||লেখকঃ মো আসাদ রহমান ||
||কোটচাঁদপুর ||ঝিনাইদহ||
part: 8
রিয়াঃ উনি এসেই আবার চলে গেলো।একটি বার আমার সাথে কথা ও বলল না।আকাশ স্যারের সাথে দেখে কি আবার রাগ করলো নাকি।মনে হয় না রাগ করেছে।করলে তো বুঝতে পারতাম।কথা যখন বলবে না তখন বিয়ে কেনো করলো।আমি তাকে জোর করেছিলাম নাকি।(😏😏😏)।অবশ্য একদিন হয়তো জোর করেই ফেলতাম। কারন তাকে যেদিন প্রথম দেখি সেদিনি তাকে ভালোলেগে গিয়েছিলো।আমি তার মতই একজন স্বামী চেয়ে ছিলাম।এখন পেয়েছি।তবু ও আমার মনে শান্তি নেই।সে এভাবে বিয়ে টা না করলে ও পারতো।তার জন্য আমার বাবা আজ আমার থেকে এতো দূরে।যে বাবা প্রতি ঘন্টায় ঘন্টায় ফোন দিয়ে আমার খোজ খবর নিতো। আজ সে বাবা আমার ফোন টা ও রিসিব করছে না।সব হয়েছে ঐ জলহস্তী' টার জন্য।
কিন্তু এখন আর কি করার ওনার সাথে তো আমার বিয়ে টা হয়েই গেছে।তাছাড়া এখন তো কোথায় যাওয়ার ও জায়গা নেই।তাই এখানেই আমাকে মানিয়ে নিতে হবে।তাকে স্বামী হিসেবে ও মেনে নিতে হবে। হয় তো কিছু দিন সময় লাগবে।তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে।
তানিয়াঃ আজ এতো তারা তারি তুমি এসে পরলে।
আকাশ ঃ তুমি না সকালে বললে তোমার শরীর খারাপ তাই চলে আসলাম।
তানিয়া ঃ খুব ভালো করেছো। তুমি না এলে আমিই তোমার অফিসে চলে যেতাম।(😊😊😉)
রাত ৮ টা,,,,
রিয়াদ ঃ অফিস থেকে বের হলাম। বাড়ির দিকে রওনা দিলাম।
তানিয়া আপুঃ রিয়া চলো আমরা ডিনার টা করে ফেলি।
রিয়াঃ না আপু আপনি করবো না আপনারা করে ফেলেন।
আকাশ ঃ কেনো রিয়া এখনি করে ফেলো।বেশি রাতে আবার খেতে ভালো লাগে না।
তানিয়া আপুঃ থাক ও না হয় পরে রিয়াদ এর সাথে খাবে।ওরা দুজন এক সাথে খেতে চায় বদ হয়।তাই না রিয়া?
রিয়াঃ( একটা মুচকি হাসি দিয়ে) হুম
আকাশ ঃ নেকামি দেখলে গা টা জ্বলে যায়।
রিয়াদঃ বাড়িতে পৌছে গেলাম।
তানিয়া আপুঃ ঐতো রিয়াদ এসে গেছে। তাহলে এক সাথেই সবাই ডিনার টা করে ফেলি।রিয়াদ তুই ফ্রেস হয়ে নিচে আস।
রিয়াদ ঃ কিছু বললাাম না উপরে চলে গেলাম।আমার মাথায় তো অন্য কিছু চলছে।
তানিয়া আপুঃ ওর আবার কি হলো। কিছু বলল না দেখি।রিয়া তুমি যাও তো ওকে নিয়ে এক সাথে খেতে এসো।
রিয়াঃ যাচ্ছি।তার আগে আপনাদের খাবার টা বেরে দিয়ে যাই।
তানিয়া আপুঃ ঠিক আছে।
খাবার টা বেরে উপরে চলে গেলাম।ঘরে ঢুকে দেখি উনি নেই।তাকে খুজতে লাগলাম। তখনি দেখি উনি আচমকা ওয়াস রুম থেকে বের হলেন।
রিয়াঃ আমি চমকে উঠলাম। আর বললাম।আপনাকে নিচে যেতে বলেছে খাবারের জন্য।বলেই চলে আসতে নিচ্ছিলাম।হঠাৎ পিছনে হাতে টান পরলো।পিছনে তাকালাম।তখনি উনি আমার হাত টা ধরে টান দিলেন।হঠাৎ টান দেওয়াতে আমি টাল সামলাতে পারলাম না তার বুকে যেয়ে পরলাম।উনি আমাকে জরিয়ে ধরলেন।
রিয়াঃ কি করছেন আপনি ছারুন।
রিয়াদ ঃ ছাড়ার জন্য কি ধরেছি নাকি।
রিয়াঃ মানে?
রিয়াদ ঃ মানে কাল তো বাসর টা করতে পারলাম না।তাই ভাবছি আজই করে ফেলি।
রিয়াঃ তার দিকে চোখ বড় বড় তাকিয়ে।কি বলছেন কি আপনি এসব আমাকে ছারুন। নিচে আপু অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য।
রিয়াদ ঃ ওর হাত দুটো দেয়ালের সাথে চেপে ধরলাম।ওর মুখের একদম কাছে আমার মুখ টা নিয়ে বললাম।আমি তোমায় বলেছি না কথা কম বলবে।আর আমি যা বলবো তাই করবে।
রিয়াঃ তার এতোটা কাছে আসতে আমি কেপে উঠলাম।এই প্রথম কোনো পুরুষ আমার এতো টা কাছে আসলো।তার মুখ আমার মুখের একবারে কাছে।হয়তো এক ইঞ্চির তফাত হবে।তার নিশ্বাস আমার মুখে বার বার আছরে পরছে। আমার মনে হচ্ছে কেউ আমার বুকে হাতুরি দিয়ে পিটাচ্ছে।।আমার পুরো শরির অবস হয়ে আসছে।উনিাকে দেখে মনে হচ্ছে সে কোনো নেশার ঘোরে আছে।আর সে নেশা টা আমি।তবু ও আমি নিজেকে ছাড়ানোর জন্য তাকে ডাক্কা দিলাম। কারন আমার এখনো কিছুটা সময় লাগব।সে কিছুটা সরে গেলেন।এই সুযোগে আমি পালিয়ে আসতে নিলাম।
রিয়াদঃ ও আমাকে ধাক্কা দিয়ে চলে যাচ্ছিলো।কিন্তু ওকে তো ছারা যাবে না তাই আবার ওর হাত টা ধরে ফেললাম।
রিয়াঃ তাকে ধাক্কা দিয়ে যেই না দরজার কাছে যাবো তার আগেই সে আমার হাত টা ধরে আবার দেয়ালের সাথে চেপে ধরলো।দেখুখুখুন,,,,,,,,
আর কিছু বলতে পারলাম না তার আগে সে তার ঠোঁট দিয়ে আমার ঠোঁট টা চেপে ধরলো।আমি নিজে কে ছাড়ানোর অনেক চেষ্টা করছি।আমি যতই নিজেকে ছাড়ানো চেষ্টা করছি উনি তোই আমাকে আরো জরে চেপে ধরছে তার ঠোট দিয়ে
তবু ও নিজেকে ছাড়ানোর জন্য অনেক চেষ্টা করছি।তার পুরো শরীর খামচে দিচ্ছি।কিন্তু একজন পুরুষের সাথে নারী কতো খন পারে।আমি ও পারলাম না।
রিয়াদঃ আমি যে ওর সাথে অভিনয় করছি তা আমি এক প্রকার ভুলেই গেছি।আমি যেনো ওর নেশায় পরে যেছি।যে নেশা আমার কাটছেই না, বরং আরো ঘাড়ো হচ্ছে।ও আমাকে খামছে ধরছে।আমার ঐ দিকে কোনো খেয়াল নেই।ওর নোখের আচর গুলো আমার নেশা আর ও বাড়ি তুলছে।আমি যে আমার মধ্যে নেই। কোথায় যেনো হারিয়ে যাচ্ছি।আমি ওকে কিস করছি আর ওর পিঠে স্লাইড করছি।
রিয়াঃ অনেক চেষ্টার পর যখন পারলাম না তখন নিজেকে তার কাছে ছেড়ে দিলাম।চোখ দুটো বন্ধ করে নিলাম।আমি ও যেনো কোন দুনিয়ায় হারিয়ে গেলাম।
রিয়াদ ঃ ওর ঠোঁট জোরা ছেড়ে দিলাম।কতো খন ধরে ছিলাম ঠিক বলতে পারবো না।আমি হাপাচ্ছি। ওর দিকে তাকালা।দেখলাম রিয়া হাপাচ্ছে না।ও সুধু কাপছে সাথে ওর ঠোঁট জোরা ও।রিয়া একি জায়গায় দারিয়ে আছে চোখ বন্ধ করে নিজের জামা খামচে ধরে।ওর ঠোট জোরা যেনো আমাকে ওর দিকে টানছে।নিজেকে আর সামলে রাখতে পারলাম না।ওকে কোলে উঠিয়ে বেডে নিয়ে গেলাম। ও এখনো চোখ বন্ধ করে আছে।আমি ওর মুখ কিস করলাম এরপর নিচের দিকে নামতে লাগলাম।ওর গলায় পাগলের মতো চুমু দিয়ে যাচ্ছি।
রিয়াঃ আমি ওনার প্রতি টা স্পর্শে কেপে কেপে উঠছি।আমি তাকে সরাতে চেয়ে ও পারছি না।আমার শরীরে যেনো কোনো শক্তিই অবশিষ্ট নেই।তার প্রতি টি ছোয়া আমাকে পাগল করে দিচ্ছে।আমি সুধু বিছানার চাদর টা খামচে ধরে আছি।
অবশেষে আমরা দুজনেই ডুব দিলাম ভালোবাসার সাগরে।
আকাশ ঃ রিয়া তো প্রায় দু ঘন্টা হলো রিয়াদ কে ডাকতে গেছে।এখনো তো এলো না।
তানিয়া ঃ রিয়াদ হয়তো খুব টায়য়ার্ড।তাই ও বিশ্রাম নিচ্ছে।তাই হয়তো রিয়া ও ওর জন্য অপেক্ষা করছে।এক সাথে খাবে সেই জন্য।
আকাশ ঃ তবু ও একটু দেখে আসা উচিত। ( আমার কেমন যেনো লাগছে।রিয়ার সাথে রিয়াদ এতোখন কি করছে এক ঘরে)🤔🤔
তানিয়াঃ তুমি কি পাগল হলে নাকি ওদের নতুন নতুন বিয়ে হলো কেবল।এখন সবাই একটু একা একা থাকতে চায়।চলো তুমি ঘরে চলো।
তানিয়া আকাশের হাত ধরে ঘরে নিয়ে গেলো।
রাত ১০ঃ৪৫
তানিয়া ঃ রাত তো অনেক হলো ওদের এখনো ডিনার করতে যেতে দেখলাম না।ওরা কি আবার ঘুমিয়ে পরলো নাকি।যাই দেখে আসি।
রিয়াঃ আমি তার বুকে মুখ লুকিয়ে শুয়ে আছি।তার বুকে শুয়ে থাকতে আমার ভালো লাগছে।মনে হচ্ছে এখানেই আমার সব চেয়ে শান্তির স্থান।
রিয়াদঃ রিয়া।
রিয়াঃ হুম
রিয়াদ ঃ আমার দিকে তাকাও।
রিয়াঃ পারবো না( রিয়াদের বুকে মুখ লুকিয়ে)
রিয়াদঃ কেনো?
রিয়াঃ যানি না(🙈🙈🙈)
রিয়াদঃ এখনো লজ্জা পাচ্ছো।( হাসি দিয়ে)তোমার লজ্জা এখনো ভাঙ্গে নি।বুঝেছি তোমার লজ্জা কাটাতে আমার আরো কষ্ট করতে হবে(দুষ্টমি হাসি দিয়ে)
রিয়াঃ কে বলেছে আপনাকে কষ্ট করতে।(🙊🙊🙊)
এমন সময় তানিয়া আপুর ডাক।
তানিয়াঃ রিয়াদ রিয়া তোরা কি ঘুমিয়ে গেলি নাকি।সেই কখন রিয়া তোকে ডাকতে আসলো এখনো ডিনার করতে গেলি না।
রিয়াদ ঃ না আপু ঘুমাই নি একটু টায়ার্ড ছিলাম তো তাই শুয়ে আছি তুমি ঘরে যাও আমরা ডিনার করে নিবো এলটু পরে।
তানিয়ে আপু চলে গেলো।
রিয়াদ ঃচলো ফ্রেস হয়ে নেই।ডিনার করতে যেতে হবে।
রিয়াঃ (এই অবস্থায় তার দিকে তাকাতে ও আমার লজ্জা করছে।এখন কিনা তার সাথে ফ্রেস হবো।)আমি ডিনার করবো না।আপনি করে আসেন।
রিয়াদ ঃ ঠিক আছে তোমার যেতে হবে না আমি তোমার আর আমার ডিনার ঘরে নিয়ে আসছি।তুমি উঠে ফ্রেস হয়ে নিয়ো।
উনি আমার কপালে চমু দিয়ে উঠে ফ্রেস হয়ে নিচে চলে গেলেন।
আমি ভাবছি আজ তো উনি এক প্রকার জোর করেই আমার সাথে এগুলো করলো। আমার তো এখন কান্না করার কথা।কিন্তু না আমি তো কান্না করছি না বরং সব কিছু খুব সহজেই মেনে নিলাম।তাহলে আমি ও কি মনে মনে এই টাই চাইতাম।(হয় তো বা)
আমার শরীরে এক টুকরো কাপর ও নেই তাই গায়ে যে চাদর টা ছিলো ঐটা পেচিয়েই ওয়াস রমে চলে গেলাম ফ্রেস হতে!
রিয়াদঃ যা চেয়েছিলাম তাই হয়েছে।এখন রিয়া আমার জীবন থেকে চাইলে ও কখনো বের হতে পারবে না।তবু ওকে বিশ্বাস করা যায় না।রিয়া কে সব সময় আমার কাছা কাছি রাখতে হবে।যাতে করে ও আমার চোখ ফাকি দিয়ে কিছু করতে না পারে।ওকে এতো এতো ভালোবাসা দিবো যাতে ও স্বপ্নে ও আকাশ ভাইয়া কে নিয়ে না ভাবে।কাল থেকে ও আমার সাথে অফিসে যাবে।
বলতে হবে মেয়েটা কিন্তু অনেক ভালো।ওর জায়গায় অন্য কেউ হলে আমাকে এতো সহজে মেনে নিতো না বিশেষ করে আজকে যে কাজ টা করেছি তা তো কখনোই না।ওর যদি আকাশ ভাইয়ার সাথে সম্পর্ক না থাকতো তাহলে হয়তো আমি ওকে সত্যি সত্যি ভালোবেসে ফেলতাম।
রিয়াঃ ফ্রেস হয়ে রুমে প্রবেশ করলাম।সামনে উনি দারিয়ে আছে খাবার প্লেট হাতে।তাকে দেখে তো আমার মাটিতে মিসে যেতে ইচ্ছা করছে লজ্জায়। আমি সোজা বেডে যেয়ে শুয়ে পরলাম।
রিয়াদঃ কি ব্যাপার তুৃমি শুয়ে পরছো কেনো।খাবে না।
রিয়াঃ না।
রিয়াদ ঃ এটা কেমন কথা খাবেনা মানে কি।
জোর করে বসালো।
রিয়াঃ আমি খাবো না বললাম তো।
রিয়াদ ঃ তোমার খেতেই হবে।বলে ওকে জোর করে খাইয়ে দিলাম।আমি ও খেলাম।
রিয়াঃ আপনি কোথায় ঘুমাবেন।
রিয়াদ ঃ কোথায় ঘুমাবো মানে। আমি তোমার সাথে এই খাটেই ঘুমাবো।
রিয়াঃ না আমি আপনার সাথে এক খাটে ঘুমাতে পারবো না।আমার লজ্জা লাগে(🙈🙈🙈🙈)
রিয়াদঃ এখনো এতো লজ্জা।তুমি না আসলেই।লাইট টা অফ করে ওকে জোর করে জরিয়ে ধরে শুয়ে পরলাম।রিয়া কাল থেকে তুমি আমার সাথে অফিসে যাবে।
রিয়াঃ মানে আপনি তো আমাকে অফিসে যেতে না করছেন।এখন যেতে বলছেন কেনো?
রিয়াদ ঃ (তখন কি যানতাম তুমি বাড়িতে বসে বসে আকাশ ভাইয়ার সাথে প্রেম করবে)না আসলে তোমাকে ছাড়া অফিসে মন বসে না তাই।
রিয়াঃ হুম ঢং দেখে আর বাচি না।আপনাকে একটা কথা বলি।
রিয়াদ ঃ হুম বলো।
রিয়াঃ আপনি আমায় কেনো বিয়ে করেছেন।
রিয়াদ ঃ (এখন কি বলি।সত্যি টা তো বলা যাবে না।)মানুষ কেনো বিয়ে করে বলত।আমি তোমাকে ভালোবাসি তাই বিয়ে করেছি বুঝছো।
রিয়াঃ হুম বুঝলাম কিন্তু আপনি আমাকে কখনো বলেন নি।আর জোর করে কেনো বিয়ে করলেন আমাকে তো একবার বলে দেখতে পারতেন।
রিয়াদঃ তুমি যদি আমাকে না করে দেও তাই বলার সাহস পাই নি।আমি ভেবেছিলাম তুমি হয়তো আমাকে বিয়ে করতে রাজি হবে না।
রিয়াঃ আপনার একটা ভুল ধারনার জন্য আজ আমি আমার পরিবার থেকে দুরে।আপনি যদি একবার আমার বাবার সাথে কথা বলে নিতেন তাহলে আজ এই দিনটা দেখতে হতো না (বলেই কেদে দিলাম)
রিয়াদ ঃ প্লিজ তুমি কান্না করো না। আমি যখন তোমাকে তোমার পরিবার থেকে দূর করেছি তখন আমিই তোমাকে তাদের কাছে নিয়ে যাবো।ভাইয়া আর আপু কে মালোশিয়া পাঠিয়েই তোমাকে ও তোমার বাবার কাছে পাঠিয়ে দিবো।
রিয়াঃ বাবার কাছে পাঠিয়ে দেবেন মানে(😰😰😰)
রিয়াদঃ( মুখ ফসকে এটা কি বলে ফেল্লাম) না মানে আমি বলতে চাইছিলাম তোমাকে তোমার বাবার কাছে নিয়ে যাবো।
রিয়াঃ ও আচ্ছা। আর আপনি তানিয়া আপু আর আকাশ ভাইয়া কে কোথায় পাঠাবেন।
রিয়াদ ঃ ওনাদের মালোশিয়া তে পাঠাবো। ঐ খানে আমাদের কোম্পানি আছে সেখান কার কাজে।
রিয়াঃ মন টা খারাপ করে দিলনে তানিয়া আপু কে খুব মিস করবো।
রিয়াদ ঃ তানিয়া আপু কে না আকাশ ভাইয়া কে মিস করবে( মনে মনে)কি করবে বলো ঐখানে ও তো কাওকে দরকার ব্যবসা সামলানোর জন্য।
রিয়াঃ হুম(😞😞😞)আপনি কিন্তু আজকের কাজ টা মটে ও ঠিক করেন নি।আমার আর ও কিছু টা সময়ের দরকার ছিলো(😞😞)
রিয়াদ ঃ ও তোমাকে সময় দেই আর এই সুজোগে তুমি আকাশ ভাইয়া কে নিয়ে পালাও(মনে মনে)তোমাকে দেখে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারনি নি সরি। এখনো কি সময় লাগবে( একটা হাসি দিয়ে)
রিয়া ঃ এখন আর সময় নিয়ে কি করবো।
রিয়াদ ঃ আমার লক্ষী বউ বলে ওর কপালে একটা ভালোবাসার পরশ একে দিলাম।ঘুমিয়ে গেলাম ওকে জরিয়ে ধরে।
সকালে।
রিয়াঃ সূর্যের আলো আমার মুখে এসে পরছে।ঘুম টা ভেন্ঙে গেলো।আমার পাশে তাকাল।দেখি জলহস্তী' টা নেই।ভালোই হয়েছে।উনি সামনে থাকলে আমার কেমন যেনো লাগে।হঠাৎ খেয়াল করলাম কে যেনো ওয়াস রুম থেকে বের হচ্ছে।হে আমার বর টাই বের হলো টাওয়েল পড়ে।ভেজা চুল।পুরো শরীর বেয়ে বেয়ে পানি পরছে।আমি ওনাকে দেখে কিছুটা লজ্জা পেলাম।আমি অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে ফেললাম।
রিয়াদ ঃ ওয়াস রুম থেকে বেরিয়েই দেখলাম রিয়া বেডে বসে আছে। আমাকে দেখেই অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে ফেলল।কি হলো আবার মেয়ে টার।রিয়া এই রিয়া তুমি এমন ভাবে অন্য দিক হয়ে বসে আছো কেনো।
রিয়াঃ আপনি এরকম ভাবে ওয়াস রুম থেকে বের হলেন কেনো।
রিয়াদ ঃ কি ভাবে বের হলাম।
রিয়াঃ এই যে সুধু টাওয়েল পরে(🙈🙈🙈)
রিয়াদ ঃ ও তোমার বুঝি লজ্জা করছে।(এই মেয়েটা এতো লজ্জা পায় কেনো,)
রিয়াঃ এরকম ভাবে বের হলে লজ্জা পাবো না তো কি করবো।
রিয়াদ ঃ হয়েছে হয়েছে আর লজ্জা পেতে হবে না।তারা তারি ফ্রেস হয়ে নিচে এসো।নাস্তা করে অফিসে যেতে হবে।
রিয়াঃ আপনি এখান থেকে আগে যান তারপর।
রিয়াদ ঃ তুমি ও না।আচ্ছা যাচ্ছি। আজ রাতেই তোমার সব লজ্জা শেষ করে দিবো( একটা দুষ্টমি হাসি দিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেলাম)
রিয়াঃ চলে গেছে।যাওয়ার আগে এটা কি বলে দিলো রাতে আমার সব লজ্জা দূর করে দিবে। কি ভাবে দূর করবে।দুর রাতের টা রাতে দেখা যাবে।এখন শাওয়ার টা নিয়ে আসি।রেডি হতে হবে তো আবার।তারা হুরো করতে গিয়ে জামাটা ও নিতে ভুলে গেছি।আমি তো পুরো ভিজে গেছি।এখন কি করি।জলহস্তী' টা যদি ঘরে থাকে।
ওয়াস রুমের দরজা টা একটু খুললাম।চারিদিকে তাকাল না জলহস্তী' টা নেই।টাওয়েল টা পেচিয়ে বের হলাম।কাপড় গুলো নিতে যাবো এমন সময় আয়নার দিকে চোখ গেলো।ইস আমার ঘাড়ে দেখি একটা দাগ। কাল রাতের ঘটনা টা মনে পরে গেলো।খুব লজ্জা লাগছে।।এখন দাগ টা লুকাই কি করে।
এমন সময় আমাকে কে যেনো জরিয়ে ধরলো।আমি তো ভয় পেয়ে গেলাম, আবার কি আকাশ স্যার জরিয়ে ধরলো।
চলবে।।।।।।।।।।
বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
রোমান্টিক অত্যাচার
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন