ভালোবাসা গল্প লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভালোবাসা গল্প লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২০

তবুও ভালো বাসি তোমায় ২০২০

জানুয়ারি ১৪, ২০২০ 0
তবুও ভালো বাসি তোমায় ২০২০
একালের ভালবাসা আর সেকালের ভালবাসা তা আনেক ভিন্ন। আজকাল ভালবাসা টা একটা স্মার্টনেছ এ পরিনত হয়ে গেছে। সেকালের ভালবাসা ঃ প্রেমিক-প্রেমিকা দেখা করত কোন এক নিবিড় পরিবেশে। এক পলকে মিটে যেত সকল আশা। একবার দেখা করতে কয়েক মাস বা কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হত। দূরে থেকে যোগাযোগ করার একটাই মাধ্যম ছিল চিঠি। ভালবসি কথাটা বলতে লেগেছে অনেক সময়। এরপর বিয়ে ===> একালের ভালবসা ঃ আজ ভাল লাগা, কাল কথা বলা। ৩য় দিন আর একটু গভীরতা। পরের দিন কোন চাইনিজ রেস্তোরায় গিয়ে একটা লাঞ্চ সেরে নিয়ে, কোন খোলা রাজপথে লং ড্রাইভ দেয়া। তার পরের দিন কোন এক নির্জন যায়গাতে গিয়ে প্রেমের পরিনতি লাভ করা। এই তো সুখ। আজ কাল মানুষের ব্যস্ততা এত বেশী যে প্রেম মধুর হওয়ার আগেই তার পরিনতিটাকে পেতে চায়। কি জানি ?হয়তএতেই একালের মানুষ গুলো সুখ পায়। এটাই হয়তো একালের ভালবাসার রীতি নীতি। তবে যাই হোক না কেন......... ভালবাসা কিন্ত তার অবস্থানেই আছে। এভাবে আর সেভাবে, একালে আর সেকালে যাই হোক মানুষ ভালবেসেই যাচ্ছে। এই ধারা চলতে থাকবে আজীবন। ধরণ বদলে গেলেও প্রেম-ভালবাসা টা কিন্ত প্রেম-ভালবাসা থাকবে আজীবন। জীবনে একটিবার হলেও সকল প্রেমিক-প্রেমিকা একে অপরকে বলবে," ভালোবাসি তোমাকে"।

শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯

আমাকে একটু ভালোবাসবি

ডিসেম্বর ২৭, ২০১৯ 0
আমাকে একটু ভালোবাসবি
আমাকে একটু ভালোবাসবি ~কেন ~মানুষ কেন ভালোবাসে জানিস না তুই ~না তুই বল ~মানুষ নিজের সাদাকালো জীবনটাকে রঙিন করতে ভালোবাসে ~আমার জীবন তো রং চটা আমি কারো জীবনকে রঙিন করতে পারবোনা ~তুই পারবি একটু চেষ্টা করে দেখ ~ঠিক আছে একটু ভেবে দেখি ~আচ্ছা তুই ভাবতে থাক আমি আছি কিছু সময় পর………. ~আমি পারব না রে আমাকে দিয়ে হবে না ~তুই ঠিক পারবি ~আচ্ছা তোকে ভালবাসলে তুই আমাকে কি দিবি ~তোকে দেবো একশত একটা নীল পদ্ম তোর কপালে ঠিক মাঝখানে ঠাঁই পাবে একটা নীল টিপ তোর দু হাত ভরিয়ে দেব কাচের চুড়ি তে তোর চুলের খোপায় গুজে দেবো একটা রজনীগন্ধা ~না থাক আমার এত কিছু রাখার জায়গা নেই তুই বরং অন্য কাউকে খুঁজে নে ~আমিতো তোকেই খুঁজে নিয়েছি আমার আর কাউকে প্রয়োজন নেই ~আমি পারবো না রে ~তুই পারবি তোর চোখ দুটো বন্ধ কর ~কেন চোখ বন্ধ করে কি তোকে অন্ধের মত ভালবাসব আমি পারবো না চোখ বন্ধ করে তোকে অন্ধের মত ভালবাসতে ~আচ্ছা তুই যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে ভালোবাসি তবুও একটু ভালবাস আমাকে ~আমি পারবো না রে ~কেন ~এমনিতেই ~আচ্ছা আয় তোকে ভালোবাসা শিখিয়ে দেই ~কিভাবে ~অলস দুপুরে ব্যস্ততার ক্ষণে আমাকে একটু মনে করিস হঠাৎ মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমাকে একটু মনে করিস একটু ভাবিস যখন একা থাকবি তুই যখন কেউ থাকবে না তখন হঠাৎ আমাকে নিয়ে ভাবিস একটু ~এত কঠিন আমি পারবো না রে ~প্রথম প্রথম একটু কঠিন মনে হবে পরে দেখবি সব অনেক সহজ হয়ে গেছে ~চল এখন ~কোথায় ~বাড়িতে সন্ধ্যা হয়ে গেছে ~তুই যা আমি যাব না ~সন্ধ্যা হয়ে গেছে এখন বাড়ি যেতে হবে চল ~কিন্তু আমার ভালোবাসার কি হবে ~আরে ধুর এত ভালোবাসা ভালোবাসা করিস কেন ~ ~ভালোবাসাই তো সব ~ভালোবাসা ভালোবাসা করিস পরে দেখবি ভালোবাসার আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছিস ~তাহলে তাই হোক আমি না হয় তোর ভালোবাসার আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাব ~হিহিহি ~হাসছিস কেন ~পাগল দেখছি তাই হাসছি ~পাগল কোথায় ~কোথায় আবার আমার সামনেই তো ~হ্যাঁ আমি তো তোর জন্যই পাগল ~অনেক পাগলামি হয়েছে এখন বাড়ি চল ~আমি যাব না তুই যা ~কেন রেগে গেলি ~না মরে গেছি ~আচ্ছা আমি যদি তোকে একটু ভালোনাবেসে অনেক ভালোবাসি তাহলে কি চলবে ~অনেক লাগবেনা আমার অল্প একটুই চাই ~আচ্ছা তোর যতটুকু লাগে ততটুকু নিয়ে অভাব পূরণ করিস আর বাকিটুকু আমাকে দিস ~সত্যি বলছিস ~হ্যাঁ সত্যিই তো বলছি ~পাগলী ~হ্যাঁ তোর পাগলী ~তোর হাতটা একটু ধরি ~কেন ~প্রেমের পথে হাঁটতে হলে ভালোবাসার মানুষের হাত ধরে হাটতে হয় ~তাহলে শক্ত করে ধর ছারিস না ~বেচে থাকতে ছারবো না বিশ্বাস রাখতে পারিস ~আচছা তুই যাই বলছিস তাই হবে তোকে একটু ভালোবাসা দিলাম ~আচ্ছা আমিও দিলাম ~~~~~~~~~~ ❤❤❤❤❤❤❤❤………❤❤❤❤❤❤………❤❤❤❤❤❤❤❤……………

মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৯

Bangla Love Story | Bondhuttota Valobashar part (1)

ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯ 0
কিরে কই তুই কখন থেকে দাড়িয়ে আছি তুই কি আসবি না???? না আসলেও বলে দে আমি বাসায় চলে যাবো আমার ভালো লাগছে না সেই বিশ মিনিট আগে কল দিয়েছি বললি বের হয়েছিস। আর এখনো তোর আসা হলো না???? - দোস্ত আসছি থাম অনেক জ্যাম চলেই আসছি আর একটু থাম যাস না। - দুই মিনিট ওকে? আর বেশি টাইম লাগলে চলে যাবো রাখ ফোন। শীতের সকাল। শীতে সকালে অনেক ঘুম আসে আর এই সময় পেত্নিটা কল দিয়ে বাইরে সাইকেল চালানোর জন্য ডাকছে। যেতে ও ইচ্ছা করছে না এই ঠান্ডায় কম্বল জরিয়ে শুয়ে থাকতেই সবার ভালো লাগে। কেনো যে রাতে কথা দিয়েছিলাম ভোরে ঘুরতে বের হবো ধুর। কাপতে কাপতে একটা গরম কাপড় পরে সাইকেল নিয়ে বের হয়ে পড়লাম গান শুনতে শুনতে সাইকেল চালাচ্ছি যেইদিকেই তাকেই সেইদিকেই কুয়াশা সব মানুষ হয়তো এখনো ঘুমাচ্ছে। সাইকেল চালিয়ে মিশুর কাছে যাচ্ছি। কারণ আমি জানি সেই কথায় আসে। আমরা দুইজনই গ্রামে থাকি আর গ্রামে ছোট্ট একটা নদী আসে আর পাশে মাঠ সেই মাঠে তাকে বলেছিলাম দারিয়ে থাকতে। ওর কাছে গিয়ে দেখি নদির দিকে তাকিয়ে কি যেনো একটা ভাবছে। - কি ভাবছেন মহারানী জানতে পারি??? - আমি ভাবছি একটা কুত্তাকে যদি এই পানি তে ফেলা যায় তার কি অবস্থা হবে??? - কি আর হবে গোসল করে উঠে চলে আসবে। - ওহ আচ্ছা তাই তাহলে যা দেখি। - আমি কুত্তা নাকি আমি যাবো এমনি ঠান্ডায় কাপছি তার মধ্যে খোলামেলা জায়গা ঠান্ডা হাওয়া হচ্ছে। - তো এইখানে আমি তো একটা কুত্তায় দেখতে পাচ্ছি মনে হচ্ছে লাথি মেরে এই পানি তে ফেলে দেয় তাহলে শান্তি পেতাম। - হয়েছে???? কিসের জন্য আমার ঘুমটা ভাঙিয়ে এইখানে ডাকলেন বলবেন??? - তোর সাথে প্রেম করবো তাই ডাকছি কুত্তা। - না না আপনার সাথে প্রেম করার চেয়ে আমাদের গ্রামের রোকেয়া কে করা আরো ভালো হবে। - কিহহহহহহ ওই পাগলীর সাথে আমার তুলনা দিচ্ছি কুত্তা তোকে আজকে খায়ছি। তোর প্রেমের গুষ্টি। ভাগো পেত্নি খেপছে। এইটা বলেই সাইকেল নিয়ে অনেক দিলাম টান পিছে পিছে মিশুও আসছে। কিন্তু আমার সাথে পারছে না কিন্তু তার মুখ আর বন্ধ হচ্ছে না চিল্লায় যাচ্ছেই গরুর মতো। ওই আমাক্র ধরার জন্য পিছে পিছে আসছে আর আমি গান শুনতে শুনতে সাইকেল চালাচ্ছি। কিছুটা গরম অনুভব করছি অনেক রাস্তা সাইকেল চালিয়েছি সাইকেলটা থামিয়ে পিছে তাকিয়ে দেখি মিশু নাই। আজব পেত্নি টা কই হারিয়ে গেলো??? এই পেত্নির জালায় আর থাকতে পারবো না। এই এলাকা টা চিনি ও না নতুন জায়গা মনে হচ্ছে অনেক দুরে চলে আসছি কুয়াশায় তখন কিছু দেখা যাচ্ছিলো না। এখন কিছুটা পরিষ্কার হয়েছে। যেই রাস্তা দিয়ে আসছিলাম ওই রাস্তা দিয়েই মিশুকে খুজতে খুজতে যাচ্ছি। তাকে ফোন করলাম ফোন ও অফ পাচ্ছি এই এলাকায় কিছু হয়ে গেলো নাকি বুজতেও পারছি না কিছুটা সামনে যেতে একটা মেয়ের আওয়াজ পেলাম সাথে একটা ছেলের খুব চিল্লিয়ে কথা বলছে কথা শুনেই বুজে গেছি এইটা মিশু। আরও কাছে গেলাম দেখি একটা ছেলে তাকে জালাচ্ছে। আমি - কি সমস্যা ভাই????? অচেনা ছেলেটি - তোর কিবে??? যেইখানে যাচ্ছিলি সেইখানে যা। - দেখো ভাই ভদ্র ভাবে কথা বলো একটা মেয়ের সাথে রাস্তায় কি হচ্ছে????? - তুই যাবি নাকি হাত পা ভেঙে দিবো। মিশু - দেখ আমি এইদিক দিয়ে যাচ্ছিলাম এতো কুয়াশায় দেখতে পায়নি ওর সাথে লেগে গেছে। আমি সরি বলছি আমাকে থাপ্পড় মারছে। ( মিশু কাদছে) যতো হোক ছোট থেকেই সুবাই যানে মিশুর কান্না আমি সহ্য করতে পারি না। ছেলেটাকে দিলাম এক লাথি মাটিতে পরে গেলো। সামনে একটা বাশ ছিলো সেইটা দিয়ে তার হাতে পায়ে মারছিলাম রাস্তায় কোনো মানুষ নাই। অনেক মারার পর মিশু বাধা দিলো। আমি - দেখ ছোট ভাই অনেক বড় জায়গায় তুই হাত দিয়েছিস আমার আজকে ছেড়ে দিলাম ভালো থাক। আমি চলে আসছিলাম মিশু ও সাথে আসলো দুইজন সাইকেল চালাচ্ছি কারও মুখে কোনো কথা নাই। মিশু - আচ্ছা এতো রেগে গেছিলি কেনো এতো মারলি কেনো বেচারা উঠতে পারবে না বিছানা থেকে অনেকদিন ইস। - চুপ পিচ্চিদের মতো কাদছিলি কেনো?? ছেলে হয়েছে তো কি হয়েছে তুই একটা থাপ্পড় মারতে পারলি না?? আর আমাকে বলিস আমাকে মেরে ফেলবি???? - ভয় লাগছিল যদি আরও বেশি কিছু করে দিতো। আর ওইতো আমাকে থাপ্পড় মারেনি আমার সাথে চিল্লায় কথা বলছিলো আমার রাগ উঠছিলো কিছু করতে পারছিলাম না তাই নাটক করলাম তোর সাথে। - মানে এমনি এমনি ছেলেটাকে এতো মারলাম??? - এমনি কেনো ভালো করছিস মারছিস। তুই না আসলে আমিই মেরে দিতাম মারবো মারবো ভাবছিলাম তুই চলে আসছিস। - অরে আমার গুন্ডিরে চল বাসায় এইগুলো বিষয়ে বাসায় কথা বলবি না ওকে?? - হুম আচ্ছা। মিশুকে নিয়ে চলে আসলাম ওই ওর বাসায় চলে গেলো আমি আমার বাসায়। এই মেয়ের জন্য কতো ছেলেকে মারছি ছোট থেকে আল্লাহ ভালো জানে। ছোট থাকতে যখন স্কুলে পড়তাম তখন তাকে একটা ছেলে আই লাভ ইউ বলছিলো মিশু দিয়েছিলো একটা থাপ্পড় বসায়। তখন ছেলেটাও তাকে মেরে দেয় আমি সামনেই ছিলাম সেদিন ছেলেটাকে মারছিলাম অনেক সেদিন থেকেই শুরু মিশুকে কেও কিছু বললে মাথা ঠিক থাকে না। কেনো ঠিক থাকে না এইটাও জানি না। আপনারা ভাব্বেন আমি হয়তো তাকে ভালোবাসি কিন্তু তা না, ওর প্রতি ভালবাসা আমার একটুও নাই এগুলো বিষয়ে কখনো ভাবিনি। তাকে শুধু ভালো বন্ধু ভাবি। বাসায় এসে ঘুমানোর আর ইচ্ছা হলো না, নাস্তা করে টিভি দেখছিলাম শুয়ে শুয়ে। বাইরে রোদ ও ওঠেনি যে বাইরে যাবো। কিন্তু শীতকালটা আমার অনেক ভালো লাগে গরমের চেয়ে। কিছু করার নাই একা একা খারাপ লাগছে কিজে করি এইদিকে মিশুও কল ধরছে না মনে হয়ে বেস্ত আছে। কিছু করার নাই যখন বসে বসে গেম খেলি। ( আপনারাও খেলেন খেলা হলে আবার আসবেন) to be continued................................

Bangla Love Story | Bondhuttota Valobashar part (1)

ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯ 0
Bangla Love Story | Bondhuttota Valobashar part (1)
কিরে কই তুই কখন থেকে দাড়িয়ে আছি তুই কি আসবি না???? না আসলেও বলে দে আমি বাসায় চলে যাবো আমার ভালো লাগছে না সেই বিশ মিনিট আগে কল দিয়েছি বললি বের হয়েছিস। আর এখনো তোর আসা হলো না???? - দোস্ত আসছি থাম অনেক জ্যাম চলেই আসছি আর একটু থাম যাস না। - দুই মিনিট ওকে? আর বেশি টাইম লাগলে চলে যাবো রাখ ফোন। শীতের সকাল। শীতে সকালে অনেক ঘুম আসে আর এই সময় পেত্নিটা কল দিয়ে বাইরে সাইকেল চালানোর জন্য ডাকছে। যেতে ও ইচ্ছা করছে না এই ঠান্ডায় কম্বল জরিয়ে শুয়ে থাকতেই সবার ভালো লাগে। কেনো যে রাতে কথা দিয়েছিলাম ভোরে ঘুরতে বের হবো ধুর। কাপতে কাপতে একটা গরম কাপড় পরে সাইকেল নিয়ে বের হয়ে পড়লাম গান শুনতে শুনতে সাইকেল চালাচ্ছি যেইদিকেই তাকেই সেইদিকেই কুয়াশা সব মানুষ হয়তো এখনো ঘুমাচ্ছে। সাইকেল চালিয়ে মিশুর কাছে যাচ্ছি। কারণ আমি জানি সেই কথায় আসে। আমরা দুইজনই গ্রামে থাকি আর গ্রামে ছোট্ট একটা নদী আসে আর পাশে মাঠ সেই মাঠে তাকে বলেছিলাম দারিয়ে থাকতে। ওর কাছে গিয়ে দেখি নদির দিকে তাকিয়ে কি যেনো একটা ভাবছে। - কি ভাবছেন মহারানী জানতে পারি??? - আমি ভাবছি একটা কুত্তাকে যদি এই পানি তে ফেলা যায় তার কি অবস্থা হবে??? - কি আর হবে গোসল করে উঠে চলে আসবে। - ওহ আচ্ছা তাই তাহলে যা দেখি। - আমি কুত্তা নাকি আমি যাবো এমনি ঠান্ডায় কাপছি তার মধ্যে খোলামেলা জায়গা ঠান্ডা হাওয়া হচ্ছে। - তো এইখানে আমি তো একটা কুত্তায় দেখতে পাচ্ছি মনে হচ্ছে লাথি মেরে এই পানি তে ফেলে দেয় তাহলে শান্তি পেতাম। - হয়েছে???? কিসের জন্য আমার ঘুমটা ভাঙিয়ে এইখানে ডাকলেন বলবেন??? - তোর সাথে প্রেম করবো তাই ডাকছি কুত্তা। - না না আপনার সাথে প্রেম করার চেয়ে আমাদের গ্রামের রোকেয়া কে করা আরো ভালো হবে। - কিহহহহহহ ওই পাগলীর সাথে আমার তুলনা দিচ্ছি কুত্তা তোকে আজকে খায়ছি। তোর প্রেমের গুষ্টি। ভাগো পেত্নি খেপছে। এইটা বলেই সাইকেল নিয়ে অনেক দিলাম টান পিছে পিছে মিশুও আসছে। কিন্তু আমার সাথে পারছে না কিন্তু তার মুখ আর বন্ধ হচ্ছে না চিল্লায় যাচ্ছেই গরুর মতো। ওই আমাক্র ধরার জন্য পিছে পিছে আসছে আর আমি গান শুনতে শুনতে সাইকেল চালাচ্ছি। কিছুটা গরম অনুভব করছি অনেক রাস্তা সাইকেল চালিয়েছি সাইকেলটা থামিয়ে পিছে তাকিয়ে দেখি মিশু নাই। আজব পেত্নি টা কই হারিয়ে গেলো??? এই পেত্নির জালায় আর থাকতে পারবো না। এই এলাকা টা চিনি ও না নতুন জায়গা মনে হচ্ছে অনেক দুরে চলে আসছি কুয়াশায় তখন কিছু দেখা যাচ্ছিলো না। এখন কিছুটা পরিষ্কার হয়েছে। যেই রাস্তা দিয়ে আসছিলাম ওই রাস্তা দিয়েই মিশুকে খুজতে খুজতে যাচ্ছি। তাকে ফোন করলাম ফোন ও অফ পাচ্ছি এই এলাকায় কিছু হয়ে গেলো নাকি বুজতেও পারছি না কিছুটা সামনে যেতে একটা মেয়ের আওয়াজ পেলাম সাথে একটা ছেলের খুব চিল্লিয়ে কথা বলছে কথা শুনেই বুজে গেছি এইটা মিশু। আরও কাছে গেলাম দেখি একটা ছেলে তাকে জালাচ্ছে। আমি - কি সমস্যা ভাই????? অচেনা ছেলেটি - তোর কিবে??? যেইখানে যাচ্ছিলি সেইখানে যা। - দেখো ভাই ভদ্র ভাবে কথা বলো একটা মেয়ের সাথে রাস্তায় কি হচ্ছে????? - তুই যাবি নাকি হাত পা ভেঙে দিবো। মিশু - দেখ আমি এইদিক দিয়ে যাচ্ছিলাম এতো কুয়াশায় দেখতে পায়নি ওর সাথে লেগে গেছে। আমি সরি বলছি আমাকে থাপ্পড় মারছে। ( মিশু কাদছে) যতো হোক ছোট থেকেই সুবাই যানে মিশুর কান্না আমি সহ্য করতে পারি না। ছেলেটাকে দিলাম এক লাথি মাটিতে পরে গেলো। সামনে একটা বাশ ছিলো সেইটা দিয়ে তার হাতে পায়ে মারছিলাম রাস্তায় কোনো মানুষ নাই। অনেক মারার পর মিশু বাধা দিলো। আমি - দেখ ছোট ভাই অনেক বড় জায়গায় তুই হাত দিয়েছিস আমার আজকে ছেড়ে দিলাম ভালো থাক। আমি চলে আসছিলাম মিশু ও সাথে আসলো দুইজন সাইকেল চালাচ্ছি কারও মুখে কোনো কথা নাই। মিশু - আচ্ছা এতো রেগে গেছিলি কেনো এতো মারলি কেনো বেচারা উঠতে পারবে না বিছানা থেকে অনেকদিন ইস। - চুপ পিচ্চিদের মতো কাদছিলি কেনো?? ছেলে হয়েছে তো কি হয়েছে তুই একটা থাপ্পড় মারতে পারলি না?? আর আমাকে বলিস আমাকে মেরে ফেলবি???? - ভয় লাগছিল যদি আরও বেশি কিছু করে দিতো। আর ওইতো আমাকে থাপ্পড় মারেনি আমার সাথে চিল্লায় কথা বলছিলো আমার রাগ উঠছিলো কিছু করতে পারছিলাম না তাই নাটক করলাম তোর সাথে। - মানে এমনি এমনি ছেলেটাকে এতো মারলাম??? - এমনি কেনো ভালো করছিস মারছিস। তুই না আসলে আমিই মেরে দিতাম মারবো মারবো ভাবছিলাম তুই চলে আসছিস। - অরে আমার গুন্ডিরে চল বাসায় এইগুলো বিষয়ে বাসায় কথা বলবি না ওকে?? - হুম আচ্ছা। মিশুকে নিয়ে চলে আসলাম ওই ওর বাসায় চলে গেলো আমি আমার বাসায়। এই মেয়ের জন্য কতো ছেলেকে মারছি ছোট থেকে আল্লাহ ভালো জানে। ছোট থাকতে যখন স্কুলে পড়তাম তখন তাকে একটা ছেলে আই লাভ ইউ বলছিলো মিশু দিয়েছিলো একটা থাপ্পড় বসায়। তখন ছেলেটাও তাকে মেরে দেয় আমি সামনেই ছিলাম সেদিন ছেলেটাকে মারছিলাম অনেক সেদিন থেকেই শুরু মিশুকে কেও কিছু বললে মাথা ঠিক থাকে না। কেনো ঠিক থাকে না এইটাও জানি না। আপনারা ভাব্বেন আমি হয়তো তাকে ভালোবাসি কিন্তু তা না, ওর প্রতি ভালবাসা আমার একটুও নাই এগুলো বিষয়ে কখনো ভাবিনি। তাকে শুধু ভালো বন্ধু ভাবি। বাসায় এসে ঘুমানোর আর ইচ্ছা হলো না, নাস্তা করে টিভি দেখছিলাম শুয়ে শুয়ে। বাইরে রোদ ও ওঠেনি যে বাইরে যাবো। কিন্তু শীতকালটা আমার অনেক ভালো লাগে গরমের চেয়ে। কিছু করার নাই একা একা খারাপ লাগছে কিজে করি এইদিকে মিশুও কল ধরছে না মনে হয়ে বেস্ত আছে। কিছু করার নাই যখন বসে বসে গেম খেলি। ( আপনারাও খেলেন খেলা হলে আবার আসবেন) https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj06ulc0fu3MpVnch0XSGG0uyZnYXzB-IqDkQzFWkpGBUHaktH6NZa2o4LDf4B67KgCXcPhKs7XHDXckgOPm8pJc4FuT3W4kvryurpejL1VmXOblL9zf-TONrqCgFmna43AUW4irOkkL2A/s320/1530719719352_5853_compressed_40.jpg to be continued................................

Romantic Love Story | Bangla Best Love Story In 2019 Part (2)

ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯ 0
Romantic Love Story | Bangla Best Love Story In 2019 Part (2)
আমি আর হাবিব রুমে এসে বিছানায় শুয়ে পরলাম কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনছি। আজকের দিন টা অনেক কিছুই হলো। আজকে বাসা না পেলে রাস্তায় থাকতে হতো। যাইহোক একটা ভালো ঘুম দেই। সকালে ছাদে যাবো ভাবলাম সেই ভাবনা নিয়েই শুয়ে পরলাম। সকালে উঠলাম হাবিবের ডাকে ওই নাকি বাইরে যাবে সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে চলে গেছে আমি ঘুমিয়ে আছি। হঠাৎ জানালা দিয়ে মুখে সূর্য এর আলো এসে লাগছে। তাই আর ঘুম হলো না। শুয়া থেকে উঠে হাতে ব্রাশ নিয়ে ছাদে উঠছি। সূর্য এর তাপ ভালোই ছাদে এক কোণায় দারিয়ে ব্রাশ করতেছি সামনে তাকিয়ে সব কিছু দেখছি। এই আপনি ছাদে কেনো????? কথা টা হঠাৎ কানে ভেসে আসলো খুব জরেই চিল্লিয়ে কথা টা বলেছে পিছে তাকিয়ে দেখি একটা মেয়ে রাগে ফুলছে। - এই আপনাকে কি বলছি হ্যা এইভাবে তাকায় আছেন কেনো???? আপনি এই ছাদে কেনো?????????? ( জরে চিল্লিয়ে) আমি - কেনো ছাদে আসলে আপনার সমস্যা কি????? - এই তোকে বাসায় আসার আগে বলা হয়নি ছাদে উঠা হবে না?????? - এই দেখুন ভদ্র ভাবে কথা বলুন নাহলে কিন্তু। - কি করবি তুই???? আমার ছাদে তুই উঠবি কেনো????? - আপনার বাপের ছাদ নাকি??? উঠতেই পারি ওকে। এখন ফুটুন এইখান থেকে। - তুই নিচে যাবি নাকি আব্বুকে বলে বাড়ি ছাড়া করাবো?????? - এই আপনার আব্বু কে????? - এই বাড়ির মালিক বুজলি আমি এইবাড়ির মেয়ে। তোর খবর খারাপ করে দিবো থাম। মরলাম রে এবার তো গেলাম বুজতেই পারিনি এইটা এই বাড়ির মেয়ে????? আর আমি কিভাবে কথা বললাম গেলাম রে। ব্রাশ হাতে নিয়ে গাধার মতো দাঁড়ায় আছি কি করবো বুজতে পারছি না বাসা হয়তো ছেড়ে দিতে হবে আজকে। যাই হবে হোক তাড়াতাড়ি করে রুমে চলে আসলাম এসেই ফ্রেশ হয়ে নিলাম। তখনই দরজায় ঠকঠক করছে কে জেনো বুজে গেছি হয়তো বাড়িওয়ালা আসছে বাসা থেকে বের করবে তাই বের হয়ে যাবো কিন্তু হাবিব তো নাই কি করি ভাবছিলাম তখন আবার দরজায় ঠকঠক আওয়াজ আসলো গিয়ে দরজা খুললাম। খুলেই দেখি হাবিব দাঁড়ায় আছে। যাক বাচলাম আমি ভাবছিলাম ওই বাড়িওয়ালা আংকেল টা আসছে। হাবিব - কিরে তুই এতো ভয়ে কেনো???? - আসলে দোস্ত আমি আজকে সকালে ছাদে গেছিলাম তারপর এই বাসার মেয়ের সাথে ঝগড়া লেগে যায় বুজতে পারিনি ওইটা বাসার মেয়ে দোস্ত মনে হয় বাসা ছাড়তে হবে। - ওই তুই পাগল????? তোকে মানা করেছিলো যেতে তাও তুই গেছিস কেনো????? - সরি দোস্ত চল আংকেল এর বাসায় গিয়ে সরি বলে আসি আর বলে আসি বাসা থেকে বের যেনো না করে। - ওকে চল। আমি আর হাবিব আংকেলের কাছে যাচ্ছি দরজার পাশে দাঁড়িয়ে বেল বাজালাম।দাঁড়ায় আছি ওই পেত্নিটা কি বাসায় বলে দিলো নাকি। কিছুক্ষণ পর দরজা খুলে গেলো সামনে চোখ তুলে তাকিয়ে দেখি মিশু রাগি চোখে তাকায় আছে। আমি - আ..আংকেল আছে??????? ( ভয়ে কথা বের হচ্ছে না) - ভাব ধরছে মনে হচ্ছে কথা যানে না যত্তসব। আমি - কিছু বললেন??????? - না কিছু না আব্বু আছে কি দরকার????? কিরে মিশু কে আসছে আর এতো কথা কার সাথে বলছিস, ভিতরে থেকে আংকেল কথা টা বলতে বলতে সামনে এগিয়ে আসছে। মিশু - আব্বু যাদের কালকে বাসায় ভাড়া দিয়েছো তারা আসছে তোমাকে খুজছে। আংকেল - ভিতরে আসতে দে। মিশু - এইজে বান্দর ভিতরে আসেন। বান্দর কাকে বললো আমাকে বান্দর বললে রাগ উঠে যায় শুধু বাড়ির মেয়ে বলে কিছু বললাম না ভিতরে ধুকলাম। ভিতরে গিয়ে দেখি আংকেল বসে আছে খবরের কাগজ পরছে। আমি - আসসালামু আলাইকুম আংকেল। আংকেল - হ্যা তা কেমন আছো তোমরা????( সালামের উত্তর দিয়ে) আমি - আংকেল ভালো আছি। মিশু - আব্বু একটা কথা বলবো আমি। বুজে গেছি মিশু কি বলবে ছাদে গেছি ঝগড়া করছি বাসা থেকে বের করে দেয়ার কথা বলবে নিশ্চয়ই। আংকেল - বল কি বলবি???? - একটু বাইরে বন্ধুদের সাথে দেখা করতে যাবো এইটাই বাই এখন। ( আমার দিকে তাকিয়ে হাসলো) আংকেল - আচ্ছা যা। মিশু বের হয়ে গেলো এই হাসি টা কেনো দিলো বুজেই ফেলেছি আমার মুখ দেখে হেসেছে হয়তো ভয় পেয়েছি বুজতে পারছে আমি চুপচাপ বসে আছি হাবিব নানারকম কথা বলছে। আংকেল কে কিছু বলেনি মিশু। আমরা আংকেলকে বিদায় দিয়ে চলে আসলাম। হাবিব - যাক বাচলাম কিছু বলেনি আর যাবি না ছাদে বুজলি???? আমি - আচ্ছা চল বাইরে থেকে নাস্তা করে আসি। - ওকে চল। আমি আর হাবিব নাস্তা করে ওইদিক দিয়ে কলেজের দিকে গেলাম যেই কলেজ যাচ্ছি ওইখানে পড়ালেখা করবো। কলেজের কিছু কাজ বাকি আছে ওইগুলো সব কাজ করে স্যার এর সাথে দেখা করে নিলাম কলেজ টা অনেক বড় স্যার এর রুম থেকে বের হয়ে কলেযে হাটাহাটি করছি। আমি মোবাইল টিপছি আর হাটছিলাম। হাবিব - সামনে তাকা। আমি - কেনো???? - আবে আগে তাকিয়ে দেখ তো। - হুম কি???? - তুই তাকাবি নাকি???? - আচ্ছা সামনে কি??????? আরে ওইতো মিশু এইখানে কেনো???? হাবিব - এইখানে ওই হয়তো পড়ে হয়তো। আমি - তার মানে কলেজে ওর সাথে দেখা হবে যেই পেত্নি মেয়ে দশ হাত দূরে দূরে থাকতে হবে এখন যত যলদি সম্ভব এই কলেজ থেকে বের হো। - আচ্ছা চল চাচার সাথে দেখা করে আসি। - হুম চল। কলেজ থেকে বের হওয়ার টাইম মিশু আমাদের দিকে তাকালো কারণ আমাদের সামনেই ওরা বন্ধু মিলে বসে ছিলো কিছু বললো না। আমরা বেরিয়ে চলে আসলাম হাবিবের চাচার বাসায় গিয়ে দেখা করে আসলাম । ওইখানে দুপুরে খেয়ে আসছি সালার বাসায় কে রান্না করবে কেও পারি না রান্না করতে তাই বাইরে বাইরে খেতে হচ্ছে যেটা বিরক্তিকর। রাতে শুয়ে আছি আমি আর হাবিব দুইজন রান্না পারি না তাই খাওয়ার নেই বাইরে হাওয়া হচ্ছে তাই যেতে ইচ্ছা করছে না তাই শুয়ে শুয়ে গান শুনছি আর ফেসবুকে গল্প পড়ছি। আমিও গল্প লিখি কিন্তু এখন গল্প পড়তে ইচ্ছা করছে তাই পড়ছি। আগেও পড়তাম। পড়তে পড়তে এক সময় ঘুমিয়ে যায়। https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEj06ulc0fu3MpVnch0XSGG0uyZnYXzB-IqDkQzFWkpGBUHaktH6NZa2o4LDf4B67KgCXcPhKs7XHDXckgOPm8pJc4FuT3W4kvryurpejL1VmXOblL9zf-TONrqCgFmna43AUW4irOkkL2A/s320/1530719719352_5853_compressed_40.jpg To be continue................

Romantic Love Story | Bangla Best Love Story In 2019 Part (1)

ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯ 0
Romantic Love Story | Bangla Best Love Story In 2019 Part (1)
সকাল থেকে বাসা খুজতে বের হয়ছি আমি আর আমার বন্ধু দুইজন আসছি রাজশাহী থেকে ঢাকা বলেছিলো তার বাসায় আমাকে নিয়ে যাবে ওইখানে থেকে পড়াশোনা চলবে আমাদের দুইজনের কিন্তু আমার বন্ধুর ও ওইটা নিজের বাসা না ওর চাচার বাসা ওদের বাসায় মেহমান আসছে তাই আমাদের এখন বাসা খুজতে বের হয়ছে। আসতে আসতে শীত চলে যাচ্ছে এখন সূর্য এর আলো এসে লাগলেই গরম লাগছে। অনেক বাসায় গেলাম সব বাসায় বলছে ব্যাচেলর এর ভাড়া হবে না। আমি - দোস্ত কথায় যাবো রে যেই বাসায় যাচ্ছি নিবে না বলছে। বউ লাগবে নাকি বা পরিবার এখন কি করবো বল। হাবিব - চিন্তা করিস না সামনে চল দেখি বাসা পেয়ে যাবো আসা করি। ( বন্ধুর নাম হাবিব) - আচ্ছা এই বাসায় চল। - হুম থাম কলিংবেলটা বাজায়। হাবিব কলিংবেল বাজায় দাঁড়ায় আছে আমিও দাঁড়িয়ে আছি বুজতেই পারছি এইটাও হবে না একজন ভদ্রলোক এসে দরজা খুললো। হাবিব - আসসালামু আলাইকুম আংকেল। আংকেল - কাকে চায় তোমাদের???( সালামের উত্তর নিয়ে) হাবিব - আংকেল আমরা বাসা খুজছিলাম। - ওহ আচ্ছা কে কে থাকবা???? - আমি আর আমার বন্ধু। - ওহ আচ্ছা। তোমাদের ভাড়া দিতে পারি যদি তোমরা ছাদে না যাও তাহলে। - রাজি আমরা। - ওকে। তাহলে সব কথা পরে বলবো তোমরা আগে ভিতরে এসে সব দেখে নাও। আমি শুধু অবাক হয়ে শুনছিলাম ওদের কথা বিশ্বাস হচ্ছিলো না যে এই বাসায় আমাদের হয়ে যাবে। কিছু টাকা নিলো আংকেল আমরাও রুমে আসলাম আমাদের জন্য শুধু একটাই রুম দুইজন একসাথে থাকবো। কিন্তু ছাদে তো আমার না গেলে ভালো লাগে না বাসায় ও ছাদে যেতাম কিন্তু এইখানে তো ছাদে যেতে মানা করেছে। এখন কি করবো দেখি। এইখানে এসেই একটু পর সন্ধ্যা হয়ে গেলো। দুইজন বিছানায় শুয়ে গেমস খেলছি। আমি - দোস্ত ভাবতেই পারিনি হয়ে যাবে। - হুম দেখলি আমার জন্য বাসা পেয়ে গেলাম। - হুম দেখলাম চল বাইরে থেকে আজকে কিছু খেয়ে আসি। - হুম ভালো বলছিস চল ঘুরেও আসা যাবে। - হুম। যেই ভাবা সেই কাজ দুই বন্ধু রাতে বাইরে চলে আসলাম। রাস্তায় হাটছি সামনেই দেখলাম চটপটির দোকান ইচ্ছা করলো খেতে। আমি - চল চটপটি খায়। - আচ্ছা চল। আমি আর হাবিব দোকানে গেলাম চটপটি দিতে বলে বসলাম কিছুক্ষণ পর দিলো। আমি আর হাবিব খাচ্ছিলাম হটাৎ চোখ সামনের দিকে গেলো দুইটা মেয়ে এইসময় বসে ফুচকা খাচ্ছে আর ঝালে গাল গুলা ফুলাচ্ছে লাল হয়ে গেছে খাওয়া বাদ দিয়ে মেয়েটার দিকে তাকাই আছি। হাবিব - কিরে খা। - হ্যা খাচ্ছি। হঠাৎ মেয়েটা চিল্লায় উঠলো ঝালে পানি পানি করে ঝাল যখন খেতে পারে না তো নেই কেনো আজব মেয়ে সব ওদের দেখে কিছু টা হেসেই ফেললাম হাবিব ও হাসছিলো মেয়েটা পানি খেয়েই আমার দিকে তাকালো রাগি চোখে আমি আর না তাকিয়ে চটপটি খেতে শুরু করলাম। মেয়েটা আমার সামনে আসলো। - এইজে অন্যদের দেখে খুব হাসি পাই হ্যা?????? আমি - জি আমাকে বলছেন???? ( বাচ্চা বাচ্চা ভাব নিয়ে) - তো কাকে বলবো হ্যা????? যত্তসব দাত ভেঙে দিবো এইভাবে হাসলে। মেয়েটা কি বলছে বুজতেই পারছি না আমি তো তার চোখের দিকে তাকাই আছি বেশ মায়াবি। হঠাৎ মনে হলো না এই মায়ায় পরা যাবে না পরলেই জীবন টা শেষ হয়ে যাবে। এইদিকে দেখি হাবিব ওই মেয়ের সাথে কথা কাটাকাটি করছে। আমি টেনে নিয়ে চলে আসলাম। আমি - কিরে তুই কেনো চিল্লা চিল্লি করছিলি???? - আবে তোকে আমাকে এসে এইভাবে কথা শুনাবে আমি ছেড়ে দিবো নাকি বেয়াদব মেয়ে ছিলো। - হ্যা ঠিক বলছিস বেয়াদব মেয়ে চল বাসায় যায়। - আচ্ছা চল। আমি আর হাবিব হাটছি আমার মনে মেয়েটার কথা ভাসছে দুইটা মেয়ে ছিলো একি দেখতে কিছুটা হয়তো বোন হবে আসার সময় দেখলাম আমাকে যেই বকছিলো সেই মেয়েটা সেই রাগে ফুলে আছে খেয়ে ফেলবে মনে হচ্ছিলো আমার ওর রাগি চেহারা দেখেই বেশ ভালো লাগছিলো। হাবিব - কিবে কোথায় হারিয়ে গেলি????? - কই???? - কখন থেকে ডাকছি তোকে আমি???? - কখন ডাকলি???? - চুপ চল বাসায় চলে আসছি। বাসায় ধুকতে যাবো তখনই আংকেল আমাদের সামনে হাজির। আংকেল - কোথায় গেছিলে দুইজন????? আমি - এইতো বাইরে খেতে গেছিলাম। - তোমাদের ডাকতে গেছিলাম খাওয়ার জন্য দেখলাম তোমরা নেই আর শুনো বেশি রাত করে বাসায় ফেরা যাবে না মনে রেখো। - আচ্ছা আংকেল। - তো এখন খাবে???? - না খেয়ে আসছি আংকেল। - আচ্ছা যাও রুমে। আমি আর হাবিব রুমে এসে বিছানায় শুয়ে পরলাম কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনছি। আজকের দিন টা অনেক কিছুই হলো। আজকে বাসা না পেলে রাস্তায় থাকতে হতো। যাইহোক একটা ভালো ঘুম দেই। সকালে ছাদে যাবো ভাবলাম সেই ভাবনা নিয়েই শুয়ে পরলাম। to be continue.........................

বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯

অদ্ভুত প্রেমের গল্প আহাদের গল্প

নভেম্বর ২১, ২০১৯ 0
অদ্ভুত প্রেমের গল্প আহাদের গল্প
অদ্ভুত প্রেমের গল্প আহাদের গল্প লিখেছে : Amicable Ahad এক... মেয়েটা কে? আহাদ সুপ্তিকে নিয়ে একটু শপিং এ যা। কাল যখন বাসা থেকে বের হব তখনি আম্মা কথাটি বললো। আমার মুখের বিরক্তি ভাবটা আবার ফুটে উঠল।কোন কালেই শপিং আমার ভাল লাগে না তার উপর আবার মেয়ে। চলো আমি রেডি। কথাটি শুনে পেছনের দিকে তাকালাম। দেখি সুপ্তি দারিয়ে আছে।কি মেয়েরে বাবা বলার আগেই রেডি। আমি কিছু বলার আগেই আম্মা হাতে টাকা দিয়ে বলল শপিং এর পরে একটু ঘুরতে নিয়ে যাস মেয়েটাকে। সারাদিন বাসায় কি ভাল লাগে। আমার রাগের মাত্রাটা আরও একটু বেড়ে গেলো।শপিং পর্যন্ত ঠিক ছিলো আবার ঘুরতে যাওয়ার কি দরকার। আমি কিছু না বলে সুপ্তিকে নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম। সুপ্তি আমার দুরসম্পর্কের মামাতো বোন।কিছুদিন হলো বেড়াতে এসেছে।কিন্তু অনেক বলার পরও আমি বেড়াতে নিয়ে যাই নি। দেখতে ভয়ংকর সুন্দর।কিন্তু আমার এই সুন্দর এর মায়ায় পড়া যাবে না। সুপ্তি আসার পর থেকে আমি বাসায় খুব কম ই থাকি।ওকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। মেয়েটাযে আমাকে এখনও ভালবাসে এইটা আমি ঠিকই বুঝতে পাড়ি। দুই... আমি তোমাকে ভালবাসি আহাদ। কথাটি শুনে পেছনে তাকিয়ে দেখি সুপ্তি দারিয়ে আছে। বাসায় আসার সাথে সাথেই আম্মা বললো রেডি হয়ে নে তোর মামার বাসায় যাবো। আমি যখনি না করতে যাবো তখনি আম্মা আবার বলে উঠলো এবার না করে লাভ নেই।যেতে না চাইলে জোর করে নিয়ে যাবো।আমি কিছু বললাম না।এবার আমাকে জেতেই হবে কেননা আম্মা আমাকে ছাড়া যাবে না। কলিংবেল চাপ দিতেই সুপ্তি দরজা খুলে দিলো।আম্মার পাশে আমাকে দেখে মনে হয় ভুত দেখার মত চমকে উঠলো। যে ছেলেটাকে এতদিন নানা ভাবে বুঝিয়েও মামার বাসায় নিয়ে আসতে পারে নি সে ছেলে আজ যদি মামার বাসায় যায় তাহলে একটু চমকাবার ই কথা। মামা মামির সাথে কথা বলে একটু ছাদে হাওয়া খেতে উঠলাম। কিছুদিন এভাবেই কেটে গেলো।সুপ্তিকে প্রায়ই আমি এড়িয়ে চলতাম।মেয়েটার মতি গতি ভাল মনে হচ্ছে না। সবসময় আমার আশেপাশেই থাকে।এতদিন ভাইয়া বলতো কিন্তু এখন দেখি নাম ধরেই বলে।আমার সাথে এমন ব্যাবহার করে মনে হয় আমি ওর থাক বললাম না। তিন... অনিচ্ছা সত্ত্বেও সুপ্তিকে নিয়ে রিক্সায় উঠলাম। এই পড়ে যাবে তো কথাটি শুনেই সুপ্তির দিকে তাকালাম। দেখি ফাজিল মেয়েটা হাসতেছে। এমন ভাবে আমার দিকে চেপে বসেছে যে আমি যদি আর একটু সরে বসি তাহলে পড়ে যাবো। হঠাৎ করেই সুপ্তি আমার হাত ধরে ফেলনো।আমি কিছু বলতে জাবো তার আগেই সুপ্তি বললো একটু ধরে রাখি প্লিজ না কোরো না। সুপ্তির মলিন মুখ দেখে আমি আর না করতে পারলাম না।ধরতেই তো চেয়েছে সমস্যা কি। দেখ তো এইটা কেমন। সুপ্তির কথায় পেছনে ঘুরে দেখি হাতে একটা কালো শাড়ি নিয়ে দারিয়ে আছে। সুপ্তি আবারও বললো তোমার কালো রঙ পছন্দ তাই আমি এটাই নেব। আমি ভ্রু কুচকিয়ে সুপ্তির দিকে তাকালাম। আমার যে কালো রঙ পছন্দ এইটা এই মেয়ে কিভাবে জানে। সুপ্তি মিষ্টি হাসি দিয়ে শাড়িটা প্যাক করে দিতে বললো। বিল মিটিয়ে যখনি বের হব তখনি দেখি লাবন্য আমার সামনে এসে দাঁড়ালো। লাবন্য আমার প্রাক্তন গার্লফ্রেন্ড। খুব তুচ্ছ কারনে ও আমার সাথে ব্রেকয়াপ করে চলে গিয়েছিলো। সেদিন যখন ক্লাস শেষে তিথির সাথে বাসায় আসছিলাম তখন লাবন্য আমাদের একসাথে দেখে ফেলেছিল। আমি সেদিন লাবন্যকে অনেক বুঝিয়েছিলাম যে তিথি আমার ফ্রেন্ড ছিল।কিন্তু সেদিন সে আমার কথা না শুনে আমার দুই গাল লাল করে দিয়ে চলে গিয়েছিল। আজ যখন আবার লাবন্যর সাথে দেখা হলো তখনি লাবন্য উপরের কথাটি বললো। চার... আজ যখন ছাদে দারিয়ে আকাশ দেখছিলাম তখনি সুপ্তি কথাটি বললো। আমি একটু অবাক হয়েই বললাম কি বললে? আমি তোমাকে ভালোবাসি কথাটি বলে সুপ্তি আমার দিকে এক মায়াময় চেহারায় তাকালো। আমি এক ভুল দ্বিতীয় বার আর করতে চাই না।লাবন্যও আমাকে অনেক ভালবাসতো।কিন্তু বিশ্বাস করতে পারে নাই। মেয়েরা অতি সহজে সম্পর্ক গড়তে ও পারে আবার ভাংতেও পাড়ে। আমি যথেষ্ট কঠিন ভাব রেখে অনেক কিছুই বলে সুপ্তিকে ফিরিয়ে দিলাম। তার পরের দিন ই আমি সুপ্তিদের বাসা থেকে চলে আসি।শুধু শুধু মায়া বাড়ানোর কি দরকার। আসার সময় সুপ্তির চোখে আমি পানি দেখেছিলাম। তবুও আমার একটা কথাই মনে হয়েছে সব মেয়েই একই রকম। চার.... লাবন্য আবারও বললো মেয়েটা কে? আমি জখনি কঠিন গলায় কিছু বলতে যাব তার আগেই সুপ্তি পেছন থেকে বলে উঠলো আমি ওর স্ত্রী। সুপ্তির কথা শুনে আমি একটু অবাক হলাম।একটু না বেশ ভালোই অবাক হলাম।মেয়েটা বলে কি, মাথা ঠিক আছে তো। লাবন্যর মুখটা মলিন হয়ে গেলো।তো বিয়ের কতদিন হোলো কথাটি বলেই লাবন্য আমার দিকে তাকালো। মনে মনে বললাম বিয়েই তো হলো না আবার কতদিন। সাত দিন,,,, কথাটি বলেই সুপ্তি আমার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসি দিয়ে হাতের ভিতর হাত দিয়ে জরিয়ে রাখলো। লাবন্যর মুখটা আরও একটু মলিন হয়ে গেলো। আহ কি হাসি মনে হয় সারাজিবন এই হাসি দেখেই পাড় করে দিতে পারবো।মেয়েটার হাসির প্রেমে পড়ে গেলাম। এই কি আবোল তাবল ভাবছি আমি। আমি কিছু বলার আগেই টাকলা ভুঁড়িওয়ালা একজন লাবন্যকে ডাক দিল। লাবন্য কিছু না বলেই চলে গেলো।তবে দূর থেকে বুঝতে বাকি রইল না যে এটাই লাবন্যর স্বামী। এটাই লাবন্য কথাটি শুনে আমি সুপ্তির দিকে তাকালাম। এই মেয়েটা কিভাবে জানলো এটা লাবন্য ছিল।আমি তো কোনদিন ওকে বলিনি। লাবন্যর কথা শুধু আম্মা জানতো। সুপ্তি আবারও বললো আমি কিভাবে জানি এটাই তো ভাবতেছ। আম্মা বলেছে।আমি তোমার সবকিছু জেনেই তোমাকে ভালবেসেছি কথাটি বলেই সুপ্তি আমার হাতটা আরও শক্ত করে ধরলো। পাচ..... কাল মেয়েটাকে বেড়াতে নিয়ে যাবি। বাসায় আসার পর ফ্রেশ হয়ে যখনি বসতে যাবো তখনি আম্মা কথাটা বললো। কথাটি শুনে আমার কেমন যেন রাগ হল না।আমি কিছু না বলেই রুমে চলে গেলাম। এই উঠো। ঘুম ঘুম চোখে তাকিয়ে দেখি সুপ্তি চা হাতে দারিয়ে আছে। মেয়েটাকে কালো শাড়িতে দারুন মানিয়েছে।একদম বউ বউ লাগছে। আজ কিন্তু ঘুরতে নিয়ে যেতে হবে কথাটি বলেই সুপ্তি আমার দিকে চায়ের কাপ টা এগিয়ে দিলো। আমি একটু হেসে মাথা নাড়িয়ে সম্মতি দিলাম। আমি মনে হয় এই ফাজিল মেয়েটার প্রেমে পড়ে গেলাম।কি মিষ্টি দেখতে।মনটাও অনেক ভাললো। তুই কি আমাকে একটুও ভালবাসিস না কথাটি শুনে আমি আম্মার দিকে তাকালাম। নাস্তা করার জননে যখনি চেয়ার টেনে বসতে যাবো তখনি আম্মা কথাটি বললো। আম্মা আবারো বললো যে চলে গেছে তার জননে নিজেকে কষ্ট দেওয়া বোকামি ছাড়া আর কিছুই না। মেয়েটা কিন্তু তোকে অনেক ভালবাসে। নাস্তা করে যখনি উঠতে যাবো তখনি আম্মা কথাটি বলে উঠলো। কিছুই বুঝলাম না।কোন মেয়ে কার মেয়ে। আম্মার দিকে তাকিয়ে দেখি সে সুপ্তির দিকে তাকিয়ে আছে। আমি কিছু না বলে রুমে চলে আসলাম। পরিশিষ্ট...... চলো। কথাটি শুনে পেছনের দিকে তাকালাম দেখি সুপ্তি সকালের পড়া সেই কালো শাড়িটাই পড়ে আছে।তবে এখন হালকা মেকাপএ মেয়েটাকে দারুন লাগছে। হাতটা একটু ধরি কথাটি বলেই সুপ্তি আমার দিকে তাকালো। আমি কিছু বললাম না।সুপ্তি মুখটা গোমরা করে বসে রইলো। রিক্সায় বসে আছি।তবে আজ সুপ্তির দিকে একটু চেপেই বসেছি। রিক্সা এসে থামলো একটা পার্ক এর সামনে। এখানে সব কাপলরা আসে।এখানে সিঙ্গেলদের কোন জায়গা নেই। কিন্তু সুপ্তি যখন আসতে চাইলো তখন আর না করতে পারিনি। একটা ব্রেঞ্চে গিয়ে বসলাম।সুপ্তিকে অনেক খুশি খুশি লাগছে। কিছুক্ষন এদিকওদিক তাকিয়ে যখনি সুপ্তির দিকে তাকালাম দেখি মেয়েটি মলিন মুখে বসে আছ। মন খারাপ কেনো। সুপ্তি কোন কথা না বলে হাত দিয়ে ইশারা করে কিছু দেখাতে চাইল। আমিও সে দিকে তাকিয়ে দেখি একটা কাপল বসে আছে।মেয়েটা ছেলেটার হাত ধরে কাধে মাথা রেখে বসে আছে। তুমি চাইলে ওইভাবে বসতে পারো কথাটি শুনে সুপ্তি আমার দিকে অবাক চোখে তাকালো। এই খানে অবাক হওয়ার কি আছে বুঝি না। আমি এই হাত সাড়াজিবনের জননে ধরতে চাই কথাটি বলে সুপ্তি আমার দিকে তাকালো। সুপ্তির চোখে আমি ভালবাসার চিহ্ন দেখতে পেলাম।এই চোখে কোন ছলনা নেই।কোন ছলনা থাকতে পাড়ে না। আমি সুপ্তির হাত ধরতেই মেয়েটার চোখ থেকে টুপ করে পানি গড়িয়ে পড়লো। আজ আম্মাকে সারপ্রাইজ দিতে চাই। আমি আর সুপ্তি রিক্সায় বসে আছি। সুপ্তি আমার হাত জরিয়ে ধরে কাধে মাথা রেখে বসে আছে। রিক্সা চলছে।গন্তব্য কাজি অফিস। আমি সুপ্তির কপালে একটা চুমু একে দিলাম আর মনে মনে বললাম এই ভালবাসা হারাতে নেই। (অবশেষে ফাজিল মেয়েটার প্রেমে পড়ে গেলাম)

অদ্ভুত প্রেমের গল্প মেইড ফর ইচ আদার

নভেম্বর ২১, ২০১৯ 0
অদ্ভুত প্রেমের গল্প মেইড ফর ইচ আদার
অদ্ভুত প্রেমের গল্প মেইড ফর ইচ আদার লিখাঃ মোঃআসাদ রহমান এক সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে ছাদের রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছি আমি।আকাশ জুড়ে শ্রাবণের কালো মেঘ ছেয়ে আছে।আমার সামনের দিকে চুল গুলা বেশ বড়।একটু পর পর দমকা বাতাসে আমার সামনের চুল গুলা উড়ছে।মনে হচ্ছে খুব জোড় বৃষ্টি হবে।আবার ঝড়ের আভাস বেশ ভালো মতোই টের পাচ্ছি আমি।কিছু একটা ভাবতে ইচ্ছা করছে আমার। কিন্তু মাথা একদম ফাকা ফাকা মনে হচ্ছে। এরই মধ্যে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলো।তবুও অন্যমনস্ক হয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছি আমি।আকাশে মেঘের গর্জন ক্রমেই বেড়ে চলেছে।মূহুর্তের মধ্যেই আমার সমস্ত শরীর ভিজিয়ে দিলো শ্রাবণের প্রথম বৃষ্টি। চোখ বন্ধ করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম আমি।আমার কাঁধে হাত দিতেই আমি খানিকটা চমকে উঠে নিজেকে সামলে নিলাম।চোখ মেলে দেখি আমার সামনে পুষ্পিতা দাঁড়িয়ে।বেশ কয়েকটা প্রশ্ন ছুড়ে দিলাম পুষ্পিতার দিকে। পুস্পিতা আমার কোন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে ছাদের রেলিংটা ধরে নিচের দিকে তাকিয়ে রইলো। বৃষ্টির গতি খানিকটা কমে গেলে আমি বাসার ভিতরে চলে গেলাম।আমার পিছুপিছু পুষ্পিতাও ছাদ থেকে নেমে আসলো। ড্রয়িংরুমে পুস্পিতার লাগেজটা দেখে আমি বেশ অবাক হলাম।মাস পাঁচেক হলো আমার বাবা মারা গেছেন।উনার ব্যবসা এখন আমার বড় ভাই দেখে। ভাইয়া বিবাহিত।ভাইয়া ফ্যামিলি নিয়ে নিচ তলায় থাকে।আর আমি দোতলাতে একাই থাকি।বাবা মারা যাওয়ার কিছুদিন পর আমি বাসায় এসে উঠেছি।এই বাসার ছেলে হলেও আমার কারোর সাথে ভালো সম্পর্ক ছিলোনা।মা মারা যাওয়ার পরে একেবারেই বাসায় আসা বন্ধ করে দিয়েছিলাম।মা বেঁচে থাকাকালীনও আমি বাসায় খুব একটা আসতাম না।বড় ছেলেকে সামলাতে সামলাতে কখন যে ছোট ছেলে অনেকটা পিছিয়ে গেছে সেটা তারা খেয়ালই করেনি।আর যখন খেয়াল করেছে তখন পারিবারিক বন্ধন থেকে একেবারেই ছিটকে পরেছিলাম।পরে যখন বাবা মারা গেলো তখন ভাইয়া নিজে গিয়ে আমাকে নিজের বাসার দায়িত্ব নিতে বলে।আর ব্যবসায় থেকে যা প্রফিট আসে মাস শেষে সেইটার অর্ধেক আমার এক্যাউণ্টে জমা করে দেয়।অনার্স কম্পলিট করেছি মাস দুয়েক হলো। বুয়া এসে রান্না আর কাপড় গুলা কেঁচে দিয়ে যায়।বই পড়া, মাঝে মাঝে কোথাও ঘুরতে যাওয়া,পরিচিত কারোর সাথে দেখা হলে ধোয়া ওঠা গরম চায়ের সাথে কিছুক্ষণ আড্ডা সব মিলিয়ে এভাবেই উদ্দেশ্যহীন ভাবে চলছিলো আমার দৈনন্দিন জীবন… #দুই বাথরুম থেকে চেঞ্জ করে ঘাড়ে টাওয়েলটা নিয়ে আমি বের হলাম। ড্রয়িংরুমের সোফায় বসে লাগেজটার দিকে তাকিয়ে মনের মধ্যে জমা হওয়া রহস্য ভেদ করার বৃথা চেষ্টা চালাচ্ছি। পুষ্পিতা এইখানে? কিন্তু কেন?? আমি যখন আব্দুল চাচার মেসে থাকতাম মেসের সামনের বাসাটাতে পুষ্পিতার মামার বাসা ছিলো।পুস্পিতার বাবা নেই।বছর দুয়েক হলো মামার বাসায় এসে উঠেছে।বাবার পেনশন দিয়ে কোনরকমে দিন পার হয়ে গেলেও মামা নিজে থেকেই মা আর মেয়ের দায়িত্ব নেয়। আব্দুল চাচার মেসে উঠেছি আজ চারদিন হলো।একদিন সকালে কালাম চাচার দোকানে গিয়ে বসেছিলাম।কালাম চাচার মুদির দোকান কিন্তু দুধ চা টা যা বানাই পুরাই অস্থির।এই সময়টাতে তেমন কেউ ঘুম থেকেই ওঠেনা।দোকান একেবারেই ফাঁকা। মাঝে মাঝে কেউ আসছে তাদের প্রয়োজনীয় যা লাগবে নিয়েই চলে যাচ্ছে।আমি চাচাকে এক কাপ চা দিতে আর সাথে একটা বিস্কিট দিতে বললাম।নিউজপেপারটা হাতে নিয়ে একটু উল্টে পাল্টে দেখছিলাম।তখনি একটা মেয়ের কন্ঠে শুনে নিউজপেপারটা মুখের সামনে থেকে একটু নিচু করে মেয়েটার দিকে তাকালাম।মেয়েটা আমার দিকে একবার তাকালো তারপর দোকানের বেঞ্চটাতে বসতে বসতে কালাম চাচাকে বললো আমাকে এককাপ চা দিয়েন তো।ফুল কাপ দিবেন। চাচা একটু হাসলো। তারপর আমাকে আমার চা আর বিস্কিটটা দিয়ে মেয়েটার জন্য চা বানাতে লাগলো। আমি নিউজপেপারটা আমার বাম পাশে রেখে চায়ের মধ্যে বিস্কিট ডুবিয়ে খাচ্ছিলাম। মেয়েটা বলে উঠলো - এই যে মি. নিউজপেপারটা পাস করুন। -জ্বীইই.. -বললাম নিউজ পেপারটা পাস করুন।কানে শুনেন না নাকি। আমি নিউজ পেপারটা মেয়েটার দিকে বাড়িয়ে দিলাম নিউজ পেপারটা নিয়ে উল্টেপাল্টে দেখতে লাগলো। তারপর কালাম চাচা কে দেখলাম চায়ের কাপের মধ্যে একটা চামচ দিয়ে ওর পাশে চায়ের কাপটা রাখতে।চায়ের কাপের মধ্যে চামচ দেয়া দেখে আমার বেশ কৌতূহল হলো।আমি নিজের চা খাওয়া বাদ দিয়ে মেয়েটার চায়ের কাপের দিকে তাকিয়ে রইলাম। মেয়েটা চামচে একটু করে চা নিয়ে ফুঁ দিচ্ছে আর খাচ্ছে।ব্যাপারটা আমার খুব ইন্টারেস্টিং লাগলো।নিজের চা খাওয়া বাদ দিয়ে আমি বেশ মজা নিয়ে ব্যাপারটা আড় চোখে দেখছিলাম।ইতিমধ্যে মেয়েটার চা খাওয়া শেষ।কালাম চাচা কে চায়ের টাকাটা দেয়া শেষ করে আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে বললো এভাবে আড় চোখে তাকিয়ে দেখাটা কিন্ত খুব অন্যায়।এইসব বদ অভ্যাস বাদ দেয়াই শ্রেয়।কথাটা শুনে আমি খুব লজ্জা পেয়েছিলাম। কথাটা বলার পরে মেয়েটা আর এক মুহূর্ত দেরি না করে চলে গেলো.. আমি মেয়েটার গমন পথের দিকে খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে চায়ের বিলটা দিয়ে মেসে ফিরে গেলাম… #তিন ভার্সিটিতে ক্লাস শেষ করে আমি আর রাফি একটা রেস্টুরেন্টে বসলাম।উদ্দেশ্য জমিয়ে রাফির পকেট ফাকা করা।সুযোগ পেলে রাফি নিজেও আমার পকেট ফাকা করে নেয়।কিন্তু আজ সুযোগটা আমার।খাবার অর্ডার করা শেষে আমরা চুপচাপ বসে ছিলাম।হঠাৎ করেই দেখলাম আমাদের পাশের একদম শেষের টেবিলের আগের টেবিলে যে মেয়েটা বসে ছিলো উঠে দাঁড়ালো এবং সামনে থাকা ছেলেটাকে কিকি জানি বললো।স্পষ্ট শুনতে পেলাম না।মেয়েটার চেহারাটা দেখতে পারছিলাম না।মেয়েটার সামনে থাকা ছেলেটা কেমন একটা দৃষ্টি নিয়ে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে আছে।মুহূর্তের মধ্যেই মেয়েটা ছেলেটাকে থাপ্পড় মেরে রাগি একটা লুক নিয়ে আমাদের সামনে দিয়ে চলে গেলো।মেয়েটাকে দেখেই চিনে ফেললাম।চায়ের দোকানে দেখা সেই মেয়েটা।মেয়েটা বলার কারণ আমি তখনো তার নাম জানতাম না।পরে জেনেছি যে ওর নাম পুষ্পিতা। বেশ কিছুদিন পরেই আবার দেখা হলো আমাদের।ও বাসা থেকে বের হচ্ছিলো আর আমিও মার্কেটে যাচ্ছিলাম।ওকে দেখে একটা সৌজন্যমূলক হাসি দিলাম।পরিবর্তে ও নিজেও হাসলো। আমরা পাশাপাশি হাটছিলাম.. "মি. আড়চোখা আপনি?? "আমার নাম মি. আড়চোখা না। "তাহলে নাম কি? "প্রণব রায়হান। "বাহ বেশ তো।আনকমন নেইম। আমি ধন্যবাদ দিয়ে একটু জড়তা নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম "আপনার নাম টা? "পুষ্পিতা রহমান। "আপনার নামটাও সুন্দর।আপনাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করবো ভাবছিলাম। এবারে পুষ্পিতা আমার পা থেকে মাথা পর্যন্ত তাকিয়ে দেখলো।তারপর একটু গম্ভীর ভাবে বললো- "কি জিজ্ঞেস করবেন? আমার বয়ফ্রেন্ড আছে কিনা? "না তো। পুষ্পিতা মনে হয় আমার এরকম উত্তর শুনে বেশ অবাক আর আহত হলো।সুন্দরি মেয়েদের এই এক সমস্যা।আগেই নিজেকে নিয়ে আকাশ পাতাল ভেবে বসে।ওর চেহারাটা দেখে এরকমই মনে হচ্ছিলো আমার। "তাহলে কি বলবেন? "আসলে জানতে চাইছিলাম সেইদিন রেস্টুরেন্টে ছেলেটাকে ওইভাবে থাপ্পড় কেন মারলেন?যদিও পার্সোনাল প্রশ্ন তবুও... "হুম পার্সোনালই বটে। অপ্রস্তুত ভাবে হাসলো পুষ্পিতা।বুঝলাম বলতে চাচ্ছেনা। "আরেকটা কথা জিজ্ঞেস করার ছিলো?? পুষ্পিতা একটু হেসে বললো "আজকে রেখে দিন।আমার লেইট হয়ে যাচ্ছে। কথাটা বলেই রিক্সা ঠিক করে চলে গেলো।আর আমি আমার কাজে চলে গেলাম... #চার সপ্তাহ খানেক পরে ভোর ছয়টার দিকে পুষ্পিতার সাথে আবার দেখা হলো কালাম চাচার দোকানে।সেইদিনও একই অবস্থা। চামচে চা নিয়ে ফুঁ দিয়ে দিয়ে চা খাচ্ছে।ওর চামচ দিয়ে চা খাওয়ার দৃশ্যটা আমার এতটা ভালো লেগে যাবে বুঝতেই পারিনি।পুষ্পিতা এর মধ্যে কালাম চাচাকে টাকা দিয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম- "কিছু বলবেন? "হ্যা ওই যে সেইদিন কিছু জিজ্ঞেস করবেন বলেছিলেন? "হ্যা আসলে.. "আপনার কাজ শেষ হলে চলুন হাটতে হাটতে কথা বলা যাক। "চলুন…. পুস্পিতা হাটতে লাগলো এইখানকার বড় মাঠটার দিকে।আমিও পাশাপাশি হাটতে লাগলাম।পুষ্পিতা বললো- "কি জিজ্ঞেস করবেন.?? "না মানে আসলে আমার খুব কৌতূহল হচ্ছে। আপনি ওইভাবে চামচ দিয়ে চা.... এটাই জানতে চাইছিলাম আর কি… আমার কথা শুনে পুষ্পিতা শব্দ করে হেসে উঠলো।ওর হাসির শব্দটা শুনে বুকের মধ্যে কেমন জানি একটা লাগলো।ও হাসি থামিয়ে বললো- "আসলে ছোট বেলায় একবার চায়ের কাপে মুখ লাগিয়ে চা খাওয়ার সময় ঠোট আর জিহ্বা পুড়ে গেছিলো।তারপর থেকে কাপে মুখ লাগিয়ে খেতে ভয় করে।এই জন্যে চামচ দিয়ে খাই।কালাম চাচার বানানো চা খুব টেস্টি।সব সময় আসিনা কালাম চাচার দোকানে।কোন মেয়ে চায়ের দোকানে বসে চা খাবে এইটা বেশ বেমানান দেখাই।তাই যখন সকালের দিকে যখন কেউ থাকেনা তখন আসি। মন খারাপ থাকলে এই চা আমার মন ভালো করার ঔষধ। "তার মানে আজকে আপনার মন খারাপ? ও আমার কথার জবাব দিলো না। "সমস্যা না থাকলে শেয়ার করতে পারেন। পুষ্পিতা আমাকে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিলো।হঠাতই একটা বাইক আমাদের সামনে এসে থামলো। ছেলেটা যখন হেলমেটটা খুললো তখন ছেলেটাকেও চিনলাম।এই ছেলেটাকেই সেদিন পুষ্পিতা থাপ্পড় মেরে ছিলো। ছেলেটা বাইকটা স্ট্যান্ড করে পুষ্পিতার সামনে দাঁড়িয়ে বললো- "সেদিন তো আমাকে খুব বড় বড় লেকচার দিয়েছিলি।ব্রেকাপ হলো কি না হলো সকাল সকাল আরেকটা প্রেমিক নিয়ে বেড়িয়ে পরেছিস।এখন কোথায় গেলো তোর সতীত্ব?একচুয়্যালি ইউ আর দ্য ব্লাডি বি… ছেলেটার কথা শেষ না হতেই ডান গালে জোরসে একটা থাপ্পড় পরলো। আমি ছেলেটার গালের দিকে একটু ভালো করে তাকালাম।ফর্সা গাল হাতের পাঁচ আঙুল বসে গেছে।বাপরে মেয়ের হাতে জোর কত!! ছেলেটা চড় খেয়ে ফুঁসতে ফুঁসতে বাইক নিয়ে চলে গেলো… আর পুষ্পিতা হাটতে হাটতে মাঠের পাশে যে পুকুরটা আছে সেইখানে গিয়ে দুহাত বুকের সাথে জড়ো করে দাঁড়ালো। আমি কি মনে করে করে ওর পিছুপিছু গেলাম।এটা বুঝতে পারলাম ছেলেটা পুষ্পিতার বয়ফ্রেন্ড ছিলো। এখন আর নেই.. আমি পুষ্পিতার পাশে গিয়ে দাঁড়াতেই বললো- "একটা ছেলের ভাবনা চিন্তা ভাবনা এতটা খারাপ কিভাবে হয়।তিনবছরের রিলেশনশিপ ছিলো আমাদের।সেদিন রেস্টুরেন্টে ইনিয়েবিনিয়ে আমাকে ওর সাথে রুমডেটে যেতে বলে নয়তো সম্পর্ক রাখবেনা বলে জানিয়ে দেয়।নিজের শারীরিক চাহিদা মেটানোর জন্য তাহলে আমার পিছনে কেন তিনটা বছর নষ্ট করলো।প্রস্টিটিউট এর কাছে গেলেই পারতো।আমার ফ্রেন্ডরা বার বার বলেছিলো ওকে বিশ্বাস না করতে কিন্তু আমি সব সময় ওকে ডিফেন্ড করেছি।আর ও আমার বিশ্বাসের এই মূল্য দিলো... " ওর মুখে এরকম কথা শুনার পরেই কেন জানিনা আমার রাগ উঠতে লাগলো ছেলেটার উপরে।ওকে পুকুরপাড়ে রেখেই আমি চলে আসলাম… আচ্ছা আমার কেন রাগ হচ্ছে? ছেলেটা ওকে ঠকিয়েছে সেইজন্য নাকি মেয়েটার কান্না আমার সহ্য হচ্ছেনা এইজন্য? জানিনা আমি.... মেসে গিয়ে শুয়ে পরলাম।কিন্তু শুধু পুষ্পিতার কথাই মনে হচ্ছে।ও কান্না করছে ভেবেই মনটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে আমার।জানিনা কেন এমন হচ্ছে। এমনটা আমার সাথে কখনো হয়নি।সারাদিনে এমনকি রাতেও পুস্পিতা নিয়ে ভেবেছি।ওইভাবে আমার পুকুরপাড় থেকে চলে আসা উচিৎ হয়নি।নিজের মধ্যেই কেমন একটা গিলটি ফিল হচ্ছে…. #পাঁচ সারারাত ঘুমাইতে পারিনি।শুধু বিছানায় গড়াগড়ি আর গান শুনে কাটিয়ে দিয়েছি।খুব সকাল বেলা হাটতে হাটতে কালাম চাচার দোকানের পাশে মাচাটায় বসলাম।কালাম চাচা এখনো দোকান খুলেনি।কিছুক্ষণ বাদে পুস্পিতাকেও দেখলাম এইদিকেই আসছে।চোখ দুইটা লাল হয়ে আছে। মনে হয় সারারাত কান্না করেছে।পুষ্পিতা আমার সামনে এসে দাঁড়ালো... "আসলে.. এইটুকু বলেই চুল গুলা কানের একপাশে গুঁজে দিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকলো।আমি বললাম "স্যরি.. "জ্বীইই? "আই এম স্যরি। আসলে আপনাকে কালকে ওইভাবে রেখে আসাটা উচিৎ হয়নি। পুষ্পিতা খানিকটা হাসার চেষ্টা করলো।তারপর বললো- "আমি তো ভেবেছিলাম আপনাকে স্যরি বলবো।আমার জন্য আপনাকে ওকয়ার্ড একটা সিচ্যুয়েশানে পরতে হলো। "সমস্যা নেই।মনের কথা চেপে রাখতে নেই।শেয়ার করলে মন হাল্কা হয়।ও কেবল হাসলো।এইবারের হাসিটা একদম অন্যরকম। হাসিটা দেখেই আবার বুকের মধ্যে কেমন জানি করে উঠলো... " রাত্রির সাথে ছয়মাস রিলেশন ছিলো।কখনো ওর হাসি দেখে এরকম মনে হয়নি।ওর সাথে থাকলে কেমন জানি দম বন্ধ হয়ে আসতো।আমাকে ওর গোলাম বানিয়ে রেখেছিলো।উঠতে বললে উঠতে হবে বসতে বললে বসতে হবে।নিজের কোন স্বাধীনতাই ছিলো না।পরে যখন ওর সাথে একেবারেই থাকতে পারলাম না তখন ব্রেকাপ করে নেই।ব্রেকাপের পর আমি খুব হ্যাপি ছিলাম।আই থিংক ও নিজেও এই রিলেশনশিপে হ্যাপি ছিলোনা।তাই দুইদিক থেকে কেউই আর যোগাযোগের চেষ্টা করিনি।" পুষ্পিতা বললো "কি মি. কই হারাইলেন? কালাম চাচা দোকান খুলেছে। আপনি কি যাবেন? "হ্যা চলেন.. পুষ্পিতা চামচ দিয়ে চা খাচ্ছিলো আর আমি আড় চোখে দেখছি। "এভাবে আড় চোখে দেখার কিছু নাই।আমি ওর কথায় আবারো কেবল লজ্জা পেলাম।মেয়েটা বুঝে কিভাবে যে কেউ ওকে আড় চোখে দেখছে? অদ্ভুত তো!! এরপর একদিন নাম্বার নিয়েছিলাম।ওর হাসিটা অনেক সুন্দর।ও ফোনের অপাশ থেকে শব্দ করে হাসলে আমি এপাশ থেকে অনুভব করতাম।আস্তে আস্তে একটা ভালো আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয় আমাদের।আপনি থেকে তুমি।তবে আমাদের মধ্যে রিলেশনটা ফ্রেন্ডশিপ নাকি অন্যকিছু বুঝতে পারিনা।ও কখনো বুঝতে দেয়নি।আমি ওর জন্য কিছু একটা ফিল করি।কিন্তু কখনো জানানো হয়নি।ইচ্ছা করে জানাইনি।একটা ছেলে যদি কোন মেয়ের বিশ্বাস ভাঙে অন্য আরেকটা ছেলের বিশ্বাস অর্জন করতে অনেকটা সময় লাগে… "একসময় বুঝতে পারলাম ওর উপরে খুব নির্ভরশীল হয়ে পরছি।ওকে ছাড়া আমার কোন কিছু ঠিক মত হচ্ছেনা।দিনে একবার কথা না হলে মনের মধ্যে কেমন একটা ছটফটানি অনুভব করতাম।তাই ইচ্ছা করে মেস চেঞ্জ করে যোগাযোগ কমিয়ে দিলাম।নিজেকে অন্য কাজের মধ্যে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করতে লাগলাম।ও মাঝেমাঝে ফোন দিয়ে খোঁজখবর নিতো।কিন্তু আমি ফোন দিতাম না।তারপর বাবা মারা গেলো।মেইস ছেড়ে চলে আসলাম।মাস খানেক পার হওয়ার পর পুষ্পিতার মধ্যে একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করলাম।নিয়মিত আমার সাথে কথা বলে।মাঝে মাঝে দেখাও করতে বলে।লক্ষ্য করলাম আমি আবারো ওর উপরে ডিপেন্ডেবল হয়ে পরছি.. #ছয় পুষ্পিতা চেঞ্জ করে আমার সামনে দাড়ালো।ভেজা চুলে ওকে বেশ অন্যরকম লাগছে।ওকে এই অবস্থায় বুকের মধ্যে মোচড় দিয়ে উঠলো।বাইরে আবারো সজোরে বৃষ্টি আরম্ভ হয়েছে।আশ্চর্যের বিষয় হলো কারেন্ট এখনো যায়নি।আমি নিজেকে সামলে নিয়ে ওকে বললাম- "দাঁড়িয়ে কেন আছো? বসো.. পুষ্পিতা আমার পাশে বসতে বসতে বললো "প্রণব আসলে… "বলো.. "তোমাকে অনেক বার ফোনে ট্রাই করেছি।তোমাকে ফোনে পাচ্ছিলাম না।আমি কিছুদিন তোমার এইখানে থাকলে তোমার কোন সমস্যা হবে? "না আমার আবার কি সমস্যা হবে।এইখানে কয়েকটা রুম ফাকাই থাকে।তুমি যেকোনো একটাতে থাকতে পারো। "আসলে আমি মামার বাসা থেকে চলে এসেছি। যতদিন না কোন চাকুরী পাচ্ছি ততদিন তোমার বাসায়… "হুম বুঝলাম।কিন্তু হঠাৎ বাসা কেন ছাড়তে হলো আপনাকে ম্যাডাম? "আসলে মামা বিয়ে ঠিক করেছে।আমাদের কয়টা বছর দেখলো কি না দেখলো আমার লাইফের ডিসিশনস নিতে শুরু করে দিলো।তাও আমাকে না জানিয়েই… আর আমিও চেনা নাই জানা নাই ওরকম ছেলেকে কিভাবে বিয়ে করবো?আমার পক্ষে এটা সম্ভব না। "আচ্ছা আচ্ছা বুঝলাম.. এমন সময় কারেন্ট চলে গেলো..রাত হয়ে গেছে বাসায় ক্যান্ডেল ও নেই।আর ফোনের ব্যাটারিও ডেড..বাইরে তো বৃষ্টি হচ্ছে।এখন কি করবো?পুস্পিতা আমার শার্টের হাতাটা শক্ত করে ধরলো।আবারো আমার বুকের মধ্যে মোচড় দিয়ে উঠলো।বুঝলাম ওর খুব ভয় করছে।আমি ওকে বললাম- "ভয় পেয়ো না।কারেন্ট একটু পরেই চলে আসবে। "হুম… কিছুক্ষণ পরে কারেন্ট আসলো।আমি পুষ্পিতা কে ওর রুমে দিয়ে আসলাম।রাতে ঘুম থেকে উঠেছিলাম একবার দেখলাম ওর রুমের লাইটটা জ্বলছে।মনে হয় লাইট না জ্বালিয়ে ঘুমাইতে পারেনা বা অন্য কোন কাজ করছে। পরের দিন দুপুর বেলা টেস্ট ম্যাচ দেখছিলাম।দরজা খোলাই ছিলো।ভাবিকে আসলো হাতে প্লেট দিয়ে ঢেঁকে আমার জন্য কিছু একটা এনেছে।ভালো কিছু রান্না করলেই আমাকে বাসায় ডাকে নয়তো বাসায় এসে দিয়ে যায়।আমি কিছু বলার আগেই ভাবি বললো- "কি ছোট সাহেব কি খবর??ভাবিকে ভুলে গেছো নাকি?দেখা করো না বেশ কয়েকদিন হলো। "আরে কি যে বলো। তোমাকে ভুললে চলে?আজকে কি রান্না করেছো?? "ভূনা খিচুড়ি.. "বাহ বেশ জমবে তাহলে দুপুরের খাবারটা। "কি ব্যাপার বলো তো। তোমার বাসার সব কিছু এমন গুছানো লাগছে। ব্যাপার আমিও বুঝতেছিনা ভাবি। এমন সময় পুষ্পিতা ওর রুম থেকে বের হয়ে আসলো।ভাবি পুস্পিতাকে দেখে আমার দিকে তাকিয়ে বললো- " বিয়ে করেছো একবার জানানোর প্রয়োজন মনে করলেনা? তোমার ভাইয়াকে না হোক আমাকে তো একবার জানাইতে পারতে। "আরে ছিঃ ছিঃ ভাবী তোমাদের না জানিয়ে আমি কিভাবে বিয়ে করবো বলো? "তাহলে মেয়েটা কে?? কথাটা শোনার পরে আমি পুষ্পিতার দিকে তাকাইলাম।পুষ্পিতা বসতে বললো "আমার নাম পুষ্পিতা।আমি আসলে প্রণবের ফ্রেন্ড। ভাবী বললো- "আমি প্রণবের ভাবী.. দুইজনের পরিচয় শেষেই গল্পের ঝুড়ি নিয়ে বসলো।আমি শুধু একবার ভাবীর মুখের দিকে তাকাই একবার পুষ্পিতার মুখের দিকে তাকাই। ভাবী চলে গেলে পুষ্পিতা বললো "তোমার ভাবীটা কিন্তু খুব ভালো আর অনেক মিশুক। "হ্যা। মিশুক যে বুঝতেই পারছিলাম তোমাদের দেখে... "প্রণব আমার রুমের লাইটটা জ্বলছেনা।একটু দেখবে?আমি লাইট না জ্বালিয়ে রাতে ঘুমাইতে পারিনা। "আচ্ছা চলো দেখি… #সাত "কয়েকটা দিন বেশ ভালোই কাটলো।ওর হাসিটা আমাকে এতটা কেন মুগ্ধ করে আমি জানিনা। বিকালে আকাশের অবস্থা ভালো না দেখে ভাবলাম ওর সাথে আড্ডা দেই।ওর রুমের দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম।দেখলাম আমার সাদা শার্টটা আইরন করছে। এই সময় যদি শাড়ি পরতো।আর শাড়ির আঁচল কোমরে পেঁচানো থাকতো তাহলে একদম আমার বউ বউ লাগতো।আমি একটু কাশি দিয়ে ওর পেছনে গিয়ে দাঁড়ালাম। "পুষ্পিতা এই শার্টের বাটন তো ছেড়া। এইটা তুমি আইরন কেন করছো? "চোখে ঠিকমতো দেখো না নাকি? "হ্যা দেখি তো… "চোখে ঠিকমতো দেখলে তো এটাও দেখতে শার্টের বাটন লাগানো। "বাহ বেশ তো।কিন্তু সুঁচসুতা কই পেলে?এই বাসায় তো এসব কিছুই নেই। "ভাবীর কাছ থেকে এনেছি। "ভালোই… আমি বাসা থেকে বের হচ্ছিলাম দেখি ভাবি সিঁড়ি দিয়ে উপরে আসছে.. "কি খবর ছোট সাহেব? "ভালো ভাবি। "শুধু ভালো? "হুম.. "মেয়েটা কিন্তু সংসারী.. "কোন মেয়ে বলো তো??পুস্প? "হ্যা।ভালোই মানাবে তোমাদের।সময় থাকতে বলে দাও নয়তো অন্য কেউ নিয়ে চলে যাবে।তখন আফসোস করবে। "আরে ধুরর ভাবী কি যে বলো না.. " কি যে না।যা বললাম ঠিকই বললাম।কোথায় যাচ্ছো তুমি? "বড় মাঠে। "আচ্ছা তাড়াতাড়ি ফিরো.. অর্ধেক রাস্তা যেতে না যেতেই বৃষ্টিতে ভিজে চুপসে গেলাম।ভিজতে ভিজতে বাসায় ফিরতে লাগলাম।ফেরার সময় ভাবীর বলা কথাটা নিয়ে বেশ ভাবলাম।ভাবতেই মেজাজটা সকালের মত আবারও খারাপ হয়ে গেলো। সকালের দিকে ঘুম থেকে উঠে ব্যাল্কনিতে দাঁড়িয়েছিলাম।নিচে তাকিয়ে দেখি পুষ্পিতা একটা ছেলের সাথে হেসে হেসে কথা বলছে।বিষয়টা আমি কেন জানিনা মানতে পারছিলাম না।এই জন্য মেজাজ খানিকটা খারাপ ছিলো সকালে। বাসায় ফিরে দেখি পুষ্পিতা টিভি দেখছে।চেঞ্জ করে মাথা মুছতে মুছতে টিভির রুমে গেলাম।আমাকে দেখে পুষ্পিতা উঠে দাঁড়ালো।আমার সামনে এসে বললো- "এইভাবে কেউ মাথা মুছে?? "কেন? আমার হাত থেকে টাওয়েলটা নিয়ে আমার মাথা মুছে দিতে লাগলো।আবারো আমার বুকের বাম পাশটাতে মোচড় দিয়ে উঠলো।অন্যরকম একটা অনুভূতি অনুভব করতে লাগলাম যতটা সময় পুষ্পিতা আমার মাথা মুছে দিচ্ছিলো। "প্রণব আমার জবটা হয়ে গেছে। কথাটা শোনার পরে মুখে গুড নিউজ বললেও এটা ভেবে মনটা একটু খারাপ হলো।তাহলে কি ও চলে যাবে? "তোমার প্রব্লেম না থাকলে আর একমাস থাকতে হবে।প্রথম মাসে স্যালারি পেলেই বাসা নিবো। "আচ্ছা.. পুষ্পিতা যখন চলে যাচ্ছিলো মাথা মুছে দিয়ে আমি ওর হাতটা টেনে ধরলাম ও দাঁড়িয়ে একবার হাতের দিকে তাকাচ্ছে আর একবার আমার মুখের দিকে তাকাচ্ছে। "তোমাকে কিছু বলার ছিলো।কথা গুলা আমি আজকে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে ভাবলাম। "হ্যা বলো। "আসলে.. "কি " ভাবী বলছিলো তুমি যদি আমার বউ হইলে আমাদের বেশ মানাইতো। "ও এই কথা?ভাবী আমাকেও বলছিলো সেইদিন। "আসলে আ.. আমি বলতে চাচ্ছিলাম যে.. "হ্যা বলো… "আসলে আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই। "বুঝলাম তো যে কিছু বলতে চাও।তা কি বলতে চাও না বললে বুঝি কিভাবে? "আ… আমি চাই যে.. "কি.. কি চাও তুমি?? "আ..আমি চা..চাই যে তো… তোমাকে.. "আ.. আমাকে কি??তোতলাচ্ছো কেন? "আসলে আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই.. "কেন?? "তোমাকে খুব ভালো লাগে।তোমাকে হাসতে দেখলে অন্যরকম একটা অনুভূতি মনের মধ্যে তোলপাড় শুরু করে দেই। এই অনুভূতির নাম আমি জানিনা।কিন্তু তখন মনে হয় তুমি শুধু আমার।তোমাকে আমি আমার করে চাই।তুমি জানো অন্য কাউকে তোমার সাথে দেখলে আমার সহ্য হয়না। "হিহিহি ব্যাস এতটুকুই? "হাসছো কেন তুমি? এতে হাসার কি আছে হু... "আচ্ছা আর হাসবো না।তুমি তো দেখি ঠিক মতো প্রপোজ ও করতে পারো না। "মনে যা আসছে তাই তো বললাম.. "হুম বুঝলাম।হাতটা ছাড়ো। আমি হাতটা ছেড়ে দিয়ে বললাম- "স্যরি আসলে.. তুমি এখন বলো।আমার জন্য কিছু ফিল করো না?? "হুম করি তো। "কি ফিল করো? "এটাই যে তোমার শার্টের বাটন লাগানোর রাইটটা শুধু আমার।তোমার আমার দিকে তাকানো দেখলেই আমি বুঝতে পারি যে তুমি আমার জন্য কি অনুভব করো। কেউ যখন কাউকে মন থেকে ভালোবাসে তখন তার চোখের ভাষা পড়ারও ক্ষমতা রাখে।বুঝলে বোকারাম? "তাই না? "হুম.. "তাহলে ভাইয়া ভাবি কে কাজী ডেকে বিয়েটা দিয়ে দিতে বলি?? পুষ্পিতা লজ্জা পেলো।এই প্রথম আমি ওকে লজ্জা পেতে দেখলাম।ওর লজ্জামিশ্রিত মুখটা দেখে বুকের মধ্যে আবারও সেই অনুভূতি নাড়া দিয়ে উঠলো.. #আট আজকে সন্ধ্যায় আমাদের বিয়েটা হলো।বিয়েতে পুষ্পিতার মা উপস্থিত ছিলো।ওর মামা আসেন নি।খুব টায়ার্ড লাগছে।পুষ্পিতা ড্রেসিংটেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে ওর গহনা গুলা খুলছে।আর আমার দিকে তাকিয়ে একটু পর পর মুচকি মুচকি হাসছে।ওর হাসি দেখে আমি ওর পিছনে গিয়ে দাঁড়ালাম।আমাকে দেখে পুষ্পিতা উঠে দাঁড়ালো।আমি পুষ্পিতার কাধে হাত দিয়ে ড্রেসিংটেবিলের আয়নাতে ওকে দেখছি।বউ সাজে শাড়ী পরে ওকে সত্যিই অন্যরকম লাগছে। "এইভাবে কি দেখো? "তোমাকে না একদম বউ বউ লাগছে। "আজব তো!!তুমি এত বোকা আগে জানলে তোমাকে বিয়েই করতাম না। "এহহ তুমি বিয়ে না করলো অন্য কেউ করতো।আমাকে দেখতে অনেক কিউট লাগে বুঝছো?কিন্তু তুমি আমাকে বোকা কেন বললে? পুস্পিতা আমাকে ধাক্কা দিতে দিতে বললো- "ওলে আমার কিউত জামাইটা লে।বোকার মত কথা বললে বোকা তো বলবোই।সরো তো।ঘুমাবো।খুব টায়ার্ড লাগছে। আমি সরে দাঁড়ালাম। পুষ্পিতা খাটের একপাশে গিয়ে শুয়ে পরলো।আমি খাটের একপাশে বসতে বসতে বললাম "পুস্প… "বলো "সত্যিই ঘুমাবে? "হ্যা "রুমের লাইট অন করে ঘুমাবে? "হ্যা.. "কেন??আজকে আমি থাকতে কিসের ভয়??আমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাইলেই পারো।তাহলে তো আর ভয় লাগবেনা। "তুমিই তো সব থেকে বড় ভয়… "কি বলো!আমি?কিভাবে? "হুম তুমিই।যদি ডাকাতি করো।সো লাইট অফ হবেনা। "তুমি এত বোকা জানলে আমিও তোমাকে কখনোই বিয়ে করতাম না... "কিহহ!!কি বললে তুমি? পুস্পিতা এবারে আমার দিকে পাশ ফিরে তাকালো। "আমি বোকা?? "হ্যা।না হলে তুমিই বলো নিজের জিনিস কেউ ডাকাতি করে?? "পাঁজি ছেলে।শুয়ে পরো।সারাদিন অনেক ধকল গেছে। #পরিশিষ্ট "আমি পুষ্পিতার পাশে শুয়ে পরলাম।কিন্তু লাইটের আলোতে ঘুমাতে পারছিলাম না।একটু পর পর এপাশ অপাশ করছিলাম।উঁকি দিয়ে দেখছিলাম পুষ্পিতা ঘুমিয়ে গেছে কিনা। একটু পরে দেখলাম পুস্পিতা লাইটটা অফ করে দিলো।তারপর আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললো- "আমাকে ভালোবাসো তার মানে এই না যে তোমাকে একাই কষ্ট করতে হবে।লাইটের আলোর জন্য ঘুমাইতে পারছো না এইটা আমাকে বললেই পারতে।পাগল একটা। আমি ওর কপালে একটা চুমু খেলাম… পুষ্পিতা আমার টি-শার্টটা টেনে ধরে আমার বুকের মধ্যে মুখ লুকালো।আমি বেশ অনুমান করতে পারছি আমার বউয়ের লজ্জামিশ্রিত মুখটা কেমন হয়েছে! মনে মনে বললাম "এই মেয়েটাই আমার জীবনসঙ্গী হিসাবে একদম পার্ফেক্ট।উই আর মেইড ফর ইচ আদার।কিভাবে জানি সব কিছু বুঝে যায়। আজ থেকে সারাজীবন ওকে আগলে রাখার দায়িত্ব শুধু আমার।এই মেয়েটাকে কখনোই কষ্ট দেয়া যাবেনা।কখনোই না"…. লিখা-মোঃআসাদ রহমান

রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৯

একটি ছেলের জীবন কাহিনী ২০১৯

অক্টোবর ০৬, ২০১৯ 0
একটি ছেলের জীবন কাহিনী ২০১৯
লেখক:-মোঃআসাদ রহমান কোটচাঁদপুর,ঝিনাইদহ মেয়েটা চলে যেতে লাগলো তখন তামিম বলল এই যে আপু শুনুন আপনার এতো কিসের অহংকার?আপনাকে দেখে অন্যরা প্রেমে পড়ে যেতে পারে কিন্তু আমরা না। মেয়ে :-how dear you? তোদেরকে আমি দেখে নেব। (মেয়ে টা একটু রাগী ও অহংকারী ছিল) তামিম :-ছবি তুলে দেব যখন খুশি তখন দেখে নেবেন। মেয়ে টা:-youuuu.. সুজন:-আরে যা যা।যা করার করে নিস। মেয়ে টা চলে গেল এবং একটা ফাঁকা বেঞ্চ এ গিয়ে বসল।কয়েকটা মেয়ে এসে তার সাথে বন্ধুত্ব করলো। মিম:- হাই আমি মিম( হাত বাড়িয়ে দিয়ে) মেয়ে টা:- হাই আমি তমা। মিম:- আমার কি তোমার বন্ধু হতে পারি। তমা:-sure. তারপর সাথি,সুমি ও মুন্নি সাথে তমা বন্ধুত্ব করে নেয়। এদিকে আমির,সুজন ও তামিম আমির:-প্রথম দিন থেকেই ঝগড়া শুরু করেছে।জানি না এর পরের কি করবে? সুজন:-একে তো শায়েস্তা করতে হবে তাই না হলে ঐ মেয়ে টা সোজা হবে না । তামিম:-হ্যাঁ টিক বলিছির।ওকে তো আমি দেখে নেবো। মেডাম ক্লাসে এসে তামিমদের বলল কিরে হারামির দল আজ কি দুষ্টামি করিছির। আমির:- না ম্যাম কিছু করি নি।আমরা কি দুষ্টামি করতে পারি।আমাদের মত ভালো ছেলে কি আর এই ক্লাসে আছে।আপনিই বলুন?? মেডাম:-আমি ভালো করে জানি তোরা ভালো না খারাপ।তোদের মতো একটাও এই স্কুলে নেই। তারপর মেডাম তমাকে দেখে বলল এই মেয়ে তুমি কি এই স্কুলে নতুন। তমা:-জি ম্যাম। মেডাম:-ও তা তোমার নাম কি?? তমা:-তামান্না আক্তার তমা,, ম্যাম। মেডাম:-ভালো নাম।তোমাদের পড়া বের কর??মেডাম পড়ানো শুরু করল।আজ প্রথম ক্লাস তাই বেশি পড়ালো না।মেডাম সবারকে বলল আজ আমি তোমাদের কাছে তোমরা কে কি হবে তাই নিয়ে কথা বলবো?একে একে সবাই বলল কেউ ডাক্তার হবে আবার কেউ ইঞ্জিনিয়ার আবার কেউ বড় ব্যবসায়ী হবে।কেবল বাকি সুজন,আমির,তামিম ও তমা।এবার আমিরের পালা মেডাম:-আমির এবার তুমি বল তুমি কি হবে?? আমির:-মেডাম আমি বড় হয়ে একটা সুন্দর দেখে মেয়ে বিয়ে করে বউ এর সাথে রোম্যান্স করবো।(এটা শুনে ক্লাসে সবাই হাসাহাসি শুরু করল।) মেডাম:-stop.বেয়াদব ছেলে বসো।তুমি বলল সুজন তুমি কি হবে?? সুজন:-আমরা তিনবন্ধু যেন এক সাথে থাকতে পারি।শত কাজের মাঝে ও যেন আমাদের কেউ আলাদা করতে না পারে। মেডাম একথা শুনে অবাক হয়ে বলল:-ভালো কিন্তু তোমরা যখন কলেজ উঠবে তখন তো তোমরা বিভিন্ন জায়গায় কলেজে ভর্তি হবে তখন? তামিম:-না ম্যাম।আমরা একসাথে একিই কলেজে ভর্তি হব। মেডাম:-ভালো ।তামিম তুমি বলো তুমি কি হবে? তামিম:-ম্যাম আমি একজন ভালো ডাক্তার হতে চায়।কারণ আমাদের গ্রামে কোনো ভালো ডাক্তার নেই।আমি গ্রামের গরিব মানুষের সেবা করতে চায়।(একথা ক্লাসে সবাই তালি বাজায়।তমাও তালি বাজায়।একথা শুনে তমার ভালো লেগে যার তামিম কে।) মেডাম:-ভালো ।এবার তমার তুমি বলো তুমি কি হবে? তমা:-আমি নার্স হয়ে অসুস্থ মানুষের সেবা করতে চায় । শুনতে শুনতে স্কুল ছুটি হয়ে যায়।তখন তমা এসে তামিমের সাথে কথা বলতে যায়। তমা:-হাই তামিম। আমি তমা। তামিম:-হাই আপনি আমার নাম জানলে কি করে?🤔🤔🤔 তমা:-ঐ যে মেডাম আপনার নাম ধরে ডেকেছিল। তামিম:-ওও। তমা:-আমরা কি বন্ধু হতে পারি?? যখন তামিম কিছু বলতে যাবে তখন আমির বলল sure. আমি আমির আর ও সুজন । সুজন:-হাই। তমা:-হাই। তামিম:-ওকে আমরা তাহলে এখন বাড়ি যায়।কাল দেখা হচ্ছে । তমা :-ওকে বাই তামিমরা:-বাই সবাই বাড়ি চলে গেল।এরপর থেকে তাদের বন্ধুত্ব ভালো চলছিল দুষ্টামিতে।এভাবে তাদের SSC পরীক্ষা চলে আসে।তারা সবাই ভালো পরীক্ষা দেয়।একদিন তমাকে ওরা তিনজন দুষ্টামি করে ভয় দেখায়।তমাও খুব ভয় পায়।এদের দুষ্টামি তমার ভালো লাগে আর তামিমের দুষ্টামি তো তার খুব ভালো লাগে।বলতে গেলে তমা তামিমকে ভালোবেসে ফেলেছে।তামিম ও তমাকে ভালোবাসে।কিন্তু কেউ কাউকে বলতে পারে না।ভয় থাকে যদি তাদের বন্ধুত্ব নষ্ট হয়ে যায়।একদিন তমা তামিমকে ফোন করে বলে তামিম তুই কোথায়? তামিম:-এই তো সুজনদের সাথে আছি।কেন কি হয়েছে? তমা:-কিছু না।আমার সাথে এখন তোরা দেখা করতে পারবি। তামিম:-আচ্ছা আসছি।কোথায় আসবো বল?? তমা:-🏨এই জায়গায় আয়। তামিম:-ওকে আসছি। তারপর ওরা সেখানে পৌছালো।গিয়ে দেখি তমা ওখানে দাড়িয়ে আছে সাথে একটা মেয়ে আছে। আমির:-কেমন আছির তমা? তমা:-ভালো আছি।তোরা কেমন আছির? সুজন:-আমরা ভালো আছি।অই মেয়েটা কে?? তমা:-এর সাথে তোদের পরিচয় করিয়ে দি।এ হচ্ছে আমার মামাতো বোন সুজনা। সুজনা এই হচ্ছে আমার বন্ধু সুজন,আমির আর তামিম । সুজন:-হাই সুজনা।?(হাত বাড়িয়ে দিয়ে) সুজনা:-হ্যালো সুজন।(হাতটা ধরে)সুজন আর সুজনা হাত ধরে আছে ছাড়ার নাম নিচ্ছে না আর অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। আমির সুজনকে একটু ধাক্কা দিয়ে বলে:- আমাদের একটু পরিচিত হতে দে। সুজন আর সুজনা লজ্জায় মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছে। তামিম:-তা কিসের জন্য ডেকেসিস বল? তমা:-সুজনাকে নিয়ে শপিং করতে যাব।তাই তোদের ডেকেছি। আমির:-চল তাহলে। তমা:-চল। শপিং মহলের ভিতরে গিয়ে তামিম,আমির আর তমা প্ল্যান করে সুজন আর সুজনাকে কথা বলার জন্য সুযোগ দিবে যাতে প্রেম করতে পারে।শপিং শেষে তারা একটা রেস্টুরেন্টে যায়।সেখানে খাবারের অডার দিয়ে আমির,তামিম আর তমা কেটে পরে প্ল্যান মোতাবেক।তারপর..........(((চলবে)))

বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

একটি অসমাপ্ত ভালোবাসার গল্প

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯ 0
তারপর আর কি তার সাথে শুরু করলাম পাইভেট । পাইভেট টা শুরু করে আর কারো লাভ হোক বা না হোক আমার কিন্তু বেশ লাভ হচ্ছিল । প্রথমত আমার লেখাপড়াটা হচ্ছিল আর সবচেয়ে বড় হলো ওর সাথে আমার নিয়মিত দেখা হচ্ছিল । এভাবেই দেখতে দেখতে একমাস চলে গেল । এর মধ্যে আমি যে ওকে ভালোবাসি কথাটা বলাই হয়নি । ভয় হচ্ছিল যদি বন্ধুত্বটা নষ্ট হয়ে যায় । তার পরে একদিন সকালে Biology পাইভেট এ পড়তে এসে দেখি স্যার খুবই রেখে আছেন । অবশ্য তার রাগার কারণটা ছিল আমরা বাকি নিয়মিত পড়াশোনা করে আসি না আর আজ পড়া না হলে উনি নাকি সাস্তি দেবেন । আমার তো টেনশনে হাটু কাপতে লাগলো কারণটা ছিল পড়া কি আমি তো সেটাই জানি না । স্যার প্রথমে মেয়েদের পড়া ধরলো ওরা মোটামোটি সবাই পড়ে আসছে । টেনশনটা তখন আরো দ্বিগুন বেড়ে গেল । তারপর স্যারের নজর পড়লো আমার দিকে আমি দাড়িয়ে বললাম স্যার হয়নি । পরোক্ষনেই পাশের দিকে তাকিয়ে দেখি আমার সেই রাজকন্যা আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে । আমি বুঝলাম আজ আমার বাইরে বেড়োলেই খবর আছে । তারপর দেখি আমার বেশ কয়জন বন্ধুর ও পড়া হয়নি ওরা ও দারিয়ে আছে । সেদিন অবশ্য স্যার আর শাস্তি দিলেনা না । তারপর বাইরে বের হতেই দেখি ও আামার দিকে চোখ বড় বড় করে এগিয়ে আসছে । এসেই প্রথম ডায়লগ তুই যদি কাল থেকে না পড়ে আসিস তোর খবর আছে ,আর না পড়ে আসলে আমার সাথে কোনোদিন কথা বলতে পারবি না বুঝলি রে গাধা । আমার অপমান নাকি ওর সহ্য হয় না ।আমি কিছু বললাম না ,অবশ্য ওর মিষ্টি কন্ঠে কথাগুলো বেশ ভালোই লাগছিলো । চলবে নাকি ...................... যদি গল্পটা ভালো লেগে থাকে তাহলে কমেন্ট বক্স এ জানান । তাহলে Next part তারাতারি লিখবো ।

শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

প্রতিশোধ থেকে ভালবাসা

সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯ 0
আশা করি গল্পটা পড়লেই আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। নীলা খান আর আশফি চৌধুরী দুইজনই প্রবাসী বাংলাদেশী । দুই জনই একই varsity তে পরছে । আশফির বাবা আশরাফ চৌধুরী সেই শহরের নামকরা একজন ব্যবসায়ী আর তার একমাত্র প্রতিদন্দী শহরের আরো একজন নামকরা ব্যবসায়ী তিনি হলেন নীলার বাবা রেজা খান ।৷ ইদানিং তিনি অনেক দূর এগিয়ে তার সুনাম অর্জণ করেছেন। ,,,,,,,,,,,, ,,, নীলা দেখতে ছিল অনেক সুন্দরী। এক কথায় পরী কিন্তু সে অনেক জেদি আর কিছুটা অহংকারী, বাবার একমাত্র আদরের কন্যা সে, আর varsity এর শত শত ছেলের ক্রাশ । বিদেশেই জন্ম তাই বিদেশী কালচারেই সে বড় হয় । সে ক্যম্পাসে আর ক্লাসে বিনা করনে ছেলেমেয়ের কষ্ট দেয়। বিভিন্ন রকম শাস্তি দেয় । তাকে একরকম ভয়ই পায় সবাই । সে ক্যাম্পাসে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে । ক্যাম্পাসের কতৃপক্ষও কিছু বলে না ভয়ে কারন সব কিছু তার বাবার অ্যান্ডারে। ,,,,,,,,,,,, ,,,, আর ওখানেই আশফি এডমিট হয়, আজ তার ক্লাসের প্রথম দিন তার বন্ধুদের সাথে সিড়িতে বসে ছিল এমন সময় গাড়ি থেকে একটা মেয়ে নামল আর সেইটা নীলা । আশফি দেখেই হা করে তাকিয়ে থাকল , পাশে থেকে একটা বন্ধু বলে উঠল ও হচ্ছে নীলা, আমাদের কুইন । ,,,,,,,,,,, ,,, আশফি : হা করে তাকিয়েই বলল ,,,,,,আমি জীবনেও এত সুন্দরী মেয়ে দেখিনি,, নিশ্চয়ই বাঙালী হবে, কিন্তু লাইফ স্টাইল এই দেশের কালচারে, , প্রথম দেখায় আমি তো এর প্রেমে পড়ে গেলাম নীলা সিড়ি দিয়ে উপরে উঠে যাচ্ছিল এমন সময় সে একটা ছেলেকে থাপ্পড় দিল, আর বলল, আমি যাওয়ার সময় তুই সরে দাড়াস নি কেন?? এত সাহস তোর আজকেই তোকে ক্যাম্পস থেকে বের করে দেব ।। ছেলেটা তখনি নীলার পায়ে পড়ে বলল, এমনটা করো না, আমার অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে, ,,,,,,,,,,, ,,, ,,,নীলা হেসে বলল, এই নীলা কাউকে ক্ষমা করে না,বলেই একটা লাথি দিয়ে উপরে চলে গেল,এরপর ছেলেটাকে ক্যাম্পস থেকে বের করে দেওয়া হল। আশফি তাকিয়ে সব দেখছিল,, মানুষ এত খারাপ কি করে হয়, এই সামান্য করনে কারো ক্যারিয়ারটাই শেষ করে দিল?!!!" তখন তার বন্ধু বলে উঠে, এই মেয়ের কথাই আমাদের সবার শুনতে হয় না হলে আমরা এখানে কেউ টিকে থাকতে পারব না । সবার ওপর অত্যাচার করে ও। ,,,,,,,,,,, ,,, আশফি : হোয়াট!!!! আমি শুনতে পারব না, ওকে একটা শিক্ষা দেয়া উচিত , এরপর ক্লাস টাইম যখন নীলা ক্লাসে ঢুকল সবাই দড়িয়ে গেল শুধু আশফি বাদে, সেইটা দেখে নীলা তার ফেন্ডকে বলল, ছেলেটা কে রে আগে তো দেখি নি, মেহরাজ,মানে নীলার ফেন্ড বলল,আজই এসেছে নতুন নীলা : ওরে বলে দে, নিয়মকানুন, আর দাড়াতে বল, তখন আশফি এসে বলল,,,তুমি কে যে, আমি দাড়িয়ে সম্মান জানবো,? আমাদের মতই তো একজন স্টুডেন্ট নীলা : রাগী চোখে তাকিয়ে আশফিকে একটা থাপ্পড় দিল, ,,,সবাইকে অবাক করে দিয়ে আশফিও নীলা কে একটা থাপ্পড় দিয়ে দিল।

রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

আমার ভালোবাসা তোর জন্য

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৯ 0
<mark>আমার ভালোবাসা তোর জন্য</mark>
||♥আমার ভালোবাসা তোর জন্য♥|| ||♥লেখক♥||:||😘মোঃআসাদ রহমান😘|| ||😘কোটচাঁদপুর😘||😘ঝিনাইদহ😘|| . আচ্ছা সোনালী, ধর তোকে যদি আমি বলি, আমি তোকে ভালোবাসি, তাহলে তুই কি বলবি,,😘 আমার কথায় সোনালীর কোনো পরিবর্ত দেখলাম না,,😘 যেমন ভাবে বই পরছে, ঠিক সেভাবে বই পরতে থাকলো,,😘 আমি ভাবলাম ও হয়তো শুনতে পায়নি,,,😘 তাই ওকে হালকা ধাক্কা দিয়ে বললাম, এই সোনালী, সোনালী, সোনালী, কিছুটা বিরক্ত হোয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,,তোর সমস্যা কি,, 😘কি বলবি বল,,😘 আমিঃধর তোকে যদি আমি ভালোবাসি বলি,তাহলে তুই কি বলবি,,😘 সোনালী : তোকে কসিয়ে দুটো চর মারবো,, তোকে না বলেছি রাতের বেলা আমার রুমে না আসতে,,😘 তোর জন্য ঠিক মতো পড়তে পারছি না,, আমিঃবলনা বলনা, কি বলবি,,😘 সোনালী : তোকে এখন সত্যি সত্যি থাপ্পর মারবো,, পড়ার সময় দিস্টাব করবি না,, 😘 এখন বের হ, আমি পড়বো,,😘 তোর তো কোনো পড়া নেই,আছিস খালি টো টো করবি,,😘 আমি ওর বইটা বন্ধ করে দৌর দিয়ে বের হোয়ে গেলাম,, 😘 সোনালী একটা মেয়েই, মনে কোনো ফিলিংস নেই,,😘 কিভাবে যে ওর সাথে বন্ধুত্ব হলো,,😘 . আগে থাকতাম ভার্সিটির কাছেই একটা প্লাটে পরিবার সহ,,😘 তারপর সোনালীই ওদের বাসাতে নিয়ে আসে,, এখন ওদের বাসাতেই ভাড়া থাকি, সোনালী মাইয়াই,ওরে কত ভাবে বুঝাচ্ছি যে আমি তোকে ভালোবাসি। কিন্তু সালি বুঝেও না বুঝার বান দরে থাকে,,😘 সারাদিন শুধু পড়া আর পড়া,,😘 মনের ভিতর কোনো রস কস নেই, . যাগ্গে আমার আর একটা ক্রাস আছে, পাসের বিল্ডিংএর সিমি, আহা কি ছোটো ছোটো ড্রেস পরে,,😘 দেখলেই মনে আকু বাকু শুরু করে দেয়, ইরা আবার সিমি সাথে কথা বলা দেখতে পারে না, মোট কথা সিমিকেই দেখতে পারে না, আমার এখন প্রেম প্রেম পেয়েছে,,😘 একটা প্রেম করতেই হবে সিমিকে বলে দেখি,,😘 . রাতে তো যাওয়া যাবে না, পর দিন বিকালে চোলে গেলাম সিমিদের ছাদে,,😘 আহ কানে হেড ফোন দিয়ে মাথা জাকিয়ে গান শুনছে,,😘 আহা কি সুন্দর কি সুন্দর,,😘 . আমি কাছে যেতেই মাথা থেকে হেড ফোন সরিয়ে বললো,আরে জনি যে, তা কি ব্যাপার আমাদের ছাদে,,🤔 আমি ঃতোমার কাছে এসেছি,,😘 সিমি ভ্রু নাচিয়ে বললো,,🤔বাব্বা আমার কাছে,,😍তুমি মিথ্যা বলছো,,😇 আমিঃনা সত্যি,,😀 একটা প্রশ্ন নিয়ে আসলাম,তার উওর তোমার কাছে, সিমিঃ আমার কাছে উওর,,🤔আচ্ছা প্রশ্ন করো,, আমিঃধরো, যদি আমি তোমাকে বলি,সিমি আমি তোমাকে ভালোবাসি, তাহলে তুমি কি বলবে,,😘 সিমি কিছুটা খুশি হোয়ে বললো,সত্যি, আমিঃআরে বাবা এখানে সত্য মিথ্যার কি আছে,বলছি যদি বলি তাহলে কি বলবে, সিমি আমাকে হঠাৎ ই জড়িয়ে দরে বললো,,🙄এভাবে জড়িয়ে দরে বলবো আমিও তোমাকে ভালো বাসি, আমিঃএই এই কি করছো,,ছারো ছারো,কেউ দেখে ফেলবে,,🙄আর আমি এখনো তোমাকে ভালোবাসি বলিনি সিমিঃতোমার চোখ বলছে তুমি আমাকে ভালোবাসো,, 😋এই একটা চুমু খাওনা,,😋 আমিঃখাইছে রে, এই মেয়ের তো দেখি মাথার স্ক্রু পুরো ডিলা, প্রেমের আগেই চুমু, পরে কি হবে কে জানে,,😇 কোনো রকম ওর কাছ থেকে নিজেকে ছারিয়ে নিয়ে দৌরে ছাদ থেকে নেমে গেলাম, যতই যাই বলনা কেনো, জড়িয়ে দরাতে বেস ভালোই লেগেছে,আহ কি তুলতুলে নরম ওর সরিলটা, আপনারা আবার আমাকে লুচ্চা ভাইবেন না, আমি কিন্তু বেসি লুচু না, সন্ধার পর দিয়েই সোনালী রুমে ঢুকলাম, আমি ঃ কিরে কি করস, সোনালী আমার দিকে একটু চোখ গড়ম করে তাকিয়ে আবার পরতে লাগলো,,😍 আমি ঃজানিস আজ কি হোয়ে ছিলো, ওর কোনো কর্ন পাত দেখলাম না, পরছে তো পরছেই, আমিঃআজ না এক কান্ড ঘটিয়ে ফেলেছি,, সোনালী : ?? পড়ছে আমিঃজানোস,,🤔 পাসের বাসার সিমি কে না বলে দিয়েছি,, এ কথা বলতেই সোনালী পড়া বন্ধ করে আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকালো, ওর তাকানো দেখে আমি ভয় পেয়ে গেলাম, ভাবলাম দিস্টাব করছি বলে এমন করে তাকাচ্ছে, তাই আর কিছু না বলে সেখান থেকে কেটে পরতে লাগলাম, যেই পিছন গুরে দৌর দেবো, তার আগেই সোনালী আমার হাত দরে টান দিলো,,😍 সোনালী : চুপচাপ এখানে বস,,😍তুই আবার সিমির কাছে গিয়েছিস, কি বলেছিস ওকে, আমিঃতোকে যেটা কাল বলেছিলাম, সেটা ওকেও বলেছি,জানোস ও কি করলো, সোনালী : তুই ওকে এই কথা গিয়ে বলেছিস,কি বললো ওই পেত্নিটা, আমিঃযাহ আমার বলতে লজ্জা লাগে, সোনালী আরো রেগে গিয়ে বললো,দেখ রাগাবি না আমাকে,তাড়াতাড়ি বল কি হোয়েছে,,😘 আমিঃওকে এই কথা বলতেই আমা জড়িয়ে দরে বললো,আমিও ভলোবাসি বলবো,,😍 সোনালী : ঠাসস ঠাসসস, আমি এই কথা বলতেই আমার দু গালে দুটো কসিয়ে থাপ্পর দিলো সোনালী , এবার আমার কলার টেনে ওর মুখের কাছে এনে আরো গম্ভির করে বললো,দেখ আমাকে টেনশনে ফেলবি না,সামনে আমার পরিক্ষা, পড়ার ভিতর আমাকে টেনশনে ফেলবি না বলে দিলাম,না হলে কিন্তু খুব খারাফ হোয়ে যাবে,,😍এখন সামনে থেকে যাহ, এই বলে আমাকে সামনের দিকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিলো, আমি গাল ডলতে ডলতে রুম থেকে বের হোয়ে আসলাম, ওর কথার কোনো আগা মাথা পেলাম না, ও কি আমাকে সিমির কারনে মারলো নাকি ওর পড়াতে দিস্টাব করি, সে জন্য মারলো,। কপাল ভালো, চুমুর কথাটা ওকে বলিনি,, . সকালে দেখি কে যেনো আমার গালে হাত ভুলাচ্ছে,,😍 চোখটা খুলে দেখি সেনালী , আমিঃকি ব্যাপার মেডাম, কি করা হচ্চে শুনি, , সোনালী : একটু আদর করে দিচ্ছি,কাল লেগেছিলো নারে খুব আমিঃহাত দিয়ে না করে অন্যকিছু দিয়েওতো আদর করতে পারিস,,😍 সোনালী কিছুটা ভ্রু নাচিয়ে বললো,কি দিয়ে, আমিঃতোর ওই মিষ্টি মিষ্টি ঠোট দিয়ে,,😍 সোনালী : ঠাসসসস অতপর গালে আরেকটা পরলো,,😍 . দুদিন পর, বিকালে বাসার সামনের রাস্তা দিয়ে হাটছি,, ঠিক তখনই একটা রিক্সা এসে আমার সামনে দারালো,, তাকিয়ে দেখি সিমি বসা, সিমিঃচলো, আমিঃকোথায়,,😍 সিমিঃশফিংমলে, আমিঃএখন যেতে পারবো না,,😍 সিমি আমার হাতটান দিয়ে রিক্সায় উঠিয়ে বললো,আরে চলোতো,,😍 . হঠাৎ সিমি ফোনটা বের করে আমাকে একটু জড়িয়ে দরে কয়েকটা পিকতুলে নিলো,,😍 . মলে গিয়ে ওর সেই ছোটো ছোটো ড্রেস কিনলো, সিমিঃএগুলো পরলে আমাকে কেমন লাগবে, আমিঃসুইট লাগবে,,😍 . সিমি আমার জন্য কয়েকটা সার্ট আর গেন্জি কিনলো,, না করা শর্তেও কিনলো,,😍 . সেখান থেকে রেস্টুরেন্টে গেলো,ওপ সে কি খাবার, খেতে খেতে দাত বেথা হোয়ে গেলো, ওর সাথে ঘুরাঘুরি করে রাতে বাসায় ফিরলাম,,😍 . জামা গুলোর দিকে তাকিয়ে ভাবলাম, কাল পরে বের হবো,,😍 আহা কি লাগবে না আমায়,, . সাকালে গভির ঘুমে হঠাৎ থাসসস থাসসস থাসস করে কয়েকটা থাপ্পর পরলো গালে,,😍 ঘুমের ভিতর লাফিয়ে উঠলাম,,😍 উঠে বসলাম আমি,,😍 তাকিয়ে দেখি কেউ একজন রুম থেকে বের হচ্ছে,, আরে এতো সোনালী ,,😍 ও কি পাগল হলো নাকি, ঘুমের ভিতর কেউ এভাবে মারে,,😍 ফ্রেস হতে ভাতরুমে ঢুকে পরলাম, ওই দিকে সোনালী আমাদের ড্রইংরমে বসে বসে কাদছে,,😍 মার চোখে পড়াতেই মা ওর মাথায় হাত দিয়ে বললো,কিরে মা কাদছিস কেনো, কি হোয়েছে,, সোনালী : তোমার ছেলেকে আমি প্রতি মাসে পাচ হাজার করে হাত খরচ দেই,,প্রতি মাসে দুটো করে প্যান্ট শার্ট দেই,,😍 ঘুরতে গেলে সকল খরচ আমি দেই, সামান্য ওই বাদাম খায় সেই খরচও আমি দেই, তারপরেও কেনো তোমার ছেলে ওই বাসার সিমির সাথে রিক্সায় করে ঘোরে, সেল্পি তোলে,,😍 মাঃপাগলি এর জন্য কাদতে হয়, তোর হাতে এগুলো কিমের ব্যাগ, ইরাঃকাল ওই পেত্নিটা তোমার ছেলেকে এসব কিনে দিয়েছে,তাই নিয়ে যাচ্ছি এসব পুরতে,,😍 মাঃপাগলি একটা, আয় কিছু খেয়ে নে, সোনালী : নাহ, কিছু খাবো নাহ,আমি গেলাম, . আমি ফ্রেস হোয়ে এসে কালকের সেই শার্ট গুলো খুজছি,কিন্তু পাচ্ছি না, . আমিঃমা মা আমার নতুন সার্ট গুলো দেখেছো, মা মুচকি মুচকি হাসতে হাসতে বললো,আমি থাকি রান্না ঘরে, কি করে বলবো কই রেখেছিস,,😍 . কোনো রকম নাস্তা করে চোলে গেলাম সোনালীর বাসায়, ওর রুমে ঢুকে দেখি কি যেনো আগুন জ্বলছে,, . আমিঃকিরে কি করছিস, বাসায় কি আগুন দরাবি নাকি, সোনালী ঝাঝালো কন্ঠে বললো,হুম ধরাবো, আমার বাসায় আমি ধরাবো, তোর কোনো সমস্যা,,😍 ওর কথায় কিছুটা চুপসে গেলাম,,😍 আমিঃনা,আমার কি সমস্যা, আচ্ছা চলনা ঘুরতে যাই, সোনালী : আমার এখন ঘুরার মুড নেই, আমি আহত কন্ঠে বললাম, ওহ,,😘 ওখান থেকে ছাদে গিয়ে কিছুক্ষন বসে থাকলাম, দুদিন পর ভার্সিটি থেকে ফেরার পথে সিমি আবার এসে সামনে পরলো, রিক্সায় করে বাসায় ফিরছে, আমি এখনো রিক্সা নেইনি,আজ সোনালীও আসেনি, আমি সিমি কে দেখে কোনো রকম গা ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করলাম,,😍 কিন্তু পারলাম না, সামনে এসে পরলো,,😍 সিমিঃওই জনি, তুমি আমাকে দেখে এমন পালানোর চেষ্টা করছো কেনো, আমি:কই নাতো, সিমি:তাহলে চলো, আমিও বাসায় যাচ্চি,একসাথে যাই, আমি:আরে না, আমার পথে কাজ আছে, সিমি:সমস্যা নেই, রিক্সা দার করিয়ে করে নিও, আমি:আরে আমার অনেক সময় যাবে কাজ সারতে, সিমিঃসমস্যা নেই আমি ওয়েট করবো,এখন চলোতো। এর পর আর বলার........😘😘😘 || To be Continue||

শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

||একটি মিষ্টি ভালোবাসার গল্প||

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৯ 0
||একটি মিষ্টি ভালোবাসার গল্প|| ||writer:Md Asad Rahman|| ||Jhenaidah||kotchandpur|| ||website:asadrahman°xyz|| আমি : তোর ঠোঁট সবসময় শুকনো থাকে ক্যান ??? নীলা : মানে কি বলতে চাস তুই ??? আমি : আরে রাগ করিস ক্যান ??? নীলা : না তুই কি বললি , আবার বল । আমি : না মানে তোর ঠোঁট সবসময় শুকনো থাকে তাই , বললাম লিপস্টিক ছাড়া আরকি । নীলা : তুই কি অন্য কিছু মিন করেছিস ??? আমি : আরে নাহ গাধী , আমি এমনি বললাম । নীলা : এই দুই ঘণ্টা যাবত বসিয়ে রেখেছিস কি এই কথা বলার জন্য ??? আমি : তুই এত্ত বেরসিক কেনরে ??? নীলা : আমি এরকমি বুজলাম চাদু না বুঝলে চল ফুট । আমি : আচ্ছা তোর কখনও শীতের সকালে লালপাড়ের সাদা শাড়ি পরে হাঁটতে ইচ্ছে করে না , খোঁপায় বেলি ফুল , হাত ভর্তি নীল কাচের চুড়ি , ঠোঁটে গোলাপি লিপস্টিক , কানের দুলটা না হয় আমি পড়িয়ে দিলাম । নীলা : হইছে তোর কথা , আমি চললাম । আমি : সত্যিই চলে যাবি ??? নীলা : না কুতকুত খেলব । আমি : রাগিস কেনরে ??? নীলা : তোর মত পাগলের কথা শুনে কি আমি হাসবো ??? আমি : আচ্ছা যা , তোকে মনে হয় ডিস্টার্ব করলাম । নীলা : সত্যিই যাব ??? আমি : হমমম যা , আর আসিস না । নীলা : ওলে আমার গুলুগুলু লে রাগ করেনা বাবু । আমি : যেতে বলছি যা , বেশি বকবক করবি না নীলা : একশোবার করবো , তোর কি ??? আমি : ----------- নীলা : কিরে কি হলো ??? আমি : ------------ নীলা : আচ্ছা বাবা সরি , এইযে তোর পাশে বসলাম বল কি বলবি ??? আমি : মুড নেই বলবার । নীলা : এহহ আইছেরে মুডওয়ালা , তুই বল ??? আমি : কি বলব ??? নীলা : যে জন্য ডেকেছিস ??? আমি : লজ্জা করছে , আজ না কাল । নীলা : এই তুই কি মেয়ে মানুষ যে তোর লজ্জা করে , আর একমাস ধরে তুই আজ না কাল আজ না কাল বলছিস , আজকে বল নইলে তোর সাথে কোনদিন কথা বলবো না । আমি : এই না নীলা এমন করিস না আমি থাকতে পারবো না কথা না বলে । নীলা : তাহলে বল ??? আমি : আচ্ছা থামেক বলছি । নীলা : হমমম আমি : হইত গোলাপের পাপড়ি গুলো শুকিয়ে যাবে , কিন্তু ভালোবাসা সতেজ থাকবে , বাসবে কি ভালো একবার ??? নীলা : এই কথাটা বলতে এতদিন সময় লাগে ??? আমি : তারমানে । নীলা : হমমমরে গাধা আমিও তোকে ভালবাসি আমি : তাহলে তো হয়ে গেল । নীলা : কি ??? আমি : আই লাভ উ নীলা : আই লাভ উ টু 💞বেঁচে থাকুক সবার ভালোবাসা 💞 বিঃদ্রঃ ভুল আছে কোথায়, সেইটা আমাকে দেখিয়ে দিবেন,কেউ খারাপ কমেন্ট করবেন না।

রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৯

আজ দিনটি ভালোবাসা ও আবেগের

আগস্ট ২৫, ২০১৯ 0
মোঃ আসাদ রহমান "কোটচাঁদপু" ঝিনাইদহ" ভালোবাসা, নরম তুলোর মত আবেগে মোড়ানো, ভাষায় প্রকাশ না করতে পারা স্পর্শকাতর এক তীব্র অনুভূতির নাম। রঙ, রূপ, গন্ধবিহীন এই তীব্র অনুভূতির এক অদ্ভুত ক্ষমতা আছে, আর সেটি অপরের প্রতি তীব্র আকর্ষণ। এই আকর্ষণের শক্তি এতটাই প্রবল যার টানে অপরকে পাশে পেতে মানুষ ছুটে যায় বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে, জয় করে সকল প্রতিকূলতাকে, পরিশ্রান্ত ক্লান্ত মানুষ ব্যস্ততা, ক্লান্তি ভুলে প্রিয়জনকে বলে “ভালোবাসি, ভালোবাসি...’’ কখন, কীভাবে, কোন মুহূর্তে ভালোবাসা মানুষকে ছুঁয়ে যায়, তা হয়তো সে নিজেও পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারে না। কোন বাধায়, শাসনে তাকে আটকে রাখা যায় না, ভালোবাসা আসবেই। কবি হেলাল হাফিজের কবিতার ভাষায়,“কোনদিন, আচমকা একদিন ভালোবাসা এসে যদি হুট করে বলে বসে,-‘চলো যেদিকে দুচোখ যায় চলে যাই’,যাবে?’’ ভালোবাসা এমনই, বাঁধনহারা। রাজা-বাদশাহ, ধনি-গরিব, কবি-সাহিত্যিক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ প্রত্যেকের জীবনে ভালোবাসার মাতাল করা সুবাস ছুঁয়ে গেছেই। সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মহাসমারোহে এদেশেও পালিত হয় “ভালোবাসা দিবস’’। প্রেমিক মনের কথা ভাষায়, উপহারে, চিঠিতে, লজ্জাবনত প্রিয়জনের কাছে প্রকাশ করার আজ সেই বহুকাঙ্ক্ষিত দিন। একটু জেনে নেই কিন্তু কীভাবেই বা এলো এই দিনটি। ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র উৎপত্তির ইতিহাস বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন কাহিনীকে কেন্দ্র করে আলোচিত হয়েছে। এর একটি কাহিনী এমন-২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন’স নামের একজন খ্রিস্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। রোমান সাম্রাজ্যে সে সময় খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। তৎকালীন রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস ধর্ম প্রচারের অভিযোগে তাঁকে বন্দী করেন। বন্দী অবস্থায় জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টিহীন মেয়েকে তিনি চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপিত হয়। সেন্ট ভ্যালেন্টাইন’সের সুনাম ও জনপ্রিয়তা দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে। তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই দিনটি ছিল ১৪ই ফেব্রুয়ারি। পরবর্তীতে ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউ ও প্রথম জুলিয়াস এই প্রেমিক পাদ্রী ও চিকিৎসকের স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন দিবস ঘোষণা করেন। পালন হতে থাকে ভালোবাসা দিবস। পাশ্চাত্যের পাশাপাশি আমাদের দেশও পিছিয়ে নেই ভালোবাসা দিবস পালনে। বাবা-মা, ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধব, স্বামী-স্ত্রী এইসব পরিচয় ছাপিয়ে প্রেমিক-প্রেমিকারা আলাদা করে তাদের দিন হিসেবে পালন করছেন আজকের দিনটিকে। তাই তরুণ-তরুণীদের কাছে আজকের দিনটি বিশেষ একটি দিন, বহুল প্রতীক্ষার। কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতার ভাষায়- “আবার যখনই দেখা হবে, আমি প্রথম সুযোগেই বলে দেব স্ট্রেটকাট : ‘ভালোবাসি’। এরকম সত্য-ভাষণে যদি কেঁপে ওঠে, অথবা ঠোঁটের কাছে উচ্চারিত শব্দ থেমে যায়, আমি নখাগ্রে দেখাবো প্রেম, ভালোবাসা, বক্ষ চিরে তোমার প্রতিমা।” ভালোবাসার আবেগের পুরোপুরি প্রকাশ হয়তো করা সম্ভব নয়, তবুও নর-নারী তাকে চিরকাল বাঁধতে চেয়েছে ভাষায়, শব্দে, উপহারে, আলিঙ্গনে। আগে চিঠি বিনিময়ের মাধ্যমে আবেগের আদান প্রদান হতো, সেই চিঠি কখনো কোনও ব্যক্তি মাধ্যমে পৌঁছে দেয়া হতো নয়তো দূরের পথ হলে কবুতরের পায়ে চিঠি বেঁধে উড়িয়ে দেয়া হতো গন্তব্যে। সময়ের পরিক্রমায় চিঠির স্থান দখল করেছে ই-চিঠি, মেসেঞ্জারসহ তথ্যপ্রযুক্তির অন্যান্য মাধ্যম। উপহারের ক্ষেত্রে যেমন আছে প্রচলিত পদ্ধতি ঠিক তেমনিভাবে বিভিন্ন অনলাইন শপ পসরা সাজিয়ে বসেছে কার্ড, ফুল, খাবার, পোশাক,বই, অলঙ্কারসহ কতই না রকমারি উপহার। তথ্যপ্রযুক্তির ছোঁয়ায় মানুষের সময় ও পরিশ্রম দুটোই যেমন সাশ্রয় হয়েছে, ঠিক তেমনি আবেগের বাহ্যিক প্রকাশেও এসেছে পরিবর্তন। দূরের প্রিয় মানুষটিকে সামান্য চোখের দেখা দেখতে মানুষ কত পথ পাড়ি দিয়ে মুখোমুখি হতো প্রিয়জনের, কিন্তু এখন হাতের মুঠোয় থাকা মোবাইলে ভিডিও কলের মাধ্যমে প্রিয়জনকে দেখা এবং তার কণ্ঠ শোনা এখন খুবই স্বাভাবিক। ভালোবাসার রঙে রাঙা হোক পৃথিবী। ভালোবাসার এই দিনে প্রত্যেক ভালোবাসাময় হৃদয় রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বলুক- “প্রহর শেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্রমাস, তোমার চোখে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ।”

শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৯

ভালোবাসার রঙিন ঘর-

আগস্ট ২৪, ২০১৯ 0
লেখক:-মো আসাদ রহমান স্যার উঠেন সকাল হয়েছে। - আরেহ কি স্যার স্যার লাগায়ে রাখছো কানের ভিতরে?এখনো আমি তোমার স্যার নাকি? - তো কি? - হাব্বি - তাই? - হুম এতক্ষণ ঘুম ঘুম চোখে বাবাকে এইসব উল্টাপাল্টা বলছিল শাহরিয়ার।নিজেও জানেনা কাকে কি বলেছে।ঘুম ঘুম চোখেই বাবার হাতটা ধরে টান দিয়ে খাটে বসিয়ে তার কোলে মাথা রাখে। - তুমি গ্যাবাডিং প্যান্ট পড় কবে থেকে? - তোর শনি শুরু যেদিন থেকে। (বাবা রেগে বলল) শাহরিয়ার মাথা ঝাড়া দিয়ে উঠে।সর্বনাশ! এটাতো বাবা। - তো এত বলি বিয়ে কর।বাসায় নতুন একজন যোগ হবে।আমারো বাসায় একা ভাল লাগেনা।তা নয়। প্রেম করছিস কিন্তু বিয়ে করছিস নাহ। - বাবা আসলে এমনি আর কিছুনা। - থাপ্পড় দিবো।কে সে? বাবার সাথে ছোট থেকেই অনেকটা ফ্রি।মা ছোটবেলায় মারা যাওয়ার পর বাবাই তার সব।বাবাই শাহরিয়ারকে মায়ের আদর দিয়েছে।টাকা পয়সার দিক দিয়ে বিরাট ধনী।নিজেদের কোম্পানী আছে।বর্তমানে শাহরিয়ার সব দেখাশুনা করছে।আর শাহরিয়ারের বাবা বাসায় বসে বই পড়ে সময় কাটায়। মাঝেমধ্যে বাগান ঘুড়ে দেখে। - ফ্রেশ হয়ে নেই বাবা।তুমি খাবারের টেবিলে বসো।আমি আসছি - আচ্ছা আয়। শাহরিয়ার হাতমুখ ধুয়ে খাবারের টেবিলে যায়।টুকটাক কথা বলে প্রতিদিনের মত ব্লেজার, কোট, টাই এবং জুতো পড়ে ড্রাইভারকে গাড়ী বের করতে বলল।অফিসে যাওয়া মাত্রই সব কর্মচারীরা সালাম জানালো।নিজের কেবিনে যেয়ে বসার পর একটা মেয়ে কড়া নাড়লো। - ম্যা আই কামিং স্যার? - ইয়েস। কাম ইন। - স্যার শুপ্রভাত - আপনাকেও। - স্যার কেমন আছেন? - এইতো ভাল আপনি? - আমিও।স্যার আজকে নিধিম্যাম আসবেনা সম্ভবত। - কেনো কেনো?(অবাক হয়ে বলল) - জানিনা।তবে বলছে তার বাবার হার্টের চিকিৎসা করা লাগবে।এজন্য কি যেন কাজ আছে। - বলেন কি?আচ্ছা আপনি আসুন আমি বাকিটা দেখছি - আসি স্যার নিধিই সেই মেয়ে যার জন্যে শাহরিয়ার দিনের বেলায় তার বাবাকে বউ মনে করে।মানে নিধিমনে করে।যেদিন প্রথম চাকরির জন্যে ইন্টার্ভিউ দিতে আসছিলো সেদিনি নিধির প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে।তাইতো নিধিকে সবার আগে সিলেক্ট করে।যদিও নিধির ফলাফল সবার থেকে ভালোই ছিল।তাই সবার আগে এপোয়েনমেন্ট লেটার আগে নিধি পায়।নিধি মেয়ে হিসেবেও খুব ভালো।দেখতেও অপরূপা।মাথার চুল কোমড় পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে।চোখগুলো টানাটানা।মায়া আছে চোখের চাহনীতে।পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা এখন ভালোনা।আগে ভাল ছিলো।গতবছর বড় ভাইয়া মারা যায় নিধির যার জন্যে পরিবারে কালো ছায়া নেমে আসে।নিধিও চাকুরীর জন্য পথে নামতে হয়।মেধা ভাল থাকায় বেশি ঘুরতে হলোনা।যদিও অনেকজায়গায় টাকার জন্য চাকুরী পায়নি । শাহরিয়ারের যখন যেটা প্রয়োজন পরবে সবার আগে নিধিকে ডাক দিবে। কেবিনও নিধির কথামত সাজানো।সবাই এখন একটা জিনিস ভাল করেই জানে শাহরিয়ার সাহেবের কিছু লাগবে মানেই নিধিকে সবার আগে লাগবে। শাহরিয়ার ফোন করলো নিধিকে। - তোমার বাবার অবস্থা কেমন? - বাবার অবস্থা বেশি ভালোনা।৬লাখ টাকা লাগবে অপারেশনের জন্যে।টেনশন হচ্ছে। - টাকা নিয়ে? - হ্যা।এতগুলো টাকা!ভাইয়াও আজ নেই। নিধিকেঁদে ফেলল।কান্না শুনে মনে হয় নিশ্বাস যেন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে নিধির।শাহরিয়ারের কাছে অনেক খারাপ লাগছিল।মনের মানুষটির কান্না তীরের চেয়েও বেশি জোরে লাগে হৃদয়ে। - টাকা নিয়ে টেনশন করোনা।তোমার বাবার চিকিৎসার সব দায়িত্ব কোম্পানির। - স্যার সত্যি? - হুম।তুমি অফিসে এসে চেক নিয়ে যাও। - স্যার কি বলে যে ধন্যবাদ দিবো! . অফিসে এসে টাকা নিয়ে যাওয়ার সময় বলল,স্যার আপনি মানুষ না ফেরেশতা। সাদা সিধে মেয়েটার মুখে প্রশংসা এই প্রথম না।এর আগেও করেছে।শাড়ী পড়ে থাকে মেয়েটা সব সময়।কথা বলার ধরণই আলাদা।প্রতিটা জিনিস যেভাবে উপস্থাপন করে তার জন্যে সর্বদাই সবার কাছ থেকে সে প্রশংসা পায়।সবাইকে যথাযথ সম্মানও করে। কোন প্রজেক্ট মেয়েটা যখন প্রেজেন্টেশন করে তখন সবাই শুধু কাজের জন্যে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে রয়।আর শাহরিয়ার ভালবাসার দৃষ্টিতে চেয়ে থাকে মুগ্ধ হয়ে। মাঝে মাঝে শাহরিয়ারকে ছোট খাটো শাসন করে।পরে আবার স্যরি স্যার বলে লজ্জায় গাল লাল করে ফেলে। শাহরিয়ার এখন অন্যচিন্তা করছে।সে সোজাসোজি বিয়ের প্রস্তাব দিবে নিধি।নাহ! সম্ভব না।ছোট থেকেই প্রেম করে বিয়ে করার তীব্র ইচ্ছা ছিলো মনের ভিতরে।জীবন একটা তো একটুর জন্যে ইচ্ছেটাকে কেন হারাবে? কিন্তু এই মুহুর্তে কিছু করাও ঠিক হবেনা।তাই চুপ থাকলো নিধির বাবার সুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে নিধির বাবা সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠলো।এবার নিধিকে সে ভালবাসার কথা বলতে উদ্যত হলো।কিন্তু কিভাবে আর কোথায়? প্লান করে একটা ক্লায়েন্টের সাথে মিটিং ফিক্সড করলো।বান্দরবন নীলাচল। অফিস থেকে শাহরিয়ার নিধি এবং আরও দুইজনের জন্য টিকেট কাটলো।নিধি আর শাহরিয়ারের বাসের সিট পাশাপাশি।ইচ্ছে করেই প্লেনের টিকেট কাটেনি।নিধির সাথে সময় বেশি কাটাতে পারবে। সময়মত বাস ছাড়লো।শাহরিয়ার জানালার পাশে বসলো। - স্যার একটা কথা বলবো কিছু মনে না করলে? - হুম বলো। - আমাকে জানালার পাশে দিবেন?আমার খুব ভালো লাগে জানালার পাশে বসে প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো দেখতে। - আচ্ছা আসো। শাহরিয়ার ইচ্ছে করেই তুমি বলে ডাকতো নিধি।জানালার পাশে বসতে দিল নিধিকে।কথা বলতে চাচ্ছিল মন খুলে শাহরিয়ার।নিধিকে দেখলেই মনের ভিতর কথার ঢেউ শুরু হয়।জানালার পাশে বসাতে নিধির মাথার চুলগুলো উড়ে যাচ্ছিলো শাহরিয়ারের মুখে।শাহরিয়ার চোখ বুঝে অনুভব করতে লাগল ছোয়াগুলো।নিধি বাহিরের দিকে জানালার লাইনে মুখে হাত রেখে তাকিয়ে রইলো অপলক দৃষ্টিতে।হটাৎ একটা বীট পার হওয়ার সময় বাস ঝাক্কুনি দিতেই নিধিনড়েচড়ে উঠে।শাহরিয়ারের দিকে তাকিয়ে দেখল নিধির সব চুল শাহরিয়ারের মুখ ঢেকে রেখেছে।নিধিলজ্জা পেয়ে চুলগুলো লুফে নিলো।খোপা করে বেধে রাখলো। - সৌন্দর্যকে বেধে রাখছো কেন? - স্যার এইযে দেখুন আপনার নাকে মুখে ছড়িয়ে দিয়েছিল।আমি আসলেই কেয়ারল্যাস। - সেটা কিছুনা।ছেড়ে দেও - জ্বি স্যার? শাহরিয়ার ভালবাসার রঙ্গিন ঘোরে হারিয়ে গিয়েছিল।খেয়ালি নেই সে কাকে কি বলছে। - না কিছুনা। - ওহ আচ্ছা। নিধি আবার বাহিরের দিকে তাকালো।বাহ বেশ চমৎকার আবহাওয়া।মাঠের পর মাঠ। সব যেন পিছনে রেখে চলে যাচ্ছে।সবচেয়ে বেশি ভাল লাগতো সবগুলো ধান, কাশবন যদি হাত দিয়ে ছুয়ে ছুটা যেতো। হয়তো অনুভব করছিলো এমন কিছুই।তাইতো নিধি একটা হাত বাহিরের দিকে বাড়িয়ে দিলো।বাহ! অনেক ভাল একটা অনুভূতি ফিল হচ্ছে শাহরিয়ারের।নিধি প্রকৃতি দেখছে আর শাহরিয়ার নিধিকে।কত স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে নিধি।পাগলী টাইপের একটা মেয়ে।এই ট্যুরের প্লান না করলে, মেয়েটাকে এত কাছে থেকে হয়তো পর্যবেক্ষণ করা যেতনা।সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত হলো।আচমকা নিধির আবিভার্ব।তুমুল জোরে নিধি নামছে।নয়তো গাড়ীর স্পীডে বেশি মনে হচ্ছে ।নিধিজানালাটা পুরো খুলে দিলো।শাহরিয়ার মুখ ঢেকে নিলো।পিছন আর সামনের সীটের প্যাসেঞ্জাররা জেগে গেল ঘুম থেকে।নিধিহাত দুটো প্রাকৃতিক নিধির মাঝে মেলে দিলো নিধিধরার জন্যে।শাহরিয়ারের নাকে মুখে পানির ছিটা আসছে তীব্র গতিতে।শাহরিয়ার অপলক দৃষ্টিতে দেখছে দুই নিধিমিলিত হচ্ছে।মেয়েটার মুখে পানির ফোটা।চোখের কাজলগুলো হালকা হচ্ছে।নিধিচোখ বুঝে হাত দুটো বাহিরের দিকে বের করে রাখলো। হটাৎ শাহরিয়ার সামনে দিয়ে একটা ট্রাক আসতে দেখলো।কিন্তু নিধির চোখ বন্ধ।শাহরিয়ার নিধি টান দিয়ে নিজের দিকে নিয়ে আসলো। নিধিচোখ খুলে দেখলো মাত্রই জানালার কোল ঘেষের একটা ট্রাক গেছে। - আর ইউ আউট অফ ইউর মাইন্ড? - স্যরি স্যার। - এতদিন জানতাম তুমি শুধু পাগলী এখন মনে হচ্ছে কেয়ারলেসও অনেক। - আমি জানি সেটা শাহরিয়ার রাগে কথাগুলো বলে। নিধি উদাস হয়ে বসে থাকে আর বাহিরের দিকে তাকিয়ে থাকে।মন খারাপের ছাপ চোখেমুখে।শাহরিয়ারেরও কিছু করার ছিলোনা।এমনিতেই আরেকটু হলেই গাড়ীর সাথে হাত বারি খেতো।তখন পুরো ট্যুর মেডিকেলে। একসময় ঘুমিয়ে পড়লো শাহরিয়ার নিধি দুজনেই।মাঝরাতে শাহরিয়ারের ঘুম ভাঙ্গলো কাধে কিছুর স্পর্শে।বাসের সবাই ঘুমিয়ে তখন।নিধিঘুমোতে ঘুমোতে শাহরিয়ারের কাধে মাথা রেখে ফেলে। শাহরিয়ার এইবার নিধির সৌন্দর্যকে আরো বেশি দেখতে লাগলো।খোপা থেকে কিছু চুল সামনে এসে পড়ছে।এক পাশ ঢেকে রাখছে মুখের।শাহরিয়ার হাত দিয়ে সড়াতে চাইলো।কি মায়াবী চেহারা মেয়েটার!সাহস করে হাতটা দিয়ে চুলগুলো পিছনের দিকে সরিয়ে দেয়।ঘুম ভেঙ্গে গেল নিধির। - স্যার স্যরি। আসলে ঘুমালে আমার হুশ থাকেনা। - সমস্যা নাই।বুঝতে পেরেছি। - স্যার আমার জন্যে আপনার অনেক সমস্যা হচ্ছে তাইনা?(মুখ কালো) - আরেহ নাহ। - জানি স্যার - কি জানো? - এইযে আপনার সমস্যা হচ্ছে। শাহরিয়ার মনে মনে ভাবতে লাগলো যদি বুকে চাপানো ব্যাথার কষ্টটা এতদিনে বুঝতে তাহলে এই সমস্যাগুলো আমার কাছে যেমন মধুর লাগছে তোমার কাছেও লাগতো। বাস মধ্যরাতে খাবারের জন্য একটা নরমাল হোটেলের সামনে রাখলো। নিধি বাস থেকে নেমে সব কাজ করতে লাগলো।খাবার দাবারের অর্ডার থেকে শুরু করে কোথায় কিভাবে বসবে। এরপর একটা পানির বোতল কিনে ঘুম ঘুম মুখটাকে ধৌত করলো।তখনও শাহরিয়ার তাকিয়ে রইলো মেয়েটার দিকে।বাহ কি অপরূপ! মুখ ধোয়ার সাথে সাথে যেন সমস্ত ক্লান্তি ঝেরে ফেলছে। পরেরদিন কাজ শেষে সবাই যে যার মত ঘুড়তে গেল কিছুক্ষণের জন্য।শাহরিয়ার নিধির রুমে গেল।দরজা খোলাই ছিল তাই নক করেনি। সবুজ আর লাল রংয়ের একটা তাতের নাকি সিল্কের শাড়ী পড়েছিল।অসম্ভব মানিয়েছিল মেয়েটাকে।বলার মত নাহ।এর প্রশংসা করলে দুনিয়ার সৌন্দর্যকে ছোট করা হবে। - কি ব্যাপার?সবাই বাহিরে যাচ্ছে তুমি যাবেনা? নিধি বারান্দায় বসে বাহিরের দৃশ্য দেখছিলো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। - কোথায় যাবো? আমিতো মেয়ে মানুষ স্যার।সব জায়গায় একা যেতে পারিনা। আর এটাতো অচেনা জায়গা।হারিয়ে গেলে তখন আবার আপনার মাথায় টেনশন হয়ে চেপে বসব। . শাহরিয়ার রেগে গেলো। - পরেরটা পরে।আর তুমি একা কোথায়?আমাকে বললেওতো পারতে।চলো বের হই। - স্যার সত্যি বের হবেন? - হুম। - কোথায় যাবেন? - পাহাড়ে।নীলাচল। - ওয়াও। স্যার আমি শুনেছি এটা নাকি সবচেয়ে উঁচু জায়গা আমাদের দেশের? - সম্ভবত - দারুণ হবে।স্যার ওয়েট আমি চোখে কাজল দিয়ে নেই। . চোখে কাজল দিতে লাগলো নিধি।শেষে বের হল। উঠেই চলেছে। পথ শেষ হয়না।গাড়ীও বেশিদূর যাওয়া যায়না।অন্যরকমের জীপ টাইপের গাড়ীতে উপরে উঠা লাগে উঠার সময় ভয়ে কয়েকবার নিধিএমনিতেই জড়িয়ে ধরেছিলো শাহরিয়ারকে। উপরে উঠে গেল তারা।সামনে বিশাল আকাশ নিচে গাছপালার বিশাল সমারোহ।মনে হচ্ছে আকাশে বসে আছে। নিধিএকটু সামনে এগিয়ে দুইহাত মেলে দিলো আকাশের দিকে।শাহরিয়ার পিছনে দাঁড়িয়ে শুধু দেখতেছিলো।হটাৎ শাহরিয়ার জোরে বলল, - নিধিতোমাকে আমি কিছু বলতে চাই। নিধিপিছনে চলে আসলো। - কি স্যার? শাহরিয়ার বাকরুদ্ধ প্রায়।তবুও বলে ফেলল, - আসলে আমি তোমাকে পছন্দ করি।খুব ভালবেসে ফেলেছি তোমায়। - কি বলেন? - হ্যা।এটা বলার জন্যেই এই নিবীড় পরিবেশে আসা আমার। - কিন্তু আমি প্রেম করতে পারবোনা। - কেন? - আপনি আমার পরিবার সম্পর্কেত ভাল করেই জানেন।এখন আমিই তাদের ভরসা।আর এরপর আপনার দ্বারা কখনো ধোকার স্বীকার হলে আমার সুইসাইড ছাড়া উপায় নেই। - আমি বিয়ে করতে চাই তোমায়। - আমার বাবা মা রাজি থাকলে আমার আপত্তি নাই। - তাহলে আমি এখান থেকে যেয়েই বলব। - যখন বলবেন তখন।এর আগে কিছু না। - আজকের দিনটাইতো।আমার কত শখ ছিলো প্রেম করব জীবনে। - বিয়ের পর প্রেম করা যায়না? - যায়? - হ্যা যায়।আপনি বুঝবেন নাহ।সারাদিন অফিস বাসা অফিস বাসা করতে করতে আপনার মাথা শেষ। - তো একদিনও কি প্রেম করা যায়না? - সারাজীবন করবেন একদিন কেন?কিন্তু বিয়ের পর। - হুম।আচ্ছা তোমার জন্য একটা জিনিস এনেছি। নিবে? - কি? - এইযে পায়েল। শাহরিয়ার ব্লেজারের পকেট থেকে একটা স্বর্নের পায়েল বের করলো। - এটা আমি এখন নিতে পারবোনা। - কেন? - এমনি।এত দামি গিফট আমার পক্ষে নেয়া সম্ভব নাহ।বাসা থেকে উল্টাপাল্টা ভাববে। নিধির কথাও ঠিক।তো শাহরিয়ার নিধিকে বলল এই বিশাল খোলা আকাশের নিচে শুধু একবার পরিয়ে দিবে।তারপর খুলে ফেলবে।নিধিরাজি হয়। শাহরিয়ার পড়িয়ে দিল।কিন্তু খুলতে মন চাচ্ছিলোনা তবুও খুলে ফেলল। পরেরদিন বাসায় এসে শাহরিয়ার তার বাবাকে নিয়ে নিধিদের বাসায় বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যায়।একমাত্র ছেলের পছন্দ।আর ছেলের পছন্দও খারাপ হবার নাহ।হ্যা তাই নিধিকে দেখে শাহরিয়ারের বাবার পছন্দ হয়। দিনকাল ঠিক হয় বিয়ের।বিয়ে হয় ওদের।বাসর রাতে শাহরিয়ার সেই পায়েলটা নিধিকে আবার পরিয়ে দেয়।আজ খোলার জন্যে নাহ।আজীবনের জন্য,ভালোবাসার শিকলে বন্দী করার জন্যে। পরেরদিন সকালে নিধি অফিসের জন্য শাহরিয়ারকে ডাক দেয়। . - এইযে স্যার উঠেন।অফিসের টাইম হয়েছে। - বাবা যাওতো ঘুমাতে দেও একটু।সারারাত ঘুমাইনি।(চোখবুঝেই উত্তর দিল ঘুমের ঘোরে) - আমি কে তোমার?হুম? - বাবা।তাছাড়া আবার কে? - এই তাকাও এইদিকে। - কি হলো তোমার এমন করছো কেন? শাহরিয়ার হাত ধরে ঘুমের ঘোরেই টান দিল নিধি।নিধির কোলে মাথা রেখে ঘুমাতে চেষ্টা করলো। - বাবা তুমি কি আবার অফিসে জয়েন করবা?পিচ্ছিল প্যান্ট কেন? - এইটা প্যান্ট না শাড়ী। - মানে? - চোখ খুললেই দেখবা। শাহরিয়ার চোখ খুলে দেখলো এইটা বাবা নয় নিধি ।লজ্জায় মাথা নষ্ট হবার উপক্রম।এরপর ইচ্ছে করেই জড়িয়ে ধরলো নিধিকে বিছানায়। সকালের নাস্তা করে অফিসের জন্য বের হলো।আজ যেয়ে ম্যানেজারকে বলে আসবে আগামী কয়েকদিন অফিসে যাবেনা সব কাজ গুছিয়ে রাখতে। সারাদিন অনেক কাজ করলো।কয়েকদিনের কাজ অগ্রিম সামাল দিয়ে একটু লেট করেই বাড়ি ফিরলো।নিধি হয়তো ঘুমিয়ে পড়ছে।এত রাত। না বাসায় যাবার পর দেখলো নিধি খাবার নিয়ে ডাইনিং এ বসে আছে।একটু অভিমান। শাহরিয়ার এসে জড়িয়ে ধরলো নিধি।সব অভিমান নিমিষেই শেষ।মাঝরাতে যখন শাহরিয়ার এমনিতেই ঘুম থেকে উঠলো তখন পাশে চেয়ে দেখলো নিধি ঘুমিয়ে পড়েছে।কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো।এরপর এমনিতেই জানালার সামনে গেল।পর্দাটা টেনে দিতেই জোৎস্নার আলো নিধির মুখে যেয়ে পড়ে।শাহরিয়ার পর্দা দিয়ে দিলো।আরেকটু হলেই ঘুম ভেঙ্গে যেতো মেয়েটার।বাহ কি সুন্দর লাগছে মেয়েটাকে।আসলে ঘুমানোর সময় নারীদের সবচেয়ে সুন্দর লাগে।শাহরিয়ার চায় প্রতি মাঝরাতেই যেন তার ঘুম ভাঙ্গে আর সে এভাবেই নিধি দেখবে।দেখা যেন শেষই হয়না।

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৯

ভাইয়ের সাহসী বোনের প্রেম

আগস্ট ২২, ২০১৯ 0
ভাইয়ের সাহসী বোনের প্রেম লেখকঃ- MD ASAD RAHMAN .. .. সুমনঃ- তুই রাতে কার সাথে ফিসফিস করিস রে মীম? মীমঃ- কই কারো সাথে নাতো ভাইয়া। সুমনঃ- মিথ্যা বলবি না একদম। আমি সব বুঝি, ছেলেটা কে? মীমঃ- ইয়ে মানে,ওর নাম সাকিব। সুমনঃ- তুই পুচকে একটা মেয়ে হয়ে প্রেম করিস? মীমঃ- ভাইয়া তুমিও তো ইমা আপুর সাথে প্রেম করো। আমি কি কিছু বলি? সুমনঃ- চুপ বেয়াদব। ছেলেটা কি জানে তোর বড় ভাই আছে? মীমঃ- না....জানে না। সুমনঃ- জানিয়ে দিবি। সে যদি সাহসী হয়, আমার চোখের সামনে দিয়ে তোর হাত ধরে নিয়ে যেতে হবে, তবেই তোদের সম্পর্ক মেনে নেবো। মীমঃ- চ্যালেন্জ দিচ্ছিস..?? সুমনঃ- হ্যা। মীমঃ- Ok done... সুমনঃ- আর শোন তোর ইমা আপু তোর সাথে অনেকদিন ধরে দেখা করতে চাইছে। পরশু বিকালে তোর টাইম হবে? মীমঃ- হ্যা হবে... কোথায় আসবো। সুমনঃ- ওই তো "খাই খাই রেস্টুরেন্টে"। মীমঃ- হিহিহি। আচ্ছা ভাইয়া আসবো।☺☺☺ সুমনঃ- তোর ইমা ভাবি মানে আপু ট্রিট দিবে। .. **ভাইয়া চলে যাওয়ার পর মীম কল দিলো তার বয়ফ্রেন্ড সাকিব কে....Calling.... .. মীমঃ- হ্যালো সাকিব। সাকিবঃ- হুম বলো...... মীমঃ- তুমি কি আমার বড় ভাইয়ের সামনে দিয়ে আমার হাত ধরে নিয়ে যেতে পারবা? সাকিবঃ- কিহ তোমার বড় ভাই আছে? আগে বলোনি কেনো? আগে জানলে তোমার সাথে প্রেমই করতাম না। মীমঃ- ধুর ছাই, রাখো তুমি। ভীতুর ডিম। সাকিবঃ- Call End... .. **মীম ভাবতে শুরু করে অন্য প্ল্যান করতে হবে। বিকাল ৫ টা। "খাই খাই রেস্টুরেন্টে" বসে আছে মীম আর তার বড় ভাই সুমন। ইমা এখনো আসেনি। সুমন খোঁজ নিয়ে জানলো রাস্তায় আছে। কিছুক্ষনের মধ্যে চলে আসবে।.... .. সুমনঃ- খাওয়া কি এখনি অর্ডার দিবো নাকি তোর ভাবি আসলে? আই মিন তোর আপু আসলে? মীমঃ- হইসে হইসে। আজ থেকে ভাবি ডাকবো। ভাবি আসুক তারপর অর্ডার দিও। সুমনঃ- ওকে। .. **দুজন বসে গল্প করছে। এরপর হঠাৎ করে সাকিব তাদের টেবিলের সামনে এসে হাজির। একবার সুমনের দিকে তাকালো আরেকবার মীমের দিকে অগ্নিদৃষ্টিতে তাকালো। তারপর মীমের হাত ধরে টেনে রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে গেল। সুমন ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেল। নদীর ধারে বসে আছে সাকিব আর মীম। তখন সাকিব বললো..... .. সাকিবঃ- ছি ছি মীম তুমি আমাকে ধোঁকা দিতে পারলা? তুমি কি না আরেকটা ছেলের সাথে..... মীমঃ- ওয়েট ওয়েট ভাইয়া কল দিয়েছে। মীমঃ- হ্যালো ভাইয়া, চ্যালেন্জ তো হেরে গেলে। আমার বয়ফ্রেন্ড তোমার চোখের সামনে দিয়ে আমার হাত ধরে নিয়ে গেল। এটাই আমাদের কাছে সাহসী প্রেম। সুমনঃ- (..সুমন কিছু না বলে ফোনটা কেটে দিলো..) সাকিবঃ- ঐটা তোমার ভাই ছিলো? কিন্তু তোমার বান্ধবী যে বললো,,তুমি অন্য ছেলের সাথে রেস্টুরেন্টে ডেটিং করছো। মীমঃ- আরে ঐটা আমি বলতে বলেছিলাম। যাতে তুমি রাগ করে আমার হাত ধরে নিয়ে যাও। আমার প্ল্যান সফল হয়েছে। সাকিবঃ- উনি মানে তোমার ভাই সুমন? মীমঃ- হুম।☺ .. **একথা শুনে সাকিব অবাক। ঐদিকে ইমা রেস্টুরেন্টে এসে হাজির..... .. ইমাঃ- কি ব্যাপার সুমন, মীম কোথায়? সুমনঃ- নিয়ে গেছে। ইমাঃ- মানে? কে নিয়ে গেছে? ... তারপর সব ঘটনা খুলে বললো ইমা কে। ইমা শুনে হাসতে হাসতে বললো,,, .. ইমাঃ- বড় ভাই হয়ে তো খুব ডায়লগ দিচ্ছিলে, অথচ আমার ভাইয়ের সাথে দেখা করতে বললে দেখা করতে চাও না। কিসের এতো ভয়? সুমনঃ- প্রেমিকার বড় ভাই থাকা মানেই আতংক। যাই হোক, কি খাবা বলো? ... **খাওয়া দাওয়া শেষ করে বিল দিতে যাবার পালা। এক হাজার টাকা বিল। তখন ইমা বললো.... .. ইমাঃ- বিলটা কি আমি দিবো? সুমনঃ- না না আমি দিচ্ছি। .. **পকেট থেকে এক হাজার টাকার নোট বের করে ম্যানেজারের হাতে দিলো সুমন। ম্যানেজার জিজ্ঞেস করলো,,, .. ম্যানেজারঃ-খাবারের মান কেমন ছিলো? সুমনঃ- হুম ভাই অসাধারণ। আগে তো এই রেস্টুরেন্টের নামই জানতাম না। ইমা আমাকে নিয়ে এসেছে। ম্যানেজারঃ- Tanx....আবার আসলে খুশি হবো। ... **রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে সুমন ইমা কে জিজ্ঞেস করলো,,,, .. সুমনঃ- তোমার বাবা এখন কেমন আছেন? দুদিন আগে অসুস্থ আছে বলেছিলে? ইমাঃ- হ্যাঁ ভালোই আছেন। তবে রেস্টে আছেন। সুমনঃ- ওহ তাহলে আংকেলের রেস্টুরেন্ট কে দেখাশোনা করছে? ইমাঃ- দেখলাই তো আমার ভাই দেখাশোনা করছে। সুমনঃ- মানে?? ইমাঃ- মানে আরকি? আমরা যে রেস্টুরেন্টে আজ খেলাম সেটা আমার বাবার রেস্টুরেন্ট। বাবার অসুস্থতার কারনে কিছুদিনের জন্য ভাইয়া দেখাশোনা করছে। সুমনঃ- ঐ ম্যানেজার টা তোমার ভাই? ইমাঃ- হুম। ভাইয়া আমাকে চ্যালেন্জ দিয়েছিল,, তার সামনে যদি রেস্টুরেন্টে এসে খাওয়া দাওয়া করতে পারি তাহলে আমাদের প্রেম মেনে নিবে। এটা আমাদের কাছে সাহসী প্রেম সুমন। ... . . . #Slovenly_boy.........

শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৯

গল্পটা তোমার আমার

আগস্ট ১৭, ২০১৯ 0
Writer:Asad Rahman 🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛 মিমঃপ্লিজ রাগ করিস না,,,তোর ঠোট ফুলে গিয়েছে,,একটু মলম লাগিয়ে দেই,,, (গাল টেনে) আমিঃআমার ঠোট ফুলে গেলে তাতে আপনার কি?,,, মিমঃদেখ এভাবে কথা বলবি না,,, আমার অনেক কষ্ট হয়,,,তোর জন্য খাবার এনেছি হা কর খাবি,,, আমিঃদেখুন আমার ক্ষিদে নেই,,,প্লিজ আপনি এখন আমার রুম থেকে চলে যান,,আমি খাবো না,,, মিমঃ আমিও কিন্তু এখনো খাইনি,, তুই না খেলে আমিও খাবো না,, আমিঃহাহাহা,,আমি না খেলে আপনি খাবেন না কেনো,, যান যান অভিনয় করতে হবে না,, মিমঃআমার চোখের পানি দেখেও কি তোর অভিনয় মনে হয়,,, আমিঃআপনি পারেন না এমন কিছু আছে,,, আজ যেটা করলেন সেটা কখন ভুলার নয়,,, মিম কেঁদে দিয়ে বললো,,বিশ্বাস কর আমি তোর নামে কোনো বিচার দেইনি, ফুফি বুঝতে ভুল করেছে,,, আমিঃবুঝেছি,,আপনি এখন এখান থেকে যান প্লিজ,, মিমঃ হুম যাচ্ছি কিন্তু এই ভাত রেখে গেলাম,, খেয়ে নিস,,, এই বলে মিম চোখ মুছতে মুছতে রুম থেকে চলে গেলো,, আমি আমার ফেসবুকে ঢুকে পাসওয়ার্ড চেন্জ করে ফেললাম,, রাতে না খেয়েই শুয়ে পরেছি,, সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হলাম,। প্রচুর ক্ষুদা লেগেছে,, তাই মিমদের বাসায় গেলাম,,, মামিঃকিরে বাবা আয় নাস্তা করতে বস,,, আমিঃ আচ্ছা,,এই ছোয়া এককাপ চা দেতো,,, হঠাৎ ই------------মিম রুম থেকে ফোলা ফোলা চোখ নিয়ে আমার কাছে দৌরে এসে আমার গায়ের উপর পরে,,,গলা চেপে দরলো,, আমিঃআরে কি করছেন ছারেন ব্যাথা পাচ্ছি,, মিমঃ ছারবোনা,,আগে বল,,,তোর ফেসবুকের পাসওয়ার্ড বদলালি কেনো,, আমিঃতাতে আপনার কি,, আমার ফেসবুক আমার পাসওয়ার্ড তাই আমি বদলিয়েছি,, মিমঃকি বললি তুই,, আমরইতো সব,, আমিঃহইছে আর ঢং করা লাগবে না,, সরেন সামনে থেকে,, মিমঃকিহ আমি ঢং করি,,! মিম পুরোদমে রেগে গিয়ে আমার ঠোটের সাথে ঠোট মিসিয়ে দিলো,, আমি ছোটার জন্য হাত-পা ছোরতে লাগলাম,, কিন্তু ওর সাথে পেরে উঠলাম না। অজ্ঞতা ওর কাজ ওকে করতে দিলাম,,, . মিম আমার ঠোটের ওপর ওর ঠোট দিয়ে রাগ মেটাচ্ছে,,, দির্ঘক্ষন পর ও আমাকে ছেরে দেওয়াতে আমি যেনো হাফ ছেরে বাঁচলাম,,,, মনে হচ্ছে পুরুষ নির্যাতন করছে,, মিম আমার দিকে ঘোর লাগা চোখে তাকিয়ে বললো,,, চুপচাপ এখানে বসে থাকবি,,, আমি ছারা অন্য কেউর হাতের চা খেতে চাইলে তোকে বিশ খাইয়ে মেরে ফেলবো,,, সাথে হাতটাও ভেঙে ফেলব তারপর নিজেও বিষ খেয়ে মরে যাবো,,, এ কথা বলে মিম চলে গেলো,, . আমি বেশ ভয় পেয়ে গেলাম ওর কথায়,,যেমন রাগী এরকমটা করতেও পারে,, . মিমঃ এই নেও চা,,, মিমের কথায় ঘোর ভাঙ্গলো,, মিমঃকি হলো নেও,, আমি চা নিলাম,, কাপের দিকে তাকাতেই দেখলাম,, কাপে লিপস্টিক লাগানো,, যা বুঝার বুঝে নিলাম,, একটু একটু চা খাচ্ছি আর ভাবছিলাম,,, . মিম আমার ঘা গেসে বসে আমার বুকে মুখ ঘুজে দিলো,, কোনো কর্ন পাত করলাম না, , হঠাৎ কিছু পরার শব্দে বাস্তবে ফিরলাম,, সামনে তাকাতেই হা হোয়ে গেলাম,, আমিঃমামা মামি, , সামনে দেখি মামি আর ছোয়া কোমরে হাত দিয়ে আমাদের কৃর্তিকলাপ দেখছে,, আমি মিম কে ছারাতে ছারাতে বললাম,, ওই মামি সামনে মিমঃহু, আমিঃকি করছেন, ছারেন,, সামনে মামি,, মিম কে ছারালাম আমার কাছ থেকে,, মিম সামনে তাকাতেই লজ্জায় রুমে দৌর দিলো,, আমিঃঅপরাধির মতো মাথা নিচু করে বললাম, মামা,মামি আআমি..... মামি কিছু না বলে একটু রাগ দেখিয়ে কিচেনে চলে গেলো,, ছোয়া উচ্চ স্বরে হেসে উঠলো,, আমিঃওই হাসিস কেনো,, ছোয়াঃতোমারা পারোও বটে,,সব খানে রোমান্স করা লাগে,,আসেপাসে যে কেউ আছে সেটা খেয়াল করতে হয় জানো না,, আমিঃআমি কি করলাম তোর বোন ইতো,, ছোয়াঃহইছে হইছে,,সব বুঝি,, আমিঃমারবো একটা,,সর সামনে থেকে,, . ছোয়া এখনো দারিয়ে দাত বের করে হাসছে,,কিছুটা লজ্জা লাগছে,, তাই সেখান থেকে নিজের বাসায় চলে আসলাম,, . মিম বেশ আমাতে বিভোর হয়ে আছে,, আমি ছারা যেনো কিছুই বোঝে না,,, আমারো মন বলে মিম খুব ভালোবাসে আমায়,,কিন্তু সেদিনের ঘটনা টা আমার মনে বেশ ভালোই অভিমান জমা করে দিয়েছে,,, . সকালে বাসা থেকে ঘুরতে বের হচ্ছি,, ঠিক তখনই মিম আমাকে পিছন থেকে ডেকে উঠলো,,, আমি শুনেও না শুনার ভান করে হেটে যাচ্ছি,, মিম এবার আমার সামনে এসে দারালো,, মিমঃকি ব্যাপার তোকে ডাকছি কানে যাচ্ছে না,, আমিঃ ওহহ খেয়াল করিনি,,কেনো ডেকেছেন আমাকে,,, মিমঃবাহিরে যাচ্ছিস বুঝি, আমিঃ তাতো দেখতেই পাচ্ছেন,,, মিমঃচল আমিও যাবো তোর সাথে,,হাত ধরে আমিঃনা না,, তার দরকার নেই,, মিমঃকেনো আমিঃএকসাথে আব্বু দেখলে সমস্যা হবে,,আর তা ছারা এটাকে একটা নতুন ইস্যু করে আপনি আবার নতুন করে ফাঁদে ফেলবেন,, মিমঃকি বলছিস এসব,,আমি তোকে ভালোবাসি,, আমিঃহুম দেখলাম তো আপনার ভালোবাসার নমুনা,,, মিমঃদেখ তোর এই আপনি আপনি করে কথা বলাটা আমাকে বেশ কষ্ট দিচ্ছে,, তুই সামান্য একটা কারন নিয়ে আমাকে এভাবে ভুল বুঝতে পারিস না, এখন চল,, আমিঃনা,,আপনি একা জান,আমার অনেক কাজ আছে,, এবার মিম কিছুটা রেগে বললো,, মিমঃ তুই সাথে নিবি নাকি আমি কিছু করে বসবো,, এবার আমি কিছুটা ভরকে গেলাম,, তাই কিছু বললাম না,,মিম আমার হাতের ভিতর তার হাত ঢুকিয়ে হাটতে লাগলো,, কিছু দূর গিয়ে মিম একটা রিক্সা নিলো,, মিমঃচাচা রিক্সার খাপটা তুলে দিনতো,, আমিঃকেনো,,নানা দরকার নেই,, মিমঃআপনি উঠিয়ে দিন তো,, . রিক্সাওয়ালা খাপটা উঠিয়ে দিলো,, মিম সাথে সাথে আমাকে জড়িয়ে ধরে,, আমার কাধে মাথা রাখলো, কিছু বলতেও পারলাম না,, অনেক ঘোরা ফেরা করে বাসায় ফিরলাম,,, সাথে মিমকে নিয়ে,, . এভাবে আরো এক সপ্তাহ চোলে গেলো,, আমি মিম কে আগের মতোই ইগনোর করে চলি,, রাতে ভাত খাওয়ার জন্য টেবলে যেতেই আমি অবাক, টেবিলে মামা,মামি, মিম, ছোয়া, আমার আম্মু বসে আছে আমি একটা চেয়ার টেনে বসলাম,, তখন আব্বু এসে বসলো, সবাই খাবার খাচ্ছে, আমিও খাচ্ছি,, তখন আব্বু বললো,,সবাইকে এখানে ডাকার একটাই কারন,,কাল সৌরভের জন্য মেয়ে দেখতে জাবো,,,মেয়েকে আমি দেখেছি,,খুবই ভালো,,এখন তোমরা সবাই দেখবে,সৌরভ তোর কোনো দ্বীমত আছে,, . হঠাৎই মিমের গলায় খাবার আটকে গেলো গলা দিয়ে যেনো খাবার নামছেই না,,,ও আমার দিকে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে আছে,,,ওর চোখ দিয়ে এই পানি পরলো মনে হয়,, আমি মিমের দিকে তাকালাম,,ওর চোখ যেনো বলছে,, না সৌরভ না,আমি পারবো না থাকতে,, আমি কিছু না বলে মাথা নিচু করে রাখলাম,, আব্বু আবার বললো,,তাহলে সকালে সবাই রেডি হোয়ে থেকো মেয়ে দেখতে যাবো,, পরের দিনই বিয়ে,, মিম তার খাবারে পানি দিয়ে টেবিল থেকে উঠে চোলে গেলো,, আমি ও আর খেতে পারলাম না,,তাই রুমে চোলে আসলাম,, ঘুম আসছে না,,আমি কি বেশি বেশি করে ফেলছি,, আমিওতো মিম কে ভালোবাসি,, আমার অভিমান কে কি বড় করে দেখছি। নাহ,, আর ভাবতে পারছি না,, এপাশ ওপাশ করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে গিয়েছি জানি না,, ঘুম ভাঙ্গলো কারো গড়ম গড়ম নিশ্বাস আমার বুকে পড়াতে,, চোখ মেলে দেখি কিছু একটা আমার বুকে শুয়ে আছে,,তোলার মতো নরম,, , হঠাৎ ভয়ে লাফ দিয়ে উঠলাম,, আমি উঠে দারাতেই মাথায় যেনো আকাশ ভেঙ্গে পরলো,, হায় হায় আমার জামা কাপর কোথায়,,আমার গায়ে কোনো কাপর নেই,, সামনে তাকাতেই আরো চমকে গেলাম,, মিম সামনে,, ওর গায়েও কোনো কাপর নেই,, আমার মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হচ্ছে না, মিম চোখ ডলতে ডলতে আমাকে বললো,, মিমঃ ওই আমার ঘুম ভাঙ্গালি কেনো,, এখানে শো আমি তোর বুকে ঘুমাবো, এখনো আমার ঘুম হয়নি,, আমি কোনো রকম বিছানার চাদর দিয়ে আমার ঘা টা ঢেকে বললাম,, আপনার গায়ে জামা কাপর কই,,তাড়াতারি পরুন, মিমঃ ইসসস রাতে সব করে এখন লজ্জা পাচ্ছে,, আমিঃকি আবল তাবল বলছেন,,আমি কি করেছি,, আর আপনি এখানে কেনো,, প্লিজ বের হন, তারাতাড়ি কাপর পরেন,, মিমঃরাতে একা ভালো লাগছিলোনা,তাই তোর কাছে চলে এসেছিলাম,,তারপরই তো তুই এসব করলি,, আমিঃকিককি করেছি আমি,, একদম ফালতু কথা বলবেন না,তাড়াতাড়ি জামা কাপর পরে বের হন,, হঠাৎ ই আমার রুমের দরজায় কে যেনো নক করতে থাকলো,,একটু পর আব্বুর গলার আওয়ায় পেলাম,, ভয়ে আমার পেটে কামর দিলো,, আমিঃপ্লিজ আপনি কাপর পরে কোথাও লুকিয়ে যান ,,এক কাজ করুন ভাত রুমে গিয়ে পালান,, আর আমার ট্রাউজার গেন্জি কোথায় প্লিজ তাড়াতাড়ি বলুন,, মিম মুচকি একটা হাসি দিয়ে বললো,,আমি লুকাবো এন্ড তোর কাপর দেবো এক শর্তে,, আমিঃ কি শর্ত তাড়াতাড়ি বলুন,, মিমঃআমাকে জড়িয়ে দরে লম্বা একটা কিচ দিতে হবে,,তাহলেই আমি পালাবো,,, আমিঃ কখনো না,, আমি পারবো না,, মিমঃতাহলে আর কি করার , এই অবস্থাতেই দুজন সবার সামনে যাবো,দারা দরজা খুলছি,, আমিঃএই না না, কি করছেন, পাগল হয়ে গেছেন নাকি,, মিমঃযেটা ইচ্ছা ভাবতে পারিস,,আমি খুলছি,, আমিঃআমি রাজি রাজি,, মিমঃএইতো গুড বয়,আয়, আমিঃআপনি কাপর পরে নিন আগে মিমঃনো নো তা হবে না, আমি বিছানার চাদরটা গায়ে ভালোমতো পেচিয়ে নিয়ে মিমের দিকে আগাতে লাগলাম, , মিমঃওই আগে শরিল থেকে বিচনার চাদর সরা, আমিঃকি বলেন এসব, তাহলে কিন্তু আমি ঠিক থাকতে পারবো না, মিম একটা মাতাল করা হাসি দিয়ে বললো তোকে ঠিক থাকতে কে বলেছে, ওপ এই মেয়েটার সাথে পারবো না, আব্বুর কথা মনে পরতেই মিম কে জড়িয়ে ধরে যেই কিস দিতে যাবো তার আগেই মিম আমার ঠোট ওর ঠোটে পুরে নিলো,, ,, ও আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে দরে চোমুক দিয়ে ধরতেই যেনো আমি পাগল হয়ে গেলাম, বেশ কতক্ষন দুজন এভাবে ছিলাম,, বলতে পারবো না আব্বুর চিতকারে ওকে ঝাটকা মেরে ছেরে দিলাম,, আমার শরিল কাঁপছে,, কাপা কাপা গলায় বললাম কাপর কই, মিমঃখাটের নিচে,, আমি তাড়াতারি আমার কাপর নিলাম সাথে মিমের টাও নিয়ে ওকে দিয়ে বললাম,, তাড়াতারি কাপর পরে লুকিয়ে যান,, . মিম আমাতেই যেনো বিভোর হোয়ে আছে, তার পর চুপচাপ বাথরুমের চলে গেলো, আমি তারাতাড়ি ফিটফাট হোয়ে জামা ট্রাউজার ঠিক করে দরজা খুলে দিলাম,, সামনে দেখি সবাই রেডি হয়ে দারিয়ে আছে, ,, আব্বু কোনো কথা না বলে ঠাসস করে আমার গালে একটা চর বসিয়ে দিলো,, বেস বেথা পেলাম, থাপ্পরের ধাক্কায় পাশে মুখ চলে গেলো চোখ মেলে দেখি মিম পাশে সুন্দর করে মাথা নিচের দিকে দিয়ে দারিয়ে আছে,,আব্বুর থাপ্পর দেওয়ার কারনটা সবে বুঝলাম,,, আব্বু ঃতুই জীবনেও ভালো হবি না,,, এই বলে সামনে থেকে চলে গেলো,, একে একে মামা,মামি,মা সবাই সামনে থোকে চলে গেলো,, এবার ছোয়া আমার সামনে এসে দাঁত বের করে হাসছে আর বলছে,,আপু দেখি তোমাকে ভালো করে লিপস্টিক দিতে পারে না,এখানে একটু, ওখানে একটু এলোমেলো করে দেওয়া,,, আমি দৌরে আয়নার সামনে গেলাম,, আমার পুরো ঠোটে ছরানো ছিটানো লিপস্টিক লেগে আছে,, যা সালার সব মানসম্মান গেলো,, মিম আমাকে হালকা করে ধাক্কা দিয়ে বললো,কি ভাবছিস,, আমিঃআপনি আমায় ছুবেন নাতো,, মিমঃতোর সব কিছুই ছোয়া শেষ, এখন আর কিছু ছোয়ার বাকি নেই,, আমি রাগ করে বের হয়ে বারান্দার দিকে যেতে লাগলাম তখন মিম পিছন থেকে ডেকে বললো, মিমঃ ওদিকে কই যাচ্ছিস,, এসে গোসল কর,, আমিঃকেনো,আমি গোসল করবো কেনো,, মিমঃরাতে দুজনের ভিতর কত কিছু হলো,,, তা মনে নেই,, তাই গোসল করতে হবে,, আমি জেদ করে কাপর ছারাই বাথরুমে ঢুকলাম,, এমনিতেও গোসল করতাম,, মাথা প্রচুর গড়ম হয়ে আছে, তাই ঝর্নার পানি ছেরে দিয়ে তার নিচে বসে পরলাম, গোসল করার পর খেয়াল হলো,, , ,আমি যে কাপর নিয়ে আসিনি,, . আমিঃশুনছেন, মিমঃবল,, আমি ঃআমি কাপর আনিনি,দয়া করে কাপরটা দিয়ে যান,, মিমঃতুই দরজা খোল দিচ্চি,, আমি দরজা ফাকা করতেই মিম কাপর হাতে ঢুকে পরলো,, মনে হয় পাশেই দারানো ছিলো,, আমিঃকি করছেন,বাহির হন,, রুমের দরজা খোলা, কেউ দেখে ফেললে আরো সমস্যা হবে, , মিমঃআমি দরজা লক করে দিয়ে এসেছি,, আমিঃ তো কি হইছে বের হন,,আমি গোসল শেষ করে বের হবো,,কি ব্যাপার জামা খুলছেন কেনো,, মিমঃগোসল করবো,, আমিঃআমি বাহির হোয়ে নেই,,, মিমঃনা,,দুজন এক সাথেই করবো,,এই বলে মিম আমাকে কাছে টেনে নিলো,, মনে হয় ওর মায়াতে আমাকে জড়িয়েই ছারবে,,, প্রায় ঘন্টাখানেক দুজন গোসল করলাম, বিছানায় শুয়ে আছি,প্রচুর ক্ষিদাও লেগেছে,,ভয়ে বের হতেও পারছি না,,কিভাবে যে সবাইকে মুখ দেখাবো,,,এই সব ভাবছি তখনি আমার ভাবনার সমাপ্তি ঘটিয়ে মিম গুনগুন করে গান গাইতে গাইতে খাবার হাতে রুমে ঢুকলো,, ওতো দেখি বেস খুশিতেই আছে, কোনো টেনশনই দেখছি না ওর,, মিমঃহা কর,,, আমিঃক্ষিদে নেই আমার,,, মিমঃ তুই হা করবি নাকি আমি আবার রোমান্স করতে শুরু করবো,,, আমিঃআচ্ছা আপনার কি কোনো লজ্জা বলতে কিছু নেই,,, মিমঃসবার সাথে লজ্জা দেখাতে নেই,,এখন হা কর,, আমি ওর মুখের দিকে তাকিয়ে আছি, আর ও আমাকে খাইয়ে দিচ্ছে,, বেসি ভালোবাসিরে তোকে পাগলি,, আমার রাগ সব পানি করে ফেলে। আমার কেনো জেনো জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হলো তুমি খেয়েছো কি না,, তাই জিজ্ঞেস করলাম,, জিজ্ঞেস করতেই মিম আমার চোখের দিকে তাকালো,,ওর চোখ দিয়ে এক দুফোটা করে পানি গড়িয়ে পরছে,,মিম হঠাৎ ই আমার বুকে জাপিয়ে পরে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলো, আমি মিমের মাথায় হাত ভুলিয়ে দিচ্ছি,, আমিঃকি হলো আবার আপনার, আরে কাঁদছেন কেনো,, মিমঃজানিস, তোকে কত ভালোবাসি আমি,, তোকে পাওয়ার জন্য আমাকে কত কিছু করতে হচ্ছে,,,, তোর এই আপনি আপনি করে বলাটা বেস কষ্ট দিচ্ছে আমায়,,তুমি করে বলনারে, আমিঃআচ্ছা তুমি করেই বলবো,, কিন্ত আপনারও আমাকে তুমি করে বলতে হবে,,, মিমঃহুমম বলবো,, আমিঃআচ্ছা এখন হা করো খাইয়ে দেই আমি,,, , বলতে দেরি কিন্তু হা করতে দেরি নেই আমি খাইয়ে দিচ্ছি আর ও খাচ্ছে,,, , খাওয়া শেষে ও প্লেট রেখে এসে আবার আমার বুকে শুয়ে পরলো, ওকে আমার বুকে পেয়ে এক অন্যরকম প্রশান্তি বিরাজ করছে মনে,,,মনে হচ্ছে ওকে এভাবেই সারা জীবন জরিয়ে ধরে রাখি,, ওকে খুব শক্ত করে বুকে জরিয়ে রাখলাম,,, ও আমার বুকে মুখ লুকাতে ব্যাস্থ হয়ে পরলো,, দূপুরে আর বের হলাম না, দুজন দুজনাকে জড়িয়ে ধরেই ঘুমিয়ে রইলাম,, বিকালে দরজা নক করার শব্দে ঘুম ভাঙ্গলো, আমি বেশ ভয় পেয়ে গেলাম,,,সবাই কি জিজ্ঞেস করে আর আমি কি বলবো,? আমি উঠতে চাইলে মিম বললো,, মিমঃ তুমি শুয়ে থাকো, আমি দেখছি, আমার ঠোটে একটা চুমু দিয়ে উঠে পরলো,, , দরজা খুলতে ছোয়া হাতে পান্জাবি পায়জামা,,,আর একটা লাল শাড়ি দিয়ে বললো,, ছোয়াঃ তোমাদের এগুলো পরে রুম থেকে বের হোতে বলেছে,,, আমি উঠে পাশে গিয়ে দারালাম,, ছোয়াঃও ভাইয়া তোমার জন্য এই পাগরি টা, মিমঃতার মানে আমাদের বিয়ে হচ্ছে,,ইয়াহু,, মিম খুশি তে আমাকে জড়িয়ে দরে মুখে কয়েকটা চুমু খেলো,, ছোয়াঃকি ব্যাপার বিয়ের আগেই কি বাসর করতে চাও নাকি, মিমঃতুই এখন যা,, , এই বলে মিম রুমের দরজা লক করে দিয় খুশি তে, শেষ বেস আর বলতে পারবো না,,, . মিম বায়না ধরেছে ওকে শাড়ি পরিয়ে দিতে,,, আমিঃআমি পারিনাতো,, মিমঃআমি বলছি তুমি ওই ভাবে করতে থাকো,, ওকে শাড়ি পরিয়ে দিয়ে আমিও রেডি হয়ে দুজন একসাথে সন্ধার আগ দিয়ে রুম থেকে বের হলাম,, বের হয়ে কিছুটা অবাক হলাম, আমাদের কাছের সব রিলেটিবরা এসে হাজির,,,, কাজিও বসে আছে,,, সবাই আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে,,, মিম আমার হাত শক্ত করে পেচিয়ে দরলো,কিছুটা সাহস পেলাম আমি,, আমাদের পাশাপাশি বসিয়ে বিয়ের কাজ সম্পুর্ন করা হলো,, মিমদের বাসায় নাকি আমাদের বাসর ঘড় সাজিয়েছে ছোয়া,, আমাদের নিয়ে গেলো সেখানে,,, বাসর ঘরে ঢোকার আগে ছোয়া আরো কিছু মেয়ে হাত পেতে বসলো,, পকেটে যা ছিলো তা সবই দিয়ে দিলাম,, . বাসর ঘরে ঢুকেই মিম আমাকে খাটে বসিয়ে দরজা লক করে দিলো,, আমিঃকি ব্যপার তুমি শাড়ি খুলছো কেনো,, মিমঃবাসর করবো, আমিঃসেতো কালই শেষ হলো,,, মিমঃ আরে না,কাল কিছুই হয় নি,,, ওটাতো তোমার বিয়ে আটকানোর একটা প্লান,,,,তবে কাল কিছু না হলেও এখন হবে,,, এই বলে মিম আমাকে খাটে ফেলে দিলো,, গা থেকে পান্জাবি টেনে খুলে কোথায় ফেললো তা আর দেখতে পেলাম না, দুজনেই ভালোবাসাতে বিভোর হোয়ে গেলাম,, . শুরু হলো ভালোবাসার এক নতুন অধ্যায়-- , -----ভুল ত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন,,----- . --------------------সমাপ্ত-----------------/-