চাচাতো বোন যখন বউ"
(part:2)
কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিতে গিয়েছিলাম নুসরাতের রুমে, গিয়ে দেখি উনি Tik Tok ভিডিও বানাতে ব্যস্ত...।তাই দরজার সামনে গিয়ে শাহরুখ খানের মতো স্টাইল নিয়ে...
এ এ এ "ছোঁওয়াগাত নেহি কারোগি হামারা...? নুসরাত আমার দিকে তাকিয়ে একটা হাসি দিয়ে এক মিনিট দাড়া নড়বি না, ছোওয়াগাত করতেছি তকে। তারপর পাশে থেকে একটা জুতা নিয়ে ঠাস করে আমার দিকে ছুরে মারলো। এরপরের বার রুমের সামনে আসলে.. ঝাড়ুছে কারোংগি তেরি ছোওয়াগাত....।এর পর পরই মুখের উপর ধারাম করে দরজা টা বন্ধ করে দিলো
ইজ্জত কি ফালুদা বানা দিয়া রে..
।আশে পাশে ঘুরে দেখলাম কেও আবার দেখে ফেললো নাকি।বলা তো যায় না কে আবার ভিডিও বানিয়ে ফেসবুকে ছেরে দিবে।এ সমস্ত ভিডিও ভাইরাল করতে তো আপনাদের আবার সময় লাগে না.. ।না, আশে পাশে কেউ নেই ভেবে যেই একটা স্বস্তির দীর্ঘনিশ্বাস ছাড়তে যাবো ঠিক তখনি তাকিয়ে দেখি কাজের মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে ফ্যালফ্যাল করে হাসতেছে।আমি সামনে গিয়ে জিজ্ঞেস করতে লাগলাম কি হয়েছে হাসতেছো কেন..?
কাজের মেয়েঃআমি সব দেখে ফেলেছি দাদা ভাই..
আমিঃএই রে, এইবার ইজ্জত নিলামে উঠবে শিওর।আমাদের কাজের মেয়েটাকে সবাই বি বি এস খবরবার্তা বলে।কারন ও সব কিছু 5G স্পিডে ছড়িয়ে দিতে উস্তাদ।
তখন মাথায় ঘুরে ফিরে একটা গানই বাজতেছিলো"লুট গায়া ম্যা লুট গায়া"।ইজ্জতের মায়া ছেরে রুমে গিয়ে ফেসবুক টা লগইন করলাম।আহা কতো সুন্দর সুন্দর মেয়ে আমার ফ্রেন্ডলিস্টে, বিয়ের পর আর এদের সাথে কথা বলতে পারবো না ভেবেই আবেগে বুক হালকা হয়ে গেলে থুক্কু ভারি হয়ে গেলো।এসব কথা চিন্তা করে করে কখন যে ঘুমিয়ে পরলাম বুঝতেই পারলাম না।ঘুম ভাঙতেও বেশী সময়ের প্রয়োজন হলো না,ধারাম করে এক গাদা পানি উড়ে এসে আমার উপরে পরলো। তাকিয়ে দেখি নুসরাত।
আমিঃএগুলার মানে কি...?
নুসরাতঃতর জন্য চা এনেছি...
আমি:চা এনেছিস ভালো কথা তাই বলে এ ভাবে ঘুম ভাঙাবি..?দে....
নুসরাত: কি..?
আমি: চা টা দে..
নুসরাতঃএই নে
আমি একটু মুখে দিয়ে...
আমি:বেআক্কেল মেয়ে ১৮ বছর হয়ে গেছে এখনো লবন আর চিনির পার্থক্য বুঝস না।চায়ে লবন না,চিনি দিতে হয় এ গুলা কেও তকে শিখায় নাই..?
নুসরাত:চায়ে লবন ইচ্ছা করেই দিছি। এখন থেকে এগুলাই তর কপালে আছে।যতো তাড়াতাড়ি অভ্যাস করতে পারবি তর জন্য ততোই ভালো...বায় এখন ঘুমিয়ে থাক।
আজব মাইয়া।পানি দিয়ে গোসল করিয়ে এখন বলে ঘুমিয়ে থাক।কি আর করার ভেজা শরিরে তো আর থাকা যাচ্ছে না তাই সকাল সকাল গোসল টা করেই ফেললাম। শীতের সকালে গোসল করার স্বাদ একমাত্র স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরাই বলতে পারবে।এমন ভাবে কাপতেছিলাম মনে হচ্ছিলো শরিরের প্রতিটা পেশিকোষে কেও ১১০০০ হাজার বোল্ডের বিদ্যুৎ এর শক দিতেছে। রেডি হয়ে নিচে চলে গেলাম নাস্তা করতে। হঠাৎ ফোন আসলো মেঝু চাচা,মেঝুচাচি দেশে আসতেছে।তাদের আনতে বিমানবন্দরে যেতে হবে। দুপুরের খাবার খেয়ে ছোট চাচাতো ভাই টাকে নিয়ে রওনা হয়ে গেলাম।কিছু সমস্যার জন্য চাচা-চাচির ফ্লাইট ৩ ঘন্টা পিছিয়ে গেছে।কি আর করার, গাড়িতে বসে টিভি দেখে সময় পার করে দিলাম।অত:পর ১০:৪০ এ চাচা চাচি কে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলাম এবং ১১:৫৫ তে বাসায় পৌছে গেলাম।বাসায় গিয়ে মোবাইল চার্জদিতে গিয়ে দেখি চার্জার গায়েব।কে গায়েব করেছে তা এখন ভাবার সময় নেই,বউয়ের অবস্থা খারাপ যে কোন সময় দম বের হয়ে যাবে মাত্র ৩% চার্জ আছে।হঠাৎ মাথায় আসলো নুসরাতের দুইটা চার্জার একটা সিস্টেম করতে পারলেই আমার কাজ চলে যাবে।চোরের মতো নুসরাতে ঘড়ে প্রবেশ করে যেই চার্জার আনতে গেছি আর তখনি নুসরাত চলে এসেছে..।জান বাচাতে দিলাম অলম্পিকে ৮০০ মিটারের দৌড়, পায়ে লেগে নুসরাতের রাঙামাটি থেকে আনানো শখের ফুলেরটব টা ভেঙে চৌচির হয়ে গেলো।ভয়ে আমার হার্ট টা যেন বের হয়ে আসতেছিলো।বুঝতে পারতেছেন ধরতে পারলে ও আমার কি হালটাই না করবে...জান বাচাতে ছাদে গিয়ে পালাইছিলাম কিন্তু নুসরাত তো নাছোড়বান্দা জানে আমি ভূত কে অনেক ভয় পাই তাই আমাকে কিছু না বলে, চিলেকোঠার দরজাটাই লক করে দিয়ে গেছে। যাওয়ার সময় আবার বলে গেছে বেস্ট অব লাক।এখন আমি ছাদে বসে গল্প লেখতেছি।দোয়া করবেন বেচে থাকলে পরের পর্বদিবো। .
Entertaiment লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Entertaiment লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২০
বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২০
হঠাৎ দেখা ২০২০
MD ASAD RAHMAN
জানুয়ারি ১৫, ২০২০
0
০১. সেদিন দেখেছিলুম লাল বেনারসিতে, চোখে ছিল গাঢ় কাজল, মাথার চুলে ছিল সোনার টিকলি। বেনারসির আচঁলটা ঘোমটা দিয়ে তুলা ছিল মাথায়। বেশ মানিয়েছিলো তাকে। একবার তাকালে চোখ ফিরিয়ে নেওয়া যায় না। চোখের দিকে তাকিয়ে বুঝলুম এত আয়োজনের মধ্যেও দৃষ্টিতে তার আগুন ঝরা শূন্যতা, সেই শূন্যতায় মুরুভূমির মতো তৃষ্ণার্ত চোখ দুটো কিসের অপেক্ষায় ডেবে গিয়েছে ভেতরে, অদূরে চেয়ে আছে দিগন্তের লাল রঙের দিকে ।
সেই অঙ্কিতা, যাকে দেখেছিলুম লাল বেনারসিতে, কপালে আঁকা ছিল টিপ; মাথায় তুলা ছিলো লাল বেনারসির ঘোমটা, তাকে আজ দেখলুম বিধবার সাদা শাড়িতে ! কেমন যেন বড্ড বেমানান লাগছে চোখে। আগের থেকে শুকিয়ে গেছে অনেক, চোখের নিচে পড়েছে কালি, বয়সের ছাপ পড়েছে ভাজ পড়া চামড়ার ভেতরে । সেই চোখ, মুখ, নাক, পাতলা ঠোঁটের একপাশের কালো তিলটাও: সবকিছু আগের মতোই আছে, একটুও বদলায় নি। চুলগুলোও ঠিক আগের মতো আছে, শুধু কপালের সামনের কয়েকগাছি চুলে পাক ধরেছে। প্রথমেই তাকালুম চোখের দিকে: দৃষ্টিতে সেদিনের আগুন ঝরা শূন্যতা আর নেই। সেদিনের দৃষ্টির আড়ালের শূন্যতায় অপেক্ষা ছিলো, হয়তো অপেক্ষার আড়লে তিল তিল করে জমিয়ে রাখা আশাও ছিলো। আজ এত বছর পর সেই চোখের দিকে হঠাৎ তাকিয়ে দেখলুম- সেখানে শূন্যতা আছে ঠিকই, কিন্তু সেই শূন্যতায় আর আগুন ঝরছে না। সেই শূন্যতা কেমন যেন নিস্তব্ধ, নিঃস্পৃহ, নিরব। নেই অপেক্ষা, আশা আর হতাশাও।
আজ কত বছর পর দেখা, জানিনে। একসময় না দেখার হিসেবগুলো গুনে গুনে রাখতাম, খাতায় অংক কষার মতো। হিসেব রাখতে রাখতে কখন যে ক্লান্তি ভর করল, বিষণ্ণতা এসে অন্ধকারে ডুবিয়ে দিলো, বুঝতেই পারলুম না। সেই থেকে হিসেব রাখাটা ভুলেছি বহুবছর।
আজকের দিনটা বড় মেঘলা, সকাল থেকে ঝির ঝির করে বৃষ্টি পড়ছে ক্লান্তিহীনভাবে। অদূরে লাগানো আমার হাতের রক্তজবা গাছে ফুল ফুটেছে; বৃষ্টির ফোঁটায় কেঁপে কেঁপে ওঠছে তার পাপড়ি। সকালে স্টেশনে ট্রেন আসার কথা ছিলো, সেটা লেট করেছে। সকালের ট্রেন আসবে দুপুরে। আমার কোনো কাজ ছিলো না। বৃষ্টির বাতসের ঝাপটায় ওড়ে আসা গাছের কাঁচা পাতা ছড়িয়ে রয়েছে প্লাটফর্মের যত্রতত্র। ভাবলুম, পাতাগুলো কুড়িয়ে প্লাটফর্মটা পরিষ্কার করে দেই। পাতা কুড়িয়ে প্রায় পরিষ্কার করে ফেলেছি, অমন সময় চোখ পড়ল প্লাটফর্মের এককোণায়। দেখলুম কে যে বসে আছে সাদা আঁচলে ঘোমটা মাথায় । পাশে একটা টিনের বাক্স। শাড়ির আঁচলে মুখটা এমনভাবে ডেকে রেখেছে দেখা যাচ্চেনা। কাছে গিয়ে বললুম, -আপনি ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছেন নাকি?
ও শাড়ির আঁচল সড়িয়ে মুখ তুলে তাকালো আমার দিকে। প্রথম দেখাতেই চিনতে পারল নাকি জানিনে। অনেক্ষণ পর ধীরে ধীরে ওঠে দাঁড়াল, মৃদুভাবে কাঁপা গলায় বললে, রুপম…!
বললুম, হ্যাঁ ।
কতক্ষণ যে বিমূঢ়ের মত দাঁড়িয়ে থাকলুম বলতে পারিনা। ও-ই আমাকে প্রশ্ন করল, বললে,- চিনতে পেরছ?
ম্লান হেসে বললুম, হ্যাঁ।
“কে?”
-অঙ্কিতা !
০২. শ্রাবণের ঘোমুট বাধা অন্ধকারে ঝড়ো বাতাসে একটুকরো ছেঁড়া চিঠির অংশ ওড়ে এসে পড়লে আমার পায়ের কাছে। তখনো কি জানতাম তার দেখা পাওয়া সম্ভব হবে? হায়, আজ কি অবেলায় তার দেখা পেলুম ! আমি জানতাম, কোনো একদিন তার দেখা পাবো; কোনো একদিন : যখন সূর্যটা অস্ত যাবে, ওপারের আকাশে অন্ধকার ঘনিয়ে আসবে, নিমজ্জিত আঁধারে নিজের প্রতিচ্ছবিও যখন দ্যাখতে পাবোনা, তখনো হয়ত তার দেখা পাবো ! আমি জানতাম তার দেখা পাবো! কিন্তু, হায়, এমনভাবে তাকে দেখতে পাবো সেটা কি কখনো কল্পনা করেছিলুম?
আমি তাকে কল্পনা করেছিলুম বাসন্তি রঙের শাড়িতে, চোখের নিচে লেপ্টে যাওয়া গাঢ় কাজলে, পাতলা ঠোঁটের কোণায় ফুটে ওঠা এক চিলতে হাসিতে ! হায় নিয়তি, আমি কি তাকে কখনো কল্পনা করেছিলুম, সাদা শাড়িতে? বেদনায় লেপ্টে যাওয়া চোখের নিচের গাঢ় কাজলের লেখাতে? শুকিয়ে যাওয়া মৃত ঠোঁটের এক চিলতে শুষ্ক হাসিতে?
কক্ষনো না। কিন্তু নিয়তি হয়ত এভাবেই আমাদের দেখা মিলিয়ে রেখেছিলো।
জিজ্ঞেস করলুম, এখানে কি করে আসলে?
স্মিতহাস্য মুখে অদূরে চেয়ে বললে, কাজের স্বার্থে কত জায়গা যেতে হয়, এখান আর সেখান বলতে কোনো কথা নেই।
“কি কাজ?”
“মেয়েদেরকে স্বাবলম্বী করে তুলার কাজ । তাদের কে নিজের পথ চিনিয়ে দেবার কাজ, নিজের আপন স্বত্বাকে ভুলে মেয়েরা নিজেকে খাঁচায় বন্দি পাখির মত করে রেখেচে , তাদের সেই আপন স্বত্বা কে জাগিয়ে তুলার কাজ।”
চুপ হয়ে ওর দিকে তাকিয়ে থাকলুম অনেকক্ষণ। বুঝলুম নারী মুক্তির আন্দোলনে সে যোগ দিয়েছে। খানিক পর বললুম-“কবে থেকে এই কাজে আসলে?”
“সুজিত চলে যাবার পর।”
খানিক থেমে কিছুক্ষণ পর আপন মনেই বলতে থাকলে, সে অনেক বছর হলো। বিয়ের দুবছর পর আমি যখন পাঁচ মাসের অন্তঃস্বত্বা : রোড এক্সিডেন্টে সুজিত মারা পড়লে। শ্বশুর বাড়ির লোক ছিলো পুরোনো ধ্যান ধারণার, অপবাদ দিয়ে বল্লে, অপয়া, রাক্ষুসী। আরো কত কি উপাধি যে নামের সংঙ্গে যুক্ত করলে সেইসবের কথা এখন আর অত মনে পড়ে না। তুমি ভাবছো রাগ করে বুঝি তখন আমি চলে আসলুম। আরে না, ঠিক চলে আসলুম না, বিদেয় করে দিলো। তখন থেকে কি একটা যেনো আমার ভেতরে গজিয়ে ওঠছিলো ধীরে ধীরে, ঠিক বুঝে ওঠতে পারছিলুম না। সেই কি একটা যে আমার ভেতরের আলাদা একটা অংশ: এতদিন চাপা পড়েছিলে আবর্জনায় নিচে, এখন সুযোগ পেতেই অঙ্কুর গজানো শুরু করেছে সেটা বুঝতে আমার ঢের সময় লেগেছিলো। মেয়ে জন্ম নেওয়ার অনেক পড়ে বুঝলুম আমি আর আমি নেই। ঈশ্বর আমাকে নতুন জীবন দেখিয়ে দিলেন, আমিও সেই নতুন জীবনটাই বেচে নিলুম।
এই পর্যন্ত বলে চুপ হতে রইল। বুঝলুম, জীবন সংগ্রামে হারতে হারতে জয়ী হয়ে ওঠেছে । নিজের ভেতরে গজিয়ে ওঠা স্বত্বাটা ভেঙে ফেলেছে নিয়ম বাধা সব শেকল। ছুঁড়ে ফেলেছে মুখোশের উপরের আবরণ। শুধু নিজের ভেতরের শেকলটা ভেঙে ফেলে, আবরণটা টেনে ওঠিয়েই ক্রান্ত হয়নি। এখন ভেঙে ফেলতে চাইছে সমাজের পায়ে বাধা শেকল, মুখোশটা ছিড়ে ফেলে দেখিয়ে দিতে চাইছে আসল চেহারা।
বললুম, মেয়েও কি তোমার সাথে থাকে?
“হ্যাঁ এতদিন সাথেই ছিলো, এখন থাকে না। এলাহাবাদে ওর বিয়ে দিয়েছি বছর তিনেক আগে ।”
০৩.
আমার কথা জানতে চাইল। আমি এখানে কিভাবে স্টেশনমাস্টার হলাম? এই ভূতুড়ে জায়গায় কি করছি? এখান থেকে টার্ন্সপার হয়ে অন্যকোথাও চলে যাচ্চিনা কেন?
সংক্ষেপে সব প্রশ্নের উত্তর করলাম। কিছুক্ষণ বৃষ্টি থেমে ছিলো, এখন আবার মুষলধারায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ট্রেন আসতে বেশি সময় নেই। হাতে যখন আর মিনিট দশেক সময় আছে, ওকে বসিয়ে রেখে ছুটে গেলাম বাইরে, রক্তজবা গাছটার কাছে। ফুল এসেছে অনেক, ফুলের ভারে গাছটার একটা চিকন ডাল নুয়ে পড়েছে মাটিতে। অনেকগুলো ফুল নিলাম। ভেজা শরীলে ওর হাতে যখন ফুল তুলে দিলাম ও বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে রইলে আমার দিকে। বললুম, তুমি রক্তজবা পছন্দ কর ভুলিনি। স্টেশনের ওধারটায় কয়েকটা গাছ লাগিয়ে ছিলুম অনেক আগে। প্রতি বর্ষাতে অনেক ফুল আসে, তেমনিভাবে ঝড়ে ঝড়ে পড়ে মাটিতে। কুড়িয়ে পর্যন্ত নেবার কেউ নেই। আমি মাঝে মধ্যে গিয়ে শুধু দ্যাখতুম, কখনো ঝড়ে পড়া ফুল কুড়িয়ে তুলতুম, কিন্তু ফিরে আসবার সময় ওভাবেই আবার ফেলে আসতাম । ফুলেরা হয়তো জানতো এই অসময়ে দেখা হয়ে যাবে !
ও আমার দিকে গাঢ় বিষাদভরা চোখে খানিক তাকিয়ে রইলে, ঠোঁটের কোণায় এক চিলতে শুষ্ক হাসির আভাস ফুটিয়ে তুলে বললে, রঙিন কাঁপড় ছেড়েছি সে অনেক বছর হলো; যদি নিজেকে রঙিন করার অভিলাষ মনে পুষে রাখতুম তাহলে জীবনের গাছে রক্তজবা ফুটতো তারও বহু আগে।
০৪. এই নির্জন স্টেশনে ট্রেন আসে, তবে যাত্রী হয়না সবসময়। হঠাৎ হাঠাৎ দু-একজনের দেখা পাওয়া যায়। ট্রেন থামে, ট্রেনে যাত্রী ওঠে, হুইসেল বাজিয়ে ট্রেন আবার চলে যায়। আবার কখনো যাত্রীশুন্য স্টেশনে ট্রেন আসে, পতাকা নাড়াই, কিন্তু সেদিন আর কেউ ওঠেনা, ট্রেন রীতিমতো গন্তব্যে ছুটে চলে। কিছুক্ষণের জন্য ট্রেনের হুইসেলে গমগম হয়ে ওঠে সারা স্টেশন, ট্রেন চলে গেলে আবার নির্জনতায় ডুবে যায় চারিপাশ। নিস্তব্ধ নিরবতায় খাঁ খাঁ করে দিগন্ত।
অঙ্কিতা দাঁড়িয়ে আছে প্লাটফর্মে। পরনে সাদা শাড়ি, হাতে লাল টুকটুকে রক্তজবা। দৃষ্টি দূরের মেঘলা আকাশে নিবদ্ধ। মুষুলধারায় বৃষ্টি পড়ছে, বৃষ্টির শব্দে শুনে ভাবলুম, আকাশটা ফেটে বুঝি চৌচির হয়ে গেছে। বৃষ্টির শব্দে ঢাকা পড়েছে দূরের ট্রেনের হুইসেল। বৃষ্টিতে স্নান করে ধীর শরীলে ট্রেন যখন একেবেঁকে এসে ডুকেছে পাল্টফর্মে ; ও দূরের আকাশ থেকে দৃষ্টি সরিয়ে এনে আমার দিকে ফিরে বললে, -তোমার ছেলে মেয়ের কথা জিজ্ঞেস করলুম নাতো? তোমার ছেলে মেয়ে কয়টা?
“নেই। ”
ও কেমন বিস্ময় নিয়ে চেয়ে রইলে। ট্রেনের হাতল ধরে উঠতে যাবে এমনসময় অবিশ্বাসের স্বরে ফের জিজ্ঞেস করলে, -“সত্যি কোনো ছেলে মেয়ে নেই?”
মাথা নাড়িয়ে বললুম, – না, নেই।
ট্রেন ছেড়ে দিয়েছে, ও বসেছে জানলার পাশে। বাইরে থেকে তার হাতের অংশ দেখা যাচ্ছে। ট্রেনের গতি যখন বেড়ে চলেছে, ও জানলা দিয়ে মাথা বের করে তাকালো। বৃষ্টিতে ভেজে যাচ্ছে তার চুল, সেইদিকে খেয়াল নেই। ট্রেন ছুটে চলছে দ্রুত। হয়তো ওর গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে চোখের জল, বৃষ্টিতে ধুয়ে মুছে যাচ্ছে বহুদিনের জমানো ধূলোবালি। আমি তা অনুভব করলেও দ্যাখতে পাচ্ছিনা ।
কখন যে বৃষ্টি থেমে গেলো, ট্রেনের হুইসেল থেমে গিয়ে কবে যে দূরে মিলিয়ে গেলো ঠিক বুঝে ওঠতে পারলুম না। বিহ্বলতা কাটিয়ে ওঠতেই দেখি, এক অসহ্য নিরবতা, নিঃসঙ্গতা, নিস্তব্ধতা যেন দিগন্তবিস্তৃত নির্জনতা জুড়ে খাঁ খাঁ করছে। অদূরে লাগানো রক্তজবা গাছটার দিকে তাকিয়ে দেখলুম, তখনো পাপড়ি থেকে জল ছুঁইয়ে ছুঁইয়ে পড়ছে মাটিতে।
হলো না পাওয়া তোকে
MD ASAD RAHMAN
জানুয়ারি ১৫, ২০২০
0
উফফ,
অসহ্য,
সন্ধ্যায় এতটা বাজে পরিস্থিতিতে পরবে, কখনো ভাবেও নি মাহমুদা,
হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলো, রাস্তা থেকে একপ্রকার দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে ই পাশের একটা টং এর দোকানে গিয়ে দাঁড়ালো সে, ইতিমধ্যে সেখানে আরো লোকজন জড়ো হয়েছে বৃষ্টি থেকে একটু বাঁচার আশায়।
.
কয়েকটা ছেলে এসে মাহমুদার ভিজা শরীরের দিকে তাকিয়ে মজা নিচ্ছে।
.
মাহমুদা তার হাজব্যান্ড কে ফোন দিচ্ছে বারবার।ধরছে না কেটে দিচ্ছে। একরাশ বিরক্তি মুখে নিয়ে মনে মনেই সে উচ্চারণ করল স্টুপিড, কেয়ারলেস।
.
খিট খিটে মেজাজ ঠান্ডা করার কোনো উপায় পাচ্ছে না মাহমুদা।বাজে ছেলে গুলো গায়ের সাথে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আবারও সে কল দিলো তার হাজবেন্ড কে।কল ওয়েটিং!! কি করবে ভেবে পাচ্ছেনা সে।হঠাৎ মাহমুদা খেয়াল করলো এই ঝড় তুফানের মাঝেও একটা ছেলে ভবঘুরের মত ভিজে ভিজে আসছে।এটা দেখে মাহমুদার কলেজ জীবনের কথা মনে পড়ে যায়।তার ও বৃষ্টিতে ভেজার লোভ হয় খুব।কতো দিন মন খুলে বৃষ্টিতে ভেজা হয়না তার।কিন্তু এই শাড়ী – হাই হিল পরে কেউ বৃষ্টিতে ভিজলে সেটা কেমন যেনো হয়ে যাবে।ছেলেটার দিকে তাকিয়েই থাকতে থাকতেই এসব ভাবে সে।এদিকে হাঁটতে হাঁটতেই ছেলেটা খেয়াল করে একটা অপ্সরীর মত সুন্দর মেয়ে তার দিকে হা হয়ে তাকিয়ে আছে।ছেলেটা তখন আর মন খুলে ভিজতে পারেনা। মন খুলে বৃষ্টিতে ভিজতে হয় লোকচক্ষুর আড়ালে।বৃষ্টিতে ভেজার সময় কেউ হা করে তাকিয়ে থাকলে সেটা যে কত বিরক্তিকর তা যে ভেজে সেই কেবল বুঝে, ছেলেটাও ভেজা বাদ দিয়ে টং দোকানে এসে দাঁড়ায়, লজ্জায় মেয়েটার দিকে একবার ও আর তাকায় না।
মাহমুদা তার কিশোরীবেলার স্মৃতি থেকে বাস্তবে ফিরে গাড়ির হর্ণ এর আওয়াজে।একজন সুটেট বুটেট লোক গাড়ির দরজা খুলে একরাশ বিরক্তি মুখে নিয়ে মাহমুদার দিকে তাকিয়ে ধমকের স্বরে বলে ভিতরে আসোহ।শাড়ি- হাই হিল পরে মাহমুদা টং দোকান থেকে বৃষ্টির ভিতর দিয়ে হেঁটে গিয়ে গাড়িতে উঠে।ওঠার সময় খেয়াল করে ভবঘুরে ছেলেটা তাকিয়েই আছে তার দিকে এখনো।
.
সাঁই সাঁই শব্দ করে পানির বুক চিরে চলে যায় গাড়িটা।ছেলেটাও আবার বৃষ্টির মাঝে হাঁটা শুরু করে।
___________________________
মাহমুদা গাড়িতে বসে ফোন হাতে নেয়। অনেক আগের
মুখস্ত করা নাম্বার,একটু কষ্ট করে মনে করে।তারপর , টপাটপ ডায়াল করে, একটা মেসেজ পাঠায়,
” আগের মতই রয়ে গেছো তাই না??
তাড়াতাড়ি বাসায় গিয়ে গোসল করো।নাহলে ঠান্ডা লেগে যাবে।জ্বর আসবে ”
ছেলেটা মেসেজের শব্দ পায়, পকেট থেকে মোবাইল বের করে,স্ক্রীনে জ্বল জ্বল করতে থাকা প্রিয় নামটা আস্তে আস্তে ঝাপসা হয়ে আসে বৃষ্টির পানির ফোঁটায়,
৮ বছর আগেও, এভাবেই নামটা আবছা হয়ে এসেছিলো ছেলেটির চোখের পানিতে, আজ চোখে পানি আছে?? হয়ত নেই, আবার হয়ত বৃষ্টির পানির সাথে মিশে গেছে তাই বোঝা যায় না।
৮ বছর আগে,মাহমুদার বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর আর যোগাযোগ করেনি হাসিব।
বিরক্তি বোঝাই করা সংসার হলেও কোনরকম চলে যাচ্ছে মাহমুদার জীবনগাড়ি, কোন এক হঠাৎ সন্ধ্যায় আবার তাকে দেখা!!
.
থেমে নেই সময়।কখন যে আট টা বছর কেটে গেলো!! ভেবেই আবার ঝুম বৃষ্টিতে, রাস্তার পাশ ধরে হাঁটতে হাঁটতে চোখের আড়াল হয়ে যায় ছেলেটি।
লেখক : আসাদ রহমান
কোটচাঁদপুর,ঝিনাইদহ
সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
ভাল লাগার কথা
MD ASAD RAHMAN
ডিসেম্বর ২৩, ২০১৯
0
পৃথিবীর কোন কিছুই ছোট বা বড় করে দেখার মত কিছুই না।
তাঁর অবস্থানই তাঁর উত্তর বলে দিতে পারে
হতে পারে ভাল মন্দ দুইটাই মানুষ এবং মানুষের ছাঁয়ার মতো কাঁছাকাঁছি।
ভুল হয় সে ভুল শিকার করা,ভুল শিকিয়ে দেয় কিভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে হয় ভুল করে সাঁজিয়ে গুছিয়ে লেখা শুরু করলাম।
ভাল লাগার কথা,ভাল বাসার কথা।একটি ছেলে আর মেয়ের সাংসারিক জীবনের ছোট্ট কিছু কথা দিয়ে।
আমি নাঁয়ে,তুমি ঠাঁয়ে,বাঁধিয়াছ ঘর।আমার মাঝে সর্বদা তুমি সহচর।
এখন বুঝি তুমি এমন কেন ছিলে এখন বুঝি তোমার ভালবাসা ছিল কঠিন সত্য ও বাস্তবতাই
প্রমাণ করলে।
যা দূর থেকেও কাঁচে কাঁচে থেকেও দূরে ভালবাসা যাই তাঁর পরেও এমন করে।
আমি যদি তোমার জীবনের সঙ্গি না হতাম তা না হলে বুঝতে পারতাম না।
এমন সত্যতার মাঝে তোমার ভালোবাসায় বেঁচে থাকবো সেটা আমার ভাঙ্গের ব্যপার।
আমি কাঁদি তোমার কথা গুলো ভেবে যা আমার জীরন কে পার করতে সাহায্য করবে।
আমি হাসি আমার না বলা কথাগুলো উত্তর তোমার কাঁচ থেকে পেয়েছি বলে।
কষ্ট পেয়েছি বলা কথা গুলোর উত্তর পাইনি বলে।
আমি তোমায় জিগ্গেস করে ছিলাম,তুমি এমন কেন তোমার মুখে হাসি নেই কেন
সে আমার কোন কথার উত্তর না দিয়ে এরিয়ে যেতো
তখন নিজেকে অনেক টা অসহায় মনে হতো কি করবো বল্ আমি যে এতিম আমার যাবার মতো
তেমন কোন জাইগা নেই বাবা মরা সংসারে ছোট্ট
ভাই তাদের চলা দুর্হ্য।
তখনও সে আমার কোন কথার উত্তর না দিয়ে না শুনা না শুনা এরিয়ে চলত
এমন করে চলে গেল বহু দিন আমি আবার জিগ্গেস করে ছিলাম,
তুমি কি আমায় নিয়ে সুখে নেই।
তখনও সে ঠিক আগের মতো কোন কথার উত্তর না
দিয়ে চুপ করে থাকলো।
এই ভাবে কেটে গেলো কয়েক মাস হঠাৎ করে এক দিন রাতে খাবারের পর শুবার পর সে আমায়
বললো তুমি একটু কাছে এসো
আমি জিগ্গেস করলাম কি হলো এতটা ভালবাসা আগে কোন দিন দেখেনি,সেই দিনও আগের মতো
আমার কথাটা এরিয়ে গেল।
রাগে খুবে বাম দিক হয়ে শুয়ে রইলাম সে উপরের দিকে মুখ করে শুয়ে আমার উপর পাটা দিয়ে ঘুমিয়ে পরলো
আমি আবার ডাক দিয়ে বললাম এই শোন হু বল্ যদি দরে রাখবে তহলে ভাল করে দরে রাখ না হয় আমাকে আমার মতো করে থাকতে দাও তোমার এই এগেয়ামি ভাল লাগেনা
তখও সে তাঁর মতো শোয়ে রইল কোন ভাবে বুঝতে চাইল না আমি কি বললাম
আমি বার বার চেষ্টা করেছি পাটা নাবার জন্য কিন্তু
নামাতে পারিনি সে এমন ভাবে পাটা আমার উপর রেখেছিল পাটা নামাতে গেলে ঘুমটা ভেঙ্গে যেতো
আমিও রাগ নিয়ে ঘুমিয়ে পরলাম।
এমন করে দিনের পর দিন চলতে লাগল তাঁর প্রতি রাগ হয় কিন্তু সে চলা ফেরা মাঝে কেমন জানি মায়ায় ঝড়ানো বেশি ক্ষণ রাগ করে থাকতে পারিনা
যদিও সে কম কথা বলে তাঁর পরেও একটি কথায়
কিছু ক্ষণ কিছু সময় কিছু দিন পযন্ত রাগ মাটি করে দেয় মাঝে মাঝে আমি চিন্তা করি তাঁর্ অনবদ্য কথার মাঝে বেঁচে থাকবো সারা জীবন আমি আর
কিছু চাই না।
রাত ৯ টার সময় হঠাৎ এসে খুব হাসি খুশি ভাবে আমায় ডেকে বল কি কর আমি বললাম কিছু না
ঠিক আছে খাবার খেয়েছ হ্যাঁ
আমার শরিলটা ততটা ভাল না আমার ঘুম আসছে
আমি ঘুমাব তুমি একটা কাজ কর্
কি কাজ দেখ ঘরে অনেক মসা মসারিটা টানিয়ে দাও এই বলে শুয়ে পরল
আমি মসারিটা টানাতে গেলে বলে উঠ সাবধানে
উপরে ফেন আছে হাতে লাগবে আর লাইটের আলো আমার চখে লাগে এই নাও গামছাটা মসারির উপর দিয়ে দাও সাবধানে খেয়াল করে কাজ করো হাতে লাগে না যেন
তখন আমি বললাম আজ কি হলো এত দরদ বড়ে
বার বার সাবধান করছ
ঠিক আগের মতো উত্তর টা পেলাম না।
মনের বেতর রাগ নিয়ে পাশের রুমে চলে গেলাম
আমায় ডাক দিয়ে বললো কাজ শেষ করে এসে শুয়ে পড়।
পর দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল যাবার সময় কিছু বলে যায়নি
মনটা খারাপ এতটুকু বুঝতে পেররছি রাত দশটার দিকে আবার বাড়িতে এলো ঠিক সকালের মতো
মুখ ঘুমরা করে আছে।
আমি বললাম কি হয়েছে সকালে মনটা খারাপ করে কিছু না বলে চলে গেলে এখনও মনটা খারাপ তাই
জিগ্গেস করলাম।
আমি ভাল আছি
তুমি ঠিক থাকলে এক বার আয়নাতে মুখটি দেখ
দেখার পরে উত্তর পেয়ে যাবে।
সে দিনও উত্তর না দিয়ে চুপকরে থাকলো
এমনি করে দিন যেতে লাগল আর সে ধীরে ধীরে
দুর্বল হতে লাগল
কিছু দিন পর রাতে শোয়ার পর শরিলে জর আসে
সারা রাত তার সেবা যত্নে কেটে যাই সকালে আমি
ডাক্তারের কাছে যাবার কথা বললে সে অসমম্তি
জানায় প্রশ্ন করলে সে নাকি ঠিক আছে এমনিতে
ঠিক হয়ে যাবে দুই তিন দিন যেতে না যেতে সে মৃত্যুর কূলে ডলে পরে।
এই সংসারে আপন বলতে কেউ নেই চলে যেতে হবে
মন ভেঙ্গে গেলো চাওয়া পাওয়ার হিসেব গুলো ক্ষেন্ত কষ্টের দেহাই দিয়ে ফেরানো সম্বব না
তুমি আমার কি ছিলে যা ছিলে
তাঁর পৃথিবীতে যার কোন তৌলনা নেই তুমি তো
চলে গিয়ে একা আর আমি সমাজ সংসারে হাজারও মানুষের বিরে অসহায়ত্ব হয়ে একা
মারা যাবার কিছু দিন পরে তার ব্যাবহারের মাঝে একটার ডাইরীটা খোজে পেলাম তাঁর মাঝে কিছু লেখা দেখতে পেলাম।
সে কথা গুলো হলো চুপকরে থাকা,কথার উত্তর না দেয়ার উত্তর-
"আমি কেমন জানিনা আমি জানি আমার হাসি পাই যখন তুমি
তাঁর অবস্থানই তাঁর উত্তর বলে দিতে পারে
হতে পারে ভাল মন্দ দুইটাই মানুষ এবং মানুষের ছাঁয়ার মতো কাঁছাকাঁছি।
ভুল হয় সে ভুল শিকার করা,ভুল শিকিয়ে দেয় কিভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে হয় ভুল করে সাঁজিয়ে গুছিয়ে লেখা শুরু করলাম।
ভাল লাগার কথা,ভাল বাসার কথা।একটি ছেলে আর মেয়ের সাংসারিক জীবনের ছোট্ট কিছু কথা দিয়ে।
আমি নাঁয়ে,তুমি ঠাঁয়ে,বাঁধিয়াছ ঘর।আমার মাঝে সর্বদা তুমি সহচর।
এখন বুঝি তুমি এমন কেন ছিলে এখন বুঝি তোমার ভালবাসা ছিল কঠিন সত্য ও বাস্তবতাই
প্রমাণ করলে।
যা দূর থেকেও কাঁচে কাঁচে থেকেও দূরে ভালবাসা যাই তাঁর পরেও এমন করে।
আমি যদি তোমার জীবনের সঙ্গি না হতাম তা না হলে বুঝতে পারতাম না।
এমন সত্যতার মাঝে তোমার ভালোবাসায় বেঁচে থাকবো সেটা আমার ভাঙ্গের ব্যপার।
আমি কাঁদি তোমার কথা গুলো ভেবে যা আমার জীরন কে পার করতে সাহায্য করবে।
আমি হাসি আমার না বলা কথাগুলো উত্তর তোমার কাঁচ থেকে পেয়েছি বলে।
কষ্ট পেয়েছি বলা কথা গুলোর উত্তর পাইনি বলে।
আমি তোমায় জিগ্গেস করে ছিলাম,তুমি এমন কেন তোমার মুখে হাসি নেই কেন
সে আমার কোন কথার উত্তর না দিয়ে এরিয়ে যেতো
তখন নিজেকে অনেক টা অসহায় মনে হতো কি করবো বল্ আমি যে এতিম আমার যাবার মতো
তেমন কোন জাইগা নেই বাবা মরা সংসারে ছোট্ট
ভাই তাদের চলা দুর্হ্য।
তখনও সে আমার কোন কথার উত্তর না দিয়ে না শুনা না শুনা এরিয়ে চলত
এমন করে চলে গেল বহু দিন আমি আবার জিগ্গেস করে ছিলাম,
তুমি কি আমায় নিয়ে সুখে নেই।
তখনও সে ঠিক আগের মতো কোন কথার উত্তর না
দিয়ে চুপ করে থাকলো।
এই ভাবে কেটে গেলো কয়েক মাস হঠাৎ করে এক দিন রাতে খাবারের পর শুবার পর সে আমায়
বললো তুমি একটু কাছে এসো
আমি জিগ্গেস করলাম কি হলো এতটা ভালবাসা আগে কোন দিন দেখেনি,সেই দিনও আগের মতো
আমার কথাটা এরিয়ে গেল।
রাগে খুবে বাম দিক হয়ে শুয়ে রইলাম সে উপরের দিকে মুখ করে শুয়ে আমার উপর পাটা দিয়ে ঘুমিয়ে পরলো
আমি আবার ডাক দিয়ে বললাম এই শোন হু বল্ যদি দরে রাখবে তহলে ভাল করে দরে রাখ না হয় আমাকে আমার মতো করে থাকতে দাও তোমার এই এগেয়ামি ভাল লাগেনা
তখও সে তাঁর মতো শোয়ে রইল কোন ভাবে বুঝতে চাইল না আমি কি বললাম
আমি বার বার চেষ্টা করেছি পাটা নাবার জন্য কিন্তু
নামাতে পারিনি সে এমন ভাবে পাটা আমার উপর রেখেছিল পাটা নামাতে গেলে ঘুমটা ভেঙ্গে যেতো
আমিও রাগ নিয়ে ঘুমিয়ে পরলাম।
এমন করে দিনের পর দিন চলতে লাগল তাঁর প্রতি রাগ হয় কিন্তু সে চলা ফেরা মাঝে কেমন জানি মায়ায় ঝড়ানো বেশি ক্ষণ রাগ করে থাকতে পারিনা
যদিও সে কম কথা বলে তাঁর পরেও একটি কথায়
কিছু ক্ষণ কিছু সময় কিছু দিন পযন্ত রাগ মাটি করে দেয় মাঝে মাঝে আমি চিন্তা করি তাঁর্ অনবদ্য কথার মাঝে বেঁচে থাকবো সারা জীবন আমি আর
কিছু চাই না।
রাত ৯ টার সময় হঠাৎ এসে খুব হাসি খুশি ভাবে আমায় ডেকে বল কি কর আমি বললাম কিছু না
ঠিক আছে খাবার খেয়েছ হ্যাঁ
আমার শরিলটা ততটা ভাল না আমার ঘুম আসছে
আমি ঘুমাব তুমি একটা কাজ কর্
কি কাজ দেখ ঘরে অনেক মসা মসারিটা টানিয়ে দাও এই বলে শুয়ে পরল
আমি মসারিটা টানাতে গেলে বলে উঠ সাবধানে
উপরে ফেন আছে হাতে লাগবে আর লাইটের আলো আমার চখে লাগে এই নাও গামছাটা মসারির উপর দিয়ে দাও সাবধানে খেয়াল করে কাজ করো হাতে লাগে না যেন
তখন আমি বললাম আজ কি হলো এত দরদ বড়ে
বার বার সাবধান করছ
ঠিক আগের মতো উত্তর টা পেলাম না।
মনের বেতর রাগ নিয়ে পাশের রুমে চলে গেলাম
আমায় ডাক দিয়ে বললো কাজ শেষ করে এসে শুয়ে পড়।
পর দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল যাবার সময় কিছু বলে যায়নি
মনটা খারাপ এতটুকু বুঝতে পেররছি রাত দশটার দিকে আবার বাড়িতে এলো ঠিক সকালের মতো
মুখ ঘুমরা করে আছে।
আমি বললাম কি হয়েছে সকালে মনটা খারাপ করে কিছু না বলে চলে গেলে এখনও মনটা খারাপ তাই
জিগ্গেস করলাম।
আমি ভাল আছি
তুমি ঠিক থাকলে এক বার আয়নাতে মুখটি দেখ
দেখার পরে উত্তর পেয়ে যাবে।
সে দিনও উত্তর না দিয়ে চুপকরে থাকলো
এমনি করে দিন যেতে লাগল আর সে ধীরে ধীরে
দুর্বল হতে লাগল
কিছু দিন পর রাতে শোয়ার পর শরিলে জর আসে
সারা রাত তার সেবা যত্নে কেটে যাই সকালে আমি
ডাক্তারের কাছে যাবার কথা বললে সে অসমম্তি
জানায় প্রশ্ন করলে সে নাকি ঠিক আছে এমনিতে
ঠিক হয়ে যাবে দুই তিন দিন যেতে না যেতে সে মৃত্যুর কূলে ডলে পরে।
এই সংসারে আপন বলতে কেউ নেই চলে যেতে হবে
মন ভেঙ্গে গেলো চাওয়া পাওয়ার হিসেব গুলো ক্ষেন্ত কষ্টের দেহাই দিয়ে ফেরানো সম্বব না
তুমি আমার কি ছিলে যা ছিলে
তাঁর পৃথিবীতে যার কোন তৌলনা নেই তুমি তো
চলে গিয়ে একা আর আমি সমাজ সংসারে হাজারও মানুষের বিরে অসহায়ত্ব হয়ে একা
মারা যাবার কিছু দিন পরে তার ব্যাবহারের মাঝে একটার ডাইরীটা খোজে পেলাম তাঁর মাঝে কিছু লেখা দেখতে পেলাম।
সে কথা গুলো হলো চুপকরে থাকা,কথার উত্তর না দেয়ার উত্তর-
"আমি কেমন জানিনা আমি জানি আমার হাসি পাই যখন তুমি
শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
||কিপ্টা গার্লফ্রেন্ড||writer: Md Asad Rahman||
শেষ গল্পের সেই ছেলেটি
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯
0
||♥Writer: Md Asad Rahman♥ ||
||♥Jhenaidah♥ ||♥kotchandpur♥||
"আমার গার্লফ্রেন্ড যে এতটা কিপ্টামি করে আগে জানতাম না। জানলাম আজকে মার্কেটে আসার পর। শুধু এদিক সেদিক ঘুরছে। কোন দোকানে যাচ্ছেনা। আমিও সুবোধ বালকের নেয় ওর পিছু পিছু ঘুরছি। প্রচুর রাগ হচ্ছে। মন চাচ্ছে বাজারেই পিঠে গুম্মুত করে কিল দেই।😇 নিজের মানসম্মানের কথা চিন্তা করে দিলাম না😏। বললাম....
.
--বাবুউউউউউউ....🤔
.
-কি হলো ভ্যাবরাচ্ছো কেনো?🤔
.
--আজব আমি ভ্যাবারালাম কখন? 🤔
.
-হারামজাদা তাইলে এত বাবুউউউ মারাও কেন?😇
.
--সরি....😅
.
-বাবু একটা কথা বলি?
.
--বলোগো..?😇
.
-বলছি মার্কেটে টিশার্টের দাম বেশি। আচ্ছা আমরা বরং ফাডা কোম্পানি থেকে টিশার্ট কিনি কেমন?
.
--ফাডা কোম্পানি কি?
.
-আরে বাবু ঐ যে মোরে যে দোকান গুলো বসে।
.
--মানে...?😏
.
-চলোতো আগে টিশার্ট কিনে দেই।
.
তারপর আমাকে টানতে টানতে নিয়ে গেলো একটা দোকানে। দোকান দেখে দেখে আমি শিহরিত। এই গুলা দোকান থেকে টিশার্ট কিনে দিবে? এ জীবন রেখে কি লাভ। মারিয়া বলল....
.
--ও বাব্বুউউউউ...😇
.
-হুম বলো?
.
--এখান থেকে দুটো টিশার্ট নাও।
.
-তুমি পছন্দ করে দাও।
.
--আচ্ছা
.
তারপর মারিয়া দোকান থেকে দুটো টিশার্ট নিলো। আমার গায়ে ধরে দেখলো হবে কিনা। গেঞ্জি দুটো আমার একদম অপছন্দ। কিন্তু ভয়ে না করতে পারছিনা। অবশেষে সেই দুটো পছন্দ করলো। মারিয়া বলল....
.
--চাচা দাম কত?
.
-মামনি আপনে মাইয়া মানুষ আপনার জন্য একদাম দুটো ৬২০ টাকা।
.
--হুররর চাচা কি বলেন। আরো কমিয়ে বলেন।
.
-আর তো কমানো যাবেনা।
.
--আচ্ছা দুটো ৪০০ টাকা দেই?
.
মারিয়ার দাম শুনে টাস্কি খেলাম। বুকটা ফেটে যাচ্ছে। দোকানি চাচা হা করে তাকিয়ে আছে। একবার আমার দিকে তাকাচ্ছে আরেকবার মারিয়ার দিকে। আমি কি বলবো বুঝতে পারছিনা। মনে মনে বললাম, হে আকাশ তুমি নুডলস ফালাও মুই খাইতে খাইতে নেপচুন যায়াম। মারিয়া আবার বলল....
.
--কি হলো চাচা ৪০০ টাকায় দিবেন।
.
-না এতো কম দামে দেওয়া যাবেনা।
.
--আচ্ছা ৪৫০ টাকা এবার দেন।
.
-নিলে একদাম ৫০০ টাকা।
.
--আচ্ছা ৫০ টাকা, আর ঝামেলা কইরেননাতো, দেন।
.
-হাহা, মামনি তুমি বরং ১০০ টাকা দিয়া দুটো শর্ট প্যান্ট (জাইঙ্গা) নাও।
.
মারিয়া দোকানির দিকে তাকালো। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে চট করে বলে ফেললো....
.
--বাব্বুউউউউ....
.
-কিচ্চে বেপি...?
.
--শোনোনা একটা কথা?
.
-হুম বলো..? (তুমি যে বাঁশ দিবা সেটা জানি)
.
--টিশার্ট আরেকদিন নেই।
.
-কেনো? আজকে কি হলো?
.
--আজকে শর্ট প্যান্ট নাও দুটো।
.
-তাহলে একটা ফিডারো নাও..
.
--মানে?
.
-আমি ফিডার খাবো।
.
--ফাজলামো করো?
.
-না, সত্যি ফিডার খাব। আর উয়া উয়া উয়ায়াআআআআ...বলে চিল্লাবো।
.
--দেখো রুবেল... (চোখ গরম করে)
.
-আচ্ছা নাও....
.
তারপর মারিয়া দু'টো প্যান্ট নিলো আমার জন্য। এই দোকান গুলোতে ভালো ব্যাগ নেই। তাই প্যান্ট দু'টি পলিথিনে দিলো। নিজের সম্মানের কথা চিন্তা করে দুটো প্যান্ট দুই পকেটে ঢুকালাম। তারপর মারিয়া বলল....
.
--বাবু আমি একটা বোরকা কিনবো...
.
-কেনো এখান থেকে।
.
--এখানে তো বোরকা পাওয়া যায়....বড় মার্কেটে যেতে হবে।
.
-তাহলে আমাকে এখান থেকে কিনে দিলে কেন?
.
--রাগো কেন? তুমি মানেইতো আমি তাইনা।
.
-হুমমমম (রাগ করে)
.
--উলে উলে আমাল গুলুমুলু চুনা বাবুটা রাগ করে...
.
-হারামজাদি সোহাগ দেখাবি না। ম্যানহোলে চুবাবু খাচ্চুন্নি। (মনে মনে বললাম)
.
--চলো মার্কেটে যাই।
.
তারপর মারিয়া মার্কেটে গেলো। এখানে এসে একটা বোরকা পছন্দ হলো। বেশি দামাদামি করল না নিজের জিনিস বলে। ১৪০০ টাকা দিয়ে বোর্কা কিনে নিলো। তারপর আমাকে ৫ পাঁচ টাকা ঝালমুড়ি খাওয়ালো। বলল....
.
--বাবু বোরকাটা কেমন হয়েছে?
.
-ওটা পরলে তোমায় ইন্দুরের মতন লাগবে।
.
--কিইই বললা?
.
-সরি মজা করলাম।
.
--আচ্ছা বাবু চলো হেটে বাসায় যাই...
.
-হেটে কেনো?
.
--আরে হাটলে শরীর ভালো থাকে, চলোতো.....
.
তারপর মারিয়া আর আমি হেটে বাড়ি যাওয়া শুরু করলাম। ওর হাতে ১৪০০ টাকা দামের বোরকা। আর আমার দুই পকেটে ১০০ টাকার শর্ট প্যান্ট। বুকে চিনচিন ব্যথা হচ্ছে। পকেট থেকে হেডফোন বের করে গান জুরে দিলাম....
.
"পিড়িতি পেন্দাইলো ছ্যাড়া ত্যানা..
ও রঙ্গিলা, পিড়িতি পেন্দাইলো ছ্যাড়া ত্যানা..."
.
আমরা দুজন হাটছি। মারিয়া পটর পটর কথা বলছে। আমি সেই কথা শুনতে পাচ্ছি না। কষ্ট হচ্ছে, প্রসুর কষ্ট হচ্ছে। তবে শান্তি লাগছে এই ভেবে যে বিয়ে হলে সংসারে উন্নতি হতে দেরি লাগবেনা। যাইহোক একটা চরম সত্য কথা..'উইথ আউট কিপ্টা গার্লফ্রেন্ড লাইফ ইজ থোরা থোরা।" মানে লাইফে উন্নতি করতে চাইলে এরকম একটা গফ লাগবে।
||♥The End♥||
বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
||চাচাতো বোনের সাথে ভালোবাসা....!||
শেষ গল্পের সেই ছেলেটি
সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯
0
😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😘
||Writer: ||md Asad Rahman||
||Kotchandpur||,||Jhenaidah ||
😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😘😘😘😘😘😘😘😍
সকালে ঘুম থেকে আগেই উঠে গেছি,,এমন সময় শুনতে পেলাম নুসরাত আমাকে ওঠার জন্য ডাকছে,,,তাই আবারো ঘুমের ভান করে শুয়ে পরলাম....
নুসরাত: কিরে তুই এখনো পরে পরে ঘুমাচ্ছিস,,অফিসে যাবি না ওঠ...?
আমি কিছু না বলে চুপচাপ শুয়ে আছি....
ও এসে আমার পিঠে হালকা ধাক্কা মেরে ডাকতে লাগলো....
আর তখনই আমজর মাথায় এক দুস্টু বুদ্ধি চাপলো,,,,
আমি ওর হাত ধরে টান দিয়ে আমার বুকের উপর শুইয়ে,,ওর ঠোটের সাথে আমার ঠোট মিশিয়ে দিলাম,,,ও বেশ কেঁপে উঠলো,,প্রায় ৩ মিনিট লিপ কিস্ করার পর ওকে ছাড়লাম,,তাকিয়ে দেখি নুসরাত চোখ বন্ধ করে দাড়িয়ে আছে আর বড় বড় করে শ্বাস ছাড়ছে...তারপর আমার দিকে না তাকিয়েই দৌড়ে রুম থেকে চলে গেলো....
এবার আমার নিজের কাছেই অপরাধবোধ মনে হচ্ছে,,এমনটা না করলেও পারতাম......
ফ্রেশ হয়ে নিচে গিয়ে দেখি সবাই নাস্তার টেবিলে আমার জন্য অপেক্ষা করছে,,কিন্তু নুসরাতকে দেখতে পাচ্ছি না......
হয়তো আমার ওপর রেগে আছে...
আমি আর কিছু না বলে চুপচাপ নাস্তা করে রেডি হয়ে অফিসের জন্য বেরিয়ে পরলাম...
অফিসে এসেও কাজে মন বসাতে পারলাম না বারবার নুসরাতের কথা মনে হচ্ছে,,,ওকে ওইভাবে কিস্ না করলেও পারতাম,,রতে বাসায় ফিরে গিয়ে সবার আগে ওর কাছে নাহয় ক্ষমা চেয়ে নিবো...
এই ভেবে কাজে মন দিলাম....
কাজ শেষ করতে করতে রাত প্রায় ৮ টা বেজে গেলো,,বাস্য় ফিরতে ফিরতে প্রায় ৯:৩০ বেজে গেলো....
বাসায় কলিংবেল চাপ দিতেই নুসরাত দরজা খুলে দিলো,,,কিন্তু আমার সাথে আজ কোনো কথা বলছে না....
আমি: নুসরাত দাড়া আমার কথাটা একবার শোন প্লিজ.....
নুসরাত: কি বলবি বল..(গম্ভীর সুরে)
আমি: আসলে সকালের ওই কাজের জন্য আমি সরি রে আসলে আমি বুঝতে পারিনি....
নুসরাত: সবকিছু করে এখন বলছিস বুঝতে পারিসনি,,,?তুই জানিস সারাদিন আমার মনের অবস্থাটা কি ছিলো...?
আমি: দেখ আমি যা বলার ক্লিয়ার ভাবেই বলি,,,আমি তোকে ভালোবাসি,,তোকে আমার বউ করতে চাই,,আপন করে আমার বুকে টেনে নিতে চাই,,তাই আমি তোকে কিস করেছি.....
নুসরাত: না এ হয় না...
আমি: কেনো হয় না,,আমি তোকে ভালোবাসি,,,আর আমি চানি তুইও আমাকে ভালোবাসিস,,বল ভালোবাসিস না আমায়?
নুসরাত: না আমি কাউকে ভালোবাসি না,,আমি তো অনাথ,,তুই একটা অনাথ মেয়েকে কেনো ভালোবাসতে যাবি,,,তুই আমার থেকে আরো ভালো মেয়ে পাবি আমায় তুই ভুলে যা সাকিব,,আমি তোর যোগ্য না...(কান্না করে দিয়ে)
আমি: না আমি জানি তুই আমিকে ভালোবাসিস,,আর আমি শুধু তোকেই চাই,,আর কে বলেছে তুই অনাথ আমি আছি তো তোর বর আমি,,আমিই তোর সব,,,
নুসরাত: কিন্তু সাকি........
ওকে আর কিছু বলতে দিলাম না জড়িয়ে ধরে ওর ঠোটে আমার ঠোট মিশিয়ে গভীর কিস করলাম....
উমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমআআাাআাহহহ
নুসরাত: এটা তুই কি করলি সাকিব,,,(হাপাতে হাপাতে)
আমি: আমার হবু বউকে আমি কিস করেছি,,,,আমি জানি তুই আমাকে ভালোবাসিস নুসরাত শুধু একবার মুখ ফুটে বল ভালোবাসিস আমায়.....
নুসরাত: না আমি তোকে ভালোবাসি না...(কান্না করতে করতে)
আমি: তুই আমায় ভালোবাসিস না তো?ঠিক আছে দাড়া....
বলেই আমি টেবিল থেকে ফল কাটার ছুরি হাতে নিয়ে....বললাম...
তুই যদি আমাকে ভালো না বাসিস তাহলে আমাকে বাচাতে আসবি া...
নুসরাত: সাকিব কি পাগলামি করছিস,,ছিরিটা ফেলে দে..(কান্না স্বরে একটু চেচিয়ে বলল)
আমি: না তুই তো আমাকে ভালোবাসিস া তাহলে আমার জন্য কেনো চিন্তা করিস?
আমি মরলেই বা তোর কি,,,
নুসরাত: সাকিব প্লিজ ছুরিটা ফেলে দে লেগে যাবে তো..?(কান্না করে)
আমি: না তাহলে সত্যিটা বল,,যে তুই আমাকে ভালোবাসিস,,,?
নুসরাত: হ্যা হ্যা আমি তোকে ভালোবাসি,,এবার ছুরিটা ফেলে দে প্লিজ....
ওর কথামত ছুরিটা ফেলে দিয়ে শাহরুক খানের মত দুই হাত দুই দিকে ছরিয়ে দারালাম,,,আর ভাবলাম ও কজলের মত দৌড়ে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার বুকে মুখ লুকাবে....
কিন্তু ও দৌড়ে এসে আমার গালে জোরে এক থাপ্পর মেরে বসলো....
আমার স্টাইলটাই বৃথা হয়ে গেলো...
নুসরাত: কেনো এমন পাগলামি করিস,,,,তুই আমার মনের কথা বুঝিস না,,,তোে কিছু হলে আমি বাচবো কিভাবে,,,(বলেই হু হু করে কেদে দিলো)
আমি: এবার তো আমার বুকে আয়?(গালে হাত দিয়ে ডলতে ডলতে)
ও আমার বুকে এসেও কান্না করছে আর আমার শার্ট ভিজিয়ে দিচ্ছে.......
আমি: এতই যখন ভালোবাসিস তাহলে আগে বলিস নি কেনো?
নুসরাত: আমার মত একটা এতিম মেয়েকে কি চাচা চাচি তুই মেনে নিবি,,?এই ভয়ে তোকে কিছু বলিনি..
আমি: মারবো একটা,,কে বলেছে তুই এতিম?বলরাম না তোর বর আছে,,বাবা আছে মা আছে,,খবরদার আর কখনো ওই কথা বলবি না....
নুসরাত: হু...
আমি: ওকে,,এবার আব্বু আম্মুকে বলে তঁকে বিয়ে করে আমার বউ করার ব্যাবস্থা করতে হবে....
নুসরাত কিছু বললো না,,,,আমার বুকে মুখ লুকিয়ে রইলো,,,
আমি ওর মুখ তুলে আবার ওর ঠোটে আমার ঠোট ডুবিয়ে দিলাম,,,আর দুজনেই ভালোবাসার গভীর সাগরে ডুবে গেলাম..........
চলবে.......
||♥♥ ছোট্ট বেলার সাথী♥♥|| ||md Asad Rahman||
শেষ গল্পের সেই ছেলেটি
সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯
0
||writer|| Md Asad Rahman||
||Kotchandpur|| ||Jhenaidah ||
মিনার শুন না এই মিনার ওই হারামি(ফয়সাল ধাক্কা দিয়ে)
♥ ♥ ♥ ♥ ♥ ♥ ♥ ♥ ♥ ♥ ♥ ♥ ♥ ♥
কি হয়েছে?? >মিনার ভয় পেয়ে
কি ভাবছিস আনমনে >ফয়সাল
কিছু না এমনি>মিনার
কি বলবি বল>মিনার
বলছিলাম আজকে আমার একটা ইন্টারভিউ আছে আমার যেতে হবে তুই কি থাকবি নাকি বের হবি??>ফয়সাল
না আজকে আমার ও ইন্টারভিউ আছে>মিনার মুচকি হেসে
বলিছ কিরে বাব্বু >ফয়সাল
হুম বেব্বি>মিনার
চল তাহলে রেড়ি হয়ে নি>ফয়সাল
তারপর দুই বন্ধু রেড়ি হয়ে বের হয়ে গেল ইন্টারভিউ দিতে।
রিকসা করে গন্তব্যে পৌঁছালো দুইজন।
আমি চলে এসেছি >ফয়সাল
আমি ও চলে এসেছি >মিনার মুচকি হাসি দিয়ে
বেব্বি আজকে যদি দুইজনের চাকরি হয়ে যায় তাহলে রাতে পার্টি করবো সবাই মিলে>ফয়সাল হেসে হেসে
আগে ভিতরে চল>মিনার
দুইজন ভিতরে গেল এক জন এক জন করে ইন্টারভিউ দিল মোট ৬ জন ছিল তার মধ্যে ৩ জনের চাকরি হয়ে গেল......
মিনার আর ফয়সাল খুশি মনে বাসায় ফিরে এলো।
রাতে সবাই মিলে আড্ডা দিচ্ছে..
সবাই বলতে ৪ জন নিপন শাহাদাত সাইদ ফয়সাল আর মিনার
এই ৪ জন এক জন আরেক জনের প্রাণ....
আড্ডা দিয়ে শাহাদাত সাইদ নিপন চলে গেল তাদের বাসায়.....
ফয়সাল ও ঘুমিয়ে যায় আর মিনার জেগে আছে জানালার পাশে বসে ওই নীল আকাশের চাঁদ দেখছে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে মিনার......
হয়তো প্রিয়জনের কথা খুব মনে পড়ছে তাই এই ভাবে অপলকে তাকিয়ে আছে...
মিনার হঠাৎ উঠে টেবিল থেকে ডায়রিটা হাতে নিল সাথে একটা কলম...
আর আনমনে কি যে লিখছে...
কিছুক্ষণ লিখার পর ঘুমিয়ে গেল....
সকাল সকাল ফোন বেজে উঠে..
মিনার কল রিসিভ করে...
ওপাশ থেকে বলে...
স্যার আপনি যে কালকে ইন্টারভিউ দিয়েছেন সেখান থেকে বলছি আপনার জয়েনিং পরশু দিন থেকে শুভ কামনা স্যার......
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ >মিনার
স্যার কালকে আমাদের অফিস এর স্যার এর মেয়ের জন্মদিন তাই স্যার বলেছিল সবাইকে ইনভাইট করতে নতুন পুরাতন সবাই আপনি কালকে বিকেলে অফিসে আসবেন সেখান থেকে সবাইকে নিয়ে যাবে......
আসলে কালকে আমি আসতে পারবো না আমার একটা জরুরি কাজ আছে>মিনার
আচ্ছা সমস্যা নাই স্যার....
ধন্যবাদ >মিনার
তারপর কল কেটে গেল..
মিনার না যাওয়ার কারণ হচ্ছে কালকে তার জীবনের সব চেয়ে কাছের মানুষের জন্মদিন সেই দিনে তার সাথে মিনারের বন্ধুত্ব হয় সেই দিনই তার প্রিয় মানুষটি জীবন থেকে হারিয়ে যায় এর পর থেকে মিনার এই দিনে একটা নদীর পাড়ে সময় কাটায় আর পথশিশু দের সাথে থাকে।
মিনার ছেলেটা খুব অদ্ভুত সব সময় অন্য এর বিপদে হাত বাড়ায় কারো মন খারাপ থাকলে মন ভালো করতে তার এক মিনিট লাগে যতই কিছু হোক না কেন একটাই কথা বলবে চিন্তা করার কিছু নাই সব টিক হয়ে যাবে....
সারাদিন সবাইকে হাসিখুশি রাখা ছেলেটা দিন শেষে ভালো থাকার কারণ খুঁজে পাইনা মাঝে মাঝে খুব মন খারাপ হয় তার কিন্তু কেন হয় সেটা অজানা তার কারণ খুঁজে পাইনা সে কেন এমন হয়।
(আপনাদের জানা থাকলে প্লিজ বলবেন আমার মন খারাপ হলে আমি কোন মতেই কারণ খুঁজে পাইনা প্লিজ জানাবেন)
প্রতিদিনের মত মিনার আজ ও ছাঁদে যাবে কিছুক্ষণ থাকার পর চলে আসবে এটাই তার নিয়ম হয়তো প্রিয়জনকে না দেখার স্বাদটা আকাশের দিকে তাকিয়ে নেই।
পর দিন সকালে মিনার ভোরে ঘুম থেকে উঠে তারপর নামাজে যায় নামাজ পড়ে রওনা দেই গ্রামের উদ্দেশ্য খুব সকাল সকাল পৌঁছে যায়।
সোজা চলে গেল স্কুলের পাশের নদীর পাড়ে সেখানে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর অনেক গুলো ছেলেমেয়ে এসে হাজির ছেলেমেয়ে গুলো যেন মিনারের আসার অপেক্ষায় ছিল ওদের মুখ খুশিতে ভরে উঠল।
দুপুর পর্যন্ত তাদের সাথে ছিল তারপর বাসায় গেল (গ্রামের বাসায়)
মিনারের আম্মু জানে আজ মিনার আসবে যতই বাঁধা আসুক আজকের দিনে মিনার কে আটকে রাখা সম্ভব না।
বিকাল পর্যন্ত বাসায় ছিল তারপর আবার শহরে ফিরে আসে।
রাতে ঘুমানোর আগে ডাইরিটা হতে নিল আজকের দিনের সব কিছু লিখে রাখলো তারপর ঘুমিয়ে গেল।
মিনার মাঝে মাঝে ভাবে যার জন্য আমি আজও অপেক্ষা করছি সে কি আমাকে মনে রেখেছে ওর কি মনে আছে যে কোন এক সময় মিনার নামের কেউ তার জীবনে ছায়ার মত পাশে থাকতো সুখে দুঃখে সব সময় ভরসা দিত মনে আছে কি তার??
পরদিন সকাল বেলা ভোরে মিনার উঠে নামাজ শেষ করে বাসায় ফিরলো হাতে নাস্তা নিয়ে
তারপর ফয়সাল কে ডাক দিল
ফয়সাল ফ্রেশ হয়ে এসে দুজনে নাস্তা সেরে নিল।
আজকে অফিসের প্রথম দিন তাই লেট করা চলবে না।
তারাতাড়ি বেরিয়ে গেল বাসা থেকে কিছুক্ষণের মধ্যেই পৌঁছে যায় অফিসে।
রহিম চাচা (অফিসের পিয়ন)এসে মিনারের ডেস্ক দেখিয়ে দিয়ে চলে গেলেন ফয়সালের ডেস্ক অন্য পাশে..
মিনার নিজের কাজ বুঝে নিয়ে কাজ করতে লাগলো কিছুক্ষণ পর রহিম চাচা আসলেন।
আপনাকে স্যার ডেকেছেন>রহিম চাচা
আচ্ছা চাচা আপনি যান আমি যাচ্ছি>মিনার
রহিম চাচা চলে গেলেন মিনার বসা থেকে উঠে বস এর কেবিনের দিকে হাঁটা ধরলো।
দরজার সামনে যেতেই ভিতর থেকে ফয়সাল বের হলো।
কিরে কি বললেন স্যার>মিনার
কি আর বলবে ভালো করে নিজের মত করে কাজ করতে বললেন>ফয়সাল
ওহ আচ্ছা টিক আছে যা ডেস্কে গিয়ে কাজ কর>মিনার
ফয়সাল চলে গেল মিনার কেবিনের ভিতর গেল।
স্যার আসতে পারি>মিনার
আসুন >বস (পিছন ফিরা অবস্থায়)
স্যার আমায় ডেকেছিলেন>মিনার
হুম বসুন >বস
ওনি পিছন থেকে সামনের দিকে ফিরলেন.....
মিনার তুমি>বস
স্যার আপনি >মিনার অবাক হয়ে
এটা তো আমার অফিস তুমি এই শহরে এসেছো অথছ আমাকে একবার ও বললে না >বস
আসলে স্যার এমনি আর কি>মিনার
কখন আসলে কেমন আছো>বস
স্যার ভালো আছি আসলাম ১ মাস আগে>মিনার
তোমার ফাইলটা আগে দেখিনি না হলে তো আর তোমাকে কষ্ট করে ইন্টারভিউ দিতে হতো না>বস
মিনার উনার কথা শুনে মুচকি হাসছে....
আপনারা হয়তো বুঝেন নাই বস এর সাথে মিনারের পরিচয় কিভাবে তাহলে শুনেন।
আজ থেকে একবছর আগে..
মিস্টার জাফর মানে অফিসের বস মিনারদের গ্রামে গিয়েছিল একটা কাজে সেখান থেকে ফিরার সময় উনার গাড়ি হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যায় মাঝ রাস্তায় ড্রাইভার নেমে গেলেন দেখার জন্য কিন্তু ড্রাইভার সেখান থেকে পালিয়ে যায় আর পিছন থেকে একটা ট্রাক এসে উনার গাড়িতে ধাক্কা দেয় তখন মিস্টার জাফর গাড়ির ভিতরে ছিলেন....
গাড়িটা ধাক্কা দেয়ার ফলে ২-৩ বার উল্টে গিয়ে সামনে পড়ে সেই রাস্তা দিয়ে মিনার যাচ্ছিল হঠাৎ করে মিনারের চোখে পড়ে একটা গাড়ি উল্টে আছে মিনার তাড়াতাড়ি করে গাড়ির কাছে গেল এবং দেখলো কেউ একজন গাড়ির ভিতরে আছে উনাকে বের করে পাশের একটা হসপিটালে নিয়ে যায় উনার অনেক রক্ত এর প্রয়োজন ছিল তাই মিনার নিজে রক্ত দিয়ে উনাকে সেদিন বাঁচিয়ে নেয়...
এরপর উনার জ্ঞান না ফেরা পর্যন্ত মিনার হসপিটালে ছিল.
উনার জ্ঞান ফেরার পর ডাক্তার উনাকে সব খুলে বলে তারপর উনি মিনারের সাথে দেখা করতে চাইলেন পরিচয় হয় মিনারের সাথে অনেক্ক্ষণ কথা বলে উনার সাথে এর মাঝে মিনার উনার মেয়ের নাম্বার নিয়ে কল দিয়ে আসতে বললেন ঠিকানা দিয়ে...
উনার মেয়ে না আসা পর্যন্ত সেখানে ছিল তারপর হঠাৎ করে মিনার ঘড়ির দিকে তাকালো তারপর মিনার মিস্টার জাফর এর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে সেখান থেকে চলে আসে বের হয়ে আসার সময় একটা মেয়ের সাথে ধাক্কা খায় মিনার মেয়েটাকে সরি বলে তারাতাড়ি করে সেখান থেকে চলে গেল মেয়েটা কিচ্ছুক্ষণ মিনারের যাওয়ার দিকে তাকিয়ে ভিতরে চলে গেল.....
এরপর থেকে মিনারের সাথে মিস্টার জাফর এর সাথে মিনারের একটা ভালো সম্পর্ক হয় মাঝে ফোন দিতেন মিস্টার জাফর দেখা ও করছেন দুইবার....
মিনার কি খাবে বল >মিস্টার জাফর
না স্যার কিছু খাবো না>মিনার
মিস্টার জাফর রহিম চাচাকে কল দিয়ে দুইটা কফি দিয়ে যেতে বললেন।
তো তুমি চাকরি করবে সেটা আমাকে বললে তো পারতে>মিস্টার জাফর
না স্যার আপনাকে শুধু শুধু কষ্ট দিতে চাইনি>মিনার
যে আমাকে নতুন জীবন দিয়েছে তার জন্য একটা চাকরি দেয়া আমার জন্য কষ্ট হয়ে যেতো আমি যে তোমার কাছে ঋনি মিনার>মিস্টার জাফর (মিনার এর হাত ধরে
স্যার আমাকে শুধু শুধু লজ্জা দিচ্ছেন ওইটা আমার কর্তব্য ছিল আমি শুধু আমার কর্তব্য পালন করেছি>মিনার
তোমার এই স্যার বলার অভ্যাস টা কবে বদলাবে আজ থেকে আমাকে আন্কেল বলবে নানহয় অনেক খারাপ হবে বলে দিলাম>মিস্টার জাফর
চেষ্টা করবো😘মিনার
ততক্ষণে রহিম চাচা কফি দিয়ে চলে গেলেন কফি খেতে খেতে উনি মিনারের সাথে গল্প করছেন...
কিছুক্ষণ কথা বলার পর মিনার উঠে চলে আসার জন্য ফিরলো হঠাৎ কি মনে করে আবার মিস্টার জাফর এর কাছে গেলেন..
আচ্ছা সেদিনের ঘটনাটি কিভাবে হয়েছিল জানা হয়নি কিন্তু😘মিনার
সবি আমার ভাগ্য এর দোষ মিনার>মিস্টার জাফর
সেটা বুঝলাম কিন্তু আপনি যে রোড়ে এক্সিডেন্ট হয়েছিলেন সেই রোড় দিয়ে কোন গাড়ি তেমন চলাচল করে না রাস্তাটা বলতে গেলে প্রায় বন্ধ আপনাদের কেউ বলেনি সেই রোড় দিয়ে না যেতে😘মিনার
মানা করেছিল কিন্তু ড্রাইভার বলেছিল ওই রোড় দিয়ে সহজে শহরে পৌঁছে যাবো তাই ওই রোড় দিয়ে যাওয়া>মিস্টার জাফর
আপনার ড্রাইভার কেন এমন করলো জানেন কিছু>মিনার
না শুধু এইটুকু জানি..................😍
চলবে...........😍
আগে মত গল্প লেখা হয় না..
তাই কেউ এখন সাথে নেই সেটা জানি তারপর ও লিখলাম...😍
সকলে নামাজ আদায় করুন😍😍
রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
||😘😘😘😘মাস্তান মেয়ের প্রেমে😘😘😘||
শেষ গল্পের সেই ছেলেটি
সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৯
0
||😘😘মাস্তান মেয়ের প্রেমে😘😘||
||Part-2||
||writer:Md Asad Rahman||
আমিঃআরে শোন কোথায় যাচ্ছিস? শোন যারা ভয় পায় তারা হলো ভিতুর ডিম।ভয় পেলে চলবে নাকি।এই যে আমাকে দেখ।আমার মাঝে কোনো ভয় নেই।
এই কথা বলে.......😘আমি কাদতে লাগলাম
রাসেলঃকিরে কি হইছে তোর কাঁদছিস কেন?
আমিঃজানিস আমার মা-বাবা,,😘ভাই - বোন সবাই মারা যাওয়ার পর আমার ভয় বলতে আর কিছু নাই।ভয় নামের এই শব্দটা এখন আমার কাছে
অর্থহীন।
তারপর তাকিয়ে দেখি রাসেল কান্না করছে।
আমিঃকিরে তুই কাঁদছিস কেন?তোর আবার কি হলো?
রাসেলঃনা ,, 😘দোস্ত। এমনিতেই তোর মা-বাবার কথা শুনে আমার মা-বাবার কথা মনে পড়ে গেল।তাই চোখের পানি চলে আসছে।অনেকদিন তাদের দেখি না তো,, তাই আর কি.....😘
আমিঃওহ আচ্ছা।
রাসেলঃচল আজকে আর ক্লাস করব না।চল.....😘
আমিঃআচ্ছা চল।
তারপর রাসেলের সাথে অনেকক্ষণ থাকার পর বাসায় চলে আসলাম।আর মেসের এক বড় ভাই আমার জন্য দুইটা টিউশনি ঠিক করল।
তারা বলল যে আজ থেকে নাকি শুরু করতে...😘
তাই আমি একটার মধ্যে করাতে গেলাম।সেখানে দেখি ইন্টার 1st year এর একটা মেয়ে।নাম তানিয়া।
তারপর তাকে পড়ানোর পর আমি ২য় টার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।
পৌঁছানোর পর কলিংবেলে চাপ দিলাম।দেখলাম একটা মার বয়সি এক মহিলা এসে দরজা টা খুলল,,😘তারপর আমি সালাম দিলাম।
সালাম দেওয়ার পর মহিলাটা আমাকে একটা ঘরের মধ্যে নিয়ে গেলেন।তারপর একটা ছেলে ও একটা মেয়েকে পড়াতে বললেন।
আমি প্রথম দিন গিয়ে তাদের নাম জিজ্ঞেস করে
পড়াতে লাগলাম।
মেয়েটার নাম মিম।আর ছেলেটার নাম মাসুম।
তারপর তাদের ১ম দিন একটু ভালোভাবে পড়িয়ে বাসার দিকে রওনা দিলাম।
এভাবে আমার দিনগুলো কাটতে লাগল।ভার্সিটিতে গেলে মুনিয়া যেন আমার সামনে না পড়ে সে ভয়ে একটু সাবধানে চলি।
একদিন তানিয়াকে প্রাইভেট পড়ানোর পর মিমদের বাসায় প্রাইভেট পড়ানোর জন্য গেলাম।
গিয়ে কলিং বেল এ চাপ দিলাম।তারপর মিম এসে দরজা খুলল।হঠাৎ কোথা থেকে যেন.........😘😘😘😘😘😘😘
Wait For Next PaRt..........
শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
বস এখন বউ
শেষ গল্পের সেই ছেলেটি
সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৯
0
||writer:Md Asad Rahman||
||Jhenaidah||kotchandpur||
ম্যাডাম দরজা বন্ধ করে দিয়ে রাগিভাব
নিয়ে আমার দিকে এগিয়ে আসছে।
'
=> কি হলো ম্যাডাম আপনি এভাবে আমার
দিকে এগিয়ে আসছেন কেনো?
=> ওই তুই কি ভাবিস নিজেকে রে তুই কি
হিরো?
=> নাতো আমি হিরো হতে যাবো কেনো?
=> তাহলে তুই বিয়েটা ভেংগে দিলি
কেনো?
=> আমি এখন বিয়ে করতে চাই না তাই।
=> বিয়ে করতে চাসনা মানে? এই তুই বিয়ে
করবিনা কেনো হ্যা?
=> দেখুন ম্যাডাম,,,,,,,
=> একদম চুপ কর কোনো কথা বলবিনা তুই, যা
বলার আমি বলবো। কি নেই আমার বল, কি
নেই। কতোটা ভালোবাসি তোকে আমি তুই
জানিস? তুই রাইমার সাথে কথা বলিস আর
আমি আরাল থেকে দেখে কাঁদি কেনো?
তোকে আমি ভালোবাসার কথা বললাম তুই
আমায় না করে দিলি কেনো? তোকে
রাইমার সাথে কথাবলতে নিষেধ করেছি
তারপরেও তুই বলিশ আর আমি বাসায় গিয়ে
কাঁদি কেনো? বিভিন্ন ছলনায় আমি তোর
সাথে শুধু একটু কথা বলি কেনো? কাজ না
থাকা সত্যেও তোকে শুধু একটু দেখার জন্য
তোর সাথে একটু কথা বলার জন্য আমি
তোকে আমার রুমে ডাকি কেনো? তোকে
নিয়ে ভেবেই আমার রাতটা কেটে যায়
কেনো? তোর দেওয়া কষ্টগুলোকে আমি
ভালোবাসা ভেবে ভুলে যাই কেনো? জবাব
আছে তোর কাছে এগুলোর? থাকলে উত্তর
দে?
=> ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
=> আমি তোকে অন্য কোনো মেয়ের সাথে
দেখলে সয্য করতে পারিনা, কারন আমি
তোকে মন থেকে ভালোবেসেছি। অনেক
স্বপ্ন দেখেছি আমি তোকে নিয়ে। আমার
ভাবনায় শুধু থাকিস তুই,কেনো তুমি বোঝনা
কতোটা ভালোবাসি আমি তোমায়।
=>,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
=> তুমি কি ভাবো আমার মন নেই? আমি
মানুষের সাথে ভালোভাবে কথা বলিনা,
আমি আমার বাবার টাকার গরম দেখাই,
আমি অন্যদের বকি রাগ হই তাইতো?
=>,,,,,,,,,,,,
=> তুমি কি ভাবো আমার ভালোবাসাটা
অভিনয় তাইনা? আরে আমার ভালোবাসা
যদি অভিনয় হতো তাহলে আমি তোমার
জন্য এমডির পদ ছেড়ে দিয়ে সাধারন একজন
কর্মচারী হয়ে এই অফিসে চাকরি করতাম
না, আমার বাবাকে আমি রিকুয়েস্ট করতাম
না যে প্লিজ বাবা মনিরকে তুমি ফিরিয়ে
আনো। একবার তোমাকে দেখার জন্য মনটা
ছটফট করতো না। তোমাকে যে কষ্টগুলো
দিয়েছি সেই একি কষ্ট আমি নিজে শইতাম
না। তোমার সাথে কথা না বলে আমি
ঘুমাতে পারতাম না তাই অপিচিত নাম্বার
দিয়ে তোমায় আমি ফোন দেই তোমার
সাথে একটু কথা বলার জন্য। তোমাকে আমি
ভালো না বাসলে আমার নির্ঘুমরাতগুলোর
কারন তুমি হতে না। অভিনয়টা আমি
শিখিনি মনির তাই অভিনয়টা আমি করতে
পারিনা। এই মন থেকে তোমায় অনেক
ভালোবেসেছি। আমি প্রতিদিন অফিসে
আসার সময় তোমাকে পিক করতাম কারন
আমি তোমার সাথে একটু একাকি সময়
কাটাতে চেয়েছি। তোমায় আমি বন্ধু
বানিয়েছি কার আমি তোমার সাথে
থাকতে চেয়েছি। আজ আমার
ভালোবাসাটাই হেরে গেলো। আমার
ভালোবাসায় হয়তো কোনো ঘাটতি ছিলো,
হয়তো আমি তোমায় বোঝাতে পারিনি
আমার ভালোবাসাটা। আমি দুঃখিত, আমি
তোমার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি তোমার ওপর
আমার অধিকার ফলানোর জন্য আমি ক্ষমা
চাচ্ছি, আমি তোমার ইচ্ছাটা না বুঝেই
আমার বাবাকে তোমাদের বাসায় বিয়ের
কথা নিয়ে পাঠানোর জন্য। আমি আর
তোমার ওপর কোনো অধিকার দেখাবো,
কোনোদিন বলবো না মনির তুমি শুধু আমার,
বলবনা মনির আমি তোমায় অনেক
ভালোবাসি। তুমি যার সাথে খুশি কথা
বলো যে কাউকে ভালোবাসো আমি আর
কিছুই বলবোনা। কারন আমার
ভালোবাসাটা আমার মন থেকেই মরে
গেছে মনির। আজ আমি হেরে গেছি
ভালোবাসার কাছে। কখনো
ভালোবাসিনি কাউকে, প্রথম কাউকে
ভালোবাসলাম আর তার কাছেই আমি
হেরে গেলাম। আমার মন বলতে কিছু নেই,
আমি ভালোবাসতে জানিনা।
=> ম্যাডাম,,,,,,
=> প্লিজ আমায় কিছু বলোনা, তুমি এখন
খুশিতো? আমি এখন আর তোমায় ডিস্টার্ব
করবো না আর তোমায় জ্বালাবো না।
=> ম্যাডাম আমার কথা,,,,,,,,,,,,,
=> প্লিজ আমি এখন কোনো কথা শুনতে
চাইনা তুমি যাও এখন এখান থেকে আমি
একটু একা থাকতে চাই।
=> আচ্ছা ঠিক আছে ম্যাডাম আমি তাহলে
পরে আসবো।
=> আজকে তুমি আর আমার সামনে না
আসলেই খুশি হবো।
=> জ্বি ম্যাডাম।
'
আমি বাইরে আসলাম। ম্যাডাম অনেক
কান্না করেছে। চোখগুলো ফুলে গেছে।
নিজেকে খুব দোষী মনে হচ্ছে এখন। যাকে
আমি সত্যি ভালোবাসলাম সে আমায়
ধোকা দিলো আর যাকে আমি
ভালোবাসতে চাইলাম না সে আমাকে
এতোটা ভালোবাসে। বাইরে সবাই
দারিয়ে আছে কি যেনো বলাবলি
করতেছে। আমি সেসবে কান না দিয়ে
আমার ডেস্কে চলে গেলাম। আমার
ভালোবাসা আজ পেয়েও হারালাম। আমি
কখনো বুঝিনি যে মিতু ম্যাডাম আমায়
এতোটা ভালোবাসবে। আমি শুধু মিতু
ম্যাডামকে ভুল বুঝেছি আর উনি আমায় শুধু
ভালোবেসে গেছে। আমি শুধু মিতু
ম্যাডামের ওপরটাই দেখলাম কিন্তু
ভেতরটা দেখলাম না। অনেক কষ্ট পেয়েছে
মিতু ম্যাডাম আমার জন্য। না আমি আমার
সত্যি ভালোবাসা আর হারাতে দেবোনা।
আমার ভালোবাসা আমাকেই জয় করতে
হবে। এসব ভাবতে ভাবতে রাইমা আমার
ডেস্কে আসলো।
'
=> মনির তুমি কান্না করতেছো?
=> আরে না ও কিছুনা।
=> কি হয়েছে বলো, ম্যাডাম কি কিছু
বলেছে তোমায়?
=> না,
=> তাহলে? বন্ধু হিসেবে কি আমি এতোটাই
খারাপ যে আমাকে বলা যাবে না?
=> আরে না তা না, আসলে আমি আমার
ভালোবাসা হারিয়ে ফেললাম।
=> মানে?
=> যাকে আমি মন থেকে ভালোবাসলাম
সে আমাকে ধোকা দিয়েছে আর যাকে
আমি ভালোইবাসলাম না সে আমাকে
পাগলের মতো ভালোবাসে।
=> আমাকে কি খুলে বলবে?
=> মিতু ম্যাডাম আমায় অনেক ভালোবাসে
রাইমা। আমি ওনাকে বুঝতে পারিনি।
আমি শুধু ওনার ওপরটাই দেখেছি কিন্তু
মনটা দেখিনি। খুব ভালোবাসে আমায়
উনি।
=> তো ভালোবাসলে তুমি
ভালোবাসতেছোনা কেনো?
=> এখন যে আমি চাইলেও আর পারছি না।
কারন আমি অনেক বড় একটা ভুল করে
ফেলেছি যেটার ক্ষমার যোগ্য আমি না।
আমার এখন মিতুর সামনে যেতেও লজ্জা
লাগে।
=> তুমি আমায় আগে পুরো কাহিনী খুলে
বলো যে কি হয়েছে।
'
আমি রাইমাকে সব কাহিনী খুলে বললাম।
'
=> হুম,এই সমস্যা, তুমিতো ভুল করেছোই।
=> হ্যা রাইমা অনেক ভুল করেছি আমি।
=> কিন্তু তুমি এখন ম্যাডামকে মানাও?
=> মানবেনা উনি কেননা উনি আমায় ভুলে
গেছে।
=> মনির যাকে মন থেকে ভালোবাসা যায়
তাকে ভুলে যাওয়া অনেক কঠিন। ম্যাডাম
তোমায় ভুলে যায়নি তোমার ওপর শুধু
অভিমান করে আছে। তুমি ম্যাডামের
অভিমানটা দুর করে দাও দেখবা ম্যাডাম
তোমায় ভালোবাসবে।
=> কিন্তু কিভাবে ?
=> আমি আছিতো আমি সব ঠিক করে
দেবো।তুমি কোনো চিন্তাই করোনা বন্ধু।
আমি ভালোকরেই বুঝি একটা মেয়ে কিসে
খুশি আর কিসে অখুশি।
=> ধন্যবাদ রাইমা, অনেক ভালো বন্ধু তুমি
আমার।
=> হুম এবার একটু হাসি দিয়ে কাজ করো।
'
রাইমা চলে গেলো আমি কাজে মন দিলাম।
সারাদিন একবারো ম্যাডামের রুমে
যাইনি। আমি অফিসের কাজ শেষ করে
বাসায় গেলাম। বাসায় গিয়ে দেখি বাবা
মা বসে আছে। আমার সাথে কোনো কথা
বলছে না। আমি রুমে গিয়ে ফ্রেস হয়ে
বাইরে আসলাম।
'
=> বাবা?
=> কি হয়েছে তারাতারি বল আমার কাজ
আছে।
=> বাবা আমি বিয়ে করতে চাই।
=> হুম, কর তোর রুমেতো মেয়ের ফটো রাখা
আছে যাকে পছন্দ হয় বিয়ে করে নে।
=> বাবা আমি মিতুকে বিয়ে করতে চাই।
=> কি বললি?
=> আমি মিতুকে বিয়ে করতে চাই।
=> এই তুমি কোথায় গেলে রে আমার
স্যান্ডেলটা নিয়ে আসোতো, হারামজাদা
যখন বিয়ে ঠিক করলাম তখন বিয়ে করবে না
আর এখন মানা করে দেওয়ার পর বলছে ওকেই
বিয়ে করবে। দুর হ আমার চোখের সামনে
থেকে।
=> কিন্তু বাবা,,,
=> তুই দারা ওখানে,,,,,
'
আমি পাগল নাকি যে ওখানে দারিয়ে
থাকবো? দিছি এক দৌড় বাইরে এসে বসে
একটু দম ফেরাচ্ছি। না এভাবে হবেনা,
যেভাবেই হোক সবাইকে পটাতে হবে। ওরে
মিতু ম্যাডামরে তুমি আমাকে বিয়ে করার
জন্য শুধু তোমার বাবাকে পটাইছো। আর
আমার এখন সবাইকে পটাতে হচ্ছে।না আর
পারছিনা, বুদ্ধি বের করতেই হবে। স্যার
আমাকে অনেক ভালোবাসে,স্যারকে বললে
সমস্যা সমাধান হতে পারে। চললাম আমি
স্যারের বাসার দিকে,,,,,,,,,,,,,,,

শহরের মেয়ে না গ্রাম্য মেয়ে*ই বিয়ে করবো
শেষ গল্পের সেই ছেলেটি
সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৯
0
||লেখক👉মোঃআসাদ রহমান||
||কোটচাঁদপুর||♥||ঝিনাইদহ||
(গল্পের প্রধান চরিত্রে আছেন আব্দুর রহমার অপূর্ব আর সিনথীয়া
সাবিহা)
অপূর্বঃ মা এইবার দয়া করে বন্ধ কর।আমি এইবার সত্যিই সত্যিই
পাগল হয়ে যাবো।
অপূর্বের মাঃআমি ও বিয়ে কর বিয়ে কর বলতে বলতে পাগল হয়ে
যাবো।(নাস্তা দিতে দিতে বললো)
অপূর্বঃআমাকে একটু শান্তিতে খেতে দেও.... (নাস্তা হাতে
নিয়ে বললো)
অপূর্বেরর বাবাঃ তোকে কতোবার বলছি,, আমাদের জন্য একটা
মেয়ে এনে দেওয়ার জন্য।(চেয়ার টেনে বসতে কথাটা বললো)
অপূর্বঃ বাবা তুমি ও শুরু করছো? আর শুন তোমার মেয়ে প্রয়োজন
মাকে বলতে,, মা তাঁর সতীনের মেয়ে নিজেই খুজে বের করতো।
মাঃ পাজিল ছেলে,, তুই আমার ঘরে সতীনের মেয়ে আনতে
চাইছিস?
অপূর্বঃ আমাকে পাজিল বলছো কেন? বাবাই তো বলছে ওর জন্য
মেয়ে আনতে?
বাবাঃ বাদর ছেলে,, তোকে বিয়ে করিয়ে এইবাড়ীতে একটা
মেয়ে আনবো ঐটাই বলছি!!
।
অপূর্বঃ বাবা আমি এখন বিয়ে করতে পারবোনা।
বাবাঃ এসব বললে হবেনা...আমার এক বন্ধুর মেয়েকে পছন্দ করে
রেখেছি।তোর সাথেই ওর বিয়ে হবে।
মাঃ আর শুন আজকে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে আসবি। তোর সাথে
ভালো মানাবে।
অপূর্বঃ তাঁর মানে মেয়েটা শহরের....
বাবাঃ মেয়েটা খুবই ভালো....
অপূর্বঃ শুন মা -বাবা..তোমরা যতই ভালো মেয়ে ঠিক করোনা
কেন শহরের মেয়েকে বিয়ে করবোনা।
মাঃ কেন?শহরের মেয়ে তোকে কি করছে?
বাবাঃ বিদেশি মেয়ে কি বিয়ে করবি নাকি?নাকি তোর
পছন্দ আছে?
অপূর্বঃ শ শহের র মে মেয়ে আ আমাকে আবার কি করবে।আর বাবা
আমার কোন পছন্দ নেই।তবে শহরের মেয়ে আমি বিয়ে করবোনা।
করলে গ্রামের মেয়েই বিয়ে করবো।(একসাথে সবগুলো কথা বলে
হাপাতে লাগলো)
মাঃ কিরে তোর আবার কি হইছে?
অপূর্বঃ কি কিছুনা....(বলে নাস্তা টেবিল থেকে উঠি
দাড়ালো)
।
বাবাঃ আর যাই বলিস না কেন?কালকের জন্য ছুটি আনবি,
সাবিহাদের বাসায় যাবো।মনে থাকে যেন?
অপূর্বঃ সা সাবিহা.... সাবিহা নামের কাউকেই কোনোদিন
বিয়ে করবো না।(বলে হাটতে লাগলো)
মাঃবাদর ছেলে শুনে যা...তুই যদি কালকের জন্য ছুটি না আনিস।
আর সাবিহাকে বিয়ে না করিস তাহলে তোর এই বাড়ীতে
জায়গায় নেই।
অপূর্বঃ প্রয়োজনে তাই হবে।তারপরে ও সাবিহা নামের
কাউকেই বিয়ে করবোনা। আল্লাহ্ হাফেজ।
মাঃ তোমার ছেলে যদি বিয়ে না করে....(অপূর্ব বেরিয়ে
যাওয়ার পরে)
বাবাঃ বললেই হলো..ও বিয়ে না করলে ওর বাপ করবে।
মাঃ(রেগে গিয়ে) কি বললে....
বাবাঃ না মানে....সেটা বলতে চাইছিনা। ওর যাতে বিয়ে
করে সেই ব্যবস্থা করতেছি।
।
মাঃ কি করবা একটু বলোতো....
বাবাঃগল্পের প্রথমে বললে,,, শেষে মজা থাকবেনা।এই দিগে
আসো আস্তে করে বলি।
মাঃ ভালো আইডিয়া.....
অপূর্বঃ দোস্ত আর ভালো লাগেনা(বন্ধুর কাছে কল দিয়ে)
আকাশঃ দোস্ত কি আর করবি। আন্টি আঙ্কেল যা বলে তাই শুন...!!
অপূর্বঃ দোস্ত তুই ও...আরে দোস্ত মেয়ে যদি শহরের না হতো
তাহলে আমি নাচতে নাচতে বিয়ে করতাম।
আকাশঃ কিহহহহ্
অপূর্বঃ না মানে.....বলছি দোস্ত আমি শহরের মেয়েই বিয়ে
করবোনা।
আকাশঃ কেনরে....?
অপূর্বঃ আমি গ্রামের মেয়ে বিয়ে করবো।কালকে মেয়ে
দেখতে যেতে হবে।দোস্ত পছন্দ হলেও বিয়ে করতে।
পছন্দ না হলেও করতে হবে।
আকাশঃ দোস্ত একটা কথা ভুলে গেছি।কিছুদিন পরে আমার
চাচাতো বোনের বিয়ে আমি কালকে গ্রামের বাড়ীতে
যাবো।
তুই চাইলে আমার সাথে কালকে যেতে পারিস।তাহলে আর
তোকে মেয়ে দেখতে যেতে হবেনা।আর কয়েকদিন বিয়ে নামক
শব্দটাও শুনতে হবেনা।
অপূর্বঃ দোস্ত তোকে কি বলবো বুঝতে পারছিনা।তবে কালকে
না আজকেই যাবো।
আকাশঃ কিন্তু বাড়ীতে কি বলে যাবি??
অপূর্বঃ এখন কাউকে কিছুই বলবোনা। আর এখন তুই আমার অফিসের
সামনে আয়। আমি অফিস থেকে ছুটি নিচ্ছি,,তারপরে মার্কেটে
গিয়ে আমার পোশাক কিনে,গ্রামের ঊদ্দেশ্য বেরিয়ে পড়বো।
আর গ্রামে গিয়ে মা বাবাকে বলবো।
।
আকাশঃ গুড আইডিয়া...ওকে দোস্ত ১০ মিনিটের মধ্যে
আসতেছি..!!
অপূর্বঃ ওকে তাড়াতাড়ি আয়।।
।
আকাশঃ দোস্ত তোর জন্য গ্রামে মেয়ে দেখে বিয়ে ঠিক করে
আসবো।
অপূর্বঃপরেরটা পরে দেখা যাবে।সন্ধ্যাতো হয়ে যাচ্ছে আর
কতোক্ষন লাগবে।তোদের বাড়ী পৌছাতে?
অাকাশঃ দোস্ত ঐ তো আমাদের বাড়ী দেখা যাচ্ছে চলতো
ভিতরে....
অপূর্বঃ দোস্ত এটা তোদের বাড়ী....
আকাশঃ হুম...কেন পছন্দ হয়না....
অপূর্বঃ আগে ভিতরে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে বিশ্রাম নেই পরে বলবো।
।
আকাশঃ কেমন দেখলি আমার মা বাবাকে?(সবার সাথে কথা
বলে রুমে আসার পরে)
অপূর্বঃ দোস্ত সবাই কিন্তু খুব ভালো রে....
আকাশঃ দোস্ত চলতো... আমার সাথে ফ্রেশ হতে যাবি..এমনি
কারেন্টটা চলে গেছে।
অপূর্বঃওকে যা.. আমি আসতেছি...??
আকাশঃ দোস্ত তুই কই(বাহিরে হাটাতে গিয়ে পিছনে
তাকিয়ে)
অপূর্বঃ (বাহিরে বের হতে) দোস্ত আ... বলার আগে কে জেনো মুখ
চেপে নিয়ে গেছে।
।
সিনথীয়াঃ হা করে কি দেখছো?
অপূর্বঃ (মুখ থেকে হাত সরিয়ে)কে আপনি?
সিনথীয়াঃ আমাকে চিনতে পারছো না।আমি তোমার বউ..!!
অপূর্বঃ ব বউ..মা মানে....

||একটি মিষ্টি ভালোবাসার গল্প||
শেষ গল্পের সেই ছেলেটি
সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৯
0
||একটি মিষ্টি ভালোবাসার গল্প||
||writer:Md Asad Rahman||
||Jhenaidah||kotchandpur||
||website:asadrahman°xyz||
আমি : তোর ঠোঁট সবসময় শুকনো থাকে ক্যান ???
নীলা : মানে কি বলতে চাস তুই ???
আমি : আরে রাগ করিস ক্যান ???
নীলা : না তুই কি বললি , আবার বল ।
আমি : না মানে তোর ঠোঁট সবসময় শুকনো থাকে তাই , বললাম লিপস্টিক ছাড়া আরকি ।
নীলা : তুই কি অন্য কিছু মিন করেছিস ???
আমি : আরে নাহ গাধী , আমি এমনি বললাম ।
নীলা : এই দুই ঘণ্টা যাবত বসিয়ে রেখেছিস কি এই কথা বলার জন্য ???
আমি : তুই এত্ত বেরসিক কেনরে ???
নীলা : আমি এরকমি বুজলাম চাদু না বুঝলে চল ফুট ।
আমি : আচ্ছা তোর কখনও শীতের সকালে লালপাড়ের সাদা শাড়ি পরে হাঁটতে ইচ্ছে করে না , খোঁপায় বেলি ফুল , হাত ভর্তি নীল কাচের চুড়ি , ঠোঁটে গোলাপি লিপস্টিক , কানের দুলটা না হয় আমি পড়িয়ে দিলাম ।
নীলা : হইছে তোর কথা , আমি চললাম ।
আমি : সত্যিই চলে যাবি ???
নীলা : না কুতকুত খেলব ।
আমি : রাগিস কেনরে ???
নীলা : তোর মত পাগলের কথা শুনে কি আমি হাসবো ???
আমি : আচ্ছা যা , তোকে মনে হয় ডিস্টার্ব করলাম ।
নীলা : সত্যিই যাব ???
আমি : হমমম যা , আর আসিস না ।
নীলা : ওলে আমার গুলুগুলু লে রাগ করেনা বাবু ।
আমি : যেতে বলছি যা , বেশি বকবক করবি না
নীলা : একশোবার করবো , তোর কি ???
আমি : -----------
নীলা : কিরে কি হলো ???
আমি : ------------
নীলা : আচ্ছা বাবা সরি , এইযে তোর পাশে বসলাম বল কি বলবি ???
আমি : মুড নেই বলবার ।
নীলা : এহহ আইছেরে মুডওয়ালা , তুই বল ???
আমি : কি বলব ???
নীলা : যে জন্য ডেকেছিস ???
আমি : লজ্জা করছে , আজ না কাল ।
নীলা : এই তুই কি মেয়ে মানুষ যে তোর লজ্জা করে , আর একমাস ধরে তুই আজ না কাল আজ না কাল বলছিস , আজকে বল নইলে তোর সাথে কোনদিন কথা বলবো না ।
আমি : এই না নীলা এমন করিস না আমি থাকতে পারবো না কথা না বলে ।
নীলা : তাহলে বল ???
আমি : আচ্ছা থামেক বলছি ।
নীলা : হমমম
আমি : হইত গোলাপের পাপড়ি গুলো শুকিয়ে যাবে , কিন্তু ভালোবাসা সতেজ থাকবে , বাসবে কি ভালো একবার ???
নীলা : এই কথাটা বলতে এতদিন সময় লাগে ???
আমি : তারমানে ।
নীলা : হমমমরে গাধা আমিও তোকে ভালবাসি
আমি : তাহলে তো হয়ে গেল ।
নীলা : কি ???
আমি : আই লাভ উ
নীলা : আই লাভ উ টু
💞বেঁচে থাকুক সবার ভালোবাসা 💞
বিঃদ্রঃ ভুল আছে কোথায়, সেইটা আমাকে দেখিয়ে দিবেন,কেউ খারাপ কমেন্ট করবেন না। 

||ছায়াময় || 😍||লেখকঃ মোঃআসাদ রহমান ||
শেষ গল্পের সেই ছেলেটি
সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৯
0
||লেখকঃমোঃআসাদ রহমান ||
||ঝিনাইদহ||কোটচাঁদপুর||
||গল্প:
ছায়াময়||
লেখক: Parvej Imran( প্রহর )
সামনে বিশাল দীঘি। তার চারপাশে অনেক ছোট ছোট ছাউনি দিয়ে বসার জন্য সুন্দর ব্যবস্থা করা হয়েছে পার্কের ভেতর। কাপলরা দখল করে রেখেছে তার বেশির ভাগটা। আমি রয়েছি তার একটাতে। পাশের সিটে বাসানোর কাউকে পাইনি আজও। তবে চেষ্টায় আছি। এখানে আসছি আপাতত সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে। বা দিক টায় আমার জানে যিগার বন্ধু রণ তার গার্ল ফ্রেন্ড নিয়ে চুটিয়ে প্রেম করছে। বাদাম ওয়ালার কাছে পাঁচ টাকার বাদাম চাইতে এক ঝাড়ি খাইলাম। বলে পাঁচ টাকার হয়না। বাধ্য হয়ে দশ টাকার নিলাম। শালা বাইরে থেকে পাঁচ টাকার কিনলে এর থেকে বেশি দিত। গুন গুন করে গান গাইতেছি। এদিক আবার বাদাম শেষ। টাইম কাটাতে হাটতে লাগলাম। কি রোমান্টিক সিন চলছে রে সব খানে.....
কবে আইবো আমার পালারে........
গান টা মনে পড়ছে খুব। পার্কের গেটে চোখ পড়তে চেনা কাউকে দেখতে পেলাম। চোখের শার্পনেস খুব বেশি না। তাই কাছে না আসা পর্যন্ত তাকিয়ে থাকলাম। রুপ, ওর বোন আর দুলাভাই। রুপের আর একটা পরিচয় আছে অবশ্য। "কেয়ারটেকার "....
আমি বলি। আমার উপর ওর এক্সট্রা কেয়ার এর জন্য। না দেখার ভাব করে পিছন ফিরে একটা টোং এ বসে পড়লাম। আড় চোখে দেখলাম বোন দুলাভাইয়ের সাথে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। যাক ভালই হল। আবার মেয়ে দেখায় মন দিলাম। কিন্তু লাভ কি? সবাই তার বিএফ এর সাথে ব্যস্ত। কিছুক্ষন পরই দেখলাম একটা সিংগেল আপুকে। এদিক ওদিক করে কাকে যেন খুজতেছে। চান্স নিলাম.....
- হাই...
- আমাকে বলছেন?
- জি আপনাকে!
- হ্যা বলেন....
- কাউকে খুজছেন?
> হ্যা খুঁজছে ( পেছন থেকে কেউ আমার কান ধরে বলল কথাটা )
- আউ........... কে?????
> আবার শুরু করেছিস না?
- তুই??? দিলি তো ইজ্জতের ফালুদা করে। মেয়েটাকে পটাচ্ছিলাম। চলে গেল......
> তুই কি বদলাবি না?
- তাইলে আমার সাথে প্রেম কর!
> তোর সাথে কোন মেয়ে প্রেম করবে বল?
- কেন? আমি দেখতে খারাপ?
> না.... তবে তুই অনেক কেয়ারলেস, টাইম সেন্স নাই, কোথায় কিভাবে চলতে হবে বুঝিস না, কার সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় জানিস না, আর মেয়ে দেখলে তো কথাই নেই.......
- বাআ........প রে!
> বাপ না ডেকে একটু সিরিয়াস হ...
- আচ্ছা হলাম।
> এখানে কেন আসছিস?
- যেভাবে দাড়িয়ে আছিস সেভাবে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে দাড়া।
> হুম দাড়ালাম....
- কিছু দেখতে পাচ্ছিস?
> না তো...
দু পা সামনে গিয়ে রুপের পেছন থেকে কোমড় ধরে উচু করলাম ওকে।
- এখন দেখতে পাস?
> হুম....
- কি?
তখনি ও পা ছুড়তে শুরু করল.....
- ছাড় আমাকে....
ওমনি ছেড়ে দিলাম। ধপাস করে পড়ল আমার সামনে।
> এটা কি হল?
- তুই তো বললি ছেড়ে দিতে!
> ছেড়ে দিতে বলছি, ফেলে দিতে না। মাগো গেলাম.......
- হাত দে...
> দুর হ....
- কি দেখলি ওপাশে?
> রণ আর ওর জিএফ......
- কি করে ঝোপের ও পাশে?
> ওইটা ওদের ব্যাপার তোর কি?
- কবে আইবো আমার পালারে......
রুপ আমার দিকে চোখ কুচকে তাকালো। ওর এই লুক টা আমি ভয় পাই। আক্রমনাত্বক...... যে কোন সময় হামলা হতে পারে। আগেই সরি বলে ওর হাত ধরে ফেললাম।
- বাহ এদিকে দেখি শুটিং চলতেছে!
রণরা যে কখন পেছেনে এসে দাড়িয়েছে খেয়াল করিনি....
- তোদের প্রেম করা শেষ?
- প্রমির বাসা থেকে ফোন আসছে যেতে হবে। দোস্ত কিছু মনে করিস না তুই এখানে থাক আমি ওকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে তোকে নিয়ে যাব।
- তার দরকার নাই আপনি যান.....
;
শালা বেঈমান, জিএফ এর জন্য বন্ধুকে ফেলে রেখে চলে গেল।
- আমি গেলাম.....
- ওই রুপ শোন...
- আপু বকবে...
বা রে কেউ পাত্তাই দিচ্ছেনা?
কপোত-কপোতীদের গুষ্টি উদ্ধার করতে করতে বেরিয়ে পড়লাম পার্ক থেকে। রিক্সা করে বাড়ি। শার্ট খোলার সময় খেয়াল করলাম মেয়েলী পারফিউম এর গন্ধ আসছে শার্ট থেকে। তখন রুপকে উঁচু করে ধরছিলাম সেটাই। উপরে উপরে যতই না না বলুক আমি জানি ও আমাকে পছন্দ করে। কিন্তু আমি যে কত বার ওকে প্রপোজ করলাম তবুও না করে। কখনও উত্তর না দিয়ে চলে যায়। ভাবতে ভাবতেই ফোন এল ওর...
- জী বলেন...
- কি করছিলি?
- আপনার কথাই ভাবছিলাম।
- মিথ্যা বলাটা তোর অভ্যাস এ পরিনত হইছে।
- তোর বিশ্বাস না হলে পাবলিক দের কাছে জি গা.....
- কাল কলেজে যাওয়ার সময় আমাকে নিয়ে যাস...
- ওক্কে...
- বাই...
;
- কি রে হেটে হেটে কলেজ যাবি নাকি?
- হা প্রবলেম হচ্ছে তোর?
- প্রবলেম কেন হবে? সুন্দরীদের সাথে হাটা তো ভাগ্যের ব্যাপার!
- তাইলে হাটতে থাক....
- এত দুর? ক্লাস পাব না আজ।
- আজ ক্লাস করব না...
- তাহলে আসতে বললি যে...
- তোকে কিছু বলার ছিল।
- ওকে....বল।
- প্রহর তুই আমাকে কতটা বুঝিস?
রুপ কখনো আমার নাম ধরে ডাকে না। বিভিন্ন বিশেষণ বের করে ও.....আর যখন নাম ধরে তখন ও খুব সিরিয়াস হয়ে যায়। আমার ইয়ার্কি এমনিই অফ তখন।
- অনেক টা বুঝি...
- যেমন?
- এই ধর তুই আমাকে ভালবাসিস কিন্তু মুখে কখনো বলিস না...
- তুই শিওর আমি তোকে ভালবাসি?
- হুম শিওর.....
- কি ভাবে?
- জানি না....
- তোকে একটা কথা বলি?
- ওরে বাবা তুই আবার পারমিশন ও নিস আজ কাল.......!
> হাই প্রহর?
ঘাড় ফিরিয়ে পেছনে দেখি তুনা।
- হেই তুনা...? কেমন আছ?
> এইতো ভাল। তোমাকে খুজছিলাম গত দুদিন ধরে।
- কেন?
> তোমার কথা ভেবে দেখলাম। আমি রাজি.....
- সত্যিই?????
(তুনা আমার ছয় বা সাত নাম্বার প্রপোজ গার্ল। কিছু দিন আগে ওকে প্রপোজ করেছিলাম।)
> হা সত্যি...
- এই রুপ.. ও তুনা কিছুদিন আগে ওকে প্রপোজ করছিলাম...
রুপ হতভম্ব হয়ে দাড়িয়ে আছে। কিছু বলছে না।
সেদিনের মত রুপের সাথে বিদায় নিয়ে তুনার সাথে চললাম। ও নাকি ওর ফ্রেন্ডের সাথে মিট করিয়ে দেবে...
দুই জন পাশাপাশি হাটছি। আজ থেকে আমি আর সিংগেল না। আমারও জিএফ আছে। টি শার্ট পরে আছি, শার্ট হলে কলার টা উঁচু করে দিতাম। বুক তো আধ হাত ফুলেই আছে.....খালি হাত কেমন কেমন লাগছে। তাই তুনার হাত ধরলাম.....
> এই কি করছ?
- হাত ধরলাম।
> প্রথম দিনেই কেউ এমনে হাত ধরে? ছাড়...
- ওহ সরি...( কি যে নিয়ম কানুন!)
> কিছু বললে?
- না না.....
;
কয়েকদিন রুপের সাথে কোন যোগাযোগ করতে পারলাম না। নতুন নতুন প্রেম হল তো বন্ধুদের খোজ নেয়ার সময় হল না। লাস্ট দু দিন ওকে ফোনে অনেক চেষ্টা করেও পাওয়া গেল না। বাসায় গেলাম ওর।
আন্টি খুব আদর করে আমাকে। আজও তার ব্যতিক্রম হল না। নাস্তা শেষ করে বসে আছি তাও রুপ আসছে না।
- আন্টি রুপের কিছু হয়েছে?
- কি জানি বাবা! সারা দিন রুমেই থাকে। দরকার ছাড়া বের হচ্ছে না।
- আমি যাব ওর রুমে?
- আমি বলেছি ওকে! ও বলল তোমাকে চলে যেতে পরে দেখা করবে।
- আচ্ছা.....
;
রুপের সেই পরে সময়টা আর হয়ে ওঠেনি আজ এক বছরেও। কতবার কত ভাবে চেষ্টা করলাম। প্রতিবার এক গুচ্ছ হতাশা উপহার পেয়েছি। লাস্ট শুনেছি ওর নাকি বিয়ে ঠিক হয়েছে। কিছু কথা যে আমারও বলার ছিল ওকে সেটা মনে হয় আর বলা হল না। সময়ের কাছে সব কিছুই বড় অসহায়। আমিও তার ব্যতিক্রম না। পারিনি রুপের সাথে যোগাযোগ করতে। এত দিনে হয়ত হাজবেন্ড নিয়ে সুখের সংসার শুরু করে দিয়েছে। মাঝে মাঝে যখন একা থাকি তখন নিজেকে খুব খারাপ মনে হয়। আমার ফাজলামির মাত্রা যদি লিমিট ক্রস না করত হয়ত রুপ এভাবে চলে যেত না। ও কি বুঝত না আমি ওর ভালবাসা পাওয়ার জন্য এত সব করতাম। অন্য মেয়েদের সাথে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলতাম ওকে জালানোর জন্য। যা কিছু করতাম সবই তো ওকে পাওয়ার জন্য। এসব ভাবতে ভাবতেই কখন দু এক ফোটা পানি পড়ে যায় চোখ থেকে বুঝতে পারি না।
- মা দেখ আংকেল টা কাঁদছে.....
কথাটা কানে যেতেই শার্ট এর হাতায় চোখটা মুছে নিলাম। বাচ্চাটা এখনো আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। আশপাশে কাউকে দেখলাম না। বাচ্চাটা মা বলল কাকে?
- কি নাম বাবু?
নাম জিগেস করতে দিল দৌড়। একটা মহিলার আচল জড়িয়ে ধরল এদিক পেছনে ফিরে বসা তাই মুখ দেখা যাচ্ছে না। সেই পার্কে বসে আছি, যেখানে রণর সাথে মাঝে মধ্যেই আসতে হত। আজও ওদের সাথেই এসেছি। তবে ওরা এখন আর বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড না। স্বামী আর স্ত্রী.....
ঝগড়া যতই হোক বন্ধুত্তটা যায়নি। কোথাও গেলে এখন প্রহরকে তার লাগেই!
একা একা বোরিং লাগছে। পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে মুখে নিলাম। লাইটার টা পাচ্ছিনা.....
ক্যান্টিনে গিয়ে ধরিয়ে নিলাম। পেছনে ঘুরতে গিয়ে ঘটে গেল এক্সিডেন্ট টা.....মেয়েটার সাথে ধাক্কা লেগে তার আইস্ক্রিম গুলা পড়ে গেল। কিন্তু সেদিকে কারো খেয়াল নেই। মানুষটার দিকে তাকিয়ে আছি।
- রুপ.........!
কথা না বলে চলে গেল ও।
- রুপ আমার কথা শুনে যাও প্লিজ।
- রুপ আমি কিন্তু তোমাকে ভালবাসি।
কয়েক মুহূর্তের জন্য থামল রুপ। কি জানি ভেবে ঘুরে আবার এদিকে আসছে।
- ঠাশশশশ...........
- এইটা কি হল?
- আমার পিছু যেন আসবি না তুই।
- দেখছ... আমি তুই থেকে তুমি বলতেছি।
- যা খুশি বল যাহ....
- আবার কই যাচ্ছিস? কথা আছে তো.....
-- ওই রুপ......
ওর পেছন পেছন হাটা শুরু করলাম। নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে।
- তুই কিন্তু সত্যিই মার খাবি প্রহর!
- খাব... মার
এদিক ওদিক খুজে একটা শুকনা গাছের ডাল উঠাল হাতে...
আগের মত এখন আর পালাচ্ছি না ওর মারের ভয়ে। ঠায় দাড়িয়ে আছি সেখানেই।
- দেখ প্রহর সামনে আপু দুলাভাই আছে।
- আমি চলে যাব তুই শুধু বল ভালবাসিস না আমাকে।
- না বাসি না...
- আমার দিকে তাকিয়ে বল
- বললাম তো বাসি না। যা....
- আচ্ছা যাচ্ছি। এত দিন তোকে এই কথাটা বলার জন্য খুজেছিলাম। বলা হয়ে গেছে। এখন তোর উত্তরটাও পেয়ে গেছি। ভাল থাকিস.....
;
বাসায় কেউ নেই। নিজের ঘরে গিয়ে দরজা আটকে শুয়ে পড়লাম। বিকেলে কখনো ঘুম আসে না। তাই স্লিপিং পিলের সাহায্য নিলাম। পিলের কারনে একটু পরেই গভীর ঘুমে তলিয়ে গেছি।
ঘুম থেকে উঠে দেখি রাত তিন টা। ফোন হাতে নিয়ে দেখলাম আটটা মিসড কল। একটা মেসেজ...
" আজও বুঝতে পারনি আমি ভালবাসি।সেদিনই কথাটা বলতে চেয়েছিলাম কিন্তু তুমি আমার কথাটা না শুনেই তুনার হাত ধরে চলে গিয়েছিলে। আমার কতটা কষ্ট হয়েছিল ভেবে দেখেছ কখনো? আমার তো বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল, বিয়েটা কেন হয়নি ভেবেছ কখনো? আমি হতে দেইনি। কেন জান? তোমার জন্য। আজও শুধু আমার রাগ দেখেছ। ভালবাসা দেখনি......."!
ডিসপ্লের উপর কয়েক ফোটা পানি পড়ল চোখ থেকে। চোখ মুছে উঠে পড়লাম বিছানা থেকে। গেট এখন বন্ধ। কাধে করে নিজের সাইকেল আর একটা দড়ি নিয়ে নামলাম নিচে। দেয়াল বেয়ে উপরে উঠে সাইকেলটা দড়ির সাহায্যে টেনে তুললাম।
; আধ ঘন্টা লাগল রুপের বাসার সামনে আসতে। ফোন দিলাম। প্রথম বার রিং হতেই রুপ ফোন রিসিভ করল।
- আমি তোর বাসার সামনে রাস্তায় দাড়িয়ে আছি।
- আসছি......
মৃদু আওয়াজ তুলল লোহার গেটটা। সেই ড্রেসটা এখনো পরে আছে রুপ। কাছে আসতে খেয়াল করলাম চোখ দুটো ফুলে আছে। কতক্ষন দাড়িয়ে ছিলাম মাথা নিচু করে। রুপও বলছে না কিছু। হঠাৎ গিয়ে জড়িয়ে ধরলাম ওকে। ফুঁপিয়ে উঠছে থেকে থেকে.....দুরে কোথাও কুকুর ডেকে উঠলো। ভয় পেয়ে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো তখন।
- আমি জানতাম আসবে তুমি...
- সে জন্য কি ড্রেস চেঞ্জ হয়নি এখনো?
- জানিনা। এত দেরি করে আসছ কেন?
- পিল খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
- খুব বাহাদুরি দেখাইছে পিল খেয়ে।
- ভাল তো বাস এত নাটক করার দরকার কি ছিল?
- এত সস্তা না ভালবাসা। বললাম আর হয়ে গেল। যেটা সহজে পাবে সেটার জন্য টান থাকে না। এই ছাড় কেউ দেখে ফেলবে।
- রাত সাড়ে তিনটার সময় তোমার নানা আসছে দেখার জন্য.......
- এই চল আজ সারা রাত তোমার সাইকেলে ঘুরব আমরা.....
- বসার জাইগা নাই তো পেছনে...
- আজিব........ পেছনে কেন?? সামনে বসব....
- কষ্ট হবে সামনে বসতে।
- বেশি বোঝ কেন এত।
সারা দেশ যখন ঘুমের অতল গভীরে। আমরা তখন দুজন দুজনের এত কাছে, নিশ্বাসের আওয়াজটাও স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছি।
- রুপ...
- উমমম...
- অনেক ভালবাসি তোমাকে।
- আমিও...
সমাপ্ত ||writer:Asad Rahman||
||Jhenaidah||kotchandpur||
ছায়াময়||
লেখক: Parvej Imran( প্রহর )
সামনে বিশাল দীঘি। তার চারপাশে অনেক ছোট ছোট ছাউনি দিয়ে বসার জন্য সুন্দর ব্যবস্থা করা হয়েছে পার্কের ভেতর। কাপলরা দখল করে রেখেছে তার বেশির ভাগটা। আমি রয়েছি তার একটাতে। পাশের সিটে বাসানোর কাউকে পাইনি আজও। তবে চেষ্টায় আছি। এখানে আসছি আপাতত সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে। বা দিক টায় আমার জানে যিগার বন্ধু রণ তার গার্ল ফ্রেন্ড নিয়ে চুটিয়ে প্রেম করছে। বাদাম ওয়ালার কাছে পাঁচ টাকার বাদাম চাইতে এক ঝাড়ি খাইলাম। বলে পাঁচ টাকার হয়না। বাধ্য হয়ে দশ টাকার নিলাম। শালা বাইরে থেকে পাঁচ টাকার কিনলে এর থেকে বেশি দিত। গুন গুন করে গান গাইতেছি। এদিক আবার বাদাম শেষ। টাইম কাটাতে হাটতে লাগলাম। কি রোমান্টিক সিন চলছে রে সব খানে.....
কবে আইবো আমার পালারে........
গান টা মনে পড়ছে খুব। পার্কের গেটে চোখ পড়তে চেনা কাউকে দেখতে পেলাম। চোখের শার্পনেস খুব বেশি না। তাই কাছে না আসা পর্যন্ত তাকিয়ে থাকলাম। রুপ, ওর বোন আর দুলাভাই। রুপের আর একটা পরিচয় আছে অবশ্য। "কেয়ারটেকার "....
আমি বলি। আমার উপর ওর এক্সট্রা কেয়ার এর জন্য। না দেখার ভাব করে পিছন ফিরে একটা টোং এ বসে পড়লাম। আড় চোখে দেখলাম বোন দুলাভাইয়ের সাথে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। যাক ভালই হল। আবার মেয়ে দেখায় মন দিলাম। কিন্তু লাভ কি? সবাই তার বিএফ এর সাথে ব্যস্ত। কিছুক্ষন পরই দেখলাম একটা সিংগেল আপুকে। এদিক ওদিক করে কাকে যেন খুজতেছে। চান্স নিলাম.....
- হাই...
- আমাকে বলছেন?
- জি আপনাকে!
- হ্যা বলেন....
- কাউকে খুজছেন?
> হ্যা খুঁজছে ( পেছন থেকে কেউ আমার কান ধরে বলল কথাটা )
- আউ........... কে?????
> আবার শুরু করেছিস না?
- তুই??? দিলি তো ইজ্জতের ফালুদা করে। মেয়েটাকে পটাচ্ছিলাম। চলে গেল......
> তুই কি বদলাবি না?
- তাইলে আমার সাথে প্রেম কর!
> তোর সাথে কোন মেয়ে প্রেম করবে বল?
- কেন? আমি দেখতে খারাপ?
> না.... তবে তুই অনেক কেয়ারলেস, টাইম সেন্স নাই, কোথায় কিভাবে চলতে হবে বুঝিস না, কার সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় জানিস না, আর মেয়ে দেখলে তো কথাই নেই.......
- বাআ........প রে!
> বাপ না ডেকে একটু সিরিয়াস হ...
- আচ্ছা হলাম।
> এখানে কেন আসছিস?
- যেভাবে দাড়িয়ে আছিস সেভাবে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে দাড়া।
> হুম দাড়ালাম....
- কিছু দেখতে পাচ্ছিস?
> না তো...
দু পা সামনে গিয়ে রুপের পেছন থেকে কোমড় ধরে উচু করলাম ওকে।
- এখন দেখতে পাস?
> হুম....
- কি?
তখনি ও পা ছুড়তে শুরু করল.....
- ছাড় আমাকে....
ওমনি ছেড়ে দিলাম। ধপাস করে পড়ল আমার সামনে।
> এটা কি হল?
- তুই তো বললি ছেড়ে দিতে!
> ছেড়ে দিতে বলছি, ফেলে দিতে না। মাগো গেলাম.......
- হাত দে...
> দুর হ....
- কি দেখলি ওপাশে?
> রণ আর ওর জিএফ......
- কি করে ঝোপের ও পাশে?
> ওইটা ওদের ব্যাপার তোর কি?
- কবে আইবো আমার পালারে......
রুপ আমার দিকে চোখ কুচকে তাকালো। ওর এই লুক টা আমি ভয় পাই। আক্রমনাত্বক...... যে কোন সময় হামলা হতে পারে। আগেই সরি বলে ওর হাত ধরে ফেললাম।
- বাহ এদিকে দেখি শুটিং চলতেছে!
রণরা যে কখন পেছেনে এসে দাড়িয়েছে খেয়াল করিনি....
- তোদের প্রেম করা শেষ?
- প্রমির বাসা থেকে ফোন আসছে যেতে হবে। দোস্ত কিছু মনে করিস না তুই এখানে থাক আমি ওকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে তোকে নিয়ে যাব।
- তার দরকার নাই আপনি যান.....
;
শালা বেঈমান, জিএফ এর জন্য বন্ধুকে ফেলে রেখে চলে গেল।
- আমি গেলাম.....
- ওই রুপ শোন...
- আপু বকবে...
বা রে কেউ পাত্তাই দিচ্ছেনা?
কপোত-কপোতীদের গুষ্টি উদ্ধার করতে করতে বেরিয়ে পড়লাম পার্ক থেকে। রিক্সা করে বাড়ি। শার্ট খোলার সময় খেয়াল করলাম মেয়েলী পারফিউম এর গন্ধ আসছে শার্ট থেকে। তখন রুপকে উঁচু করে ধরছিলাম সেটাই। উপরে উপরে যতই না না বলুক আমি জানি ও আমাকে পছন্দ করে। কিন্তু আমি যে কত বার ওকে প্রপোজ করলাম তবুও না করে। কখনও উত্তর না দিয়ে চলে যায়। ভাবতে ভাবতেই ফোন এল ওর...
- জী বলেন...
- কি করছিলি?
- আপনার কথাই ভাবছিলাম।
- মিথ্যা বলাটা তোর অভ্যাস এ পরিনত হইছে।
- তোর বিশ্বাস না হলে পাবলিক দের কাছে জি গা.....
- কাল কলেজে যাওয়ার সময় আমাকে নিয়ে যাস...
- ওক্কে...
- বাই...
;
- কি রে হেটে হেটে কলেজ যাবি নাকি?
- হা প্রবলেম হচ্ছে তোর?
- প্রবলেম কেন হবে? সুন্দরীদের সাথে হাটা তো ভাগ্যের ব্যাপার!
- তাইলে হাটতে থাক....
- এত দুর? ক্লাস পাব না আজ।
- আজ ক্লাস করব না...
- তাহলে আসতে বললি যে...
- তোকে কিছু বলার ছিল।
- ওকে....বল।
- প্রহর তুই আমাকে কতটা বুঝিস?
রুপ কখনো আমার নাম ধরে ডাকে না। বিভিন্ন বিশেষণ বের করে ও.....আর যখন নাম ধরে তখন ও খুব সিরিয়াস হয়ে যায়। আমার ইয়ার্কি এমনিই অফ তখন।
- অনেক টা বুঝি...
- যেমন?
- এই ধর তুই আমাকে ভালবাসিস কিন্তু মুখে কখনো বলিস না...
- তুই শিওর আমি তোকে ভালবাসি?
- হুম শিওর.....
- কি ভাবে?
- জানি না....
- তোকে একটা কথা বলি?
- ওরে বাবা তুই আবার পারমিশন ও নিস আজ কাল.......!
> হাই প্রহর?
ঘাড় ফিরিয়ে পেছনে দেখি তুনা।
- হেই তুনা...? কেমন আছ?
> এইতো ভাল। তোমাকে খুজছিলাম গত দুদিন ধরে।
- কেন?
> তোমার কথা ভেবে দেখলাম। আমি রাজি.....
- সত্যিই?????
(তুনা আমার ছয় বা সাত নাম্বার প্রপোজ গার্ল। কিছু দিন আগে ওকে প্রপোজ করেছিলাম।)
> হা সত্যি...
- এই রুপ.. ও তুনা কিছুদিন আগে ওকে প্রপোজ করছিলাম...
রুপ হতভম্ব হয়ে দাড়িয়ে আছে। কিছু বলছে না।
সেদিনের মত রুপের সাথে বিদায় নিয়ে তুনার সাথে চললাম। ও নাকি ওর ফ্রেন্ডের সাথে মিট করিয়ে দেবে...
দুই জন পাশাপাশি হাটছি। আজ থেকে আমি আর সিংগেল না। আমারও জিএফ আছে। টি শার্ট পরে আছি, শার্ট হলে কলার টা উঁচু করে দিতাম। বুক তো আধ হাত ফুলেই আছে.....খালি হাত কেমন কেমন লাগছে। তাই তুনার হাত ধরলাম.....
> এই কি করছ?
- হাত ধরলাম।
> প্রথম দিনেই কেউ এমনে হাত ধরে? ছাড়...
- ওহ সরি...( কি যে নিয়ম কানুন!)
> কিছু বললে?
- না না.....
;
কয়েকদিন রুপের সাথে কোন যোগাযোগ করতে পারলাম না। নতুন নতুন প্রেম হল তো বন্ধুদের খোজ নেয়ার সময় হল না। লাস্ট দু দিন ওকে ফোনে অনেক চেষ্টা করেও পাওয়া গেল না। বাসায় গেলাম ওর।
আন্টি খুব আদর করে আমাকে। আজও তার ব্যতিক্রম হল না। নাস্তা শেষ করে বসে আছি তাও রুপ আসছে না।
- আন্টি রুপের কিছু হয়েছে?
- কি জানি বাবা! সারা দিন রুমেই থাকে। দরকার ছাড়া বের হচ্ছে না।
- আমি যাব ওর রুমে?
- আমি বলেছি ওকে! ও বলল তোমাকে চলে যেতে পরে দেখা করবে।
- আচ্ছা.....
;
রুপের সেই পরে সময়টা আর হয়ে ওঠেনি আজ এক বছরেও। কতবার কত ভাবে চেষ্টা করলাম। প্রতিবার এক গুচ্ছ হতাশা উপহার পেয়েছি। লাস্ট শুনেছি ওর নাকি বিয়ে ঠিক হয়েছে। কিছু কথা যে আমারও বলার ছিল ওকে সেটা মনে হয় আর বলা হল না। সময়ের কাছে সব কিছুই বড় অসহায়। আমিও তার ব্যতিক্রম না। পারিনি রুপের সাথে যোগাযোগ করতে। এত দিনে হয়ত হাজবেন্ড নিয়ে সুখের সংসার শুরু করে দিয়েছে। মাঝে মাঝে যখন একা থাকি তখন নিজেকে খুব খারাপ মনে হয়। আমার ফাজলামির মাত্রা যদি লিমিট ক্রস না করত হয়ত রুপ এভাবে চলে যেত না। ও কি বুঝত না আমি ওর ভালবাসা পাওয়ার জন্য এত সব করতাম। অন্য মেয়েদের সাথে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলতাম ওকে জালানোর জন্য। যা কিছু করতাম সবই তো ওকে পাওয়ার জন্য। এসব ভাবতে ভাবতেই কখন দু এক ফোটা পানি পড়ে যায় চোখ থেকে বুঝতে পারি না।
- মা দেখ আংকেল টা কাঁদছে.....
কথাটা কানে যেতেই শার্ট এর হাতায় চোখটা মুছে নিলাম। বাচ্চাটা এখনো আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। আশপাশে কাউকে দেখলাম না। বাচ্চাটা মা বলল কাকে?
- কি নাম বাবু?
নাম জিগেস করতে দিল দৌড়। একটা মহিলার আচল জড়িয়ে ধরল এদিক পেছনে ফিরে বসা তাই মুখ দেখা যাচ্ছে না। সেই পার্কে বসে আছি, যেখানে রণর সাথে মাঝে মধ্যেই আসতে হত। আজও ওদের সাথেই এসেছি। তবে ওরা এখন আর বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড না। স্বামী আর স্ত্রী.....
ঝগড়া যতই হোক বন্ধুত্তটা যায়নি। কোথাও গেলে এখন প্রহরকে তার লাগেই!
একা একা বোরিং লাগছে। পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে মুখে নিলাম। লাইটার টা পাচ্ছিনা.....
ক্যান্টিনে গিয়ে ধরিয়ে নিলাম। পেছনে ঘুরতে গিয়ে ঘটে গেল এক্সিডেন্ট টা.....মেয়েটার সাথে ধাক্কা লেগে তার আইস্ক্রিম গুলা পড়ে গেল। কিন্তু সেদিকে কারো খেয়াল নেই। মানুষটার দিকে তাকিয়ে আছি।
- রুপ.........!
কথা না বলে চলে গেল ও।
- রুপ আমার কথা শুনে যাও প্লিজ।
- রুপ আমি কিন্তু তোমাকে ভালবাসি।
কয়েক মুহূর্তের জন্য থামল রুপ। কি জানি ভেবে ঘুরে আবার এদিকে আসছে।
- ঠাশশশশ...........
- এইটা কি হল?
- আমার পিছু যেন আসবি না তুই।
- দেখছ... আমি তুই থেকে তুমি বলতেছি।
- যা খুশি বল যাহ....
- আবার কই যাচ্ছিস? কথা আছে তো.....
-- ওই রুপ......
ওর পেছন পেছন হাটা শুরু করলাম। নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে।
- তুই কিন্তু সত্যিই মার খাবি প্রহর!
- খাব... মার
এদিক ওদিক খুজে একটা শুকনা গাছের ডাল উঠাল হাতে...
আগের মত এখন আর পালাচ্ছি না ওর মারের ভয়ে। ঠায় দাড়িয়ে আছি সেখানেই।
- দেখ প্রহর সামনে আপু দুলাভাই আছে।
- আমি চলে যাব তুই শুধু বল ভালবাসিস না আমাকে।
- না বাসি না...
- আমার দিকে তাকিয়ে বল
- বললাম তো বাসি না। যা....
- আচ্ছা যাচ্ছি। এত দিন তোকে এই কথাটা বলার জন্য খুজেছিলাম। বলা হয়ে গেছে। এখন তোর উত্তরটাও পেয়ে গেছি। ভাল থাকিস.....
;
বাসায় কেউ নেই। নিজের ঘরে গিয়ে দরজা আটকে শুয়ে পড়লাম। বিকেলে কখনো ঘুম আসে না। তাই স্লিপিং পিলের সাহায্য নিলাম। পিলের কারনে একটু পরেই গভীর ঘুমে তলিয়ে গেছি।
ঘুম থেকে উঠে দেখি রাত তিন টা। ফোন হাতে নিয়ে দেখলাম আটটা মিসড কল। একটা মেসেজ...
" আজও বুঝতে পারনি আমি ভালবাসি।সেদিনই কথাটা বলতে চেয়েছিলাম কিন্তু তুমি আমার কথাটা না শুনেই তুনার হাত ধরে চলে গিয়েছিলে। আমার কতটা কষ্ট হয়েছিল ভেবে দেখেছ কখনো? আমার তো বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল, বিয়েটা কেন হয়নি ভেবেছ কখনো? আমি হতে দেইনি। কেন জান? তোমার জন্য। আজও শুধু আমার রাগ দেখেছ। ভালবাসা দেখনি......."!
ডিসপ্লের উপর কয়েক ফোটা পানি পড়ল চোখ থেকে। চোখ মুছে উঠে পড়লাম বিছানা থেকে। গেট এখন বন্ধ। কাধে করে নিজের সাইকেল আর একটা দড়ি নিয়ে নামলাম নিচে। দেয়াল বেয়ে উপরে উঠে সাইকেলটা দড়ির সাহায্যে টেনে তুললাম।
; আধ ঘন্টা লাগল রুপের বাসার সামনে আসতে। ফোন দিলাম। প্রথম বার রিং হতেই রুপ ফোন রিসিভ করল।
- আমি তোর বাসার সামনে রাস্তায় দাড়িয়ে আছি।
- আসছি......
মৃদু আওয়াজ তুলল লোহার গেটটা। সেই ড্রেসটা এখনো পরে আছে রুপ। কাছে আসতে খেয়াল করলাম চোখ দুটো ফুলে আছে। কতক্ষন দাড়িয়ে ছিলাম মাথা নিচু করে। রুপও বলছে না কিছু। হঠাৎ গিয়ে জড়িয়ে ধরলাম ওকে। ফুঁপিয়ে উঠছে থেকে থেকে.....দুরে কোথাও কুকুর ডেকে উঠলো। ভয় পেয়ে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো তখন।
- আমি জানতাম আসবে তুমি...
- সে জন্য কি ড্রেস চেঞ্জ হয়নি এখনো?
- জানিনা। এত দেরি করে আসছ কেন?
- পিল খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
- খুব বাহাদুরি দেখাইছে পিল খেয়ে।
- ভাল তো বাস এত নাটক করার দরকার কি ছিল?
- এত সস্তা না ভালবাসা। বললাম আর হয়ে গেল। যেটা সহজে পাবে সেটার জন্য টান থাকে না। এই ছাড় কেউ দেখে ফেলবে।
- রাত সাড়ে তিনটার সময় তোমার নানা আসছে দেখার জন্য.......
- এই চল আজ সারা রাত তোমার সাইকেলে ঘুরব আমরা.....
- বসার জাইগা নাই তো পেছনে...
- আজিব........ পেছনে কেন?? সামনে বসব....
- কষ্ট হবে সামনে বসতে।
- বেশি বোঝ কেন এত।
সারা দেশ যখন ঘুমের অতল গভীরে। আমরা তখন দুজন দুজনের এত কাছে, নিশ্বাসের আওয়াজটাও স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছি।
- রুপ...
- উমমম...
- অনেক ভালবাসি তোমাকে।
- আমিও...
সমাপ্ত ||writer:Asad Rahman||
||Jhenaidah||kotchandpur||
||গ্যাংষ্টার || ||writer: Md Asad Rahman
শেষ গল্পের সেই ছেলেটি
সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৯
0
গল্প:গ্যাংষ্টার
||writer: md Asad rahman||
||Jhenaidahkotchandpur||
পার্ট: ১ম
তারেক : ভাই ভাই
নিলয়: ঐ বেটা ষাঁড়ের মত চিল্লাস কেন?
তারেখ: ভাই সাফিয়া আপারে রিমন এর দলবল তুলে নিয়ে গেছে,
নিলয়: ঠাস,ঠাস,তোদের কে কি জন্য রাখছি আমি, তোদের বলছি ওরে সবসময় চোঁখে চোঁখে রাখবি,
তারেখ: ভাই আমি তো নাস্তা করতে গেছিলাম,
নিলয়: কোথায় নিয়ে গেছে জানস,
তারেখ: না ভাই,
নিলয়: খবর নে,
হঠাৎ করেই নিলয় এর ফোন বেজে উঠল
নিলয়: হ্যালো কে?
রিমন: আমি রে পাগলা তোর জানের জান রে তুলে নিয়ে আসছি,
নিলয়: দেখ রিমন তোর সাথে শত্রুতা আমার সাথে তুই ওরে ছেড়ে দে,
রিমন: তুই যদি চট্টগ্রাম শহর ছেড়ে চলে যাস তাহলেই আমি ওরে ছেড়ে দিব,
নিলয়: আমি তোরে মেরেই ফেলব,
রিমন : তোরে ২৪ ঘন্টা সময় দিলাম এর মধ্যে তুই এই শহর ছেড়ে চলে যাবি,
এতক্ষন উপরে কথা হচ্ছিল চট্রগ্রাম এর ২ জন সবচেয়ে বড় গ্যাংষ্টার এর,
নিলয় সারারাত শুধু একটা কথাই ভেবেছে সাফিয়া কে ও ওর থেকেও বেশি ভালোবাসে, আর সাফিয়া ও
আপনারা ভাবছেন একজন গ্যাংষ্টার কে কী ভাবে ভালোবাসে, প্রথমত নিলয় যখন সধারন ছেলে ছিলো তখনই সাফিয়ার সাথে তার পরিচয় কলেজ, তখন সাফিয়া পড়ত ইন্টার ২য় বর্ষে, আর নিলয় পড়ত অনার্স ২য় বর্ষে,কিন্তু নিলয় এর মনে ছিলো নিলয় এর আগে করত,
নিলয় এর গ্যাংষ্টার হওয়ার প্রধান কারন হলো তার বাবা,মার খুন, নিলয় এর বাবা মার খুন হওয়ার পর থেকেই সে গ্যাংষ্টার এর লিডার হয়ে যায়, আর ২য় তো নিলয় কোন সাধসরন মানুষ এর উপর অত্যাচার করে না, সে শুধু খারাপ ও ছাড়া গরীবদের প্রতি অন্যায় অবিচার করে তাদের প্রতিই নিলয় এর অভিযান,)
নিলয় যখন সারারাত ভেবে কোন কিছু বের করতো পারল না তখন সে সিদ্ধান্ত নিয়েই পেলে সে সাফিয়াকে নিয়ে এই শহর ছেড়ে চলে যাবে আমার নতুন ভাবে বাচঁবে একজন সাধারন মানুষ হয়ে,এইসব ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ গভীর ঘুমে আছন্ন হয়ে পড়ে নিলয়,
হঠাৎ নিলয় এর ঘুম ভেঙ্গে যায়, সে খুব বাজে একটা সপ্ন দেখলো, কে যেন তাকে গুলি করতাছে আর নিলয় উপর কোন জায়গা থেকে নিচে পড়ে যাচ্ছে, সে রাতে নিলয় আর ঘুম যেতে পাড়ল না, পরের দিন সকালেই নিলয় রিমন কে কল দিল,
নিলয়: হ্যালো রিমন,
রিমন: হ্যা কি ভাবলি,
নিলয়: ভাই আমি এ শহর ছেড়ে চলে যাবো তুই বস স্টেশন এ সাফিয়া কে নিয়ে আই,
রিমন : ওকে,
নিলয় এর সাফিয়ারে নিয়ে কোন জামেলা নাই কারন এই দুনিয়ায় সাফিয়ার কেউ নাই শুধু নিলয় ছাড়া,
কিছুক্ষন পড় রিমন সাফিয়াকে নিয়ে আসলো
রিমন:: এই নে তোর কলিজারে
নিলয়: ধন্যবাদ তুই ওর কিছু করছ নাই তাই আমাদের আর কোন শত্রুতা নই গুড বাইই,
এই কথা বলেই নিলয় সাফিয়াকে নিয়ে নতুন শহরে পারি দিল, নিলয় এখন বাংলাদেশের ব্যাস্ত শহর ঢাকায় যাওয়ার জন্য রওনা হলো,
নিলয় ভাবলো সে সব কিছু ছেড়ে নতুন একটা জীবন নিয়ে বাচবে,কিন্তু কে জানে সামনে নিলয় এর জন্য আরো কত বড় কিছু অপেক্ষা করছে যা নিলয় ভাবতেই পারে নি
নিলয় খুব ভালোবাবেই ১ মাস কাটিয়ে দিল, সাফিয়া কে একটা ভালো ভার্সিটি তে এবং ভার্সিটি হোস্টেল এ ভর্তি করিয়ে দিল, আর নিলয় একটা জব এ জয়েন করলো,
বিপত্তি আসলো ঠিক একমাস পড়,,
>>>চলবে<<<
>>>আল্লাহ্ হাফেজ<<<
শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
মাস্তান মেয়ের প্রেমে
শেষ গল্পের সেই ছেলেটি
সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১৯
0
Writer: Md A
sad Rahman
||Jhenaidah||kotchandpur||
কলেজ জীবনের সকল কিছু ছেড়ে এখন ভার্সিটি
লাইফের আজ ১ম দিন। ভার্সিটিতে ঢুকা মাএই
দেখলাম কয়েকটা মেয়ে পাশে বসে আড্ডা দিতেছে।আমি তাদের দিকে একবার তাকিয়ে আবার সামনের দিকে তাকিয়ে হাটা শুরু করলাম।
হঠাৎ মেয়েগুলোর মাঝে একটা মেয়ে আমাকে দেখিয়ে বলল,,দোস্ত , মালটা জোস না।আমি কিছু না বলে আবার হাটা শুরু করলাম।এরপর
হঠাৎ মেয়েগুলো আমাকে ডাক দিল।
আমি তাদের কাছে গেলাম।যাওয়া মাএ
একটা মেয়ে বলল,,এই ছেলে তোমাকে তো আগে কখনো এ ভার্সিটিতে দেখিনি।
আমিঃকেন,, আমাকে দেখার জন্য। বুঝি আপনারা অপেক্ষা করতেছেন,,তাই নাকি??
মেয়েটাঃএই ছেলে তোর তো সাহস কম না।তুই একে তো তুই আমাদের সালাম দিস নাই।তারপর আবার এত বড় বড় কথা বলতেছিস কেন,, হুম??
আমিঃমন থেকে সালাম আসলে হয়ত আপনাকে দিতাম।কিন্তু আপনাদের দেখে আমার তা আসেনি,, তাই দেইনি।
তারপর হঠাৎ একটূ মেয়ে আমার দিকে ঘুরে তাকালো।তারপর সে তাদেরকে বলল,,
মেয়েঃএই ছেলে কি হইছে তোমার???
আমিঃকই,,আমার তো কিছু হয় নাই।সমস্যা তো মনে হয় আপনাদের হইছে। কারন আপনারাই তো আমাকে ডাকছেন,,তাই না।এবার তাড়াতাড়ি আপনাদের সমস্যা টা বলুন,,আর আমাকে বিদায় দিন।
মেয়েঃএই ছেলে তোমার বাবা মা কি তোমাকে কিছু শিখায় নাই।আর শিখাবে বা কি করে,,ছোটলোকের আবার আচার-আচরণ ভালো হয় নাকি।
এ কথা বলে সবা হাসাহাসি শুরু করল।
আমার জিনিসটা খুব খারাপ লাগল।আমি কিছু না বলে চলে আসতে লাগলাম।
তারপর আমি ভার্সিটির ক্লাসগুলো করে চলে আসলাম।১ম দিনেই কিছু বন্ধু জুটে গেল।
যা হোক আমার পরিচয়টা দিয়ে নিই,, আমার নাম রাহী। (আমি ইন্টার ১ম ইয়ারে পড়ি)---গল্পের সুবিধার্থে আমি অনার্স ১ম ইয়ারে পড়ি।
তারপর ক্লাস শেষ করে বাসায় চলে আসলাম।আবার কাল ভার্সিটির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।গেইট দিয়ে ঢুকে আবার সেই মেয়েগুলোকে দেখতে পেলাম।তারপর আমাকে ডাক দিল।আমি গেলাম না।
হঠাৎ মেয়েগুলো আমার সামনে আসলো। তারপর একটা বলে উঠল,,কিরে মুনিয়া এইতো কালকের সেই ছেলেটা তাই না।
মুনিয়াঃহুম।তাই তো মনে হচ্ছে।দেখতে কালকের সেই ছোটলোকটাকে মনে হচ্ছে।
আমিঃআপনারা দয়া করে প্লিজ আমার সামনে থেকে সরে যান।আমার আপনাদের সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছে না
মুনিয়াঃকেন আমাদের ভালো লাগে না।
আমিঃনা। আপনাদের দেখতে আমার একদমই ভালো লাগে না।আপনারা প্লিজ আমার সামনে থেকে যান।আপনাদের আমার দেখতে আমার একদমই ভালো লাগতেছে না।আপনাদের দেখে
আমার রাগ কিন্তুু খুব বেড়ে যাচ্ছে।প্লিজ আপনারা যান।না হলে আপনাদের আমি কি করব আমি নিজেই যানি না
মুনিয়াঃতুই আমার কি করবি,,দেখি কর।
আমি আমার রাগ কন্ট্রোল করতে না পেরে
মুনিয়াকে একটা থাপ্পড় দিলাম। তারপর ওইখান থেকে ক্লাসে চলে আসলাম।
তারপর আমার এক বন্ধু আমাকে বলল,,দোস্ত এটা তুই কি করলি।
আমিঃকেন কি হইছে,, দোস্ত?
রাসেলঃদোস্ত তুই তো অনেক বড় একটা অন্যায় করে ফেলছিস।
আমিঃ কিসের অন্যায়,,দোস্ত।
রাসেলঃতুই এই মুনিয়াকে চিনিস না।
আমিঃওরে চিনে আমি কি করব বল।
রাসেলঃতুই জানিস না দোস্ত,, ওর ভাই আর ওর ভাই এই এলাকার সবচেয়ে বড় পাচজন বড়লোকের মধ্যে সবচেয়ে বড়। আর ওর ভাই এই এলাকার সবচেয়ে বড় মাফিয়া।এলাকার সবাই ওদের খুব ভয় করে।
আমিঃদোস্ত এগুলো তুই আমাকে বলছিস কেন?
রাসেলঃনা তুই যে মুনিয়াকে থাপ্পড় মারছিস,, আল্লাহই জানে এখন তোর কি হবে।আমি যাচ্ছি......
আমিঃআরে শোন কোথায় যাচ্ছিস? শোন যারা ভয় পায় তারা হলো ভিতুর ডিম।ভয় পেলে চলবে নাকি।এই যে আমাকে দেখ।আমার মাঝে কোনো ভয় নেই।
এই কথা বলে.......
sad Rahman
||Jhenaidah||kotchandpur||
কলেজ জীবনের সকল কিছু ছেড়ে এখন ভার্সিটি
লাইফের আজ ১ম দিন। ভার্সিটিতে ঢুকা মাএই
দেখলাম কয়েকটা মেয়ে পাশে বসে আড্ডা দিতেছে।আমি তাদের দিকে একবার তাকিয়ে আবার সামনের দিকে তাকিয়ে হাটা শুরু করলাম।
হঠাৎ মেয়েগুলোর মাঝে একটা মেয়ে আমাকে দেখিয়ে বলল,,দোস্ত , মালটা জোস না।আমি কিছু না বলে আবার হাটা শুরু করলাম।এরপর
হঠাৎ মেয়েগুলো আমাকে ডাক দিল।
আমি তাদের কাছে গেলাম।যাওয়া মাএ
একটা মেয়ে বলল,,এই ছেলে তোমাকে তো আগে কখনো এ ভার্সিটিতে দেখিনি।
আমিঃকেন,, আমাকে দেখার জন্য। বুঝি আপনারা অপেক্ষা করতেছেন,,তাই নাকি??
মেয়েটাঃএই ছেলে তোর তো সাহস কম না।তুই একে তো তুই আমাদের সালাম দিস নাই।তারপর আবার এত বড় বড় কথা বলতেছিস কেন,, হুম??
আমিঃমন থেকে সালাম আসলে হয়ত আপনাকে দিতাম।কিন্তু আপনাদের দেখে আমার তা আসেনি,, তাই দেইনি।
তারপর হঠাৎ একটূ মেয়ে আমার দিকে ঘুরে তাকালো।তারপর সে তাদেরকে বলল,,
মেয়েঃএই ছেলে কি হইছে তোমার???
আমিঃকই,,আমার তো কিছু হয় নাই।সমস্যা তো মনে হয় আপনাদের হইছে। কারন আপনারাই তো আমাকে ডাকছেন,,তাই না।এবার তাড়াতাড়ি আপনাদের সমস্যা টা বলুন,,আর আমাকে বিদায় দিন।
মেয়েঃএই ছেলে তোমার বাবা মা কি তোমাকে কিছু শিখায় নাই।আর শিখাবে বা কি করে,,ছোটলোকের আবার আচার-আচরণ ভালো হয় নাকি।
এ কথা বলে সবা হাসাহাসি শুরু করল।
আমার জিনিসটা খুব খারাপ লাগল।আমি কিছু না বলে চলে আসতে লাগলাম।
তারপর আমি ভার্সিটির ক্লাসগুলো করে চলে আসলাম।১ম দিনেই কিছু বন্ধু জুটে গেল।
যা হোক আমার পরিচয়টা দিয়ে নিই,, আমার নাম রাহী। (আমি ইন্টার ১ম ইয়ারে পড়ি)---গল্পের সুবিধার্থে আমি অনার্স ১ম ইয়ারে পড়ি।
তারপর ক্লাস শেষ করে বাসায় চলে আসলাম।আবার কাল ভার্সিটির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।গেইট দিয়ে ঢুকে আবার সেই মেয়েগুলোকে দেখতে পেলাম।তারপর আমাকে ডাক দিল।আমি গেলাম না।
হঠাৎ মেয়েগুলো আমার সামনে আসলো। তারপর একটা বলে উঠল,,কিরে মুনিয়া এইতো কালকের সেই ছেলেটা তাই না।
মুনিয়াঃহুম।তাই তো মনে হচ্ছে।দেখতে কালকের সেই ছোটলোকটাকে মনে হচ্ছে।
আমিঃআপনারা দয়া করে প্লিজ আমার সামনে থেকে সরে যান।আমার আপনাদের সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছে না
মুনিয়াঃকেন আমাদের ভালো লাগে না।
আমিঃনা। আপনাদের দেখতে আমার একদমই ভালো লাগে না।আপনারা প্লিজ আমার সামনে থেকে যান।আপনাদের আমার দেখতে আমার একদমই ভালো লাগতেছে না।আপনাদের দেখে
আমার রাগ কিন্তুু খুব বেড়ে যাচ্ছে।প্লিজ আপনারা যান।না হলে আপনাদের আমি কি করব আমি নিজেই যানি না
মুনিয়াঃতুই আমার কি করবি,,দেখি কর।
আমি আমার রাগ কন্ট্রোল করতে না পেরে
মুনিয়াকে একটা থাপ্পড় দিলাম। তারপর ওইখান থেকে ক্লাসে চলে আসলাম।
তারপর আমার এক বন্ধু আমাকে বলল,,দোস্ত এটা তুই কি করলি।
আমিঃকেন কি হইছে,, দোস্ত?
রাসেলঃদোস্ত তুই তো অনেক বড় একটা অন্যায় করে ফেলছিস।
আমিঃ কিসের অন্যায়,,দোস্ত।
রাসেলঃতুই এই মুনিয়াকে চিনিস না।
আমিঃওরে চিনে আমি কি করব বল।
রাসেলঃতুই জানিস না দোস্ত,, ওর ভাই আর ওর ভাই এই এলাকার সবচেয়ে বড় পাচজন বড়লোকের মধ্যে সবচেয়ে বড়। আর ওর ভাই এই এলাকার সবচেয়ে বড় মাফিয়া।এলাকার সবাই ওদের খুব ভয় করে।
আমিঃদোস্ত এগুলো তুই আমাকে বলছিস কেন?
রাসেলঃনা তুই যে মুনিয়াকে থাপ্পড় মারছিস,, আল্লাহই জানে এখন তোর কি হবে।আমি যাচ্ছি......
আমিঃআরে শোন কোথায় যাচ্ছিস? শোন যারা ভয় পায় তারা হলো ভিতুর ডিম।ভয় পেলে চলবে নাকি।এই যে আমাকে দেখ।আমার মাঝে কোনো ভয় নেই।
এই কথা বলে....... বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
রোমান্টিক অত্যাচার
শেষ গল্পের সেই ছেলেটি
সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৯
0
রোমান্টিক অত্যাচার
||writer:md Asad Rahman||
||Jhenaida, kotchandpur||
||Part: 9 ||
আমি ভয়ে ভয়ে আয়নার দিকে তাকালাম।তাকিয়ে একটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেললাম।আমাকে আকাশ স্যার না আমার বরই জরিয়ে ধরেছে।খুব ভালো লাগছে তার জরিয়ে ধরাতে তবু ও একটু বিরক্তিকর ভাব নিয়ে বললাম।কি করছেন আপনি আমাকে জরিয়ে ধরলেন কেনো।
রিয়াদ ঃ কি লুকানোর কথা বলছিলে এতখন। আর তোমাকে জরিয়ে ধরবো না তো কাকে ধরবো।
রিয়াঃ যাকে ইচ্ছা তাকে জরিয়ে ধরেন আমাকে ছাড়েন।
রিয়াদ ঃ ও রিয়েলি।
রিয়াঃ হুম।বলেই ওয়াস রুমের দিকে যাচ্ছিলাম।তখনি উনি আমার টাওয়েল টা ধরে ফেললেন।
কি করছেন কি আপনি টাওয়েল টা ছাড়েন।
রিয়াদ ঃ টাওয়েল টা ছেড়ে ওর হাত ধরে টান দিলাম।ও আমার বুকে এসে পরলো।ওকে আমি জোরিয়ে ধরলাম।
রিয়াঃ উনি আমাকে জরিয়ে ধরেছেন শক্তে করে।আমার তো অবস্থা একদম খারাপ হয়ে গেছে।একে তো টাওয়েল পরা তার ওপর সে এভাবে জরিয়ে ধরে আছে।আমার নিশ্বাস ভারি হয়ে যাচ্ছে।তার বুকের বাম পাশের হার্টের প্রতিটি শব্দ আমি শুনতে পাচ্ছি।
রিয়াদ ঃ তুমি এতো সুন্দর কেনো বলো তো।তোমাকে যত বারই দেখি তোমার প্রেমে পরে যাই।তোমাকে এই প্রথম টাওয়েল পরা অবস্থায় দেখলাম।নিজেকে আর কনট্রল করতে পাছি না।ইস এখন যদি রাত হতো।
রিয়াঃ তার কথা শুনে আমি অনেক টা লজ্জা পেলাম।ইস ওনার মুখে কি কোনো কোথায়ই আটকায় না।আমি যে লজ্জা পাচ্ছি তা কি উনি বুঝতে পারে না।
রিয়াদঃ রিয়া আমার দিকে তাকাও।
রিয়াঃ পারবো না।তার বুকে মুখ লুকিয়ে আছি।
রিয়াদ ঃ লজ্জা পাচ্ছো।চিন্তা করো না এখন কিছু করবো না। আজ তো রাত হবেই তখন না হয় এখন কার টা সহ পুশিয়ে নেবো।বলেই ওর মুখটা উচু করলাম।ওর ঠোঁটে আলতো করে চুমু দিলাম।আর বললাম আই লাভ ইউ রিয়া।
রিয়াঃ তার মুখে আই লাভ ইউ কথা টা এই প্রথম শুনলাম।মনের মধ্যে কি যে আনন্দ লাগছে তা ভাষায় বলে বোঝানো সম্ভব না।
রিয়াদ ঃ তুমি তারা তারি রেডি হয়ে আসো এক সাথে ব্রেকফাস্ট করবো।আপু আর আকাশ ভাইয়া আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।
রিয়াঃ ঠিক আছে আমি এখনি রেডি হয়ে আসতেছি।আর শুনুন।
রিয়াদ ঃ হে বল।
রিয়াঃ আমি চাই এখনি কেউ আমাদের বিয়ের সম্পর্কে জানুক।আমি সময় মতো সবাই কে যানাবো।আর আপনি এখন অফিসের কাউ কে কিছু যানাবেন না।
রিয়াদ ঃ( কিছু খন ভেবে) ঠিক আছে তুমি যা বলবে তাই হবে।
রিয়াঃ অনেক টা খুশি হয়ে তাকে জরিয়ে ধরলাম।তখনি মনে পরে গেলো হায় আল্লাহ আমি একি করলা।লজ্জায় আর এক মুহূর্ত দারালাম না কাপর নিয়ে ওয়াস রুমে দৌড় দিলাম।
রিয়াদ ঃ( হাসি দিয়ে) পাগল মেয়ে।
১০ মিনিট হয়ে গেলো এখনো বের হচ্ছে না।
রিয়াদ ঃ রিয়া তোমার কি হলো।
রিয়াঃ এই তো প্রায় শেষ।
রিয়াদ ঃ একটু পরেই ওয়াস রুমের দরজার আওয়াজ পেলাম।সাথে সাথে তাকালাম। তাকালাম তো তাকালামি আর যেনো চোখ দুটো নামতে চাইছে না।রিয়া একটি টপস পরেছে হাটা কাটা।আর জিন্স।ওকে দেখে এবার সত্যিই ক্রাশ খেলাম।
রিয়াঃ এমন ভাবে তাকিয়ে কি দেখছেন।
রিয়াদ ঃ তোমাকে।
রিয়াঃ আমাকে মানে?
রিয়াদ ঃ তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে।
রিয়াঃ হুম হয়েছে এতো পাম্প দিতে হবে না।নিচে চলেন।
রিয়াদ ঃ হুম চলো।
আকাশ ঃ রিয়াদের হয়তো দেরি হবে চলো আমারা নাস্তা টা করে ফেলি।
তানিয়াঃ দেরি হবে না ওই তো দেখো ওরা আসতেছে।
আকাশ ঃ উপরে তাকালাম।আমার চোখ আটকে গেলো রিয়ার দিকে একে তো ফরসা তার ওপর হাতা কাটা টপস।পুরো পরির মতো লাগছে।ওর দিকে তাকিয়েই থাকলাম।
রিয়াদঃ টেবিলের সামনে এসে দেখি আকাশ ভাইয়া রিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে পলক হিন ভাবে।আমি তাকে ডাকলাম।আকাশ ভাইয়া, এই আকাশ ভাইয়া।
আকাশ ঃ রিয়াদের ডাকে আমার হুস ফিরলো।হে বলো।
রিয়াদ ঃ এমন ভাবে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছো কেনো।
আকাশ ঃ না মানে তোমাদের অনেক সুন্দর লাগছিলো তাই আর কি।( বুক একে বারে জ্বলে পুরে যাচ্ছে ওদের এক সাথে দেখে)
রিয়াদ ঃ ও আমি তো ভাবলাম অন্য কিছু।বলেই বসলাম।আমার পাশে রিয়া বসলো।
রিয়াঃ উপর থেকেই দেখছি এই বেটা লুচু টা আমার দিকে কেমন করে তাকিয়ে আছে।এখনো লুকিয়ে লুকিয়ে দেখছে। কি রকম লুচু হলে একটা মানুষ বউ রেখে আরেক জনের বউ এর দিকে তাকিয়ে থাকে।
তানিয়া আপুঃ তোরা এতখনে এলি।তোদের জন্য কখন থেকে বসে আছি।আর রিয়া তুমি এই ড্রেসে কেনো।কোথাও যাবে নাকি।
রিয়াদ ঃ আপু ও আজ থেকে আমার সাথে অফিসে যাবে।
তানিয়া আপুঃ একি কথা বাড়ির বউ অফিসে কেনো যাবে।
রিয়াদঃ আসলে ও তো আমার পি এ ছিলো। তাই সমস্ত ইমপোরটেন্ট কাজ ও করতো।এখন ওকে ছাড়া ঐ সমস্ত কাজ করা মুসকিল হয়ে পরেছে।তাই ওকে সাথে নিয়ে যাচ্ছি।
তানিয়া আপুঃ ও।রিয়া তোমার ঘারে ওটা কিসের দাগ।
রিয়াঃ আপু দেখে ফেলল।এখন আমি কি বলি।খুব লজ্জা লাগছে।সব এই জলহস্তী' টার জন্য হয়েছে।
তানিয়া আপুঃ এটা আমি কি বলে ফেললাম।আমারি লজ্জা করছে।
আকাশ ঃ রিয়ার দিকে তাকালাম।আমার তো পুরো শরীর কাপছে রাগে।তারমানে রিয়াদ রিয়া কে(😤😤😤)
রিয়াদ ঃ কথা টা ঘুরাতে হবে।আপু তোমাদের একটা কথা বলার ছিলো।
তানিয়া আপুঃ কি কথা বল।
রিয়াদ ঃ আমাদের মালোশিয়া তে একটা কোম্পানি আছে এটা তো যানোই।আর ঐ খানের ইমপ্লই গুলা খুব কাজ চোর হয়ে গেছে।আমার তো কয়েক দিন পর পর ঐখানে যাওয়া আবার এখানকার কাজ গুলো সামলানো খুব কঠিন হয়ে পরেছে।তাই আমি বলি কি তুমি আর আকাশ ভাইয়া ঐদিক টা সামলাও।আর আমি এই দিক টা।
আকাশ ঃ না না আমি রিয়া কে রেখে মালোশিয়া যাবো না।( মুখ ফসকে কি বলে ফেললাম)(কথা ঘুরানোর জন্য) না মানে তোমাকে রিয়া কে ছেড়ে আমরা কোথাও যাবো না।তোমরা একা একা কিভাবে থাকবে।
রিয়াদ ঃ ( যানতাম আকাশ ভাইয়া যেতে চাইবে না)আকাশ ভাইয়া আমারা একা হলাম কখন আমাকে দেখার জন্য রিয়া আর রিয়া কে দেখার জন্য আমি আছি তো।তাছাড়া আপনি তো এর আগে ও যেতে চেয়েছিলেন ঐখানে।কিন্তু আপু যায় নি আমি একা বলে।কিন্তু এখন তো রিয়া আমার সাথে আছে।তাছাড়া খালা মনি আপনাদের দেখতে চেয়েছে।যদি আপনারা না যেতে চান তাহলে ও কোনো সমস্যা নেই আমি আর রিয়া না হয় চলে যাবো।
তানিয়া আপুঃ তোদের যাওয়ার দরকার নেই।আমরাই যাবো মালোশিয়া। তাছাড়া আমারও খালামনি কে দেখতে খুব ইচ্ছে করছে।তুমি কি বল আকাশ।
আকাশ ঃ আমি আর কি বলবো তোমরাই যখন সব ঠিক করে ফেলেছো তখন তাই করো।বলে বেরিয়ে গেলা ব্রেকফাস্ট টা ও ঠিক মতো করলাম না।
তানিয়া আপুঃ কি ব্যাপার ব্রেকফাস্ট পুরো টা শেষ করে যাও।
আকাশ ঃ আর ভালো লাগছে না।
রিয়াদ ঃ কেনো ভালো লাগছে না তা আমি খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছি।
তানিয়া আপুঃ রিয়াদ আমাদের তো ভিসা পাসপোর্ট কিছুই নেই।আমরা কি করে যাবো?
রিয়াদ ঃ আমি সব কিছুর ব্যবস্থা করছি তিন মাসের মতো সময় লাগবে।
রিয়াঃ ভালোই হবে লুচু টা বাড়ি ছাড়া হবে।অন্তত লুচু টার অস্ভতা তো আর সহ্য করতে হবে না।
তানিয়া আপুঃ মালোশিয়া চলে গেলে তোদের খুব মিস করবো।
রিয়াঃ আমি আপনাকে অনেক মিস করবো আপু।(😭😭😭😭)
রিয়াদঃ তোমার কি নাস্তা করা শেষ।
রিয়াঃ হুম।
রিয়াদ ঃ তাহলে চলো যাওয়া যাক।
রিয়া ঃ হুম।
আকাশ ঃ রিয়া কে আকাশের পাশে দেখতে আমার সহ্যই হচ্ছে না।রিয়াদ কে যে করেই হক রিয়ার জীবন থেকে সরাতে হবে।আমাকে তারানোর জন্য মালোশিয়া পাঠানো হচ্ছে।ঠিক আছে চলে যাবো কিন্তু যাওয়ার আগে এরকম কিছু করে যাবো যাতে রিয়া আর রিয়াদ এক সাথে থাকতে না পারে( হাসি দিয়ে)
গাড়ির সামনে আসলাম।
রিয়াদঃ আকাশ ভাইয়া আপনি এখনো যাননি।
আকাশ ঃ না তোমাদের সাথে যাবো তাই ওয়েইট করছিলাম।
রিয়াদ ঃ ও আচ্ছা চলেন।
আকাশ ঃ রিয়া কে রিয়াদের পাসে বসতে দেবো না।তাই আমি সামনে যেয়ে বসলাম।কারন রিয়াদ ড্রাইব করবে।
তানিয়া আপুঃ তোমার কি কখনো বুদ্ধি হবে না।তুমি সামনে কেনো বসেছো।ওদের এক সাথে বসতে দেও।
আকাশ ঃ (উফ এই মেয়ে টা একে বারে অসহ্য। আমার জীবন টা একে বারে হেল করে দিলো)ঠিক আছে পিছনে চলে গেলাম।
অফিসে এসে পরলাম সবাই। সবাই সবার কেবিনপ চলে গেলাম।।আসার সময় খেয়াল করাল আকাশ লুচু টা আমার দিকে বার বার তাকাচ্ছিলো।
রিয়াঃ কেবিনে বসে আছি তখন তমা আসলো।আর এসেই আমাকে জরিয়ে ধরলো।আমি ও ধরলাম।
তমাঃ রিয়া তোমাকে আমি এই কয়েক দিন অনেক মিস করেছি।
রিয়াঃ কয়েক দিন মানে কি মাএ তো দুদিন।আর আমি ও তোমাকে অনেক মিস করছি।
তমাঃ তুমি না বললে আসবে না।
রিয়াঃ হুম আসবো না তো বলেছিলাম কিন্তু আপনাদের রিয়াদ স্যারের জন্য আসতে হলো।
তমাঃ রিয়াদ স্যারের জন্য আসলে মানে?(😱😱)
রিয়াঃ কাওকে বলবে না তো প্রমিস করে।
তমাঃ ওকে প্রমিস করলাম।
রিয়াঃ তাহলে শুনো,তমাকে সব বললাম কি ভাবে বিয়ে হলো এখন কোথায় আছি সব।সুধু মাএ তমা কেই বললাম।কারন ওকে ছাড়া এই অফিসের কাউকে বিশ্বাস করিনা।
তমাঃ কি সত্যি স্যার তোমাকে বিয়ে করেছে।আমি খুব খুশি আজ।আমাকে কিন্তু ট্রিট দিতে হবে।
রিয়াঃ এতো খুশি হওয়ার কিছু নেই।এই জলহস্তী' টার জন্য আজ আমার পরিবার আমাকে ভুল বুঝলো।(😢😢😢)
তমাঃ জলহস্তী' কে?(অবাক হয়ে)
রিয়াঃ কে আবার তোর স্যার।
তমাঃ হাহাহা।উনি কিন্তু তোমার স্বামি।ওনাকে সম্মান করবে বুঝছো।
রিয়াঃ সম্মান করবো না ছাই।ওনার জন্যই তো আমি এখন বাবার কাছে ছোট হলাম।
তমাঃ চিন্তা করো না স্যার সব কিছু ঠিক করে দিবে।
রিয়াঃ হুম(😞😞😞)
তমাঃ রিমি মেডাম যদি যানতে পারে তোমার আর রিয়াদ স্যারের বিয়ে হয়েছে। তাহলে সে নির্ঘাত হার্ট এটাক করবে।আমি এখনি বলে আসতেছি তাকে।
রিয়াঃ এই না না আমি না তোমাকে প্রমিস করিয়েছি।আমি সময় হলেই সবাই কে বলবো
তমাঃ ওকে।কিন্তু যখন রিমি মেডাম যানবে তখন তার কি অবস্থা হবে ভাবতেই হাসি আসতেছে।(😝😝😝)
কে যেনো কল করলো।
রিয়াঃ হ্যালো।
রিয়াদঃ আমার কেবিনে এসো।
রিয়াঃ ওকে।কলটা কেটে দিলাম।
তমাঃ কে ফোন করলো।
রিয়াঃ কে আবার তোমার স্যার।
তমাঃ অফিসে আসলে সবে মাএ ১০ মিনিট হলে।আর এখনি এতো মিস করছে।বলতে হবে তুমি খুব লাকি।স্যারের মতো একটা হাসবেন্ড পেয়েছো(হাসতে লাগলাম।)
রিয়াঃ তুমি যে কি বল না।আমি আসি এখন পরে কথা বলবো।চলে আসতেছি।
তমাঃ এই রিয়া দারাও তো।তোমার ঘারে এটা কিসের দাগ।?
রিয়াঃ তমা ও দেখে ফেলল।এখন কি বলি।সব দোষ বজ্জাত জলহস্তী' টার।না আসলে এটা,,,,,,,
তমাঃ থাক আর বলতে হবে না আমি বুঝে ফেলেছি।আর কথা না বাড়িয়ে স্যারের কাছে যাও দেখো এবার কোথায় দাগ বসিয়ে দেয়( বলে মিটিমিটি হাসতে লাগলাম)
রিয়াঃ লজ্জায় আর দারালাম না।সোজা উনার কেবিনে চলে আসলাম।
আসবো?
রিয়াদ ঃ হে আসো।তোমার কি এখনো অনুমতি নিয়ে আমার কেবিনে আসতে হবে।
রিয়াঃ হে আসতে হবে। কারন এখানে আপনি আমার স্যার আর আমি আপনার অফিসের সাধারণ কর্মকর্তা।কেনো ডেকেছেন এই টা বলেন।(কিছু টা বিরক্তিকর ভাব নিয়ে)
রিয়াদঃ হে আসল কথায় আসি।
তোমার আজ থেকে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।
রিয়া ঃ কিসের নিয়ম।?(অবকা হয়ে) আমি তো অফিসের সব নিয়ম কানুন মেনে চলি।
রিয়াদ ঃ আরে এটা অফিসের নিয়ম না।
রিয়াঃ তাহলে।
রিয়াদ ঃ এটা হচ্ছে সুধু আমার আর তোমার নিয়ম।তাহলে শুনো।প্রথম রুলস আজ থেকে প্রতিদিন কম পক্ষে ২ টা করে কিস দিতে হবে।সকালে আর রাতে।আর এর মধ্যকার সময়ে আমার যত গুলা ইচ্ছে তোতো বার দিবো। তুমি না দিতে চাইলে আমি জোর করে নিবো।।দ্বিতীয় রুলস হচ্ছে প্রতিদিন রাতে আমাকে জরিয়ে ধরে ঘুমাতে হবে।এমন ভাবে জরিয়ে ধরতে হবে যাতে করে আমাদের মাঝে একটি পিপড়া ও প্রবেশ করতে না পারে।তৃতীয় রুলস হচ্ছে প্রতিদিন আমাকে নিজ হাতে লান্চ করিয়ে দিতে হবে।
আমার কোলে বসে খাওয়াতে হবে।আর হচ্ছে।থাক আজ এই পর্যন্তই বললাম বাকি টা অন্য এক দিন বলবো।এবার বলো তুমি কি আমার রুলস গুলা মানতে রাজি( দুষ্টমি হাসি দিয়ে।)
রিয়াঃ তার কথা গুলো মন দিয়ে শুনলা।শোনার পর আমি তো একদম পাথর হয়ে গেছি। এসব বলছে টা কি উনি। পাগল টাগল হলো নাকি।চুপ করে আছি।
রিয়াদ ঃ কি হলো বলো?
রিয়াঃ আমি আপনার কোনো রুলস মানতে পারবো না।
রিয়াদ ঃ ও রিয়েলি।
রিয়াঃ হুম।আপনি আমার দিকে আসতেছেন কেনো।
রিয়াদ ঃঃআমি কোথায় আসতেছি তুমিই তো পিছাচ্ছ।ওর একদম কাছে চলে গেলাম।এবার বলো তুমি কি রাজি।(😛😛😛)
রিয়াঃ উনি আমার একদম কাছে চলে আসলেন।এতোটাই কাছে চলে এসেছেন যে আমাদের মধ্যে এক ইঞ্চি ও ফাকা জায়গা নেই।আমার তো পুরো শরীর অবস হয়ে আসতেছে।নিশ্বাস ভাড়ি হয়ে যাচ্ছে।আমার মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হতে চাচ্ছে না।তবু ও কাপা কাপা গলায় বললাম, আমি বললাম তো আমি আপনার কোনো রুলস মানতে পারবো না।
রিয়াদ ঃ ও তাই।এবার ওর পেতে হাত রাখলাম।মুখটা ওর ঘাড়ের কাছে নিয়ে গেলাম।গলায় একটা চুমু দিলাম।এবার বলো মানবে কি না।
রিয়াঃ উনি আমার গলায় চুমু দিলেন।তার স্পর্শে আমার পুরো শরীর কেপে উঠো।আমি থরথর করে কাপছি। চোখ দুটো বন্ধ করে নিলাম।আমার কাপর খামচে ধরে আছি।তার প্রতিটা নিশ্বাসের শব্দ আমি শুনতে পাচ্ছি।আমি কিছু বলছি না চোখ বন্ধ করে চুপ করে আছি।
রিয়াদ ঃ রিয়া কিছু বলছে না।ও থরথর করে কাপছে তা আমি অনুভব করতে পারছি।আমি এবার আলতো করে ওর ঘাড়ে একটা কামড় বসিয়ে দিলাম।
রিয়াঃ হঠাৎ করে সে আমাকে কামড় দিলো।আমি আহ করে চিৎকার দিতে নিলাম।কিন্তু উনি আমার মুখ টা তার হাত দিয়ে ধরে ফেললেন।
রিয়াদ ঃ যানি চিৎকার করবে তাই মুখ টা ধরে ফেললাম।মুখ থেকে হাত টা সরিয়ে নিলাম।
রিয়াঃ আপনি কি রাক্ষস নাকি যে এভাবে কামড় দেন।বললাম তো আমি আপনার রুলস গুলো মানবো না।
রিয়াদ ঃ ঠিক আছে তোমার মানতে হবে না।এই বলে ওর ঠোঁট গুলোর দিকে এগুচ্ছি।
রিয়াঃ উনি কি করতে চাইছেন আমি তা বুঝতে পেরে তারা তারি বলে ফেললাম।হে হে আমি রাজি আপনি যা বলবেন আমি তাই করবো।আপনার রুলস গুলো ও আমি মেনে চলবো( কথা গুলো এক নাগারে বলে ফেললাম।)
রিয়াদ ঃ গুড গার্ল।আরেক টা চুমু দিয়ে ছেড়ে দিলাম।তুমি তো রুলস গুলো মেনে নিলে তাহলে রুলস মতাবেক এখন তো আমি একটা চুমু পাওনা।চুমু টা দিয়ে দেও।(মুচকি হাসি দিলাম)
রিয়াঃ কি বলছেন কি আপনি এতো গুলো চুমু দিয়ে এখন বলছে আরো চুমু দিতে।
রিয়াদ ঃ হুম তা ও ঠিক। আচ্ছা এখন কার মতো আর দিতে হবে না।তুমি এখন যেতে পারো।
রিয়াঃ কথা না বাড়িয়ে চলে আসতে নিলাম। এমন সময়।
রিয়াদঃ তোমার ঘারের দাগের কারনে তোমাকে কিন্তু আরো সুন্দর লাগছে।
রিয়াঃ ইস উনি ও দেখে ফেলেছেন।পালিয়ে আসলাম ওনার কেবিন থেকে।উনি কি রাক্ষস যে কোথায় কোথায় কামড় দিবে।ইস এখানে ও দাগ বসে গেছে।ভালো ভাবে দেখা যাচ্ছে না। তবু ও কেউ যদি দেখে ফেলো।
রিয়াদ ঃ পাগলি একটা।
আকাশ ঃ কি ব্যাপার রিয়া আকাশের কেবিন থেকে এভাবে দৌড়ে বেরিয়ে আসলো কেনো।ওদের এভাবে দেখতে আমার একদম সহ্য হচ্ছে না।
রিয়াঃ তার জন্য শান্তি তে পাঁচ মিনিট বসে কাজ ও করতে পারছি না।একটু পর পর কেবিনে ডাকছে।।এখন আবার কেবিনে ডাক দিলো।
রিয়াঃ কি হলো আবার ডাকছেন কেনো।
রিয়াদ ঃ আমার জন্য কফি নিয়ে এসো।
রিয়াঃ এই নিন কফি।বলে চলে আসতেছি।
রিয়াদ ঃ কোথায় যাচ্ছ আমাকে খাইয়ে দেউ।
রিয়াঃ উফ যত সব ঢং।কি আর করার তাকে খাইয়ে দিলাম।খাইয়ে আমার কেবিনে চলে আসলাম।
রিয়াদঃ রিয়ার কেবিন আমার কেবিনের পাশেই।তাই ও কি করছে না করছে সব কিছুই দেখা যায়।রিয়ার উপর খুব রাগ হচ্ছে কেউ এত ছোট টপস পরে তাও হাটা কাটা।আকাশ ভাইয়া কিরকম ভাবে ওর দিকে তাকিয়ে আছে।রিয়ার এবারের কান্ড টা দেখে তো আমার মাথায় আগুন জ্বলে উঠলো।রিয়া একটি ফাইল উপরে রাখার জন্য ওর হাত দুটো উচু করলো।যার ফলে ওর টপস টা একটু উঠে গেলো।এতে ওর পেট দেখা যাচ্ছে।আকাশ ভাইয়া তো এবার ডেব ডেব করে ওর দিকে তাকিয়ে আছে।
লান্চের সময় রিয়া আসুক তখর ওর ক্লাস নিচ্ছি।ফাজিল একটা মেয়ে(😤😤😤😤)
চলবে।।।।।।।।।
এই গল্পের পাশাপাশি আরেক টা গল্প নিয়ে আসলে কি রকম হয় সবার মতামত আশা করছি