বাস্তব কাহিনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বাস্তব কাহিনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২০

খুব বেশি মনে পড়ে তোমাকে ২০২০

জানুয়ারি ১৪, ২০২০ 0
S...খুব বেশি মনে পড়ে তোমাকে আমাকে কী তোমার মনে পড়ে? না না, আমাকে তো তোমার মনে পড়ার কোনো প্রশ্নই আসে না, তুমি তো আর এখন এই পৃথিবীর বুকে নেই। আমি পাগল না হলে কী আর তোমাকে এমন কথা বলতে পারি? কিন্তু তোমাকে আমার ঠিকই মনে পড়ে। প্রতিদিন, প্রতিক্ষণে তোমাকে আমার মনে পড়ে। মনে পড়বেই না কেন? তোমার-আমার সেই দিনের পুরনো কথাগুলো যে আমাকে বারবার হাতছানি দিয়ে ডাকে। প্রথম যেদিন তুমি আমাকে বন্ধুত্বের আহ্বান করলে সেদিন আমি কিন্তু তোমাকে পাত্তাই দেইনি। আমি একজন ছেলে হয়ে তোমার প্রথম বন্ধুত্বের আহ্বান ফিরিয়ে দিয়েছি, তবুও তুমি পর পর কয়েক দিন চেষ্টা করার পর আমি তোমার সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছি। আমি কী কোনো মহানায়ক ছিলাম যে, তোমার মতো এমন একজন সুন্দরী মেয়ে আমাকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে আহ্বান করার পরেও প্রথমে সাড়া দেয়নি। না, আমি মোটেও কোনো মহানায়ক বা সাধারণ, অসাধারণ কোনো নায়ক ছিলাম না। আমি ছিলাম সরল-সহজ একজন সাধারণ ছেলে, এখনো তাই আছি। তবে কেন তোমার মতো একটা মেয়ের সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব করতে আপত্তি ছিল? আসলে তোমার আগে আমার আরো কয়েকজনের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়েছিল। তারা আমার সঙ্গে প্রথমে বন্ধুত্বের ভালো ব্যবহার দেখিয়ে সরল মনে দাগ দিয়েছে। আমি তাদের মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতাম। আমি জানতাম যে, জীবনে চলার জন্য মানুষের বন্ধুত্বের প্রয়োজন আছে, এও জানি যে বন্ধু ছাড়া মানুষ একা চলতে পারে না। তাই তো আমি তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিলাম। কিন্তু তারা কি করল জানো? আমার সঙ্গে বন্ধুত্ব করে প্রতারণা করলো, আস্তে আস্তে কুড়ে কুড়ে আমাকে যেন শেষ করে দিচ্ছিল। কিভাবে কি করল তারা আমার সঙ্গে সে বর্ণনা নাইবা দিলাম। সে কথাগুলো বলতে গেলে কষ্ট আমার বাড়তে থাকবে। তারা আমার সঙ্গে বন্ধুত্বের নামে প্রতারণা করে চলে যাওয়ার পর আমি সিদ্ধান্ত নেই যে, আর জীবনে কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করব না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তুমি এসে আমাকে যেন চুম্বকের মতো টেনে নিলে। প্রথমে তো পাত্তা দিইনি। কিন্তু একের পর এক যখন তুমি আমার পিছু লেগে থাকতে শুরু করলে তখন আমার মনটাকে একটু নরম করলাম। দেখে না শেষবারের মতো তোমার সঙ্গে বন্ধুত্বটা করে। তাই তো হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলাম বন্ধুত্বে। হ্যাঁ, তুমি আমার শেষ বন্ধু হলেও খুব ভালো একজন বন্ধু ছিলে। তোমার সব কথা আমার সঙ্গে শেয়ার করতে। আমি আস্তে আস্তে তোমার সঙ্গে আমার দুঃখ, কষ্ট, বেদনার কথাগুলো শেয়ার করতাম। তোমার সঙ্গে মিশে বুঝতে পারলাম যে, আমার চেয়ে তোমার মনে অনেক কষ্ট। তোমার মা নেই, তোমাকে আট বছর বয়সে রেখে তোমার মা মারা যায়। তোমার বাবা আবার দ্বিতীয় বিয়ে করে। তোমার সৎ মা তোমাকে ভালোবাসতো না। অনেক কষ্ট দিত। তোমাকে দিয়ে কাজের বুয়ার চেয়েও বেশি কাজ করাত। এছাড়াও আরো নানানভাবে তোমাকে কষ্ট দিত। তাছাড়া তুমি একটা ছেলেকে ভালোবেসেছিলে তাও আমার সঙ্গে শেয়ার করেছো। ছেলেটি তোমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তোমাকে ঠকিয়েছে। ভালোবাসার অভিনয় করে তোমার দুচোখে শুধু স্বপ্ন এঁকে দিয়ে অন্যকে নিয়ে ঘর করছে। তোমার মতো আমার বেলাতেও হয়েছে। তোমার সঙ্গে পরিচয় হওয়ার আগে আমাকেও দুয়েকজনে ভালোবাসি বলে স্বপ্ন দেখিয়ে চলে গেছে। তবে আমার চেয়ে তোমার কষ্টগুলো অনেক বড় মনে হয়। যখন তোমার কষ্টের কথাগুলো শুনতাম তখন আমি আস্তে আস্তে তোমার প্রতি দুর্বল হয়ে যেতে থাকি। তোমার কষ্টে আমি কষ্ট পেতে থাকি। তোমার কষ্টের ভাগিদার হতে চাই। কিন্তু তা আর হতে পারলাম না। একদিন সকালে শুনতে পেলাম যে, তুমি নাকি ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলাতে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছো। প্রথমে তো আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি যে, তুমি আত্মহত্যা করেছো। আমি দেখতে গিয়েছিলাম তোমার লাশ। তোমার মরা মুখ দেখে আমি বলেছিলাম যে, তুমি মরনি, ঘুমিয়ে আছ। আমার কথা শোনে অনেকে পাগল বলেছে আমাকে। আমার কাছে মনে হয়েছিল যে, তুমি সত্যি সত্যি ঘুমিয়েছিলে। তখন সবার সামনে একটুও কাঁদিনি। কিন্তু বাসায় আসার পর আমি গোপনে অনেক কেঁদেছি। এখনো তোমার জন্য আমার দুচোখে জল ঝরে। তোমার কবরে যখন আমি মাটি ছুঁই তখন আমার বুকের ভেতরটা যেন দাউ দাউ করে জ্বলে। এতটা কষ্ট এখনো আমি তোমার জন্য পাই। যদি বেঁচে থাকতে তাহলে তোমাকে ছাড়া আমার জীবন সাথী আর কাউকে করতাম না। আজো তোমাকে ভেবে দুচোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে। তোমাকে অনেক, অনেক মনে পড়ে। খুব মিস করি তোমায়। আমাকে কী তোমার মনে পড়ে? না না, আমাকে তো তোমার মনে পড়ার কোনো প্রশ্নই আসে না, তুমি তো আর এখন এই পৃথিবীর বুকে নেই। আমি পাগল না হলে কী আর তোমাকে এমন কথা বলতে পারি? কিন্তু তোমাকে আমার ঠিকই মনে পড়ে। প্রতিদিন, প্রতিক্ষণে তোমাকে আমার মনে পড়ে। মনে পড়বেই না কেন? তোমার-আমার সেই দিনের পুরনো কথাগুলো যে আমাকে বারবার হাতছানি দিয়ে ডাকে। প্রথম যেদিন তুমি আমাকে বন্ধুত্বের আহ্বান করলে সেদিন আমি কিন্তু তোমাকে পাত্তাই দেইনি। আমি একজন ছেলে হয়ে তোমার প্রথম বন্ধুত্বের আহ্বান ফিরিয়ে দিয়েছি, তবুও তুমি পর পর কয়েক দিন চেষ্টা করার পর আমি তোমার সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছি। আমি কী কোনো মহানায়ক ছিলাম যে, তোমার মতো এমন একজন সুন্দরী মেয়ে আমাকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে আহ্বান করার পরেও প্রথমে সাড়া দেয়নি। না, আমি মোটেও কোনো মহানায়ক বা সাধারণ, অসাধারণ কোনো নায়ক ছিলাম না। আমি ছিলাম সরল-সহজ একজন সাধারণ ছেলে, এখনো তাই আছি। তবে কেন তোমার মতো একটা মেয়ের সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব করতে আপত্তি ছিল? আসলে তোমার আগে আমার আরো কয়েকজনের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়েছিল। তারা আমার সঙ্গে প্রথমে বন্ধুত্বের ভালো ব্যবহার দেখিয়ে সরল মনে দাগ দিয়েছে। আমি তাদের মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতাম। আমি জানতাম যে, জীবনে চলার জন্য মানুষের বন্ধুত্বের প্রয়োজন আছে, এও জানি যে বন্ধু ছাড়া মানুষ একা চলতে পারে না। তাই তো আমি তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিলাম। কিন্তু তারা কি করল জানো? আমার সঙ্গে বন্ধুত্ব করে প্রতারণা করলো, আস্তে আস্তে কুড়ে কুড়ে আমাকে যেন শেষ করে দিচ্ছিল। কিভাবে কি করল তারা আমার সঙ্গে সে বর্ণনা নাইবা দিলাম। সে কথাগুলো বলতে গেলে কষ্ট আমার বাড়তে থাকবে। তারা আমার সঙ্গে বন্ধুত্বের নামে প্রতারণা করে চলে যাওয়ার পর আমি সিদ্ধান্ত নেই যে, আর জীবনে কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করব না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তুমি এসে আমাকে যেন চুম্বকের মতো টেনে নিলে। প্রথমে তো পাত্তা দিইনি। কিন্তু একের পর এক যখন তুমি আমার পিছু লেগে থাকতে শুরু করলে তখন আমার মনটাকে একটু নরম করলাম। দেখে না শেষবারের মতো তোমার সঙ্গে বন্ধুত্বটা করে। তাই তো হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলাম বন্ধুত্বে। হ্যাঁ, তুমি আমার শেষ বন্ধু হলেও খুব ভালো একজন বন্ধু ছিলে। তোমার সব কথা আমার সঙ্গে শেয়ার করতে। আমি আস্তে আস্তে তোমার সঙ্গে আমার দুঃখ, কষ্ট, বেদনার কথাগুলো শেয়ার করতাম। তোমার সঙ্গে মিশে বুঝতে পারলাম যে, আমার চেয়ে তোমার মনে অনেক কষ্ট। তোমার মা নেই, তোমাকে আট বছর বয়সে রেখে তোমার মা মারা যায়। তোমার বাবা আবার দ্বিতীয় বিয়ে করে। তোমার সৎ মা তোমাকে ভালোবাসতো না। অনেক কষ্ট দিত। তোমাকে দিয়ে কাজের বুয়ার চেয়েও বেশি কাজ করাত। এছাড়াও আরো নানানভাবে তোমাকে কষ্ট দিত। তাছাড়া তুমি একটা ছেলেকে ভালোবেসেছিলে তাও আমার সঙ্গে শেয়ার করেছো। ছেলেটি তোমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তোমাকে ঠকিয়েছে। ভালোবাসার অভিনয় করে তোমার দুচোখে শুধু স্বপ্ন এঁকে দিয়ে অন্যকে নিয়ে ঘর করছে। তোমার মতো আমার বেলাতেও হয়েছে। তোমার সঙ্গে পরিচয় হওয়ার আগে আমাকেও দুয়েকজনে ভালোবাসি বলে স্বপ্ন দেখিয়ে চলে গেছে। তবে আমার চেয়ে তোমার কষ্টগুলো অনেক বড় মনে হয়। যখন তোমার কষ্টের কথাগুলো শুনতাম তখন আমি আস্তে আস্তে তোমার প্রতি দুর্বল হয়ে যেতে থাকি। তোমার কষ্টে আমি কষ্ট পেতে থাকি। তোমার কষ্টের ভাগিদার হতে চাই। কিন্তু তা আর হতে পারলাম না। একদিন সকালে শুনতে পেলাম যে, তুমি নাকি ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলাতে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছো। প্রথমে তো আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি যে, তুমি আত্মহত্যা করেছো। আমি দেখতে গিয়েছিলাম তোমার লাশ। তোমার মরা মুখ দেখে আমি বলেছিলাম যে, তুমি মরনি, ঘুমিয়ে আছ। আমার কথা শোনে অনেকে পাগল বলেছে আমাকে। আমার কাছে মনে হয়েছিল যে, তুমি সত্যি সত্যি ঘুমিয়েছিলে। তখন সবার সামনে একটুও কাঁদিনি। কিন্তু বাসায় আসার পর আমি গোপনে অনেক কেঁদেছি। এখনো তোমার জন্য আমার দুচোখে জল ঝরে। তোমার কবরে যখন আমি মাটি ছুঁই তখন আমার বুকের ভেতরটা যেন দাউ দাউ করে জ্বলে। এতটা কষ্ট এখনো আমি তোমার জন্য পাই। যদি বেঁচে থাকতে তাহলে তোমাকে ছাড়া আমার জীবন সাথী আর কাউকে করতাম না। আজো তোমাকে ভেবে দুচোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে। তোমাকে অনেক, অনেক মনে পড়ে। খুব মিস করি তোমায়। মোঃআসাদ রহমান কোটচাঁদপু, ঝিনাইদহ

শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৯

||পার্সেল ||md asad Rahman||

নভেম্বর ০৯, ২০১৯ 0
||পার্সেল ||md asad Rahman||
জীবন থেকে নেয়া . সকাল সকাল কলিংবেলের শব্দে ঘুম ভাংলো। দরজা খুলে দেখি কেউ নেই। আসে পাশে তাকালাম। কারো দুষ্টুমি ভেবে যেইনা দরজাটা লাগাতে যাবো, চোখ পড়লো নিচের দিকে। তাকিয়ে দেখলাম বেশ মাঝারি আকারের একটা বক্স। খুব সুন্দর করে বাধাই করা। হাতে নিলাম, লেখা ছিল 'শুধু তোমার জন্য তামান্না '। চোখ কপালে উঠলো। কারন এই শহরে কেউ আমায় এই নামে জানেনা। আর আমাকে পার্সেল করে কিছু পাঠানোর বিশেষ কারো কথা আমার মাথায় আসছেনা। আমার বিয়ে হল আজ ১ বছর। আমার স্বামি এতই হিসাবি একটা মানুষ যে বাসর ঘরেও আমাকে ১ টাকার একটা চকলেট উপহার করেনি। তারপর আজ অব্দির কথা নাহয় বাদই দিলাম। তাই আমার স্বামি আমাকে কিছু পাঠাবে, তাও আবার পার্সেল করে যখন সে কাজের সূত্রে শহরের বাইরে আছে তা হতেই পারেনা ! তাই সেই চিন্তা মাথা থেকে বাদ দিতে বেশি সময় অপচয় করিনি। খানিকটা দ্বীধা নিয়েই বক্সটা নিয়ে দরজা আটকালাম। আমার ঘুম পুরো হয়নি, তাই আবার ঘুমাতে চলে গেলাম। বক্সের প্রতি কোন কৌতুহলই আমার ছিলনা। কারন বরাবরই আমি এমন স্বভাবের । কোন কিছুর প্রতি অতিরিক্ত কৌতুহল আমার কাজ করেনা । অতঃপর ২ ঘন্টা পর ঘুম ভাংলো। ফ্রেস হয়ে, নাস্তা খেয়ে যখন দুপুরের মেনু নিয়ে ভাবতে যাবো তখন বক্সের কথা মনে পড়লো। বক্সটি না খোলে জানা যাবেনা ঠিক এর ভেতর কি বা কে এটা পাঠালো তাই রেপিং পেপার গুলো খোলতে লাগলাম। . প্রথমেই দেখলাম খুব সুন্দর করে রেপিং করা আরেকটা সরু ডাইরি বা কোন বই টাইপের মত মনে হল কিছু আছে। রেপিং খুললাম, বেড়িয়ে এলো একটা বেশ বড় আকারের ডাইরি। ডাইরির গায়ে লেখা "তামান্নার ডাইরি, 'মহোদয়ার অনুমতি ছাড়া স্পর্শ করা নিষেধ ” লেখাটা দেখে মুখে হাসি চলে আসলো। পুরো ডাইরি উলটে ১ম পৃষ্টায় লেখা ছাড়া আর কিছুই লেখা পাইনি। . ১ম পৃষ্টায় সুন্দর করে ছোট করে দুলাইনের একটি ছন্দ লেখা " তামান্না, চোখ যেন তোমার মায়ার বাঁধন স্নেহের জলে ঢাকা, আমার দেহের প্রতিটি অংগে তোমার ছবিই আঁকা " বাহ! বেশতো! আমার দুচোখের আজ পর্যন্ত অনেক প্রশংসা শুনেছি, কিন্তু আজকের মত এমন প্রশংসা জীবনেও শুনিনি। . ডাইরি পাশে রেখে আরো একটা ডাইরি পেলাম। তবে এটা বেশ মোটা। স্টিলের রিং এর মত গোল গোল চাকার মত কাঠামো দিয়ে বাধাই করা। এই ডাইরি ক্রমান্বয়ে খুলতে লাগলাম, যতই খুলতে লাগলাম অবাক হলাম। যেমন . ১ম পাতায় এক পাশে লেখা ছিল "আজ তোমায় প্রথম দেখলাম। আচ্ছা তুমি কি জানো! কাজল কালো চোখে তোমায় লাগে বেশ? " সাথে ২২ টা কাজল। আচ্ছা ২২টা কাজল কেন! আমার বয়স ২২ বলে! সে কিকরে জানলো আমার বয়স কত! এমন অনেক প্রশ্ন মাথায় ভর করলো। একি! আমিতো কৌতুহলি নই! তবে এখন কেন কৌতুহলি হয়ে যাচ্ছি! ধ্যাত, আমি বরং চুপচাপ দেখতে থাকি আরও কি কি আছে ডাইরিতে। . ২য় পৃষ্টায় "আচ্ছা, তুমি টিপ কেন পড়না৷! তুমি কি জানো একটা ক্ষুদ্র টিপ তোমার সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে দিবে? " সাথে কালো লাল নীল হরেক রকম টিপের একটি বক্স . ৩য় পাতায় "অবশ্য তোমার গোলাপি ঠোঁট কোন লিপ্সটিক ছাড়াই মাশাল্লাহ । তবু তুমিকি জানো! এই লিপ্সটিকগুলি রঙধনুর রঙের মত তোমার সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে দিবে? " সাথে ১০টি হরেক রকম লিপ্সটিক। . ৪র্থ পাতায় "আচ্ছা তোমার হিজাবে এত পিন দাও,এগুলো শেষ হয়না! তাই তোমার জন্য " সাথে হিজাব বাঁধার পিনের জন্য ১০ টি বক্স। . ৫ম পাতায় " আজ তোমাকে সবার আরালে মুখ লুকিয়ে কাঁদতে দেখলাম। সামনে গিয়ে চোখের পানি মুছে দিতে পারিনি। তাই তোমার জন্য " সাথে ৫ টি রোমাল। . ৬ষ্ঠ পাতায় " আজ তোমার হাতে চুড়ি পড়তে দেখলাম, আমি চাই তুমি প্রতিদিন পড়ো " সাথে ৫ ডজন অনেক রকম চুড়ি। প্রত্যেক রঙের ৪টি করে চুড়ি। . ৭ম পাতায় "তোমাকে কখনো হিজাব ছাড়া দেখিনি। বাসায় নিশ্চয়ই হিজাবে থাকোনা ! তখন পড়িও "সাথে ছোট দুটো কানের দুল, একটি চেইন। . ৮ম পাতায় " শুনেছি তুমি গান খুব পছন্দ কর! অবশ্য প্রায় সবাই করে। তাই তোমার জন্য। " সাথে একটি ৩২ জিবি মেমোরি কার্ড আর একটি ব্লুথুড৷ . ৯ম পাতায় " ঘুরতে গিয়েছিলাম কক্সবাজার, তোমার জন্য কি আনবো ভেবে এইটা নিলাম " সাথে খুব সুন্দর একটি মুক্তার মালা৷ . ১০ম পাতায় " অনেক লিখতে গিয়ে যখন কালি ফুরিয়ে যাবে, তাই তোমার জন্য প্রিয়া " সাথে ২২ টি হরেক রকম কলম। . ১১ তম পাতায় লেখা " শুনেছি আমার অপ্সরীর কেশবতীর চাইতেও লম্বা ঘন কালো কেশ। যখন কেশ গুলি বেখেয়ালি হয়ে যাবে তখন সেগুলোকে পোষ মানাতে কেশবতীর জন্য " সাথে খোপা করার ১২ টি কাঠি । . ১২তম পাতায় লেখা "ভেবেছিলাম তোমায় এইটা দিয়ে প্রপোস করবো। আমার কাছে থাকার চেয়ে তোমার কাছেই থাকুক " একটি শুকনো গোলাপ আর একটি স্বর্নের রিং। ডাইরি শেষ। . কিন্তু বক্সে আরও অনেক কিছুই বাকি মনে হচ্ছে। একে একে খোলতে লাগলাম। . প্রথমে দুটো শাড়ি। একটি লাল, আরেকটি নীল। শাড়িতে পিন দিয়ে আটকানো একটা কাগজে লেখা " শুনেছি তোমার পছন্দ লাল, আর আমার নীল। তাই ২টিই দিলাম। কখনো যদি মনে হয় পড়িও। আশা করে ঐ পরিটিকে আরও অপ্সরী লাগবে " . এরপর পেলাম একটি চাদর, কাগজে লেখা" শীত অনুভব হলে গায়ে জড়িয়ে নিও কোন কুয়াশাচ্ছন্ন দিনে। ভেবে নিবো আমিও আছি তোমার পাশে। " . তারপর পেলাম ১০ টি ভিন্ন রঙের হিজাব উড়না। কাগজে লেখা " হিজাবে বারবার দেখেও বিরক্ত হয়নি জানো! বারবার তোমার প্রেমে পড়েছি " . তারপর পেলাম একটি পানির বোতল। কাগজে লেখা "যতবারই দেখেছি তোমায়, সবসময় তোমার সাথে একটি পানির বোতল দেখেছি। পানি খাওয়া স্বাস্থের জন্য ভালো। তাই তোমার জন্য "। . এরপর পেলাম একটি ভ্রমণ করার জন্য গাইড বই। কাগজে লেখা "আচ্ছা! তোমার নাকি খুব ঘুরতে যাবার সখ? অজানা জায়গায় যেতে খুব বেশি পছন্দ করো? যদি কখনো কোথাও হারিয়ে যাও গন্তব্য খোঁজে নিও। " . তারপর পেলাম একটা ছোট পার্শ ব্যাগ। যেটার গায়ে লেখা " যদি হারিয়ে যাও ফিরে আসতেতো টাকার প্রয়োজন। তাই সংগে রেখো। ও হ্যা, টাকা রাখতে ভুলনা যেন " . বক্সের ভেতর সব দেখা শেষ। . আর কিছুই নেই একটা বেবি ফ্রগ আর একটা কাগজ ছাড়া। কাগজে যা লেখা ছিল তা দেখার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। . কাগজটাতে লেখা ছিল " সবতো তোমাকেই দিলাম। এখন নাহয় আরেকজন বিশেষ কাউকে দেই! গত পরশু তুমি হঠ্যাৎ মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলে। হসপিটালে একদিন কত ঝামেলাইনা পোহাতে হল। একটা বারও রিপোর্ট দেখোনি । তুমি বোকা প্রেশার কমে গেছে কথাটা বিশ্বাস করে নিলে। রিপোর্টে কি লেখা ছিল জানো! তুমি মা হতে চলেছো আমার ভালবাসা। তাই এই ফ্রকটা আমাদের ভালবাসার ফসলের জন্য। আর কত বাইরে দাড়িয়ে রাখবে! নিশ্চয়ই আবার ঘুমিয়ে গিয়েছিলে ঘুম কাতুরে বাবুটা? দরজা খুলে দাও, আমার বাচ্চার মাকে একটু প্রানভরে দেখি। ঠিক যেমন বিয়ের আগে দূর থেকে দেখতাম। ইতি তোমার কিপটা স্বামি

শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৯

ছোট সাহেব

অক্টোবর ১১, ২০১৯ 0
গল্পঃছোট সাহেব [পর্বঃ ০১] শরীরে হাত দিচ্ছেন কেন? __ -ম্যাডাম.! আমি আর আপনাদের বাসায় কাজ করতে চাইনা। আপনি এই মাসের বেতন দিয়ে দিলে খুশি হতাম... (কাজের বুয়া) -কেন? আমি তো তোমাকে অন্য সব কাজের বুয়ার থেকে তোমাকেই বেশি বেতন দিতাম? (মা) . -না, ম্যাডাম! আমি আর কাজ করতে চাইনা।ভয় করে এই বাসায় কাজ করতে।আমার কিছু হলে মার কি হবে।সে এখনো অসুস্থ..(কাজের বুয়া) . -তুমি অনেক ভালো কাজ করতে পারো।সেজন্যই বলছি থাকতে।কোনো কারণ ছাড়াই কেন চলে যাবা? (মা) . -ছোট সাহেব আজ আমার কোমরে হাত রেখে পিছনে জোরিয়ে ধরেছিলো।সাহেবের নজর প্রথম থেকেই সুবিধার লাগছিলো না...(কাজের বুয়া) . -মজা করো না প্লিজ! আমার ছেলে সোহান একটু দুষ্টু বটে কিন্তু মোটেও এমন অসভ্য না।সোহান অনেক ভালো।সবাইকে শ্রদ্ধা করে...(মা) . -(দু'হাত খপকরে ধরে) বিশ্বাস করেন.! আমি মিথ্যা বলছিনা! প্রথম দিন আপনাদের বাসায় কাজের জন্য এসেছিলাম মনে পরে? (কাজের বুয়া) . -হ্যাঁ মনে আছে, কেন? (মা) . -আমার নোংরা কাপড় দেখে প্রথমেই কাজের জন্য মানা করে দ্যান..(কাজের বুয়া) . -তারপর তো আমার ছেলে কাজে নিতে বলল।তাই তো কাজে রেখে দিলাম।তখন তো খুশিই হয়েছিলে..(মা) . -ছোট সাহেব প্রথম দিনেই আমার বুকের দিকে চোখ দেয়।সেটা প্রথম থেকেই বুঝতে পারছি তার দিন দিন লোভ বারছে..(কাজের বুয়া) . -পুরুষ মানুষ লোভ দেখালে তো লোভ লাগবেই। শাড়ীর আঁচল ঠিক রাখতে পারো না..? (মা) . -আজব তো! নিজের ছেলের ভুল না ধরে, আমার ভুল ধরছেন।আর হ্যাঁ আঁচলটা ঠিকি ছিলো।তবুও আমি নড়েচড়ে ঠিক ভাবে দাড়িয়ে, গলা ঝারিয়ে কেঁশে আঁচল ঠিক করি।ছোট সাহেবের চোখ যেন সরছিলোই না ঢ্যাবঢ্যাব করে তাকিয়ে ছিলো, লুচ্চাদের মতো..(কাজের বুয়া) . --কিইইই্??? সম্পূর্ণ ঘটনা পরিষ্কার ভাবে বুঝিয়ে বলো? আজ সকালে কি হয়েছে.. (মাধবীলতা) . -সকাল ১০টায় আপনি অফিসের কাজে চলে যান।তখন আমি দরজা হালকা চেপে দিয়ে একটু ঝুঁকে ঝাড়ু দিচ্ছিলাম আমার মনে ছিলো না শাড়ীর আঁচল পরে গেছে ,তখনি পিছন থেকে কেউ জোরিয়ে ধরে কোমরটা।তাকিয়ে দেখি ছোট সাহেব লজ্জায় মাথা নিচু করে বলি "ছোট সাহেব আপনি?" (কাজের বুয়া) . ছোট সাহেব তখন বলে... -কেমন লাগছে তোর? মাধবীলতা? . -শরীরে হাত দিচ্ছেন কেন? ছোট সাহেব? (কাজের বুয়া) . -মাধবী, তোকে আমি বিয়ে করে আমার বউ বানাবো।একটু আদর করতে দেনা প্লিজ।আমি তোকে অনেক ভালোবাসবো.. . -না, না আমার দরকার নেই এমন ভালোবাসার।কিছুদিন পর ঠিকি আমাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেবেন, নয়তো বা মান-সম্মানের ভয়ে গলা টিপে মেরে ফেলবেন? (কাজের বুয়া) . -ওহহ্ মাধবী, আরো কাছে আসো।আই লাভ ইউ মাধবী! আই লাভ ইউ মাধবী! (ঘাড়ে গলায় একের পর এক চুমু দিয়ে) . -ছাড়েন, ভয় করছে যদি কেউ দেখে ফেলে.! তখন কাজ থেকে বের করে দিবে।আপনার কিছুই হবেনা, যত দোষ আমার উপর দিয়ে যাবে... (কাজের বুয়া) . -কোনো দোষ হবেনা।দরজা ভেতর থেকে লাগিয়ে দিয়েছি।কেউ দেখবে না, এখন শুধু তুই আর আমি ছাড়া পুরো বাসাটা ফাঁকা..(হেসে হেসে বলছে) . হাত দুমরে মুচরে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে কাজের মেয়ে।পিঠের উপর উপচে পরে থাকা চুল গুলো। হাত দিয়ে সরিয়ে দিয়ে পিঠে চুমু দিলো। গালে গাল ঘেষে বলে... . -তোর মাইনে বেরে দিব,আম্মুকে বলে।শুধু আমাকে একটু সময় দে।আমি তোকে অনেক ভালোবাসিরে মাধবী.. . -ছিঃ ছিঃ ছোট সাহেব আপনাকে তো ভদ্র ভাবতাম। কিন্তু আপনি..?কাজের মেয়ের সাথে কোনো বড়লোক দের প্রেম ভালো হয়না, ছাড়েন বলছি... (কাজের বুয়া) . -তোকে দেখলে কি ভদ্র থাকতে ইচ্ছা করে..! ইচ্ছা করে তোর ঠোঁট দুটো কামরে-চুষে খেয়ে ফেলি।আহহ্ গোলাপী ঠোঁট দেখেই লোভ ধরে যাচ্ছে।। . -ছোট সাহেব দয়া করে এই গরিবের মেয়ের এমন ক্ষতি করবেন না।আপনার দুটি পায়ে পরি।ছাড়ুন আমায়..? (কাজের বুয়া) . -যদি না ছাড়ি তাহলে কি করবি করেনে।আমি তোকে আর আজ ছাড়ছিনা (এক গাল হেসে) . থতমতো হয়ে তোঁতলাতে তোঁতলাতে বলে... -আ-আমি চিৎকার করে আশে-পাশের সব প্রতিবেশীদের জরো করবো, বলে দিলাম.. (কাজের বুয়া) . -তোর চিৎকার কেউ শুনতে পাবেনা।পারলে নিজের গলা ফাঁটিয়ে চিৎকার কর তবুও তোকে ছাড়ছিনা..! . তারপর ছেলে আমার দুটো হাত শত্ত করে চেপে ধরে।পুরুষ মানুষের শক্তির কাছে নারীর শক্তি হেরে যায়। আমাকে দেওয়ালের সাথে সেটে ধরে।দু'হাতে চেপে ধরে দেওয়ালে আমি অনেক ছুটার চেষ্টা করি কিন্তু পারিনি। । ঠোঁট লাগিয়ে দিয়ে ছিঃ ছিঃ বলতেও লজ্জা করছে আমার।ভাগ্যিস প্রতিবেশীদের বাড়ি থেকে একটা মেয়ে "চিনি" নিতে এসেছিলো, তাই হয়তো বেঁচে গেছি? । মুখের উপর শক্ত হাতে চেপে ধরে আপনার ছেলে বলেছিলো "ভুলেও এসব কথা প্রতিবেশীর কাছে বললে তোর ব্যবস্থা আমি নিবো, মাইন্ড-ইট" শার্টের বোতাম ঠিক করতে করতে চলে গেলো ছোট সাহেব। আমি চোখের জল মুছে দরজা খুলে দিলাম। ' কাজের বুয়ার মুখ থেকে এমন একটা কথা শুনে, মা প্রথমে বিশ্বাস করছিলো না।যে ছেলেটা ভূতের গল্প পড়ে ভয় পেয়ে প্যান্ট নষ্ট করে দেয়.! । সে-কিনা একটা বস্তির অপরিষ্কার, নোংরা কাপড়-চপড় পরা মেয়ের উপর লোলুভ দৃষ্টিতে তাকাবে? বিশ্বাস হয়না! । -ম্যাডাম চুপ করে আছেন কেন?আমার বেতনটা দিয়ে দ্যান।ছোট সাহেব যদি কিছু করে বসে... (কাজের বুয়া) (ভয় ভয় কণ্ঠে বলে) . -সোহান এমন হতেই পারেনা।এসব নিয়ে দ্বিতীয় বার কথা উঠলে জেলার ভাত খাইয়ে ছাড়াবো তোকে! মনে থাকে যেন....(মাধবীলতা) . -কিন্তু..! (কাজের বুয়া) . কথার মাঝ খানেই থামিয়ে দিয়ে বলে... -আর একটা কথাও শুনতে চাইনা।কাল থেকে নিয়মিত কাজে আসবি...(মাধবীলতা) . মাথা ঝাঁকিয়ে হ্যাঁ জবাব দেয়। গ্রামের মেয়ে এখানে এক বস্তিতে থাকে তার অসুস্থ মাকে নিয়ে।বাবা শখ করে নাম রেখেছিলে "মাধবীলতা"। । জন্মের ঠিক ৬ মাস পরেই যক্ষ্মা-রোগে মারা যায় তার বাবা।১২ বছর বয়সে মা অসুস্থ হয়ে বিছানায় পরে আছে।পেট বাঁচানোর দায়ে অন্যর বাড়িতে কাজ করা শুরু করে। ° এখন মাধবীলতার বয়স সাড়ে ১৬, পুলিশ তো বড় লোকদের হাতে চলে।আমাদের মতো নিম্ন ব্যক্তিদের কি সাহায্যর জন্য এগে আসবে? মন হয়না আসবে? এসব ভাবতে ভাবতে আবারও রুম পরিষ্কার করায় ব্যস্ত হয়ে গেলো।সন্ধ্যা হলেই যেন লম্বা একটা নিঃশ্বাস ছেড়ে বলে "আজকের মতো বাঁচে গেলাম" . মাধবীলতার মনের ভেতরের ভয়টা কুঁরে-কুঁরে খাচ্ছে তাকে।আজ না হয় প্রতিবেশীর জন্য বেঁচে গেলাম কাল কি করব? কাল যদি আবারও ছোট সাহেব খারাপ কিছু আবদার করে তখন? এসব ভাবতে ভাবতেই মাধবীলতা বুক ফাঁটা কান্না ভেঙ্গে পরে। পরদিন সকালে উঠে নিজের মাকে খাইয়ে দিয়ে মাধবীলতা কাজে উদ্দেশে বের হয়।দরজায় কলিংবেল চাপলো মাধবীলতা।দরজা খুলে বলল... । -ওহ তুই এসেছি তাহলে? আজ এত দেড়ি করার কারণটা কি?? (মা) . -ম্যাডাম, মাকে খাইয়ে দাইয়ে দিতেই একটু বেশি দেড়ি হয়ে গেছে।কাল থেকে আর দেড়ি হবেনা (মাধবীলতা) হেসে হেসে কথা গুলো বলে.. । -আচ্ছা ঠিক আছে,কাপড় গুলো ময়লা হয়ে গেছে একটু ভালো করে ধুয়ে দিস, আমি অফিসে চলে যাচ্ছি!" (মা) . -জ্বী আচ্ছা ম্যাডাম।আপনে কোনো চিন্তা কইরেন না।আমি সব কাজ করে দেবো (মাধবীলতা) মাধবীলতা সবার ম্যাডামের রুম পরিষ্কার করে ছোট সাহেবের রুমে ঢুকলো।রুমে ঢুকেই লজ্জায় মুখ লাল হয়ে যায় মনে মনে বলল "ছোট সাহেব কত নোংরা পড়ার টেবিলেও মেয়েদের ম্যাগাজিন!" কাল সেই ঘটনার কথা মনে পরে আত্মা কেঁপে উঠে।পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন -চলবে????

শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

গল্পটা শুরু হয় প্রায় ৯ বছর আগে

সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯ 0
গল্পটা শুরু হয় প্রায় ৯ বছর আগে
গল্পটা শুরু হয় প্রায় ৯ বছর আগে। আমার ১৩ তম জন্মদিনে হঠাৎই একটা পার্সেল আসে অজ্ঞাত নামে। আজও আমি জানতে পারিনি কে সে প্রেরক। সেই অজ্ঞাত ব্যক্তি কবে আমার সামনে আসবে সেটা নিয়ে আমি আজও সন্দিহান। আমি বিভা। কিছুক্ষণ আগেই আমার নামের পাশে বিবাহিত তকমাটা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাস্টার্স এ ভর্তি হয়েছি কিছুদিন আগে। অনেকদিন যাবতই বাবা বিয়ে নিয়ে তোড়জোড় করছিলো।অবশেষে আজ বাবার জেদের কাছে হার মেনে বিয়েটা করতেই হলো। অথচ যার সাথে বিয়ে হয়েছে তাকে আজই আমি প্রথম একনজর দেখেছি।এখনও অবধি তার সাথে আমার কোনো কথা হয়নি।শুনেছি সে ডাক্তার।কর্মসুত্রে রাজশাহী থাকে।অনুষ্ঠানের পর আমাকেও রাজশাহী চলে যেতে হবে। ফাতিন ( আমার বর) আর ওর পরিবার আজই আমাকে প্রথম দেখতে এসেছিলো।যদিও ওরা আগেই আমাকে দেখেছে,বাবার সাথে তাদের কথাবার্তা আগেই বলে রাখা। অফিশিয়ালি আজই প্রথম এসেছিলো।আজই ওরা কাবিন করিয়ে নিয়েছে।অনুষ্ঠান করে একমাস পর আমাকে নিয়ে যাবে। বাবার মুখের ওপর আমি কথা বলতে পারিনি।বললেও বাবা শুনতো না। গত দুবছর যাবতই বাবা বিয়ের কথা বলছিলো। আমি সাত পাঁচ বুঝিয়ে এতোদিন আটকে রেখেছিলাম।আজ আর শেষ রক্ষা হলো না। আর আজ আমি বাবাকে জোর গলায় কিছু বলতেও পারিনি।বলার মতো কিছুই ছিলো না। বাবাকে বলতে পারিনি আমি এখনই বিয়ের জন্য প্রস্তুত না। নিজেকে অন্যের জন্য তৈরি করতে আমার একটু সময় লাগবে।বাবাকে বলতে পারিনি আমার মনটা আমি অনেক আগেই কাউকে দিয়ে বসে আছি। যাকে কখনো চোখে দেখিনি,যার নামটাও আমি জানিনা।আমি তাকেই ভালোবেসে বসে আছি।যদিও গতকাল সে আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছে তার প্রতি আমার ফিলিংসগুলো শুধুই মরীচিকা। তাকে আমার পাওয়া হবে না। গতকাল আমার জন্মদিন ছিলো। গত ন'বছরের মতো গতকালও সেই অজ্ঞাত নামে পার্সেল এসেছে। এটা তার পাঠানো ১০ ম পার্সেল। আমি তখন ক্লাস সেভেনে পড়ি। আমরা দু বোন। প্রভা আমার ছোট বোন। আমার আর ওর মধ্যে বয়সের তফাত দেড় বছর। আমার আর প্রভার মধ্যে গলায় গলায় ভাব।আমাদের মধ্যে ঝগড়া কখনই হয়না।দুজনই দুজন অন্ত প্রাণ।বাবা মা দুজনই চাকরিজীবী। সেদিন আমার জন্মদিন ছিলো। আমি আর প্রভা বাসায়ই ছিলাম সেদিন। আম্মু আর বাবা তাড়াতাড়ি চলে আসবেন বলে আশ্বাস দিয়ে বেরিয়ে যায়। ভরদুপুরে কলিংবেল বেজে উঠায় আমরা ভেবেছিলাম আম্মু বাবা হয়তো চলে এসেছে। দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দিলাম। অথচ আম্মুর কড়া রেসটিকশন ছিলো লুকিং গ্লাসে না দেখে কে সেটা শিউর না হয়ে দরজা খোলা যাবে না। সেদিন আমি এতোকিছু ভাবিনি। দরজা খুলে খুব অবাক হয়ে গেলাম। কেউ নেই। প্রভাও আমার পিছনে এসে দাঁড়ালো। চারদিকে কাউকেই দেখলাম।প্রভা ফ্লোরের দিকে ইশারা করলো। " আপু দেখো গিফট,, ফ্লোরে তাকিয়ে দেখি আসলেই একটা পার্সেল রাখা। বক্সের ওপরে প্রাপকের জায়গায় আমার নামটা জ্বলজ্বল করছে।কিন্তু প্রেরকের জায়গায় 'অজ্ঞাত' লিখা। আমি আর প্রভা অবাক হয়ে বক্সটা ভেতরে নিয়ে আসি। বক্সটা খুলবো কি না ভাবছিলাম। " আপু খুলে দেখ কি আছে ভেতরে। " বক্সটা খুলা কি ঠিক হবে? " ঠিক হবে না কেন? খুলে দেখ না কি আছে ভেতরে। " কিন্তু কে পাঠিয়েছে সেটা তো জানিনা।অপরিচিত কারও গিফট,, " তুই বক্সটা খুলে তো দেখ। হয়তো ভেতরে তার পরিচয় পাবি। প্রভার কথায় বক্সটা খুললাম। বক্স থেকে প্রথমেই বের হলো একটা বেলীফুলের মালা। এরপর পেলাম একটা কালো জমিনে সাদা সুতোয় হালকা কাজ করা আর সাদা পাড়ের একটা শাড়ী।শাড়ীটা ভীষণ সুন্দর। কালো আর সাদা ৪ ডজন কাচের চুড়ি। ২ পা-টি পায়েল। শাড়ীর সাথে ম্যাচ করে কানের দুল আর একটা বড়সড় ডাইরি সাথে কিছু বেশ সুন্দর কলম। তলানিতে পড়ে ছিলো একটা নীল কাগজের চিরকুট। অতিউৎসাহী হয়ে কাগজের ভাজটা খুব জলদি খুললাম। "বিভা,, Happy birthday dear,, Many many returns of the day. আমি কে সেটা জানার খুব ইচ্ছে হচ্ছে বুঝি? ইচ্ছেটা আপাতত মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলো। যখন সময় হবে আমি নিজেই তোমার সামনে এসে দাঁড়াবো। তার আগে আমি কে, কেন তোমাকে গিফট পাঠাই সেসব নিয়ে একদম চিন্তা করবে না। পড়াশোনায় মন দাও। আর আমার এই পার্সেলটার কথা ঘূর্ণাক্ষরেও কাউকে বলবে না। তোমার পাশের পিচ্চিটা তো জানেই ওকে বলে দিবে কাউকে না বলতে। অবশ্য তুমি নিজেও পিচ্ছি। তোমার ডাইরি লেখার অভ্যাস আছে কি না জানিনা। তবে এখন থেকে করে ফেলো। যে ডাইরিটা পাঠিয়েছি তাতে আজ থেকে তুমি রোজ লিখবে।তোমার ভালো লাগা খারাপ লাগা সব লিখে রাখবে। প্রতিদিন একটা লাইন হলেও লিখবে। আমি আবারও বলছি পড়াশোনায় কোনো প্রভাব যেন না পড়ে। পড়াশোনা ঠিক মতো না করলে আমি কখনই তোমার সামনে আসবো না। ভালো থেকো। ডাইরির কোনো একটা পাতায় একটা ফোন নাম্বার লিখা আছে। ওখানে ছোট্ট করে একটা মেসেজ দিবে। তবে হ্যা তুমি কখনই কল দেওয়ার চেষ্টা করো না। আর আমি কে সেটা জানারও চেষ্টা করবে না। *অজ্ঞাত কাগজটা ভাজ করে আমি আর প্রভা একে অপরের মুখের দিকে তাকালাম। দুজনেরই জিজ্ঞাসু দৃষ্টি। কে হতে পারে? প্রভা আমাকে তাড়া দিলো জিনিসগুলো সরিয়ে ফেলার। আম্মু চলে আসলে আর এসব জানলে খুব বকবে। দুজন মিলে গিফটগুলো কাভার্ড এ রেখে দিলাম।আম্মু কখনই আমাদের জিনিসপত্রে হাত দেয়না। আম্মু চাকরিজীবী বলেই নিজেদের কাজটা আমরা নিজেরাই করতে শিখে গেছি। আম্মু আব্বু বিকেল নাগাত ফিরে আসে। ঘরোয়া ভাবেই আমার জন্মদিন পালন হয়। রাতে আম্মু আব্বু শুয়ে পড়ার পর আমি ডাইরি নিয়ে বসলাম। কি লিখবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। অনেক ভেবে লিখে রাখলাম এই দিনটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কোনো একটা রহস্য এখান থেকেই শুরু।এর শেষটা কোথায় আমার জানা নেই। তবে সেই অজ্ঞাত লোকটা কে জানার খুব ইচ্ছে হচ্ছে। তার পাঠানো গিফটগুলো আমার খুব পছন্দ হয়েছে। ডাইরির ঘেটে একটা পৃষ্ঠায় একটা নাম্বার খোঁজে পেলাম। আম্মু আব্বু বাইরে থাকে বলে বাসায় একটা মোবাইল রেখে যায়। যদিও এই ফোনটাতে একচ্ছত্র আধিপত্য আমারই। ফোনটা হাতে নিয়ে নাম্বারটাতে হাই লিখে একটা টেক্সট করে নাম্বারটা ডিলেট করে দেই। আম্মু সচরাচর ফোন চেক করে না। তাও রিস্ক নিতে চাইনি। নাম্বারটা ততোক্ষণে আমার ব্রেনে সেভ হয়ে গেছে। খুব ইচ্ছে করছিলো নাম্বারটাতে একটা কল দিতে। শেষ অবধি ইচ্ছেটাকে আর পশ্রয় দেইনি। হঠাৎ ফোনের মেসেজ টোন বেজে উঠে।দেখলাম সে নাম্বার থেকে টেক্সট এসেছে। মনে হয়েছিলো আমার হার্টবিট বেড়ে গেছে। যদিও তখন এতোকিছু বুঝিনি তবে একটা অদ্ভুত ফিলিংস হচ্ছিলো সেটা বুঝেছি। মেসেজটা ওপেন করতেই দেখলাম " থ্যাংকস। আমি জানি তোমার কল দিতে ইচ্ছে হচ্ছে। আমি কে সেটাও জানতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু সঠিক সময় এখনও আসেনি। অনেক রাত হয়েছে এবার ঘুমিয়ে পড়ো। শুভরাত্রি। মেসেজটা ডিলেট করে শুয়ে পড়ি। সকালে স্কুল আছে। বেশি রাত জাগা ঠিক হবে না। সেদিন থেকেই আমার ডাইরি লেখা শুরু। এখন ডাইরি লেখাটা আমার নেশা হয়ে গেছে বলতে পারি। যাই ঘটুক আমাকে রাতে ডাইরি নিয়ে বসতেই হবে। পরদিন থেকে আগের মতোই সব চলছে।স্কুল, বাসা,পড়াশোনা। তবে এরমধ্যে যুক্ত হয়েছে ডাইরি লেখা আর ফোনটা একটু পর পর চেক করা কোনো মেসেজ এসেছে কি না সেটা দেখার জন্য। তবে সে মেসেজ খুব কম করতো।মাসে একটা মেসেজ আসতো তার। তাও আবার আমার কোনো কাজ তার ভালো না লাগলে সেটা জানানোর জন্য। আমার ১৪ তম জন্মদিনেও সে পার্সেল পাঠিয়েছিলো। সেখানেও একটা কলাপাতা রংয়ের শাড়ী, শাড়ীর সাথে ম্যাচিং কানের দুল আর চুড়ি, পায়েল সাথে ১৪ টা গোলাপ ফুল। ডাইরি আর কলম তো ছিলোই। ডাইরির ওপরে একটা ছোট্ট চিরকুট লাগানো ছিলো। যাতে লিখা ছিলো " তোমার প্রতিদিনকার ঘটনাগুলো লিখে রাখবে।তোমার ভালো লাগা খারাপ লাগা সব। একদিন হুট করে এসে ডাইরি গুলো চেয়ে বসবো। আর তোমার সব অনুভুতি, ভাবনাগুলো একেবারে জেনে যাবো। এবারও তার কোনো পরিচয় পাইনি। তবে সেদিন রাতে আমাকে অবাক করে দিয়ে তার কল আসে। ফোনের স্ক্রিনে তার নাম্বারটা দেখে বুকের ভেতর কেমন যেন ঢিপঢিপ করছিলো। কলটা রিসিভ করে চুপ করে রইলাম। ওপাশের মানুষটাও চুপ। আমিই প্রথম কথা বললাম। " কেমন আছেন? " প্রথমে সালাম দিতে হয় সেটা নিশ্চয় জানা আছে? আমি লজ্জা পেয়ে গেলাম। আসলেই সালাম দেওয়া উচিত ছিলো। " সরি। " ইট’স ওকে। হ্যাপি বার্থডে ডিয়ার। " থ্যাংকস। " মাই প্লেজার। বাই দ্যা ওয়ে গিফট পছন্দ হয়েছে? " জ্বি। " ডাইরি লিখছো তো রোজ? " জ্বি। " গুড। তাহলে ঘুমিয়ে পড়ো। " আপনি,, আমি কথাটা শেষ করতে পারিনি।তার আগেই সে বলে উঠলো " তোমাকে বলেছিলাম আমি কে সেই প্রশ্নটা আমাকে করবে না। আমিই তোমাকে বলবো আমি কে। তবে সেটা সঠিক সময়ে। রাখছি এখন। বলেই সে কল কেটে দিলো।কি অদ্ভুত মানুষ! এরপর আবারো তার মেসেজ হঠাৎ হঠাৎ আসতো। একদিন আমি স্কুল থেকে বৃষ্টিতে ভিজে বাসায় ফিরি।বাসায় আসার কিছুক্ষণ পরই সেই নাম্বার থেকে কল আসে। কল রিসিভ করার পরই তার গুরুগম্ভীর কন্ঠটা শুনলাম। মনে হচ্ছিলো সে খুব রেগে আছে। " আর কখনো বৃষ্টিতে ভিজে রাস্তায় হাটবে না। আর কখনও যেন এরকম না হয়। " কেন,,, সে কিছু না বলে কল কেটে দিলো। কিছুক্ষণ পর মেসেজ দিলো। " বৃষ্টিতে ভেজার পর তোমার জামা শরীরের সাথে লেপ্টে ছিলো। তুমি বড় হচ্ছো সেটা ভুলে গেলে চলবে না। ভেজা কাপড়ে রাস্তায় হাটছিলে।রাস্তার লোকজন তোমাকে আড়চোখে দেখছিলো।আমি চাইনা তোমার বডি শেপ কেউ এভাবে দেখুক। আর কখনও যেন এরকম না হয়। মেসেজটা পড়ে আমারও ভীষণ অসস্তি হচ্ছিলো। লজ্জাও পেয়েছি ভীষণ। এরপর আর কখনওই আমি বৃষ্টিতে ভিজে ফিরিনি। বাইরে থাকা অবস্থায় বৃষ্টি হলে বৃষ্টি থামা অবধি অপেক্ষা করি নয়তো ছাতা নিয়ে বা রিক্সা করে ফিরে আসি।বৃষ্টি বিলাস নিজের জন্য নিষিদ্ধ করে দিয়েছি এরপর থেকে। পড়াশোনা, বাবা মা বোন আর তাকে নিয়ে ভালোই কাটতো সময়গুলো। ক্লাস এইটে বৃত্তিও পেলাম।সে ও খুব খুশি হলো। পরের জন্মদিনে আবারও তার গিফট।তবে গিফটটা আসে জন্মদিনের পরের দিন।আমার জন্মদিনটা সেবার শুক্রবারে ছিলো।আম্মু আব্বু বাসায় থাকবে বলে সে গিফটটা পরের দিন পাঠাবে বলে আমাকে মেসেজ করে জানিয়েছিলো। আমি শরীর খারাপের বাহানা করে পরেরদিন স্কুলে যাইনি। বারবার দরজার পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে লুকিংগ্লাসে দেখছিলাম কেউ আসে কি না। হতাশ হয়ে আমি রুমে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই কলিংবেল বেজে উঠলো। আমি দরজা খুলে শুধু পার্সেলটাই পেলাম।তখন আফসোস হলো আর একটু সময় থাকলেই হয়তো দেখতে পারতাম কে গিফট টা রেখে গেছে। এবারও সেই একই গিফট। একটা সাদা জমিনের লাল পাড়ের শাড়ী,চুড়ি,কানের দুল, ডাইরি কলম আর বকুল ফুলের মালা। আমার জন্মদিনের পরদিন থেকে নতুন ডাইরি লিখা শুরু করতাম। তার কথামতো একটা লাইন হলেও লিখতাম। তার কল বা মেসেজ এর জন্য চাতকের মতো অপেক্ষা করতাম। যদিও এই তিনবছরে সে তিনবার কল দিয়েছে। সে চতুর্থবার কল দেয় যখন আমি ক্লাস টেন এ পড়ি। আমি কোচিং শেষ করে আমার কিছু ছেলে ফ্রেন্ডস দের সাথে কথা বলতে বলতে বাসায় ফিরেছিলাম।এটা তার ভালো লাগেনি। সেটা জানানোর জন্যই কল দেওয়া। খুব অবাক হতাম। এই লোক কি সারাক্ষণ আমাকে ফলো করে নাকি? এরপর থেকে বাসা থেকে বের হলে বারবার আশেপাশে তাকাতাম।তাকে দেখার আশায়। কিন্তু দেখিনি কখনও।হয়তো দেখেছি কিন্তু চিনতে পারিনি। আমার ১৬ তম জন্মদিনে সে বাসন্তী রংয়ের একটা শাড়ী দিয়েছিলো।আর বাকি জিনিসগুলো আগের মতোই।চুড়ি আর কানের দুল বরাবরের মতো শাড়ীর সাথে ম্যাচিং। সাথে কিছু কাঠগোলাপ। " লোকটার পছন্দ অনেক ভালো রে আপু। খুঁজে খুঁজে কি সুন্দর শাড়ী আর বাকি জিনিসগুলো কেনে। সৌখিন অনেক। কিন্তু কে বল তো? " সেটা আমি কি করে বলবো? আমিও তো খুঁজছি। " ইসস,,, তুই কতো লাকি বলতো,, তোর প্রতি জন্মদিনে কতো ভালো গিফট আসে তোর। " তোর হিংসে হচ্ছে? " কি যে বলিস, হিংসে হবে কেন? তুই লাকি সেটাই বললাম। " হয়েছে এতো বলতে হবে না। নিজের কাজে যা। এবার গিফট নিয়ে বেশি মাথা ঘামানোর সময় নেই। সামনে এক্সাম। রেজাল্ট ভালো করতে হবে। তাই পুরো কনসেনট্রেশান পড়াশোনাতে দিয়ে দিলাম। অন্যকিছু ভাবার সময় নেই এখন। এবারও আমার রেজাল্ট ভালোই হলো৷ ভালো একটা কলেজে ভর্তিও হয়ে গেলাম।আম্মু আব্বু ছাড়াও আমার রেজাল্টে যে সবচেয়ে বেশি খুশি তিনি হলেন সেই অজ্ঞাত মানুষটি। কলেজের নবীন বরন অনুষ্ঠান শেষ করে বাসায় ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিলো। বাসায় এসে ফ্রেস হয়েই লম্বা একটা ঘুম দিয়েছিলাম। ঘুম থেকে উঠে ফোন হাতে নিতেই দেখলাম সে ৮০ বারের কল দিয়েছিলো। আমি তো অবাক।এতোবার কল দেওয়ার কারন কি? আমি কল ব্যাক করে ভাবছিলাম তখনই তার কল আসে। আবারও তার থমথমে কন্ঠ।বুঝলাম কোনো কারনে রেগে আছে। " এতোক্ষণ কি করছিলে।কল দিয়েছি দেখোনি? " ঘুমাচ্ছিলাম। " তুমি আজ কাজটা মুটেও ভালো করোনি। " কোন কাজটা? " কলেজে শাড়ী পড়ে যাওয়াটা। এতো সুন্দর করে সাজার কি দরকার ছিলো? ছেলেরা তোমাকে দেখছিলো।তোমাকে অন্যকারও চোখে দেখতে আমার ভালো লাগে না। আর কখনো খোলা চুলে কারও সামনে নিজেকে উপস্থাপন করবে না। আমি চাই না তোমার সৌন্দর্য বাইরের কেউ দেখুক। বোরকা পড়ে হিজাব করে যাবে এখন থেকে। মনে থাকবে? " থাকবে। " গুড গার্ল। লোকটার প্রতি আমার একটা অন্যরকম এট্রাকশন ছিলো। কেনো জানিনা তার সব কথা আমি মেনে নিতাম।মেনে চলতাম। ভালো লাগত তার কথা শুনতে।তার শাসনগুলো,বিধিনিষেধ গুলো আমাকে অন্যরকম ফিলিংস দিতো। তাকে দেখার ইচ্ছেটাও আরও তীব্র হতো।এদিকে তার কন্ঠের ওপর তো ক্রাশ খেয়ে বসেই আছি।তার বাচনভঙ্গি যেকোনো মেয়েকেই তার প্রতি উইক করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। তার প্রতি নিজের ফিলিংসগুলো ও ডাইরিতে লিখে রাখতাম। সে বয়সে ভালোবাসা না বুঝলেও ভালোলাগাটা বুঝতাম। তাকে না দেখলেও আমার তাকে ভালো লাগতো।ভীষণরকম। তবে সে কেন আড়ালে আছে সেটাই এখনো বুঝতে পারছি না।কবে সে সামনে আসবে সেটাও রহস্য। কলেজে যাওয়া আসার পথে একটা ছেলে আমার পিছু নিচ্ছিলো কিছুদিন যাবত। ছেলেটা বখাটে নয়।তবে আমাকে নাকি তার ভালো লেগেছে।তাই প্রোপোজ করেছিলো। আমি রিজেক্ট করে দেই।তা সত্ত্বেও রোজ দাঁড়িয়ে থাকতো। আমার সাথে কথা বলতে চাইতো। আমি কখনই পাত্তা দেইনি।কথাও বলিনি সেভাবে। একদিন হঠাৎ সে আমার হাত ধরে আমাকে দাঁড়াতে বলে। তার কিছু কথা বলার জন্য। তার হাত এক ঝটকায় ছাড়িয়ে আমি চলে এসেছিলাম। তারপরদিন থেকে আমি আর ছেলেটাকে দেখিনি। আসা যাওয়ার পথে চোখ ঘরিয়ে চারদিকটা দেখতাম ছেলেটা আছে কিনা।তবে সেদিনের পর তাকে আর দেখিনি।মনে মনে খুব খুশিই হয়েছিলাম। " কলেজ ছুটি হলে সোজা বাসায় চলে আসবে।আশেপাশে এতো তাকানোর কি আছে? কাউকে খুঁজো তাই না? লাভ নেই।তোমার আশিক আর কখনোই রাস্তায় দাড়াবে না।তাকে খুজে লাভ নেই। সে এলাকা ছেড়ে চলে গেছে।চলে গেছে বলা ঠিক হবে না বাধ্য করেছি চলে যেতে। তোমাকে অন্য কেউ দেখবে সেটাই সহ্য হয়না তোমাকে অন্য কেউ স্পর্শ করবে সেটা মানবো কি করে? আর তোমাকে বলছি আশেপাশে না তাকিয়ে সোজা বাসায় আসবে। কোনো হেরফের যেন না হয়। আমিও তার কথা মতো চুপচাপ বাসায় চলে আসতাম। কলেজ আর বাসা এইভাবেই চলছিলো। সাথে তার টুকটাক মেসেজ আর হঠাৎ কল তো ছিলোই। আমার পরের জন্মদিনে তার গিফটে একটু পরিবর্তন আসে। গিফট বক্সটা এবার সে একটা ছেলের হাতে পাঠিয়েছে। ছেলেটা এসে কলিংবেল বাজানোর পর দরজা খুলবো কি খুলবো না সে নিয়ে ভাবছিলাম। তিনবার কলিংবেল বাজানোর পর অবশেষে খুলেই দিলাম। " আপনার নামে একটা পার্সেল এসেছে ম্যাডাম। " কে পাঠিয়েছে? " সেটা বলার পারমিশন নেই। আপনি নিন এটা। " কিন্তু কে দিয়েছে? " প্লিজ ম্যাডাম আমার কাছে জানতে চাইবেন না।সময় হলে নিজেই জানতে পারেন। বক্সটা আমার হাতে দিয়েই সে হনহন করে চলে গেলো। আমি ভাবছিলাম সেই অজ্ঞাত মানুষটার গিফট এখনো এলো না।আবার নতুন কে গিফট পাঠানো শুরু করলো।গিফট বক্সের ওপর কিছুই লেখা নেই। চলবে

মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বাগান 2019

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯ 0
বাগান 2019
 শ্যারন এই সুযোগটি নিয়েছিল যে আমরা বাসনগুলি ধুয়ে ফেলছিলাম সে আমাকে বলার জন্য যে সেদিনের কথা ভাবছিল যখন আমার প্রেমিকা উইলি আর আমাদের সাথে থাকবে না। “আমি তার সম্পর্কে চিন্তাভাবনা থামাতে পারি না, নেস্টিটো। আমি তাকে সর্বদা এতটাই নীচ থেকে দেখি, আরও খারাপ হচ্ছে, যেন সে ইতিমধ্যে অনুভূত হয়েছে যে তিনি শীঘ্রই আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন। " এটা সত্যি. সেদিন সন্ধ্যার পর থেকে তিনি এটি অনুভব করেছিলেন যে ফলাফলটি ফিরে পেয়েছেন এবং এটি তার প্যান্টের পকেটে রেখেছিলেন, সরাসরি তার বাস্তবতা গ্রহণ করে। তার সাথে আমার সেই রাতে মিরামার একটি লেসবিয়ান পার্টিতে দেখা হয়েছিল। যখন আমাদের পরিচয় হয় তখন আমি তার সাথে একটি কথোপকথন শুরু করার চেষ্টা করি তবে কয়েক মিনিটের পরে তিনি বিরক্ত বলে মনে হয়; তিনি নিজেকে ক্ষমা করে দিয়ে কিছু মেয়েদের সাথে কথা বলতে গেলেন। তিনি আমাকে সারা রাত উপেক্ষা করলেন। তিনি স্বর্ণকেশী ছিল, পেশী বাহু এবং একটি প্রশস্ত বুক ছিল। একটি সাদা ছেলে (আমি কীভাবে সাদা ছেলেদের আদর করি এবং এখনও পূজা করি) আমি তাঁর মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য যা করতে পেরেছিলাম তা করেছি, জোরে হেসে, জোরে কণ্ঠে কথা বলছিলাম, এবং এমনকি অতিথিদের মধ্যে আমি হর্স ডিওউভ্রেসের কাছাকাছি গিয়েছিলাম এবং তার যা কিছু হয়েছিল তা প্লেটের দিকে তাকিয়ে মাথা ন্যাড়া করে দিয়েছিল। এক মুহুর্তে আমি একা বসে থাকি এবং সে আমার প্রতি দয়া দেখায় কিনা তা দেখার জন্য একটি দু: খিত মুখ onুকিয়ে রাখি, কিন্তু কিছুই না। যাওয়ার সময় না হওয়া পর্যন্ত এবং আমি বলেছিলাম যে আমি চলে যাচ্ছি, কারণ শেষ বাসটি রাত এগারোটায় এসেছিল। তিনি তখন বলেছিলেন: "আপনি কোন দিকে যাচ্ছেন?" "পরদা 20." "আমি তোমাকে নিয়ে যাব." আমরা লিফটটি নামানোর সময় তিনি আমাকে বলেছিলেন যে তিনি ইতিবাচক। তিনি এটিকে বলেছিলেন যেন অন্তর্নিহিত করার কারণেই তিনি পার্টির সময় আমাকে উপেক্ষা করেছিলেন। আমি দু'বার ভেবেছিলাম কিন্তু তারপরে তাকে বলেছিলাম যে সমস্যা হয়নি। "আমি আজই সন্ধান পেয়েছি," তিনি যোগ করেছেন, তার পাশের পকেটটি টোকা দিয়েছিলেন এবং আমি সেই অঙ্গভঙ্গি থেকে বুঝতে পারি যে ফলাফলগুলি সহ কাগজ রয়েছে was "আপনি কি করতে যাচ্ছেন?" তিনি আমাকে বললেন, “তোমাকে বাইরে ডিনারে নিয়ে যেতে দাও। আমরা সেই রাত থেকেই একসাথে ছিলাম। দুই বছর, তিন মাস, এবং এগারো দিন। উইলি আমাকে তারিখ সম্পর্কে এত বড় চুক্তি করার জন্য কর্নি বলে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন আমি তার ভাই বোন শ্যারনের মতোই থাকি, যিনি সান্তা রিতায় আমাদের সাথে থাকেন। শ্যারনের উদ্বেগের সাথে এই বিষয়টা ছিল যে উইলির মাথায় তা এসেছিল যে আমাদের ১৯৮৯-এ বিদায় জানাতে একটি নতুন বছরের অনুষ্ঠান করা উচিত। তিনি একটি রসালো রাতের খাবার এবং ভাল ওয়াইন চেয়েছিলেন। তিনি আমার জন্য প্যারাডা 15 এ রেকর্ড অর্ডার করতে দিন কাটিয়েছেন It এটি আমাকে যেতে বিরক্ত করে না। উইলির সাথে থাকার আগে আমি সাগ্রাডোর কাছেই থাকতাম, যেখানে আমি জীববিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতাম তা কেন জানি না, এখন কেন। আমি সেই পাড়ায় বাড়িতে অনুভূত। রিও পাইরেডসে আমি ভয় পেয়েছিলাম। শ্যারন যে কৃষকদের বাজারকে খুব পছন্দ করেছিল তা আমাকে ভয় পেয়েছিল। রাস্তায় প্রচুর ক্রেজি মানুষ, প্রচুর গহনার দোকান, অনেকগুলি লাউডস্পিকার একই জিনিস বারবার বারবার বলছে। কেবল উইলির ঘরেই আমি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। "আমি ফুল চাই," উইলি আবার আদেশ করলেন: "তার জন্য কলা লিলি, শ্যারনের গার্ডেনিয়া এবং আমার জন্য টিউলিপস। ইয়ামায়ার জন্য নীল মোমবাতি আনুন, আমি যেমন তার সন্তান, তেমনি আপনি এবং শ্যারনও। । । " আমরা তিনজনই মীন ছিলাম। উইলি বলেছিলেন যে তাঁর উঠতি লক্ষণটি ছিল লিও, এ কারণেই তিনি পরিবারের প্রধান ছিলেন। আমার ছিল বৃষ, সুতরাং আমি একগুঁয়ে ছিলাম, এবং শ্যারনেরও মীন ছিল, আর সে কারণেই সে ছিল এক বিপর্যয়। শ্যারন মেনুটি লিখেছিল, যা অবশ্যই উইলি তার বিছানা থেকে নির্দেশ করেছিলেন। নববর্ষের আগের দিন পার্টির জন্য সবকিছু প্রস্তুত ছিল। দু'দিন যেতে হবে। উইলি আমাকে টেলিভিডিওতে প্রেরণ করেছিলেন, যেখানে নর্মমা, যে মেয়েটি সর্বদা তার সাথে অপেক্ষা করতে পারত যখন সে যেতে পারত, মুভির ভাড়া প্রস্তুত ছিল যা তিনি ফোনে অর্ডার দিয়েছিলেন। এর মধ্যে দুটি ছিল: শ্যারনের জন্য একটি মেক্সিকান মেলোড্রামা এবং আমার জন্য একটি সংগীত, দ্য সাউন্ড অফ মিউজিক, আমার সর্বকালের প্রিয় সিনেমা। দ্যাট অ্যান্ড লাভ স্টোরি — যা উইলিকে ঘৃণা করেছিল কারণ এটি অত্যন্ত কর্ণধার। যে কারণে শ্যারন তার উদ্বেগটি আমার সাথে ভাগ করে নিল: “তিনি খুব বাস করছেন, নেস্টিটো এবং আপনি কীভাবে তাঁর কাজ করতে পছন্দ করেন তা কারও চেয়ে আপনি বেশি জানেন। এই সব খুব আশ্চর্যজনক। উইলি যাচ্ছে, নেস্টিটো। আপনি আমাকে ছেড়ে যাবেন না, আপনি এখানেই থাকুন, যেহেতু আমি খুব শীঘ্রই মারা যাব এবং তোমাকে সমস্ত কিছু ছেড়ে দেব, "তিনি পুরোপুরি স্বীকৃতি দিয়ে বলেছিলেন যে তিনি আমাকে যে প্রস্তাব দিচ্ছেন তা ছিল একটি দুর্দান্ত বিষয়, তবে এটি ছিল একটি সৎ প্রস্তাব। "আপনি যুবক এবং উইলি চলে যাওয়ার পরে আপনার জীবন আবার যেতে পারে, আপনি জানেন। এবং যদি আপনার কোনও বয়ফ্রেন্ড থাকে তবে তাও ঠিক। " সিনেমাগুলিতে শ্যারন ও উইলি "উদ্যান" নামে পরিচিত প্যাটিওতে ছিলাম, তারা শিক্ষাবিদদের একটি পরিবারের অন্তর্গত ছিল। তাদের দাদা এবং দাদী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছিলেন। তাদের বাবা-মা স্পেনে পড়াশোনা করার সুযোগ পেয়েছিল এবং রিও পাইদারাস ক্যাম্পাসে শিক্ষকতা করতে ফিরে এসেছিল। শ্যারন কখনও পড়াশোনা করেননি, তবে পরিদর্শনকারী অধ্যাপকদের সহায়ক হিসাবে বহু বছর কাজ করেছিলেন। তিনি এস্পেরান্তো ছাড়াও চারটি ভাষায় সাবলীল ছিলেন, সেই লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা কিছু পুরাতন মেরু দ্বারা স্বপ্ন দেখেছিলেন, যা উইলি শব্দের নির্বোধ আবিষ্কার হিসাবে অস্বীকার করেছিলেন যা কোনও জীবিত অভিজ্ঞতার সাথে অনুরণিত হয়নি। উইলি কলম্বিয়া চলে যান এবং ফিল্ম স্টাডিজের একটি বিশেষজ্ঞের সাথে শিল্প ইতিহাসে পিএইচডি নিয়ে ফিরে আসেন। তাদের শেষ নামটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কিংবদন্তি ছিল, বেল টাওয়ারের মতোই তাৎপর্যপূর্ণ। অর্থোপার্জনের একমাত্র উদ্দেশ্য নিয়ে শেক্সে বিভক্ত হওয়ার আগে থেকেই তারা সান্তা রিতায় বসবাস করেছিল। বাসভবনে উচ্চ সিলিং, তিনটি বাথরুম, চারটি শয়নকক্ষ এবং একটি গ্যারেজ ছিল যেখানে বিশ বছরেরও বেশি প্রেমিককে দেখার জন্য শ্যারন লুকিয়ে থাকত। "আমি জানি না কেন তারা এটাকে গোপন রাখে," উইলি সবসময় ভাবত। "আমি জানি না যে পাপ মারা যাওয়ার পরে কেন তাকে বিয়ে করলেন না বা কেন সেখানে তাকে গ্রহণ করলেন।" আমার মতো ত্রিশ বছর বয়সী কারও কাছে কুড়ি বছর দীর্ঘ সময় ছিল। এটি কারও জন্য দীর্ঘ সময় ছিল। প্রেমিকের সাথে তারিখটি কখন গ্যারেজে স্থান পাবে সেই রাতগুলি জানা খুব সহজ ছিল। শ্যারন হঠাৎ করে নিজেকে বদলে ফেলবে, নার্ভাস হয়ে অভিনয় করবে, লুকানোর জন্য নিরর্থক চেষ্টা করবে, কিছু স্ব-শোষিত অঙ্গভঙ্গির সাথে, এখনও তার যা ইচ্ছা তা না পেয়ে তার উদ্বেগ। রাত নয়টার দিকে, যদি আমরা বাগানে বা উইলির ঘরে থাকি তবে তিনি সর্বদা একই বাক্যটিতে নিজেকে ক্ষমা করবেন: "আমি রাতের জন্য অবসর নিচ্ছি।" "তিনি পাপ করতে চলেছেন," উইলি মুভি স্টারের কণ্ঠের অনুকরণ করে বিদ্রূপাত্মক সুরে বলতেন। গ্যারেজ থেকে আমরা শুনতে পেলাম যে কোনও রেডিও স্টেশনের বিবর্ণ শব্দটি কেবল বোলেরোস খেলেছে। পরে, দর্শনার্থী চলে যাওয়ার পরে, শ্যারন বাগানে বসে ধূমপান করত, একটি সাদা পোশাকের মধ্যে জড়ানো ছিল যা দেখে মনে হত নিশাচর আলোর মধ্যে রৌপ্যটি প্যাটিওয়ে intoুকে পড়ে। আমি তার সাথে যোগ দিতে বাইরে গিয়েছিলাম। সে আমাকে দেখে হাসল। সিগারেটের দিকে তাকিয়ে তিনি বললেন, "এটি কেবলমাত্র একটি ছোট্ট পাপ"। তিনি আমাকে বাগানের চারপাশে ঘুরতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং আমি, ইচ্ছাকৃতভাবে, আমাদেরকে গ্যারেজের কাছে হাঁটাতে বাধ্য করেছিলাম। একবার সেখানে এসে, আমি ভান করে মিথ্যা বললাম যে আমি আমার গোড়ালিটি পাকিয়েছি এবং গ্যারেজের প্রাচীরের দিকে ঝুঁকেছি। "আমি কষ্ট পেয়েছি," আমি তাকে একটি সিনেমার মতো বলেছিলাম। "দয়া করে শ্যারন, আপনি কি গ্যারেজে গিয়ে এমন কিছু বের করতে পারেন যা আমি ক্র্যাচের মতো ঝুঁকতে পারি?" এই মুহুর্তে আমরা শুনেছিলাম উইলির বাড়ির পিছন থেকে তাঁর ঘর থেকে ভয়েস ভয়েস। আমি ভয় পেয়েছিলাম এবং সিনেমার মতো দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠার ভান করি। শ্যারন আমাকে তার হাতের উপর ঝুঁকে পড়ার প্রস্তাব দিয়েছিল এবং আমাকে বলেছিল: “কখনই সেই গ্যারেজে যাবেন না। আপনার জীবন বিপদে পড়বে ” তার কোনও সাধারণ সতর্কতা ছিল না, যেমনটি আমার বোন বলেছিলেন, "আমি তোমাকে মেরে ফেলছি, তুমি অভিশাপ দেবে।" তার বাইরেও বিপদ ছিল অন্যরকম। "নেস্টিটো," তিনি তার মেয়েশিশু অনুনাসিক কণ্ঠে বলেছিলেন, "আমি আপনাকে একটি গোপন কথা বলতে যাচ্ছি।" আমার হৃদয় দ্রুত প্রস্ফুটিত হয়েছে, তিনি কী বলতে যাচ্ছেন তা শুনে আনন্দিত হওয়ার প্রত্যাশায়। “আমি অপহরণের শিকার। গত বিশ বছর ধরে আন্ডারওয়ার্ল্ডের একটি বড় শট আমাকে তার সাথে গ্যারেজে দেখা করতে বাধ্য করে চলেছে। তিনি মাফিয়া থেকে এসেছেন, "তিনি স্বীকার করেছেন, তার চোখ খোলা রয়েছে যাতে আমি তার মুখের উপরে দেখতে পাই এটি কত বড় ব্যাপার। "অপহৃত? বিশ বছর ধরে? ”আমি জিজ্ঞাসা করলাম, স্পষ্টতই অবিশ্বাসে। “হ্যাঁ, আপনি আমাকে বিশ্বাস না করলেও। বিশ বছর আগে এক রাত, ইচ্ছা না করেই আমি তাঁর। এবং আমি বলি ‘না চাই’ কারণ আমি সত্যই ছিলাম না। তিনি সিনেমার কালো অভিনেতা সিডনি পোয়েটিয়ারের মতো সুদর্শন ছিলেন। অভিন্ন। প্রথমে আমি তাদের দুজনকেই গুলিয়ে ফেললাম। এক রাতে তিনি এখানে এসেছিলেন এবং আমরা কথা বলতে শুরু করি। আমি তাকে বললাম, কিছুক্ষণ পরে গ্যারেজে চলুন, এবং নির্বুদ্ধি হয়ে আমি তার কাছে আত্মসমর্পণ করলাম। স্পষ্টতই আমি তাকে শেষ বার বলেছিলাম, কিন্তু তিনি হুমকি দিয়েছিলেন যে পাপিকে এটি সম্পর্কে সমস্ত কিছু বলা এবং বিবাহে আমার হাত চাওয়া। তিনি যখন আমাকে বলেছিলেন যে তিনি হাম্পা মাফিয়ায় রয়েছেন তখন আমাকে গ্রহণ করা ছাড়া আমার আর কোনও উপায় ছিল না। যদিও তিনি চীনা নন, তিনি হাইতি থেকে এসেছেন, তবে তিনি চীনা জানেন। তিনি আমাকে শিক্ষা দেন। আমি এটি ভালভাবে শিখতে যাচ্ছি যাতে আপনি এবং আমি উইলির দ্বারা আমরা কী বলছি তা খুঁজে না পেয়ে কথা বলতে পারি। নেস্টি, কারও কাছে এই কথাটি বলবেন না। আমাদের জীবন বিপদে রয়েছে। ” আমি নির্বাক ছিলাম, তবে এটি ছিল তার বাস্তবতার ব্যাখ্যা দেওয়ার উপায়। আমি বে indমান বলে খারাপ লাগলাম। সম্ভবত আমি তাকে উন্মুক্ত হওয়ার খুব কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছিলাম এবং তার মতো উত্কৃষ্ট হয়ে ওঠে যে সে তার নিজের দিকে এগিয়ে যেতে এবং নিজেকে সরাসরি প্রকাশ করতে পছন্দ করে। তার নিজের উপায়ে, আমি যা বোঝাতে চাইছি সেটাই। উইলি আবার ফোন করল। আমরা যেখানে ছিলাম সেখানে গিয়েছিলাম। "পরে আমি আপনাকে আরও বলব। তিনি আমাকে দৃinc় প্রত্যয় সহকারে বলেছিলেন, "আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি" চাইনিজ ভাষায় হ'ল চন চুয়ান 'বা' চুন চুন। ' প্রাক্তন লিভিংরুমে, যেখানে একবার পিয়ানো ছিল, উইলির মতে, শ্যারন দরিদ্র চোপিনের গণহত্যা করত, যখন থেকে তার অবস্থা খারাপ হয়ে যায় তখন থেকেই আমরা সিঁড়ি বেয়ে চলা এড়াতে সজ্জিত করেছিলাম। আমরা বাগানের দিকে বিশাল জানালার মুখোমুখি বিছানাটি রেখেছিলাম, সেখান থেকে তিনি বোগেনভিলাস দেখতে পেতেন। ঘরে বই পড়ে রেখেছে। উইলি ছিলেন এক অস্পষ্ট পাঠক। তিনি অ্যামি টান পড়ার মতো হেসিকেও একইভাবে পড়তেন। সেগুলি সেগুলি বিক্রি করতে আমাকে পোনস দে লে on n এর বইয়ের দোকানে নিয়ে যেতে দেয় নি এবং সেই সাথে অন্য যেটি চায় সেগুলি কেনে। সেখানে তিনি পড়তে চশমা নিয়ে ছিলেন, হাতে একটি বই নিয়ে। যখন আমি তার সাথে সাক্ষাত হয়েছিলাম তখন তাঁর মুখটি একটি নতুন চেহারায় নিমজ্জিত হয়েছিল যা আমি কেবল তাঁর অভিব্যক্তি দ্বারা তার হিসাবে চিহ্নিত করতে পারি। তিনি এখনও হ্যান্ডসাম সত্তার মতো অভিনয় করেছিলেন। সে তার বোনকে চিৎকার করে বলেছিল: "শ্যারন, সেলুনে যান যাতে কুইক নতুন বছরের প্রাক্কালে আপনার চুলগুলি করতে পারে।" শ্যারন প্রতিবাদ করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু উইলি জোর দিয়েছিলেন। "সেগুলি আপনাকে ডায়ানার মতো দেখায়।" শ্যারন, যেন যাদু দ্বারা, ধারণাটি দেখে উত্তেজিত হয়ে এই বলে ঘর ছেড়ে চলে গেল: “আমি, লেডি ডি এর মতো? এটা পাগলামি." যেন পাগল হ'ল বিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল জিনিস। আমি উইলির পাশে শুয়ে পরলাম। তিনি সম্প্রতি স্নান করেছিলেন। তিনি যখন শয্যাশায়ী হয়েছিলেন তখন থেকেই তিনি আমার সাথে পরিবর্তন করেছিলেন। কয়েক মাস ধরে আমাদের যে পার্টিতে দেখা হয়েছিল সেখানে তিনি আমাকে অগ্রাহ্য করেছিলেন। আমি আমি ছিলাম না, আমি শ্যারনের সাথে একটি জুটির অংশ ছিলাম। “তোমরা এই দুজন, ওহে লোকেরা!” আমি তাঁর শরীরের দিকে ঘনিষ্ঠভাবে তাকালাম এবং আমার হাতটি তার বুকের উপরে দিয়ে গেলাম। তার বগল ছিল ছোট ফুলের কোমল ভূমি। আমি ওকে আলতো করে জড়িয়ে ধরলাম। তার হাড়গুলি ভঙ্গুর অনুভূত হয়েছিল। দেহ, হোস্ট। বাগানের এলিয়েন পুষ্টির সাথে খাওয়ানো। আমি তার মুখের সন্ধান করলাম, শুকনো ঘা চুম্বন করলাম, চোখের পলক ফেললাম যা তার গালে বিশ্রাম নিল। আমি তার চোখে তাকালাম, অবশেষে, আট মাস ষোল দিন পরে, ইচ্ছা। আমি তার পিঠে আমার বাহু রাখতে সক্ষম হতে যত্ন সহকারে তার দেহ সরিয়ে নিই। তার মুখ শুকনো, বালির কাগজের মতো, আমার ঠোঁটে তার তৃষ্ণায় তালে তালে আমাকে চুমু খেতে লাগল। দুর্বল ঝোপের ডালের মতো পাতলা তার বাহু আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করেছিল। তিনি সম্প্রতি গন্ধযুক্ত পৃথিবীর গন্ধ পেয়েছিলেন। প্যাচগুলির কারণে আমি তার বুকের সাথে স্টিকের বিরুদ্ধে আমার নাকটি ঘষেছিলাম। সে যেন আমার ত্বককে এমনভাবে চেপে ধরেছিল যেন পড়ে না যায় তবে তার তৃষ্ণা তাকে ধরে রেখেছিল। নিষ্পত্তিযোগ্য ডায়াপার, আমাদের আটকে গিয়েছিল, মরা পাতার ঝাঁকুনির মতো শোনাচ্ছিল। আমরা একে অপরের দিকে তাকালাম। আমরা নীরবে অবিরত, নিজের সম্পর্কে নিশ্চিত, নিরাপদ safe আমি তাঁর সাথে বিছানায় থেকেছি। মনে পড়ল প্রথমবার ওর বাসায় আসলাম, বাগানে আমরা দুজন। তিনি একটি রোচ জ্বালিয়েছিলেন এবং আমরা ধূমপান করি। তিনি আমাকে তাঁর মুগ্ধতা দিয়ে মুগ্ধ করেছিলেন, দার্শনিক এবং লেখকদের সম্পর্কে এমন কথা বলছিলেন যেন তিনি তাদের চেনেন, তাঁর প্রাকৃতিক, ভালভাবে অভিমানী অভিমান নিয়ে। তার পরে, বিছানায় নগ্ন হয়ে, তার গলায় একটি চেইনে ভার্জিন মেডেলিয়ন দিয়ে, গাঁজা দিয়ে তার শ্বাস ভারী। তিনি চেয়ারের সাথে ঝুলন্ত তার প্যান্টের দিকে তাকিয়ে হেসে বললেন: “আমি কান্নাকাটি করা উচিত, এবং এখনও, আমি ভাল লাগছে। আপনি দেখতে দেখতে আমার কেমন সুন্দর লাগছে? ”তিনি আমাকে তাঁর হাত বাড়ানোর দিকে জিজ্ঞাসা করলেন। বৃষ্টি আরম্ভ হল. আমি খেয়াল করলাম সে গুজবাম্পস পাচ্ছে এবং আমি তাকে কম্বল দিয়ে coveredেকে দিয়েছি। "শ্যারন বলেছে পার্টির কারণে আপনি মারা যাচ্ছেন।" তিনি বললেন, "আমি আপনাকে একটি অনুগ্রহ চাইব নেস্তি," তিনি গুরুতরভাবে বললেন, একইভাবে তাঁর বোন যেমন চান। “শ্যারনের যত্ন নিন। তিনি আপনার কাছে বাড়ি ছেড়ে যেতে চান এবং তিনি বলেন যে তিনি এমনকি আপনার জন্য একটি অ্যাপার্টমেন্টও তৈরি করবেন, "তিনি দৃhat়তার সাথে বলেছিলেন:" আপনি জানেন? আমার পরিবারের প্রতিটি একক সদস্য, একেবারে সবাই মিছের চিহ্নে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ” আমরা বোগেনভিলাসে বৃষ্টি পড়তে দেখলাম। আমরা ঘুমিয়ে পড়েছি। আমি যখন জেগে উঠি আমি আমার বাথরুমে গিয়ে গোসল করেছি। উইলির সাথে প্রেম করার পরে আমি সুরক্ষার সেই অনুভূতিটি অনুভব করেছি। আমি নিজেকে শুকনো এবং ধূমপায়ী পাত্র মুছে ফেললাম। আমি শ্যারনের গল্পটি ভেবেছিলাম এবং আমি এই ভেবে হাসিছিলাম যে এই লোকেরা আমার আসল পরিবার এবং আমার জীবনের এই মুহূর্তটি উইলির সাথে চলে যাচ্ছিল। সবকিছু পরিবর্তন হতে চলেছে। এরপরে, উচ্চতার সাথে, আমার কাছে মনে হয়েছিল যে উইলি মারা গেছে died যে সে বিছানায় শুয়ে ছিল। আমি কল্পনা করেছিলাম যে পুলিশ আমাকে প্রয়োজনীয় প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবে এবং আমি নিজেই বেহাল হয়ে উঠছি o আমি আমার তোয়ালে বাথরুম থেকে বের হয়ে সোজা ঘরে চলে গেলাম। উইলি দাঁড়িয়ে ছিল। তিনি দৃ strong়, স্বাস্থ্যকর দেখছিলেন। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন: "আপনার এই বাটটি আশ্চর্য কাজ করে।" আমরা বাগানে শ্যারনকে পেলাম। তিনি উজ্জ্বল চেহারা দেখায় এবং স্বর্ণকেশী রেখাচিত্রমালা দিয়ে সজ্জিত হয়ে নিজের নতুন করা চুলকে কাঁপানোর সাথে সাথে তিনি মুখমণ্ডল তৈরি করেন। "আপনি দেখতে একেবারেই দৃষ্টিনন্দন," উইলি আনন্দিত। হঠাৎ সে নিজের থেকে বাইরে এসে দেখল যে তার ভাই, কয়েক মাস ধরে বিছানায় সিজদা করছে, তার সাথে ছোট্ট বাগানে বসে আড্ডা দিচ্ছে। "উইলি, তুমি কি করছ? নেস্টিটো, এখানে উইলি কী করছে? " আমি একটি চিহ্ন দিয়েছিলাম যে সে যেন তাকে ছেড়ে যায় এবং সে বুঝতে পারে। তিনি একজন সৈনিকের মতো সোজা হয়ে নিজের ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন: "আপনি যা কিছু বলুন না কেন এবং আপনি যদি চান তবে আমি প্যাপের ওয়াইনগুলির একটি বোতল খুলব, যেহেতু এটি একটি সুন্দর সন্ধ্যা এবং সামান্য ওয়াইন কোনও ক্ষতি করে না।" তিনি যখন মদ পরিবেশন করলেন তখন তিনি কাঁপলেন। তিনি একজন মীন ছিলেন: আমি তার মধ্যে কঠিন পরিস্থিতি এবং হারিয়ে যাওয়া কারণগুলির সাথে মোকাবিলা করার দক্ষতাটি স্বীকার করেছি। আমরা চিয়ার্স না করেই পান করেছিলাম: তাদের জন্য টোস্টিংয়ের অর্থ ছিল সত্যিকারের মুহূর্তের অপচয় করা, যেখানে টোস্টটি সর্বদা কল্পনার অভাব ছিল। আমরা উইলির ঘরে শেষ হয়ে গেলাম, আমরা তিনজনই তার সামঞ্জস্যপূর্ণ বিছানায়, সাউন্ড অফ মিউজিক দেখেছি। আমি শুনলাম উইলির শ্বাস ফেলা আবার তার আসল বাস্তবতার সাথে শান্তিতে। আমি আমার বুকের ভিতরে এমন এক টান অনুভব করলাম যেন কোনও কুকুর আমাকে সেখানে কামড় দিচ্ছে। আগের রাতে, যখন তার দেহ দুর্বল হয়ে পড়েছিল এবং তার মুক্তির ঝাঁকুনিটি আর্কাইভ করে চলেছিল, তখন আর যা ছিল না তা ছড়িয়ে দিয়েছিল, তবুও, তাকে আমার বাহুতে নিয়ে গিয়ে, তার দুর্বলতার উপর ঝুঁকে পড়ে আনন্দিত হয়েছিল। একটি সত্য আনন্দ বিছানায়, আমার বাহুতে, এই উদার সত্তা যিনি এত সাহসী, এত কামুক ছিলেন। এত বোকা, যেমন তার বোন বলবে। আমরা প্রথমদিকে যেমন করতাম, পরপর দুটি ছবি দেখতে তাকে সিনেমাতে নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। আমি তাকে অ্যারোইয়ের আমার বাড়িতে নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম যাতে সে বুঝতে পারে যে আমি কেন এমন একজন হিচ was যাতে আমার বাবা-মা জানতে পারবেন যে তিনি একজন ভাল পরিবার থেকে একজন অধ্যাপক। যাতে আমরা গায়ামার উপর দিয়ে কবি পলিস মাতোসের বাড়িতে যেতে পারি, চাইনিজ আইসক্রিম পার্লারে হাসান আইসক্রিম, ক্যালিমানো থিয়েটারে একটি সিনেমা দেখতে পেলাম। টিভিতে, ভন ট্রাপ পরিবার একটি গানকে বিদায় জানিয়েছিল। উইলি তাঁর শেষকৃত্যের জন্য প্রস্তুত সবকিছু রেখে গিয়েছিল। তাকে শ্মশান দেওয়া হবে এবং তার ছাই বোগেইনভিলাসের কাছে, রিও পাইদারাসে তার বাড়ির বাগানে ফেলে দেওয়া হবে। এটি একটি শান্ত অনুষ্ঠান ছিল: পার্টির সেই রাত্রি যে বন্ধুরা আমাদের পরিচয় করিয়েছিল, একজন বৌদ্ধ ভিক্ষু উইলি তাঁর এক শেষ রাতে গাঁজা নিয়ে তাঁর জানাজার জন্য পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং শ্যারন এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়েছিলেন; তিনি, আমি এবং একজন ভদ্রলোক যিনি আমার পরিবারের এক প্রাচীন বন্ধু হিসাবে পরিচয় করেছিলেন। তিনি কালো, লম্বা এবং শক্তিশালী ছিলেন এবং সিডনি পোয়েটিয়ারের মতো হাসি পেয়েছিলেন এবং তিনি আমাকে তাঁর সমবেদনা জানিয়েছেন। উইলি কখনই তাকে দেখতে পেলেন না, বা গল্পের শেষে শুনবেন।