||মোঃ আসাদ রহমান ||
||কোটচাঁদপুর||ঝিনাইদহ||
কামারশালার নেহাই আমি পুড়ছি দিবারাতি
দশের লয়ে আপন পিঠে সহ্যি অনল জ্যোতি।
মুখ বুজিয়া চোখ মুজিয়া সবি সহ্যি ভাই
ধৈর্য ধরার ক্ষমতাটা মায়ের কাছে পাই।
কামার বেটা তা কি বুঝে মোরে পিটাই শান্তি খোঁজে-
মাজলুমের ঐ আর্তনাদ সে শুনতে নাহি পায়!
শুনবেই বা কেমন করে পেটে যে তার মুক্তা ঝরে,
কৃষক বিনে কাদার কী গুণ বুঝবে কি নেতায়?
নেতা হয় যে বড্ড খুশি লোকে যবে ডাকে ভাই
অহংকারে তার বুক ফেটে যায় ‘আমার মতো কে আর হায়’?
কারো মতো কেউ হয় না ধরায় সবাই যার যার মতো
ভিন্ন শ্রেণির নানান মানুষ মেথর থেকে শিক্ষাগুরু মানুষ আছেন যত।
চিন্তা করে দেখ ভাই মেথর যদি না থাকিতো সুন্দর এ ধরায়
হইতো না চাষ হইতো না ঘাস এ ধরা থাকতো ভরা নষ্ট নর্দমায়।
নর্দমার পরিমাণটা আরও বেড়ে যেত যদি শিক্ষক না থাকিতো
শিক্ষা হীনায় মানুষ গুলো হইতো ভয়ংকর,নিজেই নিজের বিবেক খেতো।
শিক্ষক তিনি যাঁর হৃদয়ে আকাশও পায় ঠাঁই-
শিক্ষাগুরুর মর্যাদা আজ সবার উর্দ্বে চাই।
কোন মহীয়ান জন্ম দিলেন শিক্ষাগুরুরে-
যাঁর বুলিতে ধন্যি ধরা, যাঁর হাতে আজ বসুন্ধরা,যে রচিছেন মহাকাব্য,সম্মান কেবল তাঁরই প্রাপ্য-মর্যাদা দাও তাঁরে!
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন