:
লেখা: Saffat All Sayim :
:
আমি পার্টিতে শিউলি সাথে নাচতেছি।আহা কি সুন্দর গান বাজতেছে।চমৎকার লাইটিং সিস্টেম।পরিবেশটা পুরো রোমান্টিক। হঠাৎ ফিল করলাম গায়ে গরম পানি পরলো।
একটু চোখটা মেলে দেখলাম আমি মেঝেতে পড়ে আছি,মশারী নিয়ে কোলবালিস সহ গড়িয়ে খাট থেকে নিচে পরে গেছি।
তারমানে এতক্ষন স্বপ্ন দেখতেছিলাম।
কিন্তু পানি ঢাললো কোন হালায়। মেস থেকে তো বাসায় আসছি পরশু দিন।
মাথাটা তুলে দেখি আমার নয় মাস বয়সি পিচ্চি কাজিন,মৌসিক আমার পেটের উপর বসে আছে। আমার পেটের মুইতা দিয়া পেট থাপরাচ্ছে আর তা...তা...তা...দা...দা...দা.. করতেছে।
তারমানে এই হল গরম পানির রহস্য!!!
মেজাজটা তখন পুরাই টন।
এমনিতে কোলে নিলেই মুতে।তাই বলে
সাধ সকালে ঘুমের মধ্যে কোলে উইঠা মুইতা দিবে!!
এটা মানা যায় না।
আমাকে জাগতে দেখে সে তার ভুবন ভোলানো মিস্টি হাসি দিয়ে খুশিতে আরো জোরেজোরে পেট থাপরাচ্ছে।
ওর হাসিটা দেখে মুহুর্তে মনটা ভাল হয়ে গেল।
তারপর ওকে সরিয়ে গেন্জিটা খুলে ঝুড়িতে রাখলাম।
তারপর গোসল করে আসতেই মা বল্ল,বাজারে গিয়ে মাছ নিয়ে আসতে।
আমি চলে গেলাম বাজারে,যাওয়ার সময় মৌসিক মানে আমার চাচাতো ভাইটাকে নিয়ে গেলাম।পিচ্চি আবার কোলে ঘুরতে পছন্দ করে।
ওকে নিয়ে বাজারে ঢুকলাম। ঢোকার পর যখন ঘুরে ঘুরে দেখতেছি হঠাৎ করে মৌসিক আমার জামা টেনে ধরে জোরে জোরে টান দিচ্ছে আর এ্যা....এ্যা....এ্যা.... করে থামতে বলতেছে। ওর হাবভাবে তাই মনে হল।
আমি দাড়ালাম। তারপর দেখি ও একদিকে হা করে তাকিয়ে আছে। চোখের পলক পরতেছে না।
আর আমি হাটা শুরু করলে আবার জামা জোরে টান দিতেছে।
আমি ভাবতেছি কি এত মনোযোগ দিয়ে দেখতেছে।
ওর দৃষ্টি ধরে তাকালাম।
যা দেখলাম তাতে আমি পুরাই শকড.........
দেখলাম গ্যাদায় সাত আট মাস বয়সী এক মাইয়ার দিকে হা কইরা তাকাইয়া আছে!!
মাইয়ারেও দেখলাম।সেও মৌসিকের দিকে হা করে তাকিয়ে আছে।আর চোখের পলক ফেলতে ভুলে গেছে।
হঠাৎ করে একটা কম্পিউটারের দোকানে গান বেজে উঠলো,"পরে না চোখের পলক,কি তোমার রুপের ঝলক"
আমি একহাত দিয়া দুইচোখ কচলে ভালভাবে ওদের দেখলাম,হাতে চিমটিও কাটলাম।নাহ বাস্তবই।
তখন আমার মাথায় হাত।
তারপর মেয়েটাকে নিয়ে যখন মেয়েটার বাবা চলে যাচ্ছিল দেখলাম,মেয়েটা ওর বাবাকে এ্যা এ্যা করে কিছু বলতে চাইতেছে।যখন দেখে ওর বাবা কিছু বুঝে না,তখন শুরু করলো কান্না।সে যাবে না। তারপর আমার কোলের গ্যাদার দিকে তাকাইলাম,
দেখি সেও মুখ কালে করে তাকাইয়া আছে,মুখের ভাবে বোঝা যাচ্ছে কান্না করবে।
হঠাৎ করে দেখি মৌসিক আমার কাধে মাথা দিয়া শার্টের সাথে নাক ঘসতেছে আর দুঃখে খুনখুন করতেছে।
আমার তখন ভিষন হাসি পেল,আহারে বেচারা নয় মাস বয়সেই ছ্যাকা খাইলা!!
তারপর কম্পিউটারের দোকানে ছ্যাকাখোর সম্রাট বাপ্পারাজের গান দুঃখ ভরা গান বেজে উঠলো,
"প্রেমের সমাধি ভেঙ্গে,
মনের শিকলও ছিড়ে,
পাখি যায় উড়ে যায়"
আমি ওরে বললাম নে ব্যাটা এখন ছ্যাকা খাইয়া দুঃখের গান শুনে কাইন্দা গেন্জি ভিজা।
কিন্তু হতভাগায় তা না কইরা মুইতা পেন্ট ভিজাইলো।সাথে আমারেও!!
ভাবলাম আধুনিক পোলাপাইন।
আগের মানুষ কষ্টে কাইন্দা বুক ভাসাইয়া গেন্জি ভিজাইতো।আর এখনকার পোলাপাইন মুইতা প্যান্ট ভিজায়।
তারপর আর কি করবো।
বাজার কইরা ওরে কোলে করে রিক্সায় উঠলাম,তখনো দেখি মৌসিক মুখ কালা করে বসে আছে। যে পিচ্চি বাইরে আসলে খুশি লাফায়।কোলে ঠিকভাবে ধরে রাখা যায় না। সেই পিচ্চি আজ ছ্যাকা খাইয়া ব্যাকা হইয়া গেছে।দুঃখে মুইতা প্যান্টও ভিজাইছে।
তখন ভাবলাম
হায়রে যুগ,
আগে মানুষেরর ভিতরে প্রেমের ফিলিংস আসতো অনেক দেরি করে।
তারপর আসল কলেজ লাইফে,তারপর স্কুল লাইফে
আর এখন দেখি আট নয় মাসের পিচ্চিরও ফিলিংস আছে।
কবে জানি জন্মের পরই জুটি বেধে দিতে হয়।নাহলে দেখা যাবে পিচ্চিরা খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে অন্নপ্রাশন করে সুইসাইড করবে!!!
আরো কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল কিন্তু পিচ্চি আবার দুঃখে মুইতা আমারে ভিজাইয়া দিছে। কাপড়টা চেন্জ করে আসি!!
টাটা....!!!!
বি.দ্র: মোবাইল দিয়ে লিখি। তাড়াতাড়ি টাইপের কারনে ভুল হতে পারে। ভুলগুলো ক্ষমার চোখে দেখবেন।ধন্যবাদ।
আপনার লেখা প্রকাশ হবে আপনার নামে তাই এখনি মেইল করুন
asad.rahman661@gmail.com
👩❤️👩পিচ্চির ভালবাসা 👩❤️👩
:
লেখা: Saffat All Sayim :
:
আমি পার্টিতে শিউলি সাথে নাচতেছি।আহা কি সুন্দর গান বাজতেছে।চমৎকার লাইটিং সিস্টেম।পরিবেশটা পুরো রোমান্টিক। হঠাৎ ফিল করলাম গায়ে গরম পানি পরলো।
একটু চোখটা মেলে দেখলাম আমি মেঝেতে পড়ে আছি,মশারী নিয়ে কোলবালিস সহ গড়িয়ে খাট থেকে নিচে পরে গেছি।
তারমানে এতক্ষন স্বপ্ন দেখতেছিলাম।
কিন্তু পানি ঢাললো কোন হালায়। মেস থেকে তো বাসায় আসছি পরশু দিন।
মাথাটা তুলে দেখি আমার নয় মাস বয়সি পিচ্চি কাজিন,মৌসিক আমার পেটের উপর বসে আছে। আমার পেটের মুইতা দিয়া পেট থাপরাচ্ছে আর তা...তা...তা...দা...দা...দা.. করতেছে।
তারমানে এই হল গরম পানির রহস্য!!!
মেজাজটা তখন পুরাই টন।
এমনিতে কোলে নিলেই মুতে।তাই বলে
সাধ সকালে ঘুমের মধ্যে কোলে উইঠা মুইতা দিবে!!
এটা মানা যায় না।
আমাকে জাগতে দেখে সে তার ভুবন ভোলানো মিস্টি হাসি দিয়ে খুশিতে আরো জোরেজোরে পেট থাপরাচ্ছে।
ওর হাসিটা দেখে মুহুর্তে মনটা ভাল হয়ে গেল।
তারপর ওকে সরিয়ে গেন্জিটা খুলে ঝুড়িতে রাখলাম।
তারপর গোসল করে আসতেই মা বল্ল,বাজারে গিয়ে মাছ নিয়ে আসতে।
আমি চলে গেলাম বাজারে,যাওয়ার সময় মৌসিক মানে আমার চাচাতো ভাইটাকে নিয়ে গেলাম।পিচ্চি আবার কোলে ঘুরতে পছন্দ করে।
ওকে নিয়ে বাজারে ঢুকলাম। ঢোকার পর যখন ঘুরে ঘুরে দেখতেছি হঠাৎ করে মৌসিক আমার জামা টেনে ধরে জোরে জোরে টান দিচ্ছে আর এ্যা....এ্যা....এ্যা.... করে থামতে বলতেছে। ওর হাবভাবে তাই মনে হল।
আমি দাড়ালাম। তারপর দেখি ও একদিকে হা করে তাকিয়ে আছে। চোখের পলক পরতেছে না।
আর আমি হাটা শুরু করলে আবার জামা জোরে টান দিতেছে।
আমি ভাবতেছি কি এত মনোযোগ দিয়ে দেখতেছে।
ওর দৃষ্টি ধরে তাকালাম।
যা দেখলাম তাতে আমি পুরাই শকড.........
দেখলাম গ্যাদায় সাত আট মাস বয়সী এক মাইয়ার দিকে হা কইরা তাকাইয়া আছে!!
মাইয়ারেও দেখলাম।সেও মৌসিকের দিকে হা করে তাকিয়ে আছে।আর চোখের পলক ফেলতে ভুলে গেছে।
হঠাৎ করে একটা কম্পিউটারের দোকানে গান বেজে উঠলো,"পরে না চোখের পলক,কি তোমার রুপের ঝলক"
আমি একহাত দিয়া দুইচোখ কচলে ভালভাবে ওদের দেখলাম,হাতে চিমটিও কাটলাম।নাহ বাস্তবই।
তখন আমার মাথায় হাত।
তারপর মেয়েটাকে নিয়ে যখন মেয়েটার বাবা চলে যাচ্ছিল দেখলাম,মেয়েটা ওর বাবাকে এ্যা এ্যা করে কিছু বলতে চাইতেছে।যখন দেখে ওর বাবা কিছু বুঝে না,তখন শুরু করলো কান্না।সে যাবে না। তারপর আমার কোলের গ্যাদার দিকে তাকাইলাম,
দেখি সেও মুখ কালে করে তাকাইয়া আছে,মুখের ভাবে বোঝা যাচ্ছে কান্না করবে।
হঠাৎ করে দেখি মৌসিক আমার কাধে মাথা দিয়া শার্টের সাথে নাক ঘসতেছে আর দুঃখে খুনখুন করতেছে।
আমার তখন ভিষন হাসি পেল,আহারে বেচারা নয় মাস বয়সেই ছ্যাকা খাইলা!!
তারপর কম্পিউটারের দোকানে ছ্যাকাখোর সম্রাট বাপ্পারাজের গান দুঃখ ভরা গান বেজে উঠলো,
"প্রেমের সমাধি ভেঙ্গে,
মনের শিকলও ছিড়ে,
পাখি যায় উড়ে যায়"
আমি ওরে বললাম নে ব্যাটা এখন ছ্যাকা খাইয়া দুঃখের গান শুনে কাইন্দা গেন্জি ভিজা।
কিন্তু হতভাগায় তা না কইরা মুইতা পেন্ট ভিজাইলো।সাথে আমারেও!!
ভাবলাম আধুনিক পোলাপাইন।
আগের মানুষ কষ্টে কাইন্দা বুক ভাসাইয়া গেন্জি ভিজাইতো।আর এখনকার পোলাপাইন মুইতা প্যান্ট ভিজায়।
তারপর আর কি করবো।
বাজার কইরা ওরে কোলে করে রিক্সায় উঠলাম,তখনো দেখি মৌসিক মুখ কালা করে বসে আছে। যে পিচ্চি বাইরে আসলে খুশি লাফায়।কোলে ঠিকভাবে ধরে রাখা যায় না। সেই পিচ্চি আজ ছ্যাকা খাইয়া ব্যাকা হইয়া গেছে।দুঃখে মুইতা প্যান্টও ভিজাইছে।
তখন ভাবলাম
হায়রে যুগ,
আগে মানুষেরর ভিতরে প্রেমের ফিলিংস আসতো অনেক দেরি করে।
তারপর আসল কলেজ লাইফে,তারপর স্কুল লাইফে
আর এখন দেখি আট নয় মাসের পিচ্চিরও ফিলিংস আছে।
কবে জানি জন্মের পরই জুটি বেধে দিতে হয়।নাহলে দেখা যাবে পিচ্চিরা খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে অন্নপ্রাশন করে সুইসাইড করবে!!!
আরো কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল কিন্তু পিচ্চি আবার দুঃখে মুইতা আমারে ভিজাইয়া দিছে। কাপড়টা চেন্জ করে আসি!!
টাটা....!!!!
বি.দ্র: মোবাইল দিয়ে লিখি। তাড়াতাড়ি টাইপের কারনে ভুল হতে পারে। ভুলগুলো ক্ষমার চোখে দেখবেন।ধন্যবাদ।
আপনার লেখা প্রকাশ হবে আপনার নামে তাই এখনি মেইল করুন
asad.rahman661@gmail.com
:
লেখা: Saffat All Sayim :
:
আমি পার্টিতে শিউলি সাথে নাচতেছি।আহা কি সুন্দর গান বাজতেছে।চমৎকার লাইটিং সিস্টেম।পরিবেশটা পুরো রোমান্টিক। হঠাৎ ফিল করলাম গায়ে গরম পানি পরলো।
একটু চোখটা মেলে দেখলাম আমি মেঝেতে পড়ে আছি,মশারী নিয়ে কোলবালিস সহ গড়িয়ে খাট থেকে নিচে পরে গেছি।
তারমানে এতক্ষন স্বপ্ন দেখতেছিলাম।
কিন্তু পানি ঢাললো কোন হালায়। মেস থেকে তো বাসায় আসছি পরশু দিন।
মাথাটা তুলে দেখি আমার নয় মাস বয়সি পিচ্চি কাজিন,মৌসিক আমার পেটের উপর বসে আছে। আমার পেটের মুইতা দিয়া পেট থাপরাচ্ছে আর তা...তা...তা...দা...দা...দা.. করতেছে।
তারমানে এই হল গরম পানির রহস্য!!!
মেজাজটা তখন পুরাই টন।
এমনিতে কোলে নিলেই মুতে।তাই বলে
সাধ সকালে ঘুমের মধ্যে কোলে উইঠা মুইতা দিবে!!
এটা মানা যায় না।
আমাকে জাগতে দেখে সে তার ভুবন ভোলানো মিস্টি হাসি দিয়ে খুশিতে আরো জোরেজোরে পেট থাপরাচ্ছে।
ওর হাসিটা দেখে মুহুর্তে মনটা ভাল হয়ে গেল।
তারপর ওকে সরিয়ে গেন্জিটা খুলে ঝুড়িতে রাখলাম।
তারপর গোসল করে আসতেই মা বল্ল,বাজারে গিয়ে মাছ নিয়ে আসতে।
আমি চলে গেলাম বাজারে,যাওয়ার সময় মৌসিক মানে আমার চাচাতো ভাইটাকে নিয়ে গেলাম।পিচ্চি আবার কোলে ঘুরতে পছন্দ করে।
ওকে নিয়ে বাজারে ঢুকলাম। ঢোকার পর যখন ঘুরে ঘুরে দেখতেছি হঠাৎ করে মৌসিক আমার জামা টেনে ধরে জোরে জোরে টান দিচ্ছে আর এ্যা....এ্যা....এ্যা.... করে থামতে বলতেছে। ওর হাবভাবে তাই মনে হল।
আমি দাড়ালাম। তারপর দেখি ও একদিকে হা করে তাকিয়ে আছে। চোখের পলক পরতেছে না।
আর আমি হাটা শুরু করলে আবার জামা জোরে টান দিতেছে।
আমি ভাবতেছি কি এত মনোযোগ দিয়ে দেখতেছে।
ওর দৃষ্টি ধরে তাকালাম।
যা দেখলাম তাতে আমি পুরাই শকড.........
দেখলাম গ্যাদায় সাত আট মাস বয়সী এক মাইয়ার দিকে হা কইরা তাকাইয়া আছে!!
মাইয়ারেও দেখলাম।সেও মৌসিকের দিকে হা করে তাকিয়ে আছে।আর চোখের পলক ফেলতে ভুলে গেছে।
হঠাৎ করে একটা কম্পিউটারের দোকানে গান বেজে উঠলো,"পরে না চোখের পলক,কি তোমার রুপের ঝলক"
আমি একহাত দিয়া দুইচোখ কচলে ভালভাবে ওদের দেখলাম,হাতে চিমটিও কাটলাম।নাহ বাস্তবই।
তখন আমার মাথায় হাত।
তারপর মেয়েটাকে নিয়ে যখন মেয়েটার বাবা চলে যাচ্ছিল দেখলাম,মেয়েটা ওর বাবাকে এ্যা এ্যা করে কিছু বলতে চাইতেছে।যখন দেখে ওর বাবা কিছু বুঝে না,তখন শুরু করলো কান্না।সে যাবে না। তারপর আমার কোলের গ্যাদার দিকে তাকাইলাম,
দেখি সেও মুখ কালে করে তাকাইয়া আছে,মুখের ভাবে বোঝা যাচ্ছে কান্না করবে।
হঠাৎ করে দেখি মৌসিক আমার কাধে মাথা দিয়া শার্টের সাথে নাক ঘসতেছে আর দুঃখে খুনখুন করতেছে।
আমার তখন ভিষন হাসি পেল,আহারে বেচারা নয় মাস বয়সেই ছ্যাকা খাইলা!!
তারপর কম্পিউটারের দোকানে ছ্যাকাখোর সম্রাট বাপ্পারাজের গান দুঃখ ভরা গান বেজে উঠলো,
"প্রেমের সমাধি ভেঙ্গে,
মনের শিকলও ছিড়ে,
পাখি যায় উড়ে যায়"
আমি ওরে বললাম নে ব্যাটা এখন ছ্যাকা খাইয়া দুঃখের গান শুনে কাইন্দা গেন্জি ভিজা।
কিন্তু হতভাগায় তা না কইরা মুইতা পেন্ট ভিজাইলো।সাথে আমারেও!!
ভাবলাম আধুনিক পোলাপাইন।
আগের মানুষ কষ্টে কাইন্দা বুক ভাসাইয়া গেন্জি ভিজাইতো।আর এখনকার পোলাপাইন মুইতা প্যান্ট ভিজায়।
তারপর আর কি করবো।
বাজার কইরা ওরে কোলে করে রিক্সায় উঠলাম,তখনো দেখি মৌসিক মুখ কালা করে বসে আছে। যে পিচ্চি বাইরে আসলে খুশি লাফায়।কোলে ঠিকভাবে ধরে রাখা যায় না। সেই পিচ্চি আজ ছ্যাকা খাইয়া ব্যাকা হইয়া গেছে।দুঃখে মুইতা প্যান্টও ভিজাইছে।
তখন ভাবলাম
হায়রে যুগ,
আগে মানুষেরর ভিতরে প্রেমের ফিলিংস আসতো অনেক দেরি করে।
তারপর আসল কলেজ লাইফে,তারপর স্কুল লাইফে
আর এখন দেখি আট নয় মাসের পিচ্চিরও ফিলিংস আছে।
কবে জানি জন্মের পরই জুটি বেধে দিতে হয়।নাহলে দেখা যাবে পিচ্চিরা খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে অন্নপ্রাশন করে সুইসাইড করবে!!!
আরো কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল কিন্তু পিচ্চি আবার দুঃখে মুইতা আমারে ভিজাইয়া দিছে। কাপড়টা চেন্জ করে আসি!!
টাটা....!!!!
বি.দ্র: মোবাইল দিয়ে লিখি। তাড়াতাড়ি টাইপের কারনে ভুল হতে পারে। ভুলগুলো ক্ষমার চোখে দেখবেন।ধন্যবাদ।
আপনার লেখা প্রকাশ হবে আপনার নামে তাই এখনি মেইল করুন
asad.rahman661@gmail.com
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন