Islam লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Islam লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০১৯

ঘটনাটি সবার জন্য by asadrahman

জুলাই ৩১, ২০১৯ 0
হযরত সুলায়মান (আঃ) তিনি একদিন নদীর তীরে বসে ছিলেন। এমন সময় উনার চোঁখ পড়লো একটি পিঁপিঁলিকার উপর । . পিঁপিঁলিকাটি মুখে করে একটি গমের দানা নিয়ে নদীর তীরে আসলো। নদীর তীরে পৌঁছতেই একটি ব্যাঙ হা করে অমনি পিঁপড়াটিকে গিলে ফেললো !! . দীর্ঘক্ষন পানিতে ডুবে থাকার পর ব্যাঙটি পুনরায় নদীর তীরে ভেসে উঠে হা করে পিঁপিঁলিকাকে ছেড়ে দেয় !! . হযরত সুলায়মান (আঃ) তিনি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন তাদের প্রতি! হযরত সুলায়মান (আঃ) এর মোজেযার মধ্যে একটি মোজেযা হচ্ছে তিনি সব মাখলুকের কথা বুঝতেন!! . পিঁপিঁলিকাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন কি ব্যাপার...? কোথায় গিয়ে ছিলে? কেন গিয়ে ছিলে ? উত্তরে পিঁপিঁলিকা বললো নদীর নীচে একটি বিশাল পাথরে ভিন্ন রকম কিড়া- মাকড়ের জন্ম, তাদের অনেকে অন্ধ, তারা রিযিকের তালাশে বাহিরে যেতে পারেনা!! . এদের রিযিকের জিম্মাদারীত্ব মহান আল্লাহ্ পাক তিনি আমায় দিয়েছেন । ওদের পর্যন্ত রিযিক পৌঁছাতে আমি অক্ষম, তাই পানির নীচের বাহন হিসেবে মহান আল্লাহ্ পাক তিনি এই ব্যাঙকে আমার অনুগামী করে দিয়েছেন!! . আমি ওর মুখের ভিতরে নিরাপদ সফর করে তাদের পর্যন্ত রিযিক পৌঁছে দিয়ে পুনরায় তারই মুখের ভিতরে করে ফিরে আসি!! . হযরত সুলায়মান (আঃ) তিনি জিজ্ঞেস করলেন! সেখানকার অন্ধ কিড়া-মাকড়দের কোনো তাসবীহ্ পাঠ করতে কি শুনেছো ? . পিঁপিঁলিকা বললো হ্যাঁ !! তারা রিযিক পেয়ে বলতে থাকে-পবিত্র সত্তা মহান আল্লাহ্ পাক তিনি ! যিনি আমাদের এই গভীর পানির নীচে ও ভুলেননি! সুবাহানআল্লাহ্ মহান আল্লাহ্ পাক আমাদের সবাইকে অপরিমিত রিযিক দান করুন। আমিন।

সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৯

চাওয়ার কোনো শেষ নাই ২০১৯ by AsadRahman

জুলাই ২২, ২০১৯ 0
চাওয়ার কোনো শেষ নাই ২০১৯ by AsadRahman
চাওয়ার কোনো শেষ নাই সংগ্রহ :md Asad Rahman এক শিকারী তার তীর ধনুক হাতে নিয়ে প্রস্তুত হয়ে গেল গভীর জঙ্গলে। সতর্কতার সাথে পা টিপে টিপে শিকারী বনের ভেতর পায়চারী করতে লাগল শিকারের খোঁজে। বনের ভেতর ঘুরতে ঘুরতে শিকারী ক্লান্ত হয়ে গেল। তার কপাল থেকে ক্লান্তির ঘাম ঝরতে লাগল। কিন্তু কোনো শিকারই খুঁজে পেল না। অবশেষে আঙুল দিয়ে দাঁড়িয়েই কপালের ঘাম মুছে নিল। তীর ধনুক রেখে দিল মাটিতে। এদিক ওদিক তাকাল। কোত্থাও কোনো শিকার দেখতে পেল না। এমনকি একটা পাখিও আকাশে উড়তে দেখা গেল না। ক্ষোভে দুঃখে গরগর করে শিকারী বলতে লাগল: ‘আজকের দিনটাই মাটি। এত বড় বন অথচ একটা শিকারেরও দেখা মিলল না। কোথায় পালিয়ে গেল সব’। হতাশ হয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়িতে ফিরে যাবার সিদ্ধান্ত নিল শিকারী। সহসা ঘাসের ভেতর থেকে একটা শব্দ ভেসে এল তার কানে। শিকারী দ্রুত তার তীর ধনুক মাটি থেকে তুলে নিল এবং আড়ালে লুকাল। তবে চোখ কান খাড়া করে রাখল। আবারও শুনতে পেল ঘাসের ভেতরের শব্দ।   ঘাসের দিকে তাকিয়ে দেখল বেশ বড় বড় ঘাস। হঠাৎ ওই ঘাসের ভেতর থেকে বেরিয়ে এল একটা হরিণ। দেখতে বেশ সুন্দর এবং নাদুস নুদুস। হরিণের অন্যদিকে কোনো খেয়ালই নেই। আশেপাশে যে শত্রু থাকতে পারে সেই খেয়ালও নেই তার। আনমনে পার্থিব চিন্তায় মগ্ন সে। একরকম গর্বের সাথে গটগট করে চলছিল সে। শিকারী আনমনা ওই হরিণের কাণ্ড দেখে বাঁকা চাঁদের মতো আলতো একটা হাসির রেখা টেনে ধরল তার ঠোঁটে। মনে মনে বলল: ‘আজব শিকার বটে! তাকে পালাতে দেয়া যাবে না কোনোভাবেই’।   অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে শিকারী তার তুণ থেকে একটা তীর বের করে ধনুকে জুড়ল। শিকারী জানে সামান্য শব্দ হলেও শিকার পালিয়ে যেতে পারে। তাই নিঃশব্দে ধনুকটাকে উপরে তুলে হরিণকে টার্গেট করল শিকারী। দেরি করে লাভ নেই তাই দ্রুত সমস্ত শক্তি এবং অভিজ্ঞতা দিয়ে হরিণকে লক্ষ্য করে তীর ছুঁড়ে মারল। একেবারে পাকা শিকারী। লক্ষ্যচ্যুত হলো না, ঠিক ঠিক হরিণের বুকে গিয়ে বিঁধে গেল তীর। বেচারা হরিণ বিন্দুমাত্র নড়াচড়াও করল না। মাটিতে পড়ে গেল।   শিকারী দ্রুত দৌড়ে গেল হরিণের কাছে। শিকারের বুকে বিঁধে যাওয়া তীরটা টেনে বের করল। শিকারের হাতিয়ার গুছিয়ে নিয়ে শিকারী এবার মৃত হরিণটাকে কাঁধে নিয়ে ফিরে চলল বাড়ির দিকে। তার কণ্ঠে তখন প্রশান্তি আর আনন্দের প্রকাশ প্রাণখোলা গান: আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে….   গান গাইতে গাইতে সারাদিনের ক্লান্তি ভুলে গেল শিকারী। খুব একটা দূরে নয় বনের কাছেই ছিল শিকারীর বাসা। মনের আনন্দে হেঁটে হেঁটে বাসায় যাবার পথে আবারও তার কানে ভেসে এলো খস খস শব্দ। হঠাৎ থমকে দাঁড়িয়ে এদিক ওদিক তাকাল। মনে মনে ভাবল: ‘আরেকটা হরিণ নয় তো! হতেই তো পারে। তাহলে তো সতর্ক হতে হয়! কোনোভাবেই শব্দ করা ঠিক হবে না। কিন্তু একটা হরিণ তো পেলাম। আরেকটা কি শিকার করব’?   কিছুক্ষণ ভাবল শিকারী। একটু পরেই মনে মনে সিদ্ধান্ত পাল্টিয়ে বলল: ‘একটা পেয়েছি তো কী হয়েছে! বিক্রি করে দেব! বিক্রির টাকা দিয়ে ঘরের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনব’। যেই চিন্তা সেই কাজ। ঘাড় থেকে মৃত হরিণটাকে মাটিতে রাখল শিকারী। আবারও তীর ধনুক প্রস্তুত করল। তার কানে খস খস শব্দ পুনরায় ভেসে এল। শিকারী কিন্তু ততক্ষণে পুরোপুরি প্রস্তুত। হরিণ দেখার সাথে সাথে তীর মারবে। আগের মতোই একেবারে সোজা বুকে মেরে দেবে। চিন্তা করতেই জঙ্গলের ভেতর থেকে একটা বুনো শূকর গরগর শব্দ তুলে দৌড়ে গেল শিকারীর সামনে দিয়ে। শিকারীও কম যায় না। সঙ্গে সঙ্গে ছুঁড়ে মারল তীর। অভিজ্ঞ শিকারীর তীর লক্ষ্যভেদ করল। শূকরের ঘাড়ে গিয়ে বিদ্ধ হলো তীর। কিন্তু না। শূকর হরিণের মতো মাটিতে লুটিয়ে পড়লো না। তার ঘাড় থেকে দরদর করে রক্ত পড়ছিল তখনো।   তবু থামল না বরং আরও হিংস্রভাবে দৌড়তে লাগল। শিকারী তাই আরেকটা তীর প্রস্তুত করল। এই তীরটি লক্ষ্যভেদ করল হয়তো শূকর মাটিতে লুটিয়ে পড়ত। কিন্তু ততক্ষণে তীরবিদ্ধ শূকর শিকারীর কাছে এসে গেল। কাছ থেকে শূকরের আহত অবস্থা দেখে শিকারী তার কষ্টটা অনুভব করল। তীর আর ছোঁড়া হলো না। শূকর পাল্টা হামলা চালাল। শিকারী এবং শিকারের মধ্যে শুরু হয়ে গেল যুদ্ধ। এই যুদ্ধে যে জিতবে সে-ই বেঁচে যাবে। কিন্তু সহজে যুদ্ধ থামল না। দীর্ঘক্ষণ ধরে ব্যাপক সংঘর্ষের ফলে উভয়েই মারাত্মক আহত হলো। শূকর এবং শিকারী উভয়ের শরীর থেকেই ভয়াবহরকমের রক্তক্ষরণ হলো। তারা এতোই দুর্বল হয়ে পড়লো যে,কারুরই আর উঠে সোজা হবার জো রইলো না। মৃত হরিণের পাশে শূকর এবং শিকারী লুটিয়ে পড়লো। কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা মরে গেল। যুদ্ধে কেউই জিততে পারল না। মৃত শিকারীর হাতে তখনও তীর ধনুক এমনভাবে প্রস্তুত ছিল যে দেখলে মনে হবে এক্ষুণি বোধ হয় ছুঁড়ে মারবে। কিন্তু ছুঁড়ে মারার সেই শক্তি আর কোথায়।   একটি হরিণ, একটি শূকর আর একজন শিকারীর লাশ পাশাপাশি পড়ে আছে। রক্ত ঝরছে। কী করুণ দৃশ্য তাই না! একটু আগেও তারা সবাই জীবিত ছিল। নিঃশ্বাস নিতো। অথচ সামান্য সময়ের ব্যবধানে সবাই এখন মৃত। তাদের নিঃসাড় দেহগুলো পড়ে আছে মাটিতে। ঠিক সেখানেই মাংসের গন্ধ শুঁকে শুঁকে এল বিশাল এক নেকড়ে। ভীষণ ক্ষুধার্ত ছিল সে। খাবারের সন্ধানেই ঘুরছিল। হঠাৎ নাকে রক্তমাংসের ঘ্রাণ পেয়ে গন্ধ শুঁকে শুঁকে এসে এতো এতো খাবার দেখে তো নেকড়ে হতবাক। বিশ্বাসই হচ্ছিলো না তার। তিন তিনটে শিকার একসাথে,বিনা পরিশ্রমে! খুশিতে হাঁক দিয়ে মৃতদেহগুলোর চারদিকে বৃত্ত রচনা করছিল ঘুরে ঘুরে। উচ্চস্বরে হাসতে হাসতে বলল: ‘হে ক্ষুধার্ত নেকড়ে! তোর খাবার তো প্রস্তুত রে! খা! পেট পুরে খা’!   হঠাৎ নেকড়ের মনে একটা বুদ্ধি এলো। ভাবল: ‘সব খাবার একদিনে না খেয়ে আজ কেবল একটা খাব। বাকি দুটোকে লুকিয়ে রাখব কোথাও। কটা দিন ভালোভাবেই কাটবে। বিনাশ্রমে মজার মজার খাবার খাব, মন্দ কী! কিন্তু কোথায় লুকানো যায়। এমন জায়গায় লুকাতে হবে কেউ যাতে খেয়ে ফেলার সুযোগ না পায়। আগে দুপুরের খাবারটা সেরে ফেলা যাক, তারপর লুকানোর চিন্তা করা যাবে।’ এই বলে নেকড়ে প্রথমেই গেল মৃত শিকারীর লাশের কাছে। তাকে দিয়েই দুপুরের খাবার সারবে বলে ভাবল। দেখেই মনটা জুড়িয়ে গেল নেকড়ের।   একেবারে তরতাজা। এখনো রক্ত ঝরছে। নাকটা লাশের কাছে নিয়ে শুঁকল আর পায়ের পাঞ্জা দিয়ে নাড়া দিয়ে দেখতে চাইল সত্যিই মরা কিনা! কিন্তু পাঞ্জা দিয়ে নাড়া দিতেই মৃত শিকারীর হাতের প্রস্তুত তীরটা বেরিয়ে গিয়ে সোজা বিঁধে গেল একেবারে নেকড়ের বুকে। কোত্থেকে কী হয়ে গেল বুঝে উঠতে পারছিল না নেকড়ে। শুধু টের পেল তার চোখ দুটো বুঁজে আসছে। ঢুলুঢুলু চোখে টলমল দেহে পায়চারী করতে করতে মৃতদেহগুলো থেকে খানিকটা দূরে গিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল নেকড়ে। মনের গহীনে তার পড়ে রইল দুপুরের খাবার, যেমন ছিল ঠিক তেমনি। ভবিষ্যতের সঞ্চয়ের জন্য গোপন জায়গাটিও আর খোঁজা হলো না তার।

ইসলাম গল্প ২০২০ by AsadRahman

জুলাই ২২, ২০১৯ 0
Islamer Golpo শিক্ষনীয় কাহিনী একদিন এক মহিলা ছুটে এসে আরজ করতে লাগল, হে আমীরুল মোমেনিন, আমার হাত থেকে এক শিশি তৈল হঠাৎ মাটি তে পড়ে যায়। আর মাটি ও সাথে সাথে তা চুষে নেয়। এখন আপনার কাছে আমার আরজ, আমি আমার তৈল ফেরত চায়। অত পর হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু একটি কাগজের টুকরা হাতে নিয়ে তাতে কি যেন লিখলেন, লিখার পর তা ভাঁঝ করে ওই মহিলাটির হাতে দিলেন। এবং বললেন,যাও তৈলের শিশি টি যেখানে পড়ে ছিল ঐখানে এ কাগজ টা ফেলে দিও। মহিলা টি ও তাই করল। সাথে সাথে জমিন ওই মহিলার তৈল তার থেকে বের করে দিল, এর পর মহিলাটি তার তৈলের শিশিটি ও পূর্ণ করে নিল, অত পর কৌতূহলি হয়ে মহিলাটি ঐ কাগজ আবার হাতে তুলে নিলেন, এবং দেখতে লাগলেন, যে আমীরুল মোমেনিন এই কাগজে কী এমন লিখেছিলেন!! যে মাটি; তৈল গুলা ভক্ষণ করে আবার বের করে দিল!! অত পর মহিলাটি দেখলেন, ঐ কাগজে আমীরুল মোমেনিন লিখেছিলেন যে, “”হে জমিন এই মহিলাটির তৈলগুলা বের করে দাও যা তুমি ভক্ষণ করেছ, নইলে তোমার মাঝে একজন বে নামাযী কে দাফন করে দিব!!”” দেখুন! বে নামাযী কে জমিন পর্যন্ত ভয় পায়, ঘৃণা করে, জমিন পর্যন্ত গ্রহণ করতে চায় না আমরা যারা নামায পড়িনা! আমাদের কি অবস্থা হবে??? আল্লাহ আমাদেরকে ৫ওয়াক্ত নামায জামাত সহকারে আদায় করার তৌফিক দান করুক আমীন..।

সোমবার, ৬ মে, ২০১৯

তুমি মুসলিম

মে ০৬, ২০১৯
তুমি মুসলিম
তুমি মুসলিম....... . তুমি মুসলিম! কারণ যখন তুমি মেসি মেসি করে চিল্লাও, তখন মিয়ানমারের মুসলিমরা বাঁচাও বাঁচাও করে চিল্লায়। . তুমি মুসলিম! কারণ তুমি যখন নেইমার নেইমার কর, তখন সিরিয়ার অবুঝ ছেলেটি ড্রোনের আঘাতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে। . তুমি মুসলিম! কারণ তুমি যখন কোহলির ছয় দেখে নাচো, তখন কাশ্মিরে ভারতীয়দের হাতে আমার বোন ধর্ষিত হয়। . তুমি মুসলিম! কারণ Afridi will you marry me? প্ল্যাকার্ড হাতে লাফাও, তখন পাকিস্তানে আমার মুজাহিদ ভাই শত্রুর বুলেটের আঘাতে ছটফট করে। . তুমি মুসলিম! কারণ যখন তুমি বাড়ির ছাদে বিধর্মীদের পতাকা ঝোলাও, তখন তারা কালিমাখচিত পতাকা আগুনে পোড়ায়। . তুমি মুসলিম! কারণ যখন তুমি আমেরিকাত পাড়ি দেওয়ার জন্য পাগল হও তখন তারা ইনোসেন্স অফ মুসলিম রিলিজ করে। . তুমি মুসলিম! কারণ যখন সানি লিওনের সারপ্রাইজ সেক্স তত্ত্ব এপ্লায় কর তখন আফিয়া, ফাতিমারা ভেনদেশি কারাগারে ধর্ষিত হয়। . তুমি মুসলিম! কারণ যখন তুমি সাকিব, সাকিব কর, তখন আমার দেশে লাখো স্বজনহারা মজলুম বুকফাটা আর্তনাদ করে। . তুমি মুসলিম! কারণ যখন তুমি গার্লফ্রেন্ডের সাথে মাস্তি কর, তখন গুজরাটের কোন এক মুসলিম ভাই তার ধর্ষিতা স্ত্রীর নিথর দেহ ঝড়িয়ে ধরে কাঁদে। . আর কত প্রমাণ দিতে হবে তোমার মুসলমানিত্বের? অথচ পৃথিবীর এক প্রান্তে এক মুসলিমকে একটা পিপড়ায় কামড় দিলেও অপর প্রান্ত থেকে তোমার ব্যাথিত হওয়া উচিত ছিল। . এরপরেও তুমি নিজেকে মুসলিম দাবি কর!! লজ্জা করে না? ছিঃ ছিঃ তোমার শরীরে পুজ অাছে পুজ, ওটা বের করে ফেলে দাও। আজ থেকে তওবা করো, যতদিন আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, কাশ্মীরসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশগুলোতে আমার মুসলিম ভাই-বোনেরা জালেমের অত্যাচারে চিৎকার করবে, যতদিন আমার মুসলিম ভাই-বোনেরা না খেতে পেরে ক্ষুধার জ্বালায় কষ্ট পাবে, যতদিনআমার মা-বোনেরা কাফেরদের হাতে ধর্ষিতা হবে। যতদিন আমার ভাইয়েরা জালেমের কারাগারে নির্যাতনের স্টিমরুলারের আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হবে। যতদিন সমগ্র বিশ্বে ইসলামের পতাকা উড়াতে না পারবো। ততদিন বিধর্মিদের আবিস্কৃত কোন নেশায় নিজেকে বিলিয়ে দিবো না। ততদিন আমার জন্য ক্রিকেট, ফুটবল, টিভি, গান-বাজনা হারাম, হারাম, হারাম। কি পারিনা নিয়ত করতে? আমাদের লেখা গুলো যদি আপনাদের ভালোলাগে, তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন এবং আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ।

শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০১৯

ইসলামের কথা

মার্চ ২৯, ২০১৯
ইসলামের কথা
কলেজ থেকে বাসায় ফিরছি। অটো থেকে নেমে বাসার সামনে থাকা টেইলার্সের দোকান টাতে হঠাৎ করে চোখ পড়তেই পুরো মেজাজ গরম হয়ে যায়.... তাড়াতাড়ি করে অটো ড্রাইভার কে ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে টেইলার্সের ভেতরে গিয়ে বাবার বয়সি মানুষ টার গালে পরপর ৩ টা চড় দিয়েছি.... লোকটি চড় খেয়ে আমার দিকে পলকবিহীন তাকিয়ে আছে। হইতো ভাবছেন, এটা কি হলো?? ওনার ভাবনাতে আমার কিছু যায় আসে না, পেছনে ঘুরে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে, শরীরের দাম যদি এত নগন্য মনে হই, ত পতীতা পল্লী আছে, যেখানে যাইতে পারেন। মেয়েটা কাঁচুমাঁচু করে চোখ এদিক ওদিক করতে লাগলো.... আমি দোকানদারের দিকে আর এক পলক রাগী দৃষ্টিতে তাকিয়ে, এমন টা আর একবার করবেন ত পরিনাম টা যে ভালো হবে না এটুকু জেনে রাখেন। ততক্ষনে অনেক লোক জমায়েত হয়েছে। সবাই শুধু কানাঘুষা করছে, কেউ কেউ বলছে দোকানদারকে বিনা কারনে মেয়েটা চড় দিয়েছে ত কেউ কেউ বলছে, না না, নিশ্চয়ই কারণ আছেই... আমি বাহিরে আসতেই সবাই চুপ হয়ে গেলো.... সবার দিকে এক পলক তাকিয়ে, গেট খুলে তাড়াতাড়ি করে বাসার উপরে উঠে আসি... হিজাব, হাত আর পা মোজাটা খুলে বিছানার উপরে টান টান হয়ে শুয়ে পড়ি। উপরে ফ্যান টা ঘুরছে অদম্য শক্তিতে। চোখ টা বন্ধ করেছিলাম, হঠাৎ দোকান দারের করা কাজগুলো বার বার চোখে ভেসে আসছিলো, ঘটনা টা ঘটেছে এমন, মহিলাটা হইতো জামা, সালোয়ার বা ব্লাউজ বানাবে, সেই জন্য হইতো মাপ দিতে এসেছে। আর দোকান দার সেই সুযোগ টাই নিচ্ছিলো ইচ্ছেমতো মহিলাটার বুকেতে + কোমড়ের সাইড টাতেও বার বার হাত দিচ্ছিলেন। আর মহিলাটাও যে নোংরা প্রকৃতির সেটা ওনার আচরণ টাতে বুঝতে পেরেছি... আম্মি হুরমুড় করে ঘরেতে প্রবেশ করলো... কি হয়েছে??(আমি) কি হয়েছে প্রশ্ন টাতো আমি করবো। কি করেছিস আবার বলতো...(আম্মি( কিছু করিনি...(আমি) ত নিচে তোকে নিতে সবাই কি বলাবলি করছে??(আম্মি) মুখ আছে ওনাদের বলছে। কান আছে তোমার ইচ্ছা হলে শুনবা নইতো শুনবা না। বলেই ওয়াশরুমে ঢুকে গেলাম.... শাওয়ারের নিচে বসে আছি আর কান্না করছি। মানুষ এতটা নোংরা হই কেমনে?? রাত্রে খাবার টেবিলে বসে আছি.... বাবা আমার দিকে তাকিয়ে, মা তুলি, কি হয়েছে মা?? আমি মাথা তুলে, কিছু না বাবা... কিছু একটা ত হয়েছেই। কি হয়েছে মা??(বাবা) চোখ থেকে জল পড়ছে আমার, বাবা উঠে এসে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে, খাবার টেবিলে চোখের পানি ফেলতে নেয় মা। কি হয়েছে আমায় বলো.. বাবা আমি আর পড়বো না...(আমি) কি বলছো মা?? অনার্স শেষ হতে ত তোমার আর ১ বছর ও নেই। এই সময়ে...(বাবা) ১ বছর অবধি যদি বেঁচে না থাকি বাবা??(আমি) ছিহ মা এমন কথা বলতে নেই...আমার পরীটার আয়ু হাজার বছর হোক(বাবা) আমি বাবার হাত ধরে, একজন মুমিন হউয়া খুব কঠিন তাই না বাবা?? বাবা এবার বুঝতে পেরেছেন...উনি আমার মাথায় হাত বুলিয়ে, অনেক কঠিন মা। আর এই যুগে ত আরো কঠিন... হুম বাবা। (আমি) তবে হার মানবে না মা। বিজয় হবেই...(বাবা) মা রান্না ঘর থেকে এসে, আর বিজয়। বাড়িয়ালা সন্ধায় এসে বলে গেছেন কালকের মধ্যেই যেনো বাড়ি ছাড়ি... আমি মাথা নিচু করে নেয়... বাবা কিছু বললেন না। শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেললেন.... মা এসে আমার সামনে দাঁড়িয়ে, তোর বাবার লাখ লাখ টাকা নেই যে ২ দিন পরপর বাসা খুজে নিবে। তুই ত সব বুজিস মা। কিন্তু এইটুকু কেন বুজিস না?? আমি কিছু না বলে চুপ করে আছি... রাত্রে বিছানাতে শুয়ে শুধু এপাশ ওপাশ করছি কিছুতেই ঘুম আসছে না। অনার্সে প্রথম ইয়ারে যেদিন উঠি আমি কিন্তু এমন ছিলাম না। অন্যদের মতো সিভিল ড্রেসে কলেজে যাওয়া। বান্ধবীদের সাথে আড্ডা দেউয়া, বন্ধুদের সাথে মজা করা। ফেইসবুকে ছেলেদের সাথে চ্যাটিং সবকিছুতেই পারদর্শী ছিলাম আমি.... কিন্তু আমার জীবন টা বদলানোর জন্য ১৪ই ফ্রেবুয়ারির ওই দিনটাই যথেষ্ট ছিলো.... গাড়িতে বসে ছিলাম প্রেমিক রাহুলের সাথে। আমাদের সামনের সিটে এসে বসলো এক মেয়ে তবে তার আপাদমস্তক কালো কাপড়ে ঢাকা ছিলো। আমি তাকে ওই অবস্তায় দেখে কিছু না অনেক টাই অবাক হয়েছিলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম ঠান্ডার জন্য হইতো এমন করেছে কিন্তু শীতের মধ্যেও যখন দেখলাম ওনার কপালে কিছুটা ঘাম জমেছে তখন বুঝলাম ব্যাপার টা অন্য কিছু। উনি আমার দিকে তাকিয়ে কিছুসময় কি যেনো দেখলেন...তারপর আমার হাত টা ধরে, আপনি কি মুসলিম?? (উনি) আমি হকচকিয়ে যায়, তবে সাথে সাথেই উত্তর দেয়, জি... উনি রাহুলের দিকে না তাকিয়েই, ইনি কি আপনার প্রেমিক?? জি.. (আমি) আপনি কি জানেন ইসলামে বিয়ের পূর্বে প্রেম নিষিদ্ধ?? (উনি) আমি মাথা নামিয়ে নেয়... আপনি ওনাকে অনেক ভালোবাসেন তাই না??(রাহুলের ব্যাপারে) জি..(আমি) যদি সত্যি আপনি ওনাকে ভালোবেসে থাকেন ত আপনি কি চাইবেন, একমাত্র আপনার জন্য উনি জাহান্নামে জলুক??(উনি) কখনো ত এটা ভেবেও দেখিনি...(মনে মনে ভাবছি আমি) বোন, প্রেম জায়েজ আছে। বিয়ের পরের প্রেমে। হাজার টা সওয়াব আছে স্বামী স্ত্রীর পবিত্র প্রেমে। আর প্রেমিক প্রেমিকা যুগলে প্রেমেতে গোনাহ ছাড়া সওয়াব নেই। তাই দয়া করে এগুলো থেকে দূরে আর ইসলামের পথে আসুন... কিছুদুর পরেই মেয়েটা অটো থেকে নেমে যান.... ওইদিনে বাসায় এসে, আমি অনেক ভেবেছি। এবং ভাবনাতে এতটা ডুবে ছিলাম যে দুনিয়ার চিন্তা ভুলে গেছিলাম। রাত্রে অনেক বাজে স্বপ্ন দেখে ভয় পেয়ে যায়। এতটা ভয় পেয়েছিলাম মনে হচ্ছিলো এই বুঝি আমার জান কবজ করতে আসছেন আজরাইল (আঃ)। কান্না করে দেয় আমি...ভয় আর পূর্বের করা গোনাহের জন্য অনুতপ্ত ছিলাম আমি... এরপর থেকে শুরু হলো আমার যুদ্ধ... রাহুলের সাথে সব কন্টেক্ট অফ করে দেয়...।ফেবু থেকে নিজের ছবি + পুরো ফেইসবুক টাই ডিলিট মারি। কষ্ট হচ্ছিলো খুব এত দিনের গড়া আমার একটু একটু ভালোবাসাগুলোকে কবর দিচ্ছি। হাত পা মোজা যেদিন প্রথম পড়লাম। আমার বান্ধবীদের কমেন্ট ছিলো... কিরে পাগল হলি কবে থেকে?? মাথায় এই ভুত কে চাপালো?? বন্ধুদের কমেন্ট ছিলো, তোকে দেখে আমাদেরি ত গরম লাগছে রে, সড় সড়... পাড়াপ্রতিবেশিদের কমেন্ট ছিলো, এইসব ভন্ডামী ছেড়ে দাও...জঙ্গী জঙ্গী লাগছে... বাবা খুশি হলেও মা খুশি হয়েছিলো না এই ভেবে যে মেয়েটাকে যদি কেউ না দেখতে পায় ত বিয়ে হবে কেমনে?? স্যারের কমেন্ট ছিলো, এটা আবার কবে ত্থেকে শুরু করেছেন?? রাহুল একদিন পথ আগলে ধরে বলেছিলো, তুমি এগুলো ছেড়ে দাও... আমি রাহুলের দিকে তাকিয়ে বলেছিলাম, তোমায় ছাড়তে পারবো তবুও ইসলাম কে ছাড়তে পারবো না। রাহুল ব্যজ্ঞস্বরে বলেছিলো, জানি ত, বুঝি ত আমি। নতুন নাঙ জুটাইছোস তুই যার জন্য এখন এইসব ভঙ্তাবাজি করছোস... এতটা আঘাত পেয়েছিলাম ওইদিন যে প্রতিটা রাস্তাতে চোখ থেকে পানি পড়ছিলো। কিন্তু এইটুকু বলে নিজেকে সান্ত্বনা দিয়েছিলাম যে, যে যেমন ক্যারেকটারের সে আমাকে ঠিক তেমন টাই ভাববে.... আর এই সমস্ত কিছুর জন্য আমার বাবাকে বার বার বাসা বদলাতে হয়েছে...কোথাও কোন খারাপ কিছু দেখলে পর্দার আড়ালে থেকেই তার প্রতিবাদ করতাম জন্য তার প্রাপ্য হিসেবে বাড়িয়ালা বাসা ছাড়ার আদেশ দিতেন।আজ যেমন টা দিয়েছেন... আমার বাবা মধ্যবিত্ত। তার ও তেমন অবস্থা নেই যে বার বার বাসা বদলাবে। মাঝে মাঝে মনে হই এগুলো থেকে দূরে থাকতে কিন্তু পারি নাহ। এর প্রতিবাদ না করলে যে আমাকেও হইতো এর জন্য জবাবদিহির সামনে পড়তে হতে পারে, সেই ভয়টা আজও আমার মনেতে ভালোভাবেই গেঁথে আছে। নাহ আজ আর ঘুম আসবে না...। উঠে বসে পড়লাম। ওয়াশরুম থেকে অযু করে এসে কুরআন টা নিয়ে পড়তে লাগলাম। মনে এক প্রশান্তি আসছে সাথে নিজেকে সমস্ত প্রতিবন্ধকতা থেকে দূরে রাখারো পথ খুলে যাচ্ছে...মুচকি হাসি স্পষ্ট হতে লাগলো আমার মুখেতে ... লেখাঃ মোঃআসাদ রহমান