্টিঃ এই এখনো ব্যাথা করছে?? আমিঃহ্যা!! দৃষ্টিঃ আমি সরিরে আসলে আমি বুঝতে পারি নাই এমনটা হয়ে যাবে?? আমিঃসমস্যা নাই দৃষ্টি আর কিছু বললো নাহ চুপচাপ গাড়ি চালাতে লাগলো কিছুক্ষণ পর আমরা ডাক্তারের চেম্বারে ডাক্তার দেখিয়ে কিছু ঔষধ নিয়ে বের হলাম রাস্তায় দৃষ্টিঃ এই তোর খিদে পেয়েছে?? আমিঃনাহ দৃষ্টিঃ সত্যি বলছিস নাকি মিথ্যা?? আমিঃনা মানে পেয়েছে। দৃষ্টিঃ আচ্ছা চল কিছু খেয়ে নেই। তারপর আমি আর দৃষ্টি দুজন মিলে ফুচকা খেতে গেলাম জানি এটা মেয়েদের খুব প্রিয় কিন্তু আমারো খুব ভালো লাগে।দৃষ্টি দুই প্লেট ফুচকার অর্ডার দিলো। দৃষ্টির এখনকার ব্যাবহার গুলো আমার খুব ভালো লাগছে।দৃষ্টি কি তাহলে আমাকে গ্রহন করে নিলো? ধুর এতো কিছু না ভেবে খেয়ে নেই পরেরটা পরে ভাবা যাবে।আমি তো দৃষ্টির স্বামী একদিন না একদিন আমাকে মেনে নিতেই হবে।তবে জানিনা সেদিন কবে আমার তো মনে হচ্ছে দিনটা এসে গেছে।খাওয়া শেষ করে আবার আমরা গাড়িতে উঠলাম। খুব ভালো লাগছিলো সেদিনের সেই সময় টুকু বিয়ের পর আমি আর দৃষ্টি এই প্রথম বাহিরে কোথাও খেয়েছিলাম।কিন্ত আমার আরো একটা ইচ্ছা ছিলো দৃষ্টিকে নিয়ে একটু ঘুরবো।কিন্তু সাহস করে দৃষ্টিকে সেটা বলতে পারি নাই।যদি রেগে যাই।এই সব ভাবতে ভাবতে বাসায় চলে আসছি। দৃষ্টি আর আমাকে একসাথে ফিরতে দেখে শশুর শাশুড়ি খুব খুশি হলো বাসার ভেতরে প্রবেশ করতেই, শাশুড়িঃকিরে তোরা এতো আগেই চলে এলি? দৃষ্টিঃ নাহ মানে আম্মু এই গাইয়াটা নিয়ে একটি ডাক্তারের কাছে গেছিলাম। শাশুড়িঃকেনো কি হয়েছে জামাই বাবাজির?? দৃষ্টিঃ তুমি নিজেই জিজ্ঞাস করে নাও আর দেখে নাও রাগ দেখিয়ে দৃষ্টি উপরে চলে গেলো। তখন শাশুড়ি আমার দিকে ফিরে অবাক হয়ে বললো মামুন তোমার চোখ এতো লাল কেনো কি হয়েছে?? আমি;নাহ তেমন কিছু না,যখন অফিস করছিলাম তখন হঠাৎ চোখে কি জেনো যায়? খুব জ্বালা করছিলো পানি দিয়েছিলাম তবুও কমছিলো নাহ।তখন আমার বউটা আমার কষ্ট দেখে আমাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেছিলো।আমার বউটা আমাকে মনে হয় ভালোবেসে ফেলেছে। হুহ তোর মত গাইয়া ছেলেকে ভালোবাসতে যাবো আমি।কোনো দিনো না। আমার কর্তব্য ছিলো সেটা আমি পূরণ করেছি।এর বেশি ভাববি নাহ(দৃষ্টি ) আমিঃকি বলছো বউ আমার তুমি আমাকে ভালোবেসে এতো কিছু করলে সেটা আমি জানি? দৃষ্টিঃ তুই ভুল জানিস গাইয়া পোলা।যাহ রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নে। আমিঃওকে বউ যাচ্ছি দৃষ্টি কিছু বলতে পারছে না শুধু রাগে ফুঁসছে কারন তখন শাশুড়ি আম্মা সেখানে ছিলো তাই চুপচাপ ছিলো।কিন্তু আমি জানি এই ঝড় রুমে গেলে বড়সড় ঝড়ে পরিণত হবে।আমি সেটার জন্য প্রস্তুত আছি বউ বলে কথা বউয়ের একটু অপমান অবহেলা সহ্য করাই যায়।কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়।আমিও না হয় কিছুদিন বউয়ের দেওয়া কিছু অবহেলা অপমান সহ্য করবো।আমি সেখান হতে সোজা রুমে চলে এলাম এসে ফ্রেশ হয়ে নিলাম চোখের ব্যাথা আগের থেকে অনেক কম ডাক্তারে হাতে জাদু আছে বলতেই হয় কিযেনো এক ফোটা দিলো সেটা দেওয়ার পর থেকেই ব্যাথা কমতে শুরু করেছে ফ্রেশ হয়ে আবার নিচে চলে গেলাম কারন দৃষ্টি তখনো রুমে আসে নাই।কেনো আসে নাই সেটা দেখার জন্য নিচে গেলাম।নিচে যাবার পর আমি দৃষ্টিকে কোথাও দেখতে পেলাম নাহ।অনেক খুজে আমি দৃষ্টিকে যেখানে দেখলাম সেখানে আমি দৃষ্টিকে কল্পনাও করতে পারি নাই।দৃষ্টি রান্না ঘরে রান্না করছে। আমি তো অবাক এই মেয়ে যে রান্না করতে পারে সেটা ধারনার বাইরে।দৃষ্টি রান্না করছে আর আমার শাশুড়ি সেটা দেখছে।দৃষ্টি আমার দিকে লক্ষ্য করে বলে কিরে অইখানে অইভাবে দাঁড়িয়ে আসিস কেনো?? আমিঃনাহ মানে এমনি.. দৃষ্টিঃ খিদে পেলে যা গিয়ে একটু বোস রান্ন প্রায় শেষ একটু পরর খাবার দিচ্ছি কি আর করার বউ বলেছে একটু বসতে যাই গিয়ে বসে থাকি।আমি তো খুশিতেই মরে যাচ্ছি আজকে বউয়ের হাতের রান্না খাবো???😁😁😁 কিছুক্ষণ পর খাওয়ায় ডাক পড়লো।আমি নাচতে নাচতে খেতে চলে গেলাম।শাশুড়ি খাবার বেরে দিলো আমি খেতে শুরু করে দিলাম।আহা কি দারুন খাবার। আমি বললাম আহা অনেক মজার খাবার বউ তোমার হাতে জাদু আছে বলতেই হবে। বউ আমাকে প্রতিদিন এমন ভাবে রান্না করে খাওয়াবা অহহ আমি আগে জানতাম না বউয়ের হাতে রান্না এতো ভালো।দৃষ্টি আমার কথা গুলো শুনে রেগে আগুন। দৃষ্টি উঠে আমার খাবার প্লেট টানতে শুরু করে দিছে।আর বলছে যাহ তোকে খেতে হবে না তুই গিয়ে বাইরে থেকে খেয়ে আয়।আমার হাতের রান্না তোকে খেতে হবে না। আমিঃনা বউ আমার এমন কথা বলে না।আমি তোমার হাতের রান্নাই খাবো।। দৃষ্টিঃ তাহলে এতো কথা বলছিলি কেনো?? আমিঃবারে ভালো খাবারের প্রশংসা করবো না নাকি?? দৃষ্টিঃ নাহ করবি না।চুপচাপ খেতে পারলে খাবি নাহলে খাওয়ার দরকার নেই। আমিঃনাহ আমি চুপচাপ খাবো। দৃষ্টিঃ আচ্ছা এই নে,চুপচাপ খাবি কিন্তু আমিঃআচ্ছা তারপর আমি আবার খেতে শুরু করলাম। কিন্তু আবার আমার মুখ দিয়ে বের হলো আ শুধু আ বের করেছি তখন দেখি দৃষ্টি আমার আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমিঃননাহ মানে আম্মুর কথা মনে পরে গেলো আম্মুও ঠিক একইভাবে রান্না করে তোহ দৃষ্টিঃ তাহলে তোকে একটা কথা বলি আমি ওই রান্না তোর আম্মুর কাছ থেকে শিখেছি। আসলেই আমার শাশু........ কিছু একটা বলতে গিয়েও বললো নাহ। আমিঃতুমি কি যেনো বলতে চাইছিলে??? দৃষ্টিঃ নাহ কিছু না তুই খা... আমিঃকিছু একটা তো বলতে চাইছিলে? দৃষ্টিঃ তুই চুপ থাকবি নাকি তোরর খাবার প্লেট আবার নিয়ে নিবো??? আমিঃনাহ বউ আমার এমন করে না আমি চুপচাপ খাচ্ছি। দৃষ্টিঃ হ্যা চুপচাপ ওকে আমি খেয়ে দেয়ে উঠে রুমে চলে গেলাম।কিছুক্ষণ পর দৃষ্টিও আসলো এসে দৃষ্টিঃ অই তোর চোখ ব্যাথা কমেছে?? আমিঃনাহ সেই আগের মতইই আছে(পুরো মিথ্যা কথা) মিথ্যা বললাম এই কারনে বউ যদি আমাকে সকালের মত আদর করে😁😁😁 দৃষ্টিঃঃ কি বলছিস এখনো ব্যাথা আছে?? আমিঃহ্যা অনেক ব্যাথা করছ। দৃষ্টিঃ দেখি দেখি (আমার পাশে বসে) দৃষ্টি আমার চোখ দেখতে লাগলো দৃষ্টি আমার এতোই কাছে চলে এসেছে আমি যদি আমার মুখটা একটি এগিয়ে নেই তাহলে দৃষ্টিকে কিস করতে পারবো।আমি আর লোভ সামলাতে না পেরে একটা কিস করে দিলাম। আর কিস করার পর দিলাম ভৌ দৌড় জানি দাঁড়িয়ে থাকলে আমার কুরবানি হয়ে যাবে।আমি উঠে দৌড় দিছি আর দৃষ্টি পেছন থেকে আমাকে ডাকছে অই হারামি কই যাস?? দাড়া একবার তোর সাহস কি করে হয়?? অ্য্য্যাাাাাাা নেকা কান্না কেঁদে। আমি যেতে যেতে বললাম আমি আমার বউকে কিস করেছি বাহিরের অন্য কোনো মেয়েকে তো আর কিস করি নাই। দৃষ্টি শেষ যেতা বলেছিলো অন্য কোনো মেয়েকে কিস করলে তোকে খুন করে ফেলবো আমি বলেছিলাম তুমি কি অল্প বয়সে বিধবা হতে চাও নাকি??? আমি তারপর বাসার বাইরে চলে এসেছিলাম। এই মেয়েকে বিশ্বাস নেই সত্যি সত্যি খুন করে দিতে পারে।কিন্তু আমার তো খুব ইচ্ছা একটা মেয়ের আব্বু হবো দৃষ্টি হবে আম্মু আর আমাদের থাকবে একটা ছোট সংসার। এই ইচ্ছা পূরণ না করে আমি কিছুতেই মরবো না বাহিরে তো এসে পড়লাম আর তারমধ্যে রাত আমি আবার ভালো করে তেমন কিছু চিনি না।কিন্তু সামনে একটা পার্ক আছে। যাই গিয়ে সেখানে কিচ্ছুক্ষণ পর বসে থাকবো তারপর নাহয় বাসায় যাবো।পার্কে গিয়ে দেখি পার্ক বন্ধ কেমনডা লাগে?? পার্কের বাহিরে যে বেঞ্চ আছে সেটাই বসে পড়লাম। কিন্তু আমার মনে হয় কাপাল তাই খারাপ কিছুক্ষণ পর ঝুম বৃষ্টি আসলো কি করবো না করবো ভাবতে ভাবতে পুরো ভিঝে গেলাম।এমন বৃষ্টি নামছে থামার নাম গন্ধ নাই।আমি বসে বসে ভিজতে লাগলাম।বাসায় গিয়ে শহীদ হবারর চেয়ে এখান থেকে ভিজে বাসায় যাবো সেটা দেখে যদি বউয়ের মনে দয়া মায়া সৃষ্টি হয় তবে এইবারের মত বেচে যাবো😁😁😁 কিছুক্ষণ পর দেখি একটা গাড়ি এসে আমার প্রায় সামনে দাঁড়ালো। এটা তো দৃষ্টির গাড়ি তাহলে কি দৃষ্টি ... হায় হায় এই মেয়েটা তো আজ আমাই মেরেই ফেলবে। গাড়ি থেকে দৃষ্টি একটা ছাতা নিয়ে বের হলো।আমি ভয়ে ভয়ে আছি সেখান হতে আর দৌড় দেই নাই।এক কেজি সাহস নিয়ে বসে আছি... দৃষ্টি আমারর কাছে এসেই বললো অই তোর কি কান্ড জ্ঞান কিছু নেই নাকি?? ভিজ তো কাইয়ার বাচ্চা হয়ে গেছা আয় তো এই দিকে আয়?? আমিঃনাহ তুমি আমায় মারবা... দৃষ্টিঃ অই তুই কি জানিস আমি তোকে মারবো?? কাছে আসতে বসেছি আয়.. আমি দৃষ্টির কাছে গেলাম। দৃষ্টি আমাকে ছাতার নিচে নিয়ে নিলো।তারপর যেটা করলো সেটা তো কোনোদিন আমার মাথাতেই আসে নাই।দৃষ্টি নিজের ওর্রনা দিয়ে আমার মাথা মুছে দিতে লাগলো আহা এইটা কি দৃষ্টি নাকি আমার বউ?? অহহ মনে পরেছে এটা আমার বউ। দৃষ্টিঃ এইবার যদি জ্বর আসে না দেখে নিবো কে তোর সেবা করে??? আমিঃকেনো আমার বউ আছে সে করবে?? দৃষ্টিঃ আমার বইয়েই গেছে তোর সেবা করবো আমি?? আমিঃবউ ও বউ অমন করো কেনো?? দৃষ্টিঃ তো কি করবো?তরে চুমু দিবো?? আমিঃহ্যা দিবা আমি তোমায় দিলাম এইবার তুমি আমায় চুমু দাও। দৃষ্টিঃ আমার বয়েই গেছে তরে চুমু দিতে।আর তুই আমাকে চুমু দিয়েছিস সেটার জন্য তোকে কঠিন শাস্তি দিবো।কিন্ত সেটা বাসায় গিয়ে। চল বাসায় যাবো? আমিঃনাহ আমি যাবো না। দৃষ্টিঃ কেনো? আমিঃতুমি আমায় মারবা আমি জানি,, দৃষ্টিঃ নাহ মারবো না।এইবার চল আমিঃসত্যি মারবা না তো?? দৃষ্টিঃ হ্যা সত্যি মারবো না। আমি তারপর দৃষ্টির সাথে বাসায় চলে গেলাম।বাসায় যাবার পর দৃষ্টিঃ যা এইবার তাড়াতাড়ি গোসল করে নে.. আমিঃনাহ আজ আর গোসল করবো না।আমার কেম জানি লাগছে,, দৃষ্টিঃ কেনো আবার কি হলো?আর কেমন লাগছে(কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে) আমিঃসেটা বলতে পারবো নাহ,তবে মাথা ব্যাথা করছে আর শরীর গরম হচ্ছে। দৃষ্টিঃ অই তুই তাড়াতাড়ি গোসল করে আয় প্লিজ তোর মনে হয় জ্বর আসছে। আমিঃগোসল করতেই হবে?? দৃষ্টিঃ হ্যা যা করে আয়.. আমি গোসলে চলে গেলাম বেশিক্ষণ লাগে নাই গোসল থেকে বের হয়ে দেখি দৃষ্টি হাতে কি নিয়ে জেনো বসে আছে?? আমিঃএই তোমার হাতে কি?? দৃষ্টিঃ অহহ হ্যা নে এই ঔষধ খেয়ে নে।তাহলে আর জ্বর আসবে না। আমিঃনাহ আমি ঔষধ খাবো না, দৃষ্টিঃ তোকে খেতেই হবে, আমিঃনাহ খাবো না তারপর দৃষ্টি হাতে একগ্লাস পানি নিয়ে আমার মুখ টিপে ধরে আমাকে ঔষধ খাইয়ে দিলো। কি দজ্জাল মেয়ে থুক্কু বউরে বাবা। দৃষ্টিঃ যা এইবার ঘুমাতে যা? আমিঃআচ্ছা গুড নাইট দৃষ্টিঃ যা এবার... আমি শোফার গিয়ে শুয়ে পরলাম সত্যি খুব খারাপ লাগছিলো শরীরের তাপমাত্রা বেড়েই যাচ্ছিলো। মাঝ রাতে অনুভব করি কে যেনো আমার মাথায় পানি ঢালছে। আমি চোখ খুলে দেখি দৃষ্টি আমার মাথায় পানি ঢালছে। আমাকে জাগতে দেখে দৃষ্টির মুখে ছোট একটা হাসি ফুটেছিলো সেটা লক্ষ্য করেছিলাম দৃষ্টিঃ এই তোর এখন কেমন লাগছে?? আমিঃজানিনা?? দৃষ্টিঃ এটা কেমন কথা আর তোকে তখন বৃষ্টিতে ভিজতে কে বলেছিলো। আমিঃতুমি তো তখন আমাকে তাড়া করলে। দৃষ্টিঃ বেশ করেছি,,তুই আমাকে চুমু খেলি কেনো?? আমিঃআমার বউকে আমি করতেই পারি।কিন্তু তুমি না বললা আমার সেবা করবা না এখন করছো কেনো। দৃষ্টিঃ আমার স্বা..... নাহ কিছু না, আমার ইচ্ছা হয়েছে তাই করেছি এখন চুপ থাক আমাকে আমার কাজ করতে দে??? চলবে

দেমাগি মেয়ের অপমান

আগস্ট ২৯, ২০১৯ 0
দেমাগি মেয়ের অপমান ৪র্থ পর্ব লেখকঃ মো আসাদ রহমান কোটচাঁদপুর " ঝিনাইদহ আমি শোফাতেই ঘুমিয়ে পড়লাম যেহেতু এটা আমার আগের অভ্যাস মানে বিয়া করার পরে এই অভ্যাস হয়েছে।ঘুম ভাঙলো কারো ডাক শুনে না একাই😁😁😁 এখানে আমাকে ডাকার মত কেও নেই।একটা বউ আছে খুব দেমাগ তার স্বামীকে নাকি সে স্বামী বলে মনেই করে না।এ কেমন বিচার??😭আমি উঠে দেমাগি বউকে আর ডাক দিলাম না।আমি আগেই ফ্রেশ হতে গেলাম।তখন কে যেনো ওয়াশরুমের দরজা ধাক্কাচ্ছে। বাহির থেকেঃএই তোর আর কতক্ষণ লাগবে বের হো বলছি।আমার অফিস আছে আমাকে আবার অফিসে যেতে হবে। আমিঃআমার একটু টাইম লাগবে অপেক্ষা করো। দৃষ্টিঃ প্লিজ লক্ষি ভাই আমার বের হো না খুব জরুরি মিটিং আছে। ভাই এই মাইয়া কে তোর ভাই?আমি তোর বিয়ে করা জামাই... দৃষ্টিঃ এতো কথা বলার সময় নাই,,প্লিজ বেরো না।আমাকে তাড়াতাড়ি অফিস যেতেই হবে। কি আর করার লক্ষি বউ এতো করে বলছে আমি কি না করে পারি??আমি বেরোলাম। দৃষ্টিঃ ধন্যবাদ,, আমিঃথাক আমার এই সব লাগবো না, দৃষ্টি ওয়াশরুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলো আর আমি ছাদে চলে গেলাম।শালা গ্রামে থাকলে তাও বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে পাড়তাম,, কিন্তু এখানে তো কেও নাই যে আড্ডা দিবো নিজেকে খুব একা লাগছে।তখন দেখি আমার শশুর মশাই ছাদে এলো। আমি তাকে সালাম দিলাম শশুরঃবাবা তুমি কিন্তু দৃষ্টির কোনো ব্যাবহারে কখনো কষ্ট পেয়ো না।আসলে ছোটবেলা থেকে আদর পেতে পেতে বাদর হয়ে গেছে।বাবা দৃষ্টিকে ঠিক করার দায়িত্ব তোমার। আমিঃকিন্তু বাবা আমি দৃষ্টিকে ঠিক কিভাবে করবো?? শশুরঃশোন তাহলে মেয়েদের মন জয় করার কিছু বিশেষ নিয়ম আছে।আমি তোমাকে সেগুলো বলে দিচ্ছি তুমি সেগুলো দৃষ্টির উপর প্রয়োগ করে দেখতে পারো.. আমিঃকি নিয়াম বাবা তাড়াতাড়ি বলুন আমার তো আর সহ্য হচ্ছে না।এরপর শশুড় মশাই আমার কানে কানে কিছু নিয়ম বলে দিলো।যেগুলো শুধু আমার জন্য ছিলো আপনাদের জন্য না তাই বললাম না। আমিঃবাহ বাবা বাহ কি দারুন বুদ্ধি.এতো বুদ্ধি পেলেন কোথায়?? শশুরঃতোমার শাশুড়ি আম্মাকে এতোদিন নিজের।করে বেধে রেখছি কি এমনি এমনি?তুমি এখন দৃষ্টিকে যেমন দেখছো ওর মা এই চাইতে কোনো অংশে কম ছিলো না।কত প্যারা দিয়েছে কিন্তু সবশেষে আমার ভালোবাসার কাছে হার মেনে নিয়েছিলো। আমিঃবাবা দৃষ্টি কি আমার ভালোবাসা বুঝতে পারবে?? শশুরঃহুম একদিন ঠিক বুঝতে পারবে দেখে নিয়ো? চলো কথা পরে হবে এখন খেয়ে নেই। আমিঃহুম আব্বা চলেন আমারো খুব খিদে পেয়েছে। তারপর জামাই আর শশুর মিলে খেতে চলে গেলাম খেতে বসে আমি;আম্মু দৃষ্টি কোথায় গেছে?? আম্মুঃওতো কিছু না খেয়েই অফিস চলে গেলো। আমিঃনা খেয়ে গেছে মানে আপনি খেতে বলেন নাই?? আম্মুঃবলেছিলাম কিন্তু দৃষ্টি আমার কথা কিছুই শুনলো না না খেয়েই মেয়েটা চলে গেলো। আমিঃআচ্ছা আম্মু আপনি খাবার টিফিন বক্সে ভরে দেন তো আমি গিয়ে দৃষ্টিকে খাইয়ে আসবো আম্মুঃতাহলে তো অনেক ভালো হবে,,তোমরা খাও আমি খাবার ভরে দিচ্ছি। খাওয়া দাওয়া শেষ করে আমি অফিসের ঠিকানা নিয়ে অফিস চলে গেলাম। অফিস যাবার সাথে সাথে দারোয়ান আমাকে সালাম দিলো বললো চলুন স্যার ভেতরে চলুন ম্যাম তার কেবিনে বসে আছে। আমি তো অবাক এই দারোয়ানের সাথে আগে কখনো আমার সাথে দেখা হয়নাই।আর এনি আমাকে এতো সম্মান করছে কেনো?? আমিঃআচ্ছা আপনি কি আগে থেকে আমাকে চিনেন দারোয়ানঃনাহ তবে স্যার আমাকে ফোন করে সব বলে দিয়েছে। আমিঃঅহহ দারোয়ানঃহহ্যা চলুন এইবার তারপর দারোয়ানের সাথে আমি অফিসের ভেতরে চলে গেলাম।আমি সোজা দৃষ্টির কেবিনে গেলাম। দেখি দৃষ্টি ফাইল নিয়ে কি যেনো ঘাটাঘাটি করছে। আমিঃ দৃষ্টিকে তুমি কি করছো গো? দৃষ্টি হয়তো আমাকে দেখে কিছুটা অবাক হলো আমাকে মনে হয় দৃষ্টি এখানে দেখে ভুত দেখে ফেলেছে। আমিঃকি ব্যাপার অমন করে তাকিয়ে কি দেখছো?? দৃষ্টিঃ তুই এখানে এসেছিস কেনো?? আমিঃএই তুমি সকালে না খেয়ে এসেছো?? দৃষ্টিঃ হ্যা এসেছি তো কি হয়ছে?? আমিঃএই নাও এখানে আম্মু খাবার পাঠিয়েছে খেয়ে নাও।। দৃষ্টিঃ আমি খাবো না,তুই এখান থেকে চলে যা তো,, আমিঃতোমাকে এই গুলো খাইয়ে আমি চলে যাবো দৃষ্টিঃ বললাম তো আমি খাবো না,তাও বার বার কেন বলছিস। আমিঃবারে তুমি আমার বউ আর তুমি না খেয়ে থাকবে সেটা আমি চুপচাপ মেনে নিবো নাকি?? কোনো দিনো মেনে নিবো না।প্লিজ লক্ষি বউ আমার খেয়ে নাও। দৃষ্টিঃ অই তুই যাবি এখান থেকে। আমিঃএখানে তো থাকতে আসি নাই,তুমি খাবে তারপর আমি চলে যাচ্ছি। দৃষ্টিঃ দাড়া দেখাচ্ছি মজা,এই কথা বলে তার চেয়ার থেকে উঠে আমার দিকে আসতে লাগলো আমার কাছে এসে দেখি কি খাবার এনেছিস?? এই নাও তোমার জন্য(খুশি হয়) দৃষ্টি আমার হাত থেকে বক্স নিয়ে ছুড়ে ফেলে দিলো,, ভাগ্য ভালো ছিলো তাই বক্স খুলে সব খাবার ছড়ালো নাহ।তাহলে কি বিশ্রী দেখা যেতো। আমিঃএই তুমি খাবার ফেলে দিলে কেনো? দৃষ্টিঃ তো তুই কি ভাবছিস?আমি তোর হাতে খাবার খাবো??কোনো দিনো খাবো নাহ।তুই এখন আমার চোখের সামনে থেকে দূর যাহ।আমি তোকে সহ্য করতে পারছি না। আমিঃদাড়াও এখন আমি তোমার চোখের সামনে সামনেই থাকবো।তুমি কি ভাবছো?তুমি সারাদিন অফিস করবে আর আমি বাসায় বসে থাকবো।বউ তোমাকে না দেখলে আমার একদম ভালো লাগে না। দৃষ্টিঃ এই কথা আবার বললে তোর খবর আছে এই বলে দিলাম। আমিঃকি করবা শুনি?? দৃষ্টিঃ আর একবার বলে দেখনা কি করি?? আমিঃতুমি আমার সোনা বউ লক্ষি বউ,পাগলী বউ বলা শেষ হয়নাই,, ঠাসসসসস ঠাসসসস এই তোকে আমি বলেছিলাম না তুই আমাকে বউ বউ বলবি না এরপরেও কেনো বার বার বলিস শুনি তোহ? আমিঃতুমি আমার বউ তাই বলি অন্য কোনো মেয়েকে তো আর বউ বউ বলি নাহ?(গালে হাত দিয়ে) দৃষ্টিঃ নাহ আমি তোর বউ না,আমি তোর কেও না।আরর তুইও আমার কেও না।শুন তুই যদি আবার চড় খেতে না চাস তবে আমার সামনে এসে আর বউ বউ বলবি না।। এখন যা অফিস থেকে সোজা বাসায় চলে যাবি। আমিঃতুমি কখন বাসায় যাবে?তোমাকে ছাড়া আমার একটু ভালো লাগে না। দৃষ্টিঃ অই তোর এই ন্যাকা ন্যকা কথা গুলো বন্ধ কর প্লিজ।আমার সময় হলেই বাসায় চলে যাবো সেটা নিয়ে তোকে না ভাবলেও চলবে যা এবার বাসায় যাহ। আমিঃ২০টাকা দাও,, দৃষ্টিঃ টাকা দিয়ে কি করবি?? আসলে হয়েছে কি আমি আসার সময় মানিব্যাগ আনতেই ভুলে গেছি ভাগ্য ভালো প্যান্টের পকেটে ২০টাকা ছিলো সেটা দিয়ে রিক্সা ভাড়া দিয়েছি।কিন্তু বাসায় ফিরবো কিভাবে টাকা দাও?? দৃষ্টি আমার কথা শুনে হো হো করে হেসে দিলো। আহা হাসি দেখলেও প্রান জুড়িয়ে যায়। আমিঃএই তুমি এইভাবে হাসছো কেনো?? দৃষ্টিঃ হাসি পেলে আমি কি করবো?তুই এক কাজ কর হেটেই বাসায় চলে যা। আমিঃঅনেক দূর তো.. দৃষ্টিঃ দুর তো কি হয়েছে গ্রামের রাস্তায় তো হেটেই চলা ফেরা করতি।তাহলে এখানে হেটে চলাফেরা করতে সমস্যা কোথায়??? আমিঃতার মানে তুমি টাকা দিবে না তাই তো?? দৃষ্টিঃ হ্যা দিবো মা ভাংতি নাই। যাহ এবার,,আমি আর সেখানে দাঁড়িয়ে না থেকে চলে এলাম।হেটেই যাচ্ছি কিছুক্ষণ পর দেখি একটা গাড়ি এসে আমার সামনে দাঁড়ালো। গাড়ির ভেতর থেকে শশুর মশাই আরে মামুন তুমি এইভাবে হেটে যাচ্ছো কোথায়?? আমিঃবাসায় যাচ্ছি। শশুরঃতো হেটে যাচ্ছো কেনো?উঠো গাড়িতে উঠো.. যাক বাবা তাও কষ্ট করে হেটে যেতে হবে না।কথায় আছে না রাখে আল্লাহ মারে কে?? গাড়িতে উঠার পর, শশুরঃমামুন তুমি হেটে বাসায় যাচ্ছিলে কেনো?? আমিঃআসলে বাবা দৃষ্টিকে খাবার দিতে এসেছিলাম।বাসা থেকে আসার সময় আমি আমার মানি ব্যাগ আনতে ভুলেই গেছিলাম।টাকা ছিলো না তাই হেটে বাসায় যাচ্ছিলাম। শশুরঃকেনো দৃষ্টির কাছে তুমি টাকা চাওনি?? আমিঃনাহ বাবা বউয়ের কাছে টাকা চাবো সেটা কেমন লাগে?? শশুরঃবাবা মামুন তুমি তো কোনো কাজ করো না তোমার নিশ্চয় টাকার জন্য সমস্যা হয় তাই না?? আমিঃহ্যাতা তো একটু হবেই। শশুরঃআরে এই কথাটা আগে বলবে তো?তুমি আমার একমাত্র মেয়ের জামাই আমার যা আছে তা তো তোমাদের দুজনেরই।এই নাও এই কার্ড তোমার..একটা ক্রেডিট কার্ড বের করে দিয়ে। আমিঃনা বাবা আমি এটা নিতে পারবো না. শশুরঃকেনো এটা নিলে প্রব্লেম কোথায়?? আমিঃনা মানে আপনার কাছ থেকে টাকা নিতে কেমন জানি লাগে?? শশুরঃতুমি এই কথা বলতে পারলে?তুমি আমার ছেলের মতো আর আমি তোমার বাবার মত,আমি আমার ছেলেকে টাকা দিচ্ছি।প্লিজ তুমি টাকা গুলো নিয়ে নাও। আমিঃনাহ বাবা এটা আমি পারবো না।তবে বাবা আমাকে অন্য ভাবে সাহায্য করতে পারবেন। শশুরঃআরে সাহায্যের কথা আসছে কোথা থেকে?বলো তোমার জন্য আমি কি করতে পারি?? আমিঃযদি একটা কাজের ব্যাবস্থা করে দিতেন?? শশুরঃঅহহ এই কথা ঠিক আছে কাল থেকে তুমি অফিস জয়েন করছো। আমিঃধন্যবাদ বাবা। শশুরঃএতে ধন্যবাদ দেবার মত কিছু নেই।অফিস তো তোমাদের এখন থেকে আমি আর অফিসের কোনো দায়িত্ব পালন করবো না।সব দায়িত্ব দৃষ্টি আর তোমার। আমি;কেনো আপনি আর দায়িত্ব পালন করবেন না কেনো??? শশুরঃএখন এই অফিস তো তোমাদের আর আমার অনেক বয়স হয়ে গেছে আগের মত তেমন অফিস যেতে পারি না।সব কাজ দৃষ্টিই করে। এখন থেকে আমি আগের থেকে বেশি নিশ্চিন্ত থাকবো এটা ভেবে যে দৃষ্টিকে সাহায্য করার জন্য তুমি আছো? কথা বলতে বলতে বাসায় চলে এসেছি। সারাদিন শুয়ে বসে টিভি দেখে কাটালাম। আসলে দৃষ্টিকে ছাড়া আমার কিছু ভালো লাগছে না। বিকালের দিকে দৃষ্টি বাসায় আসলো। আমি দৃষ্টিকে দেখে দৃষ্টির কাছে চলে গেলাম।হাত থেকে ব্যাগ নিয়ে নিলাম।দৃষ্টির সাথে রুমে চলে গেলাম।আমি কিছু কথা বললেও দৃষ্টি একটাও কথা বলে নাই আমার সাথে এড়িয়ে চলে গেছে। রাত খাবার সময় শশুর দৃষ্টিকে উদেশ্যে করে বললো দৃষ্টি কাল থেকে মামুন তোমার সাথে অফিস করবে তুমি মামুনকে সব কাজ বুঝিয়ে দিবে। দৃষ্টি একটু অবাক হলো তারপর বললো দৃষ্টিঃ বাবা মামুন কেনো অফিস করবে লোকের অভাব পরেছে নাকি?যে একটা গাইয়া ছেলে আমার সাথে যাবে অফিস করবে? শশুরঃএতো কথা বলার কি আছে কাল থেকে মামুন তোমার সাথে অফিস যাচ্ছে ব্যাছ। দৃষ্টি আর কিছু বলতে পারলো নাহ। খেয়ে দেয়ে রুমে চলে গেলো আমিও শশুর শাশুড়ির সাথে কিছু কথা বলে রুমে চলে গেলাম।গিয়ে দেখি দৃষ্টি ঘুমিয়ে পরেছে হয়তো অনেক ক্লান্ত তাই ঘুমিয়ে গেছে,তাই দৃষ্টিকে আর ডাক দিলাম নাহ পরদিন সকালে ঘুম ভাঙতে দেখি দৃষ্টি উঠে ফ্রেশ হতে চলে গেছে দৃষ্টি ফ্রেশ হয়ে বের হবার পর আমি ফ্রেশ হতে চলে গেলাম।আজ একসাথে সবাই মিলে খেলাম। খাবার পর শশুর বললো দৃষ্টি মামুনকে সাথে নিয়ে যাও। যে কাজ মামুন করতে পারবে না একটু বুঝিয়ে দিয়ো কেমন?? দৃষ্টিঃ হ্যা বাবা দিবোই তো এখন তো আমি গাইয়া লোকের ম্যাডাম হয়ে গেছি((অনেক টাই রেগে গিয়ে)) দৃষ্টির সাথে অফিস চলে গেলাম।দৃষ্টি আমাকে আমার কাজ গুলো বুঝিয়ে দিয়ে নিজের কেবিনে চলে গেলো। কিছুক্ষণ পর দৃষ্টির কেবিনে কিছু ফাইল নিয়ে গেলাম। দৃষ্টিকে বললাম এই নাও সব রেডি দৃষ্টি ফাইল গুলো নিয়ে কি যেনো দেখলো তারপর সব ফাইল আমার মুখের উপর ছুড়ে মারলো একটা ফাইল এসে আমার চোখে প্রচণ্ড জোরে লাগলো চোখের ব্যাথায় আমি চোখে হাত বসে পরছিলাম দৃষ্টি তার চেয়ার থেকে উঠে আমার কাছে এসে আমার পাশে বসে বলে এই খুব লেগেছে নাকি?? আমি কিছু বলছি না( চুপ) দৃষ্টিঃ এই কিছু বলছি তো খুব লেগেছ কিনা বল না দেখি চোখ থেকে হাত সরা তো আমি সরাচ্ছি নাহ। কিরে সরা না বল না খুব ব্যাথা করছে আমি তারপরেও চুপ আসলে ব্যাথায় কিছু বলতে পারছি না দৃষ্টিঃ এই খুব কষ্ট হচ্ছে নাকি?? চলবে

দেমাগি মেয়ের অপমান

আগস্ট ২৯, ২০১৯ 0
দেমাগি মেয়ের অপমান ৩য় পর্ব লেখকঃমো আসাদ রহমান কোটচাঁদপুর ঝিনাইদহ সবাইকে বিদায় জানিয়ে দৃষ্টির সাথে ঢাকায় চলে আসলাম।দৃষ্টিদের বাসা বেশ বড়।দৃষ্টি আমাকে নিয়ে বাসার ভেতরে চলে গেলো।আমার শশুর শাশুড়ি তো মহা খুশি তাদের একমাত্র মেয়ের জামাই এসেছে। শাশুড়িঃবাবা রাস্তায় আসতে কোনো অসুবিধা হয়নি তো? আমিঃনাহ কোনো অসুবিধে হয়নাই। শশুরঃতা বাবা তোমার সাথে পরে কথা হবে।অনেক দূর হতে এসেছে যাও এইবার রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে একটু বিশ্রাম নাও।তারপর না হয় বাকি কথা বলবো কেমন?এই কথা বলে শশুর মশাই দৃষ্টিকে বললো দৃষ্টি যাও জামাই বাবাজি কে নিয়ে তোমার রুমে যাও। দৃষ্টিঃ কেনো এই গাইয়া ছেলেকে কেনো আমার রুমে নিতে যাবো?? শাশুড়িঃএ কেমন কথা মা?মামুন তোমার স্বামী তুমি ভুলে যাচ্ছো?? দৃষ্টিঃ নাহ তাহ ভুলি নাই।আর এটাও ভুলি নাই এই গাইয়া ছেলেকে আমি স্বামী হিসাবে কোনো দিন মানবো না। আমিঃএই তুমি এইসব কি বলছো মজা করছো তুমি?? দৃষ্টিঃ অই তোর মতন গাইয়া ছেলের সাথে আমি মজা করবো কোনো দুঃখে বলতে পারিস? আমি তো তোকে স্বামী হিসাবে মানি না আর কোনো দিন মানবো নাহ। এখন হয়তো তোর মনে প্রশ্ন হতে পারে আমি তোকে বিয়ে করলাম কেনো?? হ্যা তোকে আমার বিয়ে করার কোনো ইচ্ছা ছিলো না,কিন্তু আমার আব্বু আম্মু আর আমার মামার মান সম্মান বাঁচাতে আমি তোর মতন একটা গাইয়াকে বিয়ে করেছি বুঝলি?? কোনো দিন স্বামীর অধিকার ফলাতে আসবি না কথা ভালো করে শেষো হলো না তার আগেই ঠাসসসসসসস ঠাসসসসসস ঠাসসসসসসসসস ঠাসসসসসসসস আরে ধুর কি ভাবছেন দৃষ্টি আমাকে মারছে আপনি ভুল ভাবছেন দৃষ্টির আব্বু দৃষ্টিকে মারছে...চড় খেয়া দৃষ্টি বললো আব্বু তুমি আমাকে মারলে? শশুরঃমেরেছি বেশ করেছি।আমাদের সামনে তুই কি করে বলিস তুই নাকি মামুনকে তোর স্বামী হিসাবে মানিস নাহ।আরে আমরা যে কদিন বেচে আছি ততদিন আমরা মামুনকে এই বাড়ির জামাই হিসেবেই দেখতে চাই।আর শুন এরপর যেনো দ্বিতীয়বার না শুনি দৃষ্টি তো তার বাবার হাতে চড় খেয়ে ছিঁচকাঁদুনীর মত কান্না করে দিছে আর বলছে আব্বু তুমি আমাকে কোনো দিন কোনো কারনে মারো নাই।কিন্তু আজ এই গাইয়া ছেলের জন্য আমার গায়ে হাত তুললে?? শশুরঃসেটাই আমার ভুল ছিলো যদি এর আগেই তোকে মেরে একটু সোজা পথে নিতাম তোকে এতো বেশি স্বাধীনতা না দিতাম তাহলে এতো বাড় বাড়তে পারতি না।এইবার যা মামুনকে নিয়ে নিজের রুমে যা।আর নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া করে নে। দৃষ্টি আমাকে আর কিছু বললো না তবে ভাব দেখে মনে হচ্ছে আমার উপর খুব রেগে গেছে মনে হয় আমাকে কাচা খেয়ে ফেলবে। দৃষ্টিঃ এই চল আমার সাথে আমি দৃষ্টির পিছনে পিছনে যেতে লাগলাম। দৃষ্টিএ রুমে যেই প্রবেশ করেছি দৃষ্টি রুমের দরজা বন্ধ করে দিলো। তারপর ঠাসসসসস ঠাসসসসসস ঠাসসসসসস কয়েকটা চড় আমাকে বসিয়ে দিলো। আমি তো কিছুই বুঝতে পারলাম না এই মেয়ে আমাকে এইভাবে মারলো কেনো? আমি তো কোনো দোষ করিনাই।তাহলে কেনো মারলো? আমিঃএই তুমি আমাকে মারলে কেনো? দৃষ্টিঃ মেরেছি বেশ করেছি আজকে তোর জন্য আমার আব্বু আমার গায়ে হাত তুলেছে।গাইয়া ক্ষেত তুই কি করে ভাবলি আমি তোকে স্বামী হিসেবে মেনে নিয়েছি।আরে তোকে যদি স্বামী হিসেবে মেনেই নিতাম তাহলে তো প্রথম দিনই আমাদের স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক হয়ে যেতো....ভেবে দেখতো আমি তোকে কখনো আমার কাছে আসতে দিয়েছি নাকি??হ্যা যতটুকু দেবার দরকার আমি ততটুকু কাছে আসতে দিয়েছি।যাতে করে তুই আমাকে বিয়ে করিস।আর আমাকে বিয়ে করিস।ভাবিস না আমি তোকে ছেড়ে দিবো।কিন্তু আমি তোকে বাধ্য করবো আমাকে ছেড়ে দিতে।আর হ্যা আমি তোকে ছেড়ে দিলে লোকে আমাকে খারাপ বলবে কিন্তু তুই যদি আমাকে ছেড়ে দিস তাহলে কেও আমার আমার দোষ ধরতে পারবে না।আর শুন আমি তোকে গ্রাম থেকে নিয়ে এসেছি কেনো জানিস,,তোকে একটু উচিৎ শিক্ষা দেওয়া দরকার।কিন্তু মন মত হয়তো দিতে পারবো নাহ।তবে আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব আমি তোকে জ্বালাবো।আর শুন তুই যদি গ্রামে চলে যাস বা আমাকে ছেড়ে দিয়ে চলে যাস তাহলে তোর আব্বু আম্মুকে আমি মিথ্যা কথা বলে তোর উপর খেপিয়ে দিবো। আমি তো দৃষ্টির কথা গুলো শুনে অবাকের পর অবাক হচ্ছি গ্রামের দৃষ্টির মধ্যে আর শহরের দৃষ্টির মধ্যে আমি মিল খুজছিলাম। কিন্তু কিছুতেই দুই দৃষ্টিকে মিলাতে পারছি না।আমার ভাগ্যে কি এমনি ছিলো।নাহ নাহ এ হতে পারে না।আমি জানি দৃষ্টি একদিন আমাকে তার স্বামী হিসাবে গ্রহন করবে।আমি আমার পুরোটা দিয়ে চেষ্টা করবো।দৃষ্টি আমাকে মেনে নিতে বাধ্য হবে। আমিঃশুনো সোনা বউ আমার তুমি আমাকে যতজাই করো আমি তোমাকে ছারছি না। দৃষ্টিঃ দেখা যাবে কতদিন এইভাবে ধরে রাখিস।আমি জানি তুই কিছুদিন পর লেজ গুটিয়ে পালাবি। আমিঃযদি আমি বলি কিছুদিন পর তুমি আমাকে স্বামী হিসেবে মেনে নিবে?? দৃষ্টিঃ আশা পেতে বসে থাকো চান্দু।সেটা কোনো দিন হবে না।আমি তোকে স্বামী হিসেবে মেনে নিচ্ছি নাহ। আমিঃঅই আমার এতো কথা বলতে ভালো লাগছে নাহ।আমি ফ্রেশ হতে গেলাম। দৃষ্টিঃ আরে আরে করে কি?আগে আমি ফ্রেশ হবো তারপর তুই হবি। আমিঃনাহ আগে আমি হবো। দৃষ্টিঃ বেশি কথা না বলে চুপ করে বসে থাক।আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি তারপর তুই হবি। আর শুন আমার বাসায় আমার অনেক ফ্রেন্ড আছে।তারা মাঝে মাঝেই আমাদের বাসায় আসে তুই কিন্তু ভুলেও তাদের কাছে আমার স্বামীর পরিচিয় দিবি না। আমিঃকেনো আমি তো তোমার স্বামী তাহলে পরিচয় কেনো দিবো না। দৃষ্টিঃ আরে তোর মত গাইয়া একটা ছেলে আমার স্বামী এটা যদি আমার ফ্রেন্ডরা শোনে তাহলে তো আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করবে।আর তাদের কাছে তো আমার মানসম্মান কিচ্ছু থাকবে না।তাই প্লিজ আমার মানসম্মন এইভাবে নষ্ট করিস না। আমিঃবাহ বাহ দৃষ্টি নিজের মান সম্মানের জন্য নিজের স্বামী কে অস্বীকার করলে।ভালো বেশ ভালো দেখো একদিন এই জন্য তোমাকে অনেক মাশুল দিতে হবে দেখে নিও। দৃষ্টিঃ সেইদিন কোনো দিন আসবে না। তোর এই আজাইরা কথা শোনার আমার টাইম নাই।আমি গেলাম এইকথা বলে দৃষ্টি ওয়াশরুমে চলে গেলো।আমি সেখানেই দাঁড়িয়ে ছিলাম খুব কষ্ট হচ্ছে।দৃষ্টি কি করে পারলো নিজের স্বার্থের জন্য আমার সাথে এতো বড় নাটক করতে।তবে দৃষ্টি যা করেছে এতে আমার ক্ষতি হলেও আমার পরিবারের তো উপকার হয়েছে।আর আমিও নাহয় চেষ্টা চালিয়ে যায় দেখি দৃষ্টির মনে আমার জন্যন্য যায়গা করে নিতে পারি কিনা?তবে দৃষ্টি যেই ধরনের মেয়ে তাতে করে মনে হচ্ছে নাহ যে খুব তাড়াতাড়ি কিছু হবে বা হতে যাচ্ছে আমার উপর দিয়ে হয়তো অনেক বড় ঝড় ঝাপটা যেতে পারে যত যাই হোক না কেনো আমি দৃষ্টিকে ছাড়ছি নাহ।এমন সময় আম্মু ফোন আমিঃহ্যালো আম্মু বলো? আম্মুঃবাবা তোরা ভালোভাবে পৌছিয়েছিস তো?? আমিঃহ্যা আম্মু একদম ভালো ভাবে পৌছে গেছি।আর আম্মু তোমরা কিন্তু আমার জন্য চিন্তা করো না।আব্বুকে চিন্তা করতে মানা করো।আমু এখন রাখছি পরে কথা হবে।আম্মু কিছু বলার আগেই আমি কল কেটে দিলাম।আসলে আমার খুব কান্না পাচ্ছে কখন কেঁদে দিবো সেটা নিজেই জানিনা।আর যদি একবারর আমি আম্মুর সামনে মানে কথা বলার সময় কেঁদে দিতাম তবে হাজার টা প্রশ্নের জবাব দিতে হতো।আর আব্বু আম্মু আমার জন্য টেনশন করতো।কিন্তু আমি চাইনা আমার পরিবারের কেও আমার জন্য অযথা চিন্তা করুক।এটা আমার ব্যাপার আমি ভালো বুঝে নিবো। দৃষ্টিকে এই রূপের কথা আব্বু আম্মুকে বললে হয়তো বিশ্বাস নাও করতে পারে কারন দৃষ্টি যখন আমাদের বাসায় ছিলো সবার সাথে খুব ভালোভাবেই মিশে গেছিলো।আর সবার সাথে ভালো ব্যাবহার করেছে।আব্বু আম্মু তো দৃষ্টিকে নিজের মেয়ের মত ভাবতে শুরু করে দিয়েছিলো।আসলে দৃষ্টি যখন আমাদের বাসায় ছিলো তখন আমারো মনে হয়েছিলো দৃষ্টি আমার জন্য পারফেক্ট।আমি দৃষ্টিকে বিয়ে করে কোনো ভুল করিনাই।কিন্তু আমি তো পুরোপুরি ভুল ছিলাম দৃষ্টিকে বিয়ে করে মনে হয় জীবনের সব থেকে বড় ভুল করে ফেলেছি।এখন ভুল সুধরাতে হবে।।এরি মাঝে দৃষ্টি বেড়িয়ে এসেছে।আমার কাছে এসে বললো যা এবার তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে আয়।তারপর আমি ফ্রেশ হতে চলে গেলাম।ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি দৃষ্টি আয়নার সামনে বসে আছে।আমাকে দেখে দৃষ্টি বললো কিরে আমার দিকে অমন করে তাকিয়ে আসিস কেনো? আমিঃআমার বউকে দেখছি।। দৃষ্টিঃ উফফফ তোকে আর কত বার বলবো আমাকে তুই বউ বলবি না।। আমিঃকিন্তু তুমি তো আমার বিয়ে করা বউ তাইনা?? দৃষ্টিঃ সেটা সুধু কাগজে কলমে আমি মন থেকে তো মানি না। আমিঃআচ্ছা চলো না খেয়ে আসি?আমার খুব খিদে পেয়েছে। দৃষ্টিঃ তোর খিদে পেয়েছে তুই খেয়ে আয়।আমাকে বলছিস কেনো?? আমিঃবারে তুমি আমার বউ তাই না।আমি কি পারি আমার বউ রেখে খেয়ে আসতে। দৃষ্টিঃ হয়ছে এতো আদিক্ষেতা দেখাতে হবে না।সত্যি বলতে আমারো খুব খিদে পেয়েছে। আমি;তাহলে চলো খেয়ে আসি। দৃষ্টিঃ তুই যা আমি একটু পরে আসছি.. আমিঃকেনো একসাথে খেলে কি হবে চলো না দুজন একসাথে খাবো। দৃষ্টি রেগে গেলো বললো অই ফকির তোর সাহস কি করে হয় আমার সাথে খাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করার।তোর এতো কথা সহ্য করছি শুধু আব্বুর জন্য তানাহলে আমি সেই কখন তোকে আবার বাসা থেকে বেড় করে দিতাম।তুই আমার চোখের সামনে থাকলে আমার গা জ্বলে। আমিঃতাহলে আসো পানি ঢেলে নিভিয়ে দেই। দৃষ্টিঃ অই তুই ফাজলামি রাখ যাহ খেতে যাহ। আমিঃতাহলে তুমি আমার সাথে যাবে না তাই তো?? দৃষ্টিঃ হ্যা যাবো না,আমি যদি খিদেতে মরেও যাই তাও তোর সাথে খাবো না। আমি আর কি করবো আমি আবার খিদে সহ্য করতে পারি না।তাই একাই চলে এলাম।আমার জন্য অনেক কিছু রান্না হয়েছে।শাশুড়ি আমাকে জিজ্ঞাস করেছিলো দৃষ্টি কোথায়?? আমি বলেছিলাম দৃষ্টির নাকি কোনো এক কাজ আছে সেটা শেষ করেই আসবে।তারপর শাশুড়ি আম্মা আমাকে খেতে দিলো। আমি খেতে শুরু করে দিলাম কিছুক্ষণ পর দৃষ্টি আসলো তবে আমার থেকে দূরে বসলো আমি কিছু বললাম না যে যেভাবে থাকতে চাই তাকে সেইভাবেই দিবো।আমার যতটুকু করার বা বলার দরকার সেটুকু করবো এর বেশি নাহ।খাওয়া দাওয়া শেষ করে রুমে চলে গেলাম।দৃষ্টিও রুমে চলে আসলো আমি বিছানায় শুতে যাবো ঠিক তখনি আরে আরে করে কি করে কি? আমিঃকি করেছি আমি?? দৃষ্টিঃ তুই আমার বিছানায় শুতে যাচ্ছিস কেনো?? আমিঃতো আমি ঘুমাবো কোথাও?? দৃষ্টিঃ কেনো তোর নিজের বাসায় যেখানে ঘুমাতি সেখানে মানে শোফায় ঘুমাবি। আমিঃধুর কেনো যে তোমাকে বিয়ে করতে গেলাম? দৃষ্টিঃ তাহলে আমাকে মুক্তি দিয়ে দে? আমিঃনাহহ সেটা দিবো না। দৃষ্টিঃ তাহলেলে শোফায় গিয়ে ঘুমা। আমি আর কিছু না বলে ছাদে চলে গেলাম।ভালোই লাগছে ঠাণ্ডা বাতাস বইছে।আমি ছাদের একপাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছি।কিছুক্ষণ পর কেনো জানিনা দৃষ্টি আসলো তারপর দৃষ্টিঃ চল রুমে চল এখানে এইভাবে দাঁড়িয়ে আছিস কেনো?? আমিঃএমনি ভালো লাগছে তাই দাঁড়িয়ে আছি... দৃষ্টিঃ আর দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না চল রুমে চল। আমিঃতুমি গিয়ে ঘুমিয়ে পরো আমি কিছুক্ষণ পর আসছি। দৃষ্টিঃ আরে আব্বু আম্মু যদি জানতে পারে তুই ছাদে দাঁড়িয়ে আছিস আর আমি রুমে ঘুমাচ্ছি আবার কিছু কথা শুনতে হবে।তার থেকে তুই রুমেই চল মনে মনে ভাবলাম না আমার জন্য বউ সকালে চড় খেলো আবার হয়তো অনেক কথা শুনতে হতেও পারে তাই আমি দৃষ্টির সাথে রুমে চলে গেলাম দৃষ্টিঃ যা এবার শোফায় ঘুমিয়ে পর।আমার অনেক ঘুম পাচ্ছি আমি ঘুমাতে গেলাম।এই বলে দৃষ্টি বিছানায় শুয়ে পড়লো আর আমি শোফায় ঘুমাতে গেলাম। হারামি বউ আমার একটু খেয়াল রাখে না। চলবে

দেমাগি মেয়ের অপমান

আগস্ট ২৯, ২০১৯ 0
২য় পর্ব লেখকঃমো আসাদ রহমান দরজা লাগিয়ে আমি দুইকানে হেডফোন গুজে গান শুনতে লাগলাম জানি আব্বু ডাকছে কিন্তু আমি শুনবো না।প্রায় ১২টার দিকে বের হলাম রুম থেকে খুন খিদে পেয়েছে খেতে হবে নাহলে আমি মারা যাবো।আর আমি মারা গেলে নিতুর আব্বু হবে কে?বের হয়ে প্রথমে ফ্রেশ হলাম তারপর আম্মুকে বললাম খেতে দিতে।আম্মু বললো তোর আজ খাওয়া বন্ধ,,মানে তোর আব্বু যতক্ষন বাসায় না আসছে ততক্ষন তুই খেতে পারবি না... আমিঃকেনো আম্মু এই রকম।অবরোধ কেনো দিয়েছে?? আম্মুঃসেটা তোর আব্বু আসলে তোর আব্বুর কাছ থেকেই যেনে নিবি কেমন?? আমিঃআম্মু আমার তো খুব খিদে পেয়েছে... আম্মু;আমি কিছু করতে পারবো নাহ... কি আর করার এখন বন্ধুদের বাসাই ভরসা গেলাম নাজমুলের বাসায় কিন্তু একি নাজমুলের উপরো অবরোধ?? এরপর রাফি একই অবস্থা আমার সব বন্ধুদের উপর অবরোধ আরোপ করা হয়েছে আর সেটা করেছে যার যার আব্বু এ কেমন বিচার।সবাই মিলে রেস্টুরেনন্টে খেতে গেলাম।খেয়ে দেয়ে পেট শান্ত করে একটু ঘুরে ২টার দিকে বাসায় আসলাম।। বাসায় এসে দেখি আব্বু অনেক আগেই বাসায় এসে গেছে। আব্বুঃকিরে এতোক্ষন কোথায় ছিলি?? আমিঃএইতো একটু ঘুরে এলাম। আব্বুঃকিছু খেয়েছিস। আমিঃনাহ আব্বু কিছু খাওয়া হয়নায়(ডাহা পড়া মিথ্যা কথা) আব্বুঃমিথ্যা বলে লাভ না আমি তো দেখেছি তোরা সবাই মিলে মন্টুর হোটেলে গিয়ে পেট পুরে খেয়ে এসেছিস এখন মিথ্যা বলছিস কেনো? এইরে আব্বু ধরে ফেলেছে ভাবছিলাম মিথ্যা কথা বললে আব্বুর মন একটু নরম হবে কিন্তু তা না উল্টো মিথ্যা কথা বলে আব্বুকে আরো রাগিয়ে দিয়েছি মনে হয়। আব্বুঃশুন যা করেছিস তার জন্য আমাদের সামনে দুইটা রাস্তা খোলা আছে প্রথম রাস্তা হয় আমাদের এই গ্রাম ছাড়তে হবে নাহলে তোকে দৃষ্টিকে বিয়ে করতে হবে। আমিঃআব্বু আমি অই মেয়েকে বিয়ে করতে পারবো না। আব্বুঃকেনো কি করেছে অই মেয়ে? আমিঃআব্বু তুমি দেখো নাই অই মেয়ে কত ছোট ছোট জামা কাপড় পরে।আমার এই রকম।মেয়ে চাই না আমি এমন একটা মেয়ে চাই যে সাধারণ একটা মেয়ের মত থাকবে।আর অই মেয়ে আমাকে অকারনে অপমান করেছিলো তাই আমি অই মেয়েকে বিয়ে করতে চাই না আব্বু। আব্বুঃতাহলে আর কি আমাদের এই গ্রাম ছাড়তেই হবে। নাহ আব্বু আমরা এই গ্রাম ছেড়ে কোথাও যাবো না। আব্বুঃতাহলে তো অই মেয়েকে তোকে বিয়ে করতেই হবে। আমিঃআব্বু অই মেয়ে মেয়ের বাবা মা তোমারা কি রাজি?? আব্বুঃহ্যা আমরা সবাই রাজি শুধু তুই রাজি হলেইই শুভ কাজ সেরে ফেলবো। আমিঃআব্বু আমি অই মেয়েকে বিয়ে করতে পারি।যদি অই মেয়ে সাধারণ মেয়ের মত থাকতে পারে।আর যদি অই সবার সামনে আমাকে এসে সরি বলে তবেই আমি অই মেয়েকে বিয়ে করবো।। আব্বুঃবাবা শুন অই মেয়েকে তুই যা বলবি তাই করবে কিন্ত তবুও তুই অই মেয়েকে বিয়ে করে নে বাবা। আমিঃআচ্ছা আব্বু তোমরা যেহেতু রাজি তাহলে আমিও রাজি। আব্বুঃএই নাহলে আমার ছেলে তাহলে বাবা এবার নিজেকে বিয়ের জন্য প্রস্তুত করো।আর আমি দৃষ্টির আব্বু আম্মুর সাথে কথা বলে দেখি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিয়ে দিয়ে যে রটনা রটছে সেটা দূর করবো।আর যাও এইবার খেতে যাও,, আমিঃআচ্ছা আব্বু যাচ্ছি আব্বুঃহুম যাও আর এখন থেকে দুষ্টুমি একটু কম করো মনে রেখো দুইদিন পর তুমি কারো স্বামী হবে তোমার কাধে অন্য এক্টা দায়িত্ব আসবে। আমিঃআচ্ছা আব্বু তুমি যা বলবে তাই করবো। এরপর আব্বু আরো কিছু কথা বলে চলে গেলো।আর আমিও খেতে চলে গেলাম।তার আগে বলে রাখি আমি এই সময় বিয়ে করতে চাইছিলাম না কিন্তু এতো কিছুর পর আমি আর না করতে পাড়লাম না আমার জন্য আমার পরিবারকে গ্রাম ছাড়া হতে হবে সেটা আমি মানতে পারবো না তার থেকে ভালো বিয়ে টা করেই নেই।আজ হলেও বিয়ে করতে হবে কাল হলেও বিয়ে করতে হবে।যদিও দৃষ্টিকে আমার একদম ভালো লাগে না কিন্তু আব্বু আম্মু মান রক্ষার জন্য আমি বিয়েতে মত দিয়েছি। খাওয়া দাওয়া শেষ করে শুয়ে আছি তুখন অচেনা একটা নাম্বার থেকে কল আসে।আমি কিছু না ভেবেই কল রিছিভ করলাম আমিঃহ্যালো কে বলছেন? ওপাশ হতে;আমি তোমার বউ বলছি (মেয়ে) আমিঃঅই ফাজলামি করেন?আমি বিয়ে করলাম কবে যে আপনি আমার বউ হবেন? মেয়েঃআরে এখনো পুরোপুরি হয়নাই কিন্তু হবো এটা সিউর। আমিঃকে আপনি প্লিজ বলুন মেয়েঃআমি দৃষ্টি এবার চিনেছো? আমিঃহ্যা চিনেছি,তা আপনি আমার নাম্বার পেলেন কোথায়। দৃষ্টিঃ আমার শশুর মশাইয়ের কাছ হতে নিয়েছি। আমিঃমানে? দৃষ্টিঃ মানে তোমার আব্বুর কাছ থেকে নিয়েছি.. আমিঃতা এর মধ্যে আমার আব্বুকে শশুর মশাই বানিয়ে নিয়েছেন?? দৃষ্টিঃ হ্যা নিয়েছি... আমিঃভালো তা কি জন্য ফোন করেছেন সেটা বলেন? দৃষ্টিঃ তোমার ইচ্ছা গুলো পুরন করার জন্য... আমিঃ?????? দৃষ্টিঃ অই যে তুমি নাকি কিছু শর্ত দিয়েছো সেগুলো পুরন করবো এখন তাড়াতাড়ি নদীর ধারে আসো আমি অপেক্ষা করছি। আমি ভাবলাম নাহ মেয়েটা যেহেতু দেখা করতে বলছে আমি দেখা করি দেখি কেমন ইচ্ছা পূরণ করতে পারে। আমিঃআচ্ছা আর একটু অপেক্ষা করুন আমি আসছি.. দৃষ্টিঃ তাড়াতাড়ি আসো এরপর কল কেটে গেলো আমি নদীর ধারে গিয়ে দেখি কেও একজন নীল শাড়ি পরে দাঁড়িয়ে আছে। আমি পেছন থেকে গিয়ে বললাম দৃষ্টি নাকি? মেয়েটা আমার দিকে ঘুরে দাঁড়ালো। দৃষ্টিঃ অই হাদারাম নিজের হবু বউকে চিনো না? আমিঃনাহ মানে? দৃষ্টিঃ হয়ছে আর মানে মানে করতে হবে না।দেখো তোমার ইচ্ছা পূরণ করেছি।আর হ্যা সেদিনের ব্যাবহারের জন্য আমি সরি। আমি দৃষ্টির দিকে ভালো করে লক্ষ্য করে দেখি নীল শাড়ীতে দৃষ্টিকে বেশ দারুন লাগছে ঠিক যেনো একটা নীল পড়ি।আমি তো দৃষ্টিকে নতুন রুপে দেখে দৃষ্টির প্রেমে পড়ে গেলাম। দৃষ্টিঃ কি হলো অমন করে কি দেখছো?? আমিঃনাহ কিছু না তোমাকে না অনেক সুন্দর লাগছে।। দৃষ্টিঃ এই চলো না একটু তোমার সাথে গ্রাম ঘুরে বেড়াবো... আমিঃকিন্তু লোকে দেখলে কি বলবে বলো বিয়ের আগেই এইভাবে ঘুরাঘুরি ঠিক হবে?? দৃষ্টিঃ কে কি বললো সেটা আমার দেখার বিষয় নাহ।এখন তুমি আমার সাথে ঘুরতে বের হবে এটাই ফাইনাল আমি আর কি বলবো আমিও রাজি হয়ে গেলাম তারপর দুজন অনেক ঘুরাঘুরি করলাম।।সন্ধ্যার সময় দৃষ্টিকে বাসায় দিয়ে আমি বাসায় এসে পড়লাম এসে শুনি আগামি সপ্তাহে নাকি আমার আর দৃষ্টির বিয়ে।এতো তাড়া কেনো? আগে তো একটু সময় দিবে দুজন দুজনকে একটু বুঝার জন্য কিন্তু তা না তার আগেই দুজনকে বিয়ে দিয়ে দিবে।যাক বিয়ের পর বুঝে শুনে নিবো। মাঝখানে কি হলো সেটা আর বললাম না বিয়ে করে বউ বাসায় নিয়ে আসছি।সবাই নতুন বউ নিয়ে ব্যাস্ত,যার জন্য বাসায় নতুন বউ আসলো তার কোনো খোজ কেও নেই না।আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে ছাদে গেলাম। একবন্ধু বললো মামা আজকে কিন্তু বিড়াল মারা চাই। আমিঃবিড়াল মারা কিরে,জানিনা? রাফিঃশালা তোকে জানতেও হবে না।অনেক রাত হয়ে গেছে যা এবার বাসর ঘরে যা। তারপর বন্ধুদের ধাক্কা খেয়ে আমি বাসর ঘরে প্রবেশ করলাম।দেখি দৃষ্টি ঘোমটা দিয়ে বসে আছে।আমি দৃষ্টির পাশে যখন যেতে লাগলাম তখন দৃষ্টি বললো এই একদম আমার কাছে আসবে না বলে দিলাল।। আমিঃকেনো কাছে যাবো না কেনো? দৃষ্টিঃ আমি বলছি তাই আসবা না, আমিঃএই আজকে না আমাদের বাসর রাত,বাসর রাতের কাজ সেরে চলো ঘুমিয়ে পড়ি। দৃষ্টিঃ এই শুনো না আমার শরীর টা একদম ভালো নেই।আমি আজ পারবো না।আর শুনো আমার একা ঘুমানোর অভ্যাস। তুমি এক কাজ করো অই সোফায় ঘুমিয়ে পরো। আমিঃকিন্তু আমি তো বিছানা ছাড়া ঘুমাতে পারি নাহ। দৃষ্টিঃ প্লিজ একটু কষ্ট করো।কিছুদিন পর যখন একে অপর কে ভালোভাবে চিনবো জানবো তখন না হয় একসাথে থাকবো কিন্তু এখন প্লিজ তুমি শোফায় ঘুমাও আমার খুব ঘুম পাচ্ছে আমি ঘুমাবো। আর কি করার আমি শোফায় শুয়ে পড়লাম। দুঃখ একটা আমার নতুন ইতিহাস তৈরি করা হলো নাহ।কেও আমারে সমবেদনা জানাও আমার বাসর হলো নাহ😭😭😭.শোফায় গিয়ে শুয়ে পড়লাম নতুন বিয়ে করলাম কই বউ একটু আদর সোহাগ করবে তা না দিলো সোফায় পাঠিয়ে ভালো লাগে না ধুর।কিন্তু আমার বউ তো বলে দিয়েছে কিছুদিন পর যখন একে অপরকে ভালো করে চিনবো তখন নাকি একসাথে থাকবো আহা মজাই মজা ইতিহাস সৃষ্টি করবো☺☺☺☺ রাতটা কোনো ভাবে পাড় করলাম সকালে কে জেনো দরজা ধাক্কা দিচ্ছে,, দৃষ্টি আমাকে বলে দেখো তো গিয়ে কে দরজা ধাক্কাচ্ছে?? আমিঃআমি কেনো যাবো তুমি যেতে পারো নাহ। দৃষ্টিঃ আরে যাও না আমার শরীর ভালো নাহ,, আমিঃআচ্ছা যাচ্ছি, দরজা খুলে দেখি আমার কিছু ভাবি দাঁড়িয়ে আছি। ভাবিঃকি ব্যাপার ভাইয়া রাত কেমন কাটলো আমিঃভালোই কেটেছে... ভাবি'বাসর রাতে বিড়াল মেরেছো?? আমি……………… ভাবিঃতা নতুন বউ কোথায়? আমিঃশুয়ে আছে। ভাবিঃবাহ বাহ বাসর রাতে মনে হয় বিড়াল ভালোই মেরেছো বউ বিছানা ছেড়ে উঠতেই পারছে নাহ। আমিঃনাহ ভাবি তা না ভাবিঃহয়ছে হয়ছে আর কিছু বলতে হবে না আমরা সব কিছু বুঝি...... আমিঃধুর ভাবি তোমরা যা ভাবছো তা কিছুই হয়নাই। ভাবিঃযাও গিয়ে নতুন বউকে ডেকে তুলো গোসল করে নিচে আসতে বলো নতুন বউকে দেখতে অনেক মানুষ আসবে। আমিঃআচ্ছা ভাবি ঠিক আছে, ভাবিঃহুম তাড়াতাড়ি করতে বলো কেমন? আমিঃআচ্ছা তারপর ভাবি চলে গেলো আমি গিয়ে দৃষ্টিকে ডাকতে লাগলাম দৃষ্টি এই দৃষ্টি উঠো তা দৃষ্টিঃ উম উঠবো পড়ে। নাহ তোমাকে এখুনি উঠতে হবে দৃষ্টিঃ এই তোর প্রব্লেম টা কি শুনি এইভাবে কানের কাছে ভ্যা ভ্যা করছিস কেনো?? আমিঃএই তুমি এমন ভাবে কথা বলছো কেনো? তখন দৃষ্টি লাফ দিয়ে উঠে বললো সরি বাবু আসলে আমার ঘুম পুরোপুরি হয়নাই আর তুমি বার বার আমাকে ডাকছিলে তাই অমন ভাবে কথা বলেছি।সরি হা কিছু মনে করো না? আমিঃযাও ফ্রেশ হয়ে নিচে যাও সবাই তোমার জন্য অপেক্ষা করছে। তারপর দৃষ্টি ফ্রেশ হতে চলে গেলো আর আমি ছাদে চলে গেলাম তারপর অনেক কিছু হলো সেগুলো বাদ দিলাম বিয়ের ৭ দিন পর দৃষ্টি আমাকে বলে তার সাথে নাকি ঢাকায় তার বাসায় যেতে হবে। দৃষ্টিঃ এই শুনো তোমাকে আমার সাথে ঢাকা গিয়ে থাকতে হবে আর সেখানেই কাজ করতে হবে।কতদিন আর বেকার বসে থাকবে। আমিঃকিন্তু আব্বু আম্মু ভাইয়া ভাবিকে ছেড়ে কিভাবে দূরে গিয়ে থাকবো? দৃষ্টিঃ আমার জন্য আমাদের ভবিষ্যৎ এর জন্য হলেও যেতে হবে। আমিঃকিন্তু আব্বু আম্মুকে কিভাবে রাজি করাবো তাড়া তো রাজি হবে না... দৃষ্টিঃ তাদের রাজি করাবার দায়িত্ব আমার। আমিঃআচ্ছা তাহলে বলে দেখো তারা কি বলে। দৃষ্টি এরপর আব্বু আম্মু কাছে চলে গেলো জানিনা কি মন্ত্র দিয়েছিলো আব্বু আম্মু এক কথায় রাজি হয়ে গেলো। তারপর সেদিনি আমাকে ঢাকা আসতে হয়েছিলো দৃষ্টি চাইছিলো তাই আব্বু আম্মু আর না করতে পারে নাই। চলবে

দেমাগি মেয়ের অপমান

আগস্ট ২৯, ২০১৯ 0
দেমাগি মেয়ের অপমান লেখকঃআসাদ রহমান কোটচাঁদপুর"ঝিনাইদহ একদিন গ্রামের রাস্তায় আমি ও আমার বন্ধুরা মিলে আড্ডা দিচ্ছিলাম। তখন একটি গাড়ি আসলো প্রাইভেট কার এসেই আমারা যেখানে আড্ডা দিচ্ছিলাম সেই খানে দাঁড়ালো। গাড়ির ভেতর থেকে কেও একজন আমাদের তার কাছে যাবার জন্য ডাকছিলো কিন্তু আমরা কেও যাইনি। যার দরকার সে নিজেই আসবে।আমরা কেনো তার কাছে যেতে যাবো।আমরা কেও যাচ্ছি না বলে গাড়ি থেকে একটা অপরূপা সুন্দরী বের হলো,,কিন্তু সে যে জামা কাপড় পড়েছে তাতে করে তাকে রাস্তার ভিখারির থেকে খারাপ লাগছে ছেড়া জামা কাপড় যদিও আমরা জানি এইটা এই যুগের ফ্যাশন তবে গ্রামে এই রকম ফ্যাশন চলে না।মেয়েটি গাড়ি হতে নেমে সোজা আমাদের কাছে চলে এলো। মেয়েটিঃকিরে ছোটলোকের বাচ্চারা ডাকছি কান দিয়ে যাচ্ছে না। আমিঃকথা গুলো কাদের বললেন? মেয়েটিঃএখানে তো অন্য আর কেও নেই তোরা যেহেতু আসিস তাই তোদের বলেছি। আমি;কেনো আমাদের এমন ভাবে গালি দেওয়ার কারন কি?? মেয়েটিঃঅই এতো কথার উত্তর দিতে পারবো নাহ।তাড়াতাড়ি বল এইখানে রফিক চৌধুরীর বাড়ি কোথায়?? আমিঃআমরাও জানিনা আমরা এই গ্রামে একটু আগে এসেছি তো তাই কিচ্ছু চিনি না। মেয়েটিঃঅই একদম মিথ্যা কথা বলবি না,ছোটলোক কোথাকার। আমিঃদেখুন এইবার কিন্তু একটু বেশি বেশি হয়ে যাচ্ছে। মেয়েটিঃহলে হয়েছে কি করবি শুনি? আমিঃযা করার তাই করবো।আর আপনি যে জামা কাপড় পরে এসেছেন তাতে করে যে কোনো পরুষ মানুষের লোভ হতে পারে। মেয়েটি আমার কথা শুনে পুরাই রেগে আগুন হয়ে গেলো।তারপর কি হলো ঠাসসস ঠাসসসস কয়েকটা পড়লো আমার গালে এই আপনি আমাকে মারলেন কেনো?? মেয়েটিঃমেরেছি বেশ করেছি ছোটলোক তোর সাহস কি করে হয় আমার দিকে নজর দেওয়া।দাড়া একবার জমিদার বাড়ি খুজে পায় তোর ব্যাবস্থা আমি নিচ্ছ। এই কথা বলে মেয়েটি চলে যেতে লাগলো হুদাই আমাকে চর মেরেছে সময় সুযোগ পেলে আমি এর প্রতিশোধ নিবোই নিবো।মেয়েটি গাড়িতে উঠে চলে গেলো।তখন আমার বন্ধুরা বললো কিরে মামুন তুই অপরিচিত মেয়ের হাতে চড় খেলি।কিছু বললি না কেনো। আমি;আরে মামা এক মাঘে কি শীত যায়।আমারো যেদিন সুযোগ আসবে আমি ঠিক এর প্রতিশোধ নিবো দেখি নিস।চল এখানে দাঁড়িয়ে না থেকে বাসায় চলে যায়।গালটা এখনো ঝিন ঝিন করছে।ফাজিল মাইয়া একটা।আমি বাসায় চলে এলাম।আম্মু তো আমাকে দেখেই বুঝে ফেললো কিছু একটা হয়েছে আম্মুঃকিরে মামুন তোকে এমন লাগছে কেনো কি হয়েছে?? আমিঃনাহ আম্মু তেমনন কিছু হয়নাই,,খেতে দাও তো? আম্মুঃআচ্ছা দিচ্ছি কিন্তু বললি না তো কি হয়েছে? আমিঃআম্মু সময় আসলে বলবানি এখন খেতে দাও পেটে ইদুর দৌড়াচ্ছে। আম্মুঃতা তো দৌড়াবেই সারা দিন না খেয়ে শুধু বাহিরে ঘুরাঘুরি। একটু বাড়ির কাজ তো করতে পারিস। আমিঃআম্মু তুমি তো জানোই সাংসারিক কোনো কাজ আমাকে দিয়ে হবে না। আম্মুঃকোনো কাজ না পারলে কোনো মেয়ে তোকে বিয়ে করতে চাইবে না হাদারাম। আমিঃআম্মু সমস্যা নাই আমি বিয়ে ছাড়াই জীবন কাটিয়ে দিবো। আম্মুঃহাহাহাহ ছেলে আমার বলে কি?শুন বাবা জীবন পরিপূর্ণ হয় কিন্তু বিয়ের মাধ্যেমেই। আমিঃসেটা কি করে আম্মু? আম্মুঃসেটা তুই বুঝবি না,যা হাত মুখে ধুয়ে আয় তোকে খেতে দিচ্ছি। তারপর আম্মুর কথামত হাত মুখ ধুয়ে এসে খেতে বসলাম।খাওয়া দাওয়া শেষ করে বন্ধুদের ফোন দিলাম।একটু রফিক সাহেবের বাড়ির দিকে যাবো।দেখবো মেয়েটা সেখানে কি করতে এসেছে আর সেখানে এখনো আছে কি না।রফিক সাহেব আমাদের এলাকার একজন সনামধন্য মানুষ তাদের পরিবারের পরেই আমাদের পরিবারের অবস্থান।আর রফিক সাহেব আর আমার আব্বু তো সেই হাফ প্যান্ট কালের বন্ধু মানে ছোট বেলার বন্ধু সেই হিসাবে রফিক সাহেবের বাড়িতে আমাদের ভালোই যাতায়াত। আমার বন্ধুগুলা এসে পরেছে যদিও বাইক আনতে চেয়েছিলো আমি না করে দিয়ছি হেটেই যাবো।আর বিকালে হাটার মজাই আলাদা যারা গ্রামে থাকে শুধু তারাই মজা বেশি করে উপভোগ করতে পারবে।আমার বন্ধুদের নাম পরপর বলি রাফি নাজমুল ইমন রানা সবাই হেটে হেটে যাচ্ছি।আমার বন্ধুগুলাও আমার হাফ প্যান্টকালের বন্ধু ছোট থেকে একসাথে বড় হয়েছি।অনেক ঝগড়া হয়েছে কিন্তু কেও কাওকে ছাড়া মনে হয় না একদিন এর বেশি থেকেছি।কথা বলতে বলতে রফিক সাহের বাসায় এসে পরেছি।আমদের দেখেই দারোয়ান চাচা বললো কি ব্যাপার বাবারা তোমরা এখানে কি করতে এসেছো? আমিঃচাচা একটা গোপন সংবাদ দিতে পারবেন। চাচাঃ হ্যা বলো কি জানতেও চাও? আমিঃআচ্ছা চাচা আজকে শহুরে একটা মেয়ে এসেছে নাকি এই বাসাই? চাচাঃ হ্যা রফিক সাহেবের বোনের মেয়ে ঢাকা থেকে এসেছে।শুনলাম তার বাবার নাকি বিশাল ব্যাবসা আছে।অনেক বড় লোক আমিঃচাচা আমি এতো কিছু জানতে চাইনা শুধু এই টুকু বলে সেই মেয়েটা এখনো এই বাসায় আছে কি না? চাচাঃহ্যা আছে শুনলাম তো মেয়েটি নাকি এই বাসায় আরো কিছুদিন থাকবে। আমিঃআচ্ছা চাচা আমি তো তোমার ছেলের মত তাই না?? চাচাঃকি বলবি বল এতো বাহানা করতে হবে না। তারপর চাচার কানে কানে কিছু কথা বললাম আপনাদের শোনানো যাবে না।আপনারা শুনলে আবার বলে দিতে পারেন😁😁😁 চাচাঃনাহহ এটা আমি পারবো না কেও যদি জানতে পারে এই কাজের সাথে আমি জড়িত তাহলে আমার চাকরি খেয়ে নিবে। আমিঃচাচা আমার আর একটা বুদ্ধি আছে যেটা করলে সাপ ও মরবে আর অন্যদিকে লাঠিও ভাঙবে নাহ। চাচাঃকি কাজ বল আসলে তোরা তো এই গ্রামের ছেলে তোদের সাহায্য করতে পারলে আমারো কিছুটা ভালো লাগবে। আমি আবার চাচার কানে কানে আরো কিছু মন্ত্র দিলাম😜😜 চাচাঃআচ্ছা যদি এই রকম হয় তবে আমি রাজি আছি। আমিঃচাচা তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ? চাচাঃযা করবি একটু ভেবে চিন্তে করিস কেমন আমিঃচাচা তুমি একদম চিন্তা করো নাহ,দেখবে আমি আমার কাজে সফল হবোই হবো। চাচাঃতাই যেনো হয়। তারপর আমি আর আমার বন্ধুরা মিলে কাজটা কিভাবে সফল করা যায় সেই পরিকল্পনা করলাম।আমাদের প্লান থাক বলমু নাহ।সেই বিকেল থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করছি বাসায় যায়নাই।রাত ১২টা বাজে এখন আমাদের প্লান কাজে লাগানোর সময় এসে গেছে।দারোয়ান চাচাকে বলে বাসার ভেতরে চলে গেলাম শহুরে ম্যাডাম কোন রুমে শুয়েছে সেটা জেনেও নিলাম।চুপি চুপি পাইপ বেয়ে উঠলাম ম্যাডাম নাকি দ্বিতীয় তলার একদন কর্নারের রুমে শুয়েছে।আমি উঠছি আর আমার হারামি বন্ধু গুলো নিচে দাঁড়িয়ে আছে।আমি জানালা দিয়ে ম্যাডামের রুমে প্রবেশ করলাম।দেখি ম্যাডাম শুয়ে আছে সত্যি বলতে ম্যাডামকে দেখতে অনেক বেশি সুন্দর লাগছে।এতো সুন্দর চেহারা এতো সুন্দর রুপ কিন্তু সে কিভাবে চলাফেরা করে ছিঃ আমি আগে থেকেই একটা বেশ ধরে আছি আমি গিয়ে ম্যাডামের মুখে আগে সুন্দর করে টেপ লাগিয়ে দিলাম তারপর আমি ম্যাডামকে খোচা মারলাম। হাহাহাহাহাহাহা বিকট শব্দে আমি হাসতে লাগলাম ম্যাম তো জেগে এমন ভয় পেয়েছে যে দৌড়িয়ে পালাতে চেয়েছিলো কিন্তু আমি শক্তা করে চেপে ধরে রাখছিলাম আরে আমি ভুত সেজেছি ম্যামকে ভয় দেখানোর জন্য আমাকে চড় মারার শাস্তি এইভাবে দিবো এমন ভয় দেখাবো যে বাপ বাপ করে এই এলাকা থেকে পালাবে।ম্যাম কিছু বলতে পারছে না শুধু ছটফট করছে।আমিও ম্যামকে শক্ত করে ধরে আছি ছাড়বো নাহ।কিন্তু বিপত্তি ঘটে গেলো ম্যামের একটা হাত ছুটে গেলো আর ম্যাম আমার মুখের যে মুখোশ ছিলো সেটা টেনে খুলে নিলো। এইরে খাইছে রে এইবার আমি কোথায় যায়।নাহ ভালো করে দেখার আগেই পালাতে হবে তা নাহলে তো ধরা পড়ে যাবো।আর একবার যদি ধরা পড়ে যায় জেল নিশ্চিত একটা মেয়ের রুমে রাতের আধারে এসেছি পালাই আমি আমি ম্যামকে ছেড়ে দিয়ে কোনো রকম।পাইপ বেয়ে নেমে বন্ধুদের বললাম দে দৌড় নাহলে কিন্তু পরে বিপদে পরবি।আমার বন্ধুরাও আমার সাথে দৌড়াতে লাগলো এক দৌড়ে নদীর পারে এসেছি বন্ধুরাঃকিরে কি হয়েছে? আমিঃআর বলিশ নাহ,,মেয়ে তো আমার মুখে মুখোশ নিয়ে নিয়েছে জানিনা দেখে নিয়েছে কিনা। শোন এখন চল যে যার যার বাসায় চলে যায়।পরে কি হবে সেটা এখন আমি ভাবতে চাই নাহ। বন্ধুরাঃহ্যা তাই চল তারপর বাসায় চলে গেলাম চুপি চুপি রুমে গিয়েই শুয়ে পড়লাম।পরদিন সকালে ঘুম ভাঙে প্রচন্ড জোড়ে দরজা ধাক্কানোরর শব্দে কিন্তু এই সকাল বেলা কে এতো জোড়ে দরজা ধাক্কাচ্ছে।আমি দরজা খুলে দেখি আব্বু দরজা ধাক্কাছে আমিঃকি ব্যাপার আব্বু এতো সকাল সকাল দরজা ধাক্কা দিচ্ছো কেনো? আব্বুঃকাল রাতে তুই কোথায় গেছিলি? আমি;নাহ আব্বু শুধু বন্ধুদের সাথে একটু আড্ডা দিচ্ছিলাম। ঠাস ঠাস চুপ একদম চুপ মিথ্যা বলবি না গতকাল রাতে তুই রফিকের বাসায় গেছিলি সেখানে তার বোনের মেয়ের সাথে তুই কি করেছিস হ্যা। আমিঃআব্বু আমি যাইনাই তোমার কোথাও ভুল হচ্ছে না আংকেল এই ছেলেটাই কালকে আমার রুমে গিয়ে আমাকে ভয় দেখিয়েছে।আর একটু হলে তো আমি হার্ট এর্টাক করতাম।(সেই মেয়েটি)নাম জানিনা এখনো) আরে এই মেয়ে আমার বাসায় আসলো কি করে?বুঝেছি দারোয়ান চাচা মনে হয় সব বলে দিছে তার কোনো দোষ নেই. আমিঃআব্বু না মানে আব্বুঃমানে মানে করছিস কেনো,,একটা অবিবাহিত মেয়ের রুমে রাতের আধারে যাওয়ার মানে বুঝিস?? আমিঃআব্বু আমার ভুল হয়ে গেছে আমাকে মাফ করে দাও। আব্বুঃএখন আমার মাফ করা না করাই কিছু যায় আসে না।সারা গ্রামে এই কথা ছড়িয়ে গেছে,,এখন তাদের কিভাবে মুখ দেখাবো সেটাই ভাবছি।তাড়া তো বলছে তোদের বিয়ে না দিলে আমাদের বা রফিকদের এই দুই পরিবারকে গ্রাম ছাড়া করবে। আমিঃআব্বু কোনো হালার পুত হালা এই কথা বলেছে একবার বলো অরে গিয়ে আগে দুনিয়া ছাড়া করে দিয়ে আসি(যদিও মারামারির মধ্যে একদম নেই কিন্তু আব্বু কথা শুনে মাথা গরম হয়ে গেছে) আব্বুঃহয়ছে এখন আর বড় গলায় কথা বলতে হবে নাহ………… আব্বুঃমামনি তোমার নাম তো জানা হলো নাহ মেয়েটিঃজি আমার নাম দৃষ্টি চৌধুরী। আব্বুঃতোমার আব্বু আম্মুকে একবার গ্রামে আসতে বলো তাদের সাথে কথা আছে.. অহহ মেয়েটির নাম তাহলে দৃষ্টি ?? দৃষ্টিঃ আমি তো সেই সকালেই আসতে বলেছি এতক্ষন হয়তো তাড়া এসে গেছে। আব্বুঃএকদম ঠিক কাজ করেছে,,তুমি এখন বাসাও যাও আমি কিছু একটা ব্যাবস্থা করছি দৃষ্টিঃ আচ্ছা আমি যাচ্ছি কিন্তু আপনার ছেলের জন্য আমার যে সম্মানহানি হলো সেটার কি করবেন? প্লিজ আংকেল একটা ব্যাবস্থা করুন?তা নাহলে যে আমার মরা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। আমিঃতো গিয়ে মর না ফাজিল মেয়ে তোরে কি কেও চিৎকার করতে বলেছিলো নাকি পরে,, চিৎকার না করলে তো এতো লোক জানতো না। দৃষ্টিঃ দেখেছেন আংকেল আপনার ছেলে কিভাবে কথা বলে আমি তো ভয়ে চিৎকার দিয়েছি আমি কি জানতাম এতো লোক জানবে আর এই রকম কান্ড হবে?? আমি;ভালো হয়েছে খুব ভালো এখন বুঝো ঠেলা। আব্বুঃঅই তুই চুপ থাক একদম কথা বলবি নাহ।তোর জন্যই এতো কিছু হলো এখন এই ভুলেল মাশুল তোকেই দিতে হবে। এখন দেখি দৃষ্টির আব্বু আম্মু আসুক তারপর দেখি কি করা যায়? আমিঃআব্বু তোমার যা খুশি করো আমি এতে নাই।আমার যেটা ভালো মনে হয়েছে আমি সেটাই করেছি এই কথা বলে আমি রুমের দরজা বন্ধ করলাম অহহ হ্যা দৃষ্টি আমার কথা গুলো শুনে রেগে যাচ্ছিলো দেখে মনে হচ্ছিলো আমাকে কাচা খাবে চোখ দুটি লাল হয়ে গেছিলো আমি জানি দরজা খুলে যদি তাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকি তবে আরো অনেক কথা শুনতে হবে চলবে,,,,,,

রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৯

রোমা‌ন্টিক শয়তান

আগস্ট ১৮, ২০১৯ 0
--------------------------- ঐ শুনো। হাত টেনে ধরে,,,, . এই ডেভিলটা আবার আমার হাত ধরছে কেন? . হাতটা ছেড়ে বলুন শুনছি। . তোমায় একটু ঠিক করে মানে সুন্দর করে প্রোপজ করে রিহার্সাল টা ঠিকমত করে নেই ওকে? . না করলে কি আপনি শুনবেন? . তোমার কি মনে হয় আমি শুনব? . আমার মনে হয় না আপনি শুনবেন। সো করেন যা ইচ্ছে। (শুনবেন কীভাবে? আপনি হচ্ছেন চরম পর্যায়ের ডেভিল খাটাসের খাটাস। আপনি কারো কথা শুনতে পারেন? কথা শুনাতে‌া অনেক দূরের ব্যাপার আপনিতো তার আসেপাশেও যাবেন না) . ঐ মেয়ে ঐ কি বিরবির কর সারাদিন মাথার ব্যামো আছে নাকি? . ব্যামো জিনিস টা আবার কি?(ধুত্তুরি প্রশ্ন করেই ভুল করলাম। যত কথা তত উত্তর তত দেরী।)শুভ্র উত্তর দিতেই যাচ্ছিলো তখন মিম বলল, থাক বাদ দিন আপনি রিহার্সাল করুন। . শুভ্র মিমের হাত ধরল। হাঁটু গেরে বসল। মিমের হাতে চুমু দিল। মিম ভ্রু কুঁচকে তাকালো। তখন সে পিছন থেকে একটা আংটি বের করল। আংটি রাখার সিস্টেম টা মিমের খুব ভালো লাগল। চারিদিকে লাল তারপর সাদা আর মাঝে একটা কালো গোলাপের মধ্যে একটা আংটি রাখা। সম্ভবত হিরের। কালো গোলাপে রাখা তাই জ্বলছে। (হুম হিরের আংটি আনা। না জানি এর বাবা দেশের কত সম্প‌ত্তি এখানে সেখানে টানাটানি করছে। একটা মন্ত্রী বেতন কত পায়? যে তার ছেলে তার হবু গফ কে হিরের আংটি গিফট করে। যা খুশি করুক। আমার কি?) . Will you marry me? . No i won’t. . তোমায় বলিনাই যাস্ট একটু রিহার্সাল করছি । আমি আমার প্রিয়তমা কে এইভাবে প্রপোজ করব। দেখবে তুমি তাকে? . না দেখবনা। . কেন দেখবানা। . আশ্চর্য আমি না দেখলেও কি তাকে জোর করেই দেখাবেন নাকি? আপনি এমন কেন হ্যা? . এমন মানে কেমন? . একদম গায়ে পরা স্বভাবের চিপকু টাইপ আর লুচু ডেভিল। একটু ভাল হইলে কি ক্ষতি ছিল? . কি বল্লা তুমিইইইইই? . না না কিছুনা কিছুনা(ভয় পেয়ে।। আল্লাহ ডেভিলরে কি না কি বলে ফেললাম। এখন যদি ডেভিলটা আমায় খেয়ে ফেলবে কে বাঁচাবে আমায়? আল্লাহ বাঁচাও) . আমি সব শুনেছি।(চোখ লাল করে) তোমায় তো এর পানিশমেন্ট পেতেই হবে। . এএএএএ. . ঐ মেয়ে একদম কাঁদবানা যদি বেশি ঢং দেখাবা তত বড় পানিশমেন্ট। . মিম একেবারে চুপ হয়ে গেল। তারপর বলল,,,, আমার একটা ডাউট আছে। . পরে ক্লিয়ার করছি। চল এখন। . একি কই নিয়ে যাচ্ছেন আমাকে? . তোমারে পানিশমেন্ট দিতে। আমি একটা মেয়েরে প্রপোজ করব তুমি ওখা‌নে দাড়িয়ে থাকবে। . আপনি একটা মেয়েকে প্রপোজ করবেন ওখা‌নে আমি দাড়িয়ে থেকে কি করব? আমি ল্যাম্পপোস্ট নাকি গোলাপ ফুল? . এত বেশি চোপড় চোপড় করতে হবেনা। যা বলছি শুনো নয়ত ঘারে মাথাটা আর পাবানা। . কে আছ বাঁচাও বাঁচাও আমায় দিনে দুপুরে খুনের হুমকি দিচ্ছে। . আর একটা বাক্য মুখ থেকে বের হলে ঘুষি মেরে নাক থ্যাতলা করে দিব। মিম একেবারেই চুপ হয়ে গেল। নুফতি টা যে কি এখনো আসছেনা। এই ডেভিলটা যদি তাকে খুন করে কোথাও পুতেও ফেলে তবু কেউ জানবেনা। আল্লাহ বাঁচাও। আমি আর কারো সাথে ধাক্কা খাবনা কোনোদিন। ডেভিল খাটাশ যেদিন থেকে লাইফে আসছে লাইফ শেষ করে দিছে একেবারে। যতটুকু বাকি আছে সেটাও নিয়ে নিতে চাচ্ছে। একি ডেভিল আমায় গাড়িতে উঠাইলো কেন? এর মতলব টা কি? আমার এক হাত ধরে রেখেছে ফোন ও বের কর‍তে পারছিনা। আর কিছু বললে তো বলছে যে নাকে ঘুষি দিয়ে নাক ফাটিয়ে দিবে। . মিম খুব ই ভয়েই আছে তবুও মুখ ফসকে বলেই ফেলল। . কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন আমায়? . গেলেই দেখতে পাবে। তোমার কি জানি ডাউট ছিল? . না মানে আপনার বাবার বেতন কত? . মানে? এটা কি ধরণের প্রশ্ন? . মানে আপনার বাবা সেলারি কত পান? . তা দিয়ে তুমি কি করবা ? . বলেন শুনি। . ৬০/৭০ হাজারের আশেপাশে হবে। . আপনি যে আংটি আপনার গফ কে গিফট করবেন ওটার দাম কত! . ১ লক্ষ ২ হাজার . আপনি আপনার বাবার বেতনের ডাবল টাকা গফ এর আংটি কিনতে ব্যয় করলেন!!!! . ‌তো কি হইছে আমার একটাই গফ? . আপনাদের সারা মাসের খাবার খরচ কোথা থেকে আসবে। আপনার বাবা কি ঘুষ খায় নাকি? . গাড়ি অনেক জোড়ে চলছিল শুভ্র হঠাৎ ব্রেক কষল। মিম ভীষণ ভয় পেয়ে গেল। ডেভিলের বাবাকে নিয়ে কথা বলা? নির্ঘাত এইবার ডেভিলটা তাকে খেয়েই ফেলবে। . সরি সরি আমি আর কিছুই বল‌বো না । আসলে এটাই আমার ডাউট ছিল বাংলাদেশ এর মন্ত্রীরা এত টাকা কোথা থেকে পায়। . শুনো অন্য মন্ত্রী দের কথা জানিনা আমার আব্বুর অনেক ব্যবসা তিনি মন্ত্রী হওয়ার আগেই বড়লোক। কাজ না ক‌রে বসে বসে দিন কাটানো এটা তার ভাল লাগত না। মানুষের সেবা করার জন্য তিনি মন্ত্রী হয়েছেন। সবসময় সম্মান দিয়ে তার নাম নিবা। তুমি আমার মুড টাই নষ্ট করে দিছ। কেও আমার বাবারে নিয়ে কিছু বললে আমার ভাল্লাগেনা। . সরি আর বলবনা। . আচ্ছা চল। . শুভ্র মিমকে একটা পাহাড়ের উপর নিয়ে গেল। এত্ত সুন্দর পাহাড়টা মিম হা করে তাকায়ে আছে। . ঐ মেয়েটা কই? . আছে এই খা‌নে আসো। . শুভ্র মিমকে একেবারে পাহাড়ের পাদদেশ এ দাড় করালো। . আবার আগের মত করে মিম কে প্রপোজ করল। . একি আপনি আবার আমায় প্রপোজ করেন কেন? . মিম ঐ মেয়েটা আসলে তুমি। আমি খুব ভালবাসি তোমায়। এখন যদি না কর পাহাড় থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিব। তুমি আমার নাতো তুমি কারোর ই না। . ঘটনার আকস্মিকতায় মিম থ বনে গেল। এই ছেলে বলে কিনা তাকে পাহাড় থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিবে। মিম পাহাড়ের নিচের দিকে একটু তাকালো। কিচ্ছুই দেখা যায়না। এখান থেকে পড়লেতো ওর হাড় হাড্ডিও পাওয়া যাবেনা। ডেভিল আর কাকে বলে। প্রপোজ করছে নাকি ব্লাকমেইল কিছুই বোঝা যাচ্ছেনা । , , , , #চল‌বে

বৃহস্পতিবার, ৮ আগস্ট, ২০১৯

অভিসপ্ত

আগস্ট ০৮, ২০১৯ 0
আজ কয়েকদিন ধরে গ্রামে লাশেরর বন্যা বয়ে যাচ্ছে। প্রতি রাতে খুন হচ্ছে। সন্ধ্যার পর কাউকে দোকানে বা বাজারে দেখা যায় না। দোকানদারেরা ও সবাই একসাথে আসে আবার কোনদিন বিকালে চলে আসে। পূর্নিমার পর থেকে গ্রাম থেকে লাশ উদাও হত্যা শুরু হয়েছে। পুলিশের তদন্তে কোন কিছু ধরা যাচ্ছে না। ডাক্তারি রির্পোট মতো সবারর একই ভাবে মৃত্যু হয়। আম্মু: আরিয়ান তোকে বারান্দায় আসতে না করেছিনা। আজ নতুন এলে শহর থেকে তোর বন্ধুরা কই? আমি: সবগুলো ছাদে আছে। আম্মু: ওদের নিয়ে আয়। আর রাতে বারান্দায় ছাদে যেন না যায়। আমি: আম্মু তুমি কি যে বল সবাই শহরের ছেলে ওরা এসব ভুত প্রেত বিশ্বাস করে না। আম্মু: তবুও আমাদের এখানে আছে আমাদের তো দেখতে হবে । আমি: আচ্ছা আমি ডাকছি। (আমি আরিয়ান শহরে পড়ি। গ্রামের সবচেয়ে পুরানো বাড়িতে থাকি। এখানে আমাদের পূর্বপুরুষেরা থাকত। কলেজের সব বন্ধু এসেছে বেড়াতে।) আমি: ওই সবাই নিচে আয় নস্তা করতে ডাকছে তোদের। নিলয়: চল প্রচুর খিদে লাগছে! নিলা: তোমার মত পেটুক আমি খুব কমই দেখেছি। কেন যে আমি তোমার প্রেমে পড়েছি আল্লাহ জানে। মিম: তুই আমার বন্ধুকে ইনসল্ট কেন করিস। নিল: মিম পচা ডিম তুই বলিস না তোর আরিয়ান কেমন ভালো করেই যানি। মিম::তুই আরিয়ানকে নিয়ে কিছু বলবি না। আমি: আর ঝগরা কইরো না তোমরা। নাস্তা করে তোরা আমারে উদ্ধার কর। সবাই:চল নাস্তা করে রুমে বসে আছি সবাই। আব্বু:আমি চাই তোমরা এখানে যা কয়েকদিন থাক তোমরা সাবধানে থাকবে। নিলয়: আন্কেল আসলে হইছে কি? আমি: আমি পরে তোদের বলব। আব্বু: এখন খেয়ে সবাই ঘুমিয়ে পড়। সবাই ঘুমিয়ে পড়েছি। হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেল। উঠে দেখি পাশে নিলয় নাই। মনে হয়য় ওয়াসরুমে গেছে তাই আমি আর কিছু না করে শুয়ে রইলাম। অনেকক্ষন পরও আসছে না দেখে আমি বাইরে গেলাম দেখি নিলয় হাটতে হাটতে বাড়ির শেষ সীমানায় একটা বাগান আছে সে দিকে চলে যাচ্ছে। আমি: নিলয় এই নিলয়। কিন্তু কোন কথাই শুনছে না। মনে হচ্ছে কোন এক ভিন্ন জগতে আছে । আমি নিলয়ের পিছন পিছন গিয়ে ধাক্কা দিলাম। নিলয় : আমি এখানে কেন? আমি: না এমনি কিছু না ভিতরে চল। রাতে আর তেমন কিছু ঘটল না। সকালের দিকে স্বপ্নে দেখলাম তাতে ভয়ে শরীর কাপাকাপি শুরু হয়ে গেছে। দেখলাম যে আমা...... চলবে দুঃখিত পার্ট ছোট বলে।

রবিবার, ৪ আগস্ট, ২০১৯

অপ্রত্যাশিত বাসর

আগস্ট ০৪, ২০১৯ 0
part-3/4 রাতে দেখি সাইকোটা গরম লোহা আর সুচ নিয়ে ঘরে ঢুকল।চোখে আগের মত সেই পশুর ছায়া। দেখে মনে হল এখন এই লোক আমাকে খুন করবে। আমি ভয়ে ভয়ে পিছিয়ে যেতে লাগলাম। আমি যতই পিছিয়ে যাই জানোয়ারটা ততই আমার সামনে আসে । এক সময় আমি দেয়ালের সাথে লেগে গেলাম।উনি কিছু না বলে আমাকে কিস করা শুরু করলেন। কিছুক্ষন কিস করার পর গরম সুচ হাতে নিলেন। আমি ভয়ে কেদে দিলাম। আমার কান্নার আওয়াজে সে পৈশাচিক হাসি হাসছে... -প্লিজ আমাকে মারবেন না... -সোনা আমি তোমাকে মারতে পারি বল..আমি তো তোমায় ভালবাসি তাই না(আমার গালে হাত দিয়ে পাগলের মত বলছে কথা গুলো) তার পাগলামো দেখে আমি আরো ভয় পেয়ে গেলাম। যেভাবেই হোক আমায় পালাতে হবে না হলে এই জানোয়ার আমাকে কবরে উঠাবে সিউর। আমি পালাতে যাব কিন্তু উনি আমার হাত ধরে ফেলে। তারপর উনি আমর ওড়নাটা বুক থেকে কেড়ে নিয়ে আমার হাত বাধতে থাকে..... -প্লিজ আমাকে মারবেন না...আমাকে ছেড়ে দিন.... -মারবো না সোনা.. আজ আমাদের একটা ভালবাসার প্রতিক উপহার দিব তোমায়... উনি আমার হাত বেধে ফেলললেন। তারপর আমার মুখে এক দলা কাপড় ঢুকিয়ে দিয়ে বিছানায় ফেলে দিলেন। ভয়ে আমার চোখ দিয়ে পানি পড়তে লাগল কিন্তু আমি চিৎকার করতে পারছিলাম না কারন আমার মুখ বাধা ছিল..... । । কিছুক্ষন পর গরম কিছু আমার পিঠে অনুভব করলাম। মনে হল কেউ আমার চামড়া কেটে ফেলছে। আমি যন্ত্রনায় ছটফট করতে থাকলাম। কিন্তু উনি কিছুই মনে করলেন না। কিছুক্ষনের মাঝে আমার মনে হল আমি জাহান্নামে চলে এসেছি। এত কস্ট, যন্ত্রনা আমি আর সহ্য করতে পারছিলাম না। আমি প্রাথনা করতে লাগ্লাম আল্লাহর কাছে যেন এই লোকের কাছ থেকে আমার মুক্তি দেয়। কিছুক্ষন পর জানোয়ার টা কি যেন আমার পিঠে লাগিয়ে দিল। সব কস্ট চলে গেলল অল্প সময়ের মাঝে । তারপর উনি আমার বাধন খুলে দিলাম। আমার চোখ দিয়ে পানি ঝরছে কিন্তু ভয়ে কাদতে পারছি না।এমন সময় পশুটা আমার পিঠের ছবি দেখিয়ে বলল.... -সোনা ট্যটুটা সুন্দর হইছে না...এটা আমার আর তোমার ভালবাসার প্রতিক.... আমি কিছু না বলে ভয়ে ভয়ে মাথা নাড়ালাম।উনি আমাকে নিজের বাহুডোরে জড়িয়ে ধরে বলল... -আমি জানি সোনা তোমার অনেক কস্ট হয়েছে.... এই দেখ আমিও করেছি..... বলেই উনি আমাকে উনার বুকে করা ট্যটুটা দেখাল। সেখানে খুব ভালভাবে দেখা যায় একটা লাভের মাঝে আমাদের দুই জনের নাম। উনি আমার কপালে একটা চুমু দিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলেন। আমি উনার বুকের মাঝে শুয়ে ভাবতে লাগ্লাম সাইকোটাকে আমি খুন করবো বা হলে এ আমায় খুন করবে.....এমন সময় বিদ্যুত চমকায়। আমি ভয় পেয়ে উনাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম। উনি পরম আদরে আমাকে তার ভালবাসার শহরে নিয়ে গেলেন। ভালবাসে উনি কিন্ত এত কস্ট দেয় কেন আমাকে কিছুক্ষন আগে কত কস্ট দিল আর এখন আদরে ভরিয়ে দিচ্ছ আমায়।আমি ইচ্ছা করেও বাধা দিতে পারছি না তাকে। আমি আমার কান্ড জ্ঞান হারিয়ে ফেললাম। পাগলের মত আদর করতে লাগ্লাম এই সাইকো পশুটাকে........ . ভোর বেলা ঘুম থেকে ঊঠে দেখি উনি আমার দিকে একমনে তাকিয়ে আছে। চোখে ভালবাসার সমুদ্র খেলা করছে তার। মাঝে মাঝে আমি অবাক হয়ে যাই একটা মানুষ এর কিভাবে দুইটা রুপ হতে পারে। কোন সময় পশুর রুপ আর কোন সময় একজন নিভ্ররতার মানুষ এর রুপ...... আজ বাবার বাসায় যাব। কিন্তু এই লোক আরো বেশি খুশি যাওয়ার জন্য।বাবার বাসায় গিয়ে খুন করে পালাব এই লোকটাকে। আমাকে কস্ট দেয়া সব পাই পাই করে বুঝিয়ে দিব। উনাকে দেখলেই ভয়ে আমার আত্তা কেপে উঠে। কিছুক্ষন পর রুমে আস্লো। পিছিনে কিছু একটা আছে। ভয়ে আমি চোখ বন্ধ করে ফেললাম.... -সোনা এই নাও শাড়িটা পড়ে নাও... যাক বাচা গেল। আমি ভেবেছিলাম নতুন কোন অত্যাচার করবে আবার। -কি হল জলদি পড়। আমি তোমার শাড়ি পরা দেখব.... -আসলে আমি শাড়ি পরতে পারি না.. (মাথা নিচু করে বললাম) উনি আমার কোমর জড়িয়ে ধরে আমার কপালে আলতো করে চুমু দিল। -দাও আমি পড়িয়ে দেই... উনি নিজ হাতে আমায় শাড়ি পড়িয়ে দিতেছে। আমি হাবলার মত তাকিয়ে আছি। এরপর আমায় সাজিয়ে দিল...... । । বাবার বাসায় আসার সময় শশুড় আব্বা উনাকে কিছু খাম আর চাবি দিল। বাবার বাসায় আসলাম কিছুক্ষনের মাঝে। আসলে আমরা ভাড়া থাকতাম একটা ফ্লাটে। উনি এসেই বাবাকে খাম দুইটা আর চাবি দিল। বাবা চিঠিটা পড়ে চোখ দিয়ে দুই ফোটা পানি গড়িয়ে পড়লল।আমি চিঠি নিয়ে পড়তে থাকলাম.. প্রিয় বন্ধু... সবাই জানে তুই আমার কর্মচারি কিন্রু আমরা তো জানি আমরা কত ভাল বন্ধু। তোকে অনেক বার বলেছি আমার জি এম হতে কিন্তু তুই হলি না। আজ তোকে আমার এমডি করলাম। ভাবিস না তোর মেয়ে আমার বউমা বলে করেছি। এটা তোর প্রাপ্য রে ভাই।অনেক দিন থেকেই ইচ্ছা ছিল তোর মেয়েকে আমার মেয়ে বানাব কিন্তু তার আগেই আমার ছেলে তোর মেয়েকে আমার মেয়ে বানিয়ে নিল। তুই আমার ছেলের উপর রাগ করিস না ও খুব ভাল ছেলে খালি একটু পাগলামি করে.... ইতি... সেই বন্ধু.... চিঠিটা পড়ে এই পরিবারের প্রতি আমার সম্মান বেড়ে গেল। এম ডি হওয়ায় বাবাকে একটি বাংলো আর দুইটি কার গিফট করেছে বাবা.... । । এখন আমি প্রতিশোধ নিব। রান্নায় ঝাল দিলাম সেই রকম.... -কি করছিস কি ছেলেটা ঝালে মরে যাবে তো..... -চুপ থাকো তো... হি হি খেতে দিলাম রাতে। উনি খাচ্ছে আর করুন ভাবে আমার দিকে তাকাচ্ছে। দেখে বুঝা যায় খুব কস্ট হচ্ছে তার। তার অমন চেহারা দেখে আমারি বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে উঠলো। উনি খেয়ে রুমে চলে গেল.... . রুমে গিয়ে দেখি কস্টে লাফাচ্ছ। ঝালে চোখ মুখ লাল হয়ে গেছে। শাশাতে শাসাতে ক্লান্ত হয়ে গেছে। আমি কিছু না বলে উনার সামনে গিয়ে দাড়ালাম। তারপর উনার গলা ধরে আমার ঠোট মিলিয়ে দিলাম উনার ঠোটে। উনি খুব জোড়ে জড়িয়ে ধরল আমায়। কিছুক্ষনের মাঝে আবারো ভালবাসার মাঝে ডুবে গেলাম।. . উনি ঘুমিয়ে গেছে। আমি উনার বুকে মাথা রাখলাম। কিছুক্ষন পর আবিরের মেসেজ আসলো... -প্লান সব রেডি সোনা... -ওকে... চলবে.............. , , #অপ্রত্যাশিত_বাসর...♥♥♥♥♥ #পর্ব_৪.. #লেখা_তন্ময়.. । এখন আমি লোকটার বুকের মাঝে ঘুমিয়ে আছি। কিছুক্ষন পর আবির মেসজ দিল... -প্লান সব রেডি সোনা... -ওকে.. -আগামি কাল দেখা করবে সোনা.. -কোথায়..? -পাতাকুড়ি পার্ক... -ওকে..(কতগুলো চুমুর ইমোজি) আমার বর আমাকে আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। আমি ওর চুলে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলাম। ঘুমের মাঝে বলতেছে... -আমায় ছেড়ে যেও না প্লিজ তিশা। আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি.... ওর কথা শুনে ওর জন্য আলাদা টান অনুভব করলাম। কখন যে এই সাইকো লোকটাকে ভালবেসে ফেলেছি নিজেও জানি না। আমি উনাকে আমার বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরলাম। উনি ঘুমের মাঝে আমায় জড়িয়ে ধরে আছে...... । । সকাল হয়ে গিয়েছে। বাসায় মা ছাড়া কেউ নেই। তন্ময় ঘুমিয়ে গেছে। আমি মা কে মিথ্যা বলে বেরিয়ে পড়লাম আবিরের সাথে দেখা করার জন্য। গিয়ে দেখি আবির আমার জন্য অপেক্ষা করছে। আমি যাওয়া মাত্রই আবির আমাকে জড়িয়ে ধরল। আমি এক ধাক্কায় ওকে সরিয়ে দিলাম.... -উফ আবির ছাড়ো তো... ভাল লাগে না এইসব.... -ওকে বাবা ঠিক আছে... -কি প্লান করলা.... -এই নাও গান। এটা দিয়ে ওই সাইকো লোক টাকে খুন করে টাকা পয়সা সব নিয়ে চলে আসবে। তারপর আমরা পালিয়ে যাব অনেক দূর..... -ওকে ঠিক আছে বায়.... আবিরের সাথে দেখা করে চলে আসলাম। এসে দেখি তন্ময় রেগে আছে । ভয়ে আমার জান শেষ আবার যদি মারে.... -কোথায় গিয়েছিলে.... -কোন জায়গায় না...একটু ঘুরতে... -ঠাস ঠাস... কি মনে কর নিজেকে।যাওয়ার আগে একবার আমার অনুমতি নেয়ার প্র‍য়োজন মনে কর নি কেন.... -সরি সোনা আর হবে না...(ওর গলা জড়িয়ে ধরে) -না আমি রাগ করছি.... -কি করতে হবে আমার বরের রাগ ভাঙাতে.... ও কিছু না বলে আমাকে বিছানায় ফেলে দিল। তারপর আমার উপর উঠলো.... -যা চাব তাই দিবা তো... -বলো সোনা কি লাগবে....(গলা জড়িয়ে ধরে) -তোমার ওই গোলাপি ঠোট খাব.... -যাও দুস্টু সাইকো একটা.... তন্ময় কিছু না বলে ওর ঠোট আমার ঠোটের মাঝে ডুবিয়ে দিল। আমিও আমার স্বামির আদর উপভোগ করতে থাকলাম। । আমাকে ভালবাসায় ভরিয়ে দিচ্ছে অই.... -তুমি এত সুন্দর কেন গো... ওর কথায় আমি লজ্জায় লাল হয়ে গেলাম। ও আমায় ওর বুকের মাঝে নিয়ে বললল... -তুমি যদি আমায় ছেড়ে চলে যাও তবে আমি মরেই যাব... এইবার আমি রেগে গেলাম। ওর বুকের উপর উঠে একটা ছুরি ওর গলায় ধরলাম... -আর একবার যদি মরার কথা বলছো তাহলে তোমার গলায় চালিয়ে দিব এইটা সাইকো ছেলে.... -আর বলবো না....ওই দেখ টিকটিকি... আমি ভয়ে ছুরি ফেলে দিলাম।তারপর জড়িয়ে ধরলাম। তারপর আমাকে ওর ভালবাসার আক্রমন শুরু করে দিল আমিও পাল্টা আক্রমন করলাম। ওর প্রতিটা স্পশে আমি শিহরিত হয়ে ঊঠছিলাম..... । । বাবার বাসায় দিন গুলি অনেক টা হানিমুনের মত কাটলো। ও প্রতি রাতেই আমাকে অত্যাচার করত। কিন্রু তারপরেই আমাকে অনেক ভালবাসত। সত্যি বলতে ওর অত্যাচারের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম আমি। কিছুদিন পর চলে আসলাম বাসায়। আমার বর খালি আমাকে আদর করে। আমারো ভাল লাগে। কোন বউ ই বা না চায় তার বরের ভালবাসা পেতে। কিন্তু আমি আমার প্লান ভুলে যাই নি। রান্না ঘরে রান্না করছিলাম। এমন সময় ওই পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে আমাকে চুমু খেতে শুরু করে... -এই কি করছ কি... -আমার সোনা বউকে আদর করছি... -হইছে হইছে যাও আমি খাবার নিয়ে আসছি.... আমার ঠোট ভিজিয়ে দিয়ে চলে গেল পাগলটা...... । । আজ প্লানকে সাক্সেস ফুল করব। সকালে উঠে রেডি হয়ে নিলাম। তন্ময় ঘুমুচ্ছে।আমি ওর কপালে চুমু দিয়ে বললাম.... -আমায় মাফ করে দাও সোনা...আজকের পর হয়ত আর দেখা হবে না.... শেষবারের মত ওকে বুকে জড়িয়ে ধরে বেরিয়ে পড়লাম। জানি না যে কাজে যাচ্ছি বেচে ফিরতে পারব কিনা। যাওয়ার আগে পুলিশকে ফোন দিলাম। আসলে আমি একজন গোয়েন্দা। টাকা পয়সা কিছুই নেই নি শুধু আবিরেত দেয়া গান নিয়েছি.... -টাকা পয়সা কই এনেছ.... -টাকা পয়সা জানিনা কিন্তু তুমি আমার কাছে বাচবে না আবির উরফে ছোট জামান...(বলেই ওর দিকে গান ধরলাম) -তিশা কি বলছ তুমি.... -চুপপ থাক। তুই কি মনে করছিস তোর কারনে আমি আমার বরের ক্ষতি করব। তোকে ভাল করেই চিনি। তোকে ধরার জন্যই এই প্লান আমার..... -ওহ....ওই দেখ তন্ময়.... । তন্ময় এইখানে কিভাবে আসবে। আমি পিছু ঘুরতেই আমার হাত থেকে ছো মেরে গান নিয়ে গেলল আবির..... -যখন পরিচয় জেনেই গেছ তোমার আর বেচে থেকে লাভ নেই সোনা.... -আমি ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললাম। গুলির আওয়াজ পেলাম। চোখ খুলে দেখি আমার সামনে নিথর হয়ে পড়ে আছে তন্ময়। ওর বুক থেকে রক্ত ঝড়ছে। মুচকি হেসে বুকে হাত দিয়ে লাভ শেপ করে আছে। আরেকটি গুলির আওয়াজ পেলাম। পুলিশ করেছে গুলিটা। আবিরের মাথার খুলি উড়িয়ে দিয়েছে..... । । তন্ময়ের এই অবস্থা দেখে আমি ঠিক থাকতে পারলাম না। ওকে আমার কোলে নিয়ে হাউমাউ করস কাদতে লাগলাম.... -কেন করলে আমার সাথে এমন...কেন নিজের এই অবস্থা করলে.... -আমি তোমায় ভালবাসি গো। তোমায় কিভাবে মরতে দিতে পারি বল..... -আমিও ভালবাসি তোমায়... -আমার একটা কথা রাখবে...আমায় একবার তোমার বুকে জড়িয়ে নিবে.... আমি কিছু না বলে ওকে আমার বুকের মাঝে জড়িয়ে নিলাম। কিছুক্ষন পর ও হাত পা ছেড়ে দিল। আমি ডাকছি তাও সাইকোটা সাড়া দিতেছে না.... -এই উঠো না প্লিজ...উঠো না তুমি আমাকে না মারলে আমি থাকবো কিভাবে.... আমি ওর বুকে মার‍তে থাকলাম। হঠাত ও শ্বাস নিতে শুরু করল। আমি ওকে মেডিকেল নিয়ে গেলাম। ফোন করে সবাইকে ডাকলাম। ওকে আই সি ইউ তে নেয়া হয়েছে। কিছুক্ষন পর ডাক্তার এসে বললল... -দেখুন উনাকে আমরা বাচাতে পারবো না। উনার হার্ড বরারবর গুলি লেগেছে তাছাড়া প্রচুর রক্ত ক্ষরন হয়েছে।আপ্নারা পারলে উনাকে বিদেশে নিয়ে যান.... । ডাক্তারের কথা শুনে আমি কান্নায় ভেংেএ পড়লাম। আমার কারনেই আজ ওর এই অবস্থা। কিছুসময় পর একটা মেয়েকে দেখে আমি আটকে গেলাম। আমি কি সপ্ন দেখছি। এ কিভাবে সম্ভব। আমার মনে অনেক প্রশ্ন..... #চলবে..........

শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৯

বিয়ের পর প্রতিশোধ

আগস্ট ০৩, ২০১৯ 0
"ছিঃ তুতি এতো পঁতা কেন আমাত বাবাই কে মেরেছ। তুতি দেত না বাবাই কাঁততে। তুতি জানো বাবাই কাঁততে আমাত খুত কস্ত হয়। আল্লাত তোমার পাঁত দিবে! সরি বতো বাবাই কে!, তুতাকে কোতায় যেন দেখিছি!হ্যাঁ মনে পড়ছে! জানো তুতার ছবি বাবাই বুকে নিয়ে কাঁতে। প্রতিরাতে কাঁতে! -রাইসার মুখে এমন কথা শুনবে কথা কখনো ভাবেনি। কথা করুণ দৃষ্টিতে আমার দিকে তাঁকালো। - এই রাইসা মা আমার কি সব বলছিস। ওকে কেন বকা দিচ্ছে তুমি? -মামনি,বাবাই আরো কি কি করে বলো তো? - মনে মনে বলছি আজ আমার কপালে কি যে আছে আল্লাই জানে। কারণ রাইসা তো সব জানে। কারণ আমি যে কথাকে এক মুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারিনি। - তুমি পঁতা তোমায় কেন বলমো? তুতি আমাত বাবাই কে মেরেত। আমাত বাবাই কাঁততে। তোমাত সাতে কোন কতা নেই। - আর তোমার বাবাইকে বকা দিবো না। এই যে রাজ সরি আপনার গায়ে হাত তোলার জন্য! এখন বলো তোমার বাবাই রাতে আরো কি কি করে? - তুতার সাতে কতা নাই। তোতাতে মম মাইর দিবে। বাবাই মমকে অনেত ভালোবাতে। কতো আদত করে। - রাইসার মুখে, রাইসার মায়ের কথা শুনে কথা অগ্নিদৃষ্টিতে তাকালো আমার দিকে। - এই যে আপতি বাবার দিতে ডিপতল এর মতো তাতাই রয়েছেন কেন? - রাইসার কথা শুনে কথা হেসে দিল। রাগকে আর কন্টোল করতে পারছে না। রাইসাকে হাত বাড়িয়ে কাছে টেনে নিতেই। রাইসা বললো" ছুঁতে না আমাত, তুতি বাবাত কে কষ্ত দিয়েত! চলো তো বাবাই এথান থেতে চতে যাই! " - কথা মৃদু হেসে বললো" মিঃ রাজ সত্যি আপনার মেয়েটা, ভারী মিষ্টি কথা বলে।" - হুমম ঠিক ওর মায়ের মতো। ওর মা'টাও এমন ভারী মিষ্টি কথা বলে। আমাকে হাসায় কাঁদায়! বড্ড বেশি ভালবাসি তার মা'টাকে। চোখের পানি লুকিয়ে মুখে হাসির রেখা, রেখে কথাগুলো বললাম। - ওহ্! আচ্ছা! একদিন রাইসার মমটাকে নিয়ে আসবেন। -মনে মনে বললাম তুমিই তো রাইসার জন্মদাত্রী। আচ্ছা! সে যদি রাজি থাকে নিয়ে আসবো কেমন। - আচ্ছা এবার তাহলে আসুন। আর রাইসাকে আমার কাছে রেখে যান। - আমি মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ সূচক জবাব দিলাম। মনে মনে বললাম আমি তো চাই রাইসা সারাজীবন তোমার কাছে থাকুক। - আমি ডেস্কে এসে বসতেই। সাথি কাছে এসে বললো " আজকে রাইসা আর আপনার জন্য, রান্না করে নিয়ে এসেছি, আজকে কিন্তু না করবেন না। লাঞ্চটা একসাথে করবো "। - আচ্ছা ঠিক আছে বলে কাজে মন দিলাম। - আপনাতে কি বতে ডাকব? - রাইসার কথা শুনে কথা ক্ষানিকটা অবাক হলো। হঠাৎ কথার মনে পড়লো রাজের সে কথা" জানো কথা আমি স্বপ্নে দেখেছি, আমাদের একটা রাজকন্যা হবে, রাজকন্যাটা তোতা পাখির মতো কথা বলবে! আচ্ছা বলোতে নাম কী রাখা যায়? " - কি হলে বলতো না কেন। কি ডাতবো তোমায়? - কথা ভাবছে, আমার সন্তানটা যদি আজ বেঁচে থাকতো আজ রাইসার মতোই হতো। চোখ থেকে টপ করে একফোঁটা পানি রাইসার মুখে পড়লো। - তুতি কাঁততো কেন? আমাত কুতে নিবা? - কথা রাইসাকে কুলে নিলে, রাইসা কথার চোখের পানি মুঁছে দেয়। কথার কাছে মনে হচ্ছে তাঁর সবচেয়ে আপন কেউ চোখের পানি পরম আদরে মুছে দিল। বুকটা প্রশান্তিতে ভরে গেল। বুঝতেছে না, একটা চরিএহীন লোকের ঘরে আল্লাহ্ তায়ালা এতো মায়াবতী মেয়ে দেয় কেমনে! কথা রাইসাকে নিজের অজান্তেই বুকে সাথের চেপে ধরে বললো " আমাকে তোমার মম ডাকবে বুঝেছো মামনী? - ছিঃ আমাত মম আতে, সে রাগ করবে তো। আমি তোমাত কেন মম ডাকবো। আচ্ছা! তোমাত নাম তী? - কথা চালাকি করে বললো, আমার নাম মম। তুমি আমাকে নাম ধরে ডাকবে। - বাবাই বলেতে বতদের সম্মাত করতে, তাই তোমাতে মম আত্তি বতে ডাকবো। মম আত্তি তুতি কিন্তু বাবাতে মারতে পাতবে না। - আচ্ছা তুমি বাবাইকে খুব ভালোবাসো? - হুমমম খুত ভালোবাতি! বাবাই কিতু হয়ে গেতে আমি মতে যামু। - রাইসার কথাটা কেন জানি কথার কলিজায় গিয়ে বিঁধলো। কেন এতো মায়ায় জড়িয়ে যাচ্ছে, কথা বুঝতে পারছেনা! কথা নিজের অজান্তেই রাইসার মুখটা ধরে বললো" মারে এমন কথা বলিস না! - আচ্তা আমি আতি, বাবাই কাতে যাবো। - রাইসা চলে গেলে, রাজের সাথে কাটানো স্মৃতিগুলে কথার চোখে দিনের আলোর মতো ভেসে উঠলো। এখনো মাঝে মাঝে, রাজের কথাগুলো মনে পড়লে কথা সেন্সলেন্স হয়ে যায়। একটা মানুষ আরেকটা মানুষকে কীভাবে এতোটা ঠকাতে পারে কথা কোনদিন নিজে চোখে না দেখলে ভাবতে পারতো না। রাজ কথাকে বিয়ে করেছিল শুধু তার বাবার টাকার লোভে। সত্যি আমি কি দেখতে খারাপ ছিলাম যার জন্য রাজ অন্য মেয়েদের সাথে গোপনে অশ্লীল কাজ করতো। রাজের প্রতি, প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যই কথা রাজকে বিশ হাজারের জায়গায় ৫০ হাজার টাকা বেতনে চাকরিতে রেখেছে। কিন্তু এখন রাজকে দেখলেই পুরোনো স্মৃতিগুলো স্মৃতিপটে ভেসে উঠে। কথার চোখ গুলো জলে ভরে উঠল। চোখের পানি মুছে ভাবল, তার সাথে প্রতারণার বিচার সে নিজে করবে। রাজকে অপমান করে তার শরীরের জ্বালা নিভাবে। - একটু পর পিয়ন এসে বললো" ম্যাম লাঞ্চ করবেন না?" -পিয়নের কথা শুনে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলো, ২টা বেজে গেছে। পিয়নকে খাবার আনতে বললো। পিয়ন খাবার আনতে গেলে কথা ভাবলো, রাইসাকে নিয়ে আজ খাই। প্রতিদিন তো একাই খাই। . এদিকে সাথি এসে রাজকে আর রাইসাকে ক্যান্টিনে নিয়ে যায়। এক প্রকার জোর করেই। -মম তুতি বাবাইকে এত্তো ভালোবাতো, বাবাত জন্য রান্না কতে নিয়ে আততো? - রাইসার কথা শুনে আমি আর সাথি দুজনের বিস্মিত হয়ে গেলাম। সাথির দিকে চেয়ে দেখি, লজ্জায় সাথির মুখটা লাল হয়ে গেছে! সাথি নিচের দিকে চেয়ে প্লেটে খাবার বেড়ে দিচ্ছে। রাইসা এটা সেটা বলেই যাচ্ছে। - মিস সাথি, রাইসার কথায় কিছু মনে করবেন না। রাইসা ছোট মানুষ তো তাই। - নাহ্ আমি কিছু মনে করিনি, তবে কথাটা বেশ ভালোই লেগেছে। মনে হলো একদম তোতা পাখি কথা বলছে। - মানে কী বলছেন আপনি? - আরে কিছু না খাবার রেখে কথা বলতে হয় না শুরু করেন। - আমি সাথির কথার আগা মাথা কিছুই বুঝতেছি না। - হঠাৎ রাইসা বললো" জাতো মম, আত তোমাতে না পেলে, বাবাইকে নিয়ে মম কিনতে বাজারে যেতাম। বাজারে নাতি সব কিততে পাওয়া যায়। আর মম তো পাওয়াই যেত তাই না। কিন্তু দেত কপাত কতো ভালা অফিতে তোতায় পেয়ে গেলাম। তুতি অনেক ভাতো মম। তুতি আমাত ততলেট দিতো। বাবাইকে রান্না করে দিতো। মম তোতায় হাত টা দাওতো এতটু। - সাথি হাতটা দিতেই, রাইসা হাতটা তার মাথায় রেখে বললো " বলো মম আমাত কখনো ছেততে যাবে না। জানো মম সবাত মম আতে আমাত মম নেই,তাব্যর মম কতো আদত করে, ওকে তুতে খাইয়ে দেয়। কুলে নিয়ে বেড়ায়। আমাত না দেতে এই বুকে কেমত কেমত লাগে! বতো মম আমাত মাতায় হাত রেতে তুমি ছেড়ে যাবে না আমাত! আতি না রাতে খুত কান্না করি। বাবাইকে বলি আমাতত মম লাগবে। বাবাই শুধু আমাত বুতে নিয়ে কাতে। জাতো মম ততন আমিও কাঁতি। খুত কাঁতি আমি। আমি বাবাকে যে অনেক ভালোবাতি তাই কাঁতি তাইনা মম। এথন থেতে বাবাইকে আর কাঁততে দিবো না। তুতি এতে গেছ যে। - এই রাইসা মা আমার কি সব পাগলামী করছো। চুপ কর। - আপনি চুপ করেন মি রাজ , নারে মা তুকে ছেড়ে কোথা যাবো না। তোর মতো মায়াবতীকে ছেড়ে যেতে পারি? তুই আমার মেয়ে। আর মিঃ রাজ আপনি কিছু না মনে করলে রাইসাকে আমি নিজের মেয়ের মতোই বুকে আগলে রাখতে চাই। কয়েক বছর পর বড় হলে এমনিতেই বুঝতে পারবে। ছোট বাচ্চাতো তাদের কষ্ট দিতে নেই। এবার খাওয়া শুরু করো। - সাথি রাইসাকে তুলে খাইয়ে দিচ্ছে। - আমি যখনি খাবার খেতে যাবো তখনি রাইসা আমার হাতটা ধরে ফেলল। - বাবাই তুতি কি করতো? জাতো না সিনেমাই বাবাই মমকে খাইয়ে দেয়। তুতি মম কে খাইয়ে দাও। কথা বলেই কান্না করতে লাগলো। - এদিকে একটা মহা সমস্যা রাইসা বেশি কাঁদলে, কথার মতোই সেন্সলেন্স হয়ে যায়। উপায় না পেয়ে, মন চাচ্ছিল না, তাও যখন সাথির মুখে খাবার তুলে দিতে যায় তখনি কথা এসে দেখে ফেলে। - কথার চোখ থেকে টপটপ করে পানি পড়ছে। দেখে বুঝা যাচ্ছে, শরীরটা রাগে ফেঁটে যাচ্ছে। খুব কষ্ট হচ্ছে, কেন এতো কষ্ট হচ্ছে। কথা ইচ্ছে করেই প্লেটটা ফেলে দিয়ে এতোগুলা মানুষের সামনে যা করলো তা দেখার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। সাথি ভয় পেয়ে গেল। চলবে """""" wait for next part.......... বিঃদ্রঃ ভুলক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।