রাগী মেয়ে এখন বউ
২য় পাঠ
মোঃআসাদ রহমান
কোটচাঁদপু,ঝিনাইদহ
.
সকালে শান্তিতে ঘুমাচ্ছিলাম,,,
কারণ আজ আমাদের বৌভাতের অনুষ্টান
হবে না ৷
আজ আব্বুর কম্পানিতে একটা
প্রজেক্টের কাজ পরে যাওয়াতে
সামনের সপ্তাহে অনুষ্টা সামনের
সপ্তাহে অনুষ্টাসপ্তাহে অনুষ্টান হবে !
....
আমার শান্তির ঘুম মনে হয় ওদের
সহ্য হচ্ছে না,,, রুমের দরজাতে কে যেন
ধাক্কা দিয়ে ডাকতেছে ,
আমি সেদিকে কান না দিয়ে শান্তিতে
ঘুমাচ্ছি !
আহিয়াকে দেখলাম দরজা খুলার জন্য
উঠতেছে,
আহিয়া যেই বিছানা থেকে উঠে দাড়াল
তখনই আমি ওর হাত ধরে টান দিয়ে আমার
উপরে আনলাম,,,
আহিয়া- এই কি করছ কি? ছাড় দরজাতে কে
যেন ডাকতেছে ৷
আমি- না ছাড়ব না, এই বলে আমি
আহিয়াকে আরও শক্ত করে জরিয়ে
দরলাম ৷
আহিয়া- ছাড় বলছি, পিল্জ ছেড়ে দাও ৷
আমি- ছাড়তে পারি, কিন্তু একটা শর্তে,
আগে একটা কিস দাও !
আহিয়া- নাহ এখন আমি পারব না ৷
আমি- তাহলে আমিও ছাড়ব না ৷
আহিয়া আমাকে গালে একটা কিস
দিয়ে নিজেকে আমার থেকে ছাড়িয়ে
দরজা খুলল !
আমি তাকিয়ে দিয়া(আমার ছোট বোন)
রুমে ডুকে বলল,
দিয়া- কি ভাবী দরজা খুলতে এত দেড়ি
করলে কেন? আমি সেই কখণ থেকে ডাকছি
আর তোমাদের কোনো সারাই নাই ৷
আহিয়া- সরি,,,বোন আসলে ঘুমিয়ে ছিলাম
তো তাই শুনতে পারি নাই ৷ (মিথ্যা বলল)
দিয়া- আরে ভাবী এতে সরি বলার কি
আছে? যাও তুমি ফ্রেশ হয়ে আস আমি
ভাইয়াকে তুলছি,
এই ভাইয়া তুই এখনও উঠছিস না কেন?
আম্মু ডাকছে তাড়াতাড়ি নিচে আয় ৷
আমি- এই বুড়ি সক্কাল সক্কাল কি শুরু
করলি, একটু ঘুমাতে দেনা ৷
দিয়া- সবাই নাস্তা নিয়ে বসে আছে
তোদের জন্য ৷
আমি- আচ্ছা তুই যা আমি উঠছি !
....
কালকের ধকলে আমার অনেক ঘুম পাচ্ছে
তাই আবারও ঘুমিয়ে পড়লাম !
কিছুক্ষণ পর আহিয়া এসে ডাকতে লাগল,,,
আহিয়া- এই উঠ না,,,
আমি আস্তে আস্তে চোখ খুলে তাকিয়ে
দেখলাম আহিয়া বেজা চুলে তুয়ালে
জরিয়ে হাতে একটা শাড়ী নিয়ে
দাড়িয়ে আছে ৷
আমি বললাম,,,
আমি- কি হল ?
আহিয়া- শাড়ীটা পড়িয়ে দাও না ৷
আমি- কালকে রাতের মত পেছিয়ে পড়ে
নাও (মজা করে বললাম)
আহিয়া রাগ করে শাড়ীটা আমার উপর ছুড়ে
ফেলে বলল,,,
আহিয়া- তাহলে আমি এবাবেই নিচে যাই,
তুয়াল পড়ে ৷
বলেই হাটতে লাগল দরজার দিকে,,
আমি- আরে আরে কোথায় যাচ্ছ পড়িয়ে
দিচ্ছি ত, আমি তো এমনি মজা করলাম ৷
তাড়াতাড়ি পড়িয়ে দেওয়াই ভাল, যে রাগী
মেয়ে সথ্যি সথ্যিই চলে যাবে নিচে ৷
আহিয়া একটা হাসি দিয়ে বলল,,,
আহিয়া- হুম,,,তাড়াতাড়ি পড়িয়ে দাও নিচে
সবাই অপেক্ষা করছে ৷
....
তারপর আহিয়াকে শাড়ী পড়িয়ে দিয়ে আমি
নিজেও রেডি হয়ে নিচে চলে আসলাম,,,
আহিয়া আম্মুকে সালাম করল,,
আমি টেবিলে বসে নাস্তা করতে শুরু
করলাম ৷
আহিয়াও আমার পাশের চেয়ারে এসে বসল
৷
আমার অন্য পাশের চেয়ারে বসা ছিল
আমার বড় বোনের বর,,,
দুলাভাই আমাকে আস্থে আস্থে বলল,,,,
দুলাভাই- তা সালাবাবু কালকে বিলাই
কেমন মারলে ৷(আহিয়াও শুনল কথাটা)
আমি- হুমম...মারলাম ভালই, এত বড়
বিলাই যে মারতে হবে সেটা আমি আগে
জানতাম না ৷
দুলাভাই হাসতে লাগল...
এদিকে আহিয়া আমার পায়ে দিল এক লাত,,,
আমি- আওওওও(একটু জুরেই চিৎকার
দিলাম)
আম্মু- কিরে কি হল ?
আমি- আরে বিড়ালে লাত্তি,,,,না মানে
আছড় দিছে ৷
আহিয়ার দিকে তাকিয়ে দেখলাম সে লজ্জা
আর রাগে লাল হয়ে গেছে ৷
আম্মু- সেকি রে...দেখি দেখা তো কি
হয়েছে ৷
আমি- আরে আম্মু কিচ্ছু হয় নাই ৷
বিড়ালটা বেশি জুড়ে আছড় দেয় নাই ৷
আম্মু- আস্থে দিছে আর জুরে,,,আছড়
তো দিয়েছে ,যা ঔষধ লাগিয়ে নে না হলে
পরে সমস্যা হতে পারে ৷
বউমা যাও তো ওকে ঔষধ লাগিয়ে দাও ৷
আহিয়া- রুমে আস ঔষধ লাগিয়ে দেই (দূষ্ট
হাসি দিয়ে)
বলেই আহিয়া রুমের দিকে হাটতে লাগল,,,
দুলাবাই- যাও সালাবাবু ঔষধ লাগিয়ে আস
(হাসি দিয়ে)
আমি সিরি বেয়ে উপরে উঠে আমার রুমের
পাশে গিয়ে ভয়ে ভয়ে বললাম,
আমি- আসতে পারি?
আহিয়া- হুম আসুন আসুন আপনার জন্যই
অপেক্ষা করছিলাম ৷
আরে এত দূরে দাড়িয়ে আছ কেন
আমার পাশে আস,,,
আহিয়ার পাশে যেতেই আহিয়া আমাকে
ধাক্কা দিয়ে বিছানাতে ফেলে আমার উপরে
উঠে এসে বসল,,,
আহিয়া- আমি বিড়াল তাই না,,,দেখাচ্ছি
তোমাকে বিড়াল কি করতে পারে,,,
বলেই আহিয়া আমার গালে হাতে গলায়
কামার দিতে লাগল,,,
আহিয়া আমাকে যে রকম ভাবে কামর
দিচ্ছে ব্যথা লাগার ছেয়ে উল্টা আরাম
লাগছে,,,
হঠাৎ দিয়া রুমে এসে ডুকল,,,
আহিয়া লজ্জা পেয়ে আমার উপর থেকে
সরে বসল,,,
দিয়া- সরি,,,সরি তোমাদের ডিসট্রাব
করার জন্য (চোখে হাত দিয়ে)
আম্মু বলছে তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নিতে ৷
আজ নাকী তোমরা ভাবীদের বাড়িতে
যাবে ৷
এই কথাটাই বলতে আসছিলাম,,,
বলেই এক দৌর দিয়ে চলে গেল ৷
.....
আমরা রেডি হয়ে, আম্মুর কাছ থেকে
বিদায় নিয়ে চলে আসলাম আহিয়াদের
বাড়িতে,,,,
ওদের ঘড়ে ডুকতে যাব তখনই খেলাম একটা
ধাক্কা,,,,,,,!
.
#চলবে
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন