মাইন্ড হ্যাকিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মাইন্ড হ্যাকিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৯

দেমাগি মেয়ের অপমান

আগস্ট ২৯, ২০১৯ 0
দেমাগি মেয়ের অপমান ৮ম পর্ব লেখকঃ মোঃ আসাদ রহমান। "কোটচাঁদপুর" ঝিনাইদহ" নিচে নেমে দেখি দৃষ্টি মন খারাপ করে বসে আছে। আমি দৃষ্টির কাছে গেলাম। আমিঃকি ব্যাপার তোমার কি মন খারপ?? দৃষ্টিঃ ........... আমিঃকি হলো বলো,,এমন ভাবে বসে আছো কেনো?? দৃষ্টিঃ না তেমন কিছু হয়নাই... আমিঃকিছু একটা তো হয়েছে আমায় বলো প্লিজ সোনা বউ আমার। দৃষ্টিঃ আমার না আব্বু আম্মুর কথা খুব মনে পরছে,,আমি আব্বু আম্মুর সাথে অনেক অন্যায় করে ফেলেছি।আমি তাদের কাছে মাফ চাইবো,প্লিজ তাদের আমার কাছে এনে দে না। আমি মনে মনে বললাম তাদের সাথে একদিন খারাপ ব্যাবহার করে নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে কিন্ত্ আমার সাথে তো দিনের পর দিন খারাপ ব্যাবহার করেইছো আবার করেও দিচ্ছো সেই দিকে খেয়াল থাকে না।আসলেই তো পর তো পরই হয়.... আমিঃআচ্ছা আমি দেখি কি করতে পারি। দৃষ্টিঃ তোর কাছে আমি এটাই চাচ্ছি তুই প্লিজ তাদের আবার এই বাসায় ফিরিয়ে নিয়ে আয় না। আমিঃআচ্ছা আমি কালকেই তোমাদের গ্রামের বাসায় যাবো.... দৃষ্টিঃ কাল তো তোর যাওয়া হবে না.... আমিঃকেনো যাওয়া হবে না কেনো??? দৃষ্টিঃ কাল একটা মিটিং আছে আর আমাকে তোর হেল্প করতে হবে। আমিঃআচ্ছা মিটিং শেষ করে আমি কালকেই রওনা দিয়ে দিবো... দৃষ্টিঃ হ্যা ঠিক আছে,, আমিঃকিছু খেয়েছো?? দৃষ্টিঃ না খাইনি তবে খেয়ে নিবো আমাকে একবার জিজ্ঞাস করলো না,আমি খেয়েছি কিনা।থাক না জিজ্ঞাস করলো জিজ্ঞাস করলে আবার যদি মায়ায় পরে যায়।এমনিতেই যেই মায়াতে পরেছি সেটা থেকে বের হবো কি করে সেটাই জানিনা। বেশি মায়ায় জড়ালে,, আরো বেশি অপমান সহ্য করতে হবে।আমি জানিনা এর শেষ কবে হবে। আমি আমার রুমে চলে এলাম।কারন সকালে অফিসের কিছু কাজ এখন করে রাখবো তাহলে ফ্রি মাইন্ডে মিটিং এ মন দিতে পারবো। কাজ করতে করতে রাত প্রায় ১২টা বেজে গেছে। ঘুম পাচ্ছে খুব আমি দরজা না আটকিয়ে অল্প একটু খোলা রেখে কাজ করছিলাম হঠাৎ দরজার দিকে চোখ পড়তেই দেখি কিছুর একটার ছায়া দরজার সামনে থেকে সরে গেলো।কিসের ছায়া ছিলো সেটা দেখার জন্য আমি বাহিরে বের হলাম।কিন্তু বাহিরে কেও ছিলো না।রাত অনেক হয়েছে আর ঘুম পাচ্ছে তাই হয়তো ভুলভাল দেখেছি এতো কিছু না ভেবে ঘুমানোই উত্তম।তারপর রুমে গিয়ে শুয়ে পড়লাম।দৃষ্টিকে দেখতে ইচ্ছা করছিলো কিন্তু এতো রাতে দৃষ্টির রুমে গেলে দৃষ্টি হয়তো অনেক রেগে যাবে।থাক আজ আর যাবো না।অভ্যাস পাল্টাতে হবে দৃষ্টিকে দেখা ছাড়া থাকাতে হবে। কখন ঘুমিয়ে পরেছিলাম সেটা আমি জানিনা।সকালে কারো হাতের আলতো ছোয়ায় ঘুম ভাঙলো।চোখ খুলতে দেখি দৃষ্টি আমার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। আমিঃকি ব্যাপার তুমি এতো সকালে আমার রুমে কি করো?? দৃষ্টিঃ শুধু সকাল কি বলছো,আমি তো কাল রাত থেকেই এই রুমে ছিলাম... আমিঃমানে বুঝলাম না,, দৃষ্টিঃ তোর যে আবার জ্বর আসছে তুই বুঝতে পারছিলি নাহ?? আমিঃকই আমি যখন ঘুমাইলাম তখন তো আমি একদম ঠিক ছিলাম।। দৃষ্টিঃ ঠিক না ছাই,,কাল রাতে আমি পানি খেতে বাহিরে বের হয়েছিলাম,পানি খাচ্ছি তখন দেখি তোর রুম থেকে আওয়াজ আসছে।আমি শুনতে এলাম তোর রুমের দরজা খোলা ছিলো তাই ভেতরে আসি,আর এসে দেখি তুই শুয়ে আবোল তাবোল এটা ওটা বলছিস।আমি কি যেনো কি মনে করে তোর শরীরে হাত দিয়ে দেখি তোর আবার জ্বর আসছে। আচ্ছা এক কাজ করিস অফিসে বিকালের দিকে যাস কেমন শুধু মিটিংয়ে জয়েন করলেই হবে। আমিঃকেনো সকালে যাবো না কেনো?? দৃষ্টিঃ ভালো কোনো ডাক্তারের কাছে যা,আর ভালো করে পরিক্ষা নিরিক্ষা করে আয়।কেনো দুদিন পর পর এমন জ্বর আসে। আমিঃআচ্ছা আমি তাহলে ডাক্তার দেখিয়ে অফিস চলে যাবো.... দৃষ্টিঃ হ্যা তাই করিস। আমি উঠতে যাবো তখন সেকি তুই উঠছিস কেনো?(দৃষ্টি ) আমিঃমা মানে গতকাল কিছু রান্না করিনাই তো..?তাই এখন রান্না করবো... দৃষ্টিঃ থাক তোকে আর রান্না করতে হবে না। তুই শুয়ে থাক,,, আমিঃআমি শুয়ে থাকলে খাবো কি?? দৃষ্টিঃ অই তো তোর ব.....নাহ কিছু না,,আমি রান্না করে নিয়ে আসছি তুই একটু বিশ্রাম নে।দৃষ্টি চলে গেলো। আমি এই মেয়ের মতিগতি কিছুই বুঝলাম না।এই আমার সাথে এতো ভালো ব্যাবহার করছে তারপর আবার খারাপ ব্যাবহার করে।আসলে এই মেয়ে আমার কাছে কি চাই,বা এই মেয়ে আমাকে কি দিতে চাই, দৃষ্টি আবার আসলো। দৃষ্টিঃ আচ্ছা তোর তো প্রিয় খাবার************তাই না??? আমিঃহ্যা তুমি জানলে কি করে?? দৃষ্টিঃ তোর আম্মু বলেছিলো... আমিঃঅহহ, দৃষ্টিঃ আচ্ছা তুই যা ফ্রেশ হয়ে আবার শুয়ে থাকবি আমিঃহু………………………… আমি উঠে ফ্রেশ হতে গেলাম। হঠাৎ করেই কেনো জ্বর আসলো সেটা আমার মাথাই আসছে না।ভালো ডাক্তার দেখাতেই হবে। ফ্রেশ হয়ে এসে আমি নিচে গেলাম। দৃষ্টি আমাকে দেখে শাসন করা শুরু করে দিলো। দৃষ্টিঃ আব্বে অই হাদারাম তুই অসুস্থ শরীর নিয়ে নিচে এলি কেনো?? আমিঃনা মানে উপরে ভালো লাগছিলো না। দৃষ্টিঃ কেনো?? আমিঃআমার সোনা বউ নিচে কি করছে না করছে সেটা দেখতে ইচ্ছা করছিলো। দৃষ্টিঃ দেখা হয়ে গেছে যা এবার রুমে যা। আমি;আর একটু থাকি না একটু। দৃষ্টিঃ নাহ একটুও না।যা বলছি তাই কর রুমে যা আমিঃআচ্ছা যাচ্ছি,,একটা কথা বলি?? দৃষ্টিঃ হ্যা বল আমিঃতোমাকে না আজ বউ বউ লাগছে,, আমার কথা বলতে দেরি না দৃষ্টির রুম পরিবর্তন করতে দেরি নাই। দৃষ্টি আমার দিকে রাগি লুক নিয়ে চেয়ে আছে। আমিঃঅই তুমি অমন ভাবে তাকিয়ে আছো কেনো? আমার তো ভয় ভয় করে। দৃষ্টিঃ তুই উপরে যাবি নাকি অন্য ব্যাবস্থা নিতে হবে। আমিঃআচ্ছা যাচ্ছি এএএএএএএএইই আর কিছু মনে নেই, আমি সিড়িতে দাঁড়িয়ে দৃষ্টির সাথে কথা বলছিলাম,হঠাৎ করেই আমার মাথা ঘুরে গেছিলো আমি নিজেকে আর সামলাতে পারছিলাম নাহ আমি পরে গেছিলাম তারপর আর কিছু মনে নেই। জ্ঞান ফিরতে দেখি আমি দৃষ্টিকে রুমে শুয়ে আছি,আর দৃষ্টি আমার হাত ধরে আমার পাশেই বসে আছে,,তবে দৃষ্টিকে দেখে মন মরা লাগছে. দৃষ্টিঃ আচ্ছা তুই এতো কেয়ারলেস কেনোরে?? আমিঃকেনো আমি কি করেছি??😭😭 দৃষ্টিঃ আবার বলছে কি করেছি?অই তুই কিভাবে চলাফেরা করিস হা।তখন অইভাবে পরে গেছিলি কেনো? আমিঃআর বলো না হঠাৎ করেই মাথাটা চক্কর দিয়ে উঠলো আর আমিও তাল সামলাতে না পেরে পরে গেলাম। দৃষ্টিঃ এই জন্য তোকে নিচে নামতে না করেছিলাম, ভাগ্য ভালো অল্প কিছুর উপর দিয়ে সব গেলো।যদি বড় ধরনের কিছু হয়ে যেতো?? আমিঃকি হবে? দৃষ্টিঃ সেটা আর শুনে কাজ নেই।আমি খাবার নিয়ে আসছি তুই খেয়ে নে। আমিঃএই দাড়াও দাড়াও তুমি এখনো বাসায় কেনো??আজ না অফিসের মিটিং আছে। দৃষ্টিঃ ছিলো সেটা অন্য দিন হবে। আমিঃকেনো কেনো?? দৃষ্টিঃ মিটিং আমার কাছে অততা বড় নই যে বাসায় আর বললো নাহ আমিঃবাসায় কি বলো দৃষ্টিঃ কিছু না আমি খাবার নিয়ে আসছি। আমিঃধুর ভালো লাগে না তুমি সব সময়য় আমার কাছে এটা ওটা লুকাও কেনো??? দৃষ্টিঃ তোর সেটা না জানলেও চলবে। ধুর বাবা দৃষ্টি চলে গেলো। কিছুক্ষণ পর দৃষ্টি খাবার নিয়ে এসে হাজির। দৃষ্টিঃ এই নে এইগুলো খেয়ে নে..... আমিঃতুমি খেয়েছো?? দৃষ্টিঃ পরে খাবো,আমাকে খাবার বেরে দিতে দিতে আমিঃআচ্ছা চলো না দুজন একসাথে খাবার খাই?? দৃষ্টিঃ তোর খাবার তুই খা,,আমি পরে খেয়ে নিবো বললাম না,, তারপরেও এতো কথা বলার কি আছে শুনি?? আমিঃনা মানে ভাবলাম একসাথে খাবো। দৃষ্টিঃ অই বেশি কথা বলিস না চুপচাপ খেয়ে নে তো... আমিঃআচ্ছা খাচ্ছি সব সময় আমাকে বকা কেনো দাও শুনি?? দৃষ্টিঃ আমার ইচ্ছা হয় তাই দেই তোর কোনো সমস্যা আছে তাতে?? আমিঃনাহ আমার কেনো সমস্যা হতে যাবে তুমি তো আমার সোনা বউ তোমার বকা গুলোর মধ্যেও ভালোবাসা মিশে থাকে। দৃষ্টিঃ উফফ থাম না একটু আর খেয়ে নে।আর শুন না ডাক্তার দেখিয়ে তুই আর আমি গ্রামে যাবো কেমন?? আমিঃকেনো তুমি যাবা কেনো? দৃষ্টিঃ আমি গিয়া সরাসরি আব্বু আম্মুর কাছে মাফ চাইবো... আমিঃআচ্ছা ঠিক আছে তাহলে আমরা আজ বিকালে যাচ্ছি দৃষ্টিঃ আগে তোকে ডাক্তার দেখাবো তারপর যাবে। আমি;আমি তো এখন ঠিক আছি,, দৃষ্টিঃ চুপ তুই ঠিক নেই। আমিঃআচ্ছা আমি একাই খাচ্ছি তুমি খাবে,,এইই বলে আমি হাতে খাবার নিয়ে দৃষ্টির মুখের সামনে নিলাম। হায় হায় এটা আমি কি দেখলাম দৃষ্টি গপ করে খেয়ে নিলো। আমি তো আরো একবার অবাক হলাম। দৃষ্টিও মনে হলো কিছুটা অবাক হয়েছে,, কি কি করলাম? দৃষ্টি বসে না থেকে লাজুক একটা ভাব নিয়ে চলে গেলো। আমি খেয়ে বেরিয়ে দেখি দৃষ্টি রেডি হয়ে গেছে সেই নীল শাড়ী। দৃষ্টিঃ আমাকে বললো নীল পাঞ্জাবি টা পড়তে। আমি কি আমার বউয়ের আবদার পূরন না করে পারি। আমি সাথে সাথে নীল পাঞ্জাবি পরে নিলাম।দৃষ্টি আমাকে বললো কিছু জামা কাপড় নিয়ে যেতে যদি সম্ভব হয় তাহলে ডাক্তার দেখিয়েই নাকি গ্রামের বাড়ি চলে যাবে। আমি কিছু জামা কাপড় সাথে নিয়ে নিলাম। ডাক্তার দেখালাম বললো তেমনন কিছু না সিজন চেঞ্জের জন্য এমন হচ্ছে,,কিছু মেডিসিন দিলো বললো ঠিক মত খেলেই নাকি সুস্থ হয়ে যাবো। দৃষ্টি ডাক্তারকে বললো দৃষ্টিঃ আচ্ছা এই হাদারামকে একটা ইঞ্জেকশন দেন তো। ডাক্তারঃকেনো দৃষ্টিঃ এনি না সময় মত কিছুই করে না আর ঔষধ খাবার বেলায় তো আরো বাহানা। ডাক্তার আমাকে বললো আচ্ছা ম্যাম যা বলছে তা কি সত্যি আমিঃইয়ে না মানে..... ডাক্তারঃএটা কিন্তু অনেক খারাপ সময় মত ঔষধ গুলো খাবেন। আমিঃহ্যা আচ্ছা খাবো ডাক্তারঃকিছু মনে না করলে একটা কথা বলি?? আমিঃহ্যা বলেন, ডাক্তারঃআপনাদের দুজনকে তো ভালোই মানিয়েছে তবে কিছুর একটা অভাব আছে আমিঃকিসের অভাব ডাক্তারঃএকটা ছোট ছেলে বা মেয়ের আমি তখন মজা করে দৃষ্টিকে বললাম কি গো তোমাকে কতবার বলেছিলাম আমাকে একটা মেয়ে দাও কিন্তু তুমি দাওনি।দেখলে এখনো আমাদের পরিবার সম্পূর্ণ হয়নি। কথাটা দৃষ্টিকে রাগানোর জন্য বললাম। কিন্তু একি দৃষ্টি একটু রাগ করলো না।দৃষ্টিকে দেখে মনে হলো দৃষ্টি আমার কথা শুনে কিছুটা লজ্জা পেয়েছে,আর অনেক খুশি হয়েছে। দৃষ্টিঃ এইসব কথা পরে বলবো এখন চলো অনেক দূর যেতে হবে। আমি আরো একবার অবাক হলাম দৃষ্টি আমাকে তুমি করে বললো বলে। আমি তো খুশি মনে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বের হলাম গাড়িতে গিয়ে বসার পর আমার উপর শুরু হলো নির্যাতন... দৃষ্টিঃ অই তুই তখন কি যেনো বলছিলি?? আমিঃকি বললাম আমি? দৃষ্টিঃ আমি তোকে বাচ্চা দিবো তাই না,কোনো দিন পাবি না তুই... আমিঃঅমন করো কেনো বলছো স্ত্রীর অধিকার দাওনা সেটা ঠিক আছে,,কিন্তু আব্বু ডাক শোনার সুযোগ তো দাও। দৃষ্টিঃ উফফ তুই চুপ কর তো(খেয়াল করলাম লজ্জায় আমার বউটার মুখ একদম লাল হয়ে গেছে। আমিঃকি গো বউ বলো কিছু দৃষ্টিঃ এখন আমি গাড়ি চালাবো তুই একদম চুপ থাকবি একটাও কথা বলবি না। আমিঃকথা বললে কি হবে শুনি?? দৃষ্টিঃ আমি তোকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিবো... আমিঃতোমাকে আর কষ্ট করতে হবে না,আমি একাই নেমে যাচ্ছি দৃষ্টিঃ এই না না তুই কথা বল,কিন্ত প্লিজ বউ বাচ্চা এই সব নিয়ে কিছু বলবি না, আমিঃআচ্ছা বলবো না আমি অন্য কিছু বলবো না। দৃষ্টিঃ হ্যা ঠিক আছে,,অনেক ভালো হবে তাহলে দৃষ্টি গাড়ি চালাতে শুরু করে দিছে,, ঢাকা থেকে বেরিয়ে গেছি এখন রাস্তা প্রায় জ্যাম মুক্ত। খুব ভালো লাগছে।আমি চুপচাপ সেগুলো দেখছি হঠাৎ দৃষ্টি বললো অই তুই এতো চুপ হয়ে গেলি কেনো?? আমিঃকি বলবো তুমি তো চুপচাপ থাকতে বললে।। দৃষ্টি তাই বলে এতো চুপ হয়ে যাবি,কিছু তো বল। আমিঃনা থাক তুমি গাড়ি চালাও,,আমি প্রকৃতি দেখি দৃষ্টিঃ প্লিজ একদম চুপ হয়ে যাস না।আচ্ছা তোর যা খুশি বল তবুও এমন চুপ থাকিস না। আমি;না এমনি খুব ভালো লাগছে,কথা বলতে গিয়ে কখন কি বলে ফেলবো আর তুমি সেটা নিয়ে রাগ করবে।তার থেকে ভালো চুপচাপ আমরা গ্রামে চলে যাই।বাসায় গিয়ে তো তোমাকে ডিস্টার্ব করবো। রাস্তায় না হয় তোমাকে ডিস্টার্ব নাই করলাম। দৃষ্টিঃ তার মানে তুই কথা বলবি না তো... আমিঃএখন আর না, দৃষ্টি গাড়ি রাস্তার একপাশে দাড় করালো, আমিঃএই তুমি গাড়ি দাড় করালে কেনো?? দৃষ্টি কিছু না বলেই গাড়ি থেকে নেমে গিয়ে রাস্তার একপাশে দাঁড়ালো। কি হলো মেয়েটার আমি গাড়ি থেকে নেমে দৃষ্টির কাছে গেলাম। আমিঃকিহলো তুমি এখানে দাঁড়ালে কেনো?? দৃষ্টিঃ আমার ইচ্ছা হয়েছে তাই দাঁড়িয়েছি। আরে এই মেয়ে এতো রেগে গেছে কেনো আমিঃএই তুমি কি রাগ করেছো?? দৃষ্টিঃ জানিনা তার মানে রেগে গেছে আমি তো কিছু করিনাই তাহলে এই মেয়ে এতো রেগে গেলো কেনো তবে একটা বিষয় রাগলে দৃষ্টিকে সেই ডাইনি ডাইনি লাগে চলবে

দেমাগি মেয়ের অপমান

আগস্ট ২৯, ২০১৯ 0
দেমাগি মেয়ের অপমান ৭ম পর্ব লেখক:মোঃ আসাদ রহমান কোটচাঁদপুর"ঝিনাইদহ দৃষ্টিঃ অই তুই পেয়েছিস কি শুনি?তুই আমার উপর অধিকার বোধ ফলাতে আসবি না,,বলে দিলাম।আর আমি কি তোর কথা মত চলবো নাকি?গাইয়া পোলা দূর হবি আমার সামনে থেকে,, আমিঃদেখো তুমি এখন আমার বিয়ে করা সোনা বউ,আর আমি না কোনো স্বামী কি চাইবে তার স্ত্রী ছোট ছোট জামা পরে বাহিরে বের হোক।তুমি এই জামা পরে বের হলে লোকে তোমার দিকে খারাপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবে যেটা আমার ভালো লাগবে না দৃষ্টিঃ তোর ভালো লাগা না লাগাই আমার কিছু যায় আসে না।আমি এখন এটা পরেই বের হবো পাড়লে আটকিয়ে দেখা কেমন। আমিঃশুনো তোমাকে আটকাতে পারবো না এটা আমি খুব ভালো ভাবেই জানি,,কিন্তু তারপরেও তোমাকে আমি অনুরোধ করছি তুমি প্লিজ এই জামা পরে বের হয়ো না।তুমি তো বাঙলী নারী তোমাকে শাড়িতে অনেক ভালো মানায় তুমি শাড়ি পরে বাহিরে যাও।দেখবে তোমারো ভালো লাগবে আর অন্য লোক তোমার দিকে খারাপ নজরে তাকাবে না। দৃষ্টিঃ এই তোর এই গ্রাম্য ভাষণ বন্ধ কর আর আমার সামনে থেকে সড়... আমিঃতাহলে তুমি এই জামা পরেই বের হচ্ছো?? দৃষ্টিঃ হ্যা এই জামা পরেই বের হবো তোর কোনো সমস্যা?? আমি আর কিছু বললাম না বলেও লাভ কি শুধু শুধু অপমানিত হবো নাকি?? তার থেকে ভালো দৃষ্টি যেভাবে যেতে চাই যেতে দেই।একদিন নিজের ভুল নিজেই বুঝতে পারবে। তা দৃষ্টির সামনে থেকে আমি সরে গেলাম আর দৃষ্টি হাতে গাড়ির চাবি নিয়ে বের হয়ে গেলো.... আমি বসে পড়লাম নিজেকে খুব একা লাগছে। আমি বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও আজো বউকে আপন করে পেলাম না ।। আর এতো বড় বাসায় আমি এখন একা কার ভালো লাগে এইভাবে একা বসে থাকতে।দৃষ্টি চলে গেছে অনেকক্ষণ হয়ে গেছে আমি বসে ছিলাম।হঠাৎ দৃষ্টির বলা কথা গুলো মনে পড়লো দৃষ্টি আমাকে বলেছিলো যে এখন থেকে নাকি আমাকেই রান্না করে খেতে হবে.... হারামি বউ এতো কিউট একটা স্বামী তাকে দিয়ে রান্না করাবে।অন্য মেয়েকে বিয়ে করলে সেই মেয়ে মেয়ে আমাকে মাথায় তুলে নাচতো।আর এনি তো আমাকে পিষে মারতে চাচ্ছে।যাই হোক দৃষ্টি যেহেতু বলেছে সেহেতু আমাকেই রান্না করে খেতে হবে।তাছাড়া কোনো উপায় নেই।নিজের রান্না নিজে না করলে না খেয়ে মরতে হবে।আমি রান্না ঘরে চলে গেলাম,,আমি গ্রামে যখন ছিলাম আম্মুর পাশে বসে থাকতাম রান্না দেখতাম অনেক কিছু শিখেছি,,আমি ভাত রান্না করলাম জানিনা কেমন হয়েছে?? তারপর ডিম ভাঁজলাম অহহ হ্যা ডিমের জন্য পেয়াজ কাটতে গিয়ে আমার আঙুল বেচারা কেটে গেছে অনেক রক্ত বের হয়েছে বাহিরে বের হয়ে একটা কাপড় দিয়ে কাটা যায়গা ভালো করে বেধে নিয়েছিলাম তারপর ডিম ভাজি করেছিলাম। রান্না করতে করতে রাত ৯টা৩০ বেজে গেছে।তখনো দৃষ্টি বাসায় ফিরেনি... ৯টা৪৭ এ কলিং বেলের শব্দ শুনতে পেলাম খলে দেখি আমার দেমাগি বউ দাঁড়িয়ে আছে। দৃষ্টি আমাকে কিছু না বলে ভেতরে চলে আসলো দৃষ্টির হাতে খাবার ব্যাগ ছিলো দুটো। কিন্তু দুটো কেনো সেটা মাথায় আসছিলো না। দৃষ্টি খাবারের প্যাকেট গুলো রেখে উপরে চলে গেলো ১০ মিনিট পর আবার ফিরে আসলো।এসে খাবার টেবিলে বসে পড়লো। দৃষ্টিঃ কিরে অই ভাবে দাঁড়িয়ে আসিস কেনো?? আমিঃনাহ এমনি দৃষ্টিঃ কিছু খেয়েছি?? আমিঃনাহ খাইনি খাবো... দৃষ্টিঃ আচ্ছা আয় খেতে আয়!!আমি আমার রান্না করা ভাত আর ডিম ভাজি নিয়ে খাবার টেবিলে চলে গেলাম। দৃষ্টিঃ কিরে তোর হাতে অই গুলো কি?? আমিঃতুমি তো বলেছিলে আজ থেকে নাকি আমার খাবার আমাকে রান্না করে খেতে হবে,,তাই তো রান্না করলাম। দৃষ্টিঃ আচ্ছা তোর খাবার গুলো কালকে খেয়ে নিস কেমন।আজ আমি যেগুলো নিয়ে এসেছি সেই গুলো খাবি ওকে... আমি;কিন্তু আমি যে রান্না করলাম?? দৃষ্টিঃ কাল সকালে খেয়ে নিস... আমিঃআচ্ছা ঠিক আছে,, দৃষ্টি নিজের হাতেই খাবার গুলো বেড়ে দিলো,, কিন্তু আমি তো হাত কেটে ফেলেছি খাবো কি করে??? চামচ দিয়ে খাওয়ার অভ্যাস আমার নেই। আমি খাবার গুলো সামনে নিয়ে বসে আছি. দৃষ্টিঃ কিরে তুই অমন ভাবে বসে আছিস কেনো?? আমিঃনা এমনি দৃষ্টিঃ তখন বললো কিরে তোর হাতে কাপড় বাধা কেনো শুনি?? আমিঃনা মানে পিয়াজ কাটতে গিয়ে হাত কেটে ফেলছি... দৃষ্টিঃ উফফফ একটু দেখে শুনে কাজ করবি তো। আমিঃআমি কি জানতাম সে হাত কেটে যাবে হঠাৎ করেই কেটে গেলো।। দৃষ্টিঃ ভালো হয়েছে এখন থাক না খেয়ে,, আমিঃএই তুমি আমাকে খাইয়ে দিবে?? দৃষ্টিঃ না আমি পারবো না। আমি আর কিছু বললাম না যে মেয়ে আমাকে সহ্য করতে পারে না সেই মেয়ে আমাকে খাওয়ে দিবে এটা স্বপ্নে ভাবা হয়তো ঠিক হবে। দৃষ্টিঃ তোর কি খুব খিদে পেয়েছে?? আমিঃহ্যা খুব দৃষ্টিঃ আচ্ছা এই নে হা কর(আমার দিকে খাবার এগিয়ে দিয়ে) আমি গপ করে খেয়ে ফেললাম। কিন্তু ভেবে পাচ্ছিলাম না দৃষ্টি কেনো আমাকে খাইইয়ে দিলো। দৃষ্টি আমাকে খাইয়ে দিচ্ছে আর আমি খাচ্ছি অনেক রোমান্টিক একটা মোমেন্ট ছিলো। দৃষ্টিঃ অই তুই আবার এটা ভাবিস না খাইয়ে দিচ্ছি বলে আমি তোকে ভালোবাসি আসলে তুই না খেয়ে থাকবি সেটা আমার কেমন জানি লাগছিলো তাই খাইয়ে দিলাম।যা এবার রুমে যা আমিঃতুমি কি করবে। দৃষ্টিঃ অফিসের কিছু কাজ আছে সেগুলো শেষ করে আমিও যাবো আমি;আচ্ছা তাড়াতাড়ি এসো কিন্তু?? দৃষ্টিঃ তোর কাছে শুনে যাবো নাকি?? যাহ এখন এইখানে থেকে ভাগ বুঝিনা এই মেয়ে এই ভালো ব্যাবহার করে আবার এই খারাপ ব্যাবহার করে আসলে এই মেয়ে চাইকি?? আমি রুমে চলে আসছি। দৃষ্টিও চলে আসলো কিছুক্ষণ পর এসে দৃষ্টিঃ কিরে তুই আমার বিছানায় শুয়ে আছিস কেনো?? আমিঃবারে এটা তোমার একার বিছানা নাকি এটা তো আমারো বিছানা... দৃষ্টিঃ দেখ ভুলেও এই কথা ভাববি না এটা শুধু মাত্র আমার একার বিছানা।এই বিছানায় আমি একাই থাকবো একা। আমিঃকেনো আমি থাকলে সমস্যা কোথায়?? দৃষ্টিঃ সেটা তুই বুঝবি না,আর তুই আজ থেকে অন্য রুমে গিয়ে ঘুমাবি,,এই রুম থাকতে পারবি না... আমিঃকিন্তু আমার তো তোমাকে ছাড়া ভালো লাগে না দৃষ্টিঃ উফফ তোর ন্যাক ন্যাকা কথা বন্ধ করবি।যা এখন এইই রুম থেকে বের হয়ে, যা। আমি;না আমি বের হবো না?? দৃষ্টিঃ তুই বের হবি না তোর ঘাড় বের হবে।এই বলে দৃষ্টি একপ্রকার জোড় করে আমাকে রুম থেকে বের করে দিলো।বেড় করে দেওয়ার পর দৃষ্টি রুমের দরজা বন্ধ করে দিলো। কি আর করার পাশের রুমে গিয়েই আজকে ঘুমাতে হবে।বউতো সাথে থাকতে দিলো না।পাশের রুমে গিয়ে শুয়েছি কিন্ত কিছুতেই ঘুম আসছে না বার বার দৃষ্টিকে দেখতে ইচ্চা করছে।এতোদিন তবুও আমি মাঝ রাতে ঘুম থেকে উঠে দৃষ্টিকে দেখেছি,,কিন্তু আজ থেকে সেটা আর হবে না।এই কথা যখন ভাবছিলাম বুকের মধ্যে কেমন জানি করে উঠছিলো।কিন্তু কোনো উপায় তো নেই।ঘুমহীন কাটলো সারারাত সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে নিলাম।আমি উঠে দেখি দৃষ্টি রান্না করছে,,আমি কিছু বললাম না মানে দৃষ্টিকে শুধু শুধু বিরক্তা করবো না যে নিজেই চাই না,,আমি তাকে কেনো বিরক্ত করবো।আমি আমার রান্না করা বিরিয়ানি থুক্কু ভাত আর ডিম ভাজি নিয়ে খেতে বসে পড়লাম।যেই একটু মুখে দিয়েছি মনে হলো এর থেকে অখাদ্য আর হয়না।ডিম ভাজিতে প্রচুর লবন হয়েছে,,,যার ফলে খাওয়া যাচ্ছে না।কিন্তু কিছুই করার নাই তো নিজের খাবার নিজের জন্য রেঁধেছি অখাদ্য হলেও খেতে হবে,আর না খেলে মরে ভূত হতে হবে,,কোনো রকম খাওয়া দাওয়া শেষ করে আমি অফিসের জন্য রেডি হলাম„„,রেডি হয়ে এসে দেখি দৃষ্টি খাচ্ছে। আমিঃএই তুমি অফিস যাবে না?? দৃষ্টিঃ হ্যা যাবো তো... আমিঃতাহলে দুজন একসাথে যাবো কি বলো?? দৃষ্টিঃ তুই কি করে ভাবলি আমি তোকে আমার সাথে অফিস নিয়ে যাবো শুনে যদি তুই ভেবে থাকিস আমি তোকে আমার সাথে অফিস নিয়ে যাবো তাহলে তুই ভুল ভেবেছিস.... আমিঃকেনো ভুল ভাববো কেনো??? দৃষ্টিঃ তোর মত গাইয়া একটা ছেলেকে কি আমি আমার সাথে করে অফিস নিয়ে যাবো নাকি শুনি?? যা এখন সামনে থেকে দূরে যা। আমি বুঝি না দৃষ্টি এমন করে কেনো?? আমি কি কোনো দোষ করেছি?? চলে এলাম বাসার বাইরে।একটা রিক্সা নিলাম বাসা থেকে অফিস যেতে ২০ মিনিট লাগলো। অফিস গিয়ে নিজের কাজে মন দিলাম।এখন আমি অফিসের প্রায় সব কাজ কম বেশি পারি।এজন্য অফিসের সকলের কাছে প্রিয় হয়ে উঠতে বেশি সময় লাগেনি।এখন বাসা টু অফিস-----আর অফিস টু বাসা এইভাবেই চলতে লাগলো আমাদের দিনকাল তবে এখন দৃষ্টি আগের তুলনায় আমার উপর বেশি বিরক্ত বোধ করে।আগে তবুও জিজ্ঞাস করতো খেয়েছি কিনা??এখন সেটুকু জিজ্ঞাস করে না।আগে তবুও মাঝে মাঝে মাঝে মজার কিছু কথা হতো কিন্তু এখন সেটাও হয়না।এখন বলতে গেলে প্রয়োজন ছাড়া কথা একদক অফ।আমি অনেক কথা বলতে চেষ্টা করি,,কিন্তু দৃষ্টি সেগুলো এড়িয়ে যায়।আমি তবুও দৃষ্টির সাথে কথা বলতে চাই।কিন্ত দৃষ্টি আমার উপর রেগে যায়।৭দিন পর অফিসের একটা প্রজেক্টের কাজ আমাকে দেওয়া হয়েছে,দৃষ্টির পরেই আমার স্থান।তাই আমাকে অনেক কাজের চাপ সামলাতে হয়।সবাই ঠিক মত কাজ করছে কিনা?সবার কাজ গুলো ঠিক মত হচ্ছে কিনা?যদি কেও ভুল করে সেই ভুল গুলো আমাকে ঠিক করে দিতে হয়।এক কথায় অফিস টাইম এ আমার বিশ্রাম নেবার সময় টুকু নেই।অনেক সময় মাথা কাজ করে না চিনচিন ব্যাথা করে তবুও কাজ গুলো করি।হাজার হোক এখন তো এটা আমার বউয়ের কোম্পানি।প্রজেক্টের জন্য প্রায় সকল কাজ শেষ,, কিন্তু ঝামেলা হলো ইমন সাহেবকে নিয়ে।সে এক যায়গায় ভুল করে ফেলেছে,কোনো উপায় না পেয়ে নতুন করে সেটা করতে হবে, তাই আমি আমার কেবিনে চলে গেলাম।আর করিম সাহেব কে মানে অফিসের পিয়নকে বলেছিলাম যেনো অই ফাইল ম্যাডামকে না দেয়,দিলে ঝামেলা হয়ে যাবে।আমি আমার কেবিনে বসে মন দিয়ে ফাইল রেডি করছিলাম,,ফাইল রেডি করা শেষ তখন পিয়ন এসে আমাকে বললো স্যাম ম্যাডাম আপনাকে বাহিরে ডাকছে,আমি বললাম তুমি যাও আমি আসছি। ফাইল ঠিক ঠাক করে সেটা নিয়ে আমি আমার কেবিন থেকে বের হলাম।বাহিরে বের হয়ে দেখি দৃষ্টি চেঁচামিচি করছে,আমি দৃষ্টির কাছে গিয়ে জিজ্ঞাস করলাম কি হয়েছে এমন ভাবে চিৎকার। করছো কেনো?? দৃষ্টি কিছু না বলে কিছু না শুনে আমাকে একটা চড় বসিয়ে দিলো। তারপর অই ছোটলোক তুই এটা কি করেছিস এত বড় একটা প্রজেক্টের ফাইল তুই কিভাবে এত বড় ভুল করলি,,অহহ ভুল তো তোর না ভুল আমার তোর মত একটা গাইয়া ছেলেকে এতো বড় দায়িত্ব দেওয়া আমার অনেক বড় ভুল হয়ে গেছে,, আমিঃদেখো আমি কিন্তু.. দৃষ্টিঃ তুই কিন্তু কি হা,,কি বলবি তুই??তোর মত ছোট লোক কি করে বুঝবে এই ফাইলের মূল্য।অফিসের সবার সামনে দৃষ্টি আমাকে যা ইচ্ছা তাই বলে অপমান করতে লাগলো,একসময় ইমন সাহেব বললো ম্যাম আমার কিছু কথা আছে.. দৃষ্টিঃ আপনাদের কথা পরে শুনবো আগে এই ছোটলোকের একটা ব্যাবস্থা করে নেই... ইমনঃনা মানে ম্যাম স্যারের কোনো দোষ নেই,,আসলে অই ফাইল টা আমি রেডি করেছি,আমি ভুল করেছিলাম ম্যাম। দৃষ্টিঃ স্যার কে বাচাতে আপনি মিথ্যা কথা কেনো বলছেন?? ইমনঃনাহ ম্যাম আমি সত্যি বলছি বরং স্যার আমাকে বাচাতে চুপ করে আছে দৃষ্টিঃ এই মামুন উনি যা বলছে তা কি সত্যি আমি কিছু না বলে দৃষ্টির হাতে নতুন ফাইল ধরিয়ে দিলাম। দৃষ্টি সেটা নিয়ে আমার দিকে অপরাধির দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে ছিলো।তারপর কিছু না বলে মাথা নিচু করে চলে গেলো। দৃষ্টি চলে যাবার পর ইমন সাহেব আমার কাছে এসে বললো স্যার আমার জন্য আপনাকে অপমান সহ্য করতে হলো আমাকে মাফ করে দিন স্যার। আমিঃআরে আরে কি করছেন আর কি বলছেন? ভুল তো মানুষেরি হয় তাইনা। আর আপনি যেমন ভুল করেছেন তেমন ম্যাম না জেনে একটা ভুল করে ফেলেছে। এটা নিয়ে কিছু ভাব্বেন না,,আপনি কাজে মন দিন। তখন রিমা মানে আমার সহকারী বললো ম্যাম তো ভাগ্যা করে আপনার মত স্বামী পেয়েছিলো। কিন্তু সেটাকে এমন ভাবে অবহেলায় হারাচ্ছে। আমি যদি আপনার মত কাওকে পেতাম বা আপনাকেই পেতাম আমি মাথায় করে রাখতাম। দৃষ্টি আবার চলে এসেছিলো আর দৃষ্টি রিমার বলা কথাটা শুনে কিছুক্ষনের জন্য নিরব পাথরের মত হয়ে গেছিলো। তারপর নিজেকে স্বাভাবিক করে নিয়ে বললো এখনো এখানে সবাই কি করছেন যান যার যার কাজে জান। তারপর যে যার যার কাজে চলে গেলো। সারাদিনের কাজ শেষ করে বাসায় ফিরলাম,, দৃষ্টি আমার আগেই গাড়ি নিয়ে চলে এসেছিলো। মন খারাপ তাই বাসায় গিয়ে আর রান্না করবো না বলে বাহির থেকে খাবার কিনে বাসায় গেলাম। প্রতিদিন বাসায় গিয়ে রান্না করি,,সারাদিনের কাজের পর যেটা একদম ভালো লাগে না।আরর তার উপর আজকে শুধু শুধু এত অপমান। বাসায় গিয়ে কলিং বেল না চেপেই আমার কাছে থাকা চাবি দিয়ে দরজা খুলে ভেতরে গেলাম ভেতরে প্রবেশ করে দেখি দৃষ্টি বসে আছে। আমি সেদিকে খেয়াল না করে কোনো কথা না বলে আমার রুমে চলে গেলাম।কিছুক্ষণ পর নিচে এসে দেখি দৃষ্টি একই ভাবে মন খারাপ করে বসে আছে দেখে মনে হচ্ছে মন খারাপ চলবে

দেমাগি মেয়ের অপমান

আগস্ট ২৯, ২০১৯ 0
দেমাগি মেয়ের অপমান ৬ষ্ঠ পর্ব লেখকঃ মোঃআসাদ রহমান কোটচাঁদপুর,,ঝিনাইদহ দৃষ্টি এখন চুপ থাক তো আমাকে আমার কাজ করতে দে কেমন? আমি আর কিছু না বলে চুপ হয়ে গেলাম।বউ সেবা করছে বেশি কথা বললে যদি বউ রেগে যায় তাহলে তো আমার খবর আছে।বউ এর সেবাও পাওয়া হবে না।আর বউয়ের হাতে হয়তো কিছু কিল ঘুষি খেতেও হতে পারে।মাথায় পানি দেওয়া শেষ করে দৃষ্টি আমার মাথা মুছে দিলো তারপর গা মুছে দিতে লাগলো। আমিঃআরে আমার কাতুকুতু লাগছে। দৃষ্টিঃ চুপ থাক আমার কাজ করতে দে? আমিঃআমার সত্যি অনেক কাতুকুতু লাগছে। দৃষ্টিঃ আর একটু সহ্য কর,,প্রায় হয়ে গেছে দৃষ্টি আবার আমার গা মুছে দিতে লাগলো অন্যদিকে আমার কাতুকুতুতে আমি তো শেষ আমি একদম কাতুকুতু সহ্য করতে পারি নাহ। শরীর মোছা শেষ হয়ে গেছে দৃষ্টি বললো যা এবার তুই বিছানায় গিয়ে শুয়ে পর। আমিঃতুমি কোথায় শুবেবে?? দৃষ্টিঃ আমি পাশের রুমে গিয়ে শুয়ে পরবো। আমিঃকেনো আমার সাথেই থাকো?? দৃষ্টিঃ সেটা বয়েই গেছে তোর সাথে শুয়ে থাকার কোনো মানেই হয়না। আমিঃআচ্ছা আমি শোফার ঘুমাচ্ছি,,তুমি বিছানায় শুয়ে থাকো। দৃষ্টিঃ নাহ আজ আর তোকে শোফায় শুয়ে থাকতে হবে না।তুই বিছানাগ ঘুমা। আমিঃকিন্তু...... দৃষ্টিঃ কোনো কিন্তু নয় চুপচাপ শুয়ে থাক কেমন,আর শুন দরজা খোলা থাক,আমি মাঝে মাঝে এসে তোকে দেখে যাবো। আমিঃআচ্ছা তোমাকে আর কষ্ট করে আসতে হবে না। দৃষ্টিঃ চুপ থাক আমি কি করবো কি করবো না সেটা আমার ব্যাপার তোকে এতো না ভাবলেও চলবে। আমিঃকিন্তু তোমার তো রাত জাগার অভ্যাস নাই। দৃষ্টিঃ অই তুই এতো কথা বলছিস কেনো হুম। ঘুমা এবার? আমিঃআচ্ছা বউ গুড নাইট,, দৃষ্টিঃ আচ্ছা গুড নাইট তারপর দৃষ্টি চলে গেলো।আমি বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়লাম।অনেক দিন পর বিছানায় শোবার সুযোগ এসেছে আহা কতদিন বিছানায় ঘুমাই না। বউ এতো ভালো হলো কেনো?নাকি এই ভালো হবার পিছনে অন্য কোনো কারন আছে?? নাহ বাবা এখন আর এতো ভেবে কোনো কাজ নেই পরের টা পরেই দেখা যাবে এখন ঘুমাই।ঘুমিয়ে পড়লাম পরদিন সকালে দৃষ্টি এসে আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তুললো দৃষ্টি এসে আমাকে ডেকে তুললো দৃষ্টিঃ মামুন এই মামুন উঠ আর কত ঘুমাবি?? আমিঃহুম আর একটু ঘুমাবো। দৃষ্টিঃ নাহ সেটা চলবে না তাড়াতাড়ি উঠ,ফ্রেশ হয়ে কিছু খেয়ে নে তোকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাবো। আমি উঠতে উঠেতে বললাম কেন ডাক্তারের কাছে যাবো কেনো। দৃষ্টিঃ আরে অই হাদারাম কাল যে তোর এতো জ্বর ছিলো সেটা ভুলে গেল সারা রাত আমাকে একটু ঘুমাতে দেস নাই।আমি আজ আর জাগতে পারবো না।তাই তোকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবো। আমিঃঅহহ আচ্ছা ঠিক আছে আমি এক্ষুনি ফ্রেশ হয়ে আসছি। দৃষ্টিঃ হুম তাড়াতাড়ি করবি। আমিঃআচ্ছা বউ সোনা বউ একটা কথা বলি?? দৃষ্টিঃ হ্যা বল? আমিঃতোমাকে একটা চুমু দেই? দৃষ্টিঃ তবেরে হারামজাদা দারা দেখাচ্ছি তোর মজা। আমি ভয় পেয়ে তাড়াতাড়ি ওয়াশরুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলাম।ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে দেখি দৃষ্টি রুমে নেই গেলো কই মেয়েটা? নিচে গিয়ে দেখি তো? হ্যা আমার সন্দেহ ঠিক দৃষ্টি নিচে ছিলো দেখি দৃষ্টি শশুরের সাথে কি নিয়ে জেনো কথা বলছে।আমাকে দেখে দৃষ্টি বললো চল খেতে চল আর আব্বু তুমিও চলো খাবো তারপর সবাই মিলে খেতে বসে গেলাম।খাওয়া দাওয়া শেষ করে আবার রুমে চলে গেলাম।দৃষ্টি রুমে এসে বললো অই তুই একটু বেরো তো? আমিঃকেনো বের হবো কেনো?? দৃষ্টিঃ আমি চেঞ্জ করবো? আমি;তো আমার সামনেই করো না।আমি না তোমার স্বামী,, দৃষ্টিঃ দেখ বেশি কথা বলবি না।বের হতে বলেছি তুইই বের হবি। আমিঃআচ্ছা বের হচ্ছি দৃষ্টিঃ হুম আর শুন তুই অন্য রুমে গিয়ে রেডি হয়ে নে কেমন? আমিঃআচ্ছা ঠিক আছে তারপর আমি জামা কাপড় নিয়ে অন্য রুমে চলে গেলাম।আমার তো ৫ মিনিট লাগলো রেডি হতে কিন্তু দৃষ্টির তো হতেই চাচ্ছে না। অনেকক্ষন পর দরজা খুললো বাহ বাহ এটা আমি কাকে দেখছি একটা নিল পরি দৃষ্টি একটা নীল শাড়ি পরেছে। একদম নীল পরীদের মতো লাগছে। আমি দৃষ্টির দিকে হা করে তাকিয়ে আছি। দৃষ্টিঃ আরে কি দেখিস অমন করে। আমিঃ নীল পরী। দৃষ্টিঃ পরী মানে?? আমিঃআমার বউ তো একটা পরী। দৃষ্টিঃ অই তোর নেকা নেকা কথা বন্ধ কর। আমিঃঅই তুমি আমার কথা শুনলে এমন কেনো করো?? তোমার কি ইচ্ছা করে না আমার সাথে ভালো ভাবে কথা বলতে?? দৃষ্টিঃ না তোর সাথে ভালোভাবে কথা বলতে আমার ইচ্চা করে না।চল এবার আমিঃনা আমি যাবো না.. দৃষ্টিঃ আবার কি হলো?? আমিঃভালো করে বলো.. দৃষ্টিঃ ভালো করে মানে কিভাবে বলবো?? আমিঃতুমি করে বলো,, দৃষ্টিঃ উফফ তোকে নিয়ে আর পারি না।আচ্ছা চলো এবার। আমিঃঠিক আছে সোনা বউ চলো। দৃষ্টি আর আমি বের হলাম।ডাক্তার দেখানোর পর দৃষ্টি আমাকে বললো আচ্ছা চলল আজকে তোমে একটু শহর ঘুরে দেখাই। আমি তো মনে হয় আকাশ থেকে পড়লাম দৃষ্টি এই কথা বলবে সেটা তো আমি কল্পনাও করতে পারি নাই। যাই হোক বলেছে যখন তখন আর এই সুযোগ হাত ছাড়া করবো না। আমিঃআচ্ছা চল কোথায় নিয়ে যাবা?? দৃষ্টিঃ অনেক যায়গায় যাবো তুই শুধু চুপচাপ বসে থাকবি তারপর আমি আর দৃষ্টি অনেক যায়গায় ঘুরলাম।রাত করে বাসায় ফিরলাম। বাসায় আসার পর আমাকে আর দৃষ্টিকে দেখে শশুর শাশুড়ি তো মনে হয় অনেক খুশি হয়েছে। শশুরঃকি ব্যাপার দুজনকে এতো খুশি লাগছে কেনো?? আমিঃনা মানে আব্বু আজকে বউয়ের সাথে অনেক ঘুরলাম তো তাই.. শশুরঃআচ্ছা যাও ফ্রেশ হয়ে আসো সবাই খাবো দৃষ্টিঃ না বাবা আজকে আর খাবো না।আমার খুব ক্লান্ত লাগছে। আমিঃআব্বু আমিও খাবো না,আমারো খুব খারাপ লাগছে শশুরঃএমন বউ পাগলা হয়েছে যে বউউ খাবে না বলে উনিও খাবে না। কথাটি শুনে আমি কিছুটা লজ্জা পেলাম। তারপর আমি আর দৃষ্টি মিলে রুমে চলে গেলাম। ফ্রেশ হয়ে এসে বসে আছি তখন দৃষ্টিঃ এই তুই। ঔষধ খেয়েছিস?? আমিঃনাহ কি করে খাবো ঔষধ খাবাফ আগে যে কিছু খেতে হয়? দৃষ্টিঃ তাহলে যা নিচে গিয়ে কিছু খেয়ে আয়। আমিঃতাহলে তুমিও চলো. দৃষ্টিঃ আমার খেতে ইচ্ছা করছে না তুই যা খেয়ে আয়। নাহ আমি তোমাকে ছাড়া কিচ্ছু খাবো নাহ। দৃষ্টিঃ আচ্ছা চল আমিও খাবো আমিঃএই তো আমার লক্ষি বউ আমাকে কত ভালোবাসে। দৃষ্টিঃ মোটেও না আমার খিদে পেয়েছে তাই আমি খাবো। আমিঃআচ্ছা চলো আগে খেয়ে তো আসি। খেয়ে দেয়ে ঔষধ খেয়ে আমি আগের ন্যায় শোফার শুয়ে পড়লাম। ১০ দিন পরের কথা এখন দৃষ্টি আর আমার মাঝে বেশ ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গেছে অফিসের কাজের জন্য আমি দৃষ্টিকে আর দৃষ্টি আমাকে সাহায্য করে। সেদিন আমি আর দৃষ্টি এক সাথে অফিস থেকে ফিরলাম। দেখি শশুর মশাই আর একজন উকিল বসে আছে।শশুর আমাদের দেখে বললো তোমরা এসেছো যাও তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে একটু নিচে আসো কথা আছে তোমাদের সাথে কথা আছে আমি আর দৃষ্টি দ্রুত ফ্রেশ হয়ে এলাম তারপর শশুরঃআমার তো অনেক বয়স হয়ে গেছে তাই আমি চাই এখন তোমরা সব কিছুর দায়িত্ব বুঝে নাও দৃষ্টিঃ আব্বু তুমি কিসের কথা বলছো?? শশুরঃআমি আমাদের সব সম্পত্তি তোমাদের দুজনের নামে লেখে দিতে চাই। আমিঃআব্বু আমার কিছু কথা আছে?? শশুরঃহ্যা বাবাজি বলো আমিঃআব্বু আমি চাই সব সম্পত্তি আপনি দৃষ্টির নামে লেখে দেন।দৃষ্টি তো আমার সোনা বউ আমি জানি দৃষ্টির যা তা আমারো তাই যদি আপনার দিতে এতোই ইচ্ছা করে তবে দৃষ্টিকে সব দিয়ে দিন শুধু শুধু সম্পত্তি দুই ভাগ করার কোনো দরকার নেই। দৃষ্টিঃ হ্যা বাবা ও ঠিক বলেছে আমার যা তা তো ওরি। শশুরঃকিন্তু আমি যে তোদের দুজনের নামে কাগজ পত্র রেডি করে এনেছিলাম। আমিঃআব্বু সেটা বাদ দিন নতুন করে কাগজ পত্র বানাতে দিন। শশুরঃহ্যা এখন তো দেখছি সেটাই করতে হবে। তারপর উকিলকে বললো নতুন করে কাগজ বানিয়ে আনতে। ৪দিন পর উকিল আবার নতুন কাগজ নিয়ে আসলো শশুর মশাই তার সমস্ত সম্পত্তি তার একমাত্র মেয়ে আর আমার এক মাত্র বউয়ের নামে লেখে দিলো। দৃষ্টি সম্পতি পেয়ে এতো খুশি যে বলে বোঝানো যাবে না। দৃষ্টি তো সব কাগজ পত্র নিয়ে নাচতে নাচতে রুমে চলে গেলো।আর এদিকে দৃষ্টিকে এতো খুশি দেখে আমারো খুব আনন্দ হচ্ছে।আমিও দৃষ্টির পিছু পিছু রুমে চলে গেলাম। আমিঃতাহলে সোনা বউ এখন থেকে সব কিছু তোমার। দৃষ্টিঃ অই ফকির কে তোর বউ শুনি?? আমিঃএই তুমি এমন ভাবে কথা বলছো কেনো?? দৃষ্টিঃ তো কি তোর সাথে ভালো ভাবে কথা বলবো গাইয়া ফকির একটা... আমিঃএই তোমার হয়েছে টা কি?মাথা ঠিক আছে তোমার তুমি এমন করছো কেনো?? দৃষ্টিঃ তো কি তোর সাথে ভালো ব্যাবহার করবো। হাহাহা এতো দিন কেনো ভালো ব্যাবহার করেছি তুই জানিস এই সম্পত্তির জন্য.. আমিঃমানে তুমি কি বলছো এই সব?আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না। দৃষ্টিঃ তাহলে শুন তোকে যেদিন আমি দৌড় করিয়ে বাসা থেকে বের করে দিয়েছিলাম সেদিন আব্বু আমাকে বলেছিলো তার সমস্ত সম্পদ তিনি দুইভাগে ভাগ করবে না তার সমস্ত সম্পদ তিনি তোকে দিবে।সেদিন আমি খুব অবাক হয়েছিলাম কেনো জানিস?আমি তার একমাত্র মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও তিনি আমাকে সব সম্পদ না দিয়ে তোকে দিতে চেয়েছিলো।আর আব্বু এটাও বলেছিলো তোর সাথে যদি আমার সব ঠিক থাকে তবে সম্পত্তি দুই ভাগ হবে।তাই আমি এই সব নাটক করেছি যাতে করে আব্বু আম্মু বুঝিতে পারে তোর সাথে আমার স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক সৃষ্টি হয়েছে আর দেখ সেটা বুঝাতে আমি সক্ষম হয়েছি।আর তুই বোকার মত সেদিন বলেছিলি যে তোর কোনো সম্পত্তি চাই না।সব যেনো আমাকে দিয়ে দেয় হাহাহা তোকে অনেক ধন্যবাদ।আমার সমস্ত সম্পত্তি আমাকে পেয়ে দিতে সাহায্য করার জন্য। দৃষ্টির কথা গুলো শুনে অনেক কষ্ট হচ্ছিলো এতো কষ্ট হচ্ছিলো সেটা বলে বোঝানো যাবে না।ইচ্ছা করছিলো দৃষ্টিকে ঠাটিয়ে একটা চড় মারি কিন্ত অনেক ভালোবেসে ফেলেছি তো মেয়েটাকে কি করে চড় মারতে পারবো।আমার যে সেই শক্তি নেই। আমিঃ দৃষ্টি তুমি কি আমার সাথে মজা করছো?? দৃষ্টিঃ তোর সাথে মজা করতে যাবো কোনো দুঃখে? শুন তোকে আমি ইচ্ছা করলে এই বাসা থেকে বের করে দিতে পারি। কিন্তু আমি তা করবো না,হাজার হলেও তুই আমার সম্পত্তির উপর লোভ দেখাস নাই।তাই তোকে আমি এই বাসাতেই রেখে দিবো। আমিঃতুমি চাইলেও আমি তোমাকে ছাড়ছি না সোনা বউ। দৃষ্টিঃ অই বউ বউ করবি না,,তোর মত ফকিরের বউ হবার আমার কোনো ইচ্ছা নাই।এতো দিন তোরর সব কথা হজম করেছি শুধু মাত্র এই সম্পত্তির জন্য।এখন সেটা আমি পেয়ে গেছি তাই এখন আর কোনো কথা আমি সয্য করবো না। আমিঃবউ আমার এমন কথা বলে না জানো না তোমার স্বামী তোমাকে কত ভালোবাসে?? ঠাস ঠাস দুইটা পড়লো আমার গালে। দৃষ্টিঃ আব্বে অই ফকির তরে আর কতবার বলবো যে আমি তোর বউ না। তোর কি এমন যোগ্যতা আছে আমার স্বামী হবার। আমি দৃষ্টির হাতে চড় খেয়ে গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। দৃষ্টিঃ কিরে অমন ভাবে দাঁড়িয়ে আছিস কেনো? দূর হ আমার চোখের সামনে থেকে.. আমিঃকোথায় যাবো আমি?? দৃষ্টিঃ এখন থেকে পাশের যে রুম আছে সেটাই তুই থাকবি।আর শুন তোকে কিন্তু বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে পারবো না।তুই এই বাসায় থাকবি সেটা ঠিক কিন্তু তোর খাবার তোকেইই রান্না করে খেতে হবে। আমিঃকেনো কেনো?? দৃষ্টিঃ এখন থেকে আমি যা বলবো তাই হবে সো আমি তোকে খাওয়াতে পারবো নাহ সব কথা দৃষ্টি চিৎকার করে বলছিলো দৃষ্টির সব কথা শুনে শশুর এসে দৃষ্টিকে জোরে একটা থাপ্পড় দিয়ে বললো ছিঃ তুই এতো নিচে নেমে গেছিস তোকে আমার মেয়ের বলতেও ঘৃন্য লাগে। দৃষ্টিঃ ঘৃন্য লাগে তাহলে আর মেয়ে বলে পরিচয় দিতে হবে না। শশুরঃহ্যা তাই করবো আজ থেকে জানবো আমার কোনো মেয়ে ছিলো না,, কোনো মেয়ে নেই... দৃষ্টিঃ ভালো বলেছো,,তা অন্য একটা মেয়ের বাসায় থাকতে তোমার লজ্জা করবে না?? শশুর;কি বললি তুই?এমন কথা বলতে পারলি?? ঠিক আছে আজকেই আমি আর তোর আম্মু এই বাসা ছেড়ে গ্রামে চলে যাবো থাকবো না এই বাসায়। দৃষ্টিঃ হ্যা তাই যাও কে তোমাদের আটকাচ্ছে?? শশুর আর কোনো কথা না বলেই চলে গেলো আর দৃষ্টি আমাকে বললো এইবার তুই দূর হবি নাকি ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করবো আমার রুম থেকে?? আমিঃথাক তার আর দরকার হবে না।তবে একটা কথা তুমি তোমার আব্বুকে যে কথা বললে দেখো একদিন এই কথাএ জন্য তোমাকে কতবড় শাস্তি প্বতে হয়। দৃষ্টিঃ শাস্তি পেতে হলে আমি পাবো সেটা নিয়ে তকে ভাবতে হবে না ছোটলোক কোথাকার। আমি আর দৃষ্টির রুমে না থেকে বাহিরে চলে এলামমঃ বাহিরে এসে দেখি শশুর শাশুড়ি অল্প কিছু নিয়ে চলে যাচ্ছে। আমি তাদের কাছে গিয়ে বললাম আপনারা প্লিজ যাবেন না।দৃষ্টি এখনো ছোট ও কি বলতে কি বলে ফেলেছে?? শশুরঃথাক বাবা আর কোনো কথা না এই বাসায় থাকার চেয়ে গাছ তলা গিয়ে থাকবো তাও অনেক ভালো হবে অনেক বুঝানোর পরো তাদের আটকাতে পাড়লাম না। তারা চলে গেলো। আমি তাদের এগিয়ে দিয়ে আসলাম বাসায় এসে দেখি দৃষ্টি আগের মত সেই ছোট জামা পরেছে। আমি;এইই তুমি এইসব কি পরেছো?? দৃষ্টিঃ কেনো চোখে দেখতে পাস না... আমিঃতা দেখতে পাচ্ছি যাও এই গুলো চেঞ্জ কররে অন্য কিছু পরো দৃষ্টিঃ অই আমি কি তোর কথা মত চলবো নাকি?? চলবে

দেমাগি মেয়ের অপমান

আগস্ট ২৯, ২০১৯ 0
দেমাগি মেয়ের অপমান ৫ম পর্ব লেখকঃ মো আসাদ রহমান কোটচাঁদপুর"ঝিনাইদহ আমি চুপচাপ বসে আছি, দৃষ্টিঃ এই তোর কি খুব কষ্ট হচ্ছে বলনা আমায়?? আমিঃনাহ তেমন কিছু হয়নাই। দৃষ্টিঃ দেখি হাত সরা তো?? আমিঃনাহ থাক দৃষ্টি তারপর নিজের হাত দিয়ে আমার হাত সরিয়ে নিলো। দৃষ্টিঃ ইসস চোখ কত লাল হয়ে গেছে।খুব ব্যাথা করছে তাইনা?? আমিঃম নাহ ব্যাথা নেই। দৃষ্টিঃ চুপ মিথ্যা বলবি না আমি জানি ব্যাথা করছে,চল তোকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাবো... আমিঃকেনো ডাক্তারের কাছে কেনো?? দৃষ্টিঃ যেতে বলেছি তুই যাবি এতো কেনো কেনো করবি নাহ(রেগে গিয়ে)) আমিঃআচ্ছা করবো না। দৃষ্টিঃ এই তো গুড বয়।এবার চল তারপর অফিস থেকে বেড়িয়ে গেলাম আমি আর দৃষ্টি । দৃষ্টির গাড়ি নিয়ে বের হলো দৃষ্টি নিজেই ড্রাইভ করছে। দৃষ্টিঃ এই এখনো ব্যাথা করছে?? আমিঃহ্যা!! দৃষ্টিঃ আমি সরিরে আসলে আমি বুঝতে পারি নাই এমনটা হয়ে যাবে?? আমিঃসমস্যা নাই দৃষ্টি আর কিছু বললো নাহ চুপচাপ গাড়ি চালাতে লাগলো কিছুক্ষণ পর আমরা ডাক্তারের চেম্বারে ডাক্তার দেখিয়ে কিছু ঔষধ নিয়ে বের হলাম রাস্তায় দৃষ্টিঃ এই তোর খিদে পেয়েছে?? আমিঃনাহ দৃষ্টিঃ সত্যি বলছিস নাকি মিথ্যা?? আমিঃনা মানে পেয়েছে। দৃষ্টিঃ আচ্ছা চল কিছু খেয়ে নেই। তারপর আমি আর দৃষ্টি দুজন মিলে ফুচকা খেতে গেলাম জানি এটা মেয়েদের খুব প্রিয় কিন্তু আমারো খুব ভালো লাগে।দৃষ্টি দুই প্লেট ফুচকার অর্ডার দিলো। দৃষ্টির এখনকার ব্যাবহার গুলো আমার খুব ভালো লাগছে।দৃষ্টি কি তাহলে আমাকে গ্রহন করে নিলো? ধুর এতো কিছু না ভেবে খেয়ে নেই পরেরটা পরে ভাবা যাবে।আমি তো দৃষ্টির স্বামী একদিন না একদিন আমাকে মেনে নিতেই হবে।তবে জানিনা সেদিন কবে আমার তো মনে হচ্ছে দিনটা এসে গেছে।খাওয়া শেষ করে আবার আমরা গাড়িতে উঠলাম। খুব ভালো লাগছিলো সেদিনের সেই সময় টুকু বিয়ের পর আমি আর দৃষ্টি এই প্রথম বাহিরে কোথাও খেয়েছিলাম।কিন্ত আমার আরো একটা ইচ্ছা ছিলো দৃষ্টিকে নিয়ে একটু ঘুরবো।কিন্তু সাহস করে দৃষ্টিকে সেটা বলতে পারি নাই।যদি রেগে যাই।এই সব ভাবতে ভাবতে বাসায় চলে আসছি। দৃষ্টি আর আমাকে একসাথে ফিরতে দেখে শশুর শাশুড়ি খুব খুশি হলো বাসার ভেতরে প্রবেশ করতেই, শাশুড়িঃকিরে তোরা এতো আগেই চলে এলি? দৃষ্টিঃ নাহ মানে আম্মু এই গাইয়াটা নিয়ে একটি ডাক্তারের কাছে গেছিলাম। শাশুড়িঃকেনো কি হয়েছে জামাই বাবাজির?? দৃষ্টিঃ তুমি নিজেই জিজ্ঞাস করে নাও আর দেখে নাও রাগ দেখিয়ে দৃষ্টি উপরে চলে গেলো। তখন শাশুড়ি আমার দিকে ফিরে অবাক হয়ে বললো মামুন তোমার চোখ এতো লাল কেনো কি হয়েছে?? আমি;নাহ তেমন কিছু না,যখন অফিস করছিলাম তখন হঠাৎ চোখে কি জেনো যায়? খুব জ্বালা করছিলো পানি দিয়েছিলাম তবুও কমছিলো নাহ।তখন আমার বউটা আমার কষ্ট দেখে আমাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেছিলো।আমার বউটা আমাকে মনে হয় ভালোবেসে ফেলেছে। হুহ তোর মত গাইয়া ছেলেকে ভালোবাসতে যাবো আমি।কোনো দিনো না। আমার কর্তব্য ছিলো সেটা আমি পূরণ করেছি।এর বেশি ভাববি নাহ(দৃষ্টি ) আমিঃকি বলছো বউ আমার তুমি আমাকে ভালোবেসে এতো কিছু করলে সেটা আমি জানি? দৃষ্টিঃ তুই ভুল জানিস গাইয়া পোলা।যাহ রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নে। আমিঃওকে বউ যাচ্ছি দৃষ্টি কিছু বলতে পারছে না শুধু রাগে ফুঁসছে কারন তখন শাশুড়ি আম্মা সেখানে ছিলো তাই চুপচাপ ছিলো।কিন্তু আমি জানি এই ঝড় রুমে গেলে বড়সড় ঝড়ে পরিণত হবে।আমি সেটার জন্য প্রস্তুত আছি বউ বলে কথা বউয়ের একটু অপমান অবহেলা সহ্য করাই যায়।কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়।আমিও না হয় কিছুদিন বউয়ের দেওয়া কিছু অবহেলা অপমান সহ্য করবো।আমি সেখান হতে সোজা রুমে চলে এলাম এসে ফ্রেশ হয়ে নিলাম চোখের ব্যাথা আগের থেকে অনেক কম ডাক্তারে হাতে জাদু আছে বলতেই হয় কিযেনো এক ফোটা দিলো সেটা দেওয়ার পর থেকেই ব্যাথা কমতে শুরু করেছে ফ্রেশ হয়ে আবার নিচে চলে গেলাম কারন দৃষ্টি তখনো রুমে আসে নাই।কেনো আসে নাই সেটা দেখার জন্য নিচে গেলাম।নিচে যাবার পর আমি দৃষ্টিকে কোথাও দেখতে পেলাম নাহ।অনেক খুজে আমি দৃষ্টিকে যেখানে দেখলাম সেখানে আমি দৃষ্টিকে কল্পনাও করতে পারি নাই।দৃষ্টি রান্না ঘরে রান্না করছে। আমি তো অবাক এই মেয়ে যে রান্না করতে পারে সেটা ধারনার বাইরে।দৃষ্টি রান্না করছে আর আমার শাশুড়ি সেটা দেখছে।দৃষ্টি আমার দিকে লক্ষ্য করে বলে কিরে অইখানে অইভাবে দাঁড়িয়ে আসিস কেনো?? আমিঃনাহ মানে এমনি.. দৃষ্টিঃ খিদে পেলে যা গিয়ে একটু বোস রান্ন প্রায় শেষ একটু পরর খাবার দিচ্ছি কি আর করার বউ বলেছে একটু বসতে যাই গিয়ে বসে থাকি।আমি তো খুশিতেই মরে যাচ্ছি আজকে বউয়ের হাতের রান্না খাবো???😁😁😁 কিছুক্ষণ পর খাওয়ায় ডাক পড়লো।আমি নাচতে নাচতে খেতে চলে গেলাম।শাশুড়ি খাবার বেরে দিলো আমি খেতে শুরু করে দিলাম।আহা কি দারুন খাবার। আমি বললাম আহা অনেক মজার খাবার বউ তোমার হাতে জাদু আছে বলতেই হবে। বউ আমাকে প্রতিদিন এমন ভাবে রান্না করে খাওয়াবা অহহ আমি আগে জানতাম না বউয়ের হাতে রান্না এতো ভালো।দৃষ্টি আমার কথা গুলো শুনে রেগে আগুন। দৃষ্টি উঠে আমার খাবার প্লেট টানতে শুরু করে দিছে।আর বলছে যাহ তোকে খেতে হবে না তুই গিয়ে বাইরে থেকে খেয়ে আয়।আমার হাতের রান্না তোকে খেতে হবে না। আমিঃনা বউ আমার এমন কথা বলে না।আমি তোমার হাতের রান্নাই খাবো।। দৃষ্টিঃ তাহলে এতো কথা বলছিলি কেনো?? আমিঃবারে ভালো খাবারের প্রশংসা করবো না নাকি?? দৃষ্টিঃ নাহ করবি না।চুপচাপ খেতে পারলে খাবি নাহলে খাওয়ার দরকার নেই। আমিঃনাহ আমি চুপচাপ খাবো। দৃষ্টিঃ আচ্ছা এই নে,চুপচাপ খাবি কিন্তু আমিঃআচ্ছা তারপর আমি আবার খেতে শুরু করলাম। কিন্তু আবার আমার মুখ দিয়ে বের হলো আ শুধু আ বের করেছি তখন দেখি দৃষ্টি আমার আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমিঃননাহ মানে আম্মুর কথা মনে পরে গেলো আম্মুও ঠিক একইভাবে রান্না করে তোহ দৃষ্টিঃ তাহলে তোকে একটা কথা বলি আমি ওই রান্না তোর আম্মুর কাছ থেকে শিখেছি। আসলেই আমার শাশু........ কিছু একটা বলতে গিয়েও বললো নাহ। আমিঃতুমি কি যেনো বলতে চাইছিলে??? দৃষ্টিঃ নাহ কিছু না তুই খা... আমিঃকিছু একটা তো বলতে চাইছিলে? দৃষ্টিঃ তুই চুপ থাকবি নাকি তোরর খাবার প্লেট আবার নিয়ে নিবো??? আমিঃনাহ বউ আমার এমন করে না আমি চুপচাপ খাচ্ছি। দৃষ্টিঃ হ্যা চুপচাপ ওকে আমি খেয়ে দেয়ে উঠে রুমে চলে গেলাম।কিছুক্ষণ পর দৃষ্টিও আসলো এসে দৃষ্টিঃ অই তোর চোখ ব্যাথা কমেছে?? আমিঃনাহ সেই আগের মতইই আছে(পুরো মিথ্যা কথা) মিথ্যা বললাম এই কারনে বউ যদি আমাকে সকালের মত আদর করে😁😁😁 দৃষ্টিঃঃ কি বলছিস এখনো ব্যাথা আছে?? আমিঃহ্যা অনেক ব্যাথা করছ। দৃষ্টিঃ দেখি দেখি (আমার পাশে বসে) দৃষ্টি আমার চোখ দেখতে লাগলো দৃষ্টি আমার এতোই কাছে চলে এসেছে আমি যদি আমার মুখটা একটি এগিয়ে নেই তাহলে দৃষ্টিকে কিস করতে পারবো।আমি আর লোভ সামলাতে না পেরে একটা কিস করে দিলাম। আর কিস করার পর দিলাম ভৌ দৌড় জানি দাঁড়িয়ে থাকলে আমার কুরবানি হয়ে যাবে।আমি উঠে দৌড় দিছি আর দৃষ্টি পেছন থেকে আমাকে ডাকছে অই হারামি কই যাস?? দাড়া একবার তোর সাহস কি করে হয়?? অ্য্য্যাাাাাাা নেকা কান্না কেঁদে। আমি যেতে যেতে বললাম আমি আমার বউকে কিস করেছি বাহিরের অন্য কোনো মেয়েকে তো আর কিস করি নাই। দৃষ্টি শেষ যেতা বলেছিলো অন্য কোনো মেয়েকে কিস করলে তোকে খুন করে ফেলবো আমি বলেছিলাম তুমি কি অল্প বয়সে বিধবা হতে চাও নাকি??? আমি তারপর বাসার বাইরে চলে এসেছিলাম। এই মেয়েকে বিশ্বাস নেই সত্যি সত্যি খুন করে দিতে পারে।কিন্তু আমার তো খুব ইচ্ছা একটা মেয়ের আব্বু হবো দৃষ্টি হবে আম্মু আর আমাদের থাকবে একটা ছোট সংসার। এই ইচ্ছা পূরণ না করে আমি কিছুতেই মরবো না বাহিরে তো এসে পড়লাম আর তারমধ্যে রাত আমি আবার ভালো করে তেমন কিছু চিনি না।কিন্তু সামনে একটা পার্ক আছে। যাই গিয়ে সেখানে কিচ্ছুক্ষণ পর বসে থাকবো তারপর নাহয় বাসায় যাবো।পার্কে গিয়ে দেখি পার্ক বন্ধ কেমনডা লাগে?? পার্কের বাহিরে যে বেঞ্চ আছে সেটাই বসে পড়লাম। কিন্তু আমার মনে হয় কাপাল তাই খারাপ কিছুক্ষণ পর ঝুম বৃষ্টি আসলো কি করবো না করবো ভাবতে ভাবতে পুরো ভিঝে গেলাম।এমন বৃষ্টি নামছে থামার নাম গন্ধ নাই।আমি বসে বসে ভিজতে লাগলাম।বাসায় গিয়ে শহীদ হবারর চেয়ে এখান থেকে ভিজে বাসায় যাবো সেটা দেখে যদি বউয়ের মনে দয়া মায়া সৃষ্টি হয় তবে এইবারের মত বেচে যাবো😁😁😁 কিছুক্ষণ পর দেখি একটা গাড়ি এসে আমার প্রায় সামনে দাঁড়ালো। এটা তো দৃষ্টির গাড়ি তাহলে কি দৃষ্টি ... হায় হায় এই মেয়েটা তো আজ আমাই মেরেই ফেলবে। গাড়ি থেকে দৃষ্টি একটা ছাতা নিয়ে বের হলো।আমি ভয়ে ভয়ে আছি সেখান হতে আর দৌড় দেই নাই।এক কেজি সাহস নিয়ে বসে আছি... দৃষ্টি আমারর কাছে এসেই বললো অই তোর কি কান্ড জ্ঞান কিছু নেই নাকি?? ভিজ তো কাইয়ার বাচ্চা হয়ে গেছা আয় তো এই দিকে আয়?? আমিঃনাহ তুমি আমায় মারবা... দৃষ্টিঃ অই তুই কি জানিস আমি তোকে মারবো?? কাছে আসতে বসেছি আয়.. আমি দৃষ্টির কাছে গেলাম। দৃষ্টি আমাকে ছাতার নিচে নিয়ে নিলো।তারপর যেটা করলো সেটা তো কোনোদিন আমার মাথাতেই আসে নাই।দৃষ্টি নিজের ওর্রনা দিয়ে আমার মাথা মুছে দিতে লাগলো আহা এইটা কি দৃষ্টি নাকি আমার বউ?? অহহ মনে পরেছে এটা আমার বউ। দৃষ্টিঃ এইবার যদি জ্বর আসে না দেখে নিবো কে তোর সেবা করে??? আমিঃকেনো আমার বউ আছে সে করবে?? দৃষ্টিঃ আমার বইয়েই গেছে তোর সেবা করবো আমি?? আমিঃবউ ও বউ অমন করো কেনো?? দৃষ্টিঃ তো কি করবো?তরে চুমু দিবো?? আমিঃহ্যা দিবা আমি তোমায় দিলাম এইবার তুমি আমায় চুমু দাও। দৃষ্টিঃ আমার বয়েই গেছে তরে চুমু দিতে।আর তুই আমাকে চুমু দিয়েছিস সেটার জন্য তোকে কঠিন শাস্তি দিবো।কিন্ত সেটা বাসায় গিয়ে। চল বাসায় যাবো? আমিঃনাহ আমি যাবো না। দৃষ্টিঃ কেনো? আমিঃতুমি আমায় মারবা আমি জানি,, দৃষ্টিঃ নাহ মারবো না।এইবার চল আমিঃসত্যি মারবা না তো?? দৃষ্টিঃ হ্যা সত্যি মারবো না। আমি তারপর দৃষ্টির সাথে বাসায় চলে গেলাম।বাসায় যাবার পর দৃষ্টিঃ যা এইবার তাড়াতাড়ি গোসল করে নে.. আমিঃনাহ আজ আর গোসল করবো না।আমার কেম জানি লাগছে,, দৃষ্টিঃ কেনো আবার কি হলো?আর কেমন লাগছে(কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে) আমিঃসেটা বলতে পারবো নাহ,তবে মাথা ব্যাথা করছে আর শরীর গরম হচ্ছে। দৃষ্টিঃ অই তুই তাড়াতাড়ি গোসল করে আয় প্লিজ তোর মনে হয় জ্বর আসছে। আমিঃগোসল করতেই হবে?? দৃষ্টিঃ হ্যা যা করে আয়.. আমি গোসলে চলে গেলাম বেশিক্ষণ লাগে নাই গোসল থেকে বের হয়ে দেখি দৃষ্টি হাতে কি নিয়ে জেনো বসে আছে?? আমিঃএই তোমার হাতে কি?? দৃষ্টিঃ অহহ হ্যা নে এই ঔষধ খেয়ে নে।তাহলে আর জ্বর আসবে না। আমিঃনাহ আমি ঔষধ খাবো না, দৃষ্টিঃ তোকে খেতেই হবে, আমিঃনাহ খাবো না তারপর দৃষ্টি হাতে একগ্লাস পানি নিয়ে আমার মুখ টিপে ধরে আমাকে ঔষধ খাইয়ে দিলো। কি দজ্জাল মেয়ে থুক্কু বউরে বাবা। দৃষ্টিঃ যা এইবার ঘুমাতে যা? আমিঃআচ্ছা গুড নাইট দৃষ্টিঃ যা এবার... আমি শোফার গিয়ে শুয়ে পরলাম সত্যি খুব খারাপ লাগছিলো শরীরের তাপমাত্রা বেড়েই যাচ্ছিলো। মাঝ রাতে অনুভব করি কে যেনো আমার মাথায় পানি ঢালছে। আমি চোখ খুলে দেখি দৃষ্টি আমার মাথায় পানি ঢালছে। আমাকে জাগতে দেখে দৃষ্টির মুখে ছোট একটা হাসি ফুটেছিলো সেটা লক্ষ্য করেছিলাম দৃষ্টিঃ এই তোর এখন কেমন লাগছে?? আমিঃজানিনা?? দৃষ্টিঃ এটা কেমন কথা আর তোকে তখন বৃষ্টিতে ভিজতে কে বলেছিলো। আমিঃতুমি তো তখন আমাকে তাড়া করলে। দৃষ্টিঃ বেশ করেছি,,তুই আমাকে চুমু খেলি কেনো?? আমিঃআমার বউকে আমি করতেই পারি।কিন্তু তুমি না বললা আমার সেবা করবা না এখন করছো কেনো। দৃষ্টিঃ আমার স্বা..... নাহ কিছু না, আমার ইচ্ছা হয়েছে তাই করেছি এখন চুপ থাক আমাকে আমার কাজ করতে দে??? চলবে

দেমাগি মেয়ের অপমান

আগস্ট ২৯, ২০১৯ 0
দেমাগি মেয়ের অপমান ৪র্থ পর্ব লেখকঃ মো আসাদ রহমান কোটচাঁদপুর " ঝিনাইদহ আমি শোফাতেই ঘুমিয়ে পড়লাম যেহেতু এটা আমার আগের অভ্যাস মানে বিয়া করার পরে এই অভ্যাস হয়েছে।ঘুম ভাঙলো কারো ডাক শুনে না একাই😁😁😁 এখানে আমাকে ডাকার মত কেও নেই।একটা বউ আছে খুব দেমাগ তার স্বামীকে নাকি সে স্বামী বলে মনেই করে না।এ কেমন বিচার??😭আমি উঠে দেমাগি বউকে আর ডাক দিলাম না।আমি আগেই ফ্রেশ হতে গেলাম।তখন কে যেনো ওয়াশরুমের দরজা ধাক্কাচ্ছে। বাহির থেকেঃএই তোর আর কতক্ষণ লাগবে বের হো বলছি।আমার অফিস আছে আমাকে আবার অফিসে যেতে হবে। আমিঃআমার একটু টাইম লাগবে অপেক্ষা করো। দৃষ্টিঃ প্লিজ লক্ষি ভাই আমার বের হো না খুব জরুরি মিটিং আছে। ভাই এই মাইয়া কে তোর ভাই?আমি তোর বিয়ে করা জামাই... দৃষ্টিঃ এতো কথা বলার সময় নাই,,প্লিজ বেরো না।আমাকে তাড়াতাড়ি অফিস যেতেই হবে। কি আর করার লক্ষি বউ এতো করে বলছে আমি কি না করে পারি??আমি বেরোলাম। দৃষ্টিঃ ধন্যবাদ,, আমিঃথাক আমার এই সব লাগবো না, দৃষ্টি ওয়াশরুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলো আর আমি ছাদে চলে গেলাম।শালা গ্রামে থাকলে তাও বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে পাড়তাম,, কিন্তু এখানে তো কেও নাই যে আড্ডা দিবো নিজেকে খুব একা লাগছে।তখন দেখি আমার শশুর মশাই ছাদে এলো। আমি তাকে সালাম দিলাম শশুরঃবাবা তুমি কিন্তু দৃষ্টির কোনো ব্যাবহারে কখনো কষ্ট পেয়ো না।আসলে ছোটবেলা থেকে আদর পেতে পেতে বাদর হয়ে গেছে।বাবা দৃষ্টিকে ঠিক করার দায়িত্ব তোমার। আমিঃকিন্তু বাবা আমি দৃষ্টিকে ঠিক কিভাবে করবো?? শশুরঃশোন তাহলে মেয়েদের মন জয় করার কিছু বিশেষ নিয়ম আছে।আমি তোমাকে সেগুলো বলে দিচ্ছি তুমি সেগুলো দৃষ্টির উপর প্রয়োগ করে দেখতে পারো.. আমিঃকি নিয়াম বাবা তাড়াতাড়ি বলুন আমার তো আর সহ্য হচ্ছে না।এরপর শশুড় মশাই আমার কানে কানে কিছু নিয়ম বলে দিলো।যেগুলো শুধু আমার জন্য ছিলো আপনাদের জন্য না তাই বললাম না। আমিঃবাহ বাবা বাহ কি দারুন বুদ্ধি.এতো বুদ্ধি পেলেন কোথায়?? শশুরঃতোমার শাশুড়ি আম্মাকে এতোদিন নিজের।করে বেধে রেখছি কি এমনি এমনি?তুমি এখন দৃষ্টিকে যেমন দেখছো ওর মা এই চাইতে কোনো অংশে কম ছিলো না।কত প্যারা দিয়েছে কিন্তু সবশেষে আমার ভালোবাসার কাছে হার মেনে নিয়েছিলো। আমিঃবাবা দৃষ্টি কি আমার ভালোবাসা বুঝতে পারবে?? শশুরঃহুম একদিন ঠিক বুঝতে পারবে দেখে নিয়ো? চলো কথা পরে হবে এখন খেয়ে নেই। আমিঃহুম আব্বা চলেন আমারো খুব খিদে পেয়েছে। তারপর জামাই আর শশুর মিলে খেতে চলে গেলাম খেতে বসে আমি;আম্মু দৃষ্টি কোথায় গেছে?? আম্মুঃওতো কিছু না খেয়েই অফিস চলে গেলো। আমিঃনা খেয়ে গেছে মানে আপনি খেতে বলেন নাই?? আম্মুঃবলেছিলাম কিন্তু দৃষ্টি আমার কথা কিছুই শুনলো না না খেয়েই মেয়েটা চলে গেলো। আমিঃআচ্ছা আম্মু আপনি খাবার টিফিন বক্সে ভরে দেন তো আমি গিয়ে দৃষ্টিকে খাইয়ে আসবো আম্মুঃতাহলে তো অনেক ভালো হবে,,তোমরা খাও আমি খাবার ভরে দিচ্ছি। খাওয়া দাওয়া শেষ করে আমি অফিসের ঠিকানা নিয়ে অফিস চলে গেলাম। অফিস যাবার সাথে সাথে দারোয়ান আমাকে সালাম দিলো বললো চলুন স্যার ভেতরে চলুন ম্যাম তার কেবিনে বসে আছে। আমি তো অবাক এই দারোয়ানের সাথে আগে কখনো আমার সাথে দেখা হয়নাই।আর এনি আমাকে এতো সম্মান করছে কেনো?? আমিঃআচ্ছা আপনি কি আগে থেকে আমাকে চিনেন দারোয়ানঃনাহ তবে স্যার আমাকে ফোন করে সব বলে দিয়েছে। আমিঃঅহহ দারোয়ানঃহহ্যা চলুন এইবার তারপর দারোয়ানের সাথে আমি অফিসের ভেতরে চলে গেলাম।আমি সোজা দৃষ্টির কেবিনে গেলাম। দেখি দৃষ্টি ফাইল নিয়ে কি যেনো ঘাটাঘাটি করছে। আমিঃ দৃষ্টিকে তুমি কি করছো গো? দৃষ্টি হয়তো আমাকে দেখে কিছুটা অবাক হলো আমাকে মনে হয় দৃষ্টি এখানে দেখে ভুত দেখে ফেলেছে। আমিঃকি ব্যাপার অমন করে তাকিয়ে কি দেখছো?? দৃষ্টিঃ তুই এখানে এসেছিস কেনো?? আমিঃএই তুমি সকালে না খেয়ে এসেছো?? দৃষ্টিঃ হ্যা এসেছি তো কি হয়ছে?? আমিঃএই নাও এখানে আম্মু খাবার পাঠিয়েছে খেয়ে নাও।। দৃষ্টিঃ আমি খাবো না,তুই এখান থেকে চলে যা তো,, আমিঃতোমাকে এই গুলো খাইয়ে আমি চলে যাবো দৃষ্টিঃ বললাম তো আমি খাবো না,তাও বার বার কেন বলছিস। আমিঃবারে তুমি আমার বউ আর তুমি না খেয়ে থাকবে সেটা আমি চুপচাপ মেনে নিবো নাকি?? কোনো দিনো মেনে নিবো না।প্লিজ লক্ষি বউ আমার খেয়ে নাও। দৃষ্টিঃ অই তুই যাবি এখান থেকে। আমিঃএখানে তো থাকতে আসি নাই,তুমি খাবে তারপর আমি চলে যাচ্ছি। দৃষ্টিঃ দাড়া দেখাচ্ছি মজা,এই কথা বলে তার চেয়ার থেকে উঠে আমার দিকে আসতে লাগলো আমার কাছে এসে দেখি কি খাবার এনেছিস?? এই নাও তোমার জন্য(খুশি হয়) দৃষ্টি আমার হাত থেকে বক্স নিয়ে ছুড়ে ফেলে দিলো,, ভাগ্য ভালো ছিলো তাই বক্স খুলে সব খাবার ছড়ালো নাহ।তাহলে কি বিশ্রী দেখা যেতো। আমিঃএই তুমি খাবার ফেলে দিলে কেনো? দৃষ্টিঃ তো তুই কি ভাবছিস?আমি তোর হাতে খাবার খাবো??কোনো দিনো খাবো নাহ।তুই এখন আমার চোখের সামনে থেকে দূর যাহ।আমি তোকে সহ্য করতে পারছি না। আমিঃদাড়াও এখন আমি তোমার চোখের সামনে সামনেই থাকবো।তুমি কি ভাবছো?তুমি সারাদিন অফিস করবে আর আমি বাসায় বসে থাকবো।বউ তোমাকে না দেখলে আমার একদম ভালো লাগে না। দৃষ্টিঃ এই কথা আবার বললে তোর খবর আছে এই বলে দিলাম। আমিঃকি করবা শুনি?? দৃষ্টিঃ আর একবার বলে দেখনা কি করি?? আমিঃতুমি আমার সোনা বউ লক্ষি বউ,পাগলী বউ বলা শেষ হয়নাই,, ঠাসসসসস ঠাসসসস এই তোকে আমি বলেছিলাম না তুই আমাকে বউ বউ বলবি না এরপরেও কেনো বার বার বলিস শুনি তোহ? আমিঃতুমি আমার বউ তাই বলি অন্য কোনো মেয়েকে তো আর বউ বউ বলি নাহ?(গালে হাত দিয়ে) দৃষ্টিঃ নাহ আমি তোর বউ না,আমি তোর কেও না।আরর তুইও আমার কেও না।শুন তুই যদি আবার চড় খেতে না চাস তবে আমার সামনে এসে আর বউ বউ বলবি না।। এখন যা অফিস থেকে সোজা বাসায় চলে যাবি। আমিঃতুমি কখন বাসায় যাবে?তোমাকে ছাড়া আমার একটু ভালো লাগে না। দৃষ্টিঃ অই তোর এই ন্যাকা ন্যকা কথা গুলো বন্ধ কর প্লিজ।আমার সময় হলেই বাসায় চলে যাবো সেটা নিয়ে তোকে না ভাবলেও চলবে যা এবার বাসায় যাহ। আমিঃ২০টাকা দাও,, দৃষ্টিঃ টাকা দিয়ে কি করবি?? আসলে হয়েছে কি আমি আসার সময় মানিব্যাগ আনতেই ভুলে গেছি ভাগ্য ভালো প্যান্টের পকেটে ২০টাকা ছিলো সেটা দিয়ে রিক্সা ভাড়া দিয়েছি।কিন্তু বাসায় ফিরবো কিভাবে টাকা দাও?? দৃষ্টি আমার কথা শুনে হো হো করে হেসে দিলো। আহা হাসি দেখলেও প্রান জুড়িয়ে যায়। আমিঃএই তুমি এইভাবে হাসছো কেনো?? দৃষ্টিঃ হাসি পেলে আমি কি করবো?তুই এক কাজ কর হেটেই বাসায় চলে যা। আমিঃঅনেক দূর তো.. দৃষ্টিঃ দুর তো কি হয়েছে গ্রামের রাস্তায় তো হেটেই চলা ফেরা করতি।তাহলে এখানে হেটে চলাফেরা করতে সমস্যা কোথায়??? আমিঃতার মানে তুমি টাকা দিবে না তাই তো?? দৃষ্টিঃ হ্যা দিবো মা ভাংতি নাই। যাহ এবার,,আমি আর সেখানে দাঁড়িয়ে না থেকে চলে এলাম।হেটেই যাচ্ছি কিছুক্ষণ পর দেখি একটা গাড়ি এসে আমার সামনে দাঁড়ালো। গাড়ির ভেতর থেকে শশুর মশাই আরে মামুন তুমি এইভাবে হেটে যাচ্ছো কোথায়?? আমিঃবাসায় যাচ্ছি। শশুরঃতো হেটে যাচ্ছো কেনো?উঠো গাড়িতে উঠো.. যাক বাবা তাও কষ্ট করে হেটে যেতে হবে না।কথায় আছে না রাখে আল্লাহ মারে কে?? গাড়িতে উঠার পর, শশুরঃমামুন তুমি হেটে বাসায় যাচ্ছিলে কেনো?? আমিঃআসলে বাবা দৃষ্টিকে খাবার দিতে এসেছিলাম।বাসা থেকে আসার সময় আমি আমার মানি ব্যাগ আনতে ভুলেই গেছিলাম।টাকা ছিলো না তাই হেটে বাসায় যাচ্ছিলাম। শশুরঃকেনো দৃষ্টির কাছে তুমি টাকা চাওনি?? আমিঃনাহ বাবা বউয়ের কাছে টাকা চাবো সেটা কেমন লাগে?? শশুরঃবাবা মামুন তুমি তো কোনো কাজ করো না তোমার নিশ্চয় টাকার জন্য সমস্যা হয় তাই না?? আমিঃহ্যাতা তো একটু হবেই। শশুরঃআরে এই কথাটা আগে বলবে তো?তুমি আমার একমাত্র মেয়ের জামাই আমার যা আছে তা তো তোমাদের দুজনেরই।এই নাও এই কার্ড তোমার..একটা ক্রেডিট কার্ড বের করে দিয়ে। আমিঃনা বাবা আমি এটা নিতে পারবো না. শশুরঃকেনো এটা নিলে প্রব্লেম কোথায়?? আমিঃনা মানে আপনার কাছ থেকে টাকা নিতে কেমন জানি লাগে?? শশুরঃতুমি এই কথা বলতে পারলে?তুমি আমার ছেলের মতো আর আমি তোমার বাবার মত,আমি আমার ছেলেকে টাকা দিচ্ছি।প্লিজ তুমি টাকা গুলো নিয়ে নাও। আমিঃনাহ বাবা এটা আমি পারবো না।তবে বাবা আমাকে অন্য ভাবে সাহায্য করতে পারবেন। শশুরঃআরে সাহায্যের কথা আসছে কোথা থেকে?বলো তোমার জন্য আমি কি করতে পারি?? আমিঃযদি একটা কাজের ব্যাবস্থা করে দিতেন?? শশুরঃঅহহ এই কথা ঠিক আছে কাল থেকে তুমি অফিস জয়েন করছো। আমিঃধন্যবাদ বাবা। শশুরঃএতে ধন্যবাদ দেবার মত কিছু নেই।অফিস তো তোমাদের এখন থেকে আমি আর অফিসের কোনো দায়িত্ব পালন করবো না।সব দায়িত্ব দৃষ্টি আর তোমার। আমি;কেনো আপনি আর দায়িত্ব পালন করবেন না কেনো??? শশুরঃএখন এই অফিস তো তোমাদের আর আমার অনেক বয়স হয়ে গেছে আগের মত তেমন অফিস যেতে পারি না।সব কাজ দৃষ্টিই করে। এখন থেকে আমি আগের থেকে বেশি নিশ্চিন্ত থাকবো এটা ভেবে যে দৃষ্টিকে সাহায্য করার জন্য তুমি আছো? কথা বলতে বলতে বাসায় চলে এসেছি। সারাদিন শুয়ে বসে টিভি দেখে কাটালাম। আসলে দৃষ্টিকে ছাড়া আমার কিছু ভালো লাগছে না। বিকালের দিকে দৃষ্টি বাসায় আসলো। আমি দৃষ্টিকে দেখে দৃষ্টির কাছে চলে গেলাম।হাত থেকে ব্যাগ নিয়ে নিলাম।দৃষ্টির সাথে রুমে চলে গেলাম।আমি কিছু কথা বললেও দৃষ্টি একটাও কথা বলে নাই আমার সাথে এড়িয়ে চলে গেছে। রাত খাবার সময় শশুর দৃষ্টিকে উদেশ্যে করে বললো দৃষ্টি কাল থেকে মামুন তোমার সাথে অফিস করবে তুমি মামুনকে সব কাজ বুঝিয়ে দিবে। দৃষ্টি একটু অবাক হলো তারপর বললো দৃষ্টিঃ বাবা মামুন কেনো অফিস করবে লোকের অভাব পরেছে নাকি?যে একটা গাইয়া ছেলে আমার সাথে যাবে অফিস করবে? শশুরঃএতো কথা বলার কি আছে কাল থেকে মামুন তোমার সাথে অফিস যাচ্ছে ব্যাছ। দৃষ্টি আর কিছু বলতে পারলো নাহ। খেয়ে দেয়ে রুমে চলে গেলো আমিও শশুর শাশুড়ির সাথে কিছু কথা বলে রুমে চলে গেলাম।গিয়ে দেখি দৃষ্টি ঘুমিয়ে পরেছে হয়তো অনেক ক্লান্ত তাই ঘুমিয়ে গেছে,তাই দৃষ্টিকে আর ডাক দিলাম নাহ পরদিন সকালে ঘুম ভাঙতে দেখি দৃষ্টি উঠে ফ্রেশ হতে চলে গেছে দৃষ্টি ফ্রেশ হয়ে বের হবার পর আমি ফ্রেশ হতে চলে গেলাম।আজ একসাথে সবাই মিলে খেলাম। খাবার পর শশুর বললো দৃষ্টি মামুনকে সাথে নিয়ে যাও। যে কাজ মামুন করতে পারবে না একটু বুঝিয়ে দিয়ো কেমন?? দৃষ্টিঃ হ্যা বাবা দিবোই তো এখন তো আমি গাইয়া লোকের ম্যাডাম হয়ে গেছি((অনেক টাই রেগে গিয়ে)) দৃষ্টির সাথে অফিস চলে গেলাম।দৃষ্টি আমাকে আমার কাজ গুলো বুঝিয়ে দিয়ে নিজের কেবিনে চলে গেলো। কিছুক্ষণ পর দৃষ্টির কেবিনে কিছু ফাইল নিয়ে গেলাম। দৃষ্টিকে বললাম এই নাও সব রেডি দৃষ্টি ফাইল গুলো নিয়ে কি যেনো দেখলো তারপর সব ফাইল আমার মুখের উপর ছুড়ে মারলো একটা ফাইল এসে আমার চোখে প্রচণ্ড জোরে লাগলো চোখের ব্যাথায় আমি চোখে হাত বসে পরছিলাম দৃষ্টি তার চেয়ার থেকে উঠে আমার কাছে এসে আমার পাশে বসে বলে এই খুব লেগেছে নাকি?? আমি কিছু বলছি না( চুপ) দৃষ্টিঃ এই কিছু বলছি তো খুব লেগেছ কিনা বল না দেখি চোখ থেকে হাত সরা তো আমি সরাচ্ছি নাহ। কিরে সরা না বল না খুব ব্যাথা করছে আমি তারপরেও চুপ আসলে ব্যাথায় কিছু বলতে পারছি না দৃষ্টিঃ এই খুব কষ্ট হচ্ছে নাকি?? চলবে