শেষ পাঠ
.
আহিয়াদের ঘড়ে ডুকতে যাব
তখনই দেখলাম অনেক গুলো
মেয়ে আমার রাস্তা আটকাল ৷
আহিয়া- কিরে তরা রাস্তা
আটকাচ্ছিস কেন?
একটা মেয়ে- আপু তুমি ঘড়ে
আস ৷
আহিয়াকে টেনে মেয়েটা
ঘড়ে ডুকাল,,,
রুপা(আহিয়ার বোন)- ভাইয়া
টাকা না দিয়ে ঘড়ে ডুকতে
পারবেন না ৷
আমি- কিসের টাকা রে সালি?
রুপা- ভাইয়া আপনি আমাকে
গালি দিলেন?(অবাক হয়ে)
আমি- আরে আমি তকে গালি
দিতে যাব কেন? বউয়ের বোনকে
তো সবাই
সালি বলেই ডাকে ৷
রুপা- অহ...আমি আরো ভাবছি
গালি দিছেন ৷
অন্য আরেকটা মেয়ে- আরে
অইসব এখন বাদ দে রুপা ৷
আগে আমাদের টাকাটা নিয়ে
নেই, তারপরে নাহয় কথা হবে
অইসব সালি আর গালি নিয়ে ৷
মেয়ে- দেন দুলাভাই তাড়াতামেয়ে- দেন দুলাভাই তাড়াতাড়ি
টাকাটা দিয়ে গড়ে আসেন ৷
আমি- কিন্তু আমি তো টাকা
সাথে আনি নাই? ATM কার্ড আছে,
নাও এইটা নিয়ে টাকাটা
তুলে নিয়ে আস ৷
মেয়ে- লাগবে না ভাইয়া আপনি
পরে দিয়ে দিয়েন ৷
তারপর সবাই আমার হাত ধরে
টেনে ঘড়ে ডুকাল,,,
শাশুরিকে সালাম করার পর,,,
সবাই আমাকে আহিয়ার রুমে
নিয়ে গেল ৷
সালি গলো আমাকে এখনই যে
রকম ভাবে টানাটানি শুরু করছে,
না জানি বাকী দুইদিন কি করবে,
হয়তো টেনে টেনে ছিড়েই ফেলবে ৷
আমাকে রুমে ডুকিয়ে দিয়ে
ওরা চলে গেল ৷
আমি আহিয়াকে বললাম,,,
আমি- এই আহিয়া তোমার এত্তগুলা
বোন কেন গো? তোমার আব্বু আম্মু
মনে হয় অনেক রোমান্টিক ছিলেন তাই
এত্তগুলা !!
আহিয়া- তোমার মাথায় সব সময় শুধু
আজেবাজে চিন্তা,
ওরা সবাই আমার বোন না?
শুধু রুপাই আমার আপন বোন,
আর সবাই আমার কাজিন ৷
আমি- অহ,,,আমি আরও ভাবছিলাম
সবকটি তোমার আব্বুরই ফসল,,
যাই বল না কেন তোমার কাজিন
গুলা না এক একটা হেব্বি সুন্দর ৷
আহিয়া- কি বললি?(আমার কলার ধরে)
আমি ছাড়া অন্য মেয়ের দিকে
তাকাবি তো চোখ তুলে ফেলব ৷
ওরে বাবারে বাবা কি গুন্ডি মেয়ে
(মনে মনে)
মূখে বললাম,,,
আমি- কথায় কথায় শুধু রাগ কর কেন?
আমি তো এমনি মজা করলাম ৷
আহিয়া- কি বললি আমি কথায়
কথায় রাগ করি?
আমি- হুম..করই তো ! এই যে
এখন তো রাগ করেই কথাটা বললা ৷
আহিয়া- তুই আমাকে রাগাস
বলেই তো আমি রেগে যাই ৷
যা তর সাথে কথা নাই ৷
আমি- ওলে আমাল মিষ্টি, রাগী বউ,
রাগ করে না বাবু, তুমি না আমার
মিষ্টি বাবুনি,,
এই বলেই আমি ওকে কাতকুতু দিতে
লাগলাম,
আহিয়া- এই ছাড় বলছি ছাড়(হাসতে
হাসতে)
হঠাৎ সালি গুলা এসে বলল,,
দুলাভাই রোমান্স পরে কইরেন
এখন খেতে চলেন ৷
আমি- সালিরা,,,পরের বার রুমে ডুকার
আগে
একটু নক করে ডুকবেন ৷
কারণ বুঝই তো নতুন নতুন
বিয়ে রুমের ভিতরে কখন কি চলে ৷
একটা সালি- দুলাভাই আপনিও পরের
বার রোমান্স করার আগে দরজাটা
লক করে কইরেন ৷
বলেই সবাই হাসতে লাগল,,,
আহিয়া লজ্জায় লাল হয়ে বলল,,,
আহিয়া- এই তরা কি শুরু করছিস ৷
যা তরা আমরা আসছি !!
তারপর দুজন ফ্রেশ হয়ে দুপুরের
খাবার খেতে আসলাম !!
সবাই মিলে আমার পেল্টে সব
খাবার তুলে দিচ্ছে ৷
সালি গুলা আমার মূখে একেক
ধরনের খাবার গুজে দিচ্ছে ৷
কি খাবারই না খাইলাম আমার
জীবনেও মনে হয় এত্তগুলা খাবার
একসাথে খাই নাই ৷
যদি এটাকে জামাই আদর বলে,
তাহলে জীবনেও আসব না
শশুর বাড়ী এই রকম জামাই
আদর খেতে !!
....
রাতে সালিদের সাথে আড্ডা
দিতে দিতে কখন যে 12টা বেজে
গেল খেয়ালই করি নাই ৷
রুমে গিয়ে দেখি আহিয়া বিছানা
ঠিক করছে ৷
আহিয়া আমার দিকে তাকিয়ে বলল,,
আহিয়া- সালিদের পেয়ে বউকে ভূলে গেলে?
আহিয়াকে পেছেন থেকে জরিয়ে ধরে
বললাম,,,
আমি- আমার মিষ্টি বউটাকে কি
কখনো ভূলতে পারি??
তোমার ফাজিল বোন গুলা
ছাড়ছিলই একেক জন একেক রকমের
প্রশ্ন করছিল ৷
আহিয়া- আচ্ছা যাও ফ্রেশ হয়ে
চেইন্জ করে আস ৷
...
ফ্রেশ হয়ে ওয়াস রুম থেকে বের হয়ে
এসে দেখি আহিয়া বসে বসে কি যেন
ভাবছে ৷
আমি বললাম,,,
আমি- কি ভাবছ?
আহিয়া- কিচ্ছুনা ৷
আমি- আচ্ছা বউ,,,আজকে কি ম্যাচ
খেলব গো? ক্রিকেট না ফুটবল?
আহিয়া লজ্জায় লাল হয়ে বলল,
আহিয়া- যাহ...অসভ্য কোথাকার,
ম্যাচ মানে কি?
আমি- কালকে রাতে যেইটা
খেলছিলাম অইটা ৷ চল আজকে
আমরা ক্রিকেট খেলি, টেস্ট খেলব
কিন্তু, লম্বা ইনিংস ৷
আহিয়া লজ্জা পেয়ে আমার বুকে
মূখ লুকাল ৷
......
তারপর আরও একদিন আহিয়াদের
বাড়িতে থেকে চলে আসলাম
আমাদের বাড়িতে ,,,,
ঘড়ে ডুকেই বড় ধরনের একটা শকড
খেলাম !!
এই মেয়েটা এখানে কি করছে???
.
#চলবে
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন