#মিস্টি প্রেমের গল্প
পর্ব:2
#লেখক:মোঃআসাদ রহমান
ঝিনাইদ, কোটচাঁদপুর
যারা ১ম পাট পরেননি টাইমলাইন থেকে পরতে পারেন।
বাইকে করে নিয়ে কফিসফে ডুকলাম। কফিসফে বসতেই চোখ গেল অন্যকর্ণারে।সেখ
ানে নিলা বসে আছে। সাথে তার বান্ধুবি। আমি এক নজর দেখে না দেখার ভান করে থাকলাম। নিলা আপু আমাদের দিকে বারবার তাকাচ্ছে। আমরা কফি খেয়ে কফিসফ থেকে বের হয়ে আসলাম। আনিকাকে বাসায় দিয়ে এসে আমি আমার বাসায় আসলাম।বাসায় আসতেই নিলা আপু কেমন করে যেন তাকালো। পা থেকে মাথা অবদি কয়েক বার তাকালো আমি পাস কাটিয়ে চোলে আসলাম। আমি যথাসম্বব এড়িয়ে চলি নিলাকে। তার পরের দিন সকাল সকাল বেরিয়ে পরলাম বিকাল হলে আনিকার সাথে আড্ডা দিতাম।
আজো আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরলাম। তার কিছুক্ষন পর নিলার রুমে ডাকপড়লো।গেলাম সেখানে।
আমিঃ আসবো।
নিলাঃ হুম।
হুম বলছে না যেন আমাকে ধমক দিচ্ছে ভিতরে ডুকলাম।
নিলাঃএই কাজটা করে দে ( ল্যাপটপটা দেখিয়ে বলল)
আমি কিছু না বলে কাজ শুরু করে দিলাম। এত সহজ কাজ এতো ওনি ওপারে যাগ্গে। আমি কাজ করতে ছিলাম হঠাৎ তিনি বললেন।
নিলাঃআজ কাল তো খুব মজায় আছিস দেখছি। মেয়ে বাইকে নিয়ে ঘুরিস।
আমি কিছু বললাম না।ওনি আবার বললেন।
নিলাঃ বেশ ভালোতো,, ভালো।অফিসে এর জন্য তোকে টাকা দেয়।
আমিঃআপনার কাজ হয়ে গেছে।
নিলাঃআমি কি বলেছি।
আমিঃএত কিছু আপনার না জানলেও চলবে। আমি রুম থেকে বেরিয়ে আসলাম ওনি অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন।সকালে সবাই একসাথে নাস্তা করছি তখন মা বললো জনি যাওয়ার সময় নিলাকে নিয়ে যাবি।
আমিঃ ওনি যাবে নাআমার সাথে
মাঃ নিলাই বলছে।
আমিঃ আমার কাজ আছে ওনাকে বাসে করে যেতে বলেন
নিলা রাগ করে খাবার ফেলে রেখে রুমে চলে গেল তার অফিসের ফাইল নিয়ে বেরিয়ে গেল মা পিছন থেকে ডাকলো শুনলো না।
মাঃ তুই ওকে নিয়ে গেলেই পারতি,মেয়েটা না খেয়ে চলে গেল।
আমি ভেবেছি সে চলে গেছে না তিনি যাননি। আমি বাইরে এসে দেখি,আমার বাইকের কাছে দারিয়ে আছে। আমি পাস কাটিয়ে বাইকে উঠলাম সাথে সাথে ওনি লাফ দিয়ে বাইকে উঠে গেলেন। আমি অবাক হলাম একসময় ওনাকে বাইকে চড়ানোর জন্য কত বাহানা ধরতাম আর এখন। বুঝিনা এমেয়ের এত রাগ কোথা থেকে আসে। বাইক স্টার্ট দিতেই নিলা আমাকে জড়িয়ে দরলো। আমার পুরো শরীর শিহরিত হয়ে উঠলো। এমন ভাবে ধরলো যেন আমার জিএফ।আমি কিছুই বললাম না ওনাকে তার অফিসের সামনে নামিয়ে দিয়ে চলে আসলাম। বাইকের গ্লাসে তাকিয়ে দেখলাম যতখন আমাকে দেখা গেছে ততখন সে তাকিয়ে ছিল।এখন বাসায় আসলে নিলাই দরজা খুলে দেয়। যা আগে কখন ঘটেনি। সকাল হলে আমার বাইকে চেপে অফিসে যায়।এখন সেই আগের মতো ওকে এড়িয়ে চলি।এখন আমার দিকে কেমন মায়বি নজরে তাকায়। যেন চোখ কত কিছু বলছে।আজো নিলাকে অফিসে দিয়ে আমি আমার অফিসে চলে আসি। বিকালে আনিকাকে নিয়ে কফিসফে যাই।
আনিকাঃ জনি ভাই আপনার মামাতো ভাই আসে না।
আমিঃ কোন মামাতো ভাই।
আনিকাঃআরে ওইযে আলামিন নামে এর আগে একসাথে কফি খেলাম মনে নেই আপনার।
আমিঃও ওর কথা বলছো। তা হঠাৎ ব্যপার কি।
আনিকা লজ্জা পেয়ে বলল।ওনি খুব দুষ্টুটু আমার মন টা চুরি করে নিয়েগেছে।
আমিঃতাইতো বলি আনিকা কেন এমন উদাস হয়ে থাকে।
আমিঃ খুব দেখতে ইচ্ছে করছে তাই না। আচ্ছা নাম্বার নেও।
ওকে বাসায় পৌছে দিয়ে আমি বাসায় চলে আসলাম।আলামিন হলো আমার বড় মামার ছেলে। আমার সাথে এসেছিল আর সেখান থেকে এত কাহিনি।
মাঃ তোকে নিলা ডাকছে। অফিস থেকে এসেই রুমে ঘাবটি মেরে বসে আছে যা দেখ
আমিঃআসবো।
নিলাঃআমার রুমে আসতেই তোমার অনুমতি লাগে আর বাইকে মেয়ে নিয়ে ঘুরতে অনুমতি লাগে না।
ওর মুখে তুমি ডাক শুনে অবাক হলাম। চোখ দেখি আগুন হয়ে আছে ।
আমিঃকিছু হয়েছে?
নিলাঃমেয়েটা কে?
আমিঃ কোন মেয়েটা?
নিলাঃ যাকে নিয়ে বাইকে ঘুরলি।
আমিঃ অন্য কোনো কথা আছে।
নিলাঃআমার কথার জবাব দে।
আমিঃএসব আপনার না জানলেও চলবে। ওঠে চলে আসতে যাব তখনই কেঁদেদিয়ে আমার কলার ধরলো।
নিলাঃকেঁদে কেঁদে বললো জানবো না কেন কুত্তা তুই মেয়ে নিয়ে ঘুরবি আমি যানবো না। তখনই মা আসলো।
মাঃ কি হইছে ওর কলার ধরছিস কেন।।
মা কলার থেকে হাত টা ছাড়িয়ে দিলো। আমি চলে আসলাম নিলা চিৎকার দিয়ে বললো যদি আবার দেখি ওই মাইয়ার সাথে তোরে খুনকরে ফেলবো কুত্তা একটা।
মাঃ আচ্ছা থাম কি হইছে। বলতো আমারে
নিলাঃ কেঁদে কেঁদে বলল ওর কত সাহস ও মেয়ে নিয়ে ঘুরে।
মাঃও ঘুরলে তোর সমস্যা কি।
নিলাঃ ও ঘুরবে কেন, আর একবার ঘুরুক ওকে খুন করে ফেলবো।,
মাঃ আমার দিকে তাকাতো, এইতো ঠিক ধরেছি আমার মেয়ে প্রেমে পড়েছে।
নিলাঃ যাও কি বলছো
মাঃএইতো লজ্জা পাচ্ছে।আমার ছেলের প্রেমে পড়েছে।নিলা মাকে জড়িয়ে ধরে জোরে কান্না করে দিল। নিলাঃখুব ভালোবেসে ফেলেছি তোমার ছেলেকে। ওকে বলে দিও ওকে যদি ওই মেয়ের সাথেদেখি ওকেও খুন করবো আমিও মরে যাব এই বলে দিলাম।
মাঃ আচ্ছা আমি বলে দিব এখন খেতে আয়।
কিছুক্ষন পরেমা আর নিলা খেতে বসেছে।এতক্ষনে আমি ঘুমিয়ে পড়েছি।
নিলাঃকি ব্যাপার ও কোথায়।
মাঃ যা ওকে রুম থেকে নিয়ে আয়।
আমি শুয়ে আছি নিলা আমার রুমে ঢুকলো। আমি টের পাচ্ছি কিছু একটাআমার বুকে শুয়ে কান্না করছে। আমি চোখ খুলে দেখি নিলা আমার বুকের মাঝে মিশে আছে। আমি লাফ মেরে উঠি।
আমিঃআপনি এখানে
নিলাঃখেতে আয়।
আমিঃ আমি খাব না।
নিলাঃ আয় খেতে আয়।
আমিঃআপনি যান আমি খাব না
নিলাঃ কি তুই খাবি না তোর বাপ খাবে।
এই বলে নিলা রুম থেকে বের হয়ে গেল। কিছুক্ষন পর হাতে প্লেট নিয়ে রুমে ঢুকলো।
নিলাঃ আমার মুখের কাছে ভাত নিয়ে বলল হা কর
আমি তো অবাক এখনি অধিকার খাটানো শুরু করে দিচ্ছে।
আমিঃখাব না।
নিলাঃ হুম হা কর বলছি।
ওর রাগ দেখে হা করলাম।আমাকে খাইয়ে দিয়ে বাচ্চাদের মতো মুখটাকে ওর ওড়না দিয়ে আমার মুখ
মুছেদিল।ও চলে গেল। খুব অবাক হচ্ছি। সব কিছুতে জোর খাটায়।এবাবেই চলতে লাগলো দিন গুলো। সকালে নিয়ে যাই বিকালে নিয়ে আসি।আজো সকালে নিয়ে দিয়ে আসলাম।আসতে যাব তখন ই নিলা বলল দাড়া। চুলের এঅবস্থা কেন। নিলা তার হ্যান্ডব্যাগ থেকে চিরুনি বের করে আমার চুল আচড়িয়ে দিল, কত সুন্দর করে,
নিলাঃ শোন আজ দুপুরে আমাকে নিতে আসবি।
আমি মাথা নাড়ালাম।
নিলাঃআর শুন দেখে শুনে যাবি।
আমি চলে আসলাম। নিলার এই শাশন ভালোই লাগে খুব ভালোবেসে ফেলেছি ওকে। কিন্তু ওকে বুঝতে দেইনা। কাজ করত করতে কখন যে বিকাল হয়ে গেল।নিলার কথা ভুলে ই গিয়েছিলাম।পরে যখন মনে পরলো তখন ভাবলাম হয়তো এতখনে ও চলে গেছে।তাই বাসায় চোলে গেলাম।
চলবে।
#মিস্টি প্রেমের গল্প
পর্ব:2
#লেখক:মোঃআসাদ রহমান
ঝিনাইদ, কোটচাঁদপুর
যারা ১ম পাট পরেননি টাইমলাইন থেকে পরতে পারেন।
বাইকে করে নিয়ে কফিসফে ডুকলাম। কফিসফে বসতেই চোখ গেল অন্যকর্ণারে।সেখ
ানে নিলা বসে আছে। সাথে তার বান্ধুবি। আমি এক নজর দেখে না দেখার ভান করে থাকলাম। নিলা আপু আমাদের দিকে বারবার তাকাচ্ছে। আমরা কফি খেয়ে কফিসফ থেকে বের হয়ে আসলাম। আনিকাকে বাসায় দিয়ে এসে আমি আমার বাসায় আসলাম।বাসায় আসতেই নিলা আপু কেমন করে যেন তাকালো। পা থেকে মাথা অবদি কয়েক বার তাকালো আমি পাস কাটিয়ে চোলে আসলাম। আমি যথাসম্বব এড়িয়ে চলি নিলাকে। তার পরের দিন সকাল সকাল বেরিয়ে পরলাম বিকাল হলে আনিকার সাথে আড্ডা দিতাম।
আজো আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরলাম। তার কিছুক্ষন পর নিলার রুমে ডাকপড়লো।গেলাম সেখানে।
আমিঃ আসবো।
নিলাঃ হুম।
হুম বলছে না যেন আমাকে ধমক দিচ্ছে ভিতরে ডুকলাম।
নিলাঃএই কাজটা করে দে ( ল্যাপটপটা দেখিয়ে বলল)
আমি কিছু না বলে কাজ শুরু করে দিলাম। এত সহজ কাজ এতো ওনি ওপারে যাগ্গে। আমি কাজ করতে ছিলাম হঠাৎ তিনি বললেন।
নিলাঃআজ কাল তো খুব মজায় আছিস দেখছি। মেয়ে বাইকে নিয়ে ঘুরিস।
আমি কিছু বললাম না।ওনি আবার বললেন।
নিলাঃ বেশ ভালোতো,, ভালো।অফিসে এর জন্য তোকে টাকা দেয়।
আমিঃআপনার কাজ হয়ে গেছে।
নিলাঃআমি কি বলেছি।
আমিঃএত কিছু আপনার না জানলেও চলবে। আমি রুম থেকে বেরিয়ে আসলাম ওনি অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন।সকালে সবাই একসাথে নাস্তা করছি তখন মা বললো জনি যাওয়ার সময় নিলাকে নিয়ে যাবি।
আমিঃ ওনি যাবে নাআমার সাথে
মাঃ নিলাই বলছে।
আমিঃ আমার কাজ আছে ওনাকে বাসে করে যেতে বলেন
নিলা রাগ করে খাবার ফেলে রেখে রুমে চলে গেল তার অফিসের ফাইল নিয়ে বেরিয়ে গেল মা পিছন থেকে ডাকলো শুনলো না।
মাঃ তুই ওকে নিয়ে গেলেই পারতি,মেয়েটা না খেয়ে চলে গেল।
আমি ভেবেছি সে চলে গেছে না তিনি যাননি। আমি বাইরে এসে দেখি,আমার বাইকের কাছে দারিয়ে আছে। আমি পাস কাটিয়ে বাইকে উঠলাম সাথে সাথে ওনি লাফ দিয়ে বাইকে উঠে গেলেন। আমি অবাক হলাম একসময় ওনাকে বাইকে চড়ানোর জন্য কত বাহানা ধরতাম আর এখন। বুঝিনা এমেয়ের এত রাগ কোথা থেকে আসে। বাইক স্টার্ট দিতেই নিলা আমাকে জড়িয়ে দরলো। আমার পুরো শরীর শিহরিত হয়ে উঠলো। এমন ভাবে ধরলো যেন আমার জিএফ।আমি কিছুই বললাম না ওনাকে তার অফিসের সামনে নামিয়ে দিয়ে চলে আসলাম। বাইকের গ্লাসে তাকিয়ে দেখলাম যতখন আমাকে দেখা গেছে ততখন সে তাকিয়ে ছিল।এখন বাসায় আসলে নিলাই দরজা খুলে দেয়। যা আগে কখন ঘটেনি। সকাল হলে আমার বাইকে চেপে অফিসে যায়।এখন সেই আগের মতো ওকে এড়িয়ে চলি।এখন আমার দিকে কেমন মায়বি নজরে তাকায়। যেন চোখ কত কিছু বলছে।আজো নিলাকে অফিসে দিয়ে আমি আমার অফিসে চলে আসি। বিকালে আনিকাকে নিয়ে কফিসফে যাই।
আনিকাঃ জনি ভাই আপনার মামাতো ভাই আসে না।
আমিঃ কোন মামাতো ভাই।
আনিকাঃআরে ওইযে আলামিন নামে এর আগে একসাথে কফি খেলাম মনে নেই আপনার।
আমিঃও ওর কথা বলছো। তা হঠাৎ ব্যপার কি।
আনিকা লজ্জা পেয়ে বলল।ওনি খুব দুষ্টুটু আমার মন টা চুরি করে নিয়েগেছে।
আমিঃতাইতো বলি আনিকা কেন এমন উদাস হয়ে থাকে।
আমিঃ খুব দেখতে ইচ্ছে করছে তাই না। আচ্ছা নাম্বার নেও।
ওকে বাসায় পৌছে দিয়ে আমি বাসায় চলে আসলাম।আলামিন হলো আমার বড় মামার ছেলে। আমার সাথে এসেছিল আর সেখান থেকে এত কাহিনি।
মাঃ তোকে নিলা ডাকছে। অফিস থেকে এসেই রুমে ঘাবটি মেরে বসে আছে যা দেখ
আমিঃআসবো।
নিলাঃআমার রুমে আসতেই তোমার অনুমতি লাগে আর বাইকে মেয়ে নিয়ে ঘুরতে অনুমতি লাগে না।
ওর মুখে তুমি ডাক শুনে অবাক হলাম। চোখ দেখি আগুন হয়ে আছে ।
আমিঃকিছু হয়েছে?
নিলাঃমেয়েটা কে?
আমিঃ কোন মেয়েটা?
নিলাঃ যাকে নিয়ে বাইকে ঘুরলি।
আমিঃ অন্য কোনো কথা আছে।
নিলাঃআমার কথার জবাব দে।
আমিঃএসব আপনার না জানলেও চলবে। ওঠে চলে আসতে যাব তখনই কেঁদেদিয়ে আমার কলার ধরলো।
নিলাঃকেঁদে কেঁদে বললো জানবো না কেন কুত্তা তুই মেয়ে নিয়ে ঘুরবি আমি যানবো না। তখনই মা আসলো।
মাঃ কি হইছে ওর কলার ধরছিস কেন।।
মা কলার থেকে হাত টা ছাড়িয়ে দিলো। আমি চলে আসলাম নিলা চিৎকার দিয়ে বললো যদি আবার দেখি ওই মাইয়ার সাথে তোরে খুনকরে ফেলবো কুত্তা একটা।
মাঃ আচ্ছা থাম কি হইছে। বলতো আমারে
নিলাঃ কেঁদে কেঁদে বলল ওর কত সাহস ও মেয়ে নিয়ে ঘুরে।
মাঃও ঘুরলে তোর সমস্যা কি।
নিলাঃ ও ঘুরবে কেন, আর একবার ঘুরুক ওকে খুন করে ফেলবো।,
মাঃ আমার দিকে তাকাতো, এইতো ঠিক ধরেছি আমার মেয়ে প্রেমে পড়েছে।
নিলাঃ যাও কি বলছো
মাঃএইতো লজ্জা পাচ্ছে।আমার ছেলের প্রেমে পড়েছে।নিলা মাকে জড়িয়ে ধরে জোরে কান্না করে দিল। নিলাঃখুব ভালোবেসে ফেলেছি তোমার ছেলেকে। ওকে বলে দিও ওকে যদি ওই মেয়ের সাথেদেখি ওকেও খুন করবো আমিও মরে যাব এই বলে দিলাম।
মাঃ আচ্ছা আমি বলে দিব এখন খেতে আয়।
কিছুক্ষন পরেমা আর নিলা খেতে বসেছে।এতক্ষনে আমি ঘুমিয়ে পড়েছি।
নিলাঃকি ব্যাপার ও কোথায়।
মাঃ যা ওকে রুম থেকে নিয়ে আয়।
আমি শুয়ে আছি নিলা আমার রুমে ঢুকলো। আমি টের পাচ্ছি কিছু একটাআমার বুকে শুয়ে কান্না করছে। আমি চোখ খুলে দেখি নিলা আমার বুকের মাঝে মিশে আছে। আমি লাফ মেরে উঠি।
আমিঃআপনি এখানে
নিলাঃখেতে আয়।
আমিঃ আমি খাব না।
নিলাঃ আয় খেতে আয়।
আমিঃআপনি যান আমি খাব না
নিলাঃ কি তুই খাবি না তোর বাপ খাবে।
এই বলে নিলা রুম থেকে বের হয়ে গেল। কিছুক্ষন পর হাতে প্লেট নিয়ে রুমে ঢুকলো।
নিলাঃ আমার মুখের কাছে ভাত নিয়ে বলল হা কর
আমি তো অবাক এখনি অধিকার খাটানো শুরু করে দিচ্ছে।
আমিঃখাব না।
নিলাঃ হুম হা কর বলছি।
ওর রাগ দেখে হা করলাম।আমাকে খাইয়ে দিয়ে বাচ্চাদের মতো মুখটাকে ওর ওড়না দিয়ে আমার মুখ
মুছেদিল।ও চলে গেল। খুব অবাক হচ্ছি। সব কিছুতে জোর খাটায়।এবাবেই চলতে লাগলো দিন গুলো। সকালে নিয়ে যাই বিকালে নিয়ে আসি।আজো সকালে নিয়ে দিয়ে আসলাম।আসতে যাব তখন ই নিলা বলল দাড়া। চুলের এঅবস্থা কেন। নিলা তার হ্যান্ডব্যাগ থেকে চিরুনি বের করে আমার চুল আচড়িয়ে দিল, কত সুন্দর করে,
নিলাঃ শোন আজ দুপুরে আমাকে নিতে আসবি।
আমি মাথা নাড়ালাম।
নিলাঃআর শুন দেখে শুনে যাবি।
আমি চলে আসলাম। নিলার এই শাশন ভালোই লাগে খুব ভালোবেসে ফেলেছি ওকে। কিন্তু ওকে বুঝতে দেইনা। কাজ করত করতে কখন যে বিকাল হয়ে গেল।নিলার কথা ভুলে ই গিয়েছিলাম।পরে যখন মনে পরলো তখন ভাবলাম হয়তো এতখনে ও চলে গেছে।তাই বাসায় চোলে গেলাম।
চলবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন