😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍
লেখক : মোঃআসাদ রহমান
কোটচাঁদপুর"ঝিনাইদহ
😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😘😘😘😘😘😘😘😘😘😍
-----আজকে আমার কাছে বিশেষ একটা দিন কারন আমার আন্টির মেয়ে হয়ছে।
আমি স্কুলে ছিলাম মামা ফোন দিয়ে তারাতারী যেতে বলল।
খবর টা শুনেই। খুশিতে আত্নহারা হয়ে গেলাম।
তারাতারী করে আন্টি বাড়িতে গেলাম।
আমার আগেই সবাই চলে এসেছে।
সবাই কে মিষ্টি মুখ করানো হচ্ছে।আমি গিয়েই আন্টির মেয়ে কে দেখতে চলে গেলাম।
পিচ্চি দিকে তাকিয়ে তো আমি পু্রাই অভাক
এতো সুন্দর আর cute ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। এক কথায় বলতে গেলে সবাই স্কুলে পড়ুয়া আর কলেজে পড়ুয়া মেয়ের প্রতি crush খায় আর আমি আজকে জন্ম নেওয়া পিচ্চির প্রতি crush খাইছি.....হাহাহাহা
তারপরে সবার সাথে আমি মিষ্টি খাওয়াতে মেতে উঠলাম।
হঠাৎ সবাই বলে উঠল পিচ্চির নাম কি রাখা যায়..??
অনেকে অনেক নাম বলছে পরে আমি বললাম
এই পিচ্চির নাম আমি রাখব।
সবাই বলল ঠিক আছে তুই রাখিস।
চলে আসলাম বাড়িতে যত রকমের নামের বই আছে সব নিয়ে বসে পড়লাম পিচ্চির নাম রাখতে হবে।। পিচ্চি যেমব কিউট নাম টা ও তো কিউট হতে হবে।।
অনেক ভেবে চিন্তে একটা নাম রাখলাম
"ফাবিয়া জাহান বুসরা"
যাক নাম টা কে সবাই অনেক পছন্দ করল।
দেখতে দেখতে পিচ্চি বড় হতে লাগল
আমার ও এসএসসি পরীক্ষা চলে আসল।
আমি এখন পড়া-লেখাতে মন দিলাম।
অনেক দিন যাবৎ আন্টির বাসায় যাওয়া হয় না।
ফাবিয়া কে ও দেখা হয় না ঐদিন আন্টি বলল ফাবিয়া কে স্কুলে ভর্তি করিয়েছি।
আজকে খুব ইচ্ছে করছে ফাবিয়া কে দেখার জন্য তাই চলে আসলাম আন্টির বাসায়।
আসতেই আন্টি বলল ফাবিয়া কে স্কুল থেকে নিয়ে আসো..।
আমি ওর স্কুলের সামনে গিয়ে দেখি স্কুল ছুটি হয় নাই।
ভাবলাম কিছু চকলেট কিনে নেয়।
মেয়েরা তো আবার চকলেট পছন্দ করে খুব।
স্কুল ছুটি হয়ে গেলো দেখলাম ফাবিয়া স্কুল ব্যাগ কাধে করে বেরিয়ে আসতেছে।
কি যে সুন্দর হয়ছে। যে দেখবে তারই মায়া লেগে যাবে। এসেই মিষ্টি করে ভাইয়া বলে ডাক দিল।
পরে আমি ফাবিয়া কে চকলেট গুলো দিলাম
চকলেট গুলো পেয়ে ফাবিয়া আমাকে আমার লক্ষী ভাইয়া বলে কপালে চুমু দিল।
তার পরে রিকশা করে ফাবিয়া কে নিয়ে বাসায় চলে আসলাম।
সবাই বসে দুপুরে খাওয়া-দাওয়া শেষ করলাম।
বিকালে ফাবিয়ার সাথে খেলাধুলা করে বাড়িতে চলে আসলাম।
কয়েকদিন পর আমার ও এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়ে গেলো।
পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেলাম আন্টির বাসায় আর যাওয়া হয় না।
প্রায় ১ মাস পর পরীক্ষা শেষ হল।
তারপরে চলে গেলাম কম্পিউটার কোচিংয়ে যার কারনে আন্টির বাসায় যাওয়া হলে না আর ফাবিয়া কে দেখা হল না।
৩ মাস পর পরীক্ষা ফলাফল দিল।
রেজাল্ট অনেক ভালো হয়ছে।
তার পর মিষ্টি নিয়ে আন্টির বাসায় গেলাম
অনেক দিন পর আসলাম প্রায় ৫ মাস পর
ফাবিয়া কপ দেখতে পেলাম না আন্টি কে জিজ্ঞেস করলাম ফাবিয়া কোথায় বলল খেলতে চলে গেছে অনেক বড় হয়ে গেছে মনে হয়।
একটু পরই আসল।সত্যই অনেক বড় হয়ে গেছে।
কিছুক্ষন ওর সাথে দুষ্টামি করে বাড়িতে চলে আসলাম।
তারপরে চলে গেলাম ঢাকাতে কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য।
ঢাকা থেকে লেখা-পড়া করি।মাঝে মধ্যে বাড়িতে গেলো ও আন্টির বাসায় যাওয়া হয় না।
ফোনে কথা হয় পিচ্চি এখন অনেক শয়তান হয়ছে ফোনটা দিলেই যা শয়তানি করে।
এভাবেই কয়েক বছর কেটে গেলো।
আমি এখন কলেজ লাইফ শেষ করে ভার্সিটিতে আর ফাবিয়া নাকি।
ক্লাস ১০ এ পড়ে সামনে এসএসি পরীক্ষা।অনেক বড় হয়ে গেছে দেখতে এখন অনেক সুন্দর হয়ছে।
ওর সাথে মাঝে মধ্যে ফোনে কথা হয়।
কি যে মিষ্টি কন্ঠ শুনলে ইচ্ছে করে সারাদিন কথা বলি।
এভাবে কেটে গেলো ২ বছর আমি এখন চাকরী করি আর ফাবিয়া ইন্টারে।
এসএসসি তে প্লাস পাইছে।
আজ আমার কাছে বিশেষদিন কেন জানেন
কারন যে মেয়ের প্রতি সেই পিচ্চি বেলা crush খেয়েছিলাম তার সাথে আজ আমার বিয়ে ঠিক করা হয়ছে
#সমাপ্ত
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন