||লেখক👉মোঃআসাদ রহমান||
||কোটচাঁদপুর||♥||ঝিনাইদহ||
(গল্পের প্রধান চরিত্রে আছেন আব্দুর রহমার অপূর্ব আর সিনথীয়া
সাবিহা)
অপূর্বঃ মা এইবার দয়া করে বন্ধ কর।আমি এইবার সত্যিই সত্যিই
পাগল হয়ে যাবো।
অপূর্বের মাঃআমি ও বিয়ে কর বিয়ে কর বলতে বলতে পাগল হয়ে
যাবো।(নাস্তা দিতে দিতে বললো)
অপূর্বঃআমাকে একটু শান্তিতে খেতে দেও.... (নাস্তা হাতে
নিয়ে বললো)
অপূর্বেরর বাবাঃ তোকে কতোবার বলছি,, আমাদের জন্য একটা
মেয়ে এনে দেওয়ার জন্য।(চেয়ার টেনে বসতে কথাটা বললো)
অপূর্বঃ বাবা তুমি ও শুরু করছো? আর শুন তোমার মেয়ে প্রয়োজন
মাকে বলতে,, মা তাঁর সতীনের মেয়ে নিজেই খুজে বের করতো।
মাঃ পাজিল ছেলে,, তুই আমার ঘরে সতীনের মেয়ে আনতে
চাইছিস?
অপূর্বঃ আমাকে পাজিল বলছো কেন? বাবাই তো বলছে ওর জন্য
মেয়ে আনতে?
বাবাঃ বাদর ছেলে,, তোকে বিয়ে করিয়ে এইবাড়ীতে একটা
মেয়ে আনবো ঐটাই বলছি!!
।
অপূর্বঃ বাবা আমি এখন বিয়ে করতে পারবোনা।
বাবাঃ এসব বললে হবেনা...আমার এক বন্ধুর মেয়েকে পছন্দ করে
রেখেছি।তোর সাথেই ওর বিয়ে হবে।
মাঃ আর শুন আজকে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে আসবি। তোর সাথে
ভালো মানাবে।
অপূর্বঃ তাঁর মানে মেয়েটা শহরের....
বাবাঃ মেয়েটা খুবই ভালো....
অপূর্বঃ শুন মা -বাবা..তোমরা যতই ভালো মেয়ে ঠিক করোনা
কেন শহরের মেয়েকে বিয়ে করবোনা।
মাঃ কেন?শহরের মেয়ে তোকে কি করছে?
বাবাঃ বিদেশি মেয়ে কি বিয়ে করবি নাকি?নাকি তোর
পছন্দ আছে?
অপূর্বঃ শ শহের র মে মেয়ে আ আমাকে আবার কি করবে।আর বাবা
আমার কোন পছন্দ নেই।তবে শহরের মেয়ে আমি বিয়ে করবোনা।
করলে গ্রামের মেয়েই বিয়ে করবো।(একসাথে সবগুলো কথা বলে
হাপাতে লাগলো)
মাঃ কিরে তোর আবার কি হইছে?
অপূর্বঃ কি কিছুনা....(বলে নাস্তা টেবিল থেকে উঠি
দাড়ালো)
।
বাবাঃ আর যাই বলিস না কেন?কালকের জন্য ছুটি আনবি,
সাবিহাদের বাসায় যাবো।মনে থাকে যেন?
অপূর্বঃ সা সাবিহা.... সাবিহা নামের কাউকেই কোনোদিন
বিয়ে করবো না।(বলে হাটতে লাগলো)
মাঃবাদর ছেলে শুনে যা...তুই যদি কালকের জন্য ছুটি না আনিস।
আর সাবিহাকে বিয়ে না করিস তাহলে তোর এই বাড়ীতে
জায়গায় নেই।
অপূর্বঃ প্রয়োজনে তাই হবে।তারপরে ও সাবিহা নামের
কাউকেই বিয়ে করবোনা। আল্লাহ্ হাফেজ।
মাঃ তোমার ছেলে যদি বিয়ে না করে....(অপূর্ব বেরিয়ে
যাওয়ার পরে)
বাবাঃ বললেই হলো..ও বিয়ে না করলে ওর বাপ করবে।
মাঃ(রেগে গিয়ে) কি বললে....
বাবাঃ না মানে....সেটা বলতে চাইছিনা। ওর যাতে বিয়ে
করে সেই ব্যবস্থা করতেছি।
।
মাঃ কি করবা একটু বলোতো....
বাবাঃগল্পের প্রথমে বললে,,, শেষে মজা থাকবেনা।এই দিগে
আসো আস্তে করে বলি।
মাঃ ভালো আইডিয়া.....
অপূর্বঃ দোস্ত আর ভালো লাগেনা(বন্ধুর কাছে কল দিয়ে)
আকাশঃ দোস্ত কি আর করবি। আন্টি আঙ্কেল যা বলে তাই শুন...!!
অপূর্বঃ দোস্ত তুই ও...আরে দোস্ত মেয়ে যদি শহরের না হতো
তাহলে আমি নাচতে নাচতে বিয়ে করতাম।
আকাশঃ কিহহহহ্
অপূর্বঃ না মানে.....বলছি দোস্ত আমি শহরের মেয়েই বিয়ে
করবোনা।
আকাশঃ কেনরে....?
অপূর্বঃ আমি গ্রামের মেয়ে বিয়ে করবো।কালকে মেয়ে
দেখতে যেতে হবে।দোস্ত পছন্দ হলেও বিয়ে করতে।
পছন্দ না হলেও করতে হবে।
আকাশঃ দোস্ত একটা কথা ভুলে গেছি।কিছুদিন পরে আমার
চাচাতো বোনের বিয়ে আমি কালকে গ্রামের বাড়ীতে
যাবো।
তুই চাইলে আমার সাথে কালকে যেতে পারিস।তাহলে আর
তোকে মেয়ে দেখতে যেতে হবেনা।আর কয়েকদিন বিয়ে নামক
শব্দটাও শুনতে হবেনা।
অপূর্বঃ দোস্ত তোকে কি বলবো বুঝতে পারছিনা।তবে কালকে
না আজকেই যাবো।
আকাশঃ কিন্তু বাড়ীতে কি বলে যাবি??
অপূর্বঃ এখন কাউকে কিছুই বলবোনা। আর এখন তুই আমার অফিসের
সামনে আয়। আমি অফিস থেকে ছুটি নিচ্ছি,,তারপরে মার্কেটে
গিয়ে আমার পোশাক কিনে,গ্রামের ঊদ্দেশ্য বেরিয়ে পড়বো।
আর গ্রামে গিয়ে মা বাবাকে বলবো।
।
আকাশঃ গুড আইডিয়া...ওকে দোস্ত ১০ মিনিটের মধ্যে
আসতেছি..!!
অপূর্বঃ ওকে তাড়াতাড়ি আয়।।
।
আকাশঃ দোস্ত তোর জন্য গ্রামে মেয়ে দেখে বিয়ে ঠিক করে
আসবো।
অপূর্বঃপরেরটা পরে দেখা যাবে।সন্ধ্যাতো হয়ে যাচ্ছে আর
কতোক্ষন লাগবে।তোদের বাড়ী পৌছাতে?
অাকাশঃ দোস্ত ঐ তো আমাদের বাড়ী দেখা যাচ্ছে চলতো
ভিতরে....
অপূর্বঃ দোস্ত এটা তোদের বাড়ী....
আকাশঃ হুম...কেন পছন্দ হয়না....
অপূর্বঃ আগে ভিতরে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে বিশ্রাম নেই পরে বলবো।
।
আকাশঃ কেমন দেখলি আমার মা বাবাকে?(সবার সাথে কথা
বলে রুমে আসার পরে)
অপূর্বঃ দোস্ত সবাই কিন্তু খুব ভালো রে....
আকাশঃ দোস্ত চলতো... আমার সাথে ফ্রেশ হতে যাবি..এমনি
কারেন্টটা চলে গেছে।
অপূর্বঃওকে যা.. আমি আসতেছি...??
আকাশঃ দোস্ত তুই কই(বাহিরে হাটাতে গিয়ে পিছনে
তাকিয়ে)
অপূর্বঃ (বাহিরে বের হতে) দোস্ত আ... বলার আগে কে জেনো মুখ
চেপে নিয়ে গেছে।
।
সিনথীয়াঃ হা করে কি দেখছো?
অপূর্বঃ (মুখ থেকে হাত সরিয়ে)কে আপনি?
সিনথীয়াঃ আমাকে চিনতে পারছো না।আমি তোমার বউ..!!
অপূর্বঃ ব বউ..মা মানে....
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন