আজ কয়েকদিন ধরে গ্রামে লাশেরর বন্যা বয়ে যাচ্ছে। প্রতি রাতে খুন হচ্ছে। সন্ধ্যার পর কাউকে দোকানে বা বাজারে দেখা যায় না। দোকানদারেরা ও সবাই একসাথে আসে আবার কোনদিন বিকালে চলে আসে।
পূর্নিমার পর থেকে গ্রাম থেকে লাশ উদাও হত্যা শুরু হয়েছে। পুলিশের তদন্তে কোন কিছু ধরা যাচ্ছে না। ডাক্তারি রির্পোট মতো সবারর একই ভাবে মৃত্যু হয়।
আম্মু: আরিয়ান তোকে বারান্দায় আসতে না করেছিনা। আজ নতুন এলে শহর থেকে তোর বন্ধুরা কই?
আমি: সবগুলো ছাদে আছে।
আম্মু: ওদের নিয়ে আয়। আর রাতে বারান্দায় ছাদে যেন না যায়।
আমি: আম্মু তুমি কি যে বল সবাই শহরের ছেলে ওরা এসব ভুত প্রেত বিশ্বাস করে না।
আম্মু: তবুও আমাদের এখানে আছে আমাদের তো দেখতে হবে ।
আমি: আচ্ছা আমি ডাকছি।
(আমি আরিয়ান শহরে পড়ি। গ্রামের সবচেয়ে পুরানো বাড়িতে থাকি। এখানে আমাদের পূর্বপুরুষেরা থাকত। কলেজের সব বন্ধু এসেছে বেড়াতে।)
আমি: ওই সবাই নিচে আয় নস্তা করতে ডাকছে তোদের।
নিলয়: চল প্রচুর খিদে লাগছে!
নিলা: তোমার মত পেটুক আমি খুব কমই দেখেছি। কেন যে আমি তোমার প্রেমে পড়েছি আল্লাহ জানে।
মিম: তুই আমার বন্ধুকে ইনসল্ট কেন করিস।
নিল: মিম পচা ডিম তুই বলিস না তোর আরিয়ান কেমন ভালো করেই যানি।
মিম::তুই আরিয়ানকে নিয়ে কিছু বলবি না।
আমি: আর ঝগরা কইরো না তোমরা। নাস্তা করে তোরা আমারে উদ্ধার কর।
সবাই:চল
নাস্তা করে রুমে বসে আছি সবাই।
আব্বু:আমি চাই তোমরা এখানে যা কয়েকদিন থাক তোমরা সাবধানে থাকবে।
নিলয়: আন্কেল আসলে হইছে কি?
আমি: আমি পরে তোদের বলব।
আব্বু: এখন খেয়ে সবাই ঘুমিয়ে পড়।
সবাই ঘুমিয়ে পড়েছি। হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেল। উঠে দেখি পাশে নিলয় নাই। মনে হয়য় ওয়াসরুমে গেছে তাই আমি আর কিছু না করে শুয়ে রইলাম।
অনেকক্ষন পরও আসছে না দেখে আমি বাইরে গেলাম দেখি নিলয় হাটতে হাটতে বাড়ির শেষ সীমানায় একটা বাগান আছে সে দিকে চলে যাচ্ছে।
আমি: নিলয় এই নিলয়।
কিন্তু কোন কথাই শুনছে না। মনে হচ্ছে কোন এক ভিন্ন জগতে আছে ।
আমি নিলয়ের পিছন পিছন গিয়ে ধাক্কা দিলাম।
নিলয় : আমি এখানে কেন?
আমি: না এমনি কিছু না ভিতরে চল।
রাতে আর তেমন কিছু ঘটল না। সকালের দিকে স্বপ্নে দেখলাম তাতে ভয়ে শরীর কাপাকাপি শুরু হয়ে গেছে।
দেখলাম যে আমা......
চলবে
দুঃখিত পার্ট ছোট বলে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন