👉 বাল্য কালের বউ👈
লেখকঃ মোঃ আসাদ রহমান 💕💕
"কোটচাঁদপুর " ঝিনাইদহ "
বিয়ে করেছি আলাদা রুমে থাকার জন্য নাকি, আজ আমাদের বাসর রাত সুতুরাং আজকে আমি আর তুমি দুজুনে সারা রাত রোমান্স করবো। আমাদের আগামীর দিন গুলি কি করে কাটাবো সেই বিষয় নিয়ে আলাপ করবো। আর তানা করে তুমি বলছো আমি অন্য রুমে গিয়ে থাকতাম। তসিবাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে এই কথা গুলা আমি ওকে বলতেছি। (আমি)
তসিবা:- আমাকে ছারো বলছি তানা হলে কিন্তু ভালো হবেনা।
আমি:- তুমি কি করতে পারবে তা আমি ভালো করে জানি। এখন চুপ করে থাকো আমি তোমাকে একটু আদর করি বলে তসিবার কপালে একটা চুমু খেয়েছি।
তসিবা:- জোর করে তুমি সব কিছু করতে চাচ্ছো তাহলে তুমি আমাকে,, তখনি আমি তসিবাকে ছেরে দিয়ে সোজা দাঁড়িয়ে গেছি।
আমি:- ছিঃ তোমার মন মানশিকথা এতটা নিছ তা আমি ভাবতেও পারিনি।
তসিবা:- আমার মন মানশিকথা তোমার চাইতে অনেক ভালো। তুমি তো বেহায়া তোমার লাজ লজ্জা বলতে কিছু নেয়। তোমাকে না করলেও তুমি শোনতে চাওনা।
আমি:- ঠিক আছে আজ থেকে আমি তোমাকে কোনদিন ধরবোনা তুমি চাইলেও টাচ্ করবোনা।
তসিবা:- ঠিক আছে কথাটা মনে থাকে যেন।
আমি:- হ্যা থাকবে, এখন একটা কথা বলবো?
তসিবা:- হ্যা বলো কি কথা?
আমি:- তোমার শাড়িটা খুলবে?
তসিবা:- কি বললে তুমি বলে আমাকে থাপ্পর দিতে চাইছে আমি তসিবার হাতটা ধরে বলছি,,
আমি:- আরে ময়না পাঁখী রাগ করছো কেন শুধু এই শাড়িটা খুলে আমার এই লাল শাড়িটা পরবে।
তসিবা:- আমি শাড়ি পড়তে পারিনা আর তোমার দেওয়া কোন কিছুই আমি পরবোনা।
আমি:- সমস্যা নেয় আমি শাড়ি পরাতে পারি যদি তুমি নিজে না পরো তাহলে আমি তোমাকে পরিয়ে দিব।
তসিবা:- আমি এখন চেচাবো যদি তুমি বেশি বেশি করো।
আমি:- চেচালে ভালোই হবে বলবে বর বউ বাসর জমে ওঠেছে।
তসিবা:- তোমাকে আমি বর বলে মেনে নিবনা কোন দিন।
আমি:- তা পরে দেখা যাবে এখন আসো তোমাকে শাড়ি পরা শিখাবো। তসিবার আগের শাড়িটা খুলে আমি আমার দেওয়া লাল শাড়িটা পরিয়ে দিতেছি তসিবা চুপ করে দাড়িয়ে আছে।
তসিবা:- তুমি বলবে আমি ঐ রকম ভাবে পরবো ভূলেও আমার শরীলে টাচ্ করবেনা বলে দিলাম।
আমি:- ঠিক আছে দিবনা, আমি বলতেছি তসিবা ঐ রকম ভাবে শাড়িটা পরেছে, যখন কচির কাছে এসেছে।
তসিবা:- শাড়িটার কচি করে দাও আমার হাতে।
আমি:- ঠিক আছে দিতেছি, শাড়িটা কচি করি একদম তসিবার কাছে চলে এসেছি আমি তসিবার পেটের দিকে তাকিয়ে আছি।
তসিবা:- কি দেখছো এমন করে এর আগে কোন মেয়ের পেট দেখোনি?
আমি:- না দেখিনি তবে তোমার পেট অনেক সুন্দর একটু ধরতে ইচ্ছে করছে।
তসিবা:- এই ভূলেও ধরবেনা বলে দিলাম। দাও কচিটা আমার হাতে দাও।
আমি:- ঠিক আছে ধরতেছিনা তবে তুমি পরে চাইলেও আমি ধরবোনা বলে দিলাম।
তসিবা:- আমি কোনদিন চাইবোনা তোমাকে দিয়ে আমার পেট ধরাতে। এখন এত কথা না বলে তুমি রুম থেকে বের হও।
আমি:- বলছিনা তোমাকে ছারা একটা রাত কোথাও থাকবোনা এখন তোমাকে একটু দেখি। তসিবাকে ধরে আয়নার কাছে নিয়ে গেছি। তসিবা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছে আমি পেছনে দাঁড়িয়ে আছি। বাহা তসিবা তোমাকে খোব সুন্দর লাগছে, মনে হচ্ছে আঁকাশ থেকে লাল পরি নেমে এসেছে।
তসিবা:- পাম দিলেও কোন কাজ হবেনা আমি যেইটা বলছি সেইটা তারা তারি করো। আমার অনেক ঘুম পাচ্ছে, এখন আমি ঘুমাবো।
আমি:- ঠিক আছে আমি খাঠের উপর শুয়ে পরি আর তুমি নিচে শুয়ে পরো যেহেতু তুমি আমার সাথে থাকতে চাওনা এক খাঠে।
তসিবা:- আমার বাড়ী আমার রুম আমার সব কিছু আর আমি নিচে ঘুমাবো?
আমি:- ঠিক আছে আমি তাহলে খাঠের ঐ পাশে শুয়ে থাকি তুমি এই পাশে শুয়ে পরো। আমাকে তুমি বিশ্বাষ করতে পারো আমি এমন কোন কাজ করবোনা যেইটা তুমি কষ্ট পাও।
তসিবা:- ঠিক আছে তাহলে আমি তোমাকে বিশ্বাষ করলাম। তবে যদি বিশ্বাষের অমর্যাদা করো তাহলে আমি তোমাকে কোন দিন ক্ষমা করবো না।
আমি:- ঠিক আছে, আমি খাঠের এক পাশে শুয়ে আছি আর তসিবা অন্য পাশে, তবে মাঝ খানে একটা বড় কুল বালিশ দিয়ে রাখছে।
তসিবা:- আচ্ছা সোহেলকে পুলিশ ধরে নিয়েছে কেন?
আমি:- জানিনা তবে সকালে তোমার আব্বুর কাছ থেকে যেনে নিও কেমন।
তসিবা:- আমি সোহেলকে অনেক ভালোবাসি ওকে এখন আমি কি বলবো?
আমি:- যখন সামনে আসবে তখন বলিও এখন চিন্তা করে ঘুম নষ্ট করার কোন মানে হইনা।
তসিবা:- আচ্ছা তুমি তো রিয়াকে ভালোবাসো তাহলে আমাকে বিয়ে করেছো কেন?
আমি:- কখন বলছি আমি রিয়াকে ভালোবাসি?
তসিবা:- রিয়া আমাকে বলে গেছে তুমি ছাদে রিয়াকে আই লাভ ইউ বলেছো এখন মিথ্যা কথা বলতেছো তুমি?
আমি:- আরে দুর রিয়া বেশি বুঝে আমি রিয়াকে আই লাভ ইউ বলিনি আমি তো বলছি তোমা,, তখনি কথাটা বন্ধ করে অন্য কথা বলে ফেলছি। আরে আমি এমনিতে ছাদে আই লাভ ইউ বলতেছি তখনি রিয়া এসে আমাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরছে।
তসিবা:- তোমার জন্য আমি সবার কাছে ছোট হলাম রিয়াকে এখন আমি কি বলবো?
আমি:- তোমার কিছু বলতে হবেনা আমি বলবো এখন ঘুমায় আমার অনেক ঘুম পাইছে, আর শোন তুমি ভূলে করেও এদিকে আসবেনা যদি আসো তাহলে কিন্তু আমি চুমু খাবো।
তসিবা:- আমার কোন কাজ নেয় আমি তোমার চুমু খেতে তোমার কাছে যাবো, যদি তুমি ভূল করে এদিকে আসো তাহলে গেচাং করে দিব।
আমি:- কি করে দিবে?
তসিবা:- যখন করবো তখন বুঝবে এখন ঘুমাও।
আমি:- ঠিক আছে, দুর বাসর রাতটা এভাবে মাটি হয়ে যাবে ভাবতেও পারিনি, এই কথা গুলা ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে গেছি ঠিক মনে নেয়। মাঝ রাতে হঠাত করে ঘুম ভাঙছে চেয়ে দেখি আমি তসিবার দিকে এসে তসিবাকে জড়িয়ে ধরে রাখছি। কাম সারছে তসিবা যদি দেখি আমি তসিবাকে জড়িয়ে ধরে রাখছি। তাহলে গেচাং করে দিবে, এক কাজ করি তসিবাকে আমার দিকে নিয়ে আসি তাহলে জড়িয়ে ধরে ঘুমাতে পারবো। যেই কথা সেই কাজ তসিবাকে বুকের সাথে জড়িয়ে আমার দিকে নিয়ে এসে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছি। কপালে একটু আলতু করে চুমু খেয়ে ঘুমিয়ে গেলাম, তসিবা একটু সরেছে আমি জড়িয়ে ধরে ঘুমায়ছি। সকালে ঘুম ভাঙছে আমি চেয়ে দেখি তসিবা ঘুমিয়ে আছে, আমি ইচ্ছে করে ওর ঠোটে কিস করেছি। তখনি তসিবা সজাগ হয়ে গেছে, তসিবা তাকিয়ে আছে আমার দিকে।
তসিবা:- তুমি আমাকে জড়িয়ে ধরে আছো কেন?
আমি:- রাতে তো আমি বলছি তুমি যদি আমার দিকে আসো তাহলে তোমাকে জড়িয়ে ধরবো আর চুমু খাবো।
তসিবা:- আমি তোমার সাইটে আসলাম কি করে আর তুমি আমাকে কিস করেছো?
আমি:- হ্যা করেছি তো কপালে আর ঠোটে।
তসিবা:- তবেরে তোমাকে আমি এখন গেচাং করে দিব।
আমি:- যদি তোমার সাইটে যাইতাম তাহলে গেচাং করতে। এখন ওঠি আমি অনেক দিন ধরে কলেজে যাইনা এখন কলেজে যাবো। তসিবা আমার দিকে তাকিয়ে আছে আমি ওঠে ফ্রেস হতে চলে গেলাম। কিছুক্ষন পর ফ্রেস হয়ে রুমে এসে দেখি তসিবা রুমে নেয়। আমি রেডি হয়ে নিচে গেছি চাচি আমাকে ডাক দিয়ে বলে,,
চাচি:- আল তুমি এসো নাস্তা করে যাও।
আমি:- আন্টি আমি এখন নাস্তা করবোনা কলেজে গিয়ে কিছু খেয়ে নেব।
চাচি:- এখন থেকে তুমি আমাকে আম্মাজান বলে ডাকবে।
আমি:- ঠিক আছে তাহলে চাচি আম্মা বলে ডাকবো কেমন।
তসিবা:- আম্মু তুমি ওকে এত বাও কেন দিতেছো বলো, আচ্ছা আমি একটা কথা বলতে চাচ্ছি আব্বুকে।
চাচা:- হ্যা বল মা কি বলবি?
তসিবা:- আমি আজ থেকে আবার কলেজে যাবো আমার বাসায় থাকতে বরিং লাগে তাই।
চাচা:- ঠিক আছে যাস তুকে আল প্রতিদিন সাথে করে নিয়ে যাবে আর নিয়ে আসবে। কি বাবা তুমি পারবে তো তসিবাকে সাথে করে নিয়ে যেতে।
আমি:- কিন্তু তসিবার কলেজ আর আমার কলেজ তো এক না?
চাচি:- তুমি যেই কলেজে পড় তসিবা সেই কলেজে পড়ে। আমি ঐ দিন তসিবাকে কলেজে দিতে গিয়ে তো তোমার সাথে দেখা হয়েছে।
আমি:- তাহলে ঠিক আছে, তসিবা চলো আমি তোমাকে সাথে নিয়ে যায়।
তসিবা:- তোমার সাথে আমি যেতে পারি তবে তুমি কলেজে গিয়ে কাওকে বলতে পারবেনা আমি তোমার বউ।
আমি:- ঠিক আছে বলবোনা।
তসিবা:- তাহলে আমি রাজি আছি।
চাচা:- আমার একটা বাইক আছে, আল তুমি এখন থেকে ঐটা নিয়ে কলেজে যাবে কেমন।
আমি:- ঠিক আছে, তাহলে তো আমার জন্য ভালোই হবে। তসিবাকে সাথে করে বাহিরে এসে বাইক বের করে আমি বসেছি তসিবা আমার পেছনে বসে আছে, আমি ইচ্ছে করে একটু পর পর ব্রেক মারি। আর তসিবা আমাকে জড়িয়ে ধরে।
তসিবা:- জীবনে প্রথম মনে হচ্ছে মেয়ে মানুষ নিয়ে বাইক চালাচ্ছো?
আমি:- হ্যা একদম সত্যি কথা বলছো।
তসিবা:- বাইক থামাও আমি নামবো।
আমি:- ঠিক আছে, বাইক থামিয়ে তসিবাকে নামিয়ে দিয়েছে। তসিবা চলে গেছে আমি বাইক চালাবো এমন সময় কেও একজন আমার পেছন থেকে কালার টেনে ধরে বলে আমার সাথে এত বড় চিটিং করেতে পারলি? আমি তাকিয়ে শুধু অবাক হয়নি রিতিমত ভয়ে হাত পা কাপা শুরু করা দিয়েছে।
।
চলবে,,,,,,,,,,,
★★ভুল ত্রুটি ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন.........
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন